সারাদেশ
সাভারে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে মুদি দোকানদার গ্রেপ্তার
সাভারে ৫ম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে শাহজাহান (৬০) নামে এক মুদি দোকানদারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার (২০ মে) দুপুরে সাভার থানাধীন বনগ্রাম এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গতকাল (বৃহস্পতিবার) ভুক্তভোগী শিশুকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করা হয়েছে।
মামলার এজাহারে জানা যায়, গত বুধবার দুপুরে সাভার থানাধীন বনগ্রামের স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণির ওই ছাত্রী টিফিনের সময় মুদি দোকানে বিস্কুট কিনতে যায়। এ সময় দোকানদার শাহজাহান বিস্কুট দেওয়ার কথা বলে শিশুটিকে দোকানের ভেতরে নিয়ে ধর্ষণ করেন। শিশুটি চিৎকার করার চেষ্টা করলে শাহজাহান তার মুখ চেপে ধরেন।
ঘটনাটি কাউকে জানালে তাকে মেরে ফেলার হুমকিও দেন তিনি। পরবর্তীতে শিশুটি বাড়িতে গিয়ে এ ঘটনা তার চাচাকে জানায়। ওই রাতেই সাভার মডেল থানায় একটি ধর্ষণ মামলা করে শিশুটির পরিবার। এরপর পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত শাহজাহানকে আটক করে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা (এসআই) ইমরান হোসেন এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয়রা জানান, গ্রেপ্তার শাহজাহান দীর্ঘদিন ধরে সাভারের পাছ বনগ্রাম এলাকায় রাশিদা মেম্বারের বাড়ির পাশে একটি মুদি দোকান ঘরে বসবাস করে আসছিলেন।
ভুক্তভোগী শিশুটির চাচা বলেন, ‘আমার ভাতিজি স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণিতে পড়াশোনা করে। দুপুরে স্কুলের টিফিনের সময় সে মুদি দোকানদার শাহজাহানের দোকানে বিস্কুট কিনতে যায়। সেখানে তাকে দোকানের ভেতর টেনেহিঁচড়ে নিয়ে ধর্ষণ করে শাহজাহান।
১৩ দিন আগে
রংপুরে পুকুরে গোসলে নেমে প্রাণ গেল দুই কিশোরের
রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলায় পুকুরে গোসল করতে নেমে পানিতে ডুবে দুই কিশোরের মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) বিকেলে উপজেলার চতরা ইউনিয়নের কাঠালপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। রাতে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহতরা হলেন— উপজেলার কাঠালপাড়া গ্রামের নুরু মিয়ার ছেলে তামিম (১৩) ও সুরুজ মিয়ার ছেলে সাদমান (১৪)। তারা সম্পর্কে চাচাতো ভাই।
স্থানীয়রা জানান, গতকাল (বৃহস্পতিবার) বিকেলে চার বন্ধু একসঙ্গে বাড়ির পাশের একটি পুকুরে গোসল করতে যায়। তাদের মধ্যে তামিম ও সাদমান সাঁতার না জানায় একপর্যায়ে গভীর পানিতে তলিয়ে যায়। এ সময় সঙ্গে থাকা অপর দুই বন্ধু চিৎকার শুরু করে।
চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান। পরে অনেক খোঁজাখুঁজির পর রাত সাড়ে ৯টার দিকে দুই কিশোরকে উদ্ধার করে পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয় বাসিন্দা রায়হান বলেন, ‘তারা সব সময় একসঙ্গে খেলাধুলা করত। বিকেলে গোসল করতে গিয়ে এমন ঘটনা ঘটবে, তা কেউ ভাবতে পারেনি।’
চতরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এনামুল হক শাহিন বলেন, ‘ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। দুই কিশোরের মৃত্যুতে এলাকায় শোকের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।’
পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজমুল হক ঘটনার বলেন, তাদের মৃত্যু নিয়ে পরিবারের কোনো আপত্তি না থাকায় মরদেহ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
