সারাদেশ
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন, মরদেহ যাচ্ছে সিদ্ধেশ্বরীর বাসায়
মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে সাংবাদিক বিভুরঞ্জন সরকারের মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। এরপর সেটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ভাই চিরঞ্জন সরকার তা তা গ্রহণ করেছেন।
এরপর ফ্রিজিং গাড়িতে করে এখন তার মরদেহটি ঢাকার বাসভবনে নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। শনিবার (২৩ আগস্ট) দুপুর সোয়া ১টার দিকে মুন্সীগঞ্জ থেকে গাড়িটি রওনা হয়।
সাংবাদিক চিররঞ্জন সরকার জানান, ফ্রিজার অ্যাম্বুলেন্সটি তার মরদেহ নিয়ে প্রথমে যাবে রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরীর বাসভবনে। পরিবার ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের শেষ শ্রদ্ধা শেষে তাকে নেওয়া হবে সবুজবাগের বরেদেশ্বরী কালী মন্দিরে। সেইখানেই হবে শেষকৃত্যের অনুষ্ঠান।
আরও পড়ুন: মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় নিখোঁজ সাংবাদিক বিভুরঞ্জন সরকারের লাশ উদ্ধার
আজ মুন্সীগঞ্জের সাংবাদিকরা তাকে ফুল দিয়ে শেষ শ্রদ্ধা জানান। এই সময় কান্নার ভেঙ্গে পড়েন অনেকে।
ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. শেখ মো. এহসানুল ইসলাম বলেন, তার শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তবে ফরেনসিক বিভাগের রিপোর্টের পর চূড়ান্তভাবে বলা যাবে।
বৃহস্পতিবার অফিসের উদ্দেশে বাসা থেকে বেরিয়ে তিনি আর ফেরেননি। পরে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার চরবলাকি-সংলগ্ন মেঘনা নদী থেকে শুক্রবার দুপুরে তার মরদেহ উদ্ধার করে নৌ-পুলিশ। ৫ দশক ধরে সাংবাদিকতা করছিলেন তিনি।
১৯৫ দিন আগে
কিশোরগঞ্জে যুবদলের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ১, দুই নেতা বহিষ্কার
কিশোরগঞ্জে যুবদলের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে একজন নিহত হওয়ার ঘটনায় জেলা যুবদলের দুই নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
শুক্রবার (২২ আগস্ট) রাতে যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির দপ্তর সম্পাদক নুরুল ইসলাম সোহেলের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বহিষ্কৃতরা হলেন— কিশোরগঞ্জ জেলা যুবদলের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক আলী আব্বাস রাজন এবং সদর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক এমদাদুল হক এমদাদ।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলীয় নীতি ও আদর্শবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে তাদের প্রাথমিক সদস্যপদসহ দলের সব ধরনের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছেন যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন।
এতে আরও বলা হয়, বহিষ্কৃতদের কোনো ধরনের অপকর্মের দায়ভার দল বহন করবে না। একইসঙ্গে যুবদলের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীদের তাদের সঙ্গে সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: ঢাকায় ব্যবসায়ীকে হত্যার ঘটনায় যুবদলের ২ নেতাকে আজীবন বহিষ্কার
কিশোরগঞ্জ জেলা যুবদলের সভাপতি খসরুজ্জামান (জিএস) শরীফ বহিষ্কারের বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।
গতকাল (শুক্রবার) বিকেলে কিশোরগঞ্জে যুবদলের দুই পক্ষের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এতে মো. হিমেল (২৪) নামের এক যুবক নিহত হন এবং কমপক্ষে ১০ জন আহত হন।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নিহত ব্যক্তির পক্ষের লোকজন প্রতিপক্ষের বাড়িঘরে আগুন দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় পুলিশ-সেনাবাহিনীসহ প্রশাসনের বাড়তি নিরাপত্তায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
১৯৬ দিন আগে
