বাংলাদেশ
বগুড়া জেলা আইনজীবী সমিতি ভবন, ই-বেইল বন্ড সেবার উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
বগুড়ায় নবনির্মিত জেলা আইনজীবী সমিতি ভবনের ফলক উন্মোচন এবং বগুড়াসহ সাতটি জেলায় ‘ই-বেইল বন্ড’ (ই-জামিননামা) সেবা উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সোমবার (২০ এপ্রিল) বেলা সোয়া ১১টার দিকে আইনজীবী সমিতির নবনির্মিত বহুতল ভবন উদ্বোধন করেন তিনি। এরপর তিনি জেলা আদালত প্রাঙ্গণ থেকে বগুড়াসহ সাতটি জেলায় ডিজিটাল পদ্ধতিতে জামিননামা দাখিলের ‘ই-বেইল বন্ড’ ব্যবস্থার আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী গাড়ীবহর সকাল ১০টার দিকে বগুড়া সার্কিট হাউসে পৌঁছায়। প্রধানমন্ত্রী সকাল ৬টা ১০ মিনিটে তার স্ত্রী ডা. জোবায়দা রহমানসহ গুলশান অ্যাভিনিউয়ের বাসভবন থেকে সড়কপথে বগুড়ার উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন।
গত ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণের পর এটিই তার নিজ জেলা বগুড়ায় প্রথম সফর।
সফরসূচি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী এরপর বগুড়া পৌরসভা ভবনের একটি ফলক উন্মোচন করবেন। দুপুর পৌনে ১টার দিকে তিনি গাবতলীর বাগবাড়ী এলাকায় জিয়াউর রহমান গ্রাম হাসপাতালে জরুরি হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন।
বেলা ১টায় তিনি শহিদ জিয়া ডিগ্রি কলেজ মাঠে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করবেন এবং পরবর্তীতে নশিপুরে চৌকিরদহ খাল খনন কাজের উদ্বোধন করবেন। এরপর তিনি বাগবাড়ীতে অবস্থিত তার পৈতৃক নিবাস পরিদর্শন করবেন।
বিকেল ৪টায় আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠে জেলা বিএনপি আয়োজিত জনসভায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। জনসভা শেষে বগুড়া প্রেসক্লাব ভবন এবং বাইতুর রহমান সেন্ট্রাল মসজিদের পুনর্নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করবেন তিনি।
২২ মিনিট আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবারের মতো বগুড়ায় তারেক রহমান
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার নিজ জেলা বগুড়ায় পৌঁছেছেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই তার প্রথম বগুড়া সফর।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী গাড়ীবহর সোমবার (২০ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে বগুড়া সার্কিট হাউসে পৌঁছায়। এর আগে, সকাল ৬টা ১০ মিনিটে তিনি তার স্ত্রী ডা. জোবায়দা রহমানসহ গুলশান অ্যাভিনিউয়ের বাসভবন থেকে বগুড়ার উদ্দেশে রওনা হন।
রুমন জানান, বগুড়ায় প্রধানমন্ত্রীর আজ অত্যন্ত ব্যস্ত সময় কাটবে। তার কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ, হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন এবং একটি জনসভায় ভাষণ দেওয়া। এছাড়া তিনি গাবতলীর বাগবাড়ীতে তার পৈতৃক নিবাসও পরিদর্শন করবেন। দিনব্যাপী কর্মসূচি শেষে রাতেই তার সড়কপথে ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে।
গত ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বগুড়ায় এটিই তার প্রথম সফর। এই সফরকে কেন্দ্র করে দলীয় নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে সকাল ৯টা থেকেই বগুড়া শহরের বিভিন্ন ওয়ার্ডের মানুষ সড়কের দুই পাশে জড়ো হতে থাকেন।
সোনাতলা থেকে আসা আব্দুল হালিম নামের এক বৃদ্ধ বলেন, ‘তারেক রহমান বগুড়ার গর্ব। তিনি এখন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। তাকে দোয়া করার জন্য আমি রাস্তার পাশে দাঁড়িয়েছি। আল্লাহ তাকে দীর্ঘজীবী করুন।’
সোনাতলার আরেক বাসিন্দা সুজাউদ্দিন বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ছিলেন বগুড়ার সন্তান, আর এখন তার ছেলে তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী। এটি আমাদের জন্য বড় গর্বের বিষয়।’
বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি ও বগুড়া সদর আসনের সংসদ সদস্য রেজাউল করিম বাদশা বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বগুড়ার সন্তান, বগুড়াবাসীর নয়নের মনি, বাংলাদেশের নেতা। তিনি আগে বগুড়া এসেছেন অনেকবার। কিন্তু এবারে তার আগমন ভিন্ন মাত্রা রয়েছে। তিনি এবার দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বগুড়া এসেছেন।’
প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে বগুড়া শহরের বিভিন্ন সড়কে ব্যানার ও ফেস্টুন লাগানো হয়েছে।
সফরসূচি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী বেলা ১১টায় নবনির্মিত বগুড়া জেলা আইনজীবী সমিতি ভবনের ফলক উন্মোচন করেন। বেলা সোয়া ১১টার দিকে জেলা আদালতে ‘ই-বেইল বন্ড’ ব্যবস্থার উদ্বোধন করেন। এরপর বগুড়া পৌরসভা ভবনের ফলক উন্মোচন করবেন তিনি।
দুপুর পৌনে ১টার দিকে গাবতলীর বাগবাড়ী এলাকায় জিয়াউর রহমান গ্রাম হাসপাতালে জরুরি হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন তিনি। দুপুর ১টায় শহিদ জিয়া ডিগ্রি কলেজ মাঠে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ এবং পরবর্তীতে নশিপুরে চৌকিরদহ খাল খনন কাজের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর তিনি তার পৈতৃক নিবাস পরিদর্শন করবেন।
বিকেল ৪টায় আলতাফুন্নেসা খেলার মাঠে জেলা বিএনপি আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। জনসভা শেষে তিনি বগুড়া প্রেসক্লাব ভবন এবং বাইতুর রহমান সেন্ট্রাল মসজিদের পুনর্নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করবেন।
১ ঘণ্টা আগে
দেশব্যাপী হাম-রুবেলার টিকাদান কর্মসূচি শুরু
হাম-রুবেলার সংক্রমণ রোধে আনুষ্ঠানিকভাবে দেশব্যাপী জরুরি টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
সোমবার (২০ এপ্রিল) সকাল সোয়া ৮টার দিকে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার জিন্দা পার্কের লিটল অ্যাঞ্জেল সেমিনারিতে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তিনি।
এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো সারা দেশে ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ শিশুকে টিকা প্রদান করা।
এর আগে, গত ৫ এপ্রিল ১৮টি উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ জেলার ৩০টি উপজেলার ১২ লাখেরও বেশি শিশুকে (৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী) সুরক্ষা দিতে সরকার ইউনিসেফ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এবং গ্যাভির সহায়তায় জরুরি হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি শুরু করেছিল।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সকল বাবা-মা এবং অভিভাবকদের তাদের শিশুদের নিকটস্থ টিকাদান কেন্দ্রে নিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছে। বাংলাদেশের প্রতিটি শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষায় সরকার এবং সংশ্লিষ্ট অংশীদারদের সহযোগিতা করতে সংস্থাটি তাদের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে।
১ ঘণ্টা আগে
গৃহকর্মী নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করতে হাইকোর্টের রুল
১৯৬১ সালের গৃহকর্মী নিবন্ধন অধ্যাদেশ অনুসারে গৃহকর্মীদের জন্য ‘বাধ্যতামূলক নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা’ বাস্তবায়নে বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তা কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
একইসঙ্গে রিটে উল্লেখিত সুপারিশ অনুযায়ী ‘বাধ্যতামূলক নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা’ বাস্তবায়নের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, তাও জানতে চাওয়া হয়েছে রুলে। আইন সচিব, শ্রম এবং কর্মসংস্থার মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, শ্রম অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে চার সপ্তাহের মধ্যে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
রবিবার (১৯ এপ্রিল) এক রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রুল জারি করেন।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট তানজিম আল ইসলাম। তার সঙ্গে ছিলেন রিটকারী আইনজীবী খাদিজাতুল কোবরা ও আইনজীবী রওশন আরা।