১৩ দিন আগে
সিলেটে হামের উপসর্গ নিয়ে একদিনে ৫ শিশুর মৃত্যু
সিলেটে আজ শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হাম রোগের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে বিভাগে হামের উপসর্গে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৭ জনে।
শুক্রবার (২২ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের সর্বশেষ প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
মৃত পাঁচ শিশুর মধ্যে দুজন সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে, দুজন শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে এবং একজন সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, সিলেটে হামের উপসর্গে একদিনে এটিই সর্বোচ্চ মৃত্যু।
বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেট বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ৭৪ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে মোট ২৮৩ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছে।
তবে, গত ২৪ ঘণ্টায় ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় নতুন করে কোনো রোগী শনাক্ত হয়নি।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২২ মে পর্যন্ত সিলেট বিভাগে মোট ১৫৮ জন ল্যাব-নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন। মৃত শিশুদের মধ্যে ৪ জন নিশ্চিত হাম আক্রান্ত ছিল। বাকিরা সন্দেহভাজন রোগী ছিল।
হাম-উপসর্গে আক্রান্তদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে ইতোমধ্যে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২০টি এবং শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ১৪টি আইসিইউ বেড স্থাপন করা হয়েছে।
১৩ দিন আগে
বরিশালে বজ্রপাতে নিহত ২
বরিশালের গৌরনদী উপজেলায় আকস্মিক বজ্রপাতে পানবরজের দুইজন শ্রমিক ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) দুপুরে গৌরনদী উপজেলার মাহিলাড়ার ভিমেরপাড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিক হাসান রাসেল। এ সময় আরও এক শ্রমিক গুরুতর আহত হলে তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে পাঠানো হয় বলে জানিয়েছেন তিনি।
নিহতরা হলেন— গৌরনদীর মাহিলাড়ার ভিমেরপাড় গ্রামের আবু তালেব হাওলাদারের ছেলে আলিম হাওলাদার (৬০) ও উজিরপুরের খাটিয়ালপাড়া গ্রামের মুকুন্দ বালার ছেলে সুকান্ত বালা (৩৮)। এ ঘটনায় আহত ব্যক্তি গৌরনদী উপজেলার দেওপাড়া গ্রামের জীতেন সরকারের ছেলে গোপাল সরকার (৪০)।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উল্লিখিত তিনজনে ভীমেরপাড় এলাকার একটি পানবরজে শ্রমিক হিসেবে কাজ করছিলেন। আজ (বৃহস্পতিবার) দুপুর ২টার দিকে বৃষ্টি শুরু হলে তারা পানবরজের পাশের একটি ছাউনীতে আশ্রয় নেন। এ সময় আকস্মিক বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই দুজন মারা যান এবং গোপাল গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে গৌরনদী উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে যান।
গৌরনদী উপজেলা হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক তৌকির হোসেন জানান, দুজনকে মৃত অবস্থায় এবং একজনকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছিল। এদের মধ্যে গোপালকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য শেবাচিম হাসপাতালে পাঠানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিক হাসান রাসেল বলেন, বজ্রপাতে দুই শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনায় থানায় অপমৃত্যু মামলা করা হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তীতে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
