প্রধানমন্ত্রীর-কার্যালয়
জ্বালানি, কৃষি ও জলবায়ু অর্থায়নে কানাডার সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী
জ্বালানি, কৃষি ও জলবায়ু অর্থায়নে কানাডার সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেই সঙ্গে প্রায় ১৩ লাখ রোহিঙ্গার নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনকে এ সংকটের স্থায়ী সমাধান হিসেবে উল্লেখ করেন।
সোমবার (১২ অক্টোবর) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে কানাডার আন্তর্জাতিক উন্নয়নবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী রণদীপ সরাইয়ের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব শাহাদাৎ হোসেন স্বাধীন জানান, বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার, অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং বাংলাদেশ ও কানাডার মধ্যে কৌশলগত অংশীদারত্বের নতুন সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা, খাদ্যনিরাপত্তা, দারিদ্র্য বিমোচন, নবায়নযোগ্য জ্বালানিসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ও আলোচনায় উঠে আসে।
রোহিঙ্গা সংকট প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশে প্রায় ১৩ লাখ রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছে। এতে দেশের অর্থনীতি ও পরিবেশের ওপর উল্লেখযোগ্য চাপ সৃষ্টি হচ্ছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশকে নিজস্ব অর্থনৈতিক ও সামাজিক চ্যালেঞ্জও মোকাবিলা করতে হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের জন্য মানবিক সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ হলেও সংকটের স্থায়ী সমাধান হচ্ছে তাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন। সংকটটির উৎপত্তি মিয়ানমারে, তাই এর সমাধানও সেখানেই করতে হবে।
রণদীপ সরাই রোহিঙ্গাদের শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করার গুরুত্বের বিষয়ে একমত হন।
কানাডার পক্ষ থেকে বাংলাদেশে জ্বালানি সরবরাহে সহযোগিতার আগ্রহ প্রকাশ করা হয়। বিশেষ করে তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহে কানাডা সম্ভাব্য অংশীদার হতে পারে বলে জানানো হয়।
বাংলাদেশের পক্ষ থেকে প্রস্তাবটি ইতিবাচকভাবে বিবেচনার কথা জানানো হয়।
কারিগরি শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়ন
বাংলাদেশে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা এবং প্রশিক্ষণ (টিভিইটি) খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণে আগ্রহ প্রকাশ করেছে কানাডা।
নার্সিং প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান স্থাপন এবং দক্ষ নার্স তৈরির ক্ষেত্রেও দুই দেশের সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়। এ খাতে কানাডার ইতোমধ্যে কার্যক্রম রয়েছে এবং তা আরও সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে বলে বৈঠকে জানানো হয়।
কৃষি ও খাদ্যনিরাপত্তা
এছাড়া ডাল ও তৈলবীজের মতো কৃষিপণ্যের উৎপাদন ও সরবরাহে সহযোগিতা জোরদার করার সুযোগ নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়।
বাংলাদেশের খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টায় সহযোগিতা করতে আগ্রহ প্রকাশ করে কানাডা।
আন্তর্জাতিক ভুট্টা ও গম উন্নয়ন কেন্দ্রের (সিমিট) মাধ্যমে বাস্তবায়িত চলমান কর্মসূচিগুলো সম্পর্কেও প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করা হয়।
