বাংলাদেশ
আকস্মিক পরিদর্শনে ঢামেক হাসপাতালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী
আকস্মিক পরিদর্শনে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে গিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
বুধবার (৪ মার্চ) সকাল ৯টার দিকে ঢামেক হাসপাতাল পরিদর্শনে যান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। হাসপাতালের পুরোনো ভবনের বেশ কিছু ওয়ার্ড, জরুরি বিভাগের অপারেশন থিয়েটার ও বার্ন ইউনিট পরিদর্শন করেন তিনি।
পরিদর্শন শেষে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, এখানে রোগীর তুলনায় সুযোগ-সুবিধা কম। আরও চিকিৎসক দরকার। হাসপাতালে স্টাফ, নার্সদেরও স্বল্পতা রয়েছে।
তিনি বলেন, আগে যেমন দেখতাম রোগীর বিছানা তেলাপোকায় ভরা, এখন সেটি কম। রোগীরা অনেক ওষুধ পাচ্ছেন না, এমন অভিযোগ রয়েছে। একটি বাদে বাকি অপারেশন থিয়েটার উন্নত না। অ্যানেসথেসিয়ার চিকিৎসক স্বল্পতা রয়েছে। হাসপাতালের বেডশিটসহ বিভিন্ন কাপড় নিম্নমানের ওয়াশ করানো হয়; এ জন্য হাসপাতালের পরিচালককে বলেছি, বিল কেটে নেওয়ার কথা।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, আজকে আমি কোনো দালাল দেখিনি। হাসপাতালে কাউকে দালালি করতে দেব না। ট্রলি ভাড়া দিয়ে টাকা নিতে দেব না। দালালদের কঠোর হস্তে দমন করা হবে। আমরা সীমিত সম্পদের মধ্যেই স্বাস্থ্যসেবা সবার দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে চাই।
৩ দিন আগে
আনসার-ভিডিপির ভূমিকার প্রশংসা প্রধানমন্ত্রীর; উন্নয়নে সমর্থন অব্যাহত রাখার আশ্বাস
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর (ভিডিপি) সদস্যদের দেশপ্রেম এবং পেশাদারত্বের প্রশংসা করেছেন। এ বাহিনীর উন্নয়নের জন্য সমর্থন অব্যাহত রাখার আশ্বাসও দিয়েছেন তিনি।
বুধবার (৪ মার্চ) প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আনসার ও ভিডিপির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ মন্তব্য করেন।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তারা শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং বাহিনীর চলমান বিভিন্ন কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন।
তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী আনসার ও ভিপিডির সদস্যদের শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষা এবং জনগণের স্বার্থে অক্লান্ত পরিশ্রমের জন্য ধন্যবাদ জানান। পাশাপাশি তিনি বাহিনীর প্রতি নির্দেশ দেন, জাতীয় শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার স্বার্থে জনগণের সেবা যেন তারা অব্যাহত রাখেন।
এ সময় আনসার-ভিডিপি মহাপরিচালক প্রধানমন্ত্রীর কাছে বাহিনীর বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম তুলে ধরেন।
রুমন জানান, আনসার ও ভিপিডির চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম আগামী দিনগুলোতেও অব্যাহত থাকবে বলে প্রধানমন্ত্রী আশ্বস্ত করেন। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তারা যেন সর্বদা প্রস্তুত থাকেন সে ব্যাপারে বাহিনীর সদস্যদের প্রতি আহ্বান তিনি।
৩ দিন আগে
মেট্রোরেলের ভাড়ায় ২৫ শতাংশ ছাড়
প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, শিক্ষার্থী এবং ৬৫ বছরের বেশি বয়সী নাগরিকদের জন্য মেট্রোরেলসহ সব ধরনের রেলসেবায় ২৫ শতাংশ ভাড়া ছাড় দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা জানান তিনি। তবে এই ভাড়া ছাড় কার্যকর হতে কিছুটা সময় লাগবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
মুক্তিযোদ্ধারা কি এ সুবিধা পাবেন- জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, সে বিষয়ে আজকে কোনো কথা হয়নি।