১৪ দিন আগে
বগুড়ায় গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যা
বগুড়ার গাবতলী উপজেলায় গভীর রাতে ঘরে ঢুকে রীতা রানী মজুমদার (৪৫) নামে এক গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।
বুধবার (২০ মে) দিবাগত রাত সোয়া ১২টার দিকে উপজেলার মমিনহাটা দক্ষিণপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত রীতা রানী মজুমদার স্থানীয় বাসিন্দা বিধান চন্দ্র রায়ের স্ত্রী। তাদের এক ছেলে ও এক মেয়ে ঢাকায় পড়াশোনা করেন। স্বামী-স্ত্রী নিজ বাড়িতে বসবাস করতেন।
নিহতের স্বামী বিধান চন্দ্র রায় জানান, গতকাল (বুধবার) রাত ১০টার দিকে তারা রাতের খাবার শেষ করে নিজ নিজ কক্ষে ঘুমাতে যান। রাত আনুমানিক সোয়া ১২টার দিকে হঠাৎ তার ঘরের দরজায় জোরে ধাক্কার শব্দে ঘুম ভেঙে যায়। এ সময় পাশের ঘর থেকে স্ত্রীর গোঙানির শব্দ শুনে দ্রুত সেখানে ছুটে যান তিনি।
ঘরে ঢুকেই তিনি দেখতে পান, রীতা রানী মজুমদার রক্তাক্ত অবস্থায় মেঝেতে পড়ে আছেন এবং তার গলা কাটা। পরে চিৎকার দিলে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসে। এ সময় বাড়ির মূল দরজা খোলা দেখতে পান তিনি। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।
ঘটনার বিষয়ে বগুড়া জেলা পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার (গাবতলী সার্কেল) হুমায়ুন কবীর জানান, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, দুর্বৃত্তরা ঘরে ঢুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে হত্যা করেছে।
তিনি আরও জানান, হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন এবং জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে।
১৪ দিন আগে
নেত্রকোনায় চাঁদাবাজির মামলায় যুবদল নেতাসহ গ্রেপ্তার ৩
নেত্রকোনার দুর্গাপুরে ব্যবসায়ীকে প্রাণনাশের হুমকি ও চাঁদা দাবির অভিযোগে করা মামলার আসামি যুবদল নেতা মেহেদী হাসান ওরফে সাহসসহ (৩০) তার দুই সহযোগীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৯ মে) গভীর রাতে রাজধানীর উত্তরা দিয়াবাড়ি এলাকা থেকে পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে। বুধবার (২০ মে) বিকেলে আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।
গ্রেপ্তার মেহেদী হাসান দুর্গাপুর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও পৌরসভার পশ্চিম মোক্তারপাড়া এলাকার বাসিন্দা মঞ্জুরুল হকের ছেলে। অন্য দুজন হলেন বাগিচাপাড়া এলাকার হাসু মিয়ার ছেলে রাসেল মিয়া (৩০) এবং সাধুপাড়া এলাকার মো. মেহেদী (২৮)।
এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা, মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে থানায় হত্যাসহ একাধিক ফৌজদারি মামলা রয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তিনি দলীয় প্রভাব খাটিয়ে দীর্ঘদিন ধরে পৌরসভার নাজিরপুর মোড়ে ‘ভাই ভাই এন্ড জনতা হোটেলে’ তার সহযোগীদের নিয়ে বাকিতে খাবার খেতেন। গত ৪ এপ্রিল রাতে খাবার খেতে এসে হোটেলের মালিক ও কর্মচারীদের সঙ্গে তিনি উচ্ছৃঙ্খল আচরণ করেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে তারা চলে যান। এরপরও ভয়ভীতি দেখিয়ে বাকিতে খাবার খেতে থাকেন। গত ৩০ এপ্রিল দিবাগত রাত ১টার দিকে তিনি তার প্রায় ১৫ জন সহযোগী নিয়ে ওই হোটেলে গিয়ে খাবার খান। পরে হোটেল কর্তৃপক্ষ বকেয়া মিলিয়ে প্রায় ১ লাখ টাকা বিল চান। এতে