বাংলাদেশ
২৮, ২৯, ৩১ জুলাই ও ১ আগস্টের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত
অনিবার্য কারণে দেশের সব শিক্ষা বোর্ডের ২৮, ২৯, ৩১ জুলাই ও ১ আগস্টের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তপন কুমার সরকারের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
স্থগিত হওয়া পরীক্ষাগুলোর নতুন সময়সূচি পরে জানানো হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়।
এর আগে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মধ্যে সহিংসতার জেরে ১৮, ২১, ২৩ ও ২৫ জুলাইয়ের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়।
৫৮৯ দিন আগে
দেশে আরও ৬ জনের করোনা শনাক্ত
দেশে বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) সকাল ৮টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে কারো মৃত্যু হয়নি।
তবে নতুন করে ৬ জনের শরীরে এই ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে মোট আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০ লাখ ৫১ হাজার ২৮৮ জনে।
এখন পর্যন্ত ভাইরাসটিতে মৃত্যু হয়েছে ২৯ হাজার ৪৯৮ জনের।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ১১৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এই সময় শনাক্তের হার ৫ দশমিক ২৬ শতাংশ।
মোট পরীক্ষায় এ পর্যন্ত শনাক্তের হার ১৩ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মোট মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৪৪ শতাংশ।
এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ৭৬ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ ব্যক্তির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০ লাখ ১৮ হাজার ৮৪৮ জনে।
৫৮৯ দিন আগে
অপরাধীদের রুখতে জনগণকে এগিয়ে আসতে হবে: মেট্রোরেলে তাণ্ডব প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশব্যাপী সাম্প্রতিক হত্যাকাণ্ডের অপরাধীরা যাতে বিচারের মুখোমুখি হয় ও শাস্তি পায় তা নিশ্চিত করতে দেশবাসীকে অবশ্যই এগিয়ে আসতে হবে।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) সকালে মিরপুর-১০ নম্বরে ক্ষতিগ্রস্ত মেট্রোরেল স্টেশন পরিদর্শন শেষে তিনি বলেন, 'দেশের জনগণকে এই অপরাধীদের বিচার করতে হবে, আমি তাদের কাছে বিচার চাইছি।’
মেট্রোরেল নির্মাণের সঙ্গে জড়িতরা এমন ধ্বংসযজ্ঞ দেখে চোখের জল ফেলছেন বলে জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কেন তারা এটা করল? এ দেশের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে আমি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি এবং আমি তা করে দেখিয়েছি, এটা কেউ অস্বীকার করতে পারবে না।’
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ যখন পরবর্তী স্তরে উন্নীত হচ্ছে তখন দেশকে পেছনে টেনে নিতে চাচ্ছে ষড়যন্ত্রকারীরা।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘কেন, এটা আমার প্রশ্ন এবং আমি জানি না এর উত্তর কে দেবে।’
আবেগাপ্লুত কণ্ঠে তিনি আরও বলেন, জনগণকে সেবা, সুবিধা ও স্বাচ্ছন্দ্য দিতে যেসব অবকাঠামো নির্মাণ করা হয়েছিল সেগুলো ধ্বংস করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, মেট্রোরেল নির্মাণ করতে সরকারকে অনেক বাধা অতিক্রম করতে হয়েছে এবং এটি নির্ধারিত সময়ের আগেই নির্মাণ করা হয়েছিল।
যাদের আগে যানজটে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হতো, মেট্রোরেল সেই গণমানুষের দুর্ভোগ লাঘব করেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘মেট্রোরেলে কেন এ ধরনের হামলা হচ্ছে, সেটাই আমার প্রশ্ন।’
মেট্রোরেল ও এর সেবা আন্তর্জাতিক মানের বলে দাবি করেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘কী ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞ দেখলাম এখানে! এ দেশের মানুষ এটা করতে পারে এটা বিশ্বাসযোগ্য নয়। কিন্তু এখানে সেটা করা হয়েছে।’
