সারাদেশ
পিরোজপুরে মস্তকবিহীন মরদেহ উদ্ধার, আটক ২
পিরোজপুরের নেছারাবাদে গোপাল চন্দ্র দাস নামের এক ব্যাক্তির মস্তকবিহীন মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় তার দুই বন্ধুকে আটক করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ান (র্যাব)-৮। পূর্ব শত্রুতার জেরে তাকে হত্যা করে নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছে বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন আটক আসামিরা।
শনিবার (১৮ মার্চ) সন্ধ্যার পর অভিযান চালিয়ে বরিশাল নগরীর পৃথক স্থান থেকে তাদের আটক করা হয়।
আটকরা হলেন— বরিশালের এয়ারপোর্ট থানাধীন গণপাড়া এলাকার আমির হোসেনের ছেলে তরিকুল ইসলাম সরদার সম্রাট এবং পিরোজপুর সদরের দুর্গাপুর এলাকার বাবুল হোসেন মাঝির ছেলে আবেদীন মাঝি রাজু।
রবিবার (১৯ মার্চ) দুপুরে র্যাব-৮ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানায়, শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিকেলে পিরোজপুর জেলার নেছারাবাদ উপজেলার সমুদয়কাঠি ইউনিয়নের পূর্ব সারেংকাঠি গ্রামের মামুন মোল্লার ইটভাটার দক্ষিণ পাশের সন্ধ্যা নদীসংলগ্ন এলাকা থেকে একটি মাথাবিচ্ছিন্ন মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তদন্তের মাধ্যমে জানা যায়, উদ্ধার হওয়া মরদেহটি বরিশালের এয়ারপোর্ট থানাধীন গণপাড়া এলাকার পরিমল চন্দ্র দাসের ছেলে গোপাল চন্দ্র দাসের।
র্যাব-৮ সিসিটিভি বিশ্লেষণ করে দেখতে পায়, একটি মোটরসাইকেলে চড়ে তিন ব্যক্তি ইটভাটায় প্রবেশ করেন। পরে ভাটা থেকে তাদের মধ্য থেকে দুজনকে বের হতে দেখা যায়। ওই তিন ব্যক্তির মধ্যে একজন হলেন নিহত গোপাল চন্দ্র দাস এবং অপর দুজন হলেন তরিকুল ইসলাম ও আবেদীন মাঝি রাজু।
এরপর গতকাল (শনিবার) রাতে বরিশাল নগরীর কাশিপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে র্যাব-৮ এ ঘটনার প্রধান অভিযুক্ত তরিকুল ইসলাম সম্রাটকে আটক করে। পরে নগরীর স্টীমার ঘাট এলাকা থেকে অপর অভিযুক্ত আবেদীন মাঝি রাজুকে আটক করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে র্যাব আরও জানায়, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে গোপাল চন্দ্র দাসকে হত্যা করে মাথা আলাদা করে নদীতে ফেলে দেওয়া হয় বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছে আটক আসামিরা। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি হাতুড়ি ও মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। আসামিদের পিরোজপুরের নেছারাবাদ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
১৪ ঘণ্টা আগে
ডাকাতি করতে না পেরে দুই লাখ টাকা ‘চাঁদা দাবি’
কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলায় এক শিক্ষকের বাড়িতে ডাকাতির চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে পরে চাঁদা দাবির ঘটনা ঘটেছে। ওই বাড়িতে ডাকাত দল ঢোকার ৫ মিনিটের মধ্যেই রুখে দাঁড়ায় গ্রামবাসী। এরপর ফিরে যাওয়ার সময় দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে গেছে দুর্বৃত্তরা।
শনিবার (১৪ মার্চ) রাত ৮টার দিকে উপজেলার জানিপুর ইউনিয়নের ঈশ্বরদী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
জীমুত বিশ্বাস স্থানীয় কলিমহর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক।
