বাংলাদেশ
জুলাইয়ে আইএমএফ পর্যালোচনা, কর্মসূচি সঠিক পথে: অর্থমন্ত্রী
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সঙ্গে বাংলাদেশের চলমান কর্মসূচি সঠিক পথে রয়েছে এবং জুলাইয়ে এর পরবর্তী মূল্যায়ন হবে। একইসঙ্গে আর্থিক খাত স্থিতিশীল করা ও প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে অর্থনৈতিক সংস্কার এগিয়ে নিচ্ছে সরকার।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সচিবালয়ে আইএমএফের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের পরিচালক কৃষ্ণ শ্রীনিবাসনের সঙ্গে বৈঠকের পর অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলেন। তার আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন কৃষ্ণ শ্রীনিবাসন।
বৈঠকের আলোচনার বিষয় জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, আইএমএফের সঙ্গে আমাদের এই কর্মসূচি তো বেশ কয়েক বছর ধরেই চলছে। এটা আবার পরবর্তী মূল্যায়নেও যাবে, তাতে অসুবিধা নাই। এই সময়ে অর্থনীতির যে অবস্থা, সেখান থেকে উত্তরণের জন্য যে প্রোগ্রামগুলো আছে… এই সংকট থেকে উত্তরণের ব্যাপারে, সেগুলো আমরা আলাপ করেছি।
তিনি বলেন, এরকম একটা অবস্থা থেকে উত্তরণ করতে গেলে আমাদের অনেকগুলো সংস্কার দরকার, অনেক জটিল নিয়মকানুন শিথিল করা (ডিরেগুলেশন) দরকার। ব্যাংকিং খাত তো অত্যন্ত খারাপ অবস্থায় আছে, শেয়ার বাজার খুবই খারাপ অবস্থায় আছে। কর-জিডিপি অনুপাতও কঠিন অবস্থায় রয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, এগুলো থেকে উত্তরণ করতে হলে ঘোষণাপত্রে উল্লিখিত বিষয়গুলো বাস্তবায়ন করতে হবে। সেগুলো বাস্তবায়নে আমরা একটার পর একটা পদক্ষেপ নিয়ে যাচ্ছি এবং বাকিগুলো শিগগিরই নেওয়া হবে। ইতোমধ্যে সামাজিক খাতে অনেক কাজ শুরু হয়েছে; ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড ও কৃষিঋণ মওকুফসহ বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে নেওয়া উন্নয়ন প্রকল্পগুলো যে ‘অর্থনৈতিক সংকটে’ থমকে গেছে, সে কথা তুলে ধরে আমির খসরু বলেন, বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ও অনেক কিছু থমকে গেছে, এগুলোকে আবার পুনরুজ্জীবিত করতে হবে। আর তা করতে গেলে সংস্কারের মাধ্যমে আমাদের অর্থনীতিকে একটা জায়গায় নিয়ে যেতে হবে।
তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আমরা বলে আসছি—ডিরেগুলেশন, সংস্কার, ব্যবসা সহজীকরণ এবং ব্যবসার খরচ কমানো জরুরি। এসব পদক্ষেপ বাস্তবায়নের মাধ্যমে অর্থনীতির উন্নয়ন সম্ভব এবং এর প্রতিফলন বাজেটে দেখা যাবে।
আইএমএফের অর্থ ছাড়ের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে অর্থমন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে জুলাইয়ে পরবর্তী মূল্যায়নের সময় আলোচনা হবে। এর মধ্যে আমরা বাজেটের প্রস্তুতি নেব।
জুনের মধ্যে ১৩০ কোটি ডলার দেওয়ার প্রসঙ্গ উঠলে অর্থমন্ত্রী বলেন, সেটি জুলাইয়ের মূল্যায়নের সঙ্গে সম্পর্কিত।
অতিরিক্ত সহায়তা চাওয়া হয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ বিষয়ে এখনো আলোচনা হয়নি। ওয়াশিংটনে এপ্রিল মাসে যে বৈঠক হবে, সেখানে বিষয়টি আলোচনা করা হবে।
বৈঠক শেষে বাংলাদেশে অর্থায়ন করা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে আইএমএফ কর্মকর্তা কৃষ্ণ শ্রীনিবাসন বলেন, অর্থায়ন সংক্রান্ত আলোচনা নীতিনির্ধারণী সংলাপের সঙ্গে সম্পৃক্ত এবং তা সরকারের সঙ্গে অব্যাহত রয়েছে।
তিনি বলেন, অর্থায়ন নিয়ে যে কোনো আলোচনা নীতিগত আলোচনার ভিত্তিতেই হয়, আর আজ সকালে মন্ত্রীর সঙ্গে আমাদের সেটিই হয়েছে।
ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে জ্বালানি সংকটের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘সব দেশই এখন খুব কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। যুদ্ধ প্রতিটি দেশের জন্যই এক অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে এবং বাংলাদেশও একই পরিস্থিতির সম্মুখীন।’
