বাংলাদেশ
প্রধানমন্ত্রীর ১০ উপদেষ্টার কে কোন দায়িত্ব পেলেন
প্রধানমন্ত্রীর মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায় ১০ জন উপদেষ্টার মধ্যে দপ্তর বণ্টন করেছে সরকার।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দপ্তর বণ্টন করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, মন্ত্রী পদমর্যাদার পাঁচ জন উপদেষ্টার মধ্যে তিন জনকে রাজনৈতিক উপদেষ্টার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তারা হলেন— মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ, নজরুল ইসলাম খান ও রুহুল কবীর রিজভী আহমেদ।
মন্ত্রী পদমর্যাদার উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ জনপ্রশাসন ও রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন।
প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদার পাঁচজন উপদেষ্টাকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও ক্ষেত্রে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। হুমায়ুন কবিরকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়; প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অব.) শামসুল ইসলামকে; ডা. জাহেদ উর রহমানকে পলিসি ও স্ট্রাটেজি; মাহদী আমিনকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়; টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে রেহান আসিফ আসাদকে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে জয়লাভ করে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি বিকেলে সরকার গঠন করে বিএনপি। ৫০ সদস্যবিশিষ্ট মন্ত্রিসভায় ২৫ জন মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন।
এর মাধ্যমে ২০ বছর পর চতুর্থবারের মতো সরকার গঠন করেছে বিএনপি। প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হলেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
ওইদিনই মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী মর্যাদায় ১০ জনকে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা নিয়োগ দেওয়া হয়।
১০ দিন আগে
ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধন ১০ মার্চ, কার্ডধারী পরিবার পাবে ২৫০০ টাকা
আগামী ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের পরীক্ষামূলক কার্যক্রম প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করবেন বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী আবু জাফর মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন।
প্রাথমিকভাবে ১৪টি উপজেলায় প্রত্যেকটিতে একটি ইউনিয়নের একটি ওয়ার্ডের হতদরিদ্র, দরিদ্র ও নিম্নবিত্ত নারীরা ফ্যামিলি কার্ড পাবেন। এ কার্ডের আওতায় প্রত্যেক পরিবারকে আড়াই হাজার টাকা করে দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন মন্ত্রী।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মন্ত্রী জাহিদ হোসেন বলেন, ‘মন্ত্রিসভা কমিটির সুপারিশের আলোকে আজ প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ফ্যামিলি কার্ড বিষয়ে পাইলটিংয়ের একটা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়েছে। আমরা আগামী ১০ মার্চ ইনশাআল্লাহ প্রধানমন্ত্রী পাইলটিংয়ের যে কার্যক্রম অর্থাৎ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের, সেটি উদ্বোধন করবেন। আমরা এই মুহূর্তে বাংলাদেশের ১৪টি উপজেলাকে চুজ (নির্বাচন) করেছি বাংলাদেশের বিভিন্ন বিভাগ হিসাব করে। সেই ১৪টি জেলা উপজেলার মধ্যে থেকে একটা ইউনিয়নের একটা ওয়ার্ডকে আমরা ইউনিভার্সালি (সর্বজনীনভাবে) ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে। সেটার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী, আগামী ১০ মার্চ ঈদুল ফিতরের আগে ইনশাআল্লাহ।’