ফরিদগঞ্জে চিকিৎসকের অবহেলায় রোগীর মৃত্যু, হাসপাতাল ভাঙচুর
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে এক রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে প্রাইভেট হাসপাতালে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। স্বজনদের অভিযোগ, চিকিৎসকের অবহেলায় ওই রোগীর মৃত্যু হয়েছে।
শুক্রবার (২২ আগস্ট) সকালে উপজেলার কেরোয়া এলাকায় অবস্থিত ফরিদগঞ্জ ডায়াবেটিক ও জেনারেল (প্রাইভেট) হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গত (বৃহস্পতিবার) রাতে ফরিদগঞ্জের কেরোয়া গ্রামের ইসহাক মিয়ার স্ত্রী কোহিনুর বেগম (৬৫) অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হন। শনিবার সকালে তিনি মারা যান। স্বজনদের দাবি, চিকিৎসকের অবহেলার কারণেই কোহিনুর বেগমের মৃত্যু হয়েছে।
এ নিয়ে রোগীর স্বজনদের সঙ্গে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বাগ্বিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে হাসপাতালের কিছু কর্মচারী স্বজনদের সঙ্গে স্বজনদের গায়ে হাত তোলে বলে অভিযোগ ওঠে। এতে উত্তেজিত স্বজনরা ও স্থানীয় কিছু লোক মিলে হাসপাতাল ভাঙচুর করেন।
খবর পেয়ে ফরিদগঞ্জ থানা পুলিশ, সাবেক পৌর মেয়র মঞ্জিল হোসেন এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। ঘটনার সময় হাসপাতালের ভেতরে প্রায় দুই শতাধিক রোগী ও স্বজন আটকা পড়েন এবং আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।
আরও পড়ুন: বরিশালে চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার
মৃত রোগীর বাবা বিল্লাল হোসেনও আক্রমনকারীদেরকে নিবৃত্ত করতে ব্যর্থ হন বলে জানান।
মৃত কোহিনুর বেগমের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করে বলেন, ‘রোগীকে ঢাকায় নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হলেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাতে অনুমতি দেয়নি। একাধিকবার অনুরোধ করা হলেও হাসপাতালের অন্যতম পরিচালক ও সিনিয়র চিকিৎসক ডা. সাদিক হাসপাতালে আসেননি। চিকিৎসকের এসব অবহেলায় আমাদের রোগী মারা গেছেন।’
হাসপাতালের জরুরি বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক ডা. হুমায়ুন কবীর ইউএনবিকে বলেন, ‘আমি কয়েকবার রোগীকে দেখেছি। আমাদের কোনো অবহেলা ছিল না। উপজেলা পর্যায়ে যতটুকু সম্ভব আমরা চিকিৎসা সেবা দিয়েছি। শুক্রবার সকালে এই রোগীকে ঢাকায় রেফার করা হয়েছিল কিন্তু তিনি সকালেই মারা যান।’
ফরিদগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) রাজিব চক্রবর্তী ইউএনবিকে বলেন, ‘খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে যাই। সেখানে আমাদের পুলিশ সদস্যরা রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সাহায্যে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনেন।’
১৯৬ দিন আগে
কুমিল্লায় সড়ক দুর্ঘটনায় এক পরিবারের ৪ জন নিহত
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার পদুয়ার বাজার এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় এক পরিবারের ৪ জন নিহত হয়েছেন। সিমেন্ট বোঝাই একটি লরি উল্টে প্রাইভেট কারের ওপর পড়লে এই দুর্ঘটনা ঘটে। এ সময়ে কভার্ড ভ্যানের চাপায় একটি সিএনজি অটোরিকশার আরও দুই যাত্রী গুরুতর আহত হয়েছেন।
শুক্রবার (২২ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পদুয়ার বাজার বিশ্বরোডের পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন— কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার হোসেনপুর গ্রামের মোহাম্মদ ওমর আলী (৮০), তার স্ত্রী নুরজাহান বেগম (৬৫), বড় ছেলে আবুল হাশেম (৫০) এবং ছোট ছেলে আবুল কাশেম (৪৫)। প্রাইভেট কারটি চালাচ্ছিলেন আবুল হাশেম।
ময়নামতি ক্রসিং হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আনিসুর রহমান ইউএনবিকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
