সারাদেশ
নরসিংদীতে রেলের পাশ থেকে কিশোরের মরদেহ উদ্ধার, পরিবারের দাবি হত্যা
নরসিংদীর রায়পুরা এলাকায় রেললাইনের পাশ থেকে শুভ আহমেদ (১৪) নামে এক কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতের পরিবার দাবি করেছে, তাকে হত্যা করে লাশ সেখানে ফেলে রাখা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টার দিকে উপজেলার শ্রীনিধি রেলস্টেশনের অদূরে চান্দেরকান্দি এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত শুভ রায়পুরা উপজেলার উত্তর বাখরনগর ইউনিয়নের সওদাগর বাড়ির আল-আমিনের ছেলে।
নরসিংদী রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) জহুরুল ইসলাম জানান, সকালে স্থানীয়রা রেললাইনের পাশে মরদেহটি পড়ে থাকতে দেখে খবর দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে দুপুরে লাশ উদ্ধার করে।
নিহতের চাচা জিল্লুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, ২২ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার দিকে অলিপুরা ইউনিয়নের জাহাঙ্গীরনগর গ্রামের তুহিন ও হারুন নামে দুই ব্যক্তি চুরির অপবাদ দিয়ে শুভকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। এরপর আমরা তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করলেও তারা শুভকে ছাড়েনি। পরদিন রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার ছবি দেখে হত্যার ঘটনাটি জানতে পারি।
আরও পড়ুন: মাদারীপুরে এক দিনে পৃথক স্থান থেকে দুই শিশুর মরদেহ উদ্ধার
তিনি আরও বলেন, শুভ এতিম ছেলে। ছোটবেলায় মা-বাবা মারা যাওয়ার পর আমরা তাকে বড় করেছি। এখন সে হালচাষের ট্রাক্টর চালক। সে ছোট্ট একটি ছেলে, এভাবে তাকে না মেরে আমাদের কাছে বললে আমরা যত টাকা লাগত দিতাম। আমরা শুভর হত্যাকারীদের বিচার চাই।
এসআই জহুরুল ইসলাম বলেন, লাশের শরীরে ট্রেনে কাটা পড়ার কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্ত শেষে মঙ্গলবার রাতে নরসিংদী রেলওয়ে স্টেশন কবরস্থানে তাকে পরিচয়হীন লাশ হিসেবে দাফন করা হয়েছে। তবে পরিবারের আবেদনের ভিত্তিতে প্রয়োজনে লাশ কবর থেকে তোলা যাবে।
রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আদিল মাহমুদ বলেন, ছেলেটিকে বাড়ি থেকে ডেকে নেওয়া হয়েছিল বলে শুনেছি। তবে হত্যার বিষয়টি সম্পর্কে নিশ্চিত নই। আমাদের থানায় এ নিয়ে কোনো অভিযোগও করা হয়নি। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট এবং পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে হত্যা মামলা হতে পারে।
১৬৪ দিন আগে
গাঁজা নিয়ে ফেনী কলেজ ছাত্রদল নেতাসহ আটক ৪
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে গাঁজাসহ ফেনী সরকারি কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক জাহিদ হোসেন সাগর (২৬) ও আরও তিনজনকে আটক করে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ ঘটনার পর সাগরকে ছাত্রদলের কমিটি থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে শহরতলীর লালপোল বেদেপল্লীসংলগ্ন মাদ্রাসা রোড এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
এতে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তানজিল হোসেন তমাল ও ফারাজ হাবিব খান। এ সময় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ফেনী জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক রাজু আহাম্মেদ চৌধুরীসহ অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সাজা পাওয়া অন্যরা হলেন— ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার মারই কমনহাতা গ্রামের আবদুল মান্নান (৩৫), ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার পাঁচখাইচাইল গ্রামের মো. সবুজ মিয়া (৩২) এবং বরিশালের আমতলী উপজেলার বহিলাতলী গ্রামের বশির হাওলাদার (৩০)।
আরও পড়ুন: ঝিনাইদহে প্রতিমা ভাঙচুর, আটক ১
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, আটক প্রত্যেককে তিন দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ অনুযায়ী এই শাস্তি দেওয়া হয়।