এর আগে গত ১৩ জানুয়ারি হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রাজধানীসহ দেশের সব গৃহকর্মীর নাম নিবন্ধন করার নির্দেশনা চেয়ে রিট আবেদন করেন আইনজীবী খাদিজাতুল কোবরা।
পরে খাদিজাতুল কোবরা সাংবাদিকদের বলেন, গত বছর ৫ ডিসেম্বরে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের একটি বাসায় মা-মেয়েকে হত্যা করা হয়েছিল। সে সময় এই হত্যাকাণ্ড বেশ চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছিল। হত্যাকারী ছিলেন ওই বাসারই গৃহকর্মী। এই হত্যাকাণ্ড নিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর যুক্ত করে বিবাদীদের আইনি নোটিশ পাঠিয়েছিলাম। সেই নোটিশে ১৯৬১ সালের গৃহকর্মী নিবন্ধন অধ্যাদেশ অনুসারে গৃহকর্মীদের জন্য ‘বাধ্যতামূলক নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা’ বাস্তবায়নের অনুরোধ জানিয়েছিলাম। কিন্তু কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় পরে ৩১ জানুয়ারি হাইকোর্টে রিট আবেদন করি।
১৯৬১ সালের গৃহকর্মী নিবন্ধন অধ্যাদেশে রাজধানী ঢাকার নির্দিষ্ট কয়েকটি এলাকার কথা উল্লেখ রয়েছে। এলাকাগুলো হচ্ছে: ঢাকা কোতোয়ালী, সূত্রাপুর, লালবাগ, রমনা ও তেজগাঁও।
বিদ্যমান অধ্যাদেশ অনুসারে এসব এলাকার বাসাবাড়িতে কাজ করা গৃহকর্মীদের নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তবে সরকার গেজেট জারির মাধ্যমে অন্য এলাকাও অন্তর্ভুক্ত করতে পারবে বলে অধ্যাদেশে উল্লেখ রয়েছে।
১৭ ঘণ্টা আগে
সাংবাদিকদের অনলাইন ডেটাবেজ তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার: সংসদে তথ্যমন্ত্রী
সাংবাদিকতার মানোন্নয়ন, প্রকৃত সাংবাদিকদের মর্যাদা নিশ্চিতকরণ ও ভুয়া সাংবাদিকতা প্রতিরোধে সাংবাদিকদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণসহ অনলাইন ডাটাবেজ তৈরির পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।
রবিবার (১৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের বাগেরহাট-৪ আসনের বিরোধী দলীয় (জামায়াতে ইসলামী) সদস্য মো. আব্দুল আলীমের টেবিলে উত্থাপিত এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমান ডিজিটাল যুগে তথ্যপ্রবাহের বিস্তার ঘটলেও ভুয়া সংবাদ ও অপপ্রচার একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।
তিনি জানান, প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি)’র মাধ্যমে এআই প্রশিক্ষণ, ন্যারেটিভ তৈরি, তথ্যের বিষয়ে নীতি সহায়তা ও মাল্টিমিডিয়া সাংবাদিকতা বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। প্রতি মাসে ঢাকার বাইরে চারটি এবং ঢাকায় দুটি কর্মশালা বাস্তবায়নের কাজ চলমান রয়েছে। প্রতি মাসে ঢাকায় সাংবাদিক নেতাদের নিয়ে ন্যূনতম একটি করে এই কর্মশালার আয়োজন করা হবে।
মন্ত্রী বলেন, দেশের অভ্যন্তরে কর্মরত আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের সঙ্গে সুসম্পর্ক ও যোগাযোগ স্থাপন করা হয়েছে। ফ্যাক্ট চেকিং ও ভুয়া খবর নিয়ে বিভিন্ন ফ্যাক্ট চেকিং সংস্থা, মূলধারার সংবাদমাধ্যমসহ বিভিন্ন অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা সভা ও সেমিনার আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে।
ভুয়া সংবাদ ও অপপ্রচাররোধে বর্তমান সরকারের সময়ে তথ্য অধিদপ্তর থেকে ২২টি ফটোকার্ড ও গুজব প্রতিরোধ বিষয়ক ১০টি তথ্যবিবরণী বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক ও নিউজ পোর্টালে প্রকাশের জন্য পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি।
তিনি আরও জানান, প্রেস কাউন্সিল আইন অনুযায়ী কোনো সংবাদপত্র ও সংবাদ সংস্থার সাংবাদিক, সম্পাদক কর্তৃক সাংবাদিকতার নীতি-নৈতিকতা ও জনরুচি পরিপন্থী সংবাদ প্রচারের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক প্রেস কাউন্সিলে অভিযোগ দায়ের করার সুযোগ রয়েছে। সে অনুযায়ী প্রেস কাউন্সিলে দায়েরকৃত আটটি অভিযোগ বিচারাধীন রয়েছে।
সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, সাংবাদিকদের অপসাংবাদিকতা পরিহার করে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা চর্চায় উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল সম্প্রতি ঢাকাসহ দেশের ৩২টি জেলায় বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের অংশগ্রহণে গণমাধ্যমের অপসংবাদিকতা প্রতিরোধ ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজন করেছে। এছাড়া অবাধ তথ্যপ্রবাহের যুগে সাংবাদিকতার মানোন্নয়ন, প্রকৃত সাংবাদিকদের মর্যাদা নিশ্চিতকরণ ও ভুয়া সাংবাদিকতা প্রতিরোধে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল কর্তৃক সাংবাদিকদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণসহ অনলাইন ডাটাবেজ তৈরির পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
চাঁদপুর-২ আসনের সরকারদলীয় সংসদ সদস্য মো. জালাল উদ্দিনের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, বর্তমানে দেশে চারটি সরকারি টিভি চ্যানেল রয়েছে। ৫৫টি বেসরকারি টিভি চ্যানেলের অনুমোদন থাকলেও বর্তমানে ৩৭টি পূর্ণ সম্প্রচারে রয়েছে। নতুন কোনো টিভি চ্যানেলের অনুমোদন বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন নেই। ভবিষ্যতে নতুন কোনো আবেদন এলে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
১৮ ঘণ্টা আগে
দেশে মজুদ গ্যাস দিয়ে ১২ বছর চলবে: জ্বালানিমন্ত্রী
চলতি বছরের ১ জানুয়ারি পর্যন্ত দেশে অবশিষ্ট মজুদ গ্যাসের পরিমাণ ৭ দশমিক ৬৩ ট্রিলিয়ন ঘনফুট উল্লেখ করে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ জানিয়েছেন, তা ১২ বছর সরবরাহ করা সম্ভব হবে।
রবিবার (১৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ষোড়শ দিনের কার্যক্রমে বগুড়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. মোশারফ হোসেনের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
লিখিত প্রশ্নের জবাবে জ্বালানিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশে উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের মজুদ ২৯ দশমিক ৭৪ ট্রিলিয়ন ঘনফুট। এর মধ্যে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ২২ দশমিক ১১ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন করা হয়েছে। চলতি বছরের ১ জানুয়ারি পর্যন্ত অবশিষ্ট মজুদ গ্যাসের পরিমাণ ৭ দশমিক ৬৩ ট্রিলিয়ন ঘনফুট। নতুন কোনো গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত না হলে এবং বর্তমানে কমবেশি দৈনিক ১ হাজার ৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট হারে গ্যাস সরবরাহ করা হলে ওই অবশিষ্ট ৭ দশমিক ৬৩ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস আনুমানিক ১২ বছর সরবরাহ করা সম্ভব হবে।
নতুন গ্যাস অনুসন্ধানে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, পেট্রোবাংলা কর্তৃক ৫০ থেকে ১০০টি কূপ খনন ও ওয়ার্কওভার কর্মপরিকল্পনার আওতায় আজ পর্যন্ত ২৬টি কূপ খনন ও ওয়ার্কওভার কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। অবশিষ্ট কূপগুলো খনন এবং ওয়ার্কওভারের লক্ষ্যে কার্যক্রম বিভিন্ন পর্যায়ে চলমান।
তিনি আরও বলেন, বাপেক্স কর্তৃক সিসমিক সার্ভের আওতায় ব্লক-৭ ও ৯-এ প্রায় ৩৬০০ কিলোমিটারের ডেটা আহরণ করে উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের কাজ চলমান। বিজিএফসিএল কর্তৃক হবিগঞ্জ, বাখরাবাদ ও মেঘনার ১৪৫০ বর্গকিলোমিটার এলাকায় ৩ডি সিসমিক ডেটা আহরণের কার্যক্রম শুরু হবে। পাশাপাশি বাপেক্স কর্তৃক ভোলার চরফ্যাশনের ৬৬০ বর্গকিলোমিটার এলাকায়, জামালপুরে ৬৫০ বর্গকিলোমিটার, বিজিএফসিএল কর্তৃক তিতাস, হবিগঞ্জ এবং নরসিংদী-সংলগ্ন ৬৩২ বর্গকিলোমিটার এলাকায় এবং এসজিএফএল কর্তৃক লামিগাঁও, লালাবাজার, গোয়াইনঘাট, কৈলাশটিলা সাউথ এবং ফেঞ্চুগঞ্জ ওয়েস্ট স্ট্রাকচারে ৮৮২ বর্গকিলোমিটার এলাকায় ৩ডি সিসমিক জরিপ সম্পাদনের নিমিত্তে পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
১৮ ঘণ্টা আগে
প্রবাসীদের মেধা ও শ্রমে শক্তিশালী হচ্ছে দেশের অর্থনীতি: তথ্যমন্ত্রী
