চলতি শিক্ষাবর্ষে অন্যান্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থীরা আগে পাঠদান কার্যক্রমে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছেন। এতে করে শিক্ষার্থীরা ক্রমান্বয়ে সেশনজট থেকে মুক্তি পাবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন জবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম।
সোমবার (১১ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সাজিদ একাডেমিক ভবনের ব্যবস্থাপনা শিক্ষা বিভাগের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের (২০তম ব্যাচ) শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ আশ্বাস দেন তিনি।
উপাচার্য বলেন, ‘গত শিক্ষাবর্ষের তুলনায় এবার আমরা চার মাস আগে পাঠদান কার্যক্রম শুরু করেছি। আশা করছি, সেশনজট থেকে ক্রমান্বয়ে মুক্তি পাবে শিক্ষার্থীরা।’
আরও পড়ুন: জবির আইইআর ইনস্টিটিউটে র্যাগিং, ১০ দিন পেরোলেও গুরুত্বে নেয়নি পরিচালক
চলতি শিক্ষাবর্ষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা দেশের অন্যান্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনায় সর্বপ্রথম পাঠদান কার্যক্রমে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছেন জানিয়ে তিনি বলেন, এটি ভবিষ্যতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর প্রোগ্রামগুলো নির্ধারিত সময়ে শেষ করতে সহায়ক হবে।
এ সময় শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে উপাচার্য বলেন, ‘সবকিছুর ঊর্ধ্বে একাডেমিক জীবনের গুরুত্ব দিতে হবে। আমরা ইতোমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের নানা সমস্যা চিহ্নিত করে সমাধানের পথে এগিয়ে যাচ্ছি। আগামীর সুন্দর একাডেমিক পরিবেশে তোমরা মেধাচর্চা করে সাফল্যের শীর্ষে পৌঁছাতে পারবে।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে কেবল ডিগ্রি বা সনদ অর্জনের লক্ষ্যেই সীমাবদ্ধ থাকা উচিত নয়। তাদের বক্তব্য ও চিন্তাধারার প্রকাশে শালীনতা ও মাধুর্য থাকতে হবে। সমালোচনার ভাষাও হতে হবে পরিমিত ও ভদ্র, কেননা পুরো দেশ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আচরণ ও বক্তব্য লক্ষ্য করে।’
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. মিজানুর রহমান। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. মোশাররাফ হোসেন, শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন, স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মনিরুজ্জামান, বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মঞ্জুর মুর্শেদ ভূঁইয়া, আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. মিরাজ হোসেন এবং মেন্টরসের পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অনিন্দ্য চৌধুরীসহ বিভাগের অন্যান্য শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।