পরিবেশ-ও-কৃষি
সাগরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত, চার দিন বৃষ্টি ঝরার পর বাড়বে গরম
ঢাকা, ২৮ এপ্রিল (ইউএনবি)— টানা কয়েকদিন তাপপ্রবাহের পর গত দুদিন ধরে দেশের বিভিন্ন স্থানে কমবেশি বৃষ্টি হচ্ছে। সেই সঙ্গে কালবৈশাখী ও শিলাবৃষ্টিও হচ্ছে কিছু কিছু জায়গায়। ঝড়বৃষ্টির এই ধারা আগামী কয়েকদিন অব্যাহত থাকার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
আবহাওয়াবিদ মো. শাহীনুল ইসলামের সই করা আবহাওয়ার এক সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্য বিরাজ করছে।
এর প্রভাবে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
সেই সঙ্গে উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি এসে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।
নদীবন্দরে ২ নম্বর সতর্ক সংকেত
এছাড়া, মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) বিকেল ৪টা থেকে রাত ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য আবহাওয়ার বিশেষ পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ফরিদপুর, মাদারীপুর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার অঞ্চলের উপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টিসহ ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ২ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
আবহাওয়াবিদ এ একে এম নাজমুল হকের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, যশোর, কুষ্টিয়া, ঢাকা, ময়মনসিংহ এবং সিলেট অঞ্চলের উপর দিয়ে একই দিক থেকে থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস
এদিকে, আবহাওয়াবিদ মো. শাহীনুল ইসলামের সই করা আরেক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, দেশের অভ্যন্তরে বজ্রমেঘ তৈরি অব্যাহত রয়েছে। এর ফলে আজ (মঙ্গলবার) বেলা ১১টা থেকে পরবর্তী ৯৬ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে।
২৪ ঘণ্টায় ৪৪ থেকে ৮৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হলে তাকে ভারী এবং ৮৮ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টিপাত হলে তাকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হিসেবে চিহ্নিত করে থাকে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের কারণে এসব এলাকার কোথাও কোথাও অস্থায়ীভাবে জলাবদ্ধতাসহ চট্টগ্রাম বিভাগের পাহাড়ি এলাকার কোথাও কোথাও ভূমিধ্বস হতে পারে বলে সতর্ক করেছে রাষ্ট্রীয় সংস্থাটি।
চার দিন পর বাড়বে গরম
এদিকে, আবহাওয়ার নিয়মিত বুলেটিনে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
সেই সঙ্গে ঢাকা, ময়মনসিংহ, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। বিরাজমান লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ থেকে উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত থাকায় এই বৃষ্টিপাত হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
এই সময়ে সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।
বৃষ্টিপাতের এই ধারা আগামী ২ মে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। সেই সঙ্গে সারা দেশের দিন ও রাতের তাপমাত্রা এই সময়ের মধ্যে প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে বলে পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে।
তবে শনিবার (২ মে) সন্ধ্যা ৬টার পর থেকে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা কমে তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিপ্তর।
২ দিন আগে
কালবৈশাখী ঝড়ে লণ্ডভণ্ড ঠাকুরগাঁওয়ের বিভিন্ন এলাকা
