প্রধানমন্ত্রীর-কার্যালয়
বিশ্ব শিক্ষক দিবসের আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর যোগদান
বিশ্ব শিক্ষক দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শিক্ষা, সমাজ ও জাতি গঠনে শিক্ষকদের অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়া এবং শিক্ষকতা পেশার মর্যাদা সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
সোমবার (৫ অক্টোবর) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে শিক্ষা মন্ত্রণালয় আয়োজিত এ আলোচনা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এতে সভাপতিত্ব করছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
এ বছর ‘শিক্ষকদের পাশে থাকা, পেশার সুরক্ষা, মর্যাদা বৃদ্ধি এবং আমাদের ভবিষ্যৎ গড়ার ৬০ বছর’ প্রতিপাদ্যে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত হচ্ছে।
কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যায় পর্যন্ত নির্বাচিত ১০২ জন বিশিষ্ট শিক্ষককে প্রধানমন্ত্রীর দুই লাখ টাকা করে নগদ পুরস্কার, ক্রেস্ট ও স্বীকৃতির সনদ দেওয়ার কথা রয়েছে।
শিক্ষকদের সামাজিক মর্যাদা বাড়ানো এবং পেশাগত অবদানের স্বীকৃতি দিতে এ বছর ১০২ জন শিক্ষককে জাতীয় ‘গুণী শিক্ষক সম্মাননা’ দেওয়া হচ্ছে। আগের বছরগুলোতে এ সংখ্যা ১৪ জন ছিল বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
দেশের বিভিন্ন প্রাথমিক, মাধ্যমিক, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল, কৃষি, প্রকৌশল, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং অন্যান্য বিশেষায়িত উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে পুরস্কারের জন্য শিক্ষকদের নির্বাচন করা হয়েছে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের গঠিত পৃথক সার্চ কমিটির সুপারিশ করা প্যানেলের ভিত্তিতে জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটি চূড়ান্ত তালিকা তৈরি করেছে।
শিক্ষকদের সম্মান জানানো এবং শিক্ষা ও সমাজে তাদের অবদান তুলে ধরতে প্রতিবছর ৫ অক্টোবর বিশ্বজুড়ে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত হয়।
১৯৯৩ সালে প্যারিসে ইউনেসকোর ২৬তম সাধারণ সম্মেলনে ৫ অক্টোবরকে বিশ্ব শিক্ষক দিবস হিসেবে ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর ১৯৯৪ সালে প্রথমবার দিবসটি পালিত হয়। তার পর থেকে ইউনেসকোর অনুমোদিত প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বিভিন্ন দেশ দিবসটি পালন করে আসছে।
২৩ দিন আগে
পরিকল্পিত নগরায়ণ ও সবার জন্য সাশ্রয়ী আবাসনের অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর
সরকার দেশের সর্বত্র পরিকল্পিত ও বিকেন্দ্রীভূত নগর উন্নয়নের পাশাপাশি সব নাগরিকের জন্য নিরাপদ, সাশ্রয়ী ও টেকসই আবাসন নিশ্চিত করতে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সোমবার (৫ অক্টোবর) বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বিশ্ব বসতি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
‘সর্বজনীন আবাসন, টেকসই নগরায়ণ’ প্রতিপাদ্যে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সবার জন্য বাসযোগ্য, সাশ্রয়ী, পরিবেশবান্ধব ও নিরাপদ আবাসন এবং মৌলিক সেবা নিশ্চিত করা বা সর্বজনীন আবাসন নাগরিকদের মৌলিক সাংবিধানিক অধিকার। সরকার এই অধিকার নিশ্চিত ও সুরক্ষিত করতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।’
পরিকল্পিত নগরায়ণ নিশ্চিত করা এবং নিম্ন ও নিম্ন-মধ্যম আয়ের মানুষের জন্য আবাসন সুবিধা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম নির্বাচনি অঙ্গীকার উল্লেখ করে তিনি বলেন, পরিকল্পিত নগর উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সরকার দেশের সিটি করপোরেশন ও জেলাগুলোর জন্য মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নে পদক্ষেপ নিচ্ছে।
