সারা দেশের সাড়ে তিন হাজার নেতার অংশগ্রহণে রাজধানীতে বিএনপির বর্ধিত সভা শুরু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টায় জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হল প্রাঙ্গণে শোক প্রস্তাবের মাধ্যমে এ সভা শুরু হয়।
ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া লন্ডন থেকে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন।
লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি সভাপতিত্ব করছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। উদ্বোধনী ও সমাপনী অধিবেশনে নেতাদের উদ্দেশে ভাষণ দেবেন তিনি।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, এরপর তারেক রহমানের উদ্বোধনী দেন।
উদ্বোধনী অধিবেশনে বর্ধিত সভা বাস্তবায়ন গণমাধ্যম উপকমিটির নির্মাণ করা প্রামাণ্যচিত্র 'প্রথম বাংলাদেশ, আমাদের শেষ বাংলাদেশ' প্রদর্শন করা হয়।
এছাড়া তাৎপর্যপূর্ণ এই আয়োজনকে স্মরণীয় করে রাখতে আমরা বিএনপি পরিবার ইতোমধ্যে 'আস্থা' নামে একটি ম্যাগাজিন প্রকাশ করেছে।
আরও পড়ুন: বিএনপি নেতাদের সঙ্গে ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
উদ্বোধনের পরে, একটি রুদ্ধদ্বার অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে। এতে তৃণমূল নেতারা তাদের মতামত তুলে ধরবেন। তারেক রহমানের দিক-নির্দেশনামূলক বক্তব্যের মধ্য দিয়ে বৈঠক শেষ হবে।
সর্বশেষ ২০১৮ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকার লা মেরিডিয়ান হোটেলে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া দলের নেতাদের উদ্দেশে ভাষণ দেন। চারদিন পর ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এই বর্ধিত সভায় তৃণমূল থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় পর্যায় পর্যন্ত ছয়টি সাংগঠনিক পর্যায় থেকে সাড়ে তিন হাজার নেতা অংশ নিচ্ছেন।
সভায় জাতীয় স্থায়ী কমিটি, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদ, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং সব মহানগর, জেলা, উপজেলা-থানা ও পৌর ইউনিট কমিটির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবরা উপস্থিত থাকবেন।
বৈঠকে বিএনপির ১১টি ভ্রাতৃপ্রতীম ও সহযোগী সংগঠনের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, আহ্বায়ক ও সদস্য সম্পাদকসহ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: নির্বাচন বিলম্বিত হলে কারা সুবিধা পাবে, তা দেখার বিষয়: তারেক রহমান
এ ছাড়া ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী এমনকি দল থেকে যারা প্রাথমিক মনোনয়ন পেয়েছিলেন তারাও বর্ধিত সভায় রয়েছেন।
এই বর্ধিত বৈঠকের মধ্য দিয়ে আগামী জাতীয় নির্বাচনের দিকে বিএনপির যাত্রা ও নির্বাচনমুখী কর্মসূচি শুরু হবে।