ঠাকুরগাঁওয়ে শনিবার ভোরে হঠাৎ আঘাত হানা কালবৈশাখী ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে লণ্ডভণ্ড হয়েছে বিভিন্ন এলাকা। ঝড়ের তাণ্ডবে গাছ উপড়ে পড়ে চারটি পরিবারের অন্তত ছয়টি ঘর সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়েছে। এ দুর্যোগে নিজাম উদ্দিন নামে এক ব্যক্তি গুরুতর আহত হয়েছেন।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) ভোরে হঠাৎ করেই ঝোড়ো হাওয়া ও শিলাবৃষ্টি শুরু হয়। অল্প সময়ের মধ্যেই ঝড়ের তীব্রতা বৃদ্ধি পায়।
সদর উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের বাকশিড়ি এলাকায় প্রবল বাতাসে একটি বিশাল গাছ ভেঙে পড়ে নিজাম উদ্দিনের বসতঘরের ওপর। এ সময় পরিবারের অন্য সদস্যরা দ্রুত ঘর থেকে বের হতে সক্ষম হলেও নিজাম উদ্দিন ঘরের ভেতরেই আটকা পড়েন। পরে স্থানীয়দের তৎপরতায় তাকে উদ্ধার করে ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধী নিচ্ছেন।
৫ দিন আগে
ডিজেল সংকটে বেড়েছে হারভেস্টারের ভাড়া, বিপাকে হাওরাঞ্চলের কৃষক
সিলেট বিভাগের হাওরাঞ্চলে বোরো ধান কাটার মৌসুম শুরু হলেও ডিজেল সংকট ও নতুন করে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব পড়েছে কৃষি খাতে। সময়মতো ধান কাটতে না পারার আশঙ্কার পাশাপাশি বাড়তি খরচের চাপে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন কৃষকেরা।
দ্রুত ফসল ঘরে তুলতে কম্বাইন হারভেস্টারের ওপর নির্ভরতা বাড়লেও ভাড়ার হার অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।
কৃষকদের দাবি, এক বছর আগেও প্রতি একর জমির ধান কাটতে যেখানে সাড়ে ৪ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা খরচ হতো, বর্তমানে তা বেড়ে সাড়ে ৭ হাজার থেকে ১২ হাজার টাকা পর্যন্ত উঠেছে। কোথাও কোথাও এর চেয়েও বেশি ভাড়া দাবি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে উৎপাদন ব্যয় বহুগুণ বেড়ে গেলেও ধানের বাজারমূল্য সে অনুপাতে না বাড়ায় কৃষকেরা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সিলেট বিভাগের চার জেলায় বর্তমানে ১ হাজার ৪৭৩টি কম্বাইন হারভেস্টার সক্রিয় রয়েছে। তবে চাহিদার তুলনায় এ সংখ্যা এখনও অপর্যাপ্ত বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের কৃষক সেলিম রেজা চৌধুরী বলেন, এবার ধান ভালো হয়েছে, কিন্তু কাটার সময় এসে আমরা সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়েছি। এক একর জমি কাটতে ১২ হাজার টাকা পর্যন্ত দিতে চাইলেও অনেক সময় হারভেস্টার পাওয়া যাচ্ছে না। দিন যত যাচ্ছে, খরচ তত বাড়ছে। বৃষ্টি হলে বা আগাম বন্যা এলে ফসল নষ্ট হওয়ার ভয় তো আছেই।
তিনি বলেন, ধানের দাম এখনও তেমন বাড়েনি। একদিকে সার, বীজ, সেচ—সবকিছুর খরচ বেড়েছে, অন্যদিকে কাটাই ও মাড়াইয়ের খরচও দ্বিগুণ। সব মিলিয়ে হিসাব করলে লোকসান ছাড়া কিছুই থাকছে না।
অনেক কৃষক ঋণ করে চাষ করেছেন, এখন সেই ঋণ পরিশোধ নিয়ে তারা দুশ্চিন্তায় পড়েছেন বলে জানান তিনি।
একই উপজেলার আরেক কৃষক আবদুল করিম বলেন, আমরা বাধ্য হয়ে অপেক্ষা করছি, কখন হারভেস্টার পাওয়া যাবে। অনেকেই আবার দলবেঁধে মেশিন বুকিং দিচ্ছেন, কিন্তু সংকট এত বেশি যে সময়মতো ধান কাটা যাচ্ছে না। এতে জমিতে পাকা ধান পড়ে থাকার ঝুঁকি বাড়ছে।
তাহিরপুর উপজেলার বালিজুড়ি এলাকার হারভেস্টার মালিক মঈনুল ইসলাম বলেন, আমাদেরও পরিস্থিতি ভালো নয়। ডিজেল ছাড়া মেশিন চালানো সম্ভব নয়, কিন্তু ডিলারদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় ডিজেল পাওয়া যাচ্ছে না। কৃষি কর্মকর্তার কাছ থেকে ছাড়পত্র নিয়েও পর্যাপ্ত জ্বালানি মিলছে না বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, বাধ্য হয়ে খোলা বাজার থেকে বেশি দামে ডিজেল কিনতে হচ্ছে। আগে যেখানে নির্দিষ্ট দামে ডিজেল পাওয়া যেত, এখন সেখানে অতিরিক্ত টাকা দিতে হচ্ছে। যন্ত্রের রক্ষণাবেক্ষণ খরচও বেড়েছে। সব মিলিয়ে ভাড়া না বাড়িয়ে আমাদের পক্ষে টিকে থাকা সম্ভব না।