তিনি বলেন, ওইদিন একযোগে ১৪টি উপজেলার এ কার্যক্রমের সূচনা করা হবে এবং এটি চলতে থাকবে। এই কার্যক্রম ধীরে ধীরে সারা বাংলাদেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে। এটার মাধ্যমে দেশের হতদরিদ্র, দরিদ্র এবং নিম্নবিত্ত—এই তিন শ্রেণির পরিবারের মধ্যে যেসব পরিবারে মায়েরা প্রধান, তারা এই সুবিধা পাবেন। আমরা মনে করি, এর মাধ্যমে নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারীকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলা সম্ভব হবে। এতে করে আগামী প্রজন্ম স্বাবলম্বী হবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।
মন্ত্রী বলেন, এটি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের অন্যতম নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি। আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দীর্ঘদিন যাবৎ এটার ওপর কাজ করেছেন এবং আজকে উনার সভাপতিত্বে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী, উপদেষ্টা ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এটি অনুমোদিত হয়েছে।
জাহিদ হোসেন বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে প্রতি মাসে আড়াই হাজার টাকা করে উনাদের (সুবিধাভোগী পরিবার) আর্থিকভাবে সহযোগিতা দেওয়া হবে। এতে কোনো ধরনের রাজনৈতিক বা ধর্মীয় বৈষম্য হবে না। এটা সবার জন্য প্রযোজ্য হবে।
তিনি বলেন, আমরা আশা করছি, আগামী চার মাসের মধ্যে পাইলটিংয়ের (পরীক্ষামূলক) কার্যক্রম সম্পন্ন হবে। পরবর্তী সময়ে সারা বাংলাদেশে আরও ব্যাপকভাবে প্রতিটি উপজেলা এটার আওতায় আসবে। প্রথমেই পুরো উপজেলা দেওয়া যাবে না। হয়তো প্রথমে একটি ওয়ার্ড, তারপর একটি ইউনিয়ন, তারপর আরেকটি ইউনিয়ন—এভাবে আমরা ধীরে ধীরে এটিকে বিস্তৃত করব।
প্রাথমিকভাবে কতজন নারী এটা পাচ্ছেন জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, কয়জন হিসাবে না। একটি ওয়ার্ডে যে কয়জন পাওয়ার উপযুক্ত, ওই কয়জনই পাবেন।
বাছাই প্রক্রিয়ার বিষয়ে জাহিদ হোসেন বলেন, বাছাই করা হচ্ছে না। দ্বারে দ্বারে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। কোনো অবস্থাতেই ঘরে বসে কোনো বাছাই হবে না। বাছাই হবে মাঠপর্যায়ে। কারও প্রতি বৈষম্য করা হবে না, কাউকে বাদ দেওয়া হবে না।
১১ দিন আগে
সরকারি কর্মচারীদের সময়মতো অফিসে উপস্থিত ও ত্যাগের নির্দেশ
সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নির্ধারিত সময়ে অফিসে উপস্থিত হওয়া এবং অফিস ত্যাগ করার নির্দেশনা দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব অথবা সচিব, বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসককে এ নির্দেশনা-সম্বলিত চিঠি পাঠানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, ‘সরকারি কর্মচারী (নিয়মিত উপস্থিতি) বিধিমালা, ২০১৯’ এবং ‘সচিবালয় নির্দেশমালা, ২০২৪’-এর নির্দেশ মোতাবেক সব সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ও কর্মচারীর নির্ধারিত সময় অনুযায়ী অফিসে উপস্থিতি ও প্রস্থানের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং অধীন দপ্তর কিংবা সংস্থাকে এ বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়ে চিঠিতে বলা হয়, মাঠ পর্যায়ের সকল অফিসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সাপ্তাহিক বা অন্যান্য ছুটির দিনে নিজ নিজ কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে কর্মস্থল ত্যাগ করতে হবে।
১১ দিন আগে
বিডিআর বিদ্রোহে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন রাষ্ট্রপতি
বিডিআর (বর্তমান বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ) বিদ্রোহে শহিদদের কবরে শ্রদ্ধা জানাবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বনানী সামরিক কবরস্থানে তিনি পুষ্পস্তবক অর্পন করে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন।
