বাংলাদেশ
হাদি হত্যার বিচার নিয়ে তাড়াহুড়া নয়: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচার নিয়ে তাড়াহুড়া করার কোনো সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। তিনি বলেছেন, ‘বিচার এমন একটি বিষয়, যেটি নিয়ে তাড়াহুড়া করার কোনো সুযোগ নেই। তবে অবশ্যই আমরা তাদের (আসামি) ফেরত আনার চেষ্টা করছি।’
শনিবার (৩ জানুয়ারি) দুপুরে মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে জেলায় কর্মরত বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
হাদি হত্যা মামলার আসামিদের অবস্থান সম্পর্কে উপদেষ্টা বলেন, ‘এখনো শতভাগ নিশ্চিতভাবে আমরা বলতে পারছি না। অন্তত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে আমাকে এখনো নিশ্চিত করে বলা হয়নি যে জড়িতরা নির্দিষ্ট কোনো জায়গায় অবস্থান করছেন।
‘ইন্টারোগেশন (জেরা) থেকে আমরা কিছু ইঙ্গিত পেয়েছি যে, তারা সম্ভবত সীমান্ত পার হয়ে গেছে। যদি আমরা খুব সুনির্দিষ্ট কোনো অবস্থান শনাক্ত করতে পারি, তাহলে ভারতকে বলতে পারব যে অমুক জায়গায় তিনি আছেন, তাকে ধরে আমাদের কাছে হস্তান্তর করা হোক।’
তিনি বলেন, ‘এমনিতেই ভারতের সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ বজায় রয়েছে। দেখা যাক, এ ব্যাপারে আমরা কতটা অগ্রগতি করতে পারি।’
এই মামলার বিচার কতদিনে হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে তৌহিদ হোসেন বলেন, ‘বিচারের ক্ষেত্রে কখনোই সময় নির্দিষ্ট করে দেওয়া যায় না যে এত দিনের মধ্যেই শেষ হবে। এটি সম্পূর্ণ আদালতের বিষয়। তবে আপনারা জানেন, ইতোমধ্যেই চার্জশিট দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। চার্জশিট বিচারব্যবস্থার প্রাথমিক ধাপ যা পুলিশের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে এবং পুলিশই তা করবে। এরপর সরকারের পক্ষ থেকে সার্বিক চেষ্টা থাকবে যেন যত দ্রুত সম্ভব অপরাধীকে বিচারের মুখোমুখি করে শাস্তি নিশ্চিত করা হয়। বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করবে আদালত, সরকার সার্বিক সহযোগিতা করবে।’
এ সময় নির্বাচন নিয়ে বাইরের কোনো চাপ রয়েছে কিনা—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমাদের পক্ষ থেকে সবার সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখার চেষ্টা রয়েছে এবং মোটের ওপর বহির্বিশ্বের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক ভালো। চাপের কোনো প্রশ্নই নেই।’
উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা নিজেরাই নির্বাচন করতে চাইছি। সেক্ষেত্রে বাইরের কোনো চাপের প্রয়োজন নেই। এই সরকার চায়, যত দ্রুত সম্ভব ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন আয়োজন করে নির্বাচিত সরকারের হাতে দায়িত্ব হস্তান্তর করতে। এটাই আমাদের লক্ষ্য।
‘সময় খুবই সংক্ষিপ্ত, মাত্র ছয় সপ্তাহ। তাই এখানে কারও চাপের বিষয় নেই। আমরা নিজেরাই সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি এবং ইনশাল্লাহ, সময়মতো বিষয়গুলোর সমাধান করতে পারব।
‘আর অন্যান্য দেশ আমাদের সঙ্গে কতটা ভালো সম্পর্ক রাখবে, সেটি তাদের সিদ্ধান্তের বিষয়, আমাদের নয়।’
এর আগে, বেলা ১১টার দিকে মুন্সীগঞ্জ শহরের দক্ষিণ কোটগাঁওয়ে অবস্থিত জুলাই শহিদ স্মৃতিস্তম্ভে শহিদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা। এরপর শহরের উত্তর ইসলামপুর এলাকায় জুলাই আন্দোলনে শহিদ তিনজনের কবর জিয়ারত করেন।
এ সময় মুন্সীগঞ্জের জেলা প্রশাসক সৈয়দা নুরমহল আশরাফী, পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলমসহ বিভিন্ন পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তারা তার সঙ্গে ছিলেন।
৬৩ দিন আগে
ফের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সরকারী হলেন সায়েদুর রহমান