অধিদপ্তরের পরিদর্শক রাজু আহাম্মেদ বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়েছে। মাদকদ্রব্য নির্মূলে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এদিকে, এ ঘটনার পর মঙ্গলবার রাতে ফেনী জেলা ছাত্রদল এক বিজ্ঞপ্তি পাঠিয়ে সাগরকে বহিষ্কার করে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাংগঠনিক শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকায় তার সংগঠনিক পদ ও সব কার্যক্রম থেকে বহিষ্কার করা হলো।
ফেনী জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সালাহ উদ্দিন মামুন ও সাধারণ সম্পাদক মোরশেদ আলম মিলন এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানানো হয়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সভাপতি সালাহ উদ্দিন মামুন বলেন, এটি সংগঠন পরিপন্থি কাজ। আমরা বিষয়টি যাচাই করে সত্যতা পেয়েছি। তাই সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
১৬৪ দিন আগে
হাতুড়ি নিয়ে ফুটবল মাঠে শিক্ষার্থী, ম্যাচ স্থগিত
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে ফুটবল খেলা শুরুর আগে কিছু ছাত্র বিদ্যালয় মাঠে গিয়ে প্রকাশ্যে হাতুড়ি দেখানোয় খেলা স্থগিত করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) উপজেলার দুই বিদ্যালয়ের মধ্যে ফুটবল সেমিফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে খেলা স্থগিত করার কথা নিশ্চিত করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল হাই সিদ্দিকী।
দৌলতপুরে গ্রীষ্মকালীন ৫২তম বাংলাদেশ জাতীয় স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা চলছে। প্রতিযোগিতার অংশ হিসেবে আজ মঙ্গলবার তারাগুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও বাগোয়ান কেসিভিএন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ফুটবল খেলার সেমিফাইনাল ম্যাচ ছিল। সকাল ১০টায় উপজেলার রিফাইতপুর ইউনিয়নের রিফাইতপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে এ খেলা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।
জানা গেছে, খেলা শুরু হওয়ার আগে কিছু ছাত্র হাতুড়ি নিয়ে মাঠে ঢুকে পড়ে। তারা প্রকাশ্যে হাতুড়ি দেখানোয় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। তাৎক্ষণিকভাবে ইউএনও খেলা বন্ধের ঘোষণা দেন।
এ বিষয়ে তারাগুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শফিউল ইসলাম বলেন, ‘খেলার আগে আমাদের এক ছাত্রের কাছে হাতুড়ি পাওয়া গেছে— এটা আমরা স্বীকার করছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
অন্যদিকে, বাগোয়ান কেসিভিএন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল হালিমের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার কামাল হোসেন বলেন, ‘হাতুড়ি আনার অভিযোগ পাওয়ার পর ইউএনও স্যার খেলা স্থগিত ঘোষণা করেন। আলোচনার মাধ্যমে পরে নতুন তারিখ নির্ধারণ করে খেলা অনুষ্ঠিত হবে।’
এ বিষয়ে ইউএনও আব্দুল হাই সিদ্দিকী বলেন, ‘খেলা শুরু হওয়ার আগেই শিক্ষার্থীরা হাতুড়ি প্রদর্শন করছিল। কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটার আগেই আমরা খেলা স্থগিত করেছি।’
১৬৪ দিন আগে
খুমেক হাসপাতালের সিঁড়ি থেকে পড়ে যুবকের মৃত্যু
খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালের সিঁড়ি থেকে পড়ে অজ্ঞাতনামা এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ভোর ৫টা ৪০ মিনিটের দিকে এ ঘটনা ঘটেছে।
হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক বাবলু জানান, নিহত যুবকের বয়স আনুমানিক ৪৮। তবে তার পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পুলিশ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হাসপাতালের অর্থোপেডিক্স বিভাগের চতুর্থ তলার রেলিংয়ের সিঁড়ি দিয়ে নামার সময় ওই ব্যক্তি হঠাৎ পড়ে যান। পরে তাকে উদ্ধার করে জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সকাল ৫টা ৫৫ মিনিটের দিকে মৃত ঘোষণা করেন।
আরও পড়ুন: রাজধানীর বংশালে বৃষ্টির পানিতে বিদ্যুতায়িত হয়ে যুবকের মৃত্যু
