সারাদেশ
মাঠ প্রশাসনকে তিন নির্দেশনা দিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনামন্ত্রী
দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখা, বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক পর্যায়ে নিয়ে আসা ও আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখা—এই তিন বিষয়ে মাঠ প্রশাসনকে নির্দেশনা দিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রংপুর সার্কিট হাউজে বিভাগীয় পর্যায়ে সব জেলা প্রশাসককের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।
মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, মাঠ প্রশাসনকে ওই তিন বিষয়ে ছাড়াও মাদক ও দুর্নীতির বিষয়ে জিরো টলারেন্সের কথা তুলে ধরার মতো নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া রংপুর বিভাগের অনেক দপ্তরে কর্মকর্তা-কর্মচারীর ঘাটতি রয়েছে। অন্যান্য বিভাগের তুলনায় এ বিভাগে অনেক প্রকল্প অন্তর্ভুক্তি হয়নি এখনও। সেগুলো নিয়েও আলোচনা হয়েছে। মানুষ যাতে খুব সহজে সেবা পায়, সেই বিষয়গুলো নিয়েও আলোচনা হয়েছে মাঠ প্রশাসনের সঙ্গে।
তিনি বলেন, ‘বিগত সময়ে রংপুর বিভাগে বৈষম্য হয়েছে, যার কারণে মানুষের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তবে এবারে যাতে কোনো বৈষম্য না হয়, এই অঞ্চলের সন্তান হিসেবে বাজেটে সেই চেষ্টা করব।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচনের প্রাক্কালে রংপুরে এসেছিলেন, তিনিও রংপুরের উন্নয়ন সম্ভাবনা নিয়ে কথা বলেছেন। তারেক রহমান আরও বলেছেন, রংপুরের উন্নয়নে কলকারখানা স্থাপনসহ এই অঞ্চলকে আর পিছিয়ে পড়তে দেওয়া হবে না। তাছাড়া রংপুর অঞ্চল খাদ্য উৎপাদনের অঞ্চল, এখানকার জমি সস্তা, শ্রম সস্তা, মানুষ ভালো, আইনশৃঙ্খলা ভালো। তাই অপেক্ষা করেন, রংপুর অঞ্চলও অন্যান্য অঞ্চলের মতো সমভাবে উন্নত হবে।’
তিস্তা নদী প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, তিস্তা নদী নিয়ে আর কোনো বিচ্ছিন্ন প্রকল্প হবে না। তিস্তা খনন, কিংবা তিস্তার উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে তিস্তা নদী শাসন ও খননেন কাজ করা হবে। বিএনপি একটি জনবান্ধব রাজনৈতিক দল। তাই অল্প সময়ের মধ্যে জনগণের দাবিগুলো বিবেচনায় নিয়ে তিস্তা বাস্তবায়ন করা হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন রংপুর বিভাগীয় কমিশনার শহিদুল ইসলাম, রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি আমিনুল ইসলাম, মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. মজিদ আলী, রংপুর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল আহসান, মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক সামসুজ্জামান সামুসহ প্রশাসন এবং বিএনপির নেতারা।
১০ ঘণ্টা আগে
চাঁদপুরে কিশোর গ্যাংয়ের ২১ সদস্য আটক
চাঁদপুর জেলা শহরে কিশোর গ্যাংয়ের ২১ সদস্যকে আটক করেছে সদর মডেল থানা পুলিশ।
রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত শহরের হাসান আলী সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ, লেকেরপাড়, স্টেডিয়াম রোড, মাদরাসা রোড, পৌর পার্ক, কবরস্থান রোড, প্রেসক্লাব রোডসহ বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন চাঁদপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফয়েজ আহমেদ।
এ সময় ওসি (তদন্ত) মিন্টু দত্ত, সেকেন্ড অফিসার ফেরদৌস নূর, এসআই বিল্লাল হোসেন, নাজমুল হোসেন, মোখলেছ, কালাম গাজী, নূরুল আলমসহ অন্য সদস্যরা সঙ্গে ছিলেন।
আটকরা হলেন— ফয়সাল খান (১৪), জাহিদুল (১৬), রবিউল (১৬), আসিফ (২৩), রোকন (১৮), তানভির (১৭), লাবিব (১৭), মাহমুদ (১৮), শাকিব (১৭), শাফিউন (১৮), হামিম (১৯), রায়হান (১৭), ফাহিম (১৭), আল আমিন (১৭), আল সামির (১৫), ফাইয়াজ (১৫), তাওহিদ (১৫), আবরার (১৮), দ্বিন ইসলাম (১৮), সাফিন (১৯) ও মিহাম (১৮)।
ওসি মো. ফয়েজ আহম্মেদ বলেন, পুলিশ সুপার (এসপি) মো. রবিউল হাসানের নির্দেশে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় শহরের বিভিন্ন স্থান থেকে কিশোর গ্যাংয়ের ২১ সদস্যকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়।
তিনি বলেন, আটকদের যাচাই-বাছাই করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
১০ ঘণ্টা আগে
রাজধানীতে চোর সন্দেহে গণপিটুনিতে আহত সেই যুবকের মৃত্যু