তারেক রহমানের মতে, আবাসনকে শুধু একটি অবকাঠামো হিসেবে দেখলে হবে না; বরং নিরাপদ পানি, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ, উন্নত পয়ঃনিষ্কাশন, গণপরিবহন, উন্নত সড়ক ব্যবস্থাপনা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা, পর্যাপ্ত কর্মসংস্থানের সুযোগ এবং মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপনের জন্য নিরাপদ পরিবেশসহ একটি সমন্বিত জীবনযাপনের পরিবেশ হিসেবে দেখতে হবে।
তিনি বলেন, ‘নাগরিকদের জন্য শুধু একটি বাসস্থানই নয়, বরং সেটিকে নিরাপদ ও টেকসই করাও এখন সময়ের দাবি।’
২৩ দিন আগে
ঢাকার যানজট নিরসনে বৃত্তাকার সড়ক নির্মাণ দ্রুত বাস্তবায়নের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
ঢাকা শহরের যানজট নিরসনে অভ্যন্তরীণ বৃত্তাকার সড়ক (ইনার সার্কুলার রিং রোড) প্রকল্পের কাজ দ্রুত এগিয়ে নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রবিবার (৪ অক্টোবর) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে অভ্যন্তরীণ বৃত্তাকার সড়ক নির্মাণকাজের অগ্রগতি পর্যালোচনায় আয়োজিত এক সভায় তিনি এ নির্দেশ দেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু।
প্রধানমন্ত্রী সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং স্থানীয় সরকার বিভাগকে যৌথভাবে বিদ্যমান প্রকল্প পরিকল্পনা পর্যালোচনা করে নির্মাণকাজের গতি বাড়াতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেন।
তিনি প্রকল্প বাস্তবায়নে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতাগুলো চিহ্নিত করে তা দূর করা, সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে কার্যকর সমন্বয় নিশ্চিত করা এবং কাজ শেষ করার জন্য একটি বাস্তবসম্মত সময়সীমা নির্ধারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সেই সঙ্গে তারেক রহমান প্রকল্পটির কাজে দ্রুত দৃশ্যমান অগ্রগতি নিশ্চিত করারও আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সভায় সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
২৪ দিন আগে
অভিন্ন সমৃদ্ধির বঙ্গোপসাগর গড়তে আঞ্চলিক সহযোগিতার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
বঙ্গোপসাগরকে অভিন্ন সমৃদ্ধির অঞ্চলে পরিণত করার লক্ষ্যে বাণিজ্য, জ্বালানি, প্রযুক্তি, জলবায়ু ও সামুদ্রিক বিষয়ে আরও গভীর আঞ্চলিক সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার (৩ অক্টোবর) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে পঞ্চম বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন-২০২৬-এর উদ্বোধনকালে তিনি আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলটি এমন একটি এলাকায় পরিণত হোক, যেখানে প্রতিটি রাষ্ট্র একসঙ্গে বিকশিত হবে, পারস্পরিক সমান সুবিধা গ্রহন করবে এবং নাগরিকরা অর্থবহ সহযোগিতার হাতকে প্রসারিত করবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের ভৌগোলিক ও কৌশলগত অবস্থানের কারণে আমাদের সমুদ্রবন্দর, নৌপথ ও উপকূলীয় অর্থনীতি পুরো বিশ্বের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে। জাহাজ চলাচল, মৎস্যসম্পদ, পর্যটন, জ্বালানি ও আঞ্চলিক সরবরাহ চেইনে অপার সম্ভাবনা রয়েছে।’
গভীর দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় সম্পৃক্ততার ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, ‘আঞ্চলিকভাবে আমাদের এই অভিন্ন ভৌগোলিক অবস্থানকে অভিন্ন সমৃদ্ধিতে রূপান্তর করতে হবে।’
তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা বাণিজ্য, জ্বালানি, শিক্ষা, প্রযুক্তি, জলবায়ু ও সমুদ্র খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও সম্প্রসারিত করতে পারি। আমরা নতুন বাজার উন্মুক্ত করতে পারি এবং আমাদের তরুণদের জন্য আরও সুযোগ সৃষ্টি করতে পারি।’