আরও পড়ুন: মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে ফের দুর্ঘটনা, নিহত ৩
উদ্ধার কাজে অংশ নেওয়া পুলিশের কনস্টেবল সাইফুল ইসলাম বলেন, দুপুর সাড়ে বারোটার দিকে মহাসড়কের পদুয়ার বাজার ইউটার্নে ঢাকামুখী লেনে একটি যাত্রীবাহী বাস উল্টো পথে এসে রাস্তা পার হওয়ার চেষ্টা করছিল। তখন বিপরীত দিক থেকে আসা সিমেন্টবোঝাই লরিটি বাসটিকে পাশ কাটাতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়। এ সময় বাসের পেছনে থাকা একটি প্রাইভেট কার ও একটি সিএনজি অটোরিকশাকে চাপা দেয় লরিটি।
তিনি আরও জানান, এতে ঘটনাস্থলেই প্রাইভেট কারের চালকসহ চারজন নিহত হন। এ ছাড়া সিএনজিতে থাকা তিন যাত্রী গুরুতর আহত হন। তাদের উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ময়নামতি হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল বাহার মজুমদার জানান, এই দুর্ঘটনায় একই পরিবারের চারজন নিহত হয়েছেন। পুলিশ মরদেহ ও দুর্ঘটনাকবলিত প্রাইভেট কারটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে গেছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
১৯৬ দিন আগে
খুলনায় ফেরি ও যাত্রীবাহী ট্রলারের সংঘর্ষ, কিশোর নিখোঁজ
খুলনায় ফেরির সঙ্গে যাত্রীবাহী ট্রলারের সংঘর্ষে আকাশ (১৭) নামে এক কিশোর নিখোঁজ হয়েছে। খুলনা সদর নৌ-পুলিশ, রূপসা নৌ-পুলিশ, ফায়ার সার্ভিসসহ নৌবাহিনীর ডুবুরিরা তাকে উদ্ধার করতে অভিযান চালাচ্ছেন।
বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) রাত সাড়ে ১০টার দিকে জেলখানা ও সেনেরবাজার ঘাটের মধ্যবর্তী স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিখোঁজ আকাশ রূপসা উপজেলার আইচগাতি ইউনিয়নের সাহাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা দিলীপ সরকারের ছেলে।
পুলিশ জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাত সোয়া ১০টার দিকে একটি যাত্রীবাহী ট্রলার জেলখানা ঘাট থেকে সেনেরবাজারের দিকে যাচ্ছিল। মাঝপথে বিপরীত দিক থেকে আসা ফেরির সঙ্গে ট্রলারটির সংঘর্ষ হয়। ওই ঘটনায় ট্রলার থেকে দুজন নদীতে পড়ে যায়। তাদের মধ্যে একজনকে উদ্ধার করা গেলেও আকাশের সন্ধান পাওয়া যায়নি।
আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে সাগরে ট্রলার ডুবির ঘটনায় ২ মরদেহ উদ্ধার, এখনো নিখোঁজ ৬
প্রথমে স্থানীয়রা উদ্ধার অভিযানে অংশ নিলেও পরে খুলনা সদর নৌ-পুলিশ, রূপসা নৌ-পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও নৌবাহিনীর ডুবুরিরাও যোগ দেন।
রূপসা নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) শিমুল ঘোষ বলেন, ‘নৌকার একটি অংশ ফেরির নিচে ঢুকে যায়। এতে কিছু যাত্রী নদীতে পড়ে যান এবং কিছু যাত্রী ফেরিতে উঠে পড়েন। এর মধ্যে কিশোর আকাশের সন্ধান পাওয়া যায়নি।
১৯৬ দিন আগে
মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে ফের দুর্ঘটনা, নিহত ৩
ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের মুন্সীগঞ্জের নিমতলায় প্রাইভেট কারের চাপায় তিন মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন আরও একজন।
বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) রাত সাড়ে ১০টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন— আওলাদ হোসেন (২৩), হাবিল (২২) ও কাইয়ুম (২২)। আহত যুবকের নাম ইমন (২০)।
পুলিশ জানিয়েছে, শ্রীনগর থেকে নিমতলাগামী রেজিস্ট্রেশনবিহীন পালসার মোটরসাইকেলের চালকসহ চারজন বৃষ্টির কারণে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সাার্ভিস লেনে পড়ে গেলে বিপরীত দিক ঢাকা থেকে মাওয়াগামী প্রাইভেট কারটি তাদের চাপা দিয়ে চলে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই আওলাদ ও হাবিল নিহত হন। স্থানীয়রা অপর দুজনকে নিমতলা আইডিয়াল ক্লিনিকে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক কাইয়ুমকে মৃত ঘোষণা করেন।
