বাংলাদেশ
সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের গ্রেপ্তারে শিগগিরই অভিযান: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
খুব শিগগিরই দেশব্যাপী সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের গ্রেপ্তারে অভিযান পরিচালনা করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ।
বুধবার (৪ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর রমনায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সদর দপ্তরে ডিএমপির বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এ কথা জানান।
মন্ত্রী বলেন, আজকের মতবিনিময় সভায় দুটি বিষয়ে অনুশাসন দেওয়া হয়েছে। তার মধ্যে অন্যতম হলো— আমরা চাঁদাবাজদের তালিকা প্রস্তুত করে খুব শিগগিরই দেশব্যাপী, বিশেষ করে ঢাকা থেকে অভিযান শুরু করব। সেজন্য চাঁদাবাজদের তালিকা প্রস্তুত করে সেই হিসেবে তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দ্বিতীয়ত, যারা অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী, দাগি আসামি, যারা সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে, তাদের একটি স্বচ্ছ তালিকা প্রস্তুত করে সে হিসেবে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, বর্তমান সরকারের প্রধানতম অগ্রাধিকার হচ্ছে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা এবং এর মাধ্যমে জনমনে স্বস্তি প্রদান করা ও দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা।
তিনি বলেন, আমরা দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে চাই। আর এক্ষেত্রে পুলিশের ভূমিকা অগ্রগণ্য। যেহেতু বাংলাদেশ বিগত সময়ে একটা ফ্যাসিবাদী সরকারব্যবস্থার মধ্যে ছিল, সে সময় অন্যান্য সকল প্রতিষ্ঠানের মতো পুলিশের এই প্রতিষ্ঠানটিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেই জায়গা থেকে ক্রমান্বয়ে আজকের এই পর্যায়ে এসেছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মানুষ যেন পুলিশকে সত্যিকার অর্থেই জনগণের বন্ধু মনে করে, আমরা পুলিশ বাহিনীকে সে লক্ষ্যে পরিচালিত করছি। আজকের মতবিনিময় সভায় সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এ রাজনীতিক বলেন, ‘পুলিশ কোনো ব্যক্তির স্বৈরতান্ত্রিক নির্দেশে চলবে না বা কোনো পিতৃতান্ত্রিক সিস্টেম এখানে চলবে না; পুলিশ চলবে আইনানুগভাবে।’
মন্ত্রী বলেন, জবাবদিহিতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে পুলিশ বাহিনীকে পরিচালনার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সে বিষয়ে তারা আজ সংকল্প ও প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়েছেন। তিনি বলেন, আমি পুলিশ বাহিনীকে জনগণের পক্ষে বর্তমান সরকারের যে প্রতিশ্রুতির বিষয়গুলো আছে, তা স্মরণ করে দিয়েছি। আমি আশা করছি, তারা জনগণের পক্ষে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করবেন।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, পুলিশ বাহিনীকে ‘চেইন অব কমান্ড’ বজায় রেখে কাজ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একজন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সরাসরি মন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন না। তবে মন্ত্রী যদি চান, যেকোনো স্তরের কর্মচারীর সঙ্গে যোগাযোগ করবেন। কিন্তু ‘চেইন অব কমান্ড’ ভঙ্গ করে একজন নিম্নপদস্থ কর্মচারী ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন না।
ঢাকার যানজটের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে ডিএমপি কমিশনারকে আমরা একটা সেল বা কমিটি গঠন করার নির্দেশনা দিয়েছি। তিনি ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের সঙ্গে বসে যানজট নিয়ন্ত্রণে করণীয় ও সুপারিশমালা প্রস্তুত করে আমাকে একটি প্রতিবেদন দেবেন।