তিনি আরও বলেন, ‘সমতা, ন্যায্যতা ও ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে আমরা আরও শক্তিশালী সহযোগিতার সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারি। ভৌগোলিক অবস্থান আমাদের একত্রিত করেছে; আর আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, জনগণের সাথে জনগণের নিবিড় সম্পর্ক আমাদের আরও বহুদূর এগিয়ে নিয়ে যাবে।’
বাংলাদেশ সংলাপ, অংশীদারত্ব ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধে বিশ্বাসী উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আমাদের জাতীয় স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করব। একই সঙ্গে সব আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক অংশীদারদের সঙ্গে ইতিবাচকভাবে কাজ করে যাব। কারণ শান্তি ও সম্প্রীতিই হলো যৌথ সমৃদ্ধি ও উন্নয়নের মূল ভিত্তি।’
২৫ দিন আগে
অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাকে পুঁজি করে কিছু রাজনৈতিক দল অরাজকতার চেষ্টা করছে: প্রধানমন্ত্রী
কিছু রাজনৈতিক দল অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাকে পুঁজি করে দেশে অরাজকতা সৃষ্টি ও মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেই সঙ্গে তিনি জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) ফেনীর পরশুরাম উপজেলার মুহুরী সেতুর কাছে খেয়াঘাট এলাকায় এক হাজার ৫৪২ কোটি টাকা ব্যয়ে মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের (প্রথম পর্যায়) কাজের উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, খাল খনন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সম্প্রসারণ ও বন্ধ মিল-কলকারখানা পুনরায় চালুর মতো সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচির কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এসব কাজ বাধাগ্রস্ত হলে এ দেশের মানুষই ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
তিনি আরও বলেন, ‘কিন্তু কিছু রাজনৈতিক দল অরাজকতা সৃষ্টির ষড়যন্ত্র করছে। ১৯৭১ সালে এসব রাজনৈতিক দল কী ভূমিকা পালন করেছিল, আমরা তা দেখেছি। তখন তারা কী করেছিল, কীভাবে বিভিন্ন অন্যায় করেছিল এবং কীভাবে নারীদের হয়রানি ও নির্যাতন করেছিল, আমরা তা দেখেছি।’
তারেক রহমান বলেন, গত সংসদ নির্বাচনে জনগণকে বিভ্রান্ত করে এসব রাজনৈতিক শক্তি কয়েকটি আসনে জয় পেয়েছে, কিন্তু এখন তারা সেই অর্জনকে এমনভাবে দেখছে, যেন তারা সবকিছু পেয়ে গেছে।
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা দেখছি, ১৯৭১ সালে তারা যেভাবে মা-বোনদের নির্যাতন করেছিল, আবারও তাদের সেই নারী নির্যাতন শুরু হয়েছে। আমরা দেখছি, তাদের গুপ্তবাহিনীর কিছু সদস্য কীভাবে নারীদের নির্যাতন করছে। আর তারা শুধু নির্যাতন করেই ক্ষান্ত হয়নি। তদন্ত চলছে এবং তদন্তাধীন কোনো বিষয়ে আমি মন্তব্য করতে চাই না। কিন্তু মানুষ বলছে, শুধু নির্যাতন করেই ক্ষান্ত হয়নি, একজন মানুষের জীবন শেষ করে দিয়েছে।’
দেশে ভালো ও মন্দ—দুই ধরনের মানুষই রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘কিছু কিছু দুষ্ট মানুষ কিছু কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটাচ্ছে।’
তারেক রহমান বলেন, আজ আমাদের সতর্ক হওয়ার সময় এসেছে—আমরা কীভাবে দেশ পরিচালনা করব। আজ সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় এসেছে, আমরা কাদের কথা বিশ্বাস করব এবং কারদে কথা বিশ্বাস করব না। আজ সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় এসেছে, জনগণ কাদের সমর্থন দেবে এবং কাদের সমর্থন দেবে না।
বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী যাদের ‘গুপ্তদল’ হিসেবে উল্লেখ করেন, সেই দলের নেতাদের বক্তব্যের প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নিজেদের দলে সমস্যা থাকার অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও তারা অন্যদের পরামর্শ দিচ্ছে।