পদত্যাগ করার পর ফের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমান।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) তাকে প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায় নিয়োগ দেওয়ার পর স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নির্বাহী ক্ষমতা দিয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
এর আগে, গত বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) পদত্যাগ করেছিলেন তিনি। রাষ্ট্রপতি তার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন বলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছিল তখন।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ডা. মো. সায়েদুর রহমান বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ছিলেন। তিনি গত ৩০ ডিসেম্বর অবসরোত্তর ছুটিতে (পিআরএল) গেছেন। অবসরোত্তর সুবিধা নিশ্চিতের জন্য তিনি বিশেষ সহকারীর পদ থেকে পদত্যাগ করেছিলেন। অবসরের পর তাকে আবারও একই পদে নিয়োগ দেওয়া হয়।
আজ তাকে নিয়োগ দেওয়ার আদেশে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ‘রুলস অব বিজনেস-১৯৯৬’ অনুযায়ী অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমানকে প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। রুলস অব বিজনেস অনুযায়ী তাকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নির্বাহী ক্ষমতা অর্পণ করা হলো।
বিশেষ সহকারী পদে অধিষ্ঠিত থাকাকালে তিনি প্রতিমন্ত্রীর বেতন-ভাতাদি ও আনুষঙ্গিক সুযোগ-সুবিধা পাবেন বলেও প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।
৬৪ দিন আগে
দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোর ইতিবাচক ভাবমূর্তি খালেদা জিয়ার গ্রহণযোগ্যতার প্রমাণ: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন বলেছেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোর ইতিবাচক ভাবমূর্তি প্রমাণ করে যে তিনি দেশে ও দক্ষিণ এশিয়ার মানুষের মধ্যে এক ধরনের গ্রহণযোগ্যতা ও সম্মান অর্জন করেছেন।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার বাংলাদেশে তো বটেই, প্রতিবেশী দেশগুলোতেও এক ধরনের পজিটিভ ইমেজ বা ইতিবাচক ভাবমূর্তি আছে। তিনি নিজেকে যে অবস্থানে নিয়ে যেতে পেরেছিলেন, তা আপনারা জানেন। দলমত নির্বিশেষে দেশের মানুষের মাঝে তার প্রতি এক ধরনের শ্রদ্ধা ও গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে।
গতকাল (বুধবার) খালেদা জিয়াকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে ঢাকায় আসেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্কর। এ ছাড়াও পাকিস্তানের জাতীয় সংসদের স্পিকার সরদার আয়াজ সাদিকসহ দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরাও ঢাকায় সফর করেন। এ তালিকায় ছিলেন ভুটানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডি এন ডুঙ্গেল, মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত হিসেবে দেশটির উচ্চশিক্ষা, শ্রম ও দক্ষতা উন্নয়নবিষয়ক মন্ত্রী ড. আলি হায়দার আহমেদ, নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বালা নন্দা শর্মা এবং শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিজিতা হেরাথ।
ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কী বিষয়ে আলোচনা হয়েছে জানতে চাইলে উপদেষ্টা বলেন, এস জয়শঙ্করের সঙ্গে আমার যে কথাবার্তা হয়েছে, সেখানে রাজনীতি ছিল না। সবার সামনেই আলাপ হয়েছে। সেখানে দ্বিপক্ষীয় কিছু ছিল না।
তিনি বলেন, আমি বলব, এটা সৌজন্যতা, যা সবাই বজায় রেখেছেন। কোনো দ্বিপক্ষীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়নি।