এ সময় বাংলাদেশের কৃষক কার্ড কর্মসূচি নিয়েও আলোচনা করেন দুই দেশের প্রতিনিধিরা। এ কর্মসূচির আওতায় সরকার কৃষকদের সার, বীজসহ প্রয়োজনীয় কৃষি উপকরণ সরবরাহের পরিকল্পনা করছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ কর্মসূচির মাধ্যমে কৃষকদের বিস্তারিত তথ্য সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে। এতে কৃষি খাতে আরও কার্যকর পরিকল্পনা গ্রহণ এবং সরকারি সহায়তা আরও ভালোভাবে পৌঁছে দেওয়া সহজ হবে।
এ খাতে তথ্য ব্যবস্থাপনা ও উপাত্তভিত্তিক পরিকল্পনা প্রণয়নে কানাডার অভিজ্ঞতা থেকে বাংলাদেশ কীভাবে উপকৃত হতে পারে, তা নিয়েও আলোচনা হয়।
১৬ দিন আগে
জনগণের অর্থের প্রতিটি পয়সা জাতীয় স্বার্থে ব্যয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে বরাদ্দ দেওয়া জনগণের অর্থের প্রতিটি পয়সা যাতে সঠিকভাবে দেশের ও মানুষের স্বার্থে ব্যয় হয়, সে বিষয়ে সরকারি কর্মকর্তাদের সতর্ক ও দায়িত্বশীল হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রবিবার (১১ অক্টোবর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম ও বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা-সংক্রান্ত সভায় প্রধানমন্ত্রী এ নির্দেশ দেন।
সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা অনেকগুলো প্রকল্প গ্রহণ করেছেন, অনেকগুলো লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করেছেন। সেই লক্ষ্যমাত্রাগুলো অর্জনের জন্য অবশ্যই সরকার থেকে বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হবে। কিন্তু এটা জনগণের অর্থ। আমি আশা করব, জনগণের অর্থের প্রতিটি পয়সা যাতে সঠিকভাবে দেশের স্বার্থে ও মানুষের কল্যাণে ব্যয় হয়, সে বিষয়ে আপনারা সবাই মনোযোগ দেবেন।’
সরকারি দায়িত্বকে দেশের মানুষের জন্য কাজ করার বিশেষ সুযোগ হিসেবে দেখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, দেশের সামগ্রিক জনসংখ্যার তুলনায় সরকারি দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা সুবিধাপ্রাপ্ত অবস্থানে রয়েছেন। এই সুযোগকে মানুষের কল্যাণে কাজে লাগানো উচিত।
তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা যারা এখানে আছি, বাংলাদেশের সামগ্রিক জনসংখ্যার তুলনায় আমরা সবাই সুবিধাপ্রাপ্ত। আল্লাহ আমাদের দেশের জন্য, মানুষের জন্য কাজ করার একটা সুযোগ দিয়েছেন। যার যতটুকু কাজ করার সুযোগ আছে, আমরা যেন সেই কাজটি আন্তরিকভাবে করতে পারি। আমাদের সবার সেই চেষ্টা থাকতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, দায়িত্ব পালনের সুযোগ সবসময় থাকে না। তাই যে যখন যে দায়িত্বে রয়েছেন, তাকে সেই সুযোগ দেশের ও মানুষের কল্যাণে যথাযথভাবে কাজে লাগাতে হবে।
সভায় মন্ত্রণালয়ের চলমান কার্যক্রম, গৃহীত উন্নয়ন প্রকল্প এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা ও লক্ষ্যমাত্রা সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
সভা শেষে প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘আসুন, আমরা সবাই চেষ্টা করি, যার হাতে যত দিন সুযোগ আছে, সেই সুযোগটা যেন মানুষ ও দেশের জন্য ঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারি।’
এছাড়া সভায় কর্মকর্তাদের আরও সক্রিয়ভাবে মতামত দেওয়ার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, বিভিন্ন পর্যায়ে কর্মরত কর্মকর্তাদের মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা ও পর্যবেক্ষণ সরকারের সিদ্ধান্ত গ্রহণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
ভবিষ্যতে মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আবারও আলোচনা করার কথা জানিয়ে তিনি আশা প্রকাশ করেন, পরবর্তী বৈঠকগুলোতে কর্মকর্তারা আরও খোলামেলাভাবে নিজেদের অভিজ্ঞতা, পর্যবেক্ষণ ও মতামত তুলে ধরবেন।