প্রবাসী বাংলাদেশিরা দেশের জন্য অমূল্য সম্পদ উল্লেখ করে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, তাদের জ্ঞান, মেধা, প্রজ্ঞা ও পরিশ্রম দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করছে। তিনি ভবিষ্যতেও দেশের উন্নয়নে অবদান রাখতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
রবিবার (১৯ এপ্রিল) মন্ত্রণালয়ে নিজ দপ্তরে ইংল্যান্ডের ম্যানচেস্টারের টেমসাইড কাউন্সিলের সিভিক মেয়র কাউন্সিলর শিবলি আলমের সঙ্গে সাক্ষাকালে এসব কথা বলেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, ইংল্যান্ড গণতন্ত্রের সূতিকাগার। দীর্ঘদিন ধরে সেখানে বসবাসরত বাংলাদেশিরা শুধু অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেই নয়, বরং দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায়ও ইতিবাচক ভূমিকা রেখে চলেছেন।
সাক্ষাৎকালে কাউন্সিলর শিবলি আলম বাংলাদেশে নারীর ক্ষমতায়নের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, অর্থনৈতিক উন্নয়নসহ সমাজ ও রাষ্ট্রের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশের নারীরা ভবিষ্যতে আরও এগিয়ে যাবে। বাংলাদেশি নারীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন তিনি।
এ সময় উভয়পক্ষ বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে সম্পর্ক আরও জোরদার করার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
১৯ ঘণ্টা আগে
১৮ দিনের ব্যবধানে আবারও বাড়ল এলপি গ্যাসের দাম
এক মাসেই দ্বিতীয়বারের মতো বাড়ল ভোক্তাপর্যায়ে বেসরকারি খাতের তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম। ভোক্তা পর্যায়ে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৯৪০ টাকা। মাত্র ১৮ দিনের মধ্যে এটি দ্বিতীয় দফা মূল্যবৃদ্ধি।
রবিবার (১৯ এপ্রিল) এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম বাড়ানোর বিষয়টি জানিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। নতুন দর আজ সন্ধ্যা থেকেই কার্যকর হবে।
বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, ভোক্তাপর্যায়ে ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারে ২১২ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হলো ১ হাজার ৯৪০ টাকা।
এর আগে, সবশেষ গত ২ এপ্রিল চলতি মাসের জন্য ভোক্তা পর্যায়ে এলপিজির দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। ওইদিন ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডার ১ হাজার ৩৪১ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার ৭২৮ টাকা করা হয়েছিল। এ হিসাবে ২ এপ্রিলের পর মাত্র ১৮ দিনের ব্যবধানে দুই দফায় ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারে দাম বাড়ল ৫৯৯ টাকা। অর্থাৎ, গত ১ এপ্রিল ১২ কেজির যে সিলিন্ডারটি ১৩৪১ টাকায় কেনা যেত, আজ থেকে সেটি কিনতে ভোক্তাকে গুনতে হবে ১ হাজার ৯৪০ টাকা।
ভোক্তাপর্যায়ে বিইআরসি ঘোষিত নতুন দামে বিভিন্ন ওজনের এলপিজি সিলিন্ডারের দামও সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে সাড়ে ৫ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৮৮৯ টাকা, সাড়ে ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম ২ হাজার ২১ টাকা, ১৫ কেজির সিলিন্ডারের দাম ২ হাজার ৪২৫ টাকা, ১৬ কেজির সিলিন্ডারের দাম ২ হাজার ৫৮৭ টাকা, ১৮ কেজির সিলিন্ডারের দাম ২ হাজার ৯১০ টাকা, ২০ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৩ হাজার ২৩৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
পাশাপাশি ২২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৩ হাজার ৫৫৭ টাকা, ২৫ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৪ হাজার ৪২ টাকা, ৩০ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৪ হাজার ৮৫০ টাকা, ৩৩ কেজির সিলিন্ডারের দাম ৫ হাজার ৩৩৫ টাকা, ৩৫ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৫ হাজার ৬৫৮ টাকা ও ৪৫ কেজি সিলিন্ডারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ হাজার ২৭৫ টাকা।