তিনি বলেন, আমি বিভিন্ন গণমাধ্যমে দেখেছি, সেই গুপ্তদলের নেতারা আমাদের অনেক নসিহত করছেন—কী করব, কী করব না। আজ এখানে হাজার লক্ষ মানুষের সামনে আমি তাদের বলতে চাই, দয়া করে আগে নিজের ঘরের দিকে তাকান। নিজের ঘরের মানুষ কীভাবে নারীদের নির্যাতন ও এসব কাজ করছে, আগে তা সামাল দিন, তারপর অন্যদের কিছু বলতে আসবেন।
যেকোনো মূল্যে দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখার সময় এসেছে বলেও মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।
তারেক রহমান বলেন, ‘আজ যেকোনো মূল্যে দেশের গণতান্ত্রিক ধারাকে অব্যাহত রাখার সময় এসেছে। নির্বাচনের সময় আমরা দেখেছি, একটি গুপ্তবাহিনী বিভিন্ন টিকিট বিক্রির কথা বলে দেশের মানুষকে কীভাবে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছিল।’
তিনি আরও বলেন, ‘আজ এই বিভ্রান্তকারীদের হাত থেকে দেশকে রক্ষা করার সময় এসেছে। দেশের স্বাধীনতার পর থেকে এবং মুক্তিযুদ্ধের সময় তারা কীভাবে দেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিল, আমরা তা দেখেছি। ১৯৮৬ সালে তারা কীভাবে গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিল, আমরা তা দেখেছি। প্রতিটি সময়ে আমরা দেখেছি, এই গুপ্তবাহিনীর লোকজন, এই গুপ্তদল সবসময় দেশের মানুষের স্বার্থের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছে।’
২৭ দিন আগে
বন্যা নিয়ন্ত্রণে ফেনীতে ১,৫৪২ কোটি টাকার মুহুরী-কহুয়া প্রকল্প উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর
ফেনীতে দীর্ঘদিনের বন্যা ও জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে এক হাজার ৫৪২ কোটি টাকা ব্যয়ে মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের পুনর্বাসন কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) ফেনীর পরশুরাম উপজেলার মুহুরী সেতুর কাছে খেয়াঘাট এলাকায় দুপুর ২টা ১৮ মিনিটের দিকে তিনি প্রকল্পটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ও দুটি বৃক্ষ রোপণ করেন।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর ফেনীতে এটি তার প্রথম সরকারি সফর। দিনব্যাপী সফরে পরশুরাম ও ফুলগাজী উপজেলায় বিভিন্ন উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কর্মসূচিতে তার সরাসরি অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।
সফরের শুরুতে পরশুরামে মুহুরী ও কহুয়া নদীকেন্দ্রিক বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচব্যবস্থার আধুনিকায়নের লক্ষ্যে নেওয়া বড় এই প্রকল্পের উদ্বোধন করেন তিনি। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আশা করছেন, প্রকল্পটি সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে এ অঞ্চলে বন্যার ক্ষয়ক্ষতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে, কৃষি ও সেচসুবিধার উন্নতি হবে এবং নদীতীরবর্তী মানুষের জীবন ও সম্পদ সুরক্ষায় সহায়ক হবে।
২৭ দিন আগে
ফেনীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথমবারের মতো ফেনীতে সফর করছেন তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার বেলা সোয়া ১টার দিকে তিনি ফেনীতে পৌঁছান। এরপর তিনি পরশুরামের মুহুরী সেতুর কাছে খেয়াঘাট এলাকায় নির্ধারিত প্রথম কর্মসূচিতে যোগ দেবেন।