হারভেস্টারচালক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, দিনরাত কাজ করেও চাহিদা পূরণ করা যাচ্ছে না। অনেক জায়গা থেকে ফোন আসে, কিন্তু সময় মেলানো যায় না। ডিজেল সংকট থাকায় একটানা কাজ করাও কঠিন হয়ে পড়েছে।
সুনামগঞ্জ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ ওমর ফারুক বলেন, জেলায় প্রকৃতপক্ষে কোনো জ্বালানি সংকট নেই, তবে নিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থার কারণে বিতরণে কিছু জটিলতা তৈরি হয়েছে। প্রত্যয়নপত্রের ভিত্তিতে তেল সরবরাহ করা হচ্ছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনিক সমন্বয় অব্যাহত রয়েছে বলে জানান তিনি।
৭ দিন আগে
গাকৃবিতে উচ্চ ফলনশীল চিকন ধানের নতুন জাত উদ্ভাবন
নতুন আউশ ধানের জাত ‘জিএইউ ধান-৪’ উদ্ভাবন করেছেন গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গাকৃবি) গবেষকরা। স্বল্প সময়ে বেশি ফলন দেওয়ার পাশাপাশি চিকন চালের বাজার চাহিদা পূরণে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে এই ধান।
গবেষকদের মতে, এ জাতটি কৃষকের আয় বাড়ানোর পাশাপাশি দেশের খাদ্য নিরাপত্তা জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষিতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. এম. ময়নুল হক ও অধ্যাপক ড. মো. মসিউল ইসলামের নেতৃত্বে প্রায় এক দশকের গবেষণায় স্বল্পমেয়াদী, উচ্চ ফলনশীল ও চিকন আউশ ধানের এই নতুন জাত উদ্ভাবন করা হয়েছে।
নতুন এ উদ্ভাবনের ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভাবিত ধানের জাতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪টি এবং মোট ফসলের জাতের সংখ্যা হয়েছে ৯৫টি। সংশ্লিষ্টরা এটিকে দেশের কৃষি গবেষণায় একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে দেখছেন।
পুষ্টিগুণের দিক থেকেও ধানটি সমৃদ্ধ। এতে প্রায় ২৪.৫৮ শতাংশ অ্যামাইলেজ এবং ৮.৩৮ শতাংশ প্রোটিন রয়েছে, যা হজম ও শরীরের গঠন প্রক্রিয়ায় সহায়ক।
অধ্যাপক ড. মো. মসিউল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য ছিল এমন একটি আউশ ধান উদ্ভাবন করা, যা স্বল্প সময়ে বেশি ফলন দেবে এবং বাজারে ভালো দাম পাওয়া যাবে। আমরা আশা করছি এটি কৃষকদের অর্থনৈতিকভাবে লাভবান করবে।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী উপাচার্য অধ্যাপক ড. জিকেএম মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘এই উদ্ভাবন আমাদের গবেষকদের মেধা ও পরিশ্রমের ফল। এটি দেশের কৃষি উৎপাদন বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’
গবেষণা সূত্রে জানা গেছে, দেশে সাধারণত আউশ ধানের ফলন আমন ও বোরোর তুলনায় কম হলেও ‘জিএইউ ধান-৪’ এ ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম। এটি দ্রুত পরিপক্ব হওয়ায় কৃষকরা অল্প সময়ে জমি খালি করে বছরে তিন থেকে চারটি ফসল আবাদ করতে পারবেন। বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলের মঙ্গাপ্রবণ এলাকায় এটি কৃষকদের জন্য লাভজনক হতে পারে।
গবেষণায় দেখা গেছে, বীজ বপনের ৩ মাস থেকে ৩ মাস ১০ দিনের মধ্যেই এ ধান কাটা যায়। অনুকূল পরিবেশে প্রতি হেক্টরে ৫ থেকে ৫.৫ টন পর্যন্ত ফলন পাওয়া সম্ভব। এছাড়া রোগবালাই প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি থাকায় প্রচলিত জাতের তুলনায় ১০ থেকে ১৫ শতাংশ বেশি ফলন দিতে পারে।
গবেষকরা জানান, প্রচলিত আউশ জাত ‘পারিজাত’ এবং উচ্চ ফলনশীল চিকন জাত ‘বিইউ ধান-২’-এর সংকরায়নের মাধ্যমে এই নতুন জাত উদ্ভাবন করা হয়েছে। দীর্ঘ গবেষণা ও মাঠ পরীক্ষার পর সম্প্রতি জাতীয় বীজ বোর্ডের সভায় ‘জিএইউ ধান-৪’ জাতটি অনুমোদন পেয়েছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, জলবায়ু সহনশীলতা এবং কম পানি প্রয়োজন হওয়ায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এ জাতের চাষ সম্প্রসারণ হলে কৃষি খাতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