এক্ষেত্রে আইএমএফ কীভাবে সহায়তা করবে—এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, এই বিষয়গুলো নিয়েই আমরা মন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করছি এবং আমরা এ নিয়ে আরও কাজ করব।
অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, সরকারের মাত্র এক মাস হয়েছে। এই এক মাসের মধ্যে রমজান মাস ছিল, এর মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয়েছে। কিন্তু জ্বালানি সংকট সত্ত্বেও পরিবহনে কোনো সমস্যা হয়নি। ঈদের সময় সবাই বাড়িতে যেতে পেরেছে, ভাড়া বাড়েনি, দ্রব্যমূল্যও স্থিতিশীল ছিল।
তিনি বলেন, গার্মেন্টস খাতে প্রতি বছর ঈদের আগে যে সমস্যাগুলো হয়, এবার তেমন কোনো অস্থিরতা ছিল না। কারণ এগুলো আমাদের অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার ফল। আমরা আগে থেকেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছি। সঠিক সময়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণে পুরো রমজানজুড়ে দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল ছিল।
আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, তেলের বড় সংকট থাকা সত্ত্বেও তেলের অভাবে কোনো পরিবহন বন্ধ ছিল না এবং গার্মেন্টস শ্রমিকদের বেতন সময়মতো দেওয়া হয়েছে; কোনো অস্থিরতা ছিল না।
তিনি বলেন, এ পর্যন্ত অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনায় আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি। কিন্তু সরকার একা পারবে না। আমরা দেশবাসীর কাছে আবেদন করব—সবাইকে সহযোগিতা করতে হবে, সহানুভূতিশীল হতে হবে, আমাদের মধ্যে সংযম আনতে হবে।
তার ভাষ্যে, যেহেতু যুদ্ধ কোনো সরকারের হাতে নেই, যুদ্ধ হচ্ছে অন্য জায়গায়, এর প্রভাব আমরা ভোগ করছি। এজন্য আমাদের সংযমী হতে হবে এবং সরকারকে সহযোগিতা করতে হবে। সবাই মিলে আমরা সংকট থেকে উত্তরণ করতে পারব এবং অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে পারব বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
৭২ দিন আগে
মালয়েশিয়া ও ভিয়েতনামের শ্রমবাজার নিয়ে আলোচনায় ইতিবাচক অগ্রগতির আশা প্রতিমন্ত্রীর
মালয়েশিয়া ও ভিয়েতনামের সঙ্গে চলমান আলোচনায় শিগগিরই ইতিবাচক অগ্রগতি আসতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক। তিনি জানিয়েছেন, এই নতুন দুটি শ্রমবাজার পুরোদমে চালু হলে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কর্মী বিদেশে পাঠানোর বড় সুযোগ তৈরি হবে।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান-সংক্রান্ত এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, বর্তমানে মালয়েশিয়ার সঙ্গে সরকারি পর্যায়ে নিবিড় আলোচনা চলছে। পাশাপাশি ভিয়েতনামের ক্ষেত্রেও ইতিবাচক অগ্রগতির সম্ভাবনা রয়েছে। এসব উদ্যোগ সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য বিকল্প ও শক্তিশালী শ্রমবাজার হিসেবে নতুন গন্তব্য তৈরি হবে।
বিদেশে কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে অভিবাসন ব্যয় সুনির্দিষ্ট করে দেওয়া হবে উল্লেখ করে মো. নুরুল হক বলেন, আমরা অভিবাসন ব্যয় নির্ধারণ করে দেব যাতে অতিরিক্ত খরচ ও সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য কমে আসে।
মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতির বিষয়ে তিনি বলেন, যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে আপাতত কিছু দেশে কর্মী পাঠানো ধীরগতির হলেও দীর্ঘমেয়াদে এর বড় কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না। বরং যুদ্ধ-পরবর্তী পুনর্গঠন কার্যক্রমে সেখানে বিপুল জনবলের চাহিদা তৈরি হবে, যা বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য নতুন সম্ভাবনা বয়ে আনবে।
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর পূর্বের নির্দেশনার আলোকে বৈদেশিক কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, প্রবাসীদের কল্যাণ নিশ্চিত করা এবং নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের অগ্রগতি নিয়ে ফলোআপ আলোচনা হয়েছে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।
