প্রধানমন্ত্রীর-কার্যালয়
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে চলছে একনেক বৈঠক
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠক চলছে।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মঙ্গলবার (৯ জুন) সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনপ্রশাসন সম্মেলন কক্ষে এই বৈঠক শুরু হয়।
বৈঠকে একনেকের অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ, বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানী, স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম অংশ নিয়েছেন।
বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা উপস্থাপন ও আলোচনার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও বৈঠকে উপস্থিত রয়েছেন।
দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়নে সহায়তা করার লক্ষ্যে এই বৈঠকে বিভিন্ন খাতের বেশ কয়েকটি প্রকল্প অনুমোদন করা হতে পারে ।
৫৫ দিন আগে
অঞ্চলভিত্তিক মাটি ও পরিবেশের ধরন অনুযায়ী বৃক্ষরোপণের পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মাটি ও পরিবেশগত বৈশিষ্ট্য বিবেচনায় নিয়ে বৃক্ষরোপণের পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, স্থানীয় পরিবেশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে গাছ নির্বাচন ও রোপণ করা হলে গাছের বেঁচে থাকার হার বাড়বে এবং পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
শনিবার (৬ জুন) সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি-সংক্রান্ত এক সভায় কর্মকর্তাদের উদ্দেশে এ নির্দেশনা দেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সভায় তারেক রহমান বলেন, দেশের সব অঞ্চলের মাটির বৈশিষ্ট্য এক নয়। তাই প্রতিটি এলাকার মাটি ও পরিবেশের ধরন অনুযায়ী উপযুক্ত গাছ নির্বাচন করে রোপণ করতে হবে। এতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির কার্যকারিতা বাড়বে এবং পরিবেশ সংরক্ষণে দীর্ঘমেয়াদি সুফল পাওয়া যাবে।
জলবায়ু পরিবর্তনের ক্রমবর্ধমান প্রভাবের প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব দিন দিন আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছে। ঋতুচক্রেও পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। আগে জুন মাস এলেই নিয়মিত বৃষ্টিপাত হত, কিন্তু এখন সেই চিত্র অনেকটাই বদলে গেছে।
তিনি বলেন, প্রকৃতির এই বিরূপ আচরণের পেছনে বনাঞ্চল ও বৃক্ষসম্পদ কমে যাওয়াও একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ। তাই পরিবেশ রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ পৃথিবী গড়ে তুলতে বৃক্ষরোপণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া প্রয়োজন।
সভায় আগামী পাঁচ বছরে সারা দেশে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের সরকারি পরিকল্পনা নিয়েও আলোচনা হয়। এই বৃহৎ কর্মসূচি বাস্তবায়নের কৌশল এবং বিভিন্ন অঞ্চলে কীভাবে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম পরিচালিত হবে, সে বিষয়েও মতবিনিময় করা হয়।
প্রেস উইং জানিয়েছে, আগামী ১৪ জুন কক্সবাজারের ডুলাহাজারায় আনুষ্ঠানিকভাবে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় পরিবেশ ও বনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আবদুস সাত্তার, পরিবেশ সচিব রাইহান কাওসার, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক লুৎফুর রহমান, অতিরিক্ত মহাপরিচালক জিয়াউল হক, প্রধান বন সংরক্ষক আমির হোসাইন চৌধুরী এবং ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সেলের সদস্য জামাইল বশীর জেবিসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
৫৮ দিন আগে
দেশে তৈরি বৈদ্যুতিক অ্যাম্বুলেন্স চালুর পরিকল্পনায় সরকার
জরুরি স্বাস্থ্যসেবা জোরদার এবং গ্রামাঞ্চলসহ সারা দেশে রোগী পরিবহন সুবিধা সহজলভ্য করতে দেশে তৈরি বৈদ্যুতিক অ্যাম্বুলেন্স চালুর পরিকল্পনা করছে সরকার।
শনিবার (৬ জুন) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে তার তেজগাঁওয়ের কার্যালয়ে স্থানীয় প্রযুক্তিতে বৈদ্যুতিক অ্যাম্বুলেন্স নির্মাণ ও সরবরাহ কার্যক্রম সংক্রান্ত এক বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হয় বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু।
তিনি বলেন, সরকার জনগণের দোরগোড়ায় অ্যাম্বুলেন্স সেবা নিশ্চিত করতে কাজ করছে। এই লক্ষ্যে আজ প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একটি সভা হয়েছে। সেখানে বিস্তারিত আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
