বাংলাদেশ
জ্বালানি তেলের দাম কমল লিটারে ২ টাকা, আজ থেকে কার্যকর
বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য হ্রাস-বৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে দেশের বাজারে সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম কমিয়েছে সরকার। এতে ভোক্তাপর্যায়ে ডিজেল, অকটেন, পেট্রোল ও কেরোসিনের দাম লিটারপ্রতি ২ টাকা করে কমানো হয়েছে।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) রাতে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, প্রতি লিটার অকটেনের দাম ১২২ টাকা থেকে কমিয়ে ১২০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। পেট্রোল প্রতি লিটার ১১৮ টাকা থেকে কমে হয়েছে ১১৬ টাকা। ডিজেল প্রতি লিটার ১০২ টাকা থেকে কমিয়ে ১০০ টাকা এবং কেরোসিন ১১৪ টাকা থেকে কমিয়ে ১১২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সব ক্ষেত্রেই লিটারপ্রতি ২ টাকা করে দাম কমানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংশোধিত প্রাইসিং ফর্মুলার আলোকে ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য আন্তর্জাতিক বাজারের সাম্প্রতিক মূল্য বিবেচনায় এই দাম সমন্বয় করা হয়েছে। নতুন এই দাম ১ ফেব্রুয়ারি (রবিবার) থেকে সারা দেশে কার্যকর হবে।
৩৪ দিন আগে
আজ থেকে ৯ মাসের জন্য বন্ধ হচ্ছে সেন্টমার্টিনের দ্বার
আজ (১ ফেব্রয়ারি) থেকে পর্যটকদের জন্য বন্ধ হয়ে যাচ্ছে সেন্টমার্টিনের দ্বার। তাই সেন্টমার্টিনে থাকা পর্যটকরা ফিরে যাচ্ছেন নিজের ঠিকানায়।
নভেম্বর থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত সেন্টমাটিনের দ্বার ৩ মাসের জন্য উন্মুক্ত করা হলেও মাত্র দুই মাস পর্যটকদের সেন্টমাটিনে রাত্রিযাপনের সুযোগ ছিল। দৈনিক দুই হাজারের বেশি পর্যটক যেতে দেওয়া হয়নি। নিবন্ধন ছাড়াও যেতে পারেনি কেউ।
এসব বিধি-নিষেধের কারণে পর্যটন ব্যবসায় এবার ধ্বস নেমেছে। এতে ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে বলে জানান স্থানীয় পর্যটন ব্যবসায়ী দেলোয়ার হোসেন।
পরিবেশ সুরক্ষার স্বার্থে দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনে টানা নয় মাসের জন্য পর্যটন কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেছে সরকার। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শনিবার (৩১ জানুয়ারি) চলতি মৌসুমের পর্যটন কার্যক্রম শেষ হয়েছে। ফলে রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) থেকে দ্বীপে পর্যটকবাহী কোনো জাহাজ চলাচল করবে না।
সাধারণত প্রতি বছর ১ অক্টোবর থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত সেন্টমার্টিনে পর্যটক যাতায়াতের অনুমতি থাকলেও, চলতি বছর পরিবেশগত ঝুঁকি বিবেচনায় সময়সীমা কমিয়ে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়।
কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ইমরান হোসাইন সজিব জানান, শনিবারই শেষবারের মতো সেন্টমার্টিনগামী জাহাজগুলো পর্যটকদের নিয়ে দ্বীপে যাবে। রবিবার থেকে পর্যটকবাহী কোনো জাহাজ চলাচলের অনুমতি থাকবে না। তবে সরকার পরবর্তী সময়ে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, সেন্টমার্টিনে রাতে সৈকতে আলো জ্বালানো, উচ্চ শব্দে গান বাজানো ও বারবিকিউ পার্টি আয়োজন নিষিদ্ধ ছিল। একইসঙ্গে কেয়াবনে প্রবেশ এবং কেয়া ফল সংগ্রহ ও বিক্রি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়।