ট্রেনে টিকিটগুলো এখন অনলাইনে কাটা হয়- এ বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, অনলাইনে ওখানে অপশন থাকবে, আইডি কার্ড দেখালে বয়স যদি ৬৫ বছরের বেশি হয়, তবে আপনি ওই ২৫ শতাংশ ডিসকাউন্ট পেয়ে যাবেন। অনবোর্ডেও আইডি কার্ড শো করতে হবে। স্টুডেন্টদের আইডি কার্ড শো করতে হবে এবং যারা প্রতিবন্দী আছেন তাদেরও এই সুবিধা দেওয়া হবে, তাদের একটা কার্ড মন্ত্রণালয় থেকে দেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, আমরা রেলের সার্বিক উন্নয়ন চাচ্ছি। সেবার মান, বর্তমানে যে সমস্ত ট্রেনগুলো চালু আছে তার গতি বৃদ্ধি এবং অল্প সময়ে যাতায়াত কীভাবে করা যায়, তার জন্য বিদ্যমান কিছু প্রকল্প আছে সেগুলো আরও বেগ পাবে বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে। নতুন কিছু প্রকল্প গ্রহণ করা হচ্ছে, যার ফলে রেলের বিদ্যমান যে অবস্থা আপনারা দেখছেন, যে সেবা এবং যে সার্ভিসটা এখানে আছে, সেটা আরও শক্তিশালী, জনবান্ধব এবং মানসম্মত হবে।'
'আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি ৮৫ থেকে ৮৬টা লোকোমোটিভ ব্যবহার করতে পারি কি না এই ঈদে। সেটা যদি আমরা করতে সক্ষম হই, আমার মনে হয় সময়সূচি অনুযায়ী ট্রেন চলাচল সম্ভব হবে। যেহেতু যাত্রী অতিরিক্ত আছে, সেটাও আমরা বহন করতে সক্ষম হব বলে মনে করছি। কোনো শিডিউল বিপর্যয়ের হওয়ার সুযোগ থাকবে না।'
ঈদে ঘরমুখো যাত্রীদের কাছে ভাড়া বেশি নেওয়ার কোনো সুযোগই নেই জানিয়ে শেখ রবিউল আলম বলেন, এটা নিয়ে আপনার যারা বাস মালিক সমিতি আছে, লঞ্চ মালিক সমিতি আছে, তাদের সঙ্গে বসেছি। তারা অঙ্গীকার করেছেন এবং আমরা তাদের কিন্তু নজরদারিতে রেখেছি। যেকোনো মূল্যে আমরা এটা প্রতিষ্ঠিত করব। ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক হবে বলে আশা রাখছি সবার এ রকম সহযোগিতা থাকলে।
সড়ক পরিবহন মন্ত্রী বলেন, 'একটা প্রতিবন্ধকতা হচ্ছে যে, দুই দিনের মধ্যে প্রায় দেড় কোটি লোকের মতো ঢাকা শহর ছাড়ে। পৃথিবীতে এ রকম শহর ছাড়ার নজির নেই। যার ফলে একটা চাপের সৃষ্টি হয়।'
প্রতিশ্রুতি দিয়েও বাস মালিকরা ঈদের সময় ২-৩ গুণ ভাড়া বেশি নেয়- এ বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, এবার তাদের ভাড়া নির্দিষ্ট হারেই নিতে হবে, যে ভাড়া আছে। অঙ্গীকার না শুধু, এটা বাস্তবায়ন করা হবে। তারা যেটা বলেছে—একটা দাবি আমাদের কাছে করেছে—যে বাসটা যখন খালি আসতে চায়, আসতে হয় তাদের, সেতু যখন ক্রস করতে হয়, টোলটা ফ্রি করে দেওয়া যায় কি না—এতটুকু দাবি তাদের আছে। বাকিটা তারা অঙ্গীকার করেছে যে তারা ভাড়া বাড়াবে না, যাত্রীসেবার মানও ঠিক রাখবে, যানজট যাতে না হয়, টিকিট যেটা আছে সেটাও তারা স্বচ্ছতার সঙ্গে বিক্রি করবে। এসব ব্যাপারে আমাদের মনিটরিং আছে। ভাড়া বাড়ানোর কোনো সুযোগ নেই।'
৩ দিন আগে
দুদক চেয়ারম্যানসহ দুই কমিশনারের পদত্যাগ
পদত্যাগ করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুল মোমেন। একইসঙ্গে পদত্যাগ করেছেন দুই কমিশনার মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাফিজ আহসান ফরিদ।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে তারা পদত্যাগপত্র জমা দেন।
কমিশনার মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী জানান, চেয়ারম্যানের সঙ্গে দুই জন কমিশনারও পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।
তিনি বলেন, পদত্যাগ করার কারণে আমি আমার গাড়ির ফ্ল্যাগ নামিয়ে যাচ্ছি।
আবদুল মোমেনের কাছে পদত্যাগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখানে না, এটি অফিসে গিয়ে বলব।