এ সময় ঢাকা শহরে ব্যাটারিচালিত রিকশার আধিক্য নিয়েও কথা বলেন তিনি। বলেন, ঢাকার প্রধান ও ভিআইপি সড়কে, যেখানে ব্যাটারিচালিত রিকশা থাকার কথা নয়, সেখানেও তারা চলাচল করছে। এটা কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়—সে বিষয়ে আমরা পদক্ষেপ নিচ্ছি। আমরা পরীক্ষামূলকভাবে উত্তরা এয়ারপোর্ট রোড থেকে সচিবালয় পর্যন্ত রাস্তায় ব্যাটারিচালিত রিকশা নিয়ন্ত্রণ করব। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য প্রধান ও ভিআইপি সড়কে এটি করা হবে।
ব্রিফিংয়ে আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির, ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ারসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
২ দিন আগে
হাতে থাকা জ্বালানি সাশ্রয়ীভাবে ব্যবহার করতে হবে, এটাই বিকল্প: জ্বালানিমন্ত্রী
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে হাতে থাকা জ্বালানি সাশ্রয়ীভাবে ব্যবহার করতে হবে বলে পরামর্শ দিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। এটাই বাংলাদেশের বিকল্প বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
বুধবার (৪ মার্চ) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন। এর আগে, যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুরের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।
ব্যক্তিগত গাড়ি কম ব্যবহার, আলোকসজ্জা পরিহারসহ বিভিন্ন পদক্ষেপের মাধ্যমে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবহারের ক্ষেত্রে জনগণকে সাশ্রয়ী হওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন জ্বালানিমন্ত্রী।
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে জ্বালানি পরিস্থিতির বিষয়ে তিনি বলেন, আমাদের যেটুকু আছে, সেটা দিয়ে আমরা কীভাবে সাশ্রয়ীভাবে চালাতে পারি, সেটা আলোচনা করলাম। আমরা মন্ত্রণালয় থেকে এই ব্যাপার একটা সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দেব।
ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, আমার হাতে যে জ্বালানি আছে সেটাকে সাশ্রয়ীভাবে ব্যবহার করতে হবে, এটাই হচ্ছে আমাদের বিকল্প; যতক্ষণ পর্যন্ত না আমার সরবরাহব্যবস্থা ঠিক হবে। যেটা আছে, সেটাকে আমরা সাশ্রয়ীভাবে চালানোর চেষ্টা করছি। যুদ্ধ যতদিন থাকবে, ততদিন তো এই সংকটটা থাকবে।
২ দিন আগে
বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র স্বাক্ষরিত বাণিজ্যচুক্তি অপরিবর্তনীয় নয়: বাণিজ্যমন্ত্রী
বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সই করা বাণিজ্যচুক্তি অপরিবর্তনীয় নয় উল্লেখ করে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির বলেছেন, প্রয়োজনে এতে সংশোধন, সংযোজন বা বিয়োজনের সুযোগ রয়েছে।
তিনি বলেছেন, চুক্তিতে এমন উপাদান রয়েছে, যা ভবিষ্যতে দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও জোরদার করতে সহায়ক হতে পারে। দুই দেশের অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক ও বিনিয়োগ সম্পর্ক আরও বিস্তৃত করার লক্ষ্যেই এই চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে। এটিকে সম্পূর্ণরূপে ‘নেগেটিভ’ বা ‘পজিটিভ’ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।