গতকাল আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান বিদেশি প্রতিনিধি ও কূটনীতিকদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেসসচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার এই জাতীয় শোকের সময়ে বাংলাদেশে এসে সংহতি প্রকাশ করায় বিদেশি বিশিষ্টজনদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
বিএনপি চেয়ারপারসন ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে বুধবার বিকেলে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে তার স্বামী প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পাশে সমাহিত করা হয়। জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় জানাজার পর বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তার দাফন সম্পন্ন হয়।
এর আগে, প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের তত্ত্বাবধানে খালেদা জিয়াকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের পক্ষে তার সামরিক সচিব মেজর জেনারেল আবুল হাসনাত মোহাম্মদ তারিক খালেদা জিয়ার কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
৬৪ দিন আগে
দেশে ই-সিগারেট, ভ্যাপ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করল সরকার
তামাক ও নিকোটিনজাত দ্রব্যের ভয়াবহ স্বাস্থ্যঝুঁকি থেকে জনগণকে সুরক্ষা দিতে ই-সিগারেট, ভ্যাপ, হিটেড টোব্যাকোসহ সব ধরনের বিকাশমান তামাকপণ্য নিষিদ্ধ করে ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০০৫’কে আরও শক্তিশালী করে নতুন সংশোধিত অধ্যাদেশ কার্যকর করেছে অন্তর্বর্তী সরকার।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ গত মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) রাষ্ট্রপতির অনুমোদন সাপেক্ষে কার্যকর হয়েছে।
এ আইনের মূল উদ্দেশ্যে হলো তামাক ও নিকোটিনজাত দ্রব্যের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে জনগণকে সুরক্ষা দেওয়া, বিড়ি উৎপাদন সংক্রান্ত পৃথক অধ্যাদেশ বাতিল করে একীভূত আইন প্রণয়ন, ই-সিগারেট, ভ্যাপ, হিটেড টোব্যাকোসহ ইমাজিং তামাকপণ্য সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা।
ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ এর গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন ও সংযোজন—
‘তামাকজাত দ্রব্য’ সংজ্ঞা সম্প্রসারণ: তামাকজাত দ্রব্যের সংজ্ঞায় ই-সিগারেট, ইলেক্ট্রনিক নিকোটিন ডেলিভারি সিস্টেম (ইএনডিএস), হিটেড টোব্যাকো প্রডাক্ট (এইচটিপি), নিকোটিন পাউচসহ সব উদীয়মান পণ্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সরকার এমন যেকোনো পণ্যকে গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে তামাকজাত দ্রব্য হিসেবে ঘোষণা করতে পারবে। এ ছাড়াও, ‘নিকোটিন’ ও ‘নিকোটিন দ্রব্যর’ পৃথক সংজ্ঞা সংযোজনসহ ‘পাবলিক প্লেসের’ সংজ্ঞা ব্যাপকভাবে সম্প্রসারিত করা হয়েছে।
পাবলিক প্লেসে নিষেধাজ্ঞা: সব পাবলিক প্লেস ও পাবলিক পরিবহনে ধূমপানের পাশাপাশি তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এ বিধান লঙ্ঘনের অপরাধে জরিমানা ৩০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০০০ টাকা করা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন ও প্রচার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ: প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক, ইন্টারনেট, সোশ্যাল মিডিয়া, (ওটিটি) প্ল্যাটফর্মসহ সব মাধ্যমে তামাকের বিজ্ঞাপন নিষিদ্ধ, বিক্রয়স্থলে প্যাকেট প্রদর্শন ও প্রচারণা নিষিদ্ধ, সিএসআর কার্যক্রমে তামাক কোম্পানির নাম বা লোগো ব্যবহার এবং কোনো অনুষ্ঠান বা কর্মসূচির নামে তামাক কোম্পানির আর্থিক সহায়তা প্রদান নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও হাসপাতালের আশপাশে বিক্রয় নিষিদ্ধ: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, ক্লিনিক, খেলার মাঠ ও শিশুপার্কের ১০০ মিটারের মধ্যে তামাক বিক্রয় নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