এর আগে, সচিবালয়ে আসেন দুদকের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুল মোমেন ও দুই কমিশনার। দুপুর আড়াইটার দিকে তাদের সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক নম্বর ভবনে প্রবেশ করতে দেখা গেছে। ১০ মিনিটের মধ্যেই তারা পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে বের হয়ে আসেন।
২০২৪ সালের ১০ ডিসেম্বর রাষ্ট্রপতি দুদকের চেয়ারম্যান ও কমিশনারদের নিয়োগ দেন।
‘দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪’ অনুযায়ী তাদের নিয়োগ দেওয়া হয়।
দুদকের আইন অনুযায়ী, কমিশন ৩ জন কমিশনারের সমন্বয়ে গঠিত হয়। তাদের মধ্য থেকে একজন হন চেয়ারম্যান। কমিশনারদের থাকে মেয়াদ ৫ বছর।
৩ দিন আগে
ঈদ উপলক্ষে ট্রেনের অগ্রীম টিকিট বিক্রি শুরু
পবিত্র ঈদুল ফিতরে ঘরমুখো মানুষের যাতায়াত সহজ করতে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সকাল ৮টা থেকে বাংলাদেশ রেলওয়ে টিকিট বিক্রি শুরু করেছে। এ অগ্রিম টিকিট ৩ মার্চ থেকে ৯ মার্চ পর্যন্ত অনলাইনে পাওয়া যাবে । ফিরতি টিকিট বিক্রি হবে ১৩ মার্চ থেকে ১৮ মার্চ পর্যন্ত । আপাতত সব টিকিট অনলাইনে বিক্রি করা হবে।
ঈদের সময় যাত্রীদের ভিড় সামলাতে রেল কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন রুটে ১০টি করে বিশেষ ট্রেন পরিচালনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই বিশেষ ট্রেনগুলো চলবে চট্টগ্রাম-চাঁদপুর-চট্টগ্রাম, ঢাকা-দেওয়ানগঞ্জ-ঢাকা, ভৈরববাজার-কিশোরগঞ্জ-ভৈরববাজার, ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ-ময়মনসিংহ এবং জয়দেবপুর-পার্বতীপুর-জয়দেবপুর রুটে।
ঈদে নিরবচ্ছিন্ন পরিষেবা প্রদানের সুবিধার্থে, ১৬ মার্চ থেকে ঈদের আগের দিন পর্যন্ত আন্তঃনগর ট্রেনগুলির সাপ্তাহিক ছুটি আপাতত স্থগিত থাকবে।
যাত্রীদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য বিভাগীয় এবং জোনাল মনিটরিং সেল গঠন করা হবে। চাহিদার ভিত্তিতে ট্রেনগুলিতে অতিরিক্ত কোচ সংযুক্ত করা হবে। যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলায় রিলিফ ট্রেনগুলিও প্রস্তুত থাকবে।
এদিকে, কন্টেইনার এবং জ্বালানিবাহী ট্রেন ছাড়া পণ্যবাহী ট্রেনগুলি ১৯ মার্চ মধ্যরাত থেকে ঈদের দিন সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।
ঈদযাত্রার অগ্রিম টিকিট একজন যাত্রী সর্বোচ্চ একবার কিনতে পারবেন। এক্ষেত্রে সর্বোচ্চ চারটি আসন সংগ্রহ করা যাবে। কোনো টিকিট রিফান্ড করা হবে না।
টিকিটবিহীন রেল ভ্রমণ রোধ এবং শৃঙ্খলা বজায় রাখতে রেলস্টেশনগুলিতে রেলওয়ে পুলিশ (জিআরপি), র্যাব, বিজিবি এবং স্থানীয় পুলিশসহ আইন প্রয়োগকারী সংস্থা মোতায়েন থাকবে।
৪ দিন আগে
শ্রমিকদের আনুষ্ঠানিক কাঠামোয় আনার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর
শ্রমিকদের আনুষ্ঠানিক কাঠামোর মধ্যে আনার তাগিদ দিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) রাজধানীর সিরডাপ আন্তর্জাতিক কেন্দ্রে ত্রিপক্ষীয় পরামর্শ পরিষদ (টিসিসি)-এর ৯৪তম এবং আরএমজিবিষয়ক ত্রিপক্ষীয় পরামর্শ পরিষদের ২২তম সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেছেন, বাংলাদেশের শ্রমিকদের বড় একটি অংশ এখনও অনানুষ্ঠানিক খাতে রয়েছেন। বিশেষ করে তৈরি পোশাক (আরএমজি) খাতকে কেন্দ্র করে শ্রমিকদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ আনুষ্ঠানিক খাতে থাকলেও সামগ্রিক শ্রমশক্তির বড় অংশ এখনও অনানুষ্ঠানিক। দেশকে একটি টেকসই ও ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থানে নিতে হলে সব খাতকে ধীরে ধীরে আনুষ্ঠানিক কাঠামোর আওতায় আনতে হবে।
তিনি বলেন, নিম্নআয়ের মানুষের সহায়তায় সরকার বিকল্প ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। নির্বাচনি ইশতেহারে ঘোষিত ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির প্রস্তুতিমূলক কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় শিগগিরই এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন শুরু হবে।