সভায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, সচিব দেলোয়ার হোসেনসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
১৭ দিন আগে
এআই ডেটা সেন্টার ও দ্বিতীয় কাফকো কারখানায় মারুবেনির বিনিয়োগ চান প্রধানমন্ত্রী
জাপানের মারুবেনি করপোরেশনকে বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি, সার ও জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, যার মধ্যে দ্বিতীয় কাফকো সার কারখানা স্থাপন এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) ডেটা সেন্টার প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনাও রয়েছে।
রবিবার (১১ অক্টোবর) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মারুবেনি করপোরেশনের প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাসায়ুকি ওমোটোর নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব শাহাদাত হোসেন স্বাধীন এ তথ্য জানান।
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে কাজে লাগানো এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে সরকার দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করতে কাজ করছে।
বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি, সার ও জ্বালানি খাতে বিনিয়োগের জন্য মারুবেনিকে স্বাগত জানিয়ে তিনি প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের ব্যবসায়িক সম্পর্ক আরও বিস্তৃত করার ওপর গুরুত্ব দেন, বিশেষ করে পাটজাত পণ্যে বিদ্যমান ব্যবসায়িক সম্পর্কের পাশাপাশি নতুন নতুন খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।
১৭ দিন আগে
বর্জ্য থেকে জ্বালানি উৎপাদন প্রকল্প বাস্তবায়নে সহায়তার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর
বর্জ্য থেকে জ্বালানি তেল উৎপাদন এবং আমদানিনির্ভরতা কমাতে সহায়ক একটি প্রযুক্তির প্রকল্প বাস্তবায়নে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার (১০ অক্টোবর) তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) একদল গবেষক তাকে এ প্রকল্প সম্পর্কে অবহিত করার সময় তিনি এ আশ্বাস দেন। কুয়েটের অধ্যাপক ড. মো. খালেকুজ্জামান দলটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, হাইড্রোথার্মাল লিকুইফ্যাকশন (এইচটিএল) নামের একটি প্রক্রিয়ায় মানুষের বর্জ্য, পয়ঃশোধনাগারের বর্জ্য, রান্নাঘরের বর্জ্য ও কৃষিজ অবশিষ্টাংশ থেকে জ্বালানি তেল উৎপাদন করা হয় এ প্রযুক্তিতে।
গবেষকরা জানান, তারা প্রায় ১০ বছর ধরে এ প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছেন। পরীক্ষাগারে তারা ৫০ থেকে ৫৫ শতাংশ বায়োক্রুড উৎপাদনে সফল হয়েছেন। ডিজেল সমৃদ্ধ বায়োক্রুড উৎপাদনেও তারা অগ্রগতি অর্জন করেছেন।
পরবর্তী ধাপে প্রতিদিন এক থেকে তিন টন বর্জ্য প্রক্রিয়াজাত করতে সক্ষম একটি পরীক্ষামূলক প্ল্যান্ট স্থাপন করা হবে। এর মাধ্যমে প্রযুক্তিটির কার্যকারিতা, উৎপাদন ব্যয় ও বাণিজ্যিক সম্ভাব্যতা যাচাই করা হবে। প্রস্তাবিত প্রকল্পটির আনুমানিক ব্যয় ধরা হয়েছে ১০০ থেকে ১২০ কোটি টাকা।
১৮ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ডিপি ওয়ার্ল্ডের চেয়ারম্যানের সাক্ষাৎ
ডিপি ওয়ার্ল্ডের বোর্ড অব ডিরেক্টরসের চেয়ারম্যান এসা কাজিমের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছে।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, বন্দর ব্যবস্থাপনা ও লজিস্টিকস খাতের উন্নয়ন এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।
এ সময় চট্টগ্রাম কনটেইনার টার্মিনাল পরিচালনা ও আধুনিকায়নে বাংলাদেশ ও ডিপি ওয়ার্ল্ডের মধ্যে স্বাক্ষরিত ১৫ বছর মেয়াদি কনসেশন চুক্তি নিয়েও আলোচনা হয়।