এছাড়া সামুদ্রিক কাছিম, পাখি, প্রবাল, রাজকাঁকড়া, শামুক-ঝিনুকসহ কোনো জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি করা যাবে না—এমন কঠোর নির্দেশনাও ছিল। সৈকতে মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরচালিত যান চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়। পলিথিনসহ একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক বহনে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয় এবং পর্যটকদের নিজস্ব পানির ফ্লাস্ক সঙ্গে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল।
প্রশাসনের মতে, দীর্ঘ সময় পর্যটক না থাকলে প্রবাল, সামুদ্রিক কাছিম, পাখি ও অন্যান্য সামুদ্রিক প্রাণির প্রাকৃতিক আবাস পুনরুদ্ধারের সুযোগ পাবে। অতিরিক্ত পর্যটক চাপ ও অনিয়ন্ত্রিত কর্মকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত জীববৈচিত্র্যকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতেই এই দীর্ঘমেয়াদি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের লক্ষ্যে নেওয়া এই পদক্ষেপ সেন্টমার্টিন দ্বীপের পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছে প্রশাসন।
এদিকে আশা নিয়ে সেন্টমাটিনে পর্যটন খাতে ব্যবসায়ীরা বিনিয়োগ করেছেন। কিন্তু ৩ মাস পর পর্যটন ব্যবসা বন্ধ হয়ে গেছে। বছরে ৫ মাস সেন্টমার্টিন খুলে দেওয়া ও পর্যাপ্ত পর্যটক যাতায়াতের সুযোগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ী ও স্থানীয়রা।
৩৪ দিন আগে
নির্বাচনি দায়িত্ব পালনে মারণাস্ত্র ব্যবহার করবে না বিজিবি
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট চলাকালে দায়িত্ব পালনের সময় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যদের মারণাস্ত্র ব্যবহার না করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তবে পরিস্থিতির প্রয়োজনে সব ধরনের আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
বিজিবি সদর দপ্তর সূত্র জানায়, নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দেশব্যাপী ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এ সময় দেশের ৪ হাজার ৪২৭ কিলোমিটার সীমান্ত সম্পূর্ণ সুরক্ষিত রেখেই সারা দেশে ৩৭ হাজারেরও বেশি বিজিবি সদস্য মোতায়েন থাকবে। ভোটাররা যেন নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন পরিবেশে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন—সে লক্ষ্যেই এই মোতায়েন।
সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, দেশের ৪৯৫টি উপজেলার মধ্যে ৪৮৯টি উপজেলায় নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করবে বিজিবি। পাশাপাশি সীমান্তবর্তী ৬১টি উপজেলায় এককভাবে নির্বাচনি দায়িত্বে থাকবে এই বাহিনী। ঝুঁকি বিবেচনায় দেশের সব ৩০০ সংসদীয় আসনে বিজিবি ভ্রাম্যমাণ ও স্থির বাহিনী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে। উপজেলাভেদে দুই থেকে চার প্লাটুন বিজিবি সদস্য মোতায়েন থাকবে।
নির্বাচনকালীন যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি দ্রুত মোকাবিলায় বিজিবির র্যাপিড অ্যাকশন টিম (র্যাট), হেলিকপ্টারসহ কুইক রেসপন্স ফোর্স এবং বিশেষায়িত কে–৯ ডগ স্কোয়াড ইউনিট প্রস্তুত থাকবে বলে জানিয়েছে বিজিবি।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) রাজধানীর মিরপুরে জাতীয় সুইমিং কমপ্লেক্সে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বিজিবির ঢাকা সেক্টর কমান্ডার কর্নেল এ এস এম আবুল এহসান বলেন, ‘বিজিবি মহাপরিচালকের স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে—নির্বাচনকালীন দায়িত্ব পালনের সময় মারণাস্ত্র ব্যবহার করা যাবে না।’
৩৫ দিন আগে
রাজধানীতে এক ব্যক্তির হাতবাঁধা ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