এ বিষয়ে আজ (সোমবার) রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের প্রটোকল উইং থেকে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাতীয় সেনা শহিদ দিবস উপলক্ষে সকাল ১০টায় রাষ্ট্রপতি পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন।
বিডিআর সদস্যদের আত্মত্যাগের প্রতি রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ও সম্মানের সঙ্গে শ্রদ্ধা জানাতে এই কর্মসূচি আয়োজন করা হবে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী, জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে কর্মসূচি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
১১ দিন আগে
অফিসে আসা-যাওয়ায় অনিয়ম করলে পড়তে হবে শাস্তির মুখে
অফিস করার ক্ষেত্রে অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ। সকাল ৯টার মধ্যে অফিসে উপস্থিত না হলে বা সময়ের আগে বিনা অনুমতিতে অফিস ত্যাগ করলে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শাস্তির মুখে পড়তে হবে।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ‘সরকারি কর্মচারী (নিয়মিত উপস্থিতি) বিধিমালা, ২০১৯’ অনুযায়ী বিনা অনুমতিতে কর্মে অনুপস্থিতি, অফিস ত্যাগ এবং বিলম্বে অফিসে উপস্থিতিকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করে অফিস আদেশ জারি করেছে আইন ও বিচার বিভাগ।
অফিস আদেশে বলা হয়, সব কর্মকর্তা-কর্মচারীকে কর্মদিবসে সকাল ৯টার মধ্যে নিজ নিজ দপ্তরে উপস্থিত থাকতে হবে। অফিস সময় শেষ হওয়ার আগে কেউ দপ্তর ত্যাগ করতে পারবে না। রমজান মাসে বিকেল সাড়ে ৩টার আগে এবং রমজান পরবর্তী সময়ে বিকেল ৫টার আগে অফিস ত্যাগ নিষিদ্ধ থাকবে।
দাপ্তরিক বা জরুরি প্রয়োজনে অফিস ত্যাগ করতে হলে সংশ্লিষ্ট অনুবিভাগের প্রধানের (যুগ্ম সচিব/সলিসিটর) অনুমতি নিতে হবে। একইসঙ্গে, ‘সরকারি কর্মচারী (নিয়মিত উপস্থিতি) বিধিমালা, ২০১৯’ অনুযায়ী নির্ধারিত অফিস ত্যাগের রেজিস্ট্রারে এন্ট্রি এবং ডিজিটাল হাজিরা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
নির্দেশনায় আরও বলা হয়, এসব নিয়ম লঙ্ঘন করলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে ‘সরকারি কর্মচারী (নিয়মিত উপস্থিতি) বিধিমালা’ এবং ‘সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮’ অনুযায়ী শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
১১ দিন আগে
সমস্যার সম্মানজনক সমাধান, সবার সঙ্গে পারস্পরিক লাভজনক সম্পর্ক চায় ঢাকা
নতুন সরকারের প্রতি বিদেশিদের গভীর আস্থা রয়েছে। তারা সকলেই আমাদের সঙ্গে কাজ করতে গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এ কথা বলেন।
এদিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান ও প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে বৈঠক করেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসন এবং বাংলাদেশে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূতরা।
বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ড. খলিলুর রহমান বলেন, গতকাল থেকে আমাদের দেশের বিদেশে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূতদের সঙ্গে আমরা বৈঠক শুরু করেছি। আমরা তাদের কাছে আমাদের সরকারের বৈদেশিক নীতির আউটলাইন তুলে ধরেছি। আমাদের লক্ষ্য হলো, বাংলাদেশ ফার্স্ট; সবার ওপরে থাকবে বাংলাদেশ।
তিনি বলেন, আমরা স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করব, পরস্পরের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করব না এবং আমাদের নীতিমালা হবে পারস্পরিক স্বার্থ ও জাতীয় মর্যাদার ওপর ভিত্তি করে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা প্রতিটি দেশের সঙ্গে পারস্পরিক লাভজনক সম্পর্ক গড়ে তুলতে চাই। এখন পর্যন্ত সৌদি আরব, চীন, ভারত, পাকিস্তান, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূতদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি। আমি লক্ষ্য করেছি, তারা আমাদের সরকারের প্রতি গভীর আস্থা এবং আমাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার প্রবল ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।