বিদেশগামী কর্মীদের আর্থিক সহায়তার বিষয়ে তিনি বলেন, কোরিয়া, জাপান, চীন ও জার্মানিসহ বিভিন্ন উন্নত দেশে যেতে ইচ্ছুকদের জন্য ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ সুবিধা দেওয়া হবে। রাষ্ট্রায়ত্ত প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক এই ঋণ প্রদান করবে। তবে এই অর্থ সরাসরি নগদ হিসেবে দেওয়া হবে না; বরং নির্দিষ্ট খাতে প্রয়োজনীয় ব্যয় মেটাতে এটি সরাসরি ব্যবহার করা হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
সিঙ্গাপুরসহ কিছু দেশের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় নির্দিষ্ট কিছু কোম্পানির একচেটিয়া প্রভাব বা সিন্ডিকেটের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এসব ক্ষেত্রে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদার করা হচ্ছে এবং সিন্ডিকেট ভাঙার কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
৭২ দিন আগে
গ্রাহকের অতিরিক্ত চাহিদায় তেল সরবরাহ প্রক্রিয়া ব্যাহত হচ্ছে: জ্বালানিমন্ত্রী
গ্রাহকদের অতিরিক্ত চাহিদার কারণে জ্বালানি তেল সরবরাহের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া ব্যাহত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।
দেশে তেলের কোনো সংকট নেই উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘আগে ডিপো থেকে ট্যাংক-লরি ভর্তি করে সারা দিন বিক্রির পরও তেল উদ্বৃত্ত থাকত। কিন্তু বর্তমানে গ্রাহকরা একসঙ্গে ভিড় করায় মজুদ দ্রুত শেষ হয়ে যাচ্ছে। ডিপো থেকে ট্রাকে তেল ভরতে নির্দিষ্ট সময়ের প্রয়োজন হয়, যে কারণে সকালে কিছুটা সমস্যা হলেও পরে সরবরাহ স্বাভাবিক হচ্ছে।’
চাহিদা ও জোগানের ভারসাম্য নিয়ে তিনি বলেন, ‘আপনাদের একটি বিষয় বুঝতে হবে—হঠাৎ করে ডিমান্ড (চাহিদা) এতটা বেড়েছে যে, সারা দিনের তেল তিন ঘণ্টায় শেষ হয়ে যাচ্ছে। পেট্রোল পাম্পগুলো একটি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ায় চলে। অস্বাভাবিক ভিড়ের কারণে সেই চেইনটি এখন ভেঙে পড়েছে।’
জ্বালানি তেল রেশনিং করার কোনো পরিকল্পনা আছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘এ বিষয়ে এখনই কিছু বলা সম্ভব নয়। তবে আমরা সাধারণ মানুষকে প্রয়োজনের অতিরিক্ত তেল সংগ্রহ না করার অনুরোধ জানাচ্ছি। এতে সরবরাহ ব্যবস্থা ঠিক রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। পর্যাপ্ত তেল আছে, সবাই পাবেন।’
তেল মজুদ রোধে সরকারের পদক্ষেপ প্রসঙ্গে তিনি জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, ‘আমরা এখনও দাম বাড়াইনি। এছাড়া দাম নির্ধারণের বিষয়টি মন্ত্রণালয় দেখে না, এটি বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) কাজ।’
তিনি আরও বলেন, ‘চাহিদা ও জোগানের মধ্যে ব্যবধান তৈরি হলে সাময়িক সংকট দেখা দেওয়া স্বাভাবিক বিষয়। বর্তমানে সেটিই ঘটছে।’
আলাপকালে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত উপস্থিত ছিলেন।
৭২ দিন আগে
আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ সদস্যদের আরও কার্যকর ভূমিকা পালনের আহ্বান আইজিপির
দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ সদস্যদের আরও কার্যকর ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) ঈদুল ফিতরের ছুটির পর প্রথম কর্মদিবসে পুলিশ সদর দপ্তরে আয়োজিত এক ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ আহ্বান জানান।
আইজিপি বলেন, ঈদে ঘরমুখো মানুষের নিরাপদ ও আরামদায়ক যাত্রা নিশ্চিত করতে হাইওয়ে, ট্রাফিক ও জেলা পুলিশসহ সব ইউনিটের সদস্যরা অত্যন্ত আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে তাদের দায়িত্ব পালন করেছেন।