রাজধানীর রামপুরা থানা এলাকায় হাসান ভূঁইয়া (৪৩) নামে এক ব্যক্তির হাতবাঁধা ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় তার স্ত্রী মিলাকে (২৮) জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সকালে তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
নিহত হাসানের বড় ভাই নাসির ভূইয়ার অভিযোগ, পারিবারিক কলহের জেরে আমার ছোট ভাইয়ের স্ত্রী মিলা তাকে হত্যা করেছে। পরে পুলিশ এসে তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেকের মর্গে পাঠিয়েছে।
তিনি বলেন, ‘প্রেম করে ৬ বছর আগে মিলাকে বিয়ে করে আমার ছোট ভাই। বিয়ের পর থেকে আমাদের সঙ্গে তার কোনো যোগাযোগ ছিল না। তাদের ৫ বছরের একটি ছেলে সন্তানও রয়েছে।
‘গতকাল সকালে জানতে পারি, ভাই আমার গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। এরপর ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি গলায় ফাঁস লাগানো আছে ঠিকই, কিন্তু তার পেছনে হাত বাঁধা রয়েছে। বাসার ছাদের পানির ট্যাংকির পাইপের সঙ্গে গলায় রশি ও হাত বেঁধে আমার ভাইকে তার স্ত্রী মিলা হত্যা করেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা ধারণা করছি, তার স্ত্রীর সঙ্গে পারিবারিক কোনো বিষয় নিয়ে ঝামেলার কারণে তাকে হত্যা করে ঝুলিয়ে রেখেছে সে। এ ঘটনার পর মিলাকে আটক করে থানায় নিয়ে গেছে পুলিশ। আমি বাদী হয়ে রামপুরায় থানায় একটি মামলা দায়ের করেছি।’
বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে মতিঝিল বিভাগের খিলগাঁও জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) মো. আল আমিন জানান, গতকাল হাসান ভূঁইয়া নামে একজনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। কিন্তু মরদেহ উদ্ধার করার সময় তার হাত শরীরের পেছনে বাঁধা অবস্থায় ছিল। এতে মনে হচ্ছে, এটি একটি হত্যাকাণ্ড।
নিহতের বড় ভাই অজ্ঞাতদের আসামি করে মামলা করেছেন জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা সিসিটিভি ফুটেজ এবং বিভিন্ন বিষয়ে মাথায় রেখে তদন্ত করছি। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে বলে জানান তিনি।
৩৫ দিন আগে
জুলাই যোদ্ধার গেজেট থেকে বাদ পড়লেন আরও ১২ জন
জুলাই গণঅভ্যুত্থান ২০২৪–এ ‘জুলাই যোদ্ধা’ হিসেবে গেজেটভুক্ত আরও ১২ জনের নাম বাতিল করেছে সরকার। সম্প্রতি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে গেজেট বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। এরপর তা গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহিদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের কল্যাণ ও পুনর্বাসন অধ্যাদেশ, ২০২৫–এর ১১(৪) ধারা এবং রুলস অফ বিজনেস ১৯৯৬–এর সিডিউল-১ অনুযায়ী দেওয়া ক্ষমতাবলে এ গেজেট বাতিল করা হয়েছে।
কেন এই ১২ জনের ‘জুলাই যোদ্ধা’ গেজেট বাতিল করা হয়েছে, সে বিষয়ে প্রজ্ঞাপনে কিছুই জানানো হয়নি। তবে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে, মিথ্যা তথ্য দিয়ে গেজেটভুক্ত হওয়ায় জুলাই যোদ্ধাদের তালিকা থেকে এদের বাদ দেওয়া হয়েছে।
বাতিল হওয়া ব্যক্তিরা ‘জুলাই যোদ্ধা’ ক্যাটাগরি ‘গ’–এর আওতাভুক্ত ছিলেন। তাদের মধ্যে রংপুর বিভাগে দিনাজপুর জেলার ৫ জন এবং চট্টগ্রাম বিভাগে চাঁদপুর জেলার ৭ জন রয়েছেন।
দিনাজপুর জেলার যাদের গেজেট বাতিল হয়েছে তারা হলেন— তাসফিয়াহ রিফা, মো. আসাদুজ্জামান নূর, মো. সুরুজ মিয়া, মোছা. কহিনুর ও মোছা. সখিনা।
চাঁদপুর জেলার তালিকায় রয়েছেন— মো. কামরুল হাসান রাব্বি, মো. রায়হান, মো. ইউছুব আলী, নাহিদুল ইসলাম রাতুল, শাহজালাল এবং মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন।
প্রজ্ঞাপনে প্রতিটি ব্যক্তির গেজেট নম্বর, মেডিকেল কেস আইডি, পিতার নাম ও স্থায়ী ঠিকানা উল্লেখ করা হয়েছে।