ভুক্তভোগীর পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, বাড়ির অসুস্থ কর্তা জীমুত বাহন নিজের ঘরে রাতের খাবার খাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এ সময় মুখ বাঁধা ৮ জন ডাকাতের একটি দল তার ঘরে ঢুকে পড়ে। তাদের কারো হাতে আগ্নেয়াস্ত্র, আবার কারো হাতে দেশীয় ধারালো অস্ত্র ছিল। এই দৃশ্য দেখে জীমুতের স্ত্রী সূচিত্রা বিশ্বাস আতঙ্কিত হয়ে চিৎকার করে উঠলে ডাকাতরা তৎক্ষণাৎ তাকে কাপড় দিয়ে বেঁধে ফেলার চেষ্টা করে। একপর্যায়ে গ্রামবাসী এগিয়ে এলে ডাকাতরা বাড়ির পেছনের মাঠ দিয়ে পালিয়ে যায়। তবে যাবার আগে তারা দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। ঘটনার পরপরই গৃহকর্তার ফোন পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।
জীমুত বিশ্বাস জানান, ৮ জন ডাকাত তার ঘরে ঢুকেছিল। তাদের প্রত্যেকের মুখ কাপড় দিয়ে ঢাকা ছিল। কয়েকজনের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র ছিল। অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে তারা পরিবারের লোকদের এক ঘরে জিম্মি করার চেষ্টা করে। তবে তাদের চিৎকারে পাশের কালীমন্দির এলাকার দোকানে বসা কয়েকজন এগিয়ে এলে ৫ মিনিটের মধ্যেই ডাকাতরা পালিয়ে যায়। তবে যাওয়ার আগে তারা দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে যায়। কোথায় টাকা পাঠাতে হবে, তা ফোনে জানাবে বলে গেছে।
তিনি আরও বলেন, ঈশ্বরদীসহ আশপাশের গ্রামগুলো সংখ্যালঘু অধ্যুষিত। আগে এসব গ্রামে সন্ত্রাসীদের উপদ্রব ছিল না। হঠাৎ করে তার বাড়িতে এমন একটি ঘটনা ঘটায় তিনি আতঙ্কিত হয়েছেন। অপরাধীদের চিহ্নিত করার জন্য তিনি থানায় অভিযোগ করবেন। এ সময় দোষীদের চিহ্নিত করে উপযুক্ত শাস্তির দাবি করেন তিনি।
জানিপুর ইউনিয়নের সাবেক মেম্বার স্বপন কুমার বিশ্বাস বলেন, তাদের এলাকায় ডাকাত বা সন্ত্রাসীদের উপদ্রব ছিল না। হঠাৎ করে এরা মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। এদের প্রতিহত করা খুবই জরুরি।
খোকসা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) মোশারফ হোসেন বলেন, তেমন কিছু হয়নি। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার সময় কিছু লোক ওই বাড়িতে ঢুকে দুই লাখ টাকা চাঁদা চেয়েছে বলে বাড়ির মালিক দাবি করছেন। কিন্তু ওই বাড়ির পাশে কিছু লোক তাস খেলছিল। তারাও জানে না ডাকাতির এই ঘটনা। তবে ওই বাড়িওয়ালারা যা বলছে, বিষয়টি ওরকম নাও হতে পারে।
১৪ ঘণ্টা আগে
বরিশালে চাঁদার দাবিতে হাতুড়িপেটা: ছাত্রদলের আহ্বায়ক গ্রেপ্তার
চাঁদার দাবিতে এক ড্রেজার ব্যবসায়ীর কর্মচারীকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগে বরিশালের উজিরপুর উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মনির সরদারকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার (১৪ মার্চ) সন্ধ্যায় উপজেলার ধামুরা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনার পর সাংগঠনিক শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে তাকে দলীয় পদ থেকে বহিষ্কার করেছে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটি।
গ্রেপ্তার মনির সরদার উপজেলার দক্ষিণ ধামুরা গ্রামের মৃত হামেদ সরদারের ছেলে।
উজিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রকিবুল ইসলাম জানান, গত শুক্রবার রাতে ড্রেজার ব্যবসায়ী মনিরুল ইসলাম বাদী হয়ে একটি মামলা করেন।
মামলার বিবরণে জানা যায়, মনিরুল ইসলাম চুক্তিভিত্তিক বালু ভরাটের কাজ করেন। উপজেলার শোলক ইউনিয়নে বালু ভরাটের জন্য তিনি পাইপ স্থাপন করে কাজ শুরু করেন। গত ৪ জানুয়ারি উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মনির সরদারের নেতৃত্বে ৭-৮ জন ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সেখানে গিয়ে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। পরে নিরুপায় হয়ে তিন দফায় এক লাখ টাকা দেন তিনি।