রাজধানীর শ্যামপুরে চোর সন্দেহে গণপিটুনির শিকার আব্দুর রহিম (৩৫) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১০টার দিকে পোস্তগোলা শ্মশানঘাট এলাকায় বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) নতুন প্রকল্পের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে। পরে আহত অবস্থায় আব্দুর রহিমকে রাত সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়। সেখানে ওয়ান স্টপ ইমার্জেন্সি সেন্টারে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
রহিমকে হাসপাতালে নিয়ে আসা বিআইডব্লিউটিএ প্রকল্পের সাইট ইঞ্জিনিয়ার বিপ্লব জানান, রাত সাড়ে ১০টার দিকে প্রকল্পের ভেতরে রড চুরির সময় স্থানীয় লোকজন তাকে আটক করে গণপিটুনি দেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ফারুক চিকিৎসকের বরাত দিয়ে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মরদেহ ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে জানানো হয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে
গালাগালকাণ্ডে হবিগঞ্জের সেই বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে ওসির মামলা, আদালতে সোপর্দ
হবিগঞ্জ জেলার বাহুবল উপজেলা বিএনপি সভাপতি ফেরদৌস আহমদ চৌধুরী তুষারকে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করেছে পুলিশ।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে তাকে আদালতে পাঠানো হয়। বাহুবল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ১৮৯/ ৫০৪ ও টেলিকমিউনিকেশন অধ্যাদেশ ২০২৬-এর ৬৯ ধারায় বাহুবল থানায় মামলা করেছেন। আদালত পরিদর্শক সোহেল রানা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
উল্লেখ্য, বাহুবল থানার ওসিকে মোবাইল ফোনে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করার অভিযোগে গতকাল (রবিবার) দুপুর ১২টার দিকে হবিগঞ্জ শহরের শায়েস্তানগর এলাকায় অবস্থিত নিজ বাসা থেকে তুষারকে আটক করে ডিবি পুলিশ।
এর আগে, শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাহুবল থানার ওসিকে উদ্দেশ্য করে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করার একটি অডিও ক্লিপ ছড়িয়ে পড়ে। অডিওটি দ্রুত ভাইরাল হলে বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহলে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়। পরবর্তীতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্তে নেয়। এরই ধারাবাহিকতায় অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটক করা হয়। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তার পক্ষে কোনো জামিন আবেদন করা হয়নি।
১৪ ঘণ্টা আগে
মোহাম্মদপুরে ছিনতাইয়ে বাধা দেওয়ায় শিক্ষার্থীকে কুপিয়ে জখম
রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ছিনতাইয়ে বাধা দেওয়ায় সোহান (১৬) নামে এক স্কুলশিক্ষার্থীকে কুপিয়ে জখম করেছে ছিনতাইকারীরা। সে তুরাগ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের দশম শ্রেণীর ছাত্র।
রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টার দিকে নবীনগর হাউজিংয়ের দুই নম্বর রোডে এ ঘটনা ঘটে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে রাত সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়।
সোহানের বাবা জামাল হোসেন বলেন, রাত ৯টার দিকে আমার ছেলে তার বন্ধুদের সঙ্গে নবীনগর হাউজিং দিয়ে যাওয়ার সময় কয়েকজন ছিনতাইকারী তার এক বন্ধুর কাছ থেকে মোবাইল ফোন নিয়ে যাওয়ার জন্য টানাটানি করে। পরে ছেলেটিকে বাঁচাতে সে বাঁচাতে গেলে ছিনতাইকারী ফোনটি ফেলে দৌড় দেয়। যাওয়ার আগে আমার ছেলের দুই হাঁটুর নিচে কুপিয়ে জখম করে।
তিনি বলেন, ‘আমি জানতে পেরেছি, ঢাকা উদ্যানের ছিনতাইকারী শাহিনের পোলাপান আমার ছেলেকে কুপিয়ে জখম করেছে। বর্তমানে সে ঢামেক হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটারে আছে।’
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ফারুক জানান, মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে এক কিশোরকে আহত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে। বর্তমানে জরুরি বিভাগে তার চিকিৎসা চলছে। পরিবারের সঙ্গে কথা বলে জানতে পেরেছি, ছিনতাইকারীরা তাকে কুপিয়ে জখম করেছে। আমরা বিষয়টি মোহাম্মদপুর থানা পুলিশকে জানিয়েছি।
১৪ ঘণ্টা আগে