ই-সিগারেট ও উদীয়মান তামাকপণ্য (ইমার্জিং টোব্যাকো প্রোডাক্টস) সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ: উৎপাদন, আমদানি, রপ্তানি, সংরক্ষণ, বিক্রয় ও ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। বিধান লঙ্ঘনে সর্বোচ্চ ৬ মাস কারাদণ্ড ও ৫ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।
কুম্ভি পাতা ও টেন্ডু পাতার বিড়ি নিষিদ্ধ: উৎপাদন, বিপণন ও ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। পৃথক বিডি ম্যানুফ্যাকচার (প্রভিশন) অর্ডিন্যান্স-১৯৭৫ বাতিল করা হয়েছে।
আসক্তিমূলক দ্রব্য মিশ্রণ নিষিদ্ধ: তামাক বা তামাকজাত দ্রব্যের সঙ্গে কোনো ক্ষতিকর আসক্তিমূলক দ্রব্য মেশানো শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিধান রাখা হয়েছে।
স্বাস্থ্য সতর্কবার্তা ও স্ট্যান্ডার্ড প্যাকেজিং: প্যাকেটের ৭৫ শতাংশ জায়গাজুড়ে রঙিন ছবি ও সতর্কবাণী বাধ্যতামূলক স্ট্যান্ডার্ড প্যাকেজিং ছাড়া তামাকজাত দ্রব্য বিক্রয় নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
শাস্তি ও প্রয়োগ জোরদার: জরিমানা ও কারাদণ্ডের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি, কোম্পানির ক্ষেত্রে লাইসেন্স বাতিল ও মালামাল জব্দের বিধান রাখা হয়েছে এবং ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী মামলা পরিচালনার বিধান সন্নিবেশ করা হয়েছে।
৬৫ দিন আগে
সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের কার্যক্রম শুরু, আমানত তুলতে পারায় স্বস্তিতে গ্রাহকরা
সংকটাপন্ন পাঁচ ব্যাংক একীভূত হয়ে গঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের স্বাভাবিক ব্যাংকিং কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এর ফলে গ্রাহকরা স্বাভাবিক লেনদেনের পাশাপাশি আমানতকারীরা তাদের জমানো অর্থ উত্তোলন করতে পারছেন।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন শাখায় এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে অনেক শাখায় পুরোনো সাইনবোর্ড সরিয়ে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের নামে নতুন ব্যানার ও সাইনবোর্ড লাগানো হয়েছে।
একীভূত হওয়া ব্যাংকগুলো হলো— এক্সিম ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ও ইউনিয়ন ব্যাংক।
ব্যাংক কর্মকর্তারা জানান, আজ বৃহস্পতিবার থেকে স্বাভাবিকভাবে টাকা জমা ও উত্তোলন করা যাচ্ছে। আমানত সুরক্ষা আইনের আওতায় দুই লাখ টাকা পর্যন্ত একবারে উত্তোলনের সুযোগ পাচ্ছেন সাধারণ গ্রাহকরা।
দীর্ঘদিন পর টাকা তুলতে পেরে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন আমানতকারীরা। ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের ধানমণ্ডি শাখায় টাকা তুলতে আসা গ্রাহক মনির হোসেন বলেন, ‘দীর্ঘ অপেক্ষার পর অবশেষে টাকা তুলতে গেরে ভালো লাগছে। এই অর্থটা আমার জন্য খুবই জরুরি ছিল।’
বাংলাদেশ ব্যাংকের চূড়ান্ত করা স্কিম অনুযায়ী গ্রাহকদের স্বার্থ রক্ষায় নির্দিষ্ট নীতিমালা ঘোষণা করা হয়েছে:
১. দুই লাখ টাকা পর্যন্ত: যাদের আমানত ২ লাখ টাকা পর্যন্ত, তারা যেকোনো সময় একবারে পুরো টাকা উত্তোলন করতে পারবেন।
২. দুই লাখ টাকার বেশি: যাদের জমা ২ লাখ টাকার বেশি, তারা প্রতি তিন মাস অন্তর সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকা করে আগামী দুই বছর পর্যন্ত তুলতে পারবেন।
৩. বিশেষ সুবিধা: ৬০ বছরের বেশি বয়সী নাগরিক এবং ক্যানসার বা কিডনি ডায়ালাইসিসের মতো গুরুতর রোগে আক্রান্ত আমানতকারীরা চিকিৎসার প্রয়োজনে সীমার বাইরেও টাকা তোলার সুযোগ পাবেন।