২৬ দিন আগে
টানা তিন দিন দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রায় পুড়ছে চুয়াডাঙ্গা
টানা তিন দিন ধরে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হচ্ছে চুয়াডাঙ্গায়। আজ শুক্রবার জেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা এ মৌসুমেরও সর্বোচ্চ। একইসঙ্গে জেলার ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ বইছে, যা স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
জেলা আবহাওয়া অফিস জানায়, শুক্রবার দুপুর ৩টায় ৩৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৩১ শতাংশ। এর আগে, দুপুর ১২টায় তাপমাত্রা ছিল ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত বুধবার (১ এপ্রিল) তাপমাত্রা ছিল ৩৬ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) ৩৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছিল। টানা তিন দিন দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হওয়ায় চুয়াডাঙ্গার জনজীবনে নেমে এসেছে চরম ভোগান্তি।
সরেজমিনে দেখা গেছে, সকাল ৭টার পর সূর্য উঠার সঙ্গে সঙ্গে তাপমাত্রা দ্রুত বাড়তে থাকে। তপ্ত রোদে শহরের রাস্তাঘাট প্রায় ফাঁকা হয়ে গেছে। প্রয়োজন ছাড়া মানুষ ঘরের বাইরে বের হচ্ছেন না। বাইরে বের হলেও ছাতা, টুপি বা কাপড় দিয়ে নিজেদের রক্ষা করছেন। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন খেটে-খাওয়া মানুষ।
২৭ দিন আগে
সন্ধ্যার মধ্যে ১৯ জেলায় ঝড়ের পূর্বাভাস, কমতে পারে তাপমাত্রা
লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে আর মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপটি অবস্থান করছে দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে। এর প্রভাবে গত কয়েকদিন ধরে দেশের বিভিন্ন স্থানে ঝড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টি হচ্ছে। আজও দেশের ১৯ জেলায় সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
কালবৈশাখী নিয়ে আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হকের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আজ (শনিবার) সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ঢাকা, ময়মনসিংহ, যশোর, কুষ্টিয়া, ফরিদপুর, মাদারীপুর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম এবং সিলেট অঞ্চলের উপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।
এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
এদিকে, আগামীকাল সকাল ৯টা পর্যন্ত আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
আজ সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে বলে পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে। আগামীকালও সারা দেশের দিন ও রাতের তাপমাত্রা কমে তার পরের দিন থেকে বাড়ার পূর্বাভাস দিয়েছে রাষ্ট্রীয় সংস্থাটি।
অন্যদিকে, ঢাকা ও এর আশপাশের এলাকার জন্য আজ সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, দক্ষিণ অথবা দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে, যা অস্থায়ীভাবে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে।
আজ দুপুর ১২টায় ঢাকার তাপমাত্রা ছিল ২৯.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা গতকালের সর্বোচ্চ তাপমাত্রার (৩৩.৫) চেয়ে ৪.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস কম। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৫৮ শতাংশ।
৩৩ দিন আগে
ঈদের দিন সারা দেশে ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস
লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় এবং মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করায় গত কয়েকদিন ধরেই দেশের বিভিন্ন স্থানে কমবেশি বৃষ্টিপাত হচ্ছে। এই ধারা আগামীকাল ঈদুল ফিতরের দিনসহ পরবর্তী কয়েকদিনও অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
লঘুচাপের কারণে আজ রাজধানী ঢাকায় সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বজ্রসহ ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে। এ সময় দমকা হাওয়ার প্রাবল্যও ছিল চোখে পড়ার মতো। দুপুরের পর থেকে বৃষ্টি না হলেও আকাশ ছিল মেঘাচ্ছন্ন। সেই সঙ্গে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হয়েছে বলে জানিয়েছে রাষ্ট্রীয় সংস্থাটি।
আগামীকালও (শনিবার) দেশজুড়ে ঝড়বৃষ্টির এই প্রবণতা অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
শুক্রবার (২০ মার্চ) আবহাওয়া অধিদপ্তরের নিয়মিত বুলেটিনে বলা হয়েছে, শনিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টিরও সম্ভাবনা রয়েছে।
এই সময়ে সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। বৃষ্টিপাতের এই প্রবণতা আগামী তিন দিন অব্যাহত থাকতে পারে বলে পূর্বাভাসে বলা হয়েছে।
নদীবন্দরে ২ নম্বর সতর্ক সংকেত
এদিকে, আজ দুপুর আড়াইটা থেকে রাত ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দগুলোর জন্য পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, যশোর, খুলনা, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, রাঙামাটি এবং চট্টগ্রাম অঞ্চলের উপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
তাছাড়া ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল ও সিলেট অঞ্চলের উপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
৪১ দিন আগে
দুই বিভাগে ঝড়, আগামী ৫ দিন সারা দেশে বৃষ্টির পূর্বাভাস
লঘুচাপের বর্ধিতাংশ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে, আর মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ অবস্থান করছে দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে। এর ফলে গত দুদিন ধরে দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টিপাত হচ্ছে, যা আরও অন্তত পাঁচ দিন চলবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
শনিবার (১৪ মার্চ) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী, রংপুর, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দুয়েক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টিপাত হতে পারে।
সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে রাষ্ট্রীয় সংস্থাটি। এই সময়ে সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
পরের চার দিন, অর্থাৎ রবি, সোম, মঙ্গল ও বুধবারও বৃষ্টিপাতের এই ধারা অব্যাহত থাকতে পারে বলে আহওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে। এর মধ্যে রবি ও সোমবার সারা দেশের তাপমাত্রা সামান্য কমলেও মঙ্গলবার থেকে তা আবার বাড়তে পারে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
এই পাঁচ দিনের শেষের দিকে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির প্রবণতা আরও বাড়তে পারে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
গতকাল দেশের সর্বোচ্চ ৮৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে সিলেটে। এছাড়া শ্রীমঙ্গলে ৪১ মিলিমিটার এবং ঢাকায় ১৮ মিলিমিটার বৃষ্টি ঝরেছে। এছাড়া সর্বোচ্চ ৩৬.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা ছিল যশোরে এবং সর্বনিম্ন ১৫.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা ছিল পটুয়াখালীর খেপুপাড়ায়।
দুই বিভাগে ঝড়ের সম্ভাবনা
আজ (শনিবার) সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ময়মনসিংহ ও সিলেট অঞ্চলের উপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।
এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
৪৭ দিন আগে
বসন্ত পড়তেই বৃষ্টিতে ভিজল ঢাকা
বর্ষা শেষ হয়ে শরৎ, হেমন্ত পেরিয়ে শীত; দীর্ঘ শুষ্ক মৌসুম শেষ হয়ে বসন্ত এসেছে কয়েকদিন হলো। এর মধ্যেই বৃষ্টির আগমনে প্রাণ সঞ্চার হলো প্রকৃতিতে।
সোমবার (২ মার্চ) সকাল থেকেই আকাশে ছিল মেঘের আনাগোনা। সূর্যের দেখা তেমনভাবে মিলছিল না। এরপর দুপুর গড়িয়ে বিকেল হতেই নামে বৃষ্টি।
বিকেল সাড়ে ৩টার পরপরই ঝুপ করে শুরু হয় বৃষ্টি। তার সঙ্গে ছিল ঝড়ো হাওয়া। সব মিলিয়ে শুষ্ক ধুলায় ঢাকা রাজধানীতে স্বস্তির পরশ নিয়ে এসেছে এই বৃষ্টি।
অবশ্য আবহাওয়ার পূর্বাভাসও বলছিল একই সম্ভাবনার কথা। আজ দুপুর ১টা থেকে পরবর্তী ৬ ঘণ্টায় ঢাকার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছিল, পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ১০-১৫ কিলোমিটার বেগে হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।
এছাড়া, আজ সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে, এর বর্ধিতাংশ উত্তরপূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।
এর প্রভাবে ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দুয়েক জায়গায় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।
বৃষ্টির এই পূর্বাভাস আগামীকালও দেশের চার বিভাগে অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সংস্থাটি বলেছে, আগামীকাল (মঙ্গলবার) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দুয়েক জায়গায় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। তবে দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।
৫৯ দিন আগে
ভূমিকম্পে আবারও কাঁপল দেশ, উৎপত্তিস্থল সাতক্ষীরা
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। আজ শুক্রবার দুপুর ১টা ৫২ মিনিটে এ কম্পন অনুভূত হয়।
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর (বিএমডি) জানিয়েছে, রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৪।
বিএমডির আবহাওয়াবিদ শাহনাজ সুলতানা জানান, ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলায়।
ইউরোপীয়-মেডিটেরানিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টার (ইএমএসসি) জানায়, ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল খুলনা জেলা শহর থেকে ৪৭ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং সাতক্ষীরা থেকে ২৯ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে।
তবে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
ইউএনবির খুলনা প্রতিনিধি জানান, বেলা ১টা ৫২ মিনিটের দিকে খুলনা এবং সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলাতেও মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়।
খুলনা আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়া কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান বলেন, ভূমিকম্পটির তীব্রতা ছিল মাঝারি।
সাতক্ষীরায় কম্পন অনুভূত হওয়ার পর আতঙ্কে অনেক বাসিন্দা ঘর থেকে বেরিয়ে আসেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
এর আগে, বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে ঢাকা, সিলেট ও আশপাশের এলাকায় মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়। ইএমএসসি জানায়, রাত ১০টা ৫৩ মিনিটে অনুভূত ওই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৫ দশমিক ১।
এছাড়া বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা ৪ মিনিটে ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন স্থানে আরেকটি মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্র জানায়, ওই কম্পনের মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৪ দশমিক ৬।
৬২ দিন আগে