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, নিহত ব্যক্তিকে সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে রূপসা ব্রিজের টোল প্লাজার পাশ থেকে আজিজুল ও ওসমান নামের দুই ব্যক্তি বিষপান করা অবস্থায় উদ্ধার করেন। এরপর রাত ১টা ৫৮ মিনিটের দিকে তাকে খুমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং মেডিসিন বিভাগের ৫ নম্বর ইউনিটের ১৯-২০ নম্বর ওয়ার্ডে রাখা হয়েছিল।
পরবর্তীতে তিনি হেঁটে অর্থোপেডিক্স বিভাগের সিঁড়ির দিকে যাওয়ার সময় দুর্ঘটনাটি ঘটে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
১৬৪ দিন আগে
রাজধানীর বংশালে বৃষ্টির পানিতে বিদ্যুতায়িত হয়ে যুবকের মৃত্যু
রাজধানীর বংশালে সাইকেল চালিয়ে যাওয়ার সময় জমে থাকা বৃষ্টির পানিতে বিদ্যুতায়িত হয়ে মো. আমিন (৩০) নামে এক দোকান কর্মচারীর মৃত্যু হয়েছে।
সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) বংশালের নাজিরা বাজার চৌরাস্তা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। সকাল পৌঁনে ১০টার দিকে পথচারীরা আমিনকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মৃত আমিন পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলার টেলি সানি গ্রামের বাদশা মিয়ার ছেলে। বর্তমানে তিনি বিডিআর ১ নং গেট এলাকায় থাকতেন।
আরও পড়ুন: চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিদ্যুতায়িত হয়ে মা-মেয়ে নিহত
আমিনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া পথচারী জিসান জানান, পুরান ঢাকায় অল্প বৃষ্টি হলেই নাজিরা বাজার এলাকায় বৃষ্টির পানি জমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। গতকাল সারারাত বৃষ্টিতে এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আমিন নামের ওই ব্যক্তি সাইকেল চালিয়ে যাওয়ার সময় জমে থাকা বৃষ্টির পানিতে বিদ্যুতায়িত হয়ে অচেতন হয়ে পড়েন। পরে আমরা একটি বাঁশ দিয়ে তাকে টেনে দূর থেকে কাছে এনে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাই। তবে হাসপাতালে আনার পর চিকিৎসক জানান, ওই যুবকের বেঁচে নেই।
ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, মরদেহ হাসপাতালের জরুরী বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি বংশাল থানা পুলিশকে অবহিত হয়েছে।
১৬৬ দিন আগে
গাইবান্ধায় স্ত্রীকে গলাকেটে হত্যা, স্বামী ও সৎ ছেলে গ্রেপ্তার
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে শিউলী বেগম (৩৫) নামে এক নারীকে নৃশংসভাবে হত্যার অভিযোগে তার স্বামী ফরিদ উদ্দীন (৪৫) ও সৎ ছেলে মো. হৃদয়কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) ভোরে উপজেলার বাগদা বাজার এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এর আগে, শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টার দিকে উপজেলার কাটাবাড়ী ইউনিয়নের বাজারস্থ কাটাবাড়ী গ্রামের বাগদা বাজার টাওয়ার এলাকা থেকে শিউলীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তাকে গলাকেটে হত্যার অভিযোগ ওঠে তার স্বামী ফরিদের বিরুদ্ধে। হত্যার পর মরদেহ কলাবাগানে ফেলে তিনি পালিয়ে যান বলে অভিযোগ নিহতের স্বজনদের।
এরপর রোববার ভোরে এক অভিযানে ফরিদ ও তার অন্য স্ত্রীর ছেলে হৃদয়কে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
আরও পড়ুন: সিলেটে স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যার পর স্বামীর আত্মহত্যার চেষ্টা
স্থানীয়রা জানান, নিহত শিউলী বেগম ফরিদ উদ্দীনের দ্বিতীয় স্ত্রী। প্রায় ১২ বছর আগে শিউলী ও ফরিদের বিয়ে হয়। ফরিদের প্রথম স্ত্রীর ঘরে দুটি সন্তান রয়েছে। বিয়ের পর থেকেই দুজনের মধ্যে মনোমালিন্য হচ্ছিলো না ।
পুলিশ জানিয়েছে, শনিবার সন্ধ্যায় স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে শিউলীকে মারধর করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেন ফরিদ। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে মরদেহ বাড়ির পাশে কলাবাগানে ফেলে রেখে তিনি গা-ঢাকা দেন।
গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বুলবুল ইসলাম জানান, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে নিহতের স্বামী ও অন্য স্ত্রীর ছেলেকে বাগদা বাজার এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