শিক্ষার্থীদের কোটা সংস্কার আন্দোলনের সুযোগ নিয়ে বিএনপি-জামায়াত চক্র এই ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, গত ১৫ বছরে তিনি মানুষের কল্যাণ ও সুখের জন্য সবকিছু করেছেন।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘খাদ্য নিরাপত্তা, বিদ্যুৎ, চিকিৎসা, শিক্ষা ও যোগাযোগ নিশ্চিত করেছি। এসব উন্নয়নের সুফলভোগী কারা? দেশের গণমানুষ। মেট্রোরেলের ওপর এত ক্ষোভ কেন, সেটাই আমার প্রশ্ন।’
তিনি বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের বোঝাতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হয়েছে যে বিষয়টি আদালতে রয়েছে এবং তাদের যেন হতাশ না হতে হয় সেজন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করছে সরকার।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘কিন্তু শীর্ষ আদালতের রায় না আসা পর্যন্ত তারা থেমে থাকেনি, ধৈর্য ধরতে রাজি হয়নি। এখন তারা তাদের দাবি আদায় করে নিচ্ছে, প্রথমে এটা এক দফা ছিল, এখন আট দফা।’
তিনি বলেন, এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি করা হয়েছে যে বিএনপি-জামায়াত জোট এ ধরনের তাণ্ডব চালানোর সুযোগ পেয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সবচেয়ে বেশি ভুক্তভোগী কারা? এই মেট্রোরেল ও ক্ষতিগ্রস্ত স্টেশনগুলো মেরামত করতে কতদিন লাগবে জানি না।’
সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট অস্থিরতার সময় ভাঙচুরের শিকার স্টেশনের বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শনে যান তিনি।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) এ পরিদর্শনের সময় মিরপুর-১০ ও কাজীপাড়া স্টেশনের ক্ষয়ক্ষতি এবং পুনরায় চালুর বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিস্তারিত তুলে ধরেন ঢাকা মাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
উল্লেখ্য, গত শুক্রবার মিরপুর-১০ ও কাজীপাড়া মেট্রো স্টেশনে ভাঙচুর চালিয়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করে অজ্ঞাত ব্যক্তিরা।
এর আগে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের মুখে গত ১৮ জুলাই মেট্রোরেল চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
৫৮৯ দিন আগে
রেল যোগাযোগ চালুর বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি: রেলওয়ের মহাপরিচালক
দেশের চলমান পরিস্থিতিতে কবে থেকে ট্রেন চলাচল শুরু হবে সে বিষয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক সরদার সাহাদাত আলী।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) ইউএনবিকে এ তথ্য জানান তিনি।
সাহাদাত আলী বলেন, ‘ট্রেন চলাচলের বিষয়ে এখনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। ট্রেন চলাচল চালু রাখা কোনো বিষয় না, বিষয়টি হচ্ছে এর নিরাপত্তা। সার্বিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে মন্ত্রী, সচিব এবং সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে আলোচনা করে কবে থেকে ট্রেন চলবে সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’
উল্লেখ্য, আজ থেকে স্বল্প দূরত্বের যাত্রীবাহী ট্রেনগুলো চলাচল শুরুর কথা থাকলেও নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে।
৫৮৯ দিন আগে
মিরপুর-১০ নম্বরে ক্ষতিগ্রস্ত মেট্রোরেল স্টেশন পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী
মিরপুর-১০ নম্বরে ক্ষতিগ্রস্ত মেট্রোরেল স্টেশন পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট অস্থিরতার সময় ভাঙচুরের শিকার স্টেশনের বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শনে যান তিনি।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) এ পরিদর্শনের সময় মিরপুর-১০ ও কাজীপাড়া স্টেশনের ক্ষয়ক্ষতি এবং পুনরায় চালুর বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিস্তারিত তুলে ধরেন ঢাকা মাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
উল্লেখ্য, গত শুক্রবার মিরপুর-১০ ও কাজীপাড়া মেট্রো স্টেশনে ভাঙচুর চালিয়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করে অজ্ঞাত ব্যক্তিরা।