এর আগে গত বছরের ২৯ অক্টোবর মিথ্যা তথ্য দিয়ে গেজেটভুক্ত হওয়া ও দু-বার নাম থাকায় ১২৮ জুলাই যোদ্ধার গেজেট বাতিল করে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
৩৫ দিন আগে
হজযাত্রীদের ভিসা আবেদনের সময় নির্ধারণ
চলতি বছরের হজযাত্রীদের ভিসার আবেদন শুরু হবে আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি। ভিসার আবেদন করা যাবে আগামী ২০ মার্চ পর্যন্ত ।
গত বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৬ সালের হজে সরকারি ও বেসরকারি উভয় মাধ্যমের নিবন্ধনকারী সকল হজযাত্রীর সরকারি হাসপাতাল থেকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা কার্যক্রম চলমান রয়েছে। রাজকীয় সৌদি সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী হজযাত্রীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও টিকা গ্রহণ সম্পন্ন করে ফিটনেস সনদ গ্রহণ করে আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ২০ মার্চের মধ্যে সৌদি নুসুক মাসার প্রক্রিয়ায় ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে।
এ পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৬ সালের হজে নিবন্ধিত প্রবাসী-বাংলাদেশিসহ সকল হজযাত্রীকে বাংলাদেশের যে কোনো সরকারি হাসপাতাল থেকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং নির্ধারিত টিকা কেন্দ্র থেকে টিকা গ্রহণ করে ফিটনেস সনদ গ্রহণ করে আগামী ২০ মার্চের মধ্যে ভিসার আবেদন করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে এ বিজ্ঞপ্তিতে।
এ বছর ফিটনেস সনদ ছাড়া কোনো হজযাত্রী হজে যেতে পারবেন না বলেও ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে।
৩৫ দিন আগে
রাবির নারী শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) সমাজকর্ম বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) রাতে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকাসংলগ্ন মেহেরচণ্ডীর একটি বাসা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
এই মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান।
নিহত ওই শিক্ষার্থীর নাম জোবাইদা ইসলাম ইতি। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকর্ম বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।
স্থানীয়রা জানান, গতকাল (শুক্রবার) সন্ধ্যার দিকে নিজ বাড়িতে গলায় ফাঁস দেন জোবাইদা। পরে তাকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে প্রক্টর মাহবুবুর রহমান বলেন, রাবির পার্শ্ববর্তী এলাকা মেহেরচণ্ডীর একটি বাসা থেকে ইতির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরে তাকে রামেকে নিয়ে গেলে কর্মরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
রাজশাহীর চন্দ্রিমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বলেন, সন্ধ্যার পর খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ওই নারী শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে কি না এ বিষয়ে তদন্ত চলছে।
৩৫ দিন আগে
ঢাকা-বেইজিং সহযোগিতা অব্যাহত থাকার আশাবাদ প্রধান উপদেষ্টার
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনেরর পর নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করলেও বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
বুধবার (২৭ জানুয়ারি) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় ‘চীন-বাংলাদেশ পার্টনারশিপ ফোরাম’-এর একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠককালে তিনি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘কয়েক সপ্তাহের মধ্যে আমি এই দপ্তরে থাকব না এবং একটি নতুন সরকার গঠিত হবে। তবে আমাদের দুই দেশের মধ্যে চলমান কাজগুলো অবশ্যই অব্যাহত থাকবে।’