অনুষ্ঠান চলাকালীন পুলিশ প্রধান সদর দপ্তরে কর্মরত সব পর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তা, সদস্য এবং সিভিল স্টাফদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা ও কুশল বিনিময় করেন ।
অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত আইজিপিরা, ঢাকাভিত্তিক বিভিন্ন ইউনিটের প্রধান এবং পুলিশ সদর দপ্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
৭২ দিন আগে
ঈদের ছুটি শেষে সচিবালয়ে অফিস শুরু করলেন প্রধানমন্ত্রী
ঈদের ছুটি শেষে প্রথম কর্মদিবসে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে অফিস শুরু করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, প্রধানমন্ত্রী সকাল ৯টা ১ মিনিটে তার কার্যালয়ে পৌঁছান।
তিনি জানান, কার্যালয়ে পৌঁছানোর পর প্রধানমন্ত্রী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং এরপর তার দাপ্তরিক কাজ শুরু করেন।
অতিরিক্ত প্রেস সচিব আরও জানান, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী রাশিদুজ্জামান মিল্লাত, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি এবং মুখ্য সচিব এ বি এম আবদুস সাত্তারসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
দিনের কর্মসূচির অংশ হিসেবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) এশিয়া ও প্যাসিফিক বিভাগের পরিচালক কৃষ্ণ শ্রীনিবাসন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সকাল ১০টার দিকে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, অর্থনৈতিক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর এবং অর্থ সচিব ড. মো. খায়রুজ্জামান মজুমদার উপস্থিত ছিলেন।
৭২ দিন আগে
বর্ণবাদ নির্মূলে বৈশ্বিক ঐক্যের ডাক বাংলাদেশের
বিশ্বজুড়ে বর্ণবাদ নির্মূল, সাম্য প্রতিষ্ঠা এবং মানবিক মর্যাদা সমুন্নত রাখতে বৈশ্বিক উদ্যোগ জোরদার করার জোরালো আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ।
সোমবার (২৩ মার্চ) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ‘আন্তর্জাতিক বর্ণবাদ নির্মূল দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত এক স্মারক সভায় এই আহ্বান জানানো হয়।
সভায় বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। তিনি বর্ণবাদ ও জাতিগত বৈষম্যবিরোধী সকল আন্তর্জাতিক কনভেনশনে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে স্বাক্ষরের বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দিয়ে বর্ণবাদ নির্মূলে ঢাকার অটুট অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার বক্তব্যে মিয়ানমারের রাখাইন ও ফিলিস্তিনের গাজায় চলমান বর্ণবাদমূলক নিপীড়নের চিত্র তুলে ধরেন। আক্ষেপ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ডারবান ঘোষণা ও কর্মপরিকল্পনার লক্ষ্য অর্জনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এখনও কাঙ্ক্ষিত সাফল্য থেকে অনেকটা পিছিয়ে রয়েছে।
বিশ্বব্যাপী অভিবাসী শ্রমিকদের বঞ্চনা, শোষণ এবং ন্যায়বিচারে তাদের সীমিত প্রবেশাধিকারের সমস্যার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন ড. খলিলুর রহমান। তিনি বলেন, এ ধরনের পরিস্থিতি জাতিসংঘের মূল আদর্শ ও চেতনার পরিপন্থী। বৈষম্য ও অন্যায় প্রতিরোধে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে কার্যকর ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ জানান তিনি।
বাংলাদেশের সাংবিধানিক অঙ্গীকারের কথা উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ শুরু থেকেই মানবাধিকার, সমতা ও মর্যাদা রক্ষায় বদ্ধপরিকর। একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠন, শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করা এবং মানবাধিকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে ঢাকা।
ভবিষ্যতে বর্ণবাদমুক্ত বিশ্ব গড়তে পররাষ্ট্রমন্ত্রী কয়েকটি বিষয়ের ওপর বিশেষ জোর দেন। তিনি শিক্ষায় টেকসই বিনিয়োগ বৃদ্ধি, অনলাইন বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিদ্বেষমূলক বক্তব্য প্রতিরোধ এবং বিভিন্ন জাতির মধ্যে আন্তঃসাংস্কৃতিক সংলাপ ও যোগাযোগ জোরদার করার আহ্বান জানান।