এর আগে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের মুখে গত ১৮ জুলাই মেট্রোরেল চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
তদন্ত কমিটি ১০ কার্যদিবসের মধ্যে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ যাচাইয়ের প্রতিবেদন জমা দিলেই পুনরায় মেট্রোরেল চালুর সময়সূচি ঘোষণা করা হবে বলে জানান ডিএমটিসিএলের কর্মকর্তারা।
এর আগে গত ২২ জুলাই মেট্রোরেলের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে এবং কবে নাগাদ এটি আবার চালু করা যায় তা নির্ধারণে মেট্রোরেল এমআরটি লাইন-৬ প্রকল্পের অতিরিক্ত পরিচালক অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ জাকারিয়াকে প্রধান করে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
দেশের বহুল প্রতীক্ষিত মেট্রোরেল উদ্বোধনের প্রায় দুই মাস পর ২০২৩ সালের ১ মার্চ জনসাধারণের জন্য মেট্রো স্টেশনটি খুলে দেয় সরকার।
প্রকল্পের মূল নির্মাণ কাজ শুরু হয় ২০১৭ সালে।
দেশের প্রথম মেট্রোরেল প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয় ৩৩ হাজার ৪৭২ কোটি টাকা। এই প্রকল্পে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা) ১৯ হাজার ৭১৯ কোটি টাকা ঋণ দেয় আর বাকি অর্থায়ন করে বাংলাদেশ সরকার।
শুরুতে এ প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় ছিল প্রায় ২১ হাজার কোটি টাকা। মতিঝিল থেকে কমলাপুর পর্যন্ত অতিরিক্ত ১ দশমিক ৬ কিলোমিটার অংশ নির্মাণ, প্রতিটি স্টেশনের জন্য নতুন জমি অধিগ্রহণ এবং বিভিন্ন নতুন সুযোগ-সুবিধা সংযোজনের কারণে ব্যয় বেড়ে যায়।
২০২২ সালের ২৮ ডিসেম্বর মেট্রোরেলের এমআরটি-৬ লাইনের উত্তরা-আগারগাঁও অংশের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।
৫৮৯ দিন আগে
ধ্বংসযজ্ঞ দেখে কূটনীতিকরা স্তম্ভিত: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ধ্বসযজ্ঞের চিত্র দেখে কূটনীতিকরা স্তম্ভিত হয়ে গেছেন বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেছেন, তারা এ ধরনের তাণ্ডবের তীব্র নিন্দা জানাতে ‘শেইম’, ‘শেইম’ উচ্চারণ করে বলেছেন- এটি তোমাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়, আমরা তোমাদের সঙ্গে আছি।’
বুধবার (২৪ জুলাই) বিকালে বিদেশি মিশনপ্রধান ও কূটনীতিকদের নিয়ে সম্প্রতি দুষ্কৃতকারীদের বিভিন্ন স্থানে তাণ্ডবলীলায় চরম ক্ষতিগ্রস্ত ও পুড়ে যাওয়া রাজধানীর চারটি স্থাপনা পরিদর্শন শেষে সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী একথা জানান।
ড. হাছান বলেন, ‘আজকে আমরা ডিপ্লোম্যাটিক মিশনগুলোর বাংলাদেশে কর্মরত কূটনীতিকদের ঢাকা শহরের বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান- সেতু ভবন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, মিরপুর ১০ মেট্রোরেল স্টেশন ও বিটিভি ভবনের মতো জায়গায় নিয়ে গিয়েছিলাম। আমাদের পরিকল্পনা ছিল তাদের আরও কয়েক জায়গায় নিয়ে যাওয়া, বিশেষ করে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর, ডেটা সেন্টার। কিন্তু রাস্তায় প্রচুর যানজট ও বৃষ্টির কারণে অনেক বেশি সময় লেগেছে। তবে তারা মিরপুরের মেট্রোরেলের ধ্বংসযজ্ঞ দেখেছেন; সেখানে কীভাবে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, এমনকি ফুটওভার ব্রিজও পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। সেতু ভবনে যেভাবে তাণ্ডব চালানো হয়েছে, সেখানে ১২ তলা পর্যন্ত আগুন দিয়েছে; সাততলা পর্যন্ত তারা উঠে ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে।’
আরও পড়ুন: দেশের অর্থনীতি ধ্বংস করাই ছিল বিএনপি-জামায়াতের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী
মন্ত্রী বলেন, ‘বিটিভি হচ্ছে টেলিভিশনের আঁতুর ঘর। আজকে যারা টেলিভিশন চ্যানেলগুলো চালান, তাদের অনেকের হাতেখড়ি হয়েছে বিটিভিতে। এই অঞ্চলের এবং বাংলা ভাষার প্রথম টিভি চ্যানেল বিটিভি। ১৯৬৪ সালে এটি স্থাপিত হয়। ভারতে তখনও টেলিভিশন চ্যানেল হয়নি। সেখানে যেভাবে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে এবং কী পরিমাণ ধ্বংসযজ্ঞ, সারি সারি গাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে!’