হাসান শিপলু জানান, প্রথমে একটি উপজেলাকে মডেল হিসেবে ধরে এই প্রকল্পের অ্যাম্বুলেন্স তৈরির কাজ শুরু হবে। সরকারের এই উাদ্যোগ সফল হলে দেশে অ্যাম্বুলেন্সের চাহিদা পূরণ হবে এবং আমদানি নির্ভরতাও কমবে।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং জানায়, সরকার তিন স্তরের অ্যাম্বুলেন্স সেবা ব্যবস্থা চালুর বিষয়টি বিবেচনা করছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, গ্রাম থেকে উপজেলা, উপজেলা থেকে জেলা এবং জেলা থেকে রাজধানীতে রোগী পরিবহনের জন্য পৃথক ধরনের অ্যাম্বুলেন্স তৈরির পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
সভায় জানানো হয়, সরকারের এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দেশে অ্যাম্বুলেন্সের চাহিদা পূরণ হবে। ফলে আমদানিনির্ভরতা কমবে এবং তুলনামূলক কম খরচে আধুনিক সুবিধাসম্পন্ন অ্যাম্বুলেন্স সরবরাহ করা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে জরুরি রোগী পরিবহন ব্যবস্থাতেও উন্নয়ন ঘটবে।
প্রেস উইংয়ের তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত অ্যাম্বুলেন্সে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জাম, অক্সিজেন সাপোর্ট এবং জরুরি সেবার বিভিন্ন সুবিধা সংযোজনের পরিকল্পনা আছে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। দেশের ভৌগোলিক ও সড়ক যোগাযোগ পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখে এসব যানবাহনের ডিজাইন করা হবে।
সভায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত, প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারি ড. এস, এম জিয়াউদ্দিন হায়দার, স্বাস্থ্যসেবা সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী, বাংলাদেশে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক মুহাম্মদ এহসান, অধ্যাপক জিয়াউর রহমান, অধ্যাপক আবদুল সালাম আখন্দ, অধ্যাপক জাহাঙ্গীর আলমসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
৫৮ দিন আগে
বৃক্ষরোপণ ও বিশ্ব পরিবেশ দিবসের কর্মসূচি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক
দেশব্যাপী ‘২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন উপলক্ষে কর্মপর্যায়ভিত্তিক জলবায়ু বার্তা ও বিশ্ব পরিবেশ দিবসের কর্মসূচি’ বাস্তবায়নের প্রস্তুতি নিয়ে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার (৬ জুন) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে তিনি সভাপতিত্ব করেন বলে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
বৈঠকে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির বিভিন্ন বাস্তবায়ন পর্যায়ে প্রচারের জন্য জলবায়ুবিষয়ক বার্তা এবং বিশ্ব পরিবেশ দিবসের কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা হয়।
এতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশ নেন এবং বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধির বিভিন্ন কার্যক্রমের প্রস্তুতি নিয়ে মতবিনিময় করেন।
৫৮ দিন আগে
জিয়াউর রহমানের সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
দলের প্রতিষ্ঠাতা ও শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে জিয়া উদ্যানে তার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
শনিবার (৩০ মে) বেলা ১১টায় তারেক রহমানের নেতৃত্বে দলের কেন্দ্রীয় নেতারা এবং সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও জিয়ারত করেন।
শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে প্রধানমন্ত্রী শহিদ জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত ও ফাতেহা পাঠ করেন।
এ সময় তার সঙ্গে বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, এ জেড এম জাহিদ হোসেন, ড. আব্দুল মঈন খান, দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিলুন হকসহ দল ও সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
৬৫ দিন আগে
সবাই যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করলে কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়া সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষ নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করলে ধীরে ধীরে কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।