চুক্তির আওতায় কনটেইনার টার্মিনাল ও এর ওভারফ্লো কনটেইনার ইয়ার্ড পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব পালন করবে ডিপি ওয়ার্ল্ড।
টার্মিনালটির আধুনিকায়ন, পরিচালন দক্ষতা বৃদ্ধি এবং বন্দর ও লজিস্টিকস অবকাঠামোর সক্ষমতা বাড়াতে এ অংশীদারত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী ফ্রি ট্রেড জোন ও রেলভিত্তিক ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপো স্থাপন এবং বাংলাদেশে নতুন বিনিয়োগের বিষয়ে ডিপি ওয়ার্ল্ডের প্রতিনিধিদলের আগ্রহের কথা জানতে চান।
এ সময় প্রতিনিধিদল এসব খাতে সহযোগিতা ও বিনিয়োগের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করে।
১৯ দিন আগে
সব ইউনিয়নে খেলার মাঠ তৈরির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
শিশু, কিশোর ও তরুণদের জন্য সুস্থ ও ক্রীড়াবান্ধব পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে অন্তত একটি করে খেলার মাঠ স্থাপন এবং আগামী দুই মাসের মধ্যে সারা দেশে অন্তত এক হাজার খেলার মাঠ গড়ে তুলতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
এছাড়া ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের প্রতি দুই থেকে তিনটি ওয়ার্ডের জন্য অন্তত একটি করে খেলার মাঠ নিশ্চিত করার নির্দেশও দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বিকেলে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে ইউনিয়ন পর্যায়ে খেলার মাঠ স্থাপন ও ক্রীড়া কার্যক্রম সম্প্রসারণ নিয়ে আয়োজিত এক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী এসব নির্দেশনা দেন। বৈঠক শেষে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক সাংবাদিকদের সিদ্ধান্তগুলো সম্পর্কে জানান।
বৈঠকে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ৪০টি ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ৯০টি খেলার মাঠকে খেলাধুলার উপযোগী করে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে সেখানে নিয়মিত ক্রীড়া কার্যক্রম চালুর বিষয়ে আলোচনা হয়।
বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহারে দেওয়া অঙ্গীকার বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তারেক রহমান প্রতিটি ইউনিয়নে অন্তত একটি করে খেলার মাঠ স্থাপনের নির্দেশ দেন।
আগামী প্রজন্মের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলার সুযোগ সম্প্রসারণ এবং খেলার মাঠগুলো সবার জন্য উন্মুক্ত রাখার ওপরও তিনি গুরুত্ব দেন।
বৈঠকে জানানো হয়, দেশের চার হাজার ৫৯৯টি ইউনিয়নে পর্যায়ক্রমে খেলার মাঠ স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ পর্যন্ত ২৭টি জেলায় খেলার মাঠ স্থাপনের জন্য ৪০৩টি খাসজমি চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রস্তাবিত খেলার মাঠগুলোর আয়তন হবে তিন থেকে আট বিঘার মধ্যে।
১৯ দিন আগে
ঢাকার গণপরিবহন ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক
ঢাকার গণপরিবহন ব্যবস্থাপনা, সড়ক নিরাপত্তা ও রাজধানীর পরিবহন ব্যবস্থার বিদ্যমান বিশৃঙ্খলা দূর করার উপায় নিয়ে একটি বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
(৮ অক্টোবর) সকালে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে বৈঠকটি শুরু হয় বলে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