তিনি বলেন, ‘মেট্রোরেলের পাশের গাড়িগুলো পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এগুলো রাষ্ট্রের ওপর হামলা। এগুলো জনগণের সম্পত্তি। তাদের হামলা তৎকালীন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর তাণ্ডবকেও হার মানিয়েছে।’
‘পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী কিন্তু আমাদের টেলিভিশন চ্যানেল জ্বালিয়ে দেয়নি, কিন্তু এরা জ্বালিয়ে দিয়েছে। হানাদার বাহিনী যেভাবে মানুষের ঘরবাড়ি পুড়িয়েছে, এরাও একই কায়দায় মানুষের সম্পত্তি, রাষ্ট্রের সম্পত্তি পুড়িয়েছে।’
ড. হাছান বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলসে আমাদের মিশনের সামনে একটি বিক্ষোভের আয়োজন করা হয়। সেখানে পাকিস্তানিরা যোগ দিয়েছিল। বেশ কয়েকজন পাকিস্তানি সেটি আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত ছিল। একইভাবে আমাদের বিভিন্ন মিশনের সামনে যে বিক্ষোভ হয়েছে, সেখানে বিএনপি-জামায়াত চক্র পাকিস্তান কমিউনিটির সহায়তা নিয়েছে বিভিন্ন জায়গায়। সেই সহায়তা নিয়ে এসব জায়গায় বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে এবং গুজব ছড়াচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘আজকে কূটনীতিকরা যাওয়ার পর অনেকেই বলেছে- দিস ইজ শেইম, শেইম। অনেকেই আমার কাছে তাদের অনুভূতি শেয়ার করেছে, সবাই বলেছে- ইটস ইওর ইন্টারনাল অ্যাফেয়ার, উই আর উইথ ইউ।’
কূটনৈতিক অঙ্গনে এ সময়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভূমিকাও উঠে আসে মন্ত্রীর বক্তব্যে।
তিনি বলেন, ‘আমরা আমাদের মন্ত্রণালয় থেকে বিদেশি মিশনগুলোর কাছে নোট পাঠিয়েছিলাম যে, এটি আমাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়। এটি নিয়ে যেন বিদেশি দূতাবাস বা কূটনীতিকরা গণমাধ্যমে কোনো বিবৃতি না পাঠায়। তারা সেটি মেনে চলেছে। আজকে তারা গণমাধ্যমে কথা বলতে চাননি। সেজন্য গণমাধ্যমকে সেখানে ডাকিনি।’
আরও পড়ুন: সপ্তাহজুড়ে সংঘর্ষের পর স্বাভাবিক হচ্ছে বাংলাদেশ, নিহত প্রায় ২০০: এপি
এসময় গণমাধ্যমকে ধন্যবাদ দিয়ে ড. হাছান বলেন, ‘অতীতে এ ধরনের কিছু ঘটলেই আমাদের কুটনীতিকদের উদ্বুদ্ধ করা হতো কথা বলার জন্য। এবার আপনারা (গণমাধ্যম) সেটি করেননি, সেজন্য আপনাদেরও ধন্যবাদ জানাই।’
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ‘সংযুক্ত আরব আমিরাত আর বাংলাদেশি শ্রমশক্তি না নেওয়ার কথাটি সম্পূর্ণ গুজব। আজকেও ইউএই রাষ্ট্রদূত এটি নিশ্চিত করেছেন।’
প্রতিবেশী ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, মিয়ানমার ছাড়াও থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, সৌদি আরব, ফিলিস্তিনসহ রাশিয়া, চীন, জাপান, তুরস্ক, জার্মানি, ইতালি, স্পেন, ব্রুনাই, মিশর, আলজেরিয়া ও আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনারবৃন্দ, ইউএনডিএসএস, আইইউটি, আইএফডিসির প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন দেশের ৪৯ জন কূটনীতিক এ পরিদর্শনে অংশ নেন।
এসময় পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেন উপস্থিত ছিলেন।
৫৯০ দিন আগে