বৃহস্পতিবার (২৮ মে) দুপুরে পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ঢাকা সেনানিবাসের জিয়া কলোনিতে ‘মৃত্যুঞ্জয়ী পঁচিশ’ আয়োজিত এক প্রীতিভোজ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
এদিন প্রধানমন্ত্রী সেনানিবাসে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোহাম্মদ শাহীনুল হক। পরে দুপুরে তিনি ঢাকা সেনানিবাসের অফিসার, জেসিও এবং সাধারণ জওয়ানদের সঙ্গে প্রীতিভোজে অংশ নেন।
প্রীতিভোজ অনুষ্ঠানে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা দেশকে একটা সুন্দর জায়গায় দেখতে চাই। আমরা চেষ্টা করছি, পর্যায়ক্রমে সবার জন্য দেশ গড়তে। যার যার অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালন করলে আমরা কাঙ্ক্ষিত দেশ গড়তে পারব। আমরা যাতে প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়তে পারি, সেটিই চাওয়া।’
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উন্নত পেশাদার মান, দায়িত্ববোধ এবং দুর্যোগ মোকাবিলাসহ দেশের যেকোনো প্রয়োজনে জনগণের পাশে দাঁড়ানোর ঐতিহ্য আমাকে গর্বিত করে। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জনগণের নিরাপত্তা রক্ষায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সবসময় রাষ্ট্রের আস্থার প্রতীক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘দুর্যোগ মোকাবিলা থেকে শুরু করে জাতীয় যেকোনো প্রয়োজনে সেনাবাহিনীর অবদান দেশের মানুষের কাছে গভীরভাবে মূল্যায়িত। আশা করি, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রতিটি সদস্য ভবিষ্যতেও একই নিষ্ঠা, পেশাদারত্ব ও দেশপ্রেম নিয়ে জাতির সেবায় নিয়োজিত থাকবেন।’
প্রীতিভোজ শেষে প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত সেনাসদস্যদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। পরে সেনা মেসে অবস্থানরত সৈনিকদের জীবনযাপনের খোঁজখবর নেন প্রধানমন্ত্রী।
এরপর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সেনা মেস চত্বরে একটি নিমগাছের চারা রোপণ করেন এবং পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন।
এছাড়া সেনা মেসের মসজিদে জোহরের নামাজ আদায়ের পর উপস্থিত সেনা কর্মকর্তা ও সেনা সদস্যদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
৬৭ দিন আগে
বাবা-মা ও ভাইয়ের কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান
ঈদের দিনে বাবা শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান।
বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকালে রাজধানীর শেরে-বাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করেন প্রধানমন্ত্রী।
আজ সকালে পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজ আদায় শেষেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরাসরি শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত বাবা ও মায়ের স্মৃতিবিজড়িত সমাধি প্রাঙ্গণে উপস্থিত হন। সেখানে তিনি কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন এবং মরহুম বাবা-মার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে বাবা-মায়ের কবরের সামনে দাঁড়িয়ে ফাতেহা পাঠ করেন। এরপর তিনি বাবা শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত ও দোয়া করেন। দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি এবং মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ কামনায়ও দোয়া করা হয়।
৬৭ দিন আগে
প্রথম ১০০ দিনে ২০০ উদ্যোগ গ্রহণ, দৃশ্যমান পরিবর্তনের দাবি সরকারের
বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম ১০০ দিনের মধ্যে প্রায় ২০০টি উদ্যোগ ও প্রকল্প বাস্তবায়ন শুরু করেছে, যার ফলে জনজীবন ও সমাজে দৃশ্যমান পরিবর্তন এসেছে বলে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং প্রকাশিত এক ই-বুকে দাবি করা হয়েছে।
বুধবার (২৭ মে) সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের (পিএমও) প্রেস উইং থেকে প্রকাশিত ই-বুকটি পিএমওর ওয়েবসাইটে উন্মুক্ত করা হয়েছে। এতে সরকারের বিভিন্ন খাতভিত্তিক কার্যক্রম, নীতিগত পদক্ষেপ এবং উল্লেখযোগ্য অর্জনের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
প্রকাশনায় বলা হয়, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ই-বুকটি নিয়মিত হালনাগাদ করা হবে।
ই-বুকে উল্লেখ করা হয়, এসব উদ্যোগ ও প্রকল্পের মাধ্যমে সরকার জাতির সামনে আশার বার্তা ও ইতিবাচক পরিবর্তনের চিত্র তুলে ধরেছে।