বাকি এক লাখ টাকা আদায়ের জন্য গত ১৩ মার্চ দুপুরে দক্ষিণ ধামুরা গ্রামের রাঢ়ী বাড়ির সামনে অভিযুক্তরা আসেন। এ সময় আর টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ড্রেজারের মেকানিক আবু বক্কর হাওলাদারকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে আহত করা হয়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে আগৈলঝাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় শুক্রবার নামধারী দুজনসহ অজ্ঞাত আরও আটজনকে আসামি করে মামলা করা হয়।
ওই মামলার প্রধান আসামি মনির সরদারকে গতকাল (শনিবার) সন্ধ্যায় ধামুরা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওসি মো. রকিবুল ইসলাম।
এদিকে, এ ঘটনার পর ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মনির সরদারকে তার সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
এ বিষয়ে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাংগঠনিক শৃঙ্খলাভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে উজিরপুর উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মনির সরদারকে পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে কমিটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক তারেক সুজনকে ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়কের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সংগঠনের গতিশীলতা ও ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে এ সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে। ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছেন।
১৪ ঘণ্টা আগে
সুনামগঞ্জের বারেক টিলায় গাছ কাটার ঘটনায় ১৬ জনের নামে মামলা
সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী দেশের জনপ্রিয় পর্যটন স্পট বারেক টিলায় (বারিক্কার টিলা) প্রকাশ্যে সরকারি গাছ কাটার ঘটনায় ১৬ জনের নাম উল্লেখ করে তাহিরপুর থানায় মামলা করেছে উপজেলা প্রশাসন।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) রাতে ইউনিয়ন উপসহকারী ভূমি কর্মকর্তা রঞ্জন কুমার দাস বাদী হয়ে মামলাটি করেন।
মামলার আসামিদের মধ্যে রয়েছেন বারেক টিলার আনন্দপুর গ্রামের সাবেক ট্রাইব্যাল চেয়ারম্যান পুলক আজিম, বড়গোপ টিলার মোশারফ হোসেন মোসা, হাফিজ, মানিক, জালাল, রাতুল মারাক, শহীদ, নজরুলসহ মোট ১৬ জন।
জানা গেছে, গত বুধবার (১১ মার্চ) দুপুরে তাহিরপুর উপজেলার উত্তর বড়দল ইউনিয়নের বারেক টিলার ওয়াচ টাওয়ার-সংলগ্ন এলাকা থেকে ৩-৪টি সরকারি গাছ কেটে নিয়ে যাওয়ার একটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। মুহূর্তেই ভিডিওটি ভাইরাল হলে বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসে। পরদিন (বৃহস্পতিবার) শক্তিয়ারখলা বিট কর্মকর্তা রথীন্দ্র কিশোর রায় এবং ইউনিয়ন উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা রঞ্জন কুমার দাস ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে গাছ কাটার সত্যতা পান।
এ বিষয়ে রথীন্দ্র কিশোর রায় বলেন, বারেক টিলার বাসিন্দা শহীদসহ ১৫-১৬ জনের একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে টিলার গাছ কেটে নিয়ে যাচ্ছে। বিষয়টি যাচাই করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) সঙ্গে পরামর্শ করে তাদের বিরুদ্ধে ১৬ জনের নামে মামলা করা হয়েছে।