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ব্যাংকগুলোর শাখায় এরই মধ্যে ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক’-এর ব্যানার ও সাইনবোর্ড লাগানো শুরু হয়েছে। ব্যাংকিং কার্যক্রম সহজ করতে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানানো হয়েছে:
নতুন কোনো কাগজপত্র সংগ্রহের ঝামেলা ছাড়াই আগের ব্যাংকের চেকবই, ডিপোজিট স্লিপ ও ভাউচার দিয়ে লেনদেন করা যাবে।
আমানতকারীরা তাদের জমার বিপরীতে ২০ শতাংশ পর্যন্ত এবং নতুন আমানতের বিপরীতে ৮০ শতাংশ পর্যন্ত ঋণ বা বিনিয়োগ সুবিধা নিতে পারবেন।
ব্যাংকটির অনুমোদিত মূলধন ৪০ হাজার কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন ৩৫ হাজার কোটি টাকা, যার মধ্যে সরকার ২০ হাজার কোটি টাকা প্রদান করেছে।
৬৫ দিন আগে
ফেনীতে এবারও হচ্ছে না বই উৎসব
নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু হলেও ফেনীতে এবারও বছরের প্রথম দিনে শতভাগ বই পাচ্ছে না শিক্ষার্থীরা। জেলাজুড়ে প্রাথমিক স্তরে শতভাগ পাঠ্যবই সরবরাহ সম্পন্ন হলেও মাধ্যমিক ও দাখিল স্তরে চাহিদার প্রায় অর্ধেকের বেশি বই পাচ্ছে না শিক্ষার্থীরা।
জেলা শিক্ষা কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, মাধ্যমিক ও মাদরাসা স্তরে পাঠ্যবইয়ের চাহিদার সরবরাহ এখনও বাকি থাকায় বছরের প্রথম দিনে শিক্ষার্থীদের হাতে সব বই পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না।
শিক্ষা কার্যালয়ের দেওয়া তথ্যমতে, ফেনীতে মাধ্যমিক পর্যায়ে মোট শিক্ষার্থী ১ লাখ ৬৪ হাজার ১৮৫ জন এবং মাদরাসায় ১ লাখ ৫৪ হাজার ৩৫ জন। ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে দাখিলে ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণিতে বইয়ের মোট চাহিদা ৭ লাখ ৭৬ হাজার ৮৯০টি। যেখানে এখন পর্যন্ত বই এসেছে ১ লাখ ২৭ হাজার ৬৮০টি। মোট বই প্রাপ্তির হার ১৬ দশমিক ৪ শতাংশ।
এছাড়া মাধ্যমিকে ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণিতে বইয়ের মোট চাহিদা ১৩ লাখ ৫৩ হাজার ৫৫৫টি। তবে, এখন পর্যন্ত বই এসেছে ৩ লাখ ৮৪ হাজার ৭৬০টি। মোট বই প্রাপ্তির হার ২৮ দশমিক ৩৫ শতাংশ।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, প্রাথমিকে জেলায় মোট বরাদ্দকৃত বইয়ের সংখ্যা ৫ লাখ ৬২ হাজার ৯২৮টি। চাহিদার শতভাগ বই ইতোমধ্যে জেলার ৫৫৯টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পৌঁছে গেছে। ফেনীর ছয় উপজেলার মধ্যে সদর উপজেলায় বরাদ্দকৃত বই ২ লাখ ৯ হাজার ৬২২টি, দাগনভূঞায় ৯১ হাজার ৬৭০টি, সোনাগাজীতে ১ লাখ ৯ হাজার ৪০০টি, ছাগলনাইয়ায় ৫৯ হাজার ৬৪৪টি, পরশুরামে ৪২ হাজার ৫৮২টি ও ফুলগাজীতে ৫০ হাজার ১০টি।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফিরোজ আহাম্মদ বলেন, প্রাথমিকে ইতোমধ্যে চাহিদা অনুযায়ী শতভাগ বই এসেছে। সবগুলো বিদ্যালয়ে বই পৌঁছে গেছে। বছরের প্রথম দিনেই শিক্ষার্থীরা শতভাগ নতুন বই হাতে পাবে।
জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শফী উল্লাহ বলেন, এখন পর্যন্ত সব মিলিয়ে প্রায় ৬০ শতাংশ বই এসেছে। প্রতিদিন বই আসছে। বছরের শুরুর দিনে মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীরা শতভাগ পাবে না। চাহিদার শতভাগ বই কবে পাওয়া যাবে সেই বিষয়েও এখনও নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না। এছাড়া আনুষ্ঠানিকভাবে বই উৎসব না হলেও বিদ্যালয় থেকে শিক্ষার্থীরা সুবিধাজনকভাবে তাদের বই সংগ্রহ করবেন।
প্রসঙ্গত, এর আগে ২০২৪ শিক্ষাবর্ষ থেকে অষ্টম ও নবম শ্রেণিতে শুরু হয়েছিল নতুন কারিকুলামে পাঠদান। এক বছরের মাথায় রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর আবারও গত বছর পূর্বের কারিকুলামে ফিরে যায় শিক্ষাব্যবস্থা।
৬৫ দিন আগে
রাজধানীর হাজারীবাগে যুবককে কুপিয়ে হত্যা