৭৩ দিন আগে
ঈদের ছুটি শেষে খুলেছে অফিস-আদালত
ঈদুল ফিতরের টানা সাত দিনের ছুটি শেষে আজ মঙ্গলবার খুলেছে সরকারি অফিস ও আদালত। গত মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) ছুটি শুরু হয়েছিল।
রমজানে সরকারি অফিস ছিল সকাল ৯টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত। তবে আজ (২৪ মার্চ) থেকে রমজানের আগের সময় অনুযায়ী, অর্থাৎ সকাল ৯টা থেকে শুরু হয়েছে অফিস, যা চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।
মঙ্গলবার অফিস ছাড়াও উচ্চ ও নিম্ন আদালত, ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও শেয়ারবাজার খুলেছে।
গত ২১ মার্চ দেশে মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হয়। এ উপলক্ষে গত ১৭ মার্চ থেকে শুরু হয় টানা সাত দিনের সরকারি ছুটি। গত ১৬ মার্চ ছিল ঈদুল ফিতরের আগে শেষ কর্মদিবস।
১৭ মার্চ শবে কদরের ছুটি এবং ঈদের ৫ দিনের ছুটির মাঝখানে ১৮ মার্চ এক দিন অফিস খোলা ছিল। তবে ঈদে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে ১৮ মার্চও ছুটি ঘোষণা করে সরকার। এতে এবার ঈদুল ফিতরে ১৭ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত টানা ৭ দিন ছুটি পান সরকারি চাকরিজীবীরা। আর গণমাধ্যমকর্মীরা ১৯ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত ছুটি পেয়েছিলেন পাঁচ দিন।
গ্রামের বাড়িতে থাকা প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে রেল, সড়ক ও নৌপথে রাজধানী ছেড়েছেন অসংখ্য মানুষ। কর্মজীবী মানুষ ঈদের ছুটি শেষে ঢাকায় ফিরছেন। এতে করে রাজধানীর লঞ্চ, রেল ও বাসস্টেশনে কর্মস্থলে ফেরা মানুষের ভিড় বেড়েছে।
তবে মঙ্গল ও বুধবার (২৪ ও ২৫ মার্চ) অফিস খোলা থাকার পর বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) স্বাধীনতা দিবসের ছুটি। এর পর শুক্র ও শনিবার (২৭ ও ২৮ মার্চ) আবার দুদিন সাপ্তাহিক ছুটি। তাই ধারণা করা হচ্ছে, অনেক সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী একেবারে ২৯ মার্চ (রোববার) থেকে অফিস শুরু করবেন। তাই আপাতত অফিস খুললেও উপস্থিতি থাকতে পারে অনেকটাই কম। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, স্বাভাবিকভাবে অফিস চলবে মূলত আগামী সপ্তাহ থেকে।
৭৩ দিন আগে
সিন্দুরমতী পুকুরকে আন্তর্জাতিক পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ার ঘোষণা ত্রাণমন্ত্রীর
কুড়িগ্রাম ও লালমনিরহাট সীমান্তবর্তী ঐতিহ্যবাহী সিন্দুরমতী পুকুরকে আন্তর্জাতিক মানের আকর্ষণীয় পর্যটনকেন্দ্রে রূপান্তরের ঘোষণা দিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।
সোমবার (২৩ মার্চ) সকালে সিন্দুরমতী পুকুরপাড়ে আয়োজিত মেলা প্রস্তুতিমূলক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন।
মন্ত্রী বলেন, সিন্দুরমতী পুকুর নিয়ে আমার বড় পরিকল্পনা রয়েছে। এটি কীভাবে একটি আধুনিক ও দর্শনীয় স্থানে রূপ দেওয়া যায়, সেজন্য ঢাকা থেকে স্থপতি (আর্কিটেক্ট) এনে নকশা প্রণয়ন করা হচ্ছে।
তিনি উল্লেখ করেন, অপরিকল্পিতভাবে গড়ে ওঠা বিভিন্ন স্থাপনা ও দোকানপাট পুকুরের প্রকৃত সৌন্দর্য নষ্ট করেছে। এসব স্থাপনা অপসারণ করে পরিকল্পিতভাবে মন্দির স্থাপন করা হবে। এছাড়া বেদখল হওয়া সরকারি জায়গাগুলো সার্ভেয়ারের মাধ্যমে উদ্ধার করা হবে বলেও জানান তিনি।
আগামী ২৭ মার্চ (শুক্রবার) অনুষ্ঠিতব্য ঐতিহ্যবাহী সিন্দুরমতী মেলায় দেশ-বিদেশ থেকে বিপুলসংখ্যক ভক্ত ও দর্শনার্থীর সমাগম ঘটবে বলে আশা প্রকাশ করেন মন্ত্রী। মেলার পরিবেশ অক্ষুণ্ন রাখতে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, মেলায় সার্কাস, মাদক ও জুয়ার মতো অনৈতিক কার্যক্রম সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে।
৭৩ দিন আগে
উগ্রবাদের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান ভূমিমন্ত্রীর