১৬৭ দিন আগে
চুয়াডাঙ্গায় গরু বিক্রির দ্বন্দ্বে নিহত দুই ভাই
চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার উথলীতে গরু বিক্রি নিয়ে বিরোধের জেরে দুই ভাইকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে উথলী গ্রামের রেললাইনের ৭২ নম্বর ব্রিজের পাশের মাঠে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন—উথলী গ্রামের মাঝেরপাড়ার মৃত খোদা বক্স মণ্ডলের ছেলে আনোয়ার ওরফে মিন্টো (৫৫) ও হামজা (৪৫)।
স্থানীয়রা জানান, প্রায় চার মাস আগে গরু বিক্রি নিয়ে বিরোধের সূত্রপাত হয়। শনিবার সকালে সেই বিরোধের জের ধরে প্রতিবেশী পক্ষের লোকজন হামলা চালায়। এতে গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা দুই ভাইকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রথমে হামজা এবং পরে আনোয়ার মারা যান।
আরও পড়ুন: নরসিংদীতে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৫
রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত হামলাকারীদের বিস্তারিত তথ্য নিশ্চিত করেনি পুলিশ।
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. ওয়াহিদ মাহমুদ রবিন বলেন, দুজনকেই কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করা হয়েছিল। একজন হাসপাতালে আসার আগেই মারা গিয়েছিলেন এবং আরেকজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুন হোসেন বিশ্বাস জানান, গরু কেনাবেচা পূর্ব বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। মরদেহ মর্গে রাখা হয়েছে এবং অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
১৬৮ দিন আগে
নরসিংদীতে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৫
নরসিংদীর সদর উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে একজন নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন অন্তত পাঁচ জন।
বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ভোর ৫ টার দিকে উপজেলার আলোকবালী ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটেছে।
নিহত ইদন মিয়া (৫৫) মুরাদনগর গ্রামের বাসিন্দা। তবে প্রাথমিকভাবে আহতদের সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায় নি। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
আরও পড়ুন: চুয়াডাঙ্গায় সড়ক দুর্ঘটনায় স্কুলছাত্র নিহত
নরসিংদীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুজন চন্দ্র সরকার জানান, আলোকবালী ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক শাহ আলম চৌধুরী ও বহিষ্কৃত সদস্য সচিব আব্দুল কাইয়ুম মিয়া গ্রুপের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে একজন গুলিবিদ্ধ হয়ে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা গেছেন,আহত হয়েছেন আরও পাঁচজন।
তিনি আরও বলেন, ঘটনার বিস্তারিত জানতে কাজ করছে পুলিশ। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।
স্থানীয়রা জানান, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকেই ওই দুই গ্রুপের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দলীয় বিভাজন তৈরি হয় এবং শেষ পর্যন্ত বৃহস্পতিবার ভোরে তা সংঘর্ষের রুপ নেয়।
১৭০ দিন আগে
চট্টগ্রামে গ্যাস সিলিন্ডারের গুদামে বিস্ফোরণ, দগ্ধ ১০
চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলায় গ্যাস সিলিন্ডারের গুদামে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে ১০ জন শ্রমিক অগ্নিদগ্ধ হয়েছেন।
বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৬ টার দিকে উপজেলার বৈলতলী ইউনিয়নের চরপাড়ায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, মাহবুবুর রহমান নামে এক ব্যবসায়ীর গ্যাসের দোকানে গ্যাস সিলিন্ডারের বোতল আনলোড করার সময় এক শ্রমিকের সিগারেটের আগুন থেকে হঠাৎ আগুন ধরে যায়। পরে সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। পরে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
আহত ১০ জনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে।