মেহেদী হাসান ক্ষিপ্ত হয়ে হোটেলের মালিক ও কর্মচারীদের মারধরসহ প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে উল্টো দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। এ নিয়ে মামলা বা পুলিশকে জানানোর ব্যাপারে নিষেধ করা হয়। ভয়ে হোটেলমালিক তিন দিন প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখেন। পরে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নুরুল ইসলাম বাদী হয়ে মেহেদী হাসানকে প্রধান আসামি করে তার ৮ জন সহযোগীর নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও আটজনের নামে মামলা করেন। গতকাল রাতে পুলিশ মেহেদী হাসানসহ তিনজন আসামিকে গ্রেপ্তার করে।
হোটেলমালিক খোকন মিয়া বলেন, মেহেদী হাসান বিভিন্ন সময় তার সহযোগীদের নিয়ে আমার হোটেলে খেয়ে এক লাখ টাকা বকেয়া করেন। টাকা চাইতে গেলেই তিনি উচ্ছৃঙ্খল আচরণ, প্রাণনাশসহ নানা ধরনের হুমকি দেন। ওই দিন গভীর রাতে খাবার খাওয়ার পর আমার ম্যানেজার টাকা চাইলে তিনি উল্টো দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। ব্যবসা করতে হলে তাকে চাঁদা দিয়ে করতে হবে বলে জানান। তাই খুন-জখমের ভয়ে তিন দিন হোটেল বন্ধ রাখা হয়। তার ভয়ে এলাকার মানুষ আতঙ্কিত ও অতিষ্ঠ হয়ে যাচ্ছে। পরে এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করে।
এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. শহীদুল্লাহ বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় গতকাল গভীর রাতে ঢাকার উত্তরা দিয়াবাড়ি এলাকা থেকে মেহেদী হাসান সাহসসহ তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার আদালতের নির্দেশে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের অভিযান চলছে।
১৪ দিন আগে
মাদরাসা সুপারের ছেলের জন্য পরীক্ষা দিতে গিয়ে র্যাবের জালে তিন শিক্ষক
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার চুয়ামল্লিকপাড়া রেজওয়ানুল উলুম দাখিল মাদরাসা কেন্দ্রে তখন চলছে এসএসসি (দাখিল) স্তরের জীববিজ্ঞান পরীক্ষা। হলের ভেতরে পরীক্ষার্থীরা যখন প্রশ্নের উত্তর মেলাতে ব্যস্ত, ঠিক তখনই হলের বাইরে চলছিল এক অবিশ্বাস্য ও অভিনব জালিয়াতির উৎসব। তবে শেষ রক্ষা হয়নি। খোদ শিক্ষকদের দিয়ে পরীক্ষা দেওয়ানোর এই সাজানো নাটকটি মাঝপথেই ভেঙে দেয় র্যাবের একটি দল।
বুধবার (২০ মে) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে যখন তারা বাইরে বসে খাতা লিখছিলেন, তখনই হাতেনাতে তাদের ধরে ফেলে র্যাব-১২-এর একটি আভিযানিক দল।
গল্পের মূল চরিত্র মো. নাসিরুল্লাহ (১৬)। সে মহিষকুন্ডি মুসলিম নগর দাখিল মাদরাসার শিক্ষার্থী। তবে তার আরও একটি পরিচয় রয়েছে, সে ওই মাদরাসারই সুপারিনটেনডেন্ট মো. আব্দুল ওহাব বিশ্বাসের ছেলে।
বাবার ক্ষমতার দাপট আর অবৈধ অর্থের জোরে পরীক্ষায় পাসের এক অদ্ভুত ছক কষা হয়েছিল। পরিকল্পনা অনুযায়ী, নাসিরুল্লাহর জীববিজ্ঞান পরীক্ষার খাতা হলের ভেতরে নয়, বরং কেন্দ্রের বাইরে বসে লিখে দিচ্ছিলেন তিন শিক্ষক।
আটক হওয়া শিক্ষকরা হলেন— মো. বজলুর রহমান (৪৮), মো. নুরুল ইসলাম (৪৫) এবং মোছা. মাতোয়ারা খাতুন মায়া (৪০)। এই তিন শিক্ষকের কেউই ওই কেন্দ্রের অফিশিয়াল ডিউটিতে ছিলেন না। তারা কেবল তাদের সুপারের ছেলের খাতা লিখে দিতেই অবৈধভাবে কেন্দ্রে গিয়েছিলেন। দীর্ঘদিন ধরেই অর্থের বিনিময়ে তারা এমন অনৈতিক কাজ করে আসছিলেন বলে জানা গেছে।