নতুন নির্ধারিত দামে সরকারি কোম্পানির সরবরাহ করা এলপিজির সাড়ে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৮২৫ টাকা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। অন্যদিকে, গাড়িতে ব্যবহৃত এলপিজির (অটো গ্যাস) দাম প্রতি লিটার ৭৯ টাকা ৭৭ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৮৯ টাকা ৫০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিইআরসি জানিয়েছে, এলপিজি আমদানির জাহাজভাড়া ও ট্রেড্রারের প্রিমিয়াম চার্জ এবং ডিজেলের মূল্য পরিবর্তন বিবেচনায় ভোক্তাপর্যায়ে বেসরকারি এলপিজি ও অটোগ্যাসের মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে।
১৯ ঘণ্টা আগে
সচিব পদমর্যাদায় তিন কর্মকর্তাকে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ
সচিব পদমর্যাদায় এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর মহাপরিচালক, ভূমি আপিল বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং ওয়াকফ প্রশাসক পদে তিনজন কর্মকর্তাকে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়েছে সরকার।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) সাবেক এ আমলাদের এক বছরের জন্য নিয়োগ দিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে তিনটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
নিয়োগপ্রাপ্তরা হলেন— এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর মহাপরিচালক ড. মোহাম্মদ জকরিয়া, বাংলাদেশ ওয়াকফ প্রশাসকের কার্যালয়ের ওয়াকফ প্রশাসক সাফিজ উদ্দিন আহমেদ এবং ভূমি আপিল বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. আব্দুল্লাহ আল বাকী।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ‘সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮’-এর ৪৯ ধারা অনুযায়ী এ কর্মকর্তাদের অন্য যেকোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা-সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে যোগদানের তারিখ থেকে এক বছর মেয়াদে এসব পদে সচিব পদমর্যাদায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হলো।
এই নিয়োগের অন্যান্য শর্ত চুক্তিপত্র দিয়ে নির্ধারিত হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।
১৯ ঘণ্টা আগে
জ্বালানি তেলের দাম বাড়াতে বাধ্য হয়েছি: জ্বালানিমন্ত্রী
সরকার জ্বালানি তেলের দাম বাড়াতে বাধ্য হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।
রবিবার (১৯ এপ্রিল) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
জ্বালানি তেলের দাম ১৫ থেকে ২০ টাকা বাড়ানো হলো, এতে কতটা নেতিবাচক প্রভাব পড়বে—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, সারা বিশ্ব তেলের দাম সমন্বয় করেছে। এমনকি আমেরিকাও ৫ ডলার বাড়িয়ে দিয়েছে। সেখানে আমরা বাংলাদেশে এই যে যুদ্ধ লাগার পর থেকে আমদানি করে যে স্টক (মজুদ) তৈরি করেছি, তার যে দাম পড়েছে, সে দামের থেকে নিচেই আমরা এখন দাম সমন্বয় করছি।
জ্বালানির দাম বাড়ানোর বিষয়ে তিনি বলেন, এটি করতে বাধ্য হয়েছি আমরা, কারণ এটি বৈদেশিক মুদ্রা দিয়ে কিনতে হয়। সেটি কিছু বাড়িয়ে আমরা যাতে সহনীয় পর্যায়ে থাকতে পারি, সেই ব্যবস্থা করেছি।
দাম বাড়ানোর পর এখনও কত ভর্তুকি দিতে হচ্ছে—জানতে চাইলে জ্বালানিমন্ত্রী বলেন, ভর্তুকি এখনও আছে। আপনি যদি সঠিক হিসাব চান, তাহলে আমার মন্ত্রণালয়ে গিয়ে বসে ওখান থেকে হিসাব নিয়ে আসুন।
জীবনযাত্রায় জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির সার্বিক প্রভাবটা কেমন হতে পারে—এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, দাম বাড়া মানেই বিরূপ প্রভাব পড়া। এই যুদ্ধে শুধু বাংলাদেশ নয়, সারা পৃথিবীর প্রতি দেশের মানুষের ওপর প্রভাব পড়েছে। আমাদের ওপরও সেই প্রভাব আছে।
এপ্রিলে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াবেন না বলে সরকারের পক্ষ থেকে ঘোষণা করার পরও দাম কেন বাড়ানো হলো—জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, ‘বলেছিলাম তো! সেটাই তো বললাম—বাধ্য হয়েছি আমরা এখন।’
১৯ ঘণ্টা আগে