দেশের অর্থনীতি ধ্বংস করাই ছিল বিএনপি-জামায়াতের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী
কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে সাম্প্রতিক সহিংসতার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তার ধারণা ছিল, দেশের অর্থনীতিকে পঙ্গু করতে এবং সমৃদ্ধির অগ্রযাত্রাকে থামিয়ে দিতে বিএনপি-জামায়াত জোট দেশব্যাপী ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড চালাতে পারে।
বুধবার (২৪ জুলাই) বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এডিটরস গিল্ডের উদ্যোগে দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমের সম্পাদক, বার্তা প্রধান ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকদের সঙ্গে মত বিনিময়কালে প্রধানমন্ত্রী একথা বলেন।
সরকারপ্রধান বলেন, ‘আমি জানতাম, (৭ জানুয়ারি) ইলেকশন করতে দেবে না। তারপরও আমরা ইলেকশন করে ফেলেছি। (তারা বলেছিল) ইলেকশন করার পর ইলেকশন গ্রহণযোগ্য হবে না, সেটাও গ্রহণযোগ্য আমরা করতে পেরেছি। সরকার গঠন করতে পেরেছি। আমার ধারণা ছিল, এ ধরনের একটা আঘাত আবার আসবে।’
শেখ হাসিনা বলেন, ২০১৩-১৪ সালের নির্বাচনের আগে-পরেও বিএনপি-জামায়াত জোট অগ্নিসন্ত্রাস চালিয়ে শত শত মানুষকে হত্যা এবং হাজার হাজার মানুষকে আহত করে।
কোটা আন্দোলন ঘিরে সৃষ্ট সহিংসতার পেছনে অনেক বড় ষড়যন্ত্র ছিল জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এটা যে একটা বিরাট চক্রান্ত, সেটা বোঝাই যাচ্ছিল।... এই যে লোক চলে আসা, এবার আমরা কিন্তু আগে থেকে খবর পেয়েছি- লোক ঢুকবে। গোয়েন্দা দিয়ে সব হোটেল, কোথায় থাকতে পারে, সেগুলো নজরদারিতে আনা হয়েছে। কিন্তু ওরা সেখানে ছিল না; এরা চলে এসেছে ঢাকার ঠিক বাইরের পেরিফেরিতে (সংলগ্ন এলাকায়)।’
আরও পড়ুন: ক্রমবর্ধমান সামুদ্রিক খাবারের চাহিদা মেটাতে সমুদ্র সম্পদে বিনিয়োগ করুন: প্রধানমন্ত্রী
‘সারা বাংলাদেশ থেকে শিবির-জামায়াত এরা কিন্তু এসেছে। সঙ্গে সঙ্গে কিন্তু ছাত্রদলের ক্যাডাররাও সক্রিয় ছিল। যতগুলো ঘটনা ঘটেছে, এতে এরাও (বিএনপি) সক্রিয় ছিল।’
আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আরেকটা জিনিস খেয়াল করবেন, তখনও কিন্তু লাশ পড়েনি। অথচ স্টেট ডিপার্টমেন্টের (যুক্তরাষ্ট্রের) বক্তব্যে এসে গেল- লাশ পড়েছে। লাশের খবর তাদের কে দিল? তাহলে লাশ ফেলার নির্দেশটা কে দিয়েছে, এটারও খবর নেওয়া দরকার। তারপর কিন্তু লাশ পড়তে শুরু করল।’
তিনি বলেন, ‘আমি এমন কোনো ঘটনা দেখতে চাই না, যাতে দেশে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি হয়ে অস্থিতিশীলতার সৃষ্টি হয়। তারা দেশের অর্থনীতিকে ধ্বংস করার টার্গেট করেছিল।’
দেশের অগ্রগতি ও সমৃদ্ধিকে পঙ্গু করার উদ্দেশ্যে এই পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের প্রতি যারা সমর্থন দিয়েছিলেন, তাদের বোঝার সক্ষমতা নিয়ে এসময় প্রশ্ন তোলেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, স্বার্থান্বেষী মহলের একমাত্র লক্ষ্য দেশের স্বাধীনতাকে ক্ষুণ্ন করা এবং গত ১৫ বছর ধরে বাংলাদেশ যে গণতন্ত্র ভোগ করে আসছে তা বন্ধ করা।