দেশের মানুষ কোনো ধরনের উগ্রবাদকে সমর্থন করে না উল্লেখ করে উগ্রবাদের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু।
সোমবার (২৩ মার্চ) দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল খুরশেদ মোল্লা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে প্রতিষ্ঠানটির ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এক সুবর্ণজয়ন্তী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।
ভূমিমন্ত্রী বলেন, একটি দেশ তখনই এগিয়ে যায়, যখন সেই দেশের অধিকাংশ মানুষ সুশিক্ষায় শিক্ষিত হয়। শিক্ষার সামগ্রিক উন্নয়নে সরকারের ধারাবাহিক প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে দেশে শিক্ষার অভূতপূর্ব অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় বর্তমান নেতৃত্ব শিক্ষাক্ষেত্রে আরও সাফল্য অর্জন করছে।
তিনি আরও বলেন, তারেক রহমান তার পিতা শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ অনুসরণ করে দেশকে উন্নয়ন ও পরিবর্তনের পথে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। একটি দেশ তখনই সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যায়, যখন নেতৃত্ব সহজ-সরল হয় এবং জনগণের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সুসম্পর্ক বজায় রাখে।
রাজশাহী অঞ্চলের শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, এই অঞ্চল শিক্ষাক্ষেত্রে বরাবরই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে এবং এর ধারাবাহিকতায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলাও উন্নয়নের পথে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের প্রধান ড. মুন্সি আবু সাইফ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আমিনুল ইসলাম এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. হারুনুর রশিদসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
৭৩ দিন আগে
ফুটপাত-সড়ক থেকে অবৈধ স্থাপনা সরাতে ডিএমপির আল্টিমেটাম
ঢাকা মহানগরীর ফুটপাত ও রাস্তা দখল করে অবৈধভাবে পরিচালিত দোকান, শোরুম, রেস্তোরাঁ ও ওয়ার্কশপের বর্ধিতাংশ অনতিবিলম্বে অপসারণের নির্দেশ দিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আগামী ১ এপ্রিল থেকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডসহ কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছে ডিএমপি।
সোমবার (২৩ মার্চ) ডিএমপি সদরদপ্তর থেকে জারি করা এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় সড়কের পাশে রেস্তোরাঁ, যানবাহন মেরামতের ওয়ার্কশপ, ওয়েল্ডিং শপ, পোশাক ও আসবাবপত্রের দোকানসহ বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম অবৈধভাবে ফুটপাত ও রাস্তায় সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে রেস্তোরাঁর রান্নার বার্নার, হাঁড়ি-পাতিল, গ্রিল বা কাবাব তৈরির মেশিন, ওয়ার্কশপের টায়ার ও যন্ত্রপাতি এবং শোরুমের আসবাবপত্র ফুটপাতে রেখে জনচলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হচ্ছে। এমনকি রাস্তার ওপর গাড়ি রেখে মেরামতের ফলে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে এবং পথচারীদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে।
ডিএমপি জানায়, ফুটপাত ও রাস্তা দখল করে রাখা এসব মালামাল ও সরঞ্জামাদি জনস্বার্থে অনতিবিলম্বে সরিয়ে নিতে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের অনুরোধ করা হয়েছে। অন্যথায় আগামী ১ এপ্রিল থেকে ডিএমপির স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটদের নেতৃত্বে সামারি ট্রায়াল বা মোবাইল কোর্ট (ভ্রাম্যমাণ আদালত) পরিচালনা করা হবে।
সেই সঙ্গে আইন অমান্যকারী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড ও সংশ্লিষ্ট মালামাল বাজেয়াপ্তসহ কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে জনভোগান্তি লাঘবে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।
৭৩ দিন আগে