আরও পড়ুন: গাজীপুরের কাঁচাবাজারে ভয়াবহ আগুন, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা
আহতরা হলেন— দোকান মালিক মাহবুবুর রহমান (৪৫), শ্রমিক মো. সৌরভ রহমান (২৫), মোহাম্মদ কফিল (২২), মোহাম্মদ রিয়াজ (১৭), মোহাম্মদ ইউনুস (২৬), মোহাম্মদ আকিব (১৭), মো. হারুন (২৯), মোহাম্মদ ইদ্রিস (৩০), মোহাম্মদ লিটন (২৮) ও মোহাম্মদ ছালে (৩৩)।
ফায়ার সার্ভিস চন্দনাইশ স্টেশনের কর্মকর্তা সাবের হোসেন জানান, আগুন নির্বাপণ করা হয়েছে। তারা অগ্নিদগ্ধ দুজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছেন। এর আগে, এলাকাবাসী আরও কয়েকজনকে উদ্ধার করে সেখানে নিয়ে যায়। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্ত সাপেক্ষে জানানো হবে।
চমেক হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির উপ পরিদর্শক (এসআই) আশিকুল ইসলাম জানান, অগ্নিদগ্ধ কয়েকজনকে হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে গুরুতর ৫ থেকে ৬ জনকে ঢাকায় পাঠানো হবে।
১৭১ দিন আগে
বাগেরহাটে দ্বিতীয় দিনের মতো চলছে নির্বাচন কমিশন ঘেরাও
বাগেরহাটে চারটি সংসদীয় আসন বহাল রাখার দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মত জেলা নির্বাচন অফিস ঘেরাও করেছে সর্বদলীয় সম্মিলিত কমিটি।
বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টার দিকে বিভিন্ন স্থান থেকে মিছিল নিয়ে কমিটির নেতাকর্মীরা বাগেরহাট জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে এসে জড়ো হতে থাকেন এবং অফিসের প্রধান ফটক ঘিরে রাখেন।
এ সময় নির্বাচন অফিসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অফিসে প্রবেশ করতে দেখা যায়নি। এই ঘেরাও কর্মসূচি দুপুর একটা পর্যন্ত চলবে বলে জানানো হয়েছে।
এদিকে, বাগেরহাটে চারটি সংসদীয় আসন বহাল করতে কেন নির্দেশনা দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। সেইসঙ্গে চারটি আসন থেকে একটি কমিয়ে তিনটি আসন করে নির্বাচন কমিশনের গেজেট কেন অবৈধ হবে না, রুলে তাও জানতে চাওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশনসহ সংশ্লিষ্টদের আগামী ১০ দিনের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে বলে জানিয়েছে আন্দলোনকারীরা।
আরও পড়ুন: ফরিদপুরের ভাঙ্গায় বিক্ষোভ-অবরোধ শনিবার পর্যন্ত স্থগিত
হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের দুর্গাপূজা এবং সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে সর্বদলীয় সম্মিলিত কমিটি হরতাল কর্মসূচি স্থগিত করেছে। তবে কমিটির নেতা-কর্মীরা জানিয়েছেন, তাদের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আইনি লড়াইয়ের পাশাপাশি রাজপথের আন্দোলনও চলবে।
কমিটির সদস্যসচিব ও জামায়েতে ইসলামী বাংলাদশের জেলা সেক্রেটারি শেখ মোহাম্মাদ ইউনুস বলেন, ‘আমরা হরতাল বাতিল করেছি, যাতে দুর্গাপূজা ও ব্যবসায়ীদের ক্ষতি না হয়। উচ্চ আদালত ১০ দিনের রুল জারি করেছেন, আমরা ন্যায়বিচার পাব বলে আশাবাদী। চারটি আসন ফিরে না পাওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে।’
উল্লেখ্য, ৩০ জুলাই নির্বাচন কমিশন বাগেরহাটের চারটি আসনকে কমিয়ে তিনটি করার প্রাথমিক প্রস্তাব দেয়। এরপর থেকেই বাগেরহাটবাসী আন্দোলন শুরু করেন। চারটি আসন বহাল রাখার দাবিতে নির্বাচন কমিশনের শুনানিতে অংশগ্রহণ করেন বাগেরহাটবাসী।
তা সত্ত্বেও ৪ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশন শুধু সীমানা পরিবর্তন করে তিনটি আসনের চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করে, যা জনগণের দাবিকে উপেক্ষা করেছে বলে কমিটির নেতারা অভিযোগ করেন।
নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত গেজেট অনুযায়ী, নতুন আসনবিন্যাস হলো— বাগেরহাট-১: (বাগেরহাট সদর, চিতলমারী, মোল্লাহাট), বাগেরহাট-২: (ফকিরহাট, রামপাল, মোংলা), বাগেরহাট-৩: (কচুয়া, মোরেলগঞ্জ, শরণখোলা)। এর আগে দীর্ঘদিন ধরে আসনবিন্যাস ছিল— বাগেরহাট-১: (চিতলমারী, মোল্লাহাট, ফকিরহাট), বাগেরহাট-২: (বাগেরহাট সদর, কচুয়া), বাগেরহাট-৩: (রামপাল, মোংলা), বাগেরহাট-৪: (মোরেলগঞ্জ, শরণখোলা)।
১৭১ দিন আগে