১৪ ঘণ্টা আগে
মোটরসাইকেল কিনে না দেওয়ায় বাবাকে খুন করল ছেলে
বারবার তাগিদ দেওয়া সত্ত্বেও মোটরসাইকেল কিনে না দেওয়ায় জয়পুরহাটে ছেলের হাতে খুন হয়েছেন তারই বাবা কৃষক আক্কাস আলী (৫৭)। সে সময় তাকে বাঁচাতে গিয়ে আক্কাস আলীর স্ত্রী ও মেয়েও গুরুতর আহত হয়েছেন।
শনিবার (১৪ মার্চ) সন্ধ্যায় কালাই উপজেলার পুনট ইউনিয়নের বফলগাড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় ছেলে গোলাপ হোসেনকে (২৯) আটক করে পুলিশ।
কালাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। জেলার সহকারী পুলিশ সুপার তুহিন রেজা শনিবার রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
থানা পুলিশ ও এলাকাবাসী জানান, জমির আলু বিক্রির পর গোলাপ হোসেন তার বাবা আক্কাস আলীকে ওই আলু বিক্রির টাকা দিয়ে একটি মোটরসাইকেল কিনে দেওয়ার জন্য বায়না ধরে আসছিলেন। কিন্তু কিছুতেই তার বাবা তাকে মোটরসাইকেল কিনে দিতে রাজি হচ্ছিলেন না। এ নিয়ে গতকাল (শনিবার) ইফতারের আগে তাদের দুজনের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে গোলাপ ক্ষিপ্ত হয়ে তার বাবাকে বাঁশ, চাকু ও দা দিয়ে পেটাতে ও কোপাতে শুরু করেন।
সে সময় তাকে বাধা দিতে গেলে সে তার মা ও বোনের ওপরও চড়াও হন তিনি। এতে তারাও গুরুতর আহত হন। পরে তাদের উদ্ধার করে বগুড়ার শহিদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাবার পথে আক্কাস আলীর মৃত্যু হয়। আর তার স্ত্রী ও মেয়েকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাদের মধ্যে মা আবেদা বেগমের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।
ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘বাবাকে হত্যার অভিযোগে ঘটনাস্থল থেকে ছেলে গোলাপ হোসেনকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
১৫ ঘণ্টা আগে
নরসিংদীতে নিখোঁজ শিশুর মরদেহ মিলল প্রতিবেশীর ছাদে
নরসিংদীর রায়পুরায় নিখোঁজের এক দিন পর প্রতিবেশীর ছাদে মিলেছে ৬ বছর বয়সী এক শিশুর মরদেহ।
রবিবার (১৫ মার্চ) দুপুরে উপজেলার মরজাল ইউনিয়নের চরমরজাল এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মজিবুর রহমান।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, আজ (রবিবার) সকালে চরমরজাল গ্রামের ইদ্রিস মিয়ার একতলা বাড়ির ছাদে আব্দুর রহমান নামের এক শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন ওই বাড়ির লোকজন। পরে বিষয়টি স্থানীয়রা পুলিশকে জানান। এরপর পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহত আব্দুর রহমান ওই এলাকার প্রবাসী শুকুর আলী ও সুমি আক্তারের ছেলে ছিল।
পরিবারের দাবি, গতকাল (শনিবার) কোনো একসময় বাড়ি থেকে শিশুটি নিখোঁজ হয়ে যায়। এ ঘটনায় গতকাল সন্ধ্যায় রায়পুরা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরিও (জিডি) করা হয়। নিখোঁজের পর থেকে পরিবার ও স্থানীয়রা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেন, কিন্তু শিশুটির কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরে আজ সকালে ইদ্রিস মিয়ার বাড়ির ছাদে তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