বুধবার (৪ মার্চ) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুরের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যের পরিমাণ সাড়ে ৮ বিলিয়ন ডলারের বেশি এবং দেশটি থেকে প্রায় পৌনে ৩ বিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি করা হয়। একক দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদারদের একটি। ফলে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের মধ্যে বাণিজ্য ছাড়াও বিনিয়োগ, ডিজিটাল অবকাঠামো উন্নয়ন এবং ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক সহযোগিতার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জড়িত। এ সমস্ত বিষয় নিয়ে সাধারণ আলাপ হয়েছে।
গত ৯ ফেব্রুয়ারি যে বাণিজ্যচুক্তিটা অন্তর্বর্তী সরকারের সময় হলো, প্রথম বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আপনার এই বিষয়ে কী আলোচনা হলো—এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, এটি নিয়ে এমন বিশেষ কোনো কথা হয়নি। এটি তো ৯ তারিখে স্বাক্ষর হয়েছে, এ বিষয়ে আলাদা করে কোনো আলাপ হয়নি।
প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন পত্রে ট্রাম্প বলেছিলেন যে, বাণিজ্যচুক্তিসহ সামরিক বিষয়গুলো বাংলাদেশ যাতে মেনে চলে, এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, চুক্তির বিষয়টি আজকে আলোচনার বিষয় হিসেবে আসেনি আর সামরিক বিষয় তো বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বিষয় না।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যে বাণিজ্যচুক্তি হয়েছে সেখানে বাংলাদেশ স্বার্থরক্ষা হয়নি, সেক্ষেত্রে সরকারের পদক্ষেপ কী থাকবে, আপনি কী পদক্ষেপ নেবেন?— জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, চুক্তি তো সই হয়েছে, সেই চুক্তিটি বলবৎ হওয়ার জন্য কিছু আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া আছে। আর যেকোনো চুক্তিতেই সাধারণভাবে দুটো পক্ষ থাকে। কয়েকটি ধারা একপক্ষের খুব অনুকূলে হয়। আর কয়েকটি ধারা আরেক পক্ষের খুব অনুকূলে হয়। দুপক্ষই চেষ্টা করে আলাপ আলোচনার মধ্যে দিয়ে এমন একটি জায়গায় পৌঁছাতে, যা উভয়ের জন্যই কল্যাণকর হয়। এই চুক্তির মধ্যে অনেক ধারা আছে, যেগুলোর উপরে আমরা বাণিজ্যিক সম্পর্কটাকে আগামী দিনে জোরদার করতে পারি। আমি এটিকে ‘হোলসেল নেগেটিভ’ বা ‘হোলসেল পজিটিভ’ এই দৃষ্টিকোণ থেকে এখনও দেখছি না।
খন্দকার আবদুল মুক্তাদির বলেন, আমি নির্দিষ্ট করে চুক্তির কথা বলিনি, আমি যেটা বলেছিলাম সেটি হলো, আমেরিকা যে ধারায় শুল্ক ধার্য করেছিল, দেশটির উচ্চ আদালতে সেই ধারায় এ শুল্ক কার্যকরের বিষয়টি সমর্থন করে না বলার পরে পরিস্থিতি এখন বিকাশমান। আমরা বিকাশমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি—এটি ছিল আমার কথা।
চুক্তি নিয়ে সরকারের সিদ্ধান্তটা কী—এমন প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, চুক্তি তো একটা হয়েছে, এখানে তো সিদ্ধান্তের কিছু নাই। এই চুক্তি তো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং বাংলাদেশ—দুই সরকারের মধ্যে হয়েছে; এটা তো রাষ্ট্রীয় চুক্তি। সুতরাং এই চুক্তিতে যদি আপনারা কোনো কিছু খারাপ দেখেন সেটা আমাদের কাছে উত্থাপন করবেন।
তিনি আরও বলেন, ‘কোনো চুক্তি এন্ড অব লাইফ বা জীবনের সর্বশেষ কিছু না। প্রত্যেকটা চুক্তিতে সেলফ কেয়ারিংয়ের জন্য তার নিজস্ব কিছু ধারা থাকে। সেখানে এরকম যদি আমাদের কাছে কিছু প্রতীয়মান হয় যে, এই ধারাটার সংযোজন-বিয়োজন পরিবর্তন দরকার। সেখানে পরবর্তীতে আলাপ-আলোচনার সুযোগ তো সবসময় রয়েছে। এজন্য আমার অনুরোধ হচ্ছে, এটি নিয়ে এত উদ্বিগ্ন হবেন না।’