রাজধানীর হাজারীবাগ থানার ঝাউচর এলাকায় মো. শিপন (২৪) নামে এক যুবককে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) ভোরের দিকে গুরুত আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ওই যুবককে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত শিপনের গ্রামের বাড়ি কুমিল্লা জেলায়। বর্তমানে হাজারীবাগ বড় মসজিদ গলি এলাকায় থাকতেন তিনি। তার বাবার নাম শাহআলম।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাজারীবাগ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুমন চন্দ্র শেখ। তিনি বলেন, ৯৯৯-এ সংবাদ পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাই। হাজারীবাগ ঝাউচর সিয়াম স্কুল গলিতে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে ছিল ছেলেটি। সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে রাত সাড়ে ৩টার দিকে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তার মাথা, দুই হাত ও পায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানোর চিহ্ন রয়েছে বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।
তিনি আরও বলেন, কে বা কারা তাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে, তা তৎক্ষাণিক জানতে পারিনি। ময়নাতদন্তের জন্য মৃতদেহটি ঢামেক হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
৬৫ দিন আগে
মৌচাক ফ্লাইওভারে সিএনজি-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত ২
রাজধানীর মৌচাক ফ্লাইওভারের ওপরে সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে অটোরিকশার চালক ও মোটরসাইকেলের আরোহী নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকাল সোয়া ৬টার দিকে গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতারা হলেন—অটোরিকশার চালক মো. নয়ন তালুকদার (৭০) এবং মোটরসাইকেলের আরোহী মো. ইয়াসিন আরাফাত (২১)।
নিহত নয়ন তালুকদার যাত্রাবাড়ী ধলপুর এলাকার রমেজ তালুকদারের সন্তান ও ইয়াসিন আরাফাত দক্ষিণ মুগদার ১৪১ নম্বর বাসার জহিরুল ইসলামে সন্তান।
ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ফারুক জানান, মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে জানানো হয়েছে।
এই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, মৌচাক ফ্লাইওভারের ওপরে সিএনজি ও মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে দুই গাড়ির চালকই গুরুতর আহত হন। পরে তাদের গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসলে চিকিৎসক দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।
৬৫ দিন আগে
গত অর্থবছরে ৭৮৫.২১ কোটি টাকা মুনাফা করেছে বিমান
গত ২০২৩-২৫ অর্থবছরে ৭৮৫ কোটি ২১ লাখ টাকা নিট মুনাফা অর্জন করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। এ নিয়ে টানা পঞ্চমবারের মতো লাভের ধারা অব্যাহত রেখেছে বিমান।
গত মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স-এর বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বিগত অর্থবছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব প্রকাশ করা হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন বিমান পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান জনাব শেখ বশির উদ্দিন। আরও উপস্থিত ছিলেন বিমান পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা। এ ছাড়াও শেয়ার হোল্ডারদের মধ্যে অর্থ মন্ত্রণালয়, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় জানানো হয়, জাতীয় পতাকাবাহী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স বিগত ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে রেকর্ড পরিমাণ আয় করেছে। এই লাভের পরিমাণ ১১ হাজার ৫৫৯ কোটি টাকা, যা পূর্ববর্তী অর্থবছরের তুলনায় ৯ দশমিক ৪৬ শতাংশ বেশি। একইসঙ্গে গত অর্থবছরে বিমানের অপারেশনাল মুনাফা অর্জিত হয়েছে ১ হাজার ৬০২ কোটি টাকা, আর নিট মুনাফা অর্জিত হয়েছে ৭৮৫ কোটি ২১ লাখ টাকা, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় ১৭৮ শতাংশ বেশি। এ নিয়ে টানা পঞ্চমবারের মতো লাভের ধারা অব্যাহত রেখেছে বিমান এবং সর্বশেষ ১০ অর্থবছরের মধ্যে ৯ বারই নিট মুনাফা অর্জন করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স।