প্রকাশনাটিতে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রথম ১০০ দিনের মূল লক্ষ্য ছিল রাষ্ট্র পরিচালনার দিকনির্দেশনা নির্ধারণ, প্রশাসনিক পুনর্গঠন এবং জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধার।
এতে বলা হয়, অর্থনৈতিক চাপ, বৈশ্বিক অস্থিরতা, জ্বালানি সংকট, সীমিত কর্মসংস্থান এবং দীর্ঘদিনের প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতা থাকা সত্ত্বেও সরকার দ্রুত জনমুখী ও নীতিনির্ভর বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
এই সময়ে প্রশাসন ও বিচার বিভাগে ডিজিটাল ও কাঠামোগত সংস্কারের পাশাপাশি মানুষের জীবনযাত্রার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত সামাজিক ও অর্থনৈতিক সহায়তামূলক কর্মসূচিতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত পরিকল্পনাও হাতে নেওয়া হয়েছে।
ই-বুকে উল্লেখিত প্রধান উদ্যোগগুলোর মধ্যে রয়েছে— ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, কৃষিঋণ মওকুফ, স্পোর্টস কার্ড, ই-হেলথ কার্ড, ডিজিটাল ভূমিসেবা, ই-বেইল বন্ড ব্যবস্থা, খাল পুনঃখনন কর্মসূচি, ইমাম-মুয়াজ্জিন ও ধর্মীয় নেতাদের আর্থিক ভাতা, নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্প এবং শিক্ষা ও যুব উন্নয়নমূলক নতুন কর্মসূচি।
এতে আরও বলা হয়, রাষ্ট্রীয় প্রটোকল সীমিত করা, সরকারি ব্যয় কমানো, মাঠপর্যায়ের সমস্যার দ্রুত সমাধানের নির্দেশনা দেওয়া এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত থাকার মতো প্রধানমন্ত্রীর কিছু ব্যক্তিগত ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত সরকারের রাজনৈতিক বার্তাকে ভিন্ন মাত্রা দিয়েছে।
তবে প্রকাশনাটিতে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সম্প্রসারণ এবং দীর্ঘমেয়াদি সংস্কার বাস্তবায়নকে এখনও বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
তারপরও সরকারের প্রথম ১০০ দিনে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণে সক্ষম, সক্রিয় ও জনমুখী প্রশাসনের একটি চিত্র তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে বলে ই-বুকে উল্লেখ করা হয়।
এতে বলা হয়, অনেক কর্মসূচি এখনও বাস্তবায়নের প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। তবে প্রযুক্তিনির্ভর, জবাবদিহিমূলক ও সেবামুখী রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তুলতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
ই-বুকে আরও বলা হয়, নির্বাচনি প্রতিশ্রুতিগুলো প্রায়ই রাজনৈতিক বক্তব্যের অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়। কিন্তু ক্ষমতায় যাওয়ার পর সেসব প্রতিশ্রুতি কত দ্রুত বাস্তব কর্মপরিকল্পনায় রূপ নেয়, তার ওপরই নেতৃত্বের মূল্যায়ন নির্ভর করে।
প্রকাশনাটিতে দাবি করা হয়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্বাচনি অঙ্গীকার এবং দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য দেওয়া সরাসরি রাজনৈতিক নির্দেশনা বাংলাদেশের নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় জাতীয় আলোচনার বিষয়ে পরিণত হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি দায়িত্ব গ্রহণের পর সরকার বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চাপ, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সংকট, বিনিয়োগ স্থবিরতা, কর্মসংস্থানের ঘাটতি এবং প্রশাসনিক দুর্বলতাসহ একাধিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়।
ই-বুকে বলা হয়েছে, প্রথম ১০০ দিনের মধ্যেই নীতিনির্ধারণে গতি, অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনায় স্থিতিশীলতা, প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে শৃঙ্খলা এবং বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান পুনরুদ্ধারে ইতিবাচক প্রবণতার লক্ষণ দৃশ্যমান হয়েছে।
এতে আরও দাবি করা হয়, বাংলাদেশে এই প্রথম কোনো সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই দেশব্যাপী নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে। কারণ নির্বাচিত প্রতিনিধিদের প্রধান দায়িত্ব হচ্ছে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের সেবা নিশ্চিত করা।
৬৮ দিন আগে
সরকারের ১০০ দিনে মন্ত্রিসভার ৬২ শতাংশ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হয়েছে: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের ১০০ দিন পূর্ণ করেছে বিএনপি। এ উপলক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র ও উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন বলেছেন, ‘সরকারের অভূতপূর্ব কর্মযজ্ঞে সাধারণ মানুষের জীবনমানে ইতোমধ্যেই ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে শুরু করেছে।’