শিক্ষকদের এই ‘কীর্তি’ফাঁসের পর পরীক্ষা কেন্দ্র ও এর আশেপাশে তুমুল উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। প্রভাবশালীদের একটি মহল তড়িঘড়ি করে এসে অভিযুক্ত শিক্ষকদের ছাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। পরিস্থিতি সামাল দিতে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন দৌলতপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রদীপ কুমার দাস।
তদন্তে নেমে বেরিয়ে আসে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য। ম্যাজিস্ট্রেট প্রদীপ কুমার দাস জানান, এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এর আগেও বাইরে থেকে খাতায় লিখে এনে জমা দেওয়ার মতো গুরুতর অনিয়ম এখানে ঘটেছে। বুধবারে র্যাবের হাতে তিন শিক্ষক আটক হওয়ার বিষয়টি সত্য প্রমাণিত হয়েছে।
তাৎক্ষণিকভাবে অভিযুক্ত শিক্ষার্থী নাসিরুল্লাহকে বহিষ্কার করা হয়। তবে শিক্ষকরা কেন্দ্রের বাইরে আটক হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া না গেলেও কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
এদিকে, আটকের পর ওই তিন শিক্ষক নিজেদের বাঁচাতে সব দোষ চাপিয়েছেন মাদরাসা সুপারের ঘাড়ে। তাদের দাবি, তারা স্বেচ্ছায় এই জালিয়াতি করেননি; মাদরাসার সুপারিনটেনডেন্ট আব্দুল ওহাব বিশ্বাস তার ছেলের জন্য এই কাজ করতে তাদের বাধ্য করেছিলেন।
নিজের ক্ষমতার অপব্যবহার করে শিক্ষকদের জালিয়াতিতে বাধ্য করা এবং ছেলের ভবিষ্যৎ অন্ধকারের দিকে ঠেলে দেওয়া সেই ‘সুপার’ বাবা এখন পলাতক রয়েছেন। অভিযোগের বিষয়ে জানতে তার মুঠোফোন নম্বরে একাধিকবার ফোন করে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে নম্বরটি বন্ধ পাওয়া গেছে।
বর্তমানে আটক তিন শিক্ষক র্যাবের হেফাজতে রয়েছেন এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
১৪ দিন আগে
চট্টগ্রামে পৃথক দুর্ঘটনায় শিক্ষার্থীসহ নিহত ৪
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সীতাকুণ্ডে পৃথক দুর্ঘটনায় মাদরাসা শিক্ষার্থীসহ ৪ জন নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) উপজেলার বার আউলিয়া, বড় কুমিরা, বাড়বকুণ্ড এবং ছোট দারোগারহাট এলাকায় এসব ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আজ (বৃহস্পতিবার) ভোরে উপজেলার সোনাইছড়ি ইউনিয়নের বার আউলিয়া এলাকায় মহাসড়কে বালু ভর্তি একটি ট্রাকের ধাক্কায় মো হারুনুর রশিদ (৫৪) নামে এক ব্যক্তি নিহত হন।
তিনি ছোট কুমিরার হিঙ্গুরী পাড়া গ্রামের মোহরম আলির ছেলে ছিলেন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করেছে।
অপরদিকে, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার ছোট কুমিরা বাজার এলাকায় চট্টগ্রামমূখী গরু ভর্তি ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে মো. হাসান (১৪) নামে এক মাদরাসা শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে।
নিহত হাসান মীরসরাই উপজেলার ওয়াহেদপুর ইউনিয়নের নদুয়ারীয়া গ্রামের মুসলিম উদ্দিনের ছেলে ছিল। সে মীরসরাইয়ের মির্জা বাজার ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসার নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, হাসান সহপাঠীদের নিয়ে একটি খোলা মিনি ট্রাকে করে কুমিরাস্থ আলেকদিয়া সমুদ্র সৈকতে বেড়াতে যায়। গাড়ি থেকে লাফ দিয়ে মহাসড়কে নামার সঙ্গে সঙ্গেই চট্টগ্রামমুখী গরুবাহী একটি ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলে তার মৃত্যু হয়।
এদিকে, বেলা ১১টার দিকে উপজেলার ছোট দারোগারহাট এলাকায় রাস্তা পারাপারের সময় একটি মোটরসাইকেলের ধাক্কায় মো. রোস্তম আলী (৬৯) নামে এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন। তিনি উত্তর পশ্চিম সৈয়দপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ওয়ারিশ ভূঁইয়া বাড়ির তমিজ উদ্দিনের ছেলে ছিলেন।