খন্দকার মুক্তাদির বলেন, প্রতি পরিবারে একটি করে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করা হবে। এর মাধ্যমে মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা মূল্যের সহায়তা দেওয়া হবে। এর ফলে দেশের নিম্নআয়ের জনগোষ্ঠীর মধ্যে আর্থিক স্থিতিশীলতা কিছুটা হলেও নিশ্চিত হবে।
তিনি আরও বলেন, সরাসরি রেশন ব্যবস্থা না হলেও ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে রেশনের উদ্দেশ্য অনেকটাই পূরণ হবে। সভায় টিটিসি মিটিং নিয়মিত আয়োজনের ওপর জোর দেন তিনি।
টিটিসি সভা নিয়মিত আয়োজনের ওপর জোর দিয়ে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের শিল্প ও শ্রম খাতে নানাবিধ সমস্যা বিদ্যমান, আর এসব সমস্যা সমাধানে নিয়মিত আলোচনা ও মতবিনিময় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শ্রম সচিবের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি বলেন, যে উদ্দেশ্যে টিটিসি গঠন করা হয়েছে, সেই লক্ষ্য পূরণে নিয়মিতভাবে সভার আয়োজন নিশ্চিত করতে হবে।
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, আলোচনার সময় তর্ক-বিতর্ক বা উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হতে পারে, তবে তা গণতান্ত্রিক আলোচনার স্বাভাবিক অংশ। এতে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই, বরং পারস্পরিক সংলাপের মাধ্যমেই সমস্যার টেকসই সমাধান সম্ভব।
তিনি আরও বলেন, শ্রম খাতকে আনুষ্ঠানিক করা না গেলে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী বিধিবিধান নিশ্চিত করা সম্ভব হবে না এবং শ্রমিকদের প্রাপ্য সুবিধাও পুরোপুরি নিশ্চিত করা যাবে না।
শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নূরুল হক এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন। এ ছাড়াও অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশনের ফজলে হাসান শামিম এবং টিটিসি এর সহ সভাপতি মো. আনোয়ার হোসেন বক্তব্য রাখেন।
সভায় দেশের সার্বিক শ্রম পরিস্থিতি পর্যালোচনা, আরএমজি খাতে শ্রম অসন্তোষ নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ সম্পর্কিত আলোচনা ও আসন্ন পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে কল-কারখানার শ্রমিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধ ও ছুটি মঞ্জুর বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুর রহমান তরফদার। সভায় মালিক পক্ষ ও শ্রমিক পক্ষের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
৪ দিন আগে
ছবিযুক্ত ব্যানার-বিলবোর্ড দ্রুত সরানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে তার ছবিসহ অভিনন্দন জানিয়ে বিজ্ঞাপন ও ব্যানার দ্রুত সরানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রধানমন্ত্রী এ নির্দেশনা দেন বলে জানিয়েছেন তার অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।
রুমন জানান, প্রধানমন্ত্রী সচিবালয়ের পথে আসার সময় হাতিরঝিলের পুলিশ প্লাজার সামনে আসলে তার ছবি-সম্বলিত ব্যানার দেখেন। তিনি তা তৎক্ষণাৎ সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেন। সঙ্গে সঙ্গে তা সরানো হয়।
তিনি আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন, রাজধানীজুড়ে তার ছবিসহ সব ধরনের ব্যানার ও বিলবোর্ড দ্রুত সরাতে।
কয়েক দিন আগে বিজয় সরণি অতিক্রমের সময় প্রধানমন্ত্রী একটি এলইডি স্ক্রিনে প্রদর্শিত অভিনন্দন বার্তা দেখেছিলেন এবং সঙ্গে সঙ্গে তা সরানোর নির্দেশ দেন।