ওসি মো. মজিবুর রহমান জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন তিনি। শিশুটির মরদেহ উদ্ধারের প্রক্রিয়া চলছে। তবে প্রাথমিকভাবে মৃত্যুর কারণ বলা যাচ্ছে না। শিশুটির শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্নও নেই। আমরা ক্রাইম সিন টিমকে খবর দিয়েছি। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে।
এ ঘটনার কারণ উদঘাটনে তদন্ত শুরু করা হয়েছে এবং বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্তের মাধ্যমে আইনি কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে জানান তিনি।
১৭ ঘণ্টা আগে
নাটোরে চুরি হওয়া শিশু পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার
নাটোরের লালপুরে বাড়ি থেকে চুরি হওয়া এক মাসের কন্যা শিশু নিঝুমকে ফিরে পেয়েছে তার পরিবার।
রবিবার (১৫ মার্চ) সকালে উপজেলার রক্ষণহাটী এলাকার একটি বাড়ির সামনে শিশুটিকে পরিত্যক্ত অবস্থায় দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে তারা পুলিশ ও শিশুটির পরিবারকে খবর দেন। এরপর পুলিশ যাচাই-বাছাইয়ের জন্য শিশু ও পরিবারের সদস্যদের থানায় নিয়ে যায়।
লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবুর রহমান জানান, গতকাল (শনিবার) বিকেলে উপজেলার নবীনগর গ্রামের ভ্যানচালক লালু সরদার ও বিজলী দম্পতির বাসায় অসহায়ত্ব প্রকাশ করে আশ্রয় প্রার্থনা করে এক কিশোরী। মানবিক কারণে তাৎক্ষণিকভাবে ওই কিশোরীকে সেখানে থাকতে দেন তারা। কিন্তু সেদিন সন্ধ্যায় সবার অগোচরে অজ্ঞাত ওই কিশোরী তাদের শিশুকন্যা নিঝুমকে নিয়ে পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় লালু বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছিলেন জানিয়ে ওসি বলেন, অপরাধীকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
১৭ ঘণ্টা আগে
সিলেটের সড়ক ও রেলপথ নিয়ে সুসংবাদ দিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী
সড়ক ও রেলপথ নিয়ে সিলেটবাসীকে সুসংবাদ দিলেন বাংলাদেশ সরকারের শিল্প ও বাণিজ্য এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
তিনি বলেছেন, আমার নির্বাচনি ইশতেহারে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের মধ্যে ছিল, যত দ্রুত সম্ভব সিলেট-ঢাকা ৬ লেন মহাসড়কের ভূমি অধিগ্রহণ ও কাজ সম্পন্ন করা। আগামী দুই-আড়াই মাসের মধ্যে বাকি থাকা সব জমি অধিগ্রহণ করে সব ব্লকে পুরোদমে কাজ শুরু হবে।
শনিবার (১৪ মার্চ) সন্ধ্যায় মহানগরের মির্জাজাঙ্গালে অবস্থিত নির্ভানা ইন হোটেলে সিলেট জেলা প্রেসক্লাব আয়োজিত ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, সিলেট-চট্রগ্রাম ৬ লেনের কাজও একই সময়ে শুরু হয়ে শেষ হবে ইনশাআল্লাহ। সিলেট-চট্টগ্রাম রাস্তার একটি বড় অংশ পড়েছে সিলেট-ঢাকা ৬ লেনে। এই দুই মহাসড়কের সংযোগ অংশের কাজের জন্য শিগগিরই প্রকল্প আকারে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটিতে (একনেক) পাঠানো হবে এবং পাস হয়ে কাজ শুরু হবে।
এছাড়া সিলেট-ঢাকা ডবল গেজ রেললাইন স্থাপনের জন্য একটি প্রকল্প প্রস্তাবনা তৈরি হচ্ছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, শিগগির এই কাজও শুরু হবে।
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির আরও বলেন, রেললাইনের কাজ সম্পন্ন হলে তিন বা সাড়ে তিন ঘণ্টায় সিলেট থেকে ঢাকা যাতায়াত করা যাবে। যেসব পরিকল্পনা, প্রতিশ্রুতি ও আশ্বাস নির্বাচনের আগে দিয়েছি, সেগুলো যেন আল্লাহ আমাকে দিয়ে পরিপূর্ণ করান—এই দোয়াই আপনারা করবেন।