এ দুর্ঘটনাগুলোর বিষয় নিশ্চিত করেছেন কুমিরা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকির রাব্বানী ও বার আউলিয়া হাইওয়ে থানার ওসি এম এ হক।
এ ছাড়াও আজ সকালে উপজেলার বাড়বকুণ্ডের মুছা কলোনী এলাকার রেল লাইনের পাশ থেকে অজ্ঞাত (৪৫) এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে রেল পুলিশ।
সীতাকুণ্ড রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দীপক দেওয়ান জানান, সকালে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, নিহত ব্যক্তি চলন্ত ট্রেনের ছাদ থেকে পড়ে নিহত হয়েছেন। মরদেহটি দুই রেললাইনের মাঝখান থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এখনও নিহত ওই ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি। তার শরীরে কোনো ধরনের আঘাতের চিহ্ন নেই। তবে মুখে সামান্য আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং নিহতের পরিচয় শনাক্তে কাজ করছে পুলিশ।
১৪ দিন আগে
যশোরে বাঁশবাগান থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার
যশোরের ঝিকরগাছার কীর্তিপুরে আবু হুরাইরা মিম (৩৫) নামে এক যুবকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত ওই যুবকের মাথার পেছনে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাতের গভীর ক্ষত চিহ্ন রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) ভোরে বাড়ি থেকে একটু দূরে যশোর-বেনাপোল মহাসড়কের পাশে একটি বাঁশবাগান থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত যুবক ঝিকরগাছার কীর্তিপুর মোড় এলাকার মশিয়ার রহমানের ছেলে ছিলেন।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, গতকাল (বুধবার) বিকেলে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর সারা রাত নিখোঁজ ছিলেন মিম। আজ (বৃহস্পতিবার) ভোরে যশোর-বেনাপোল মহাসড়কের পাশের একটি বাঁশবাগান থেকে তার রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। এ সময় তারা পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তার মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহতের স্ত্রী নিলা খাতুন জানান, তিনি একই গ্রামে তার বাপের বাড়িতে ছিলেন। গতকাল রাত সাড়ে ৮টার দিকে স্বামীর সঙ্গে তার শেষ কথা হয়। রাতে শ্বশুরবাড়িতে যাওয়ার কথা থাকলেও মিম আর সেখানে যাননি। এরপর একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি আর ফোন রিসিভ করেননি।
তার দাবি, মিমের সঙ্গে তার কয়েকজন বন্ধুর বিরোধ ছিল। আর এই বিরোধের জের ধরেই তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।
ঝিকরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম কিবরিয়া হাসান জানান, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে কীর্তিপুরে যশোর-বেনাপোল মহাসড়কের পাশ থেকে এক যুবকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তার মাথার পেছনে ধারালো অস্ত্রের গভীর ক্ষত চিহ্ন রয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য যশোর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
১৪ দিন আগে
কোস্টগার্ডের কাছে সুন্দরবনের ৭ ডাকাত সদস্যের আত্মসমর্পণ
সুন্দরবনের ডাকাত সুমন বাহিনী প্রধানসহ সাত ডাকাত সদস্য বাংলাদেশ উপকুল রক্ষাকারী বাহিনী—কোস্টগার্ডের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন। এ সময় ডাকাত সদস্যরা তাদের ব্যবহৃত পাঁচটি আগ্নেয়াস্ত্র, ২৫ রাউন্ড তাজা কার্তুজ এবং তিন রাউন্ড ফাঁকা গুলি জমা দিয়েছেন।