তিনি বলেছেন, ‘জনগণের ভোটে নির্বাচিত বিএনপি সরকারের মন্ত্রিসভা ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৪ মে পর্যন্ত মোট ১০টি কেবিনেট সভা সম্পন্ন করেছে। এসব সভায় সর্বসম্মতিক্রমে ৬০টি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৩৭টি সিদ্ধান্ত অর্থাৎ প্রায় ৬২ শতাংশ এরইমধ্যে বাস্তবায়িত হয়েছে এবং ২৩টি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় রয়েছে।’
তিনি দাবি করেছেন, সরকার গঠনের পর এত স্বল্প সময়ে মন্ত্রিসভায় গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহের উল্লেখযোগ্য অংশ কার্যকর করতে সক্ষম হওয়া সরকারের দ্রুততা, কার্যকারিতা ও আন্তরিকতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
মঙ্গলবার (২৫ মে) বিকেলে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি সরকারের একশ দিনের বিভিন্ন কর্মসূচি ও সাফল্যের বিস্তারিত তুলে ধরেন।
মাহদী আমিন বলেন, গুম-খুন, হামলা-মামলা এবং দমন-পীড়নের দীর্ঘ পথ অতিক্রম করে জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার মানবাধিকার, বাকস্বাধীনতা ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। যার প্রতিফলন গত ১০০ দিনের উদার ও সহিষ্ণুতার নতুন মানদণ্ডে বারবার প্রতীয়মান হয়েছে। অন্যদিকে, বাকস্বাধীনতার নামে অপপ্রচার, বিদ্বেষ বা বিষোদগারের যে রাজনীতি একটি গোষ্ঠীর অপকৌশলে পরিণত হয়েছে, সেই চর্চা গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তার দাবি, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারের মাত্র ১০০ দিনের পথচলাতেই দেশের নানা ক্ষেত্রে দৃশ্যমান, সুস্পষ্ট ও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি পরিলক্ষিত হয়েছে। একইসঙ্গে জনমনে সৃষ্টি হয়েছে ক্ষমতায়ন, আশা-আকাঙ্ক্ষা ও প্রত্যাশার এক নতুন, দৃঢ় ও ইতিবাচক মেলবন্ধন।
তিনি আরও বলেন, গৃহীত বহুমুখী ও সময়োপযোগী পদক্ষেপের ফলে জনজীবনে ফিরে এসেছে স্বস্তি ও শৃঙ্খলা। সরকারের রূপকল্পে দেশের ২০ কোটি মানুষ যদি একসঙ্গে কাজ করে, তরুণ ও নারীরা যদি ক্ষমতায়িত হন, ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশকে আমরা অবশ্যই একটি মর্যাদাশীল ও স্বনির্ভর রাষ্ট্রে পরিণত করতে সক্ষম হব।
৭০ দিন আগে
পরিচ্ছন্ন জ্বালানি ও সবুজ অর্থনীতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী
বাংলাদেশ ধীরে ধীরে পরিচ্ছন্ন জ্বালানি, সবুজ অর্থনীতি ও আত্মনির্ভরশীল শক্তি ব্যবস্থার পথে দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রবিবার (২৪ মে) সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের শপথকক্ষে ‘নবায়নযোগ্য সৌরবিদ্যুৎ অন-গ্রিড রুফটপ’ প্রকল্পের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর অনুরোধে জাতীয় সংসদ ভবনে স্থাপিত এক মেগাওয়াট ক্ষমতার এই সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থাটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজকে আমরা এমন একটি উদ্যোগের উদ্বোধন করছি, যা শুধু একটা বিদ্যুৎ উৎপাদনের উদ্যোগই নয়, বরং এটা বাংলাদেশের টেকসই ভবিষ্যতের একটি প্রতীক। জাতীয় সংসদ ভবনে এক মেগাওয়াট রুফটপ সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থার উদ্বোধনের মাধ্যমে আমার মনে হয় একটা বার্তা আমরা স্পষ্টভাবে দিতে পারব। সেটি হচ্ছে, বাংলাদেশ পরিচ্ছন্ন জ্বালানি, সবুজ অর্থনীতি এবং আত্মনির্ভরশীল শক্তি ব্যবস্থার পথে ধীরে ধীরে দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যাচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, জাতীয় সংসদ ভবনের এই উদ্যোগ দেশের সকল সরকারি এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে অনুপ্রাণিত করবে। প্রতিটি ছাদ, প্রতিটি প্রতিষ্ঠান এবং প্রতিটি নাগরিক যদি পরিচ্ছন্ন জ্বালানির এই অভিযাত্রায় অংশ নেয়, তবে বাংলাদেশ ইনশাল্লাহ খুব দ্রুতই একটি সবুজ এবং টেক উন্নয়নের মডেল রাষ্ট্রে পরিণত হতে পারে।’
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘লুই কানের নকশায় নির্মিত এই জাতীয় সংসদ ভবন আমাদের গণতন্ত্রের প্রতীক। আর সেই ভবনের ছাদে সৌরশক্তিকে কাজে লাগিয়ে আমরা প্রমাণ করার চেষ্টা করছি যে নেতৃত্ব কিংবা নীতিতে নয়, বরং বাস্তব কর্মকাণ্ডে প্রতিফলন হতে হবে।’
৭১ দিন আগে