২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে মোট ২১টি উড়োজাহাজের মাধ্যমে দেশি-বিদেশি ৩০টি গন্তব্যে সর্বমোট ৩৩ লাখ ৮৩ হাজার যাত্রী পরিবহন করেছে বিমান, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় ১ শতাংশ বেশি। এ ছাড়াও ৪৩ হাজার ৯১৮ টন কার্গো পরিবহন করে ৯২৫ কোটি টাকা আয় করেছে, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় ৪৫ দশমিক ২১ শতাংশ বেশি।
গত অর্থবছরে বিমান বিদেশি এয়ারলাইন্সের ৩১ হাজার ১১২টি ফ্লাইটে ৬১ লাখ ৩ হাজার ১৪৭ জন যাত্রীকে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং সেবা দিয়েছে বলেও সভায় জানানো হয়।
উল্লেখ্য, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স সম্পূর্ণ নিজস্ব আয়ে পরিচালিত একটি রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা। গত ৫৪ বছরে বিমান সরকার থেকে কোনোপ্রকার ভর্তুকি গ্রহণ করেনি। ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসে বিমানের ইতিহাসে সর্বোচ্চ টিকিট বিক্রির রেকর্ড অর্জিত হয়, যা বাজারে বিমানের ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তা ও যাত্রীদের আস্থার প্রতিফলন।
দ্রুত লাগেজ সরবরাহ, উন্নত ইন-ফ্লাইট সেবা এবং বিমানবন্দর প্রক্রিয়ার আধুনিকায়ন যাত্রী সন্তুষ্টি বাড়িয়েছে। পাশাপাশি, বিমান আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা মান কঠোরভাবে অনুসরণ করে ধারাবাহিকভাবে প্রশংসনীয় সেফটি রেকর্ড বজায় রেখেছে।
বিমানের ভবিষ্যতের পরিকল্পনায় রয়েছে—নতুন জনপ্রিয় গন্তব্যে রুট সম্প্রসারণ, যাত্রীসেবা ও পরিচালনায় ডিজিটাল রূপান্তর এবং কার্গো সেবা শক্তিশালীকরণ। বিমানের লক্ষ্য হলো জাতীয় গৌরবকে ধারণ করে বিশ্বমানের সেবা, নির্ভরযোগ্যতা এবং যাত্রীদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়ার একটি শীর্ষস্থানীয় এয়ারলাইন্সে পরিণত হওয়া।
৬৫ দিন আগে
নতুন বছরে জ্বালানি তেলের দাম লিটারে ২ টাকা কমল
নতুন বছরের শুরুতেই ভোক্তাদের জন্য স্বস্তির খবর এসেছে জ্বালানি খাতে। ডিজেল, অকটেন, পেট্রোল ও কেরোসিনের দাম লিটারে ২ টাকা করে কমানো হয়েছে।
বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) রাতে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। নতুন দাম কার্যকর হবে বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) থেকে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, জানুয়ারি মাসে ডিজেলের দাম প্রতি লিটার ১০৪ টাকা থেকে কমে হয়েছে ১০২ টাকা। একইভাবে অকটেনের দাম ১২৪ টাকা থেকে কমে ১২২ টাকা এবং পেট্রোলের দাম ১২০ টাকা থেকে কমে হয়েছে ১১৮ টাকা। এছাড়া কেরোসিনের দাম প্রতি লিটার ১১৬ টাকা থেকে কমে দাঁড়িয়েছে ১১৪ টাকায়।
জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ জানিয়েছে, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ওঠানামার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে প্রতি মাসে ভোক্তা পর্যায়ে জ্বালানি তেলের মূল্য নির্ধারণ করা হয়। ‘জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ নির্দেশিকা (সংশোধিত)’ অনুসরণ করেই তুলনামূলক সাশ্রয়ী মূল্যে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এর আগে, সর্বশেষ গত ১ ডিসেম্বর সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারে ২ টাকা বাড়ানো হয়েছিল।
৬৫ দিন আগে