ক্লাব সভাপতি দৈনিক আধুনিক কাগজের সম্পাদক মঈন উদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক বাংলানিউজের জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধি মোহাম্মদ নাসির উদ্দিনের পরিচালনায় দোয়া ও ইফতার মাহফিলে নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
১৭ ঘণ্টা আগে
শেবাচিমে ভুল চিকিৎসায় দুই রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে নার্সদের দায়িত্ব অবহেলা এবং ভুল চিকিৎসায় দুই রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে।
রবিবার (১৫ মার্চ) সকালে হাসপাতালের চতুর্থ তলার নাক-কান-গলা বিভাগের মহিলা ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে চাকুরি বিধি অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করার কথা জানিয়েছেন হাসপাতাল প্রশাসন।
নিহতরা হলেন— বরিশাল মেট্রোপলিটন এলাকার সারসী গ্রামের মৃত বাবুল হাওলাদারের স্ত্রী হেলেনা বেগম (৪৮) এবং পটুয়াখালীর কলাপাড়া ইউনিয়নের মহিপুর থানাধীন ডাবলুগঞ্জ ইউনিয়নের মন্নান তালুকদারের স্ত্রী শেফালি বেগম (৬০) ।
হাসপাতালের প্রশাসনিক শাখা ও নাক-কান গলা ওয়ার্ডের সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে জানা যায়, ওই ওয়ার্ডে চিকিৎসা নিতে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি ভর্তি হন হেলেনা বেগম এবং ৮ মার্চ ভর্তি হন শেফালি বেগম। এর মধ্যে হেলনা বেগম থাইরয়েডে আক্রান্ত ছিলেন এবং শেফালি বেগম মুখের ভেতর টিউমার অপসারণ করার জন্য ভর্তি হন।
নিহতদের স্বজনরা জানান, আজ (রবিবার) সকালে তাদের উভয়ের শরীরে অস্ত্রোপচারের জন্য কিছু ইনজেকশন দেন নার্সরা। এরপরই তাদের শরীরে কিছু সমস্যা দেখা দেয় এবং কিছু সময় বাদে দুজনেরই মৃত্যু হয়।
হেলেনার ছেলে ইব্রাহিম বলেন, নার্স ইনজেকশন দেওয়ার পরই আমার সুস্থ মা অসুস্থ হয়ে যান এবং মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। বিষয়টি আমরা হাসপাতাল প্রশাসনকে জানিয়েছি।
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা কোনো মামলায় যাচ্ছি না। একে তো আমরা মা হারিয়েছি, তার ওপর মামলা দিয়ে আর হয়রান হতে চাই না।’
অপরদিকে, শেফালি বেগমের মেয়ে খাদিজা বেগম বলেন, আমার মা সুস্থ ছিলেন, কিন্তু সকালে নার্স এসে কয়েকটা ইনজেকশন দেওয়ার পরই অসুস্থ হয়ে পড়েন। বিষয়টি নার্সদের জানানো হলেও তারা কোনো ভ্রূক্ষেপ করেননি, সুস্থ করার জন্য কোনো উদ্যোগ নেননি। চোখের সামনে সুস্থ মা অসুস্থ হয়ে মুহূর্তেই মারা গেলেন, আর মায়ের মৃত্যুর পরে নার্সদের টনক নড়ে। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
এদিকে উভয়ের স্বজনরা বলছেন, হাসপাতাল পরিচালক ঘটনার পর ওয়ার্ডে যান। প্রাথমিকভাবে খতিয়ে দেখে তিনি বিষয়টি যে নার্সদের অবহেলা তা নিশ্চিতও হয়েছেন। আমরা তার কাছেই বিচারের দায়িত্ব তুলে দিয়েছি। বিচার না হলে ভবিষ্যতে এ রকম ঘটনা অন্য রোগীর সঙ্গে ঘটবে এবং অন্য কোনো সন্তান তার মাকে অকালে হারাবে।
এ বিষয়ে ওয়ার্ডে দায়িত্বরত নার্স হেলেন অধিকারী নিজেকে অসুস্থ দাবি করে বলেন, তিনি ইনজেকশনের কোনো ভায়েল ভাঙেননি, ভেঙেছেন মলিনা হালদার। তাই তিনি এ বিষয়ে কিছু জানেন না, শুধু ইনজেকশন পুশ করেছেন দুজন রোগীর শরীরে। তবে মৃত ওই দুই রোগীর সঙ্গে যা ঘটেছে তা দুঃখজনক এবং তাদের সঙ্গে অন্যায় হয়েছে বলে জানান তিনি।
মলিনা হালদার বলেন, নিয়ম মেনে চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী অপারেশন থিয়েটারে যাওয়ার আগে যেসব ইনজেকশন দেওয়ার কথা, তাই দিয়েছি। পরে রোগী দুজনের অবস্থা খারাপ হলে কর্তব্যরত চিকিৎসককে মোবাইলে বিষয়টি জানান বলে দাবি করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, ওই সময় কর্তব্যরত চিকিৎসক যে ধরনের ইনজেকশন দিতে বলেছেন, তাই দিয়েছি। কোনো রোগী মৃত্যুবরণ করুক সেটা আমরা চাই না। গত ২৬ বছরে কোনো ভুল করিনি, এবার এমন হলো কীভাবে তা বুঝতে পারছি না।