আরও পড়ুন: মুন্সীগঞ্জে প্রাইভেট কার উল্টে নিহত ৩
হাসাড়া হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু নাঈম সিদ্দকী জানান, দুর্ঘটনা ঘটানো প্রাইভেট কারটি চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে। আহত ইমনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
১৯৭ দিন আগে
চুয়াডাঙ্গায় ভিক্ষুকের ঘরে চুরি
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় এক ভিক্ষুকের ঘরে চুরির ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ পেয়ে চুরি হওয়া টাকা উদ্ধার করেছে পুলিশ। সেই সঙ্গে এ ঘটনায় জড়িত দুজনকে আটক করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) গভীর রাতে জেহালা ইউনিয়নের মুন্সিগঞ্জ বাজারের মদনবাবুর মোড় এলাকা থেকে তাদের আটক করে পুলিশ।
আটক দুজন হলেন— আলমডাঙ্গা উপজেলার জেহালার রাশেদুল ইসলাম রঞ্জু (৩৮) এবং একই এলাকার ভোলা হোসেন (৩৫)।
পুলিশ জানিয়েছে, জেহালার মুন্সিগঞ্জ রেলস্টেশন-সংলগ্ন একটি পরিত্যক্ত ঘরে প্রতিবন্ধী ছেলেকে নিয়ে বসবাস করেন জোসনা খাতুন (৬৮)। ভিক্ষা করে সংসার চালান তিনি। গত ১৭ আগস্ট রাতে তারা বাড়ি ফিরে দেখেন ঘরের তালা ভাঙা, চিকিৎসার জন্য ভিক্ষা করে জমানো ৫০ হাজার টাকা চুরি হয়েছে। পরে পুলিশকে বিষয়টি জানালে অভিযান চালিয়ে ২৯ হাজার ৮০ টাকা উদ্ধারসহ দুজনকে আটক করা হয়। বাকি টাকা উদ্ধারে তৎপরতা চলছে বলে জানায় পুলিশ।
আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদুর রহমান বলেন, দুজনকে আটক করা হয়েছে। অসহায় ভিক্ষুকের টাকা উদ্ধারে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি এবং দ্রুততম সময়ে টাকা ফেরত দিতে পেরেছি।
ভিক্ষুকের পাশে দাঁড়ানোয় পুলিশের প্রশংসা করেন স্থানীয়রা।
১৯৭ দিন আগে
চুয়াডাঙ্গায় ধানকাটা মেশিনের আঘাতে নিহত ১
চুয়াডাঙ্গা সদরের ছয়মাইল বুড়োপাড়ায় ধান কাটার সময় হারভেস্টার মেশিনের আঘাতে ইবাদত হোসেন (৪৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) বিকেলে সদর উপজেলার পদ্মবিলা ইউনিয়নের বুড়োপাড়া গ্রামের আপাগাড়ির মাঠে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত ইবাদত হোসেন ওই গ্রামের মৃত আজগার আলীর ছেলে। পেশায় তিনি ইজিবাইকচালক ছিলেন।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার দুপুরে গবাদিপশুর জন্য মাঠ থেকে ঘাস সংগ্রহ করতে গিয়েছিলেন ইবাদত। এ সময় হারভেস্টার মেশিন দিয়ে গ্রামের আইনালের জমিতে ধান কাটা হচ্ছিল। ইবাদত মেশিনের পিছনে ঘাস কুড়াচ্ছিলেন। হঠাৎ মেশিনটি পিছনের দিকে সরালে চাকায় আঘাত পেয়ে মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম হন তিনি। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
আরও পড়ুন: নড়াইলে সড়ক দুর্ঘটনায় স্কুলছাত্র নিহত, আহত ৬
স্থানীয় ইউপি সদস্য রবিউল ইসলাম বলেন, এটি অত্যন্ত দুঃখজনক একটি দুর্ঘটনা। মেশিনের রডে আঘাত লেগেই তিনি মারা গেছেন।
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. আফরিনা ইসলাম জানান, পরিবারের সদস্যরা মৃত অবস্থায় ইবাদতকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। তিনি মাঠেই মারা গিয়েছিলেন।
১৯৭ দিন আগে
যশোরে পাঁচটি স্বর্ণের বার জব্দ, গ্রেপ্তার ১
যশোরে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৫৮৫ গ্রাম ওজনের পাঁচটি স্বর্ণের বার জব্দ করেছে। এ সময় মো. রুবেল (৩৪) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে বিজিবি।
বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে যশোর-খুলনা মহাসড়কের মুড়লি বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে তাকে আটক করে যশোর ব্যাটালিয়ন (৪৯ বিজিবি) এর একটি টহলদল।
আটক রুবেল কুমিল্লার নাঙ্গলকোট থানার বাসন্ডা গ্রামের বাসিন্দা।
৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল্লাহ্ সিদ্দিকী জানান, রুবেলের কোমরে বিশেষ কৌশলে লুকানো অবস্থায় স্বর্ণের বারগুলো পাওয়া যায়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রুবেল স্বীকার করেছে, সে ঢাকার ধোলাইপাড় এলাকার চোরাকারবারীদের কাছ থেকে স্বর্ণ সংগ্রহ করে যশোর হয়ে বেনাপোল সীমান্ত পথে ভারতে পাচারের উদ্দেশে নিয়ে যাচ্ছিল।
বিজিবি জানান, আটক রুবেলের কাছ থেকে ৫৮৫ গ্রাম ওজনের স্বর্ণের বার ছাড়াও নগদ ৩ হাজার ৯৯৫ টাকা ও একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে। জব্দকৃত স্বর্ণের বাজারমূল্য প্রায় ৮৬ লাখ ৬ হাজার ৫২০ টাকা। মোবাইলের মূল্য ধরা হয়েছে ৩৪ হাজার টাকা। সর্বমোট জব্দ হওয়া সামগ্রীর আনুমানিক মূল্য প্রায় ৮৬ লাখ ৪৪ হাজার ৫১৫ টাকা।
আটক রুবেলকে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানায় হস্তান্তর করে তার বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে।
বিজিবি কর্মকর্তা আরও জানান, দীর্ঘদিন ধরে সীমান্ত এলাকায় স্বর্ণ, মাদক, হুন্ডি, অস্ত্র ও অন্যান্য চোরাচালানি পণ্যের বিরুদ্ধে বিজিবির বিশেষ গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান চলবে।
১৯৭ দিন আগে
চোরাকারবারির সঙ্গে আঁতাত, ঝিকরগাছায় দুই পুলিশ কর্মকর্তা ক্লোজড
চোরাকারবারির সঙ্গে আঁতাতের অভিযোগে ঝিকরগাছা থানা পুলিশের একজন উপপরিদর্শক ও একজন সহকারী উপপরিদর্শককে ক্লোজড করা হয়েছে। বুধবার (২০ আগস্ট) রাতে যশোর পুলিশ লাইনে তাদের সংযুক্ত করা হয়।
অভিযুক্তরা হলেন- ঝিকরগাছা থানার উপপরিদর্শক রাজু ও সহকারী উপপরিদর্শক ওয়ালিদ।
এরআগে এসআই রাজু ও এএসআই ওয়ালিদের বিরুদ্ধে বহুবিধ অভিযোগ উঠেছিল। এমনকি তারা সাদা পোশাকে সীমান্তের বিভিন্ন এলাকা থেকে চোরাকারবারিদের কাছ থেকে অর্থনৈতিক সুবিধা নিতো।
পুলিশ জানায়, যশোরের ঝিকরগাছার নাভারণ পুরাতন বাজারের ইলেকট্রনিক্স ব্যবসায়ী চোরাকারবারি সাইফুল ইসলামের কাছ থেকে অনৈতিক সুবিধা নিয়ে চোরাই মোবাইলফোন আটকের পর ছেড়ে দেওয়ার অপরাধে এসআই রাজু ও এএসআই ওয়ালিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ নির্দেশ দেন।
গত ১৫ আগস্ট ঝিকরগাছার নাভারণ পুরাতন বাজারের ইলেকট্রনিক্স ব্যবসায়ী চোরাকারবারি সাইফুল ইসলামের দোকানে অভিযান চালায় শার্শা ও ঝিকরগাছা থানার পুলিশ। এসময় তার দোকানে তল্লাশি করে ৫৩টি ভারতীয় চোরাই মোবাইল ফোন উদ্ধার করে পুলিশ। স্থানীয় বিএনপি নেতা লেন্টু হাজীর মধ্যস্থতায় পুলিশ দুইটি মোবাইল ফোন নিয়ে সাইফুলকে ছেড়ে দেয় এবং উদ্ধার হওয়া মোবাইল ফোন ফিরিয়ে দিয়ে যায়। এ ব্যাপারে ঝিকরগাছা ও শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অভিযানের বিষয়টি সাংবাদিকদের কাছে অস্বীকার করেছিলেন।
পুলিশ সুপার বিষয়টি জানতে পেরে বিষয়টি দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। পরে গত রবিবার দুপুরে যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ‘ক’ সার্কেলের নেতৃত্বে ডিবি পুলিশ ঝিকরগাছার নাভারণ পুরাতন বাজারের সাইফুলের মোবাইলের দোকানে অভিযান চালায়। এসময় সাইফুল ইসলামকে আটক ও তার স্বীকারোক্তিতে বাড়ি থেকে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ৪৪টি ভারতীয় চোরাই মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
আটক সাইফুল ইসলামকে আদালতে হস্তান্তর করা হলে ভারতীয় চোরাই মোবাইলফোন বিক্রির কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন।
বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) দুপুরে এসআই রাজুর সঙ্গে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন, আমি ঢাকায় কোর্টে হাজিরা দিতে এসেছি। তবে ক্লোজড সম্পর্কে আমি কিছু জানি না।
যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( ক্রাইম অ্যাড অপারেশন) আবুল বাসার জানান, ভারতীয় চোরাই মোবাইলফোন আটকের পর ছেড়ে দেওয়ার অপরাধে দুই কর্মকর্তাকে ক্লোজড করে যশোর পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে।
১৯৭ দিন আগে