চুয়াডাঙ্গায় নামাজে যাওয়ার পথে যুবদল নেতাকে কুপিয়ে জখম
চুয়াডাঙ্গার দর্শনা পৌর এলাকায় রিপন হোসেন (৪৫) নামে এক যুবদল নেতাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে একই এলাকার জামায়াত-সমর্থিত কর্মীদের বিরুদ্ধে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে।
রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) ইফতারের পর মসজিদে নামাজ আদায় করতে যাওয়ার পথে দর্শনা পৌর এলাকার ঈশ্বরচন্দ্রপুর গ্রামের বড় মসজিদের সামনে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা রক্তাক্ত অবস্থায় রিপনকে উদ্ধার করে প্রথমে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে রাতেই উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রামেক হাসপাতালে পাঠানো হয়।
আহত রিপন হোসেন ঈশ্বরচন্দ্রপুর গ্রামের মৃত মান্নানের ছেলে। তিনি দর্শনা পৌর যুবদলের নেতা বলে নিশ্চিত করেছেন দর্শনা পৌর বিএনপির প্রধান সমন্বয়ক মো. হাবিবুর রহমান বুলেট। তিনি বলেন, এ হামলার ঘটনায় আমরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। অবিলম্বে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে হবে।
স্থানীয় বিএনপি নেতা ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা বিরাজ করছিল। অভিযোগ রয়েছে, আওয়ামী লীগ-সমর্থিত একই এলাকার হাসেম (৫৬) ও খায়রুল কামড়িসহ (৪৫) বেশ কয়েকজন জামায়াত ইসলামীর প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনে প্রচারণার কাজ করেছেন। এ নিয়ে রিপনের সঙ্গে তাদের আগে বাগবিতণ্ডা হয়েছিল। এ বিরোধের জের ধরেই পরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি বিএনপি নেতাদের। তবে অভিযুক্তদের কোনো বক্তব্য এখনও পাওয়া যায়নি।
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. সোহরান হোসেন জানান, রিপনের শরীরের একাধিক স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গভীর ক্ষতের সৃষ্টি হয়েছে। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রামেক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ঘটনার পর পৌর বিএনপি ও সহযোগী অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা বিচারের দাবিতে তারাবীহ নামাজ শেষে দর্শনা শহরে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন। ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ টহল জোরদার করা হয়েছে।
এ ঘটনায় রিপনের ভাই বাদী হয়ে রাতেই দর্শনা থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলার এজাহারে পূর্বশত্রুতার জের ধরে হামলার অভিযোগ আনা হয়েছে এবং অভিযুক্তদের আওয়ামী লীগপন্থি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
দর্শনা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হিমেল রানা বলেন, মামলায় পূর্বশত্রুতার জেরের কথা উল্লেখ রয়েছে। অভিযুক্তদের আটকে পুলিশের একাধিক দল অভিযান চালাচ্ছে।
১৪ ঘণ্টা আগে
কলাবাগানে ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদককে গুলি
রাজধানীর কলাবাগানে শফিকুর রহমান (৫৫) নামে এক বিএনপি নেতা গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তিনি কলাবাগান ১৬ নাম্বার ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্মসাধারণ সম্পাদক। ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে তার চিকিৎসা চলছে।
রবিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সাড়ে ৯টার দিকে কলাবাগানের বসুন্ধরা শপিং কমপ্লেক্সের বিপরীতে জুতার মার্কেটের সামনে এ ঘটনা ঘটে। পরে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় রাত সাড়ে ১০টার দিকে তাকে উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়।
গুলিবিদ্ধ শফিকুর রহমানের বাড়ি কুমিল্লা জেলার বুড়িচং থানার সিদলাই গ্রামে। তিনি ওই এলাকার মৃত মফিদুল ইসলামের ছেলে। বর্তমানে তিনি টঙ্গী মধুমিতা রোড এলাকায় বসবাস করছেন।
তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসা পাশের দোকানদার শাহ পরান জানান, শফিকুর রহমান ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন দোকানের জুতা সাপ্লাইয়ের ব্যবসা করেন। হঠাৎ তার বাঁ হাতে এসে একটি গুলি লাগে। পরে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালের নিয়ে এসেছি। কে বা কারা গুলি করেছে সে বিষয়টি বলতে পারছি না।
ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ফারুক জানান, কলাবাগান থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় এক ব্যবসায়ীকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে। বর্তমানে জরুরি বিভাগের তার চিকিৎসা চলছে। আমরা বিষয়টি কলাবাগান থানাকে জানিয়েছি।
১৫ ঘণ্টা আগে
রায়েরবাজারে গ্যাস লিকেজের আগুনে একই পরিবারের ৪ জন দগ্ধ
রাজধানীর হাজারীবাগ থানাধীন রায়েরবাজার এলাকায় গ্যাস লিকেজ থেকে সৃষ্ট আগুনে একই পরিবারের নারী ও শিশুসহ ৪ জন দগ্ধ হয়েছেন।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ভোরে রায়েরবাজারের ১৪৭ নম্বর জাহানারা ভিলা ভবনের নিচতলায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। দগ্ধদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।
দগ্ধরা হলেন— শেখ রোমান (৩৫), তার স্ত্রী পিংকি আক্তার (৩২), তাদের ছেলে মায়ান (৩) এবং রোমানের শ্যালক অপু (২৩)।
শেখ রোমানের বাড়ি নেত্রকোণার খালিয়াজুরী থানার মোহাম্মদপুর এলাকায়। তিনি ওই এলাকার শেখ গোলাম মাওলার ছেলে। বর্তমানে তিনি পরিবার নিয়ে পূর্ব রায়েরবাজারের ওই বাসাটিতে ভাড়া থাকেন।
দগ্ধদের হাসপাতালে নিয়ে আসা মো. মামুন জানান, বাসায় গ্যাসের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের পর আগুন ধরে যায়। এতে পরিবারের ৪ জন দগ্ধ হন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান জানান, দগ্ধদের মধ্যে শেখ রোমানের শরীরের ২৫ শতাংশ, পিংকি আক্তারের শরীরের ৭৫ শতাংশ, মায়ানের শরীরের ২৪ শতাংশ এবং অপুর শরীরের ৭ শতাংশ পুড়ে হয়েছে। তাদের মধ্যে ২ জন হাই ডিপেন্ডেন্সি ইউনিটে (এইচডিইউ) রাখা হয়েছে। বর্তমানে সবার অবস্থাই আশঙ্কাজনক বলে জানান এ চিকিৎসক।
১৫ ঘণ্টা আগে
নড়াইলে আধিপত্যের জেরে সংঘর্ষ, নিহত ৪
নড়াইল সদর উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে বাবা-ছেলেসহ ৪ জন নিহত হয়েছেন। এতে অন্তত ৬ থেকে ৭ জন গুরুতর আহত হয়েছেন।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার বড়কুলা গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন— উপজেলার বড়কুলা গ্রামের খলিল গ্রুপের রহমান খলিল, তার ছেলে তাহাজ্জুদ হোসেন, একই গ্রুপের ফেরদৌস হোসেন এবং সাবেক চেয়ারম্যান খায়ের গ্রুপের ওসিবুর মিয়া।
স্থানীয়দের বরাতে পুলিশ জানায়, সদর উপজেলার সিঙ্গাশোলপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান খায়ের ও খলিলের লোকজনের মাঝে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এর জেরে আজ (সোমবার) ভোরে বড়কুলা এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে ঘটনাস্থলেই খলিল গ্রুপের রহমান খলিল, তার ছেলে তাহাজ্জুদ হোসেন ও একই পক্ষের ফেরদৌস হোসেন নিহত হন। এ সময় গুরুতর আহত খায়ের গ্রুপের ওসিবুরকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে নড়াইল জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানকার জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওলি মিয়া বলেন, এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
১৫ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রামে আবাসিক ভবনে সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৯
চট্টগ্রাম মহানগরীর হালিশহরের একটি ভবনে গ্যাস লাইনের বিস্ফোরণে ৯ জন দগ্ধ হয়েছেন। এদের মধ্যে ৪ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল পৌনে ৬টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কন্ট্রোলরুম কর্মকর্তা।
দগ্ধদের মধ্যে ৮ জনের নাম জানা গেছে। তারা হলেন— শিপন (৩০), সুমন (৪০), শাওন (১৭), আনাস (০৭), আইমান (০৯), শাখাওয়াত (৪৬), আয়েশা (০৪) ও পাখি (৩৫)।
চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক মো. জসিম উদ্দিন জানান, আজ (সোমবার) সকাল পৌনে ৬টার দিকে হালিশহর থানার আবাহনী ক্লাবের মাঠের সামনে ছয় তলা আবাসিক ভবনের তৃতীয় তলায় গ্যাসের লাইনের বিস্ফোরণ ঘটে। এতে ভবনটিতে আগুন ধরে যায়। খবর পেয়ে আমাদের দুইটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। তবে এর আগেই স্থানীয়রা আগুন নিভিয়ে ফেলেন। অগ্নিদগ্ধদের উদ্ধার করে চমেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে।
আগুনের ক্ষয়ক্ষতি তদন্ত সাপেক্ষে বলা যাবে বলে জানান ফায়ার সার্ভিসের এ কর্মকর্তা।
১৭ ঘণ্টা আগে