তিনি বলেন, আশা করি, আমাদের অঞ্চলের এবং বিশ্বের অন্যান্য বন্ধু রাষ্ট্রের সঙ্গে আমরা গভীর সম্পর্ক স্থাপন করতে সক্ষম হব।
খলিলুর রহমান বলেন, আমরা স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করব, কিন্তু বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখব। আমাদের সব ইস্যু আমরা পারস্পরিক মর্যাদার ভিত্তিতে সম্মানজনকভাবে সমাধান করব। আগামী দিনে আমরা অত্যন্ত গতিশীল বৈদেশিক নীতি পরিচালনা করতে পারব।
তিনি আরও বলেন, এখন পর্যন্ত আমরা সৌজন্যমূলক ও বন্ধুত্বপূর্ণ বৈঠক করেছি। ভবিষ্যতে আমরা নির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে আলাপ করব, এজন্য কিছুটা সময় প্রয়োজন।
এ সময় অবিবেচনাপ্রসূত বা বিভ্রান্তিকর বক্তব্য আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে উল্লেখ করে তিনি গুজব এড়িয়ে চলতে এবং বস্তুনিষ্ঠতা বজায় রাখতে সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান।
১১ দিন আগে
দেশজুড়ে পরিত্যক্ত গভীর নলকূপ ভরাটের নির্দেশ হাইকোর্টের
দুর্ঘটনা রোধে সারাদেশের সকল পরিত্যক্ত গভীর নলকূপ তিন মাসের মধ্যে ভরাটের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। স্থানীয় সরকার সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের এ নির্দেশ বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে।
জনস্বার্থে করা এক রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ মনির উদ্দিন।
এর আগে, দেশের বিভিন্ন জায়গায় পরিত্যক্ত গভীর নলকূপে পড়ে শিশুদের মৃত্যুর ঘটনা-সংক্রান্ত প্রতিবেদন সংযুক্ত করে হাইকোর্টে রিট করা হয়। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ মনির উদ্দিন জনস্বার্থে এ রিট করেন।
অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ মনির উদ্দিন বলেন, ২০১৪ সালে শাহজাহানপুরের রেলওয়ে কলোনিতে পরিত্যক্ত গভীর নলকূপে পড়ে শিশু জিহাদের মৃত্যুর ঘটনা দেশবাসীকে নাড়িয়ে দিয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে রাজশাহীর তানোরে পরিত্যক্ত গভীর নলকূপে পড়ে শিশু সাজিদের মৃত্যু হয়। সবশেষ চলতি বছরের ২৮ জানুয়ারি চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলায় পরিত্যক্ত গভীর নলকূপে পড়ে শিশু মিসবাহর মৃত্যু হয়।
তিনি বলেন, এসব ঘটনা সংযুক্ত করে হাইকোর্টে রিট করেছিলাম। রিটের শুনানি নিয়ে আদালত তিন মাসের মধ্যে সব পরিত্যক্ত নলকূপ ভরাট করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।
১২ দিন আগে
ফ্যামিলি কার্ডের মতো কৃষি কার্ড বিতরণ শুরু হবে শিগগিরই: তথ্যমন্ত্রী
কৃষককে নানা সুবিধার আওতায় আনতে শিগগিরই ফ্যামিলি কার্ডের মত কৃষি কার্ড বিতরণ শুরু হবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে কৃষক কার্ড নিয়ে বৈঠকের পর তিনি এ কথা জানান। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘মূলত আমাদের কৃষকদের একটা স্মার্ট কার্ড দেওয়া এবং স্মার্ট কার্ড দেওয়ার ক্ষেত্রে একটি ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে আমরা আলাপ করছি। নীতিগতভাবে এটা আমাদের বহু আগেই সিদ্ধান্ত হয়েছে। তা বাস্তবায়নের জন্য আজ (সোমবার) মাননীয় প্রধানমন্ত্রী প্রথম বৈঠক করছেন। ইনশাআল্লাহ, যত দ্রুত সম্ভব আমরা ফ্যামিলি কার্ডের মতোই কৃষক কার্ডের পাইলট প্রজেক্ট শুরু করতে যাচ্ছি।’