প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব মোস্তফা জুলফিকার হাসান (হাসান শিপলু) বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এদিকে প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই ফেনীর বিভিন্ন এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। সফর নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ করতে নিরাপত্তাব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, সকাল ৮টা ৪০ মিনিটের দিকে প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর সড়কপথে ফেনীর উদ্দেশে তার গুলশানের বাসভবন থেকে রওনা হয়। ফেনীতে দিনব্যাপী কর্মসূচি শেষে সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর নানা ইস্কান্দার মজুমদারের বাড়ি ফেনীর ফুলগাজী উপজেলার শ্রীপুর গ্রামে। ফেনী-১ আসনটিও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার নির্বাচনী এলাকা। ১৯৯১ সাল থেকে তিনি এই আসন থেকে একাধিকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। এ কারণে স্থানীয় মানুষের কাছে আসনটির বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচি
দুপুর প্রথমে পরশুরাম উপজেলার মুহুরী সেতুর কাছে খেয়াঘাট এলাকায় মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ পুনর্বাসন (প্রথম পর্যায়) প্রকল্পের উদ্বোধন করার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের। এরপর তিনি ফুলগাজীর বেগম খালেদা জিয়া মহিলা কলেজ প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন।
ফুলগাজী জেলা পরিষদ ডাকবাংলোয় স্থাপিত ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহের উদ্বোধনও করবেন তিনি।
এছাড়া ফুলগাজী সরকারি পাইলট উচ্চবিদ্যালয় মাঠে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড বিতরণ এবং ইমাম, মুয়াজ্জিন ও অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ব্যক্তিদের সম্মানী প্রদান অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী।
এর মাঝে ফুলগাজী ডাকবাংলোয় জোহরের নামাজ আদায় ও মধ্যাহ্নভোজ করবেন তিনি।
এর আগে নির্বাচনি প্রচারণার অংশ হিসেবে গত ২৫ জানুয়ারি চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় ফেরার পথে তারেক রহমান ফেনী পাইলট উচ্চবিদ্যালয় মাঠে একটি নির্বাচনি জনসভায় বক্তব্য দেন।
২৭ দিন আগে
ফেনীর পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকে প্রথমবারের মতো ফেনীর উদ্দেশে রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে গুলশানের বাসা থেকে সড়ক পথে প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর যাত্রা শুরু করে বলে জানিয়েছেন তার অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।
তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান ফেনী যাচ্ছেন। গুলশানের বাসা থেকে রওনা হয়ে রাজধানী অতিক্রম করছে প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর।’
ফেনীতে দিনব্যাপী নির্ধারিত কর্মসূচি শেষ করে সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী ঢাকায় ফিরবেন বলেও জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নানা এস্কান্দার মজুমদারের বাড়ি ফেনীর ফুলগাজী উপজেলার শ্রীপুর গ্রামে। এছাড়া ফেনী-১ আসনে বেগম খালেদা জিয়া ১৯৯১ সাল থেকে বার বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। এসব কারণে আসনটি এই এলাকার মানুষের কাছে স্মরণীয় হয়ে আছে।
প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচি
দুপুর সাড়ে ১২টায় পশুরাম উপজেলার খেয়াঘাট মুহুরী সেতু এলাকায় ‘মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ পুনর্বাসন (প্রথম পর্যায়) প্রকল্পের উদ্বোধন, দেড়টায় ফুলগাজী বেগম খালেদা জিয়া মহিলা কলেজ প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন, দুপুর ২টায় ফুলগাজী জেলা পরিষদ ডাক বাংলোর ছাদে স্থাপিত সৌর প্যানেল থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবারহ কার্যক্রমের উদ্বোধন এবং বিকেল সাড়ে ৩টায় ফুলগাজী সরকারি পাইলট স্কুল মাঠে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড এবং ইমাম, মুয়াজ্জিনসহ অন্য ধর্মের ব্যক্তিদের সন্মানি প্রদান অনুষ্ঠানে যোগদান করবেন প্রধানমন্ত্রী।
দুপুরে ফুলগাজী ডাক বাংলোতে জোহরের নামাজ আদায় ও মধ্যহ্নভোজ করবেন প্রধানমন্ত্রী।
এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি বিজয়ী হয়ে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পর ফেনীতে তারেক রহমানের এটি প্রথম সফর। এর আগে সংসদ নির্বাচনের প্রচারণার অংশ হিসেবে গত ২৫ জানুয়ারি চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় ফেরার পথে ফেনীর পাইলট স্কুল মাঠে এক নির্বাচনি জনসমাবেশে বক্তব্য দিয়েছিলেন তারেক রহমান।
২৭ দিন আগে
জাতিসংঘ সফরে জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী: মাহ্দী
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার সাম্প্রতিক যুক্তরাষ্ট্র সফরে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন এবং দেশের গণতান্ত্রিক পথযাত্রাকে তুলে ধরেছেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিন।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের করবী হলে প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ সফর নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী ও অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনও বক্তব্য দেন।
মাহ্দী আমিন বলেন, দীর্ঘদিন পর জনগণের ভোটে নির্বাচিত একটি সরকারের প্রধান বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এটি গণতন্ত্রের জন্য একটি শক্তিশালী ও তাৎপর্যপূর্ণ অগ্রগতি। প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী নিশ্চিত করেছেন, ‘সবার আগে বাংলাদেশ’।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক অঙ্গনে জাতীয় স্বার্থ অটুট রেখেছেন, সর্বোচ্চভাবে তা সুরক্ষা দিয়েছেন এবং বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক পথযাত্রাকে বিশ্বের সামনে তুলে ধরেছেন।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র তারেক রহমানের জাতিসংঘ সফরকে ঐতিহাসিক হিসেবে বর্ণনা করে বলেন, সফরটি ছিল সংক্ষিপ্ত। বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে যেতে এক দিন, ফেরার পথে এক দিন এবং যুক্তরাষ্ট্রে চার দিন অবস্থান করেছেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি আরও জানান, চার দিনে প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে ৩০টি কর্মসূচিতে অংশ নেন। এর বাইরে আরও কিছু অনানুষ্ঠানিক বৈঠক ও কর্মসূচিতেও অংশ নেন তিনি। ১১টি দেশের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন, ছয়টি বক্তব্য দেন এবং একটি ঐতিহাসিক ভাষণ দেন।
এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী প্রতিনিধিদলের সদস্যরা চার দিনের সফরে প্রায় ৫০টি পৃথক বৈঠকে অংশ নেন।
সার্বিকভাবে সফরকালে বাংলাদেশ ৮০টির বেশি পৃথক দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় বৈঠকে প্রতিনিধিত্ব করেছে বলেও জানান উপদেষ্টা।
সফরের সময় প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের জনকল্যাণ ও জাতীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে ১১টি দেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন। দেশগুলো হলো পাকিস্তান, ভুটান, মালদ্বীপ, কুয়েত, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইরান, থাইল্যান্ড, তুরস্ক, ক্রোয়েশিয়া ও হাইতি। প্রতিটি বৈঠকেই তারেক রহমান সমতা, ন্যায়বিচার ও মর্যাদার ভিত্তিতে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক গড়ে তোলার বিষয়ে আলোচনা করেন বলে জানিয়েছেন মাহ্দী।
প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করেছেন, প্রতিটি দেশের সঙ্গে বাংলাদেশ অংশীদারত্ব, বিনিয়োগ ও বাণিজ্য চায়, যাতে প্রতিটি নাগরিকের জন্য স্বনির্ভরতা, স্বাবলম্বিতা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন নিশ্চিত করা যায়।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র বলেন, সফরটি বৈশ্বিক কূটনীতিতে বাংলাদেশের মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর দৃঢ় প্রত্যয়কে প্রতিফলিত করেছে এবং সমতা ও ন্যায়বিচারের মাধ্যমে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একটি ভিন্ন মাত্রায় পৌঁছেছে।