এ বিষয়ে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে দায়িত্বপ্রাপ্ত নার্সিং তত্ত্বাবধায়ক খাদিজা বেগম বলেন, সকালে হাসপাতালে এসেই বিষয়টি শুনতে পেয়েছি। কীভাবে কী হয়েছে তা এখনও সঠিকভাবে জানতে পারিনি।
কোনো রোগীর মৃত্যু কাম্য নয় জানিয়ে তিনি বলেন, একই ওয়ার্ডে দুজন রোগীর মৃত্যু অবশ্যই দায়িত্বে অবহেলা। এ ঘটনায় হাসপাতাল পরিচালক যে ব্যবস্থা নেবেন তাতে আমাদের পূর্ণ সমর্থন থাকবে এবং সার্বিক সহযোগিতাও করব।
এই বিষয়ে হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এ কে এম মশিউল মুনীর বলেন, আজ ওই দুই রোগীরই শরীরের অস্ত্রোপচার হওয়ার কথা ছিল। এক্ষেত্রে কিছু ওষুধ রয়েছে, যেগুলো অপারেশন থিয়েটারে নেওয়ার আগে দিতে হয় এবং কিছু ওষুধ অপারেশন থিয়েটারে নেওয়ার পর দিতে হয়। অ্যানেসথেটিক ড্রাগ দেওয়ার পরে রোগীর এমন কিছু পরিবর্তন ঘটে যা মেশিনের মাধ্যমে কাজ করাতে হয়, কিন্তু ওই ওষুধ সেবিকারা অপারেশন থিয়েটারে না নিয়ে আগে ওয়ার্ডে বসে দিয়েছেন। ফলে কিছু সময় পরে রোগীরা মৃত্যুবরণ করেন। এটি অবশ্যই পেশাদারত্বে জায়গা থেকে দায়িত্ব অবহেলা এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
তিনি বলেন, দায়িত্ব অবহেলা, খামখেয়ালিপনা তো অবশ্যই আছে। বিষয়টি নিয়ে আমরা বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে জানিয়েছি। সেই সঙ্গে রোগীর স্বজনরা ইচ্ছে করলে মামলাও দিতে পারেন। সেক্ষেত্রে স্বজনদের সহযোগিতা করা হবে। আর ঘটনাটি ভুল হোক বা যাই হোক, শক্তভাবে দেখা না হলে ভবিষ্যতে আবার পুনরাবৃত্তি ঘটবে।
১৭ ঘণ্টা আগে
রংপুরে শিশুকে হত্যার পর মায়ের আত্মহত্যা
রংপুরে নিজের দেড় বছরের শিশু সন্তানকে শ্বাসরোধে হত্যার পর এক মা গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।
শনিবার (১৪ মার্চ) রাত সাড়ে ১১টার দিকে নগরীর ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের সাজাপুর এলাকায় এই ঘটনা ঘটেছে।
নিহত ওই নারীর নাম সূচনা ঘোষ। শিশুপুত্র জয়দেব ঘোষকে হত্যার পর নিজের প্রাণ বিসর্জন দিয়েছেন তিনি।
পুলিশ জানায়, নগরীর সাজাপুর এলাকার শংকর ঘোষের (৪৫) স্ত্রী সূচনা ঘোষ (৪০) তার দেড় বছরের পুত্রসন্তান জয়দেব ঘোষকে শ্বাস রোধ করে হত্যার পর গলায় ওড়না পেঁচিয়ে নিজে আত্মহত্যা করেন। আত্মাহত্যার ঘটনাটি জানালার ফাঁক দিয়ে প্রথমে দেখতে পান তার দশম শ্রেণি পড়ুয়া মেয়ে পুষ্পিতা ঘোষ। ওই গৃহবধূর পূজা ঘোষ নামের বড় আরেকটি মেয়ের বিয়ে হয়েছে। গৃহবধূর স্বামী একজন শারীরিক প্রতিবন্ধী এবং ক্ষুদ্র মুদি দোকানি। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।
শংকর ঘোষের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন তার স্ত্রী। বিভিন্ন সময়ে এ বিষয়ে চিকিৎসাও দেওয়া হয়েছে তাকে। তার ধারণা, মানসিক সমস্যা থেকেই সন্তানকে হত্যা করে নিজে আত্মহত্যা করেন সূচনা।
রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের তাজহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতাউর রহমান জানান, মূলত অভাব অনটনের কারণে পারিবারিক অশান্তি ছিল পরিবারটিতে। তবে পারিবারিক কলহ নাকি মানসিক অসুস্থতার কারণে এ ঘটনা ঘটছে, তা তদন্তের পর জানা যাবে।
২০ ঘণ্টা আগে