ঈদের আগে কি কৃষক কার্ড বিতরণ শুরু করার বিষয়ে তিনি বলেন, সময়টা এই মুহূর্তে বলা যাচ্ছে না। কারণ সময়ের সঙ্গে তো প্রস্তুতির অনেক বিষয় জড়িত। তবে আমাদের প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ এবং তার পরামর্শ হচ্ছে, যত দ্রুত সম্ভব এটা করতে হবে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সকলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে দ্রুত কীভাবে তা করা যায়।
এই কার্ড পেলে একজন কৃষক কী সুবিধা পাবেন— এ বিষয়ে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, এই কার্ডটা পেলে একজন কৃষকের উৎপাদনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা তিনি পাবেন। যেমন: তার কৃষিজ্ঞান, কৃষি যন্ত্রপাতি সহজলভ্য করা, সার, কীটনাশক, বীজ, অল কৃষি উপকরণসহ যেকোনো ধরনের সহযোগিতা তাকে করা। সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে, এই কার্ডের মাধ্যমে একটা স্মার্ট পদ্ধতিতে বাজারের পরিস্থিতি, উৎপাদনের পরিস্থিতি, আবহাওয়ার পরিস্থিতি—সবটাই কিন্তু তখন একটা ধারণার মধ্যে আসবে। যে ধারণার ওপরে ভর করে আমরা একটা সঠিক পরিকল্পনা করতে পারব।
এটা কি প্রকৃত কৃষকরা পাবে না কি এলাকার মেম্বার বা যারা প্রভাবশালী তারা নিয়ে নিবে—এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে মন্ত্রী বলেন, ‘না, কৃষক কার্ড দেওয়ার ক্ষেত্রে তো আমরা প্রথমেই এ জন্যই মধ্যস্বত্বভোগীরা যাতে কোনো সুযোগ-সুবিধা না নিতে পারেন বা যাতে কোনো লিকেজ না হয়, সে কারণেই কিন্তু আমরা স্মার্ট কৃষক কার্ডের দিকে যাচ্ছি।’
তথ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা যারা মোবাইল ফোন ব্যবহার করি, একজন সিম ক্রেতা সরাসরি কিন্তু তার সব ধরনের সেবা ব্যাংকের থেকে পাচ্ছেন। অতএব একজন কৃষকের হাতে যখন আমি স্মার্ট কার্ড পৌঁছে দেব, এরপরে কিন্তু রাষ্ট্রের সঙ্গে তার যোগাযোগটা হবে সরাসরি। কোনো মধ্যস্বত্বভোগী থাকবে না এবং তারও যেকোনো সমস্যা কিন্তু সরাসরি রাষ্ট্র জানতে পারছে। ফলে পরিকল্পনার ক্ষেত্রে আমাদের কিন্তু তখন সহজ হবে।
১২ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
তিনি বলেন, চীনের রাষ্ট্রদূত প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের জন্য তাকে অভিনন্দন জানান এবং ফুলের তোড়া উপহার দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।
এ সময় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরও উপস্থিত ছিলেন।
পরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে ‘কৃষক কার্ড’ চালু সংক্রান্ত এক সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী।
১২ দিন আগে
কৃষকদের সরাসরি সরকারি সেবা পৌঁছে দেওয়ার তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর
প্রকৃত কৃষকদের শনাক্তকরণ এবং সরাসরি সরকারি সেবা পৌঁছে দেওয়ার তাগিদ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি কৃষি। তাই কৃষকদের জীবনমান উন্নয়নে প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলনকক্ষে ‘কৃষক কার্ড’ চালু সংক্রান্ত এক সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমিয়ে কৃষকরা যাতে ন্যায্য পাওনা ও সরকারি ভর্তুকি সহজে পান, তা নিশ্চিত করতেই এই স্মার্ট কার্ড ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে।
সভায় দেশের প্রান্তিক কৃষকদের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো এবং কৃষি প্রণোদনা বিতরণ প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ ও আধুনিক করার লক্ষ্যে কৃষক কার্ড চালুর বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
এ সময় কৃষক কার্ডের কারিগরি দিক, বিতরণ পদ্ধতি এবং ডাটাবেজ তৈরির অগ্রগতি অবহিত করা হলে প্রধানমন্ত্রী দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই কার্যক্রম মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়নের দিক-নির্দেশনা দেন।
সভায় মন্ত্রিসভার সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
১২ দিন আগে