ভিসা বন্ডের আওতায় বাংলাদেশ পড়েছে, তাই ব্যবসায়ীরা বলছেন যে তারা যেন ভিসা বন্ডের আওতায় না আসেন, সে বিষয়ে কিছু আলোচনা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, এটি আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দেখবে। সেটা ব্যবসায়ীদের বিষয়, কিন্তু এটি নিয়ে কাজ করবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। আমরা তো সবসময় অনুরোধ করব যেন আমাদের ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীরা এবং তাদের দেশের ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীরা যেন স্বাচ্ছন্দ্যে সহজভাবে দুই দেশে আসা-যাওয়া করতে পারেন। এটির মধ্যে যেন কোনো প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি না হয়। এই অনুরোধ তো আমাদের সবসময় থাকবে।
২ দিন আগে
শ্রমিক হয়রানিমুক্ত সেবা দেওয়ার আহ্বান শ্রমমন্ত্রীর
প্রতিটি স্তরে ব্যক্তিগত দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করে শ্রমিক হয়রানিমুক্ত সেবা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।
বুধবার (৪ মার্চ) রাজধানীর শ্রম ভবনে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ আহ্বান করেন।
শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী বলেন, সরকারি কাজে কোনো প্রকার অবহেলা সহ্য করা হবে না। যার যা দায়িত্ব, তাকে তা সজাগ থেকে নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করতে হবে। প্রতিটি স্তরে ব্যক্তিগত দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করে শ্রমিক হয়রানিমুক্ত সেবা দেওয়ার জন্য কর্মকর্তাদের আহ্বান জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, শ্রমিক ও মেহনতি মানুষের দেশ এই বাংলাদেশ, কিন্তু তাদের কোনো সরকারি সহায়তা বা সেবা দিতে আমরা অনলাইন সিস্টেমের বদলে এখনও পুরাতন কাগুজে পদ্ধতি ব্যবহার করছি। এটি অত্যন্ত দুঃখজনক।
সেবার মানোন্নয়নে ৩২টি শ্রম কল্যাণকেন্দ্রের সুবিধাভোগীদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা দ্রুত তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন আরিফুল হক চৌধুরী। একইসঙ্গে তিনি শ্রম অধিদপ্তরের আইটি সেক্টরসহ চলমান সকল উন্নয়নমূলক কাজের অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন এবং প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেন।
সভায় শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুর রহমান তরফদার বলেন, শিশুশ্রম একটি জঘন্য অপরাধ, যা প্রতিরোধে আমাদের সবাইকে কাজ করতে হবে। তিনি শ্রমিকদের আর্থিক ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে শ্রম পরিদর্শকদের কাজ করতে নির্দেশনা দেন।
এ সময় শ্রম অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ফাহমিদা আক্তার, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক ওমর মো. ইমরুল মহসিন, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক মো. মুনির হোসেন খান এবং শ্রম মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
২ দিন আগে
আট প্রতিমন্ত্রী ও দুই উপদেষ্টার দপ্তর পুনর্বণ্টন
প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতি আনতে সরকারের আটজন প্রতিমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর দুই রাজনৈতিক উপদেষ্টার দায়িত্ব ও দপ্তর পুনর্বণ্টন করা হয়েছে।
বুধবার (৪ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ বিষয়ে গেজেট প্রকাশ করা হয়।
প্রধানমন্ত্রীর রুলস অব বিজনেস, ১৯৯৬-এর ৩বি (আইআই) বিধি অনুযায়ী এই পুনবর্ণ্টন করা হয়েছে।
বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলমকে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়, কৃষি মন্ত্রণালয় এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়; খাদ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা সুলতান সালাউদ্দিন টুকুকে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং রেলপথ মন্ত্রণালয় ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা হাবিবুর রশিদকে রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসানকে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও সেতু বিভাগ এবং অর্থ মন্ত্রণালয় ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকিকে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছে।
মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা ফারজানা শারমীনকে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়; শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা মো. নুরুল হককে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়; শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা ববি হাজ্জাজকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
অপরদিকে, প্রধানমন্ত্রীর দুই রাজনৈতিক উপদেষ্টার দায়িত্বও পুনর্বণ্টন করেছে সরকার। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, মন্ত্রী পদমর্যাদার রাজনৈতিক উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খানকে তার বর্তমান দায়িত্বের পাশাপাশি কৃষি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে নতুন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া, অপর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবীর রিজভী আহমেদকে বর্তমান পদের সঙ্গে শিল্প মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
এর আগে, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাদের মন্ত্রীর পদমর্যাদায় উপদেষ্টা নিযুক্ত করা হয়েছিল।
২ দিন আগে
মধ্যপ্রাচ্যে ৬ রুটে বিমান চলাচল সাময়িক বন্ধ
মধ্যপ্রাচ্যে উদ্ভূত পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের মধ্যপ্রাচ্যগামী ফ্লাইটগুলোর মধ্যে আবুধাবি, শারজাহ, দুবাই, দোহা, কুয়েত ও দাম্মাম রুটের সকল ফ্লাইট সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উক্ত রুটগুলোতে ফ্লাইট পরিচালনা স্থগিত থাকবে।
বুধবার (৪ মার্চ) বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
উল্লিখিত ৬টি রুট ব্যতীত বিমানের মধ্যপ্রাচ্যগামী অন্যান্য রুটের (জেদ্দা, মদিনা, রিয়াদ, মাস্কাট) ফ্লাইটগুলো যথারীতি পরিচালিত হচ্ছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সাময়িকভাবে স্থগিত হওয়া এই রুটগুলোর যাত্রীরা, যারা স্থগিত থাকাকালীন সময়ে যাত্রার জন্য টিকিট সংগ্রহ করেছেন, তারা কোনো অতিরিক্ত চার্জ ছাড়াই টিকিট রিফান্ড করতে পারবেন অথবা বিনামূল্যে যাত্রার তারিখ পরিবর্তন করতে পারবেন।
যাত্রীরা দেশে ও বিদেশে বিমানের যেকোনো সেলস সেন্টার অথবা ক্রয়কৃত টিকিট প্রদানকারী ট্রাভেল এজেন্সি থেকে উল্লিখিত সেবা গ্রহণ করতে পারবেন। তাছাড়া, বিমানের ফ্লাইটগুলো সম্পর্কিত যেকোনো তথ্য জানতে যাত্রীরা বিমানের কলসেন্টার ১৩৬৩৬ (অভ্যন্তরীণ) বা +৮৮০৯৬১০৯ ১৩৬৩৬ (আন্তর্জাতিক) নম্বরে যোগাযোগ করতে পারবেন।
যাত্রীদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় যেকোনো হালনাগাদ তথ্য যাত্রীদের যথাসময়ে জানিয়ে দেওয়া হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
২ দিন আগে
আকস্মিক পরিদর্শনে ঢামেক হাসপাতালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী
আকস্মিক পরিদর্শনে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে গিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
বুধবার (৪ মার্চ) সকাল ৯টার দিকে ঢামেক হাসপাতাল পরিদর্শনে যান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। হাসপাতালের পুরোনো ভবনের বেশ কিছু ওয়ার্ড, জরুরি বিভাগের অপারেশন থিয়েটার ও বার্ন ইউনিট পরিদর্শন করেন তিনি।
পরিদর্শন শেষে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, এখানে রোগীর তুলনায় সুযোগ-সুবিধা কম। আরও চিকিৎসক দরকার। হাসপাতালে স্টাফ, নার্সদেরও স্বল্পতা রয়েছে।