রুমন জানান, প্রধানমন্ত্রী আজ সকাল ৯টা ১০ মিনিটে সচিবালয়ে পৌঁছান। পরে কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. জিয়াউল হকের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী উপকূলীয় ও নদী তীরবর্তী এলাকায় জলদস্যুতা, চুরি, অবৈধ বাণিজ্য রোধ এবং মৎস্যজীবীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে টহল বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
যানবাহনের গতি বৃদ্ধি
অতিরিক্ত প্রেস সচিব জানান, ট্রাফিক সিগন্যাল মেনে চলায় রাজধানীর সড়কে যান চলাচলের গতি বেড়েছে; প্রধানমন্ত্রীর কাছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দেওয়া প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
তিনি বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে রাজধানীর যানজট নিরসন এবং সড়কে যানবাহন চলাচলের গতি প্রকৃতি কেমন এই সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন আজকে উপস্থাপন করা হয়েছে। সেই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীসহ রাষ্ট্রের অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা ভিআইপি প্রটোকল ছাড়া চলাচলের কারণেই যানবাহনের গতি বেড়েছে।’
গতি কতটা বেড়েছে তা তুলে ধরে রুমন বলেন, রাজধানীতে আগে যানবাহনের স্বাভাবিক গতি ছিল ৪ দশমিক ৫ কিলোমিটার, যা কী না পায়ে হাঁটা গতির সমান।
আতিকুর রহমান রুমন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী হিসেবে জনাব তারেক রহমান দায়িত্বভার গ্রহণের পরে তিনি ভিভিআইপি প্রটোকল কমিয়ে ট্রাফিক সিগন্যাল মেনে চলাচল করছেন। প্রতিবেদনে গত ১৪ দিনের একটি পরিসংখ্যান দিয়ে বলা হয়েছে যে, ভিভিআইপি প্রটোকলে যানচলাচল বাধাগ্রস্ত না হওয়ায় যানবাহনের গতি ৫ দশমিক ৩ কিলোমিটারে উন্নীত হয়েছে। কারণ প্রধানমন্ত্রীর পর রাষ্ট্রপতি, মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা ট্রাফিক সিগন্যাল অনুসরণ করছেন।’
চালের দাম পর্যবেক্ষণ
চালের মূল্য বৃদ্ধির বিষয়ে অবগত হয়ে প্রধানমন্ত্রী সোমবার সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও কর্তৃপক্ষকে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
রুমন জানান, প্রধানমন্ত্রী যখন খোঁজখবর নেন, তাৎক্ষণিকভাবে এর ইতিবাচক প্রভাব বাজারে দেখা গেছে।
৪ দিন আগে
পুলিশ পুনর্গঠনে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
পুলিশ সংস্কার ও পুনর্গঠনে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিন-ইচি সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ সহযোগিতা কামনা করেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জাপান বাংলাদেশের পরীক্ষিত বন্ধু ও অন্যতম বৃহৎ উন্নয়ন অংশীদার। জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) মাধ্যমে দেশটি মেট্রোরেল ও শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণসহ বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি বড় প্রকল্পে বিনিয়োগ করেছে। দেশটির সঙ্গে আমাদের সহযোগিতার অনেক ক্ষেত্র রয়েছে। জাপান ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)-এর সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করেছে। ভবিষ্যতে পুলিশ সংস্কার ও পুনর্গঠনে জাপান সহযোগিতা করতে পারে। এ ক্ষেত্রে আমাদের পক্ষ থেকে কয়েকটি উপযুক্ত প্রস্তাব দেওয়া হবে।
বৈঠকে উভয় দেশের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা ইস্যু, পুলিশ পুনর্গঠন, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ, ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকের শুরুতে মন্ত্রী রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানান এবং রাষ্ট্রদূত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে তার নতুন পদে নিযুক্তির জন্য অভিনন্দন জানান।