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বৈঠকে প্রতিনিধি দলের সদস্যদের মধ্যে চীনের জ্যেষ্ঠ শিক্ষাবিদ, বিনিয়োগকারী এবং বায়োমেডিকেল, অবকাঠামো, তথ্যপ্রযুক্তি ও আইন খাতের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় সিচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েস্ট চায়না স্কুল অব মেডিসিনের পরিচালক ও প্রখ্যাত বায়োমেডিকেল বিজ্ঞানী শিন-ইউয়ান ফু অধ্যাপক ইউনূসের দৃষ্টিভঙ্গির প্রশংসা করেন। তিনি বাংলাদেশি শিক্ষাবিদদের সঙ্গে কাজ করার এবং মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে অবদান রাখার আগ্রহ প্রকাশ করেন।
এছাড়া ওয়ালভ্যাক্স বায়োটেকনোলজির বোর্ড অব ডিরেক্টরসের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা অ্যান্ড্রু জিলং ওং এবং ওয়ালভ্যাক্স বায়োটেক (সিঙ্গাপুর)-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইউকিং ইয়াও বাংলাদেশে কাজ করার অভিজ্ঞতা ও আগ্রহের কথা তুলে ধরেন। ওয়ালভ্যাক্স অন্তত ২২টি দেশে তাদের টিকা রপ্তানি করেছে।
প্রতিষ্ঠানটি যুক্তরাজ্য ও ইন্দোনেশিয়ায় স্থানীয় সাবসিডিয়ারি গড়ে তুলেছে এবং নিউমোকোকাল কনজুগেট ভ্যাকসিন (পিসিভি) ও হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (এইচপিভি) টিকার স্থানীয় উৎপাদন সম্ভাবনা নিয়ে কাজ করছে। ইন্দোনেশিয়ায় একটি ব্যবসায়িক অংশীদারের সঙ্গে চুক্তির মাধ্যমে স্থানীয় সক্ষমতা গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
প্রতিনিধিদলে আরও ছিলেন— সিঙ্গাপুর রোবোটিক্স সোসাইটির ভাইস প্রেসিডেন্ট জিনসং ওয়াং, ফোরডাল ল’ ফার্মের ম্যানেজমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান ইউয়ান ফেং, বেইজিং উতং অ্যাসেট ম্যানেজমেন্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক লি রান, চায়না স্টেট কনস্ট্রাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশনের আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ ও প্রকল্পবিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট গাও ঝিপেং, চায়না হুনান কনস্ট্রাকশন ইনভেস্টমেন্ট গ্রুপের বিনিয়োগ পরিচালক শু তিয়ানঝাও, চায়না সিসিসি ইঞ্জিনিয়ারিং গ্রুপের ভাইস প্রেসিডেন্ট হুয়া জিয়ে, পাওয়ারচায়না ওভারসিজ ইনভেস্টমেন্ট গ্রুপের ওভারসিজ মার্কেটসের জেনারেল ম্যানেজার চেন শুজিয়ান, ইউনান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মা শিয়াওইউয়ান এবং চীন–বাংলাদেশ পার্টনারশিপ ফোরামের সেক্রেটারি জেনারেল অ্যালেক্স ওয়াং জেকাই।
বৈঠকে অধ্যাপক ইউনূস চীনের সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের সম্পর্কের কথা স্মরণ করেন, যেটি ক্ষুদ্রঋণ আন্দোলনের মাধ্যমে শুরু হয়েছিল। তিনি বলেন, ‘আমি চীনের প্রত্যন্ত গ্রামগুলো পরিদর্শনের এবং মানুষের জীবন বদলে যাওয়ার দৃশ্য দেখার সুযোগ পেয়েছি। পরবর্তীতে চীনা সরকার এই নীতির ওপর ভিত্তি করে তাদের নিজস্ব কর্মসূচি চালু করেছিল।’
প্রধান উপদেষ্টা গত মার্চে চীন সফরের কথা উল্লেখ করে বলেন, সেখানে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে তার সাক্ষাৎ হয়েছিল। অধ্যাপক ইউনূস বলেন, ‘তিনি (শি জিনপিং) আমাকে বলেছিলেন যে তিনি আমার বই পড়েছেন এবং এর নীতিগুলো অনুসরণ করেন। সেটি আমার জন্য একটি অত্যন্ত আনন্দের মুহূর্ত ছিল।’