তিনি বলেন, আগে যেমন দেখতাম রোগীর বিছানা তেলাপোকায় ভরা, এখন সেটি কম। রোগীরা অনেক ওষুধ পাচ্ছেন না, এমন অভিযোগ রয়েছে। একটি বাদে বাকি অপারেশন থিয়েটার উন্নত না। অ্যানেসথেসিয়ার চিকিৎসক স্বল্পতা রয়েছে। হাসপাতালের বেডশিটসহ বিভিন্ন কাপড় নিম্নমানের ওয়াশ করানো হয়; এ জন্য হাসপাতালের পরিচালককে বলেছি, বিল কেটে নেওয়ার কথা।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, আজকে আমি কোনো দালাল দেখিনি। হাসপাতালে কাউকে দালালি করতে দেব না। ট্রলি ভাড়া দিয়ে টাকা নিতে দেব না। দালালদের কঠোর হস্তে দমন করা হবে। আমরা সীমিত সম্পদের মধ্যেই স্বাস্থ্যসেবা সবার দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে চাই।
২ দিন আগে
আনসার-ভিডিপির ভূমিকার প্রশংসা প্রধানমন্ত্রীর; উন্নয়নে সমর্থন অব্যাহত রাখার আশ্বাস
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর (ভিডিপি) সদস্যদের দেশপ্রেম এবং পেশাদারত্বের প্রশংসা করেছেন। এ বাহিনীর উন্নয়নের জন্য সমর্থন অব্যাহত রাখার আশ্বাসও দিয়েছেন তিনি।
বুধবার (৪ মার্চ) প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আনসার ও ভিডিপির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ মন্তব্য করেন।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তারা শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং বাহিনীর চলমান বিভিন্ন কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন।
তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী আনসার ও ভিপিডির সদস্যদের শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষা এবং জনগণের স্বার্থে অক্লান্ত পরিশ্রমের জন্য ধন্যবাদ জানান। পাশাপাশি তিনি বাহিনীর প্রতি নির্দেশ দেন, জাতীয় শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার স্বার্থে জনগণের সেবা যেন তারা অব্যাহত রাখেন।
এ সময় আনসার-ভিডিপি মহাপরিচালক প্রধানমন্ত্রীর কাছে বাহিনীর বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম তুলে ধরেন।
রুমন জানান, আনসার ও ভিপিডির চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম আগামী দিনগুলোতেও অব্যাহত থাকবে বলে প্রধানমন্ত্রী আশ্বস্ত করেন। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তারা যেন সর্বদা প্রস্তুত থাকেন সে ব্যাপারে বাহিনীর সদস্যদের প্রতি আহ্বান তিনি।
২ দিন আগে
মেট্রোরেলের ভাড়ায় ২৫ শতাংশ ছাড়
প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, শিক্ষার্থী এবং ৬৫ বছরের বেশি বয়সী নাগরিকদের জন্য মেট্রোরেলসহ সব ধরনের রেলসেবায় ২৫ শতাংশ ভাড়া ছাড় দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা জানান তিনি। তবে এই ভাড়া ছাড় কার্যকর হতে কিছুটা সময় লাগবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
মুক্তিযোদ্ধারা কি এ সুবিধা পাবেন- জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, সে বিষয়ে আজকে কোনো কথা হয়নি।
ট্রেনে টিকিটগুলো এখন অনলাইনে কাটা হয়- এ বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, অনলাইনে ওখানে অপশন থাকবে, আইডি কার্ড দেখালে বয়স যদি ৬৫ বছরের বেশি হয়, তবে আপনি ওই ২৫ শতাংশ ডিসকাউন্ট পেয়ে যাবেন। অনবোর্ডেও আইডি কার্ড শো করতে হবে। স্টুডেন্টদের আইডি কার্ড শো করতে হবে এবং যারা প্রতিবন্দী আছেন তাদেরও এই সুবিধা দেওয়া হবে, তাদের একটা কার্ড মন্ত্রণালয় থেকে দেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, আমরা রেলের সার্বিক উন্নয়ন চাচ্ছি। সেবার মান, বর্তমানে যে সমস্ত ট্রেনগুলো চালু আছে তার গতি বৃদ্ধি এবং অল্প সময়ে যাতায়াত কীভাবে করা যায়, তার জন্য বিদ্যমান কিছু প্রকল্প আছে সেগুলো আরও বেগ পাবে বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে। নতুন কিছু প্রকল্প গ্রহণ করা হচ্ছে, যার ফলে রেলের বিদ্যমান যে অবস্থা আপনারা দেখছেন, যে সেবা এবং যে সার্ভিসটা এখানে আছে, সেটা আরও শক্তিশালী, জনবান্ধব এবং মানসম্মত হবে।'
'আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি ৮৫ থেকে ৮৬টা লোকোমোটিভ ব্যবহার করতে পারি কি না এই ঈদে। সেটা যদি আমরা করতে সক্ষম হই, আমার মনে হয় সময়সূচি অনুযায়ী ট্রেন চলাচল সম্ভব হবে। যেহেতু যাত্রী অতিরিক্ত আছে, সেটাও আমরা বহন করতে সক্ষম হব বলে মনে করছি। কোনো শিডিউল বিপর্যয়ের হওয়ার সুযোগ থাকবে না।'
ঈদে ঘরমুখো যাত্রীদের কাছে ভাড়া বেশি নেওয়ার কোনো সুযোগই নেই জানিয়ে শেখ রবিউল আলম বলেন, এটা নিয়ে আপনার যারা বাস মালিক সমিতি আছে, লঞ্চ মালিক সমিতি আছে, তাদের সঙ্গে বসেছি। তারা অঙ্গীকার করেছেন এবং আমরা তাদের কিন্তু নজরদারিতে রেখেছি। যেকোনো মূল্যে আমরা এটা প্রতিষ্ঠিত করব। ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক হবে বলে আশা রাখছি সবার এ রকম সহযোগিতা থাকলে।
সড়ক পরিবহন মন্ত্রী বলেন, 'একটা প্রতিবন্ধকতা হচ্ছে যে, দুই দিনের মধ্যে প্রায় দেড় কোটি লোকের মতো ঢাকা শহর ছাড়ে। পৃথিবীতে এ রকম শহর ছাড়ার নজির নেই। যার ফলে একটা চাপের সৃষ্টি হয়।'
প্রতিশ্রুতি দিয়েও বাস মালিকরা ঈদের সময় ২-৩ গুণ ভাড়া বেশি নেয়- এ বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, এবার তাদের ভাড়া নির্দিষ্ট হারেই নিতে হবে, যে ভাড়া আছে। অঙ্গীকার না শুধু, এটা বাস্তবায়ন করা হবে। তারা যেটা বলেছে—একটা দাবি আমাদের কাছে করেছে—যে বাসটা যখন খালি আসতে চায়, আসতে হয় তাদের, সেতু যখন ক্রস করতে হয়, টোলটা ফ্রি করে দেওয়া যায় কি না—এতটুকু দাবি তাদের আছে। বাকিটা তারা অঙ্গীকার করেছে যে তারা ভাড়া বাড়াবে না, যাত্রীসেবার মানও ঠিক রাখবে, যানজট যাতে না হয়, টিকিট যেটা আছে সেটাও তারা স্বচ্ছতার সঙ্গে বিক্রি করবে। এসব ব্যাপারে আমাদের মনিটরিং আছে। ভাড়া বাড়ানোর কোনো সুযোগ নেই।'
৩ দিন আগে
দুদক চেয়ারম্যানসহ দুই কমিশনারের পদত্যাগ
পদত্যাগ করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুল মোমেন। একইসঙ্গে পদত্যাগ করেছেন দুই কমিশনার মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাফিজ আহসান ফরিদ।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে তারা পদত্যাগপত্র জমা দেন।
কমিশনার মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী জানান, চেয়ারম্যানের সঙ্গে দুই জন কমিশনারও পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।
তিনি বলেন, পদত্যাগ করার কারণে আমি আমার গাড়ির ফ্ল্যাগ নামিয়ে যাচ্ছি।
আবদুল মোমেনের কাছে পদত্যাগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখানে না, এটি অফিসে গিয়ে বলব।
এর আগে, সচিবালয়ে আসেন দুদকের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুল মোমেন ও দুই কমিশনার। দুপুর আড়াইটার দিকে তাদের সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক নম্বর ভবনে প্রবেশ করতে দেখা গেছে। ১০ মিনিটের মধ্যেই তারা পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে বের হয়ে আসেন।
২০২৪ সালের ১০ ডিসেম্বর রাষ্ট্রপতি দুদকের চেয়ারম্যান ও কমিশনারদের নিয়োগ দেন।
‘দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪’ অনুযায়ী তাদের নিয়োগ দেওয়া হয়।
দুদকের আইন অনুযায়ী, কমিশন ৩ জন কমিশনারের সমন্বয়ে গঠিত হয়। তাদের মধ্য থেকে একজন হন চেয়ারম্যান। কমিশনারদের থাকে মেয়াদ ৫ বছর।
৩ দিন আগে