বাংলাদেশের অবকাঠামোগত উন্নয়নে জাপানের অব্যাহত সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, ডিএমপির সড়ক নিরাপত্তা প্রজেক্টটি গত বছর শেষ হয়েছে। আমরা পুলিশ ও ডিএমপির সঙ্গে আরও কাজ করতে আগ্রহী।
চলতি বছর হলি আর্টিজান হামলার দশ বছর পূর্তি হবে উল্লেখ করে সাইদা শিন-ইচি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নিকট বাংলাদেশে অবস্থানরত জাপানের নাগরিকদের নিরাপত্তা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করেন।
এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা জাপানি বিনিয়োগকারী, ব্যবসায়ীসহ বাংলাদেশে বসবাসরত সকল জাপানের নাগরিকের নিরাপত্তা দিতে প্রস্তুত।
তিনি আরও বলেন, জাপানের পক্ষ থেকে যেকোনো অনুরোধ আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করব।
বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক-১ অধিশাখার যুগ্ম সচিব রেবেকা খান, জাপান দূতাবাসের প্রথম সচিব (রাজনৈতিক) কোমিনে কেন, প্রথম সচিব (অর্থনীতি) মোচিদা ইউতারোসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
৪ দিন আগে
নতুন সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে আগ্রহী যুক্তরাজ্য
বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে যুক্তরাজ্য।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে ঢাকায় নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক সাংবাদিকদের এ আগ্রহের কথা জানান।
ব্রিটিশ হাইকমিশনার বলেন, যুক্তরাজ্য-বাংলাদেশ অংশীদারত্বের শক্তি ও গভীরতা পুনর্ব্যক্ত করে উভয় দেশ অভিন্ন অগ্রাধিকার বাস্তবায়নে সহযোগিতা আরও জোরদার করতে চায়।
তিনি বলেন, যৌথ অগ্রাধিকার অনুযায়ী অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি, অভিবাসন, নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন এবং রোহিঙ্গা ইস্যুতে সহযোগিতা শক্তিশালী করার বিষয়ে আমাদের আলোচনা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারত্বে আছে এবং আমরা দেশের নতুন সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ চালিয়ে যাওয়ার জন্য আগ্রহী।
বৈঠক শেষে উভয়পক্ষ বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য সম্পর্কের ভবিষ্যৎ অগ্রযাত্রা নিয়ে আশা প্রকশা করেন এবং দ্বিপাক্ষিক, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিভিন্ন ইস্যুতে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
৪ দিন আগে
জনসেবা, নিরাপত্তা ও দুর্যোগ মোকাবিলা কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
উপকূলীয় ও নদী তীরবর্তী এলাকার মানুষের সেবা করা, শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখা এবং দুর্যোগের সময় সবসময় মানুষের পাশে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের সময়ে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. জিয়াউল হককে এ নির্দেশনা দেন তিনি।
এ সময় তারা পারস্পরিক শুভেচ্ছাবিনিময় করেন এবং দেশের সামুদ্রিক ও উপকূলীয় নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী কোস্ট গার্ডের দেশপ্রেম, পেশাদারত্ব ও দায়িত্বশীল ভূমিকার প্রশংসা করেন। বিশেষ করে উপকূলীয় অঞ্চল ও নদীপথে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, চোরাচালান প্রতিরোধ, জলদস্যুতা দমন এবং দুর্যোগকালীন উদ্ধার তৎপরতায় বাহিনীর অবদানের কথা তুলে ধরেন তিনি।
বৈঠকে মহাপরিচালক কোস্ট গার্ডের চলমান বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন। প্রধানমন্ত্রী এ উন্নয়ন কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে আশ্বস্ত করেন।
দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সর্বোচ্চ প্রস্তুতি ধরে রাখার আহ্বানও জানান প্রধানমন্ত্রী।
৪ দিন আগে