অন্তর্বর্তী সরকারের অগ্রাধিকার তুলে ধরে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, স্বাস্থ্যখাতই সরকারের সর্বোচ্চ গুরুত্বের বিষয়। ডিজিটাল প্রযুক্তিকে কীভাবে স্বাস্থ্যসেবায় যুক্ত করা যায়—যাতে চিকিৎসক ও রোগীরা কার্যকরভাবে যুক্ত হতে পারেন, চিকিৎসা ইতিহাস ডিজিটালি সংরক্ষণ করা যায় এবং সহজে অ্যাপয়েন্টমেন্ট পাওয়া যায়—সেটিই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।
তিনি ওষুধ শিল্পে সামাজিক ব্যবসা মডেলের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়ে বলেন, ‘ওষুধ তৈরিতে খরচ খুব কম হলেও তা চড়া দামে বিক্রি হয়। আমরা এমন ওষুধ কোম্পানি গড়ে তুলতে চাই যারা শুধু মুনাফা নয়, বরং মানুষের সেবার ওপর গুরুত্ব দেবে।’
কোভিড-১৯ মহামারির সময় পেটেন্টমুক্ত টিকার দাবির কথা স্মরণ করে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, ‘আমরা পেটেন্টমুক্ত টিকার পক্ষে কথা বলেছিলাম এবং বাধার সম্মুখীন হয়েছিলাম। ভোটের সময় ১০টি দেশ ভোটদানে বিরত ছিল। তারা বলেছিল, ধনী দেশগুলো টিকা কিনে দরিদ্র দেশকে দেবে। আমরা বলেছি—আমাদের দান দরকার নেই। মানুষ মারা যাচ্ছিল, আর কেউ কেউ টাকা কামাচ্ছিল—এটা লজ্জাজনক।’
তিনি উত্তরবঙ্গে একটি ‘‘হেলথ সিটি’’ গড়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়ে বলেন, ‘চীন সফরের সময় আমি উত্তরবঙ্গে ১,০০০ শয্যার একটি আন্তর্জাতিক হাসপাতাল নির্মাণের প্রস্তাব দিয়েছিলাম। এটি দরিদ্র অঞ্চল হলেও ভারত, নেপাল এবং ভুটানের কাছাকাছি হওয়ায় এর কৌশলগত গুরুত্ব অনেক। এই হেলথ সিটিতে হাসপাতাল, মেডিকেল কলেজ, গবেষণা কেন্দ্র এবং টিকা উৎপাদন সুবিধা থাকবে, যা প্রতিবেশী দেশগুলোর মানুষও ব্যবহার করতে পারবে।’
অধ্যাপক ইউনূস চীন সরকারের নিরন্তর সমর্থন ও সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। বৈঠকে সরকারের এসডিজিবিষয়ক প্রধান সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ উপস্থিত ছিলেন।
৩৫ দিন আগে
জাতিসংঘ শান্তিবিনির্মাণ কমিশনের সহ-সভাপতি নির্বাচিত বাংলাদেশ
২০২৬ সালের জন্য জাতিসংঘ শান্তিবিনির্মাণ কমিশনের (পিবিসি) সহ-সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে বাংলাদেশ।
স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) নিউইয়র্কে অবস্থিত জাতিসংঘ সদর দপ্তরে কমিশনের ৫ সদস্যের ব্যুরো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
কমিশনের ২০তম অধিবেশনের প্রথম সভায় সদস্য রাষ্ট্রগুলো সর্বসম্মতিক্রমে মরক্কোকে সভাপতি এবং জার্মানি, ব্রাজিল, ক্রোয়েশিয়া ও বাংলাদেশকে সহ-সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত করে।
পিবিসি একটি আন্তঃসরকারি উপদেষ্টা সংস্থা, যা সংঘাত-আক্রান্ত দেশগুলোতে শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টাকে সমর্থন করে। এ কমিশন ৩১টি সদস্য রাষ্ট্র নিয়ে গঠিত, যারা সাধারণ পরিষদ, নিরাপত্তা পরিষদ, অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ এবং জাতিসংঘ ব্যবস্থায় নেতৃস্থানীয় সৈন্য এবং আর্থিক অবদানকারী দেশগুলো থেকে নির্বাচিত।
বাংলাদেশ ২০০৫ সালে কমিশনটি প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই এর সদস্য। এর আগে, বাংলাদেশ ২০১২ ও ২০২২ সালে কমিশনের সভাপতি এবং ২০১৩ ও ২০২৩ সালে সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছে।
গতকাল (বৃহস্পতিবার) একটি সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ২০তম অধিবেশনের প্রথম সভায় বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে সহ-সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। এই উপলক্ষে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি এবং মহাসচিবের পক্ষে তার সচিবালয়ের প্রধান সভায় উপস্থিত ছিলেন। তারা শান্তি বিনির্মাণে কমিশনের ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করে বক্তব্য দেন।