বৈঠকে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, সড়ক পরিবহন ও সেতু প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আবদুস সাত্তার, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহিদুল হাসান, ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ মশিউর রহমান, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক, ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমেদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে ঢাকার গণপরিবহন ব্যবস্থাপনা, সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং নগরীর গণপরিবহন ব্যবস্থায় বিদ্যমান বিশৃঙ্খলা দূর করার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
২০ দিন আগে
শৈশবে সুন্দরবনে বাঘের পায়ের ছাপ দেখার স্মৃতিচারণ প্রধানমন্ত্রীর
শৈশবের স্মৃতি স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, মা-বাবা ও ছোট ভাইকে নিয়ে তিন দিনের পারিবারিক সফরে সুন্দরবনে গিয়ে রয়েল বেঙ্গল টাইগারের পায়ের তাজা ছাপ দেখেছিলেন তিনি, যা এখনও তার মনে পড়ে।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) শিশু অধিকার দিবস-২০২৬ ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমির ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে একাডেমিতে আয়োজিত অনুষ্ঠানের বিশেষ পর্বে শিশুদের প্রশ্নের জবাব দেওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।
এক শিশু প্রধানমন্ত্রীর শৈশবের প্রিয় স্মৃতি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তার বাবা শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান একবার তাকে, তার ছোট ভাই ও তাদের মা বেগম খালেদা জিয়াকে নিয়ে সুন্দরবনে গিয়েছিলেন।
তিনি আরও বলেন, ‘সুন্দরবনে আমরা হিরণ পয়েন্ট নামের একটি জায়গায় নেমেছিলাম, যেটি ছোট একটি দ্বীপের মতো। সেখানে একটি পুকুর ছিল। ওখানকার লোকজন আমাদের বলেছিলেন, আগের রাতে একটি বাঘ পানি খেতে পুকুরে এসেছিল। পুকুরের পাশের কাদায় রয়েল বেঙ্গল টাইগারের একেবারে তাজা পায়ের ছাপ ছিল। সেই স্মৃতি এখনও মনে পড়ে।’
শৈশবে বড় হয়ে কী হওয়ার স্বপ্ন দেখতেন—এমন প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান বলেন, ওই বয়সে তার নির্দিষ্ট কোনো লক্ষ্য ছিল না।
তিনি বলেন, ‘সত্যি বলতে, তখন আমার আসলে কোনো স্বপ্ন ছিল না। তোমাদের মতো ছোট থাকাকালে শুধু ভাবতাম, বড় হয়ে সব খেলনা কিনে নেব।’
শিশুদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে সরকারের পরিকল্পনা সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, লেখাপড়ার পাশাপাশি শিশুদের তাদের সক্ষমতা বিকাশের সুযোগ দিতে হবে।
তিনি আরও বলেন, শিশুদের আত্মবিশ্বাসী মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে হবে এবং সঙ্গীত, নৃত্য, আবৃত্তি, কোরআন তিলাওয়াত, খেলাধুলা ও অন্যান্য ক্ষেত্রে তাদের প্রতিভা বিকাশের সুযোগ দিতে হবে।
তারেক রহমান বলেন, ‘তোমাদের শুধু লেখাপড়া করলেই হবে না। পাশাপাশি তোমাদের মধ্যে থাকা অন্যান্য গুণ ও প্রতিভা বিকাশের এবং সেগুলো চর্চা ও প্রকাশের সুযোগও থাকতে হবে।’
প্রযুক্তি ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ব্যবহার সম্পর্কে তিনি বলেন, শিশুরা শিক্ষা, বিজ্ঞান মেলা, খেলাধুলা ও অন্যান্য উপকারী কাজে প্রযুক্তি ব্যবহার করতে পারে। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অতিরিক্ত সময় কাটানো এড়িয়ে চলা উচিত।
একপর্যায়ে শিশুদের করা প্রশ্নের ধরন দেখে প্রধানমন্ত্রী রসিকতা করে বলেন, কিছু প্রশ্ন হয়তো বড়রা তৈরি করে দিয়েছেন। তিনি শিশুদের মনে আসা যেকোনো প্রশ্ন করতে উৎসাহ দেন।
কোন কোন স্কুলে পড়েছেন—এমন প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান বলেন, তিনি দুটি স্কুলে পড়াশোনা করেছেন—শাহীন স্কুল ও ল্যাবরেটরি স্কুল।