রবিবার (১৭ মে) রাত ১১টার দিকে বাগেরহাটের মোংলা উপজেলাধীন সুন্দরবনের নন্দবালা খাল-সংলগ্ন এলাকায় কোস্ট গার্ডের কাছে ডাকাত ছোট সুমন বাহিনীর প্রধান সুমন হাওলাদার ও তার সহযোগীসহ সাতজন ডাকাত আত্মসমর্পণ করেন।
আজ (বৃহস্পতিবার) সকালে বাগেরহাটের মোংলা কোস্টগার্ড বেইজে ডাকাত সদস্যদের আত্মসমর্পণের আনুষ্ঠানিকতা অনুষ্ঠিত হয়। কোস্টগার্ডের পক্ষ থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
আত্মসমর্পণকারীরা হলেন— ডাকাত বাহিনীর প্রধান সুমন হাওলাদার (৩২), রবিউল মল্লিক (২৫), রফিক শেখ (২৯), সিদ্দিক হাওলাদার (৪০), গোলাম মল্লিক (৩৮), ইসমাইল খান (৩১) এবং মাহফুজ মল্লিক (৩৪) । এদের বাড়ি বাগেরহাট জেলার মোংলা এবং রামপাল উপজেলাসহ বিভিন্ন এলাকায়।
এরা দীর্ঘদিন ধরে সুন্দরবনে ডাকাতিসহ সাধারণ জেলে ও বাওয়ালিদের জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায় করে আসছিলেন বলে জানিয়েছে কোস্টগার্ড।
ডাকাত সদস্যদের জমা দেওয়া অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে ৩টি দেশীয় একনলা বন্দুক, ২টি দেশীয় পাইপ গান, ২৫ রাউন্ড তাজা কার্তুজ ও ৩ রাউন্ড ফাঁকা কার্তুজ।
কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন জানান, বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের ধারাবাহিক ও সফল অভিযানের ফলে সুন্দরবনে সক্রিয় বিভিন্ন দস্যু বাহিনী বর্তমানে ব্যাপকভাবে কোণঠাসা হয়ে পড়েছে। কোস্ট গার্ডের কঠোর নজরদারি, গোয়েন্দা তৎপরতা এবং নিয়মিত অভিযানের ফলে দস্যুরা তাদের কার্যক্রম পরিচালনায় ব্যর্থ হচ্ছে, যার ফলশ্রুতিতে সুন্দরবনের কুখ্যাত ডাকাত ছোট সুমন বাহিনীর প্রধান সুমন হাওলাদারসহ ডাকাত দলের সাত সদস্য অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ গত ১৭ মে রাত ১১টার দিকে বাগেরহাটের মোংলা থানাধীন সুন্দরবনের নন্দবালা খাল-সংলগ্ন এলাকায় বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের নিকট আত্মসমর্পণ করেন।
তিনি আরও জানান, সুন্দরবনের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড সর্বোচ্চ পেশাদারত্ব, সতর্কতা ও কঠোর অবস্থানে থেকে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। বর্তমান সরকারের দিকনির্দেশনায় সুন্দরবন অঞ্চলে সক্রিয় সকল বনদস্যু বাহিনী নির্মূল এবং উপকূলীয় অঞ্চলের সাধারণ জেলে, বাওয়ালি, মৌওয়াল ও বনজীবীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের নেতৃত্বে ‘অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন’ এবং ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’ নামে দুটি বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।
কোস্টগার্ডের তথ্য মতে, গত ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে আজ (বৃহস্পতিবার) পর্যন্ত কোস্টগার্ড সুন্দরবনে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ২৬ টি দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র, ১০ রাউন্ড তাজা গোলা, ১৭৮ রাউন্ড তাজা কার্তুজ, ২৫ রাউন্ড ফাঁকা কার্তুজ, ১৮৭ রাউন্ড এয়ার গান গোলা ও ২টি ওয়াকিটকি উদ্ধার করে এবং ২১ জন বনদস্যুকে আটক করে। এ সময় দস্যুদের হাতে জিম্মি থাকা ২০ জন জেলেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।
কোস্টগার্ডের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির আলোকে সুন্দরবনের সক্রিয় ডাকাতদের দ্রুত আত্মসমর্পণের আহ্বান হচ্ছে। আত্মসমর্পণকারীদের পুনর্বাসনের সুযোগ দেওয়া হবে, অন্যথায় আরও কঠোর অবস্থানে যাবে কোস্টগার্ড।
১৪ দিন আগে