দায়িত্ব গ্রহণের পর এক বিবৃতিতে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বের জন্য বাংলাদেশের ওপর আস্থা রাখায় কমিশনের সদস্যদের ধন্যবাদ জানান। সেইসঙ্গে জাতিসংঘের শান্তি বিনির্মাণ প্রচেষ্টা ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনার প্রতি বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।
৩৬ দিন আগে
চতুর্দশ জাকাত মেলা শুরু হচ্ছে শনিবার
‘ইনসাফ প্রতিষ্ঠায় জাকাত’—এই প্রতিপাদ্য নিয়ে রাজধানীতে শুরু হচ্ছে চতুর্দশ জাকাত মেলা। সেন্টার ফর জাকাত ম্যানেজমেন্ট (সিজেডএম)-এর উদ্যোগে আগামী শনিবার (৩১ জানুয়ারি) রাজধানীর বেইলি রোডের অফিসার্স ক্লাবে দিনব্যাপী এ মেলা অনুষ্ঠিত হবে। মেলার উদ্বোধন করবেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ. ফ. ম. খালিদ হোসেন।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মেলার বিস্তারিত তুলে ধরেন সাবেক জ্যেষ্ঠ সচিব, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান ও জাকাত মেলার আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক ড. মোহাম্মদ আবদুল মজিদ।
তিনি বলেন, দেশে এক লাখ কোটি টাকা জাকাত সংগ্রহের সম্ভাবনা রয়েছে। এই অর্থ সঠিকভাবে সংগ্রহ ও ব্যবস্থাপনা করা গেলে বৈষম্যহীন, দারিদ্র্যমুক্ত ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণে বড় ভূমিকা রাখা সম্ভব। ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবের পর দেশে যে ন্যায়ভিত্তিক সমাজের আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে জাকাত কার্যকর হাতিয়ার হতে পারে।
ড. আবদুল মজিদ বলেন, দারিদ্র্যবিমোচনে সরকার বৈদেশিক ঋণ নেয়, অথচ দেশে বিপুল পরিমাণ জাকাত আদায়ের সম্ভাবনা রয়েছে। এই অর্থ আদায় করা গেলে সরকারের ঋণনির্ভরতা কমবে এবং গৃহহীনতা ও চিকিৎসার অভাবে মানুষের মৃত্যুর মতো ঘটনাও কমে আসবে। তিনি বলেন, সঠিকভাবে জাকাত দেওয়া মানে শুধু সহায়তা নয়, মানুষকে আত্মনির্ভরশীল করে তোলা, যাতে তারা ভবিষ্যতে দাতা হতে পারে।
তিনি আরও বলেন, দেশে ব্যক্তিগত উদ্যোগেই সবচেয়ে বেশি জাকাত আদায় হয় এবং এখনও শাড়ি–লুঙ্গী দেওয়ার প্রবণতা বেশি। ‘শাড়ি–লুঙ্গী দিয়ে সমাজ বদলাবে না। এর বদলে ভ্যানগাড়ি, ক্ষুদ্র ব্যবসা বা আয়ের সুযোগ তৈরি করলে টেকসই পরিবর্তন আসবে,’ বলেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে সিজেডএমের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ আইয়ুব মিয়া জানান, চলতি বছরে সংস্থাটির জাকাত সংগ্রহের লক্ষ্য ৯০ কোটি টাকা। তিনি বলেন, সিজেডএম মেধাবিকাশে সবচেয়ে বেশি কাজ করে আসছে। এ পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজের সাড়ে ১৭ হাজার প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীকে ৩০ মাস মেয়াদি ‘জিনিয়াস’ উচ্চ বৃত্তি হিসেবে মাসে চার হাজার টাকা করে সহায়তা দেওয়া হয়েছে। চলতি বছরও বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজের ৫০০ শিক্ষার্থী এই বৃত্তি পাচ্ছেন।
তিনি জানান, সারা দেশে সিজেডএমের ৬০টির বেশি প্রাইমারি হেলথ কেয়ার প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যেখানে নিয়মিত চিকিৎসা ও ওষুধসেবা দেওয়া হচ্ছে। সংস্থাটির ডায়ালাইসিস সেন্টারে মাসে ৬০ জন বিনামূল্যে ডায়ালাইসিস সেবা পাচ্ছেন এবং ৩০ জন থ্যালাসেমিয়া রোগীর চিকিৎসার দায়িত্ব নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ১৫টি স্কুল, কলেজ ও মাদরাসা পরিচালনার পাশাপাশি সাড়ে পাঁচ হাজার মানুষকে ভোকেশনাল প্রশিক্ষণ দিয়ে দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে।
৩৬ দিন আগে