খেলার মাঠ ও ইনডোর স্টেডিয়াম নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, সরকার প্রতিটি ইউনিয়ন বা উপজেলায় শিশুদের খেলাধুলার জন্য খোলা মাঠ তৈরির পরিকল্পনা করছে। তবে সব জায়গায় স্টেডিয়াম নির্মাণ ব্যয়বহুল হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এসব খোলা জায়গা অভিভাবকরাও হাঁটাচলা ও পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর জন্য ব্যবহার করতে পারবেন।
শিশুদের সাংস্কৃতিক ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক বিনিময়ে অংশগ্রহণ বাড়ানোর আগ্রহের কথাও জানান তারেক রহমান। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক শিল্প প্রতিযোগিতা, কোরআন তিলাওয়াত প্রতিযোগিতা এবং ফুটবল, ক্রিকেটসহ বিভিন্ন ক্রীড়া আয়োজনে বাংলাদেশের শিশুরা ভালো করেছে।
তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন দেশে খেলাধুলা, বিজ্ঞান মেলা, কুইজ প্রতিযোগিতা ও গণিত প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া শিশুরা যাতে ভালো ফলাফল নিয়ে দেশে ফিরতে পারে, সে জন্য সরকার সব ধরনের সহযোগিতা দিতে চায়।
২১ দিন আগে
মজবুত শিশু মানে শক্তিশালী বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী
শিশুদের বাড়ির শক্তিশালী খুঁটির সঙ্গে তুলনা করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, প্রতিটি শিশুকে সঠিকভাবে বিকশিত হওয়ার সুযোগ দেওয়া হলে প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে দেশের ভিত্তি আরও শক্তিশালী হবে।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) শিশু অধিকার দিবস-২০২৬ ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমির ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে রাজধানীতে একাডেমি প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিশুরা তাদের পরিবারের খুঁটি। শিশুদের বেড়ে ওঠা ও বিকশিত হওয়ার জন্য সঠিক পরিবেশ ও সুযোগ দেওয়া হলে পরিবার আরও শক্তিশালী হয়।
তিনি আরও বলেন, যদি প্রতিটি শিশুর জন্য পূর্ণ সম্ভাবনা বিকাশের সুযোগ নিশ্চিত করা যায়, তাহলে দেশের ভিত্তি অনেক বেশি শক্তিশালী হবে। এর ফলে প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে বাংলাদেশকে একটি শক্তিশালী দেশ হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব হবে।
তারেক রহমান বলেন, ‘সরকার শিশুদের এমনভাবে গড়ে তুলতে চায়, যাতে তাদের ভবিষ্যৎ মজবুত হয়, কারণ আজকের শিশুরা মজবুত হওয়া মানে জাতির ভবিষ্যত মজবুত হওয়া। আর জাতির ভবিষ্যত মজবুত হওয়া মানে মজবুত ও শক্তিশালী বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।’
প্রধানমন্ত্রী শিশুদের শুধু পড়াশোনার মাধ্যমে নয়, খেলাধুলা, কোরআন তেলাওয়াত, সঙ্গীত ও অন্যান্য সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমেও নিজেদের বিকশিত করার আহ্বান জানান।
তিনি শিশুদের ভালো মানুষ হওয়ার এবং নিজেদের মধ্যে থাকা গুণ ও প্রতিভার যথাযথ বিকাশ ঘটানোর আহ্বান জানান। পাশাপাশি তিনি সব জীবের প্রতি সদয় এবং প্রকৃতি ও পরিবেশের প্রতি যত্নশীল হওয়ার কথা বলেন।
শিশুদের বাড়ি ও স্কুলের আশপাশের গাছপালার যত্ন নেওয়া এবং পশুপাখিদের প্রতি সদয় হওয়ার আহ্বান জানিয়ে এগুলোকে জাতীয় সম্পদ হিসেবে উল্লেখ করেন তারেক রহমান।
অভিভাবকদেরও ছোটবেলা থেকেই শিশুদের মধ্যে প্রকৃতির প্রতি দায়িত্ববোধ গড়ে তুলতে সহায়তা করার আহ্বান জানান তিনি।
২২ দিন আগে
পেশা হিসেবে মেধাবীদের প্রথম অগ্রাধিকার হোক শিক্ষকতা: প্রধানমন্ত্রী