মাহ্দী আমিন বলেন, প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের আত্মমর্যাদা, আত্মবিশ্বাস ও পরিচয় প্রতিষ্ঠা করেছেন এবং সফরের পুরোটা সময় দেশের স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব ও স্বনির্ভরতার পথে অগ্রগতির বিষয়টি প্রতিফলিত হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান খুঁজতে আয়োজিত আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিতে অংশ নেন বলেও জানান উপদেষ্টা। তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও স্বেচ্ছায় নিজ দেশে প্রত্যাবাসনের বিষয়ে তারেক রহমান পাঁচটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা তুলে ধরেন, যা ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়।
আলোচনায় উঠে আসে, মিয়ানমারে উদ্ভূত এই সমস্যার সমাধান মিয়ানমারেই করা সম্ভব। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে দুটি কাজ করতে হবে—রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের জন্য চাপ সৃষ্টি ও আলোচনা চালিয়ে যেতে হবে এবং বর্তমানে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের সহায়তায় বাংলাদেশকে আরও বেশি অর্থনৈতিক সহায়তা দিতে হবে।
রোহিঙ্গা সংকট একটি বৈশ্বিক সমস্যা এবং বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি মানবিক সহায়তা দিয়ে আসায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় বাংলাদেশের উদারতার প্রশংসা করেছে বলেও জানান তিনি।
এছাড়া প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক অংশীজন ও উন্নয়ন অংশীদারদের সহযোগিতা চেয়েছেন। তারা বাংলাদেশকে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন বলে উপদেষ্টা জানান।
তারেক রহমানের জাতিসংঘে দেওয়া ভাষণ বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তার বাবা শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার পর পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে বৈশ্বিক এই সংস্থায় বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র আরও বলেন, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন তারেক রহমানের মন্ত্রিসভার পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি এই সমন্বয়কে অভূতপূর্ব হিসেবে বর্ণনা করেন।
তারেক রহমানের ভাষণ বাংলাদেশের জন্য একটি নতুন দিকনির্দেশনা দিয়েছে বলেও উল্লেখ করেন মাহ্দী আমিন।
২৭ দিন আগে
বাণিজ্য-বিনিয়োগ বাড়াতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আমিরাতের রাষ্ট্রদূতের বৈঠক
বাংলাদেশে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ নিয়ে আলোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত আবদুল্লাহ আলী আবদুল্লাহ আলহামুদি।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত।
প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব মোস্তাফা জুলফিকার হাসান (হাসান শিপলু) এসব তথ্য জানান।
হাসান শিপলু বলেন, বৈঠকে বাংলাদেশে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, দক্ষ বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানো নিয়ে।
এছাড়া জ্বালানি, অবকাঠামো, বিমান চলাচল, তথ্যপ্রযুক্তি, রেলপথ, লজিস্টিকসসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা জোরদারের বিষয়েও প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রদূতের মধ্যে আলোচনা হয়।
বৈঠকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ুন কবির ও বাংলাদেশ বিনিয়োগ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন উপস্থিত ছিলেন। পাশাপাশি রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও ছিলেন।
৩০ দিন আগে