সমাজে শিক্ষকদের মর্যাদা রাষ্ট্রের মর্যাদা ও ভাবমূর্তির সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পৃক্ত উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সবচেয়ে মেধাবীরা যাতে শিক্ষকতাকে কর্মজীবনের প্রথম অগ্রাধিকার হিসেবে বেছে নেন, সে জন্য শিক্ষকতাকে আকর্ষণীয় ও প্রতিযোগিতামূলক পেশায় পরিণত করা প্রয়োজন।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষকতা কখনোই শেষ ভরসার পেশা বা আর দশটি সাধারণ চাকরির মতো হতে পারে না। সমাজে শিক্ষকের মর্যাদা অক্ষুণ্ন থাকলে রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি বাড়ে।
সোমবার (৫ অক্টোবর) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বিশ্ব শিক্ষক দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
শিক্ষকদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং তাদের সুযোগ-সুবিধা, সম্মান ও মর্যাদা বাড়াতে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, শিক্ষক নিয়োগ ও শিক্ষাব্যবস্থাকে সরকার এমনভাবে ঢেলে সাজাচ্ছে, যাতে সবচেয়ে মেধাবী ব্যক্তিরা শিক্ষকতাকে তাদের পেশাজীবনের প্রথম অগ্রাধিকার হিসেবে বেছে নিতে আগ্রহী হন।
তারেক রহমান জানান, সরকার এমন একটি শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায়, যেখানে কোনো শিশু শিক্ষা থেকে বঞ্চিত থাকবে না। কেউ যদি কোনো কারণে শিক্ষাজীবনের যেকোনো পর্যায়ে ঝরে পড়ে, তবুও যেন বেকার না থাকে, তা নিশ্চিত করা জরুরি।
শিক্ষকদের বেতন বা অবসরকালীন সুবিধা পেতে যেন বারবার সরকারি দপ্তরে যেতে না হয়, সে বিষয়টি নিশ্চিত করতেও তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন।
তারেক রহমান বলেন, ‘বেতন বা অবসরকালীন সুবিধার জন্য একজন শিক্ষককে এক দপ্তর থেকে আরেক দপ্তরে ঘুরে কষ্ট করতে হবে না। নিয়ম অনুযায়ী তাদের প্রাপ্য অর্থ যথাসময়ে ব্যাংকের মাধ্যমে তাদের কাছে পৌঁছে দিতে হবে।’
শিক্ষা মন্ত্রণালয় আয়োজিত এ আলোচনা অনুষ্ঠানে শিক্ষকদের মর্যাদা, অধিকার, পেশাগত উন্নয়ন এবং মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
এ বছর ‘শিক্ষকদের পাশে থাকা, পেশার সুরক্ষা, মর্যাদা বৃদ্ধি এবং আমাদের ভবিষ্যৎ গড়ার ৬০ বছর’ প্রতিপাদ্যে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যায়ের ১০২ জন বিশিষ্ট শিক্ষকের হাতে ‘গুণী শিক্ষক সম্মাননা’ তুলে দেন।
রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে শিক্ষকদের আমন্ত্রণ
প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা দিয়েছেন, এ বছর থেকে স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবসসহ গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে অন্তত একজন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও একজন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষককে আমন্ত্রণ জানানো নিশ্চিত করতে হবে।
এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অতিথির তালিকা তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, কর্মরত কিংবা অবসরপ্রাপ্ত—যে অবস্থাতেই থাকুন না কেন, শিক্ষকতা পেশার মর্যাদার কারণে শিক্ষকদের রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সম্মান জানানো উচিত।
তারেক রহমান জ্ঞানভিত্তিক রাষ্ট্র ও সমাজ গঠনের অন্যতম প্রধান হাতিয়ার হিসেবে শিক্ষকদের উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, পরিবারের পর শিক্ষকরাই শিক্ষার্থীদের মধ্যে নৈতিক মূল্যবোধ গড়ে তুলতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
অনুষ্ঠানে সম্মাননা পাওয়া গুণী শিক্ষকদের অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, শিক্ষকদের শিক্ষার্থীদের ‘প্রয়োজন ও প্রিয়জন’ হয়ে উঠতে হবে।
২৩ দিন আগে