সাম্প্রতিক সহিংস পরিস্থিতিতে কারফিউ দেওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় ছিল না জানিয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ‘আমি তো চাইনি আমাদের গণতান্ত্রিক ধারায় এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটুক, আমাদের কারফিউ দিতে হোক।... একটা গণতান্ত্রিক পরিবেশে এটা আমাদের কাম্য ছিল না। কিন্তু আজ না দিয়ে কোনো উপায় ছিল না; না দিলে আরও যে কত লাশ পড়ত, তার হিসাব নেই।’
তিনি বলেন, ‘যখন তারা (শিক্ষার্থীরা) ঘোষণা দিল যে, চলমান নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে তারা জড়িত নয়, তখনই আমরা সেনাবাহিনী নামানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
দেশবাসীকে সব ধরনের সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ ও সহিংসতার বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘দেশবাসীকে অনুরোধ করব, যারা এভাবে দেশের সর্বনাশটা করল- গণমানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নতির জন্য, তাদের আয় বৃদ্ধি, তাদের চলাচলের সুবিধার জন্য, তাদের জীবনমান উন্নত করার জন্য যতগুলো স্থাপনা তৈরি করেছি, সবগুলোতেই তারা আঘাত করেছে, সবগুলো তারা ভেঙে দিয়েছে। (এসব ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডে) ক্ষতিটা কার? নিশ্চয়ই জনগণের। এখানে তো জনগণকেই রুখে দাঁড়াতে হবে; এ সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে, জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে, জনগণকেই সোচ্চার হতে হবে। কারণ এরা তো কোনোদিনই কোনো দেশে ভালো কিছু করতে পারেনি।’
তিনি আরও বলেন, সাম্প্রতিক এই তাণ্ডবের টার্গেট ছিল আওয়ামী লীগ, মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘যে দাবি তারা করেছিল কোটা সংস্কারের, যতটুকু চেয়েছিল, তার থেকে অনেক বেশি দিয়েছি। যখন তাদের দাবি মেনে নেওয়া হলো, তারপরও তারা এ জঙ্গিদের সুযোগ করে দিল কেন? কোটা আন্দোলনকারীদের কিন্তু জাতির কাছে একদিন এ জবাব দিতে হবে। কেন মানুষের এত বড় সর্বনাশ করার সুযোগ করে দিল?’
‘আমরা সবসময় তাদের সহানুভূতি দেখিয়েছি। তাদের সবসময় নিরাপদ রাখার চেষ্টা করেছি; কিন্তু যেসব ঘটনা ঘটেছে, তাতে কখনো ক্ষমা করা যায় না।’
মত বিনিময় সভা সঞ্চালনা করেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব মো. নাঈমুল ইসলাম খান। স্বাগত বক্তব্য দেন এডিটরস গিল্ডের প্রেসিডেন্ট মোজাম্মেল বাবু।
সভায় আরও বক্তব্য দেন- জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক আবেদ খান, বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক নঈম নিজাম, ডিবিসি টেলিভিশনের এডিটর ইন চিফ মঞ্জুরুল ইসলাম, ভোরের কাগজের সম্পাদক ও জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শ্যামল দত্ত, যুগান্তরের সম্পাদক সাইফুল আলম, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন, ঢাকা জার্নালের প্রধান সম্পাদক সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা, নাগরিক টেলিভিশনের হেড অব নিউজ ও বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব দীপ আজাদ, আরটিভির হেড অব নিউজ মামুনুর রহমান খান, দৈনিক আমাদের সময় ও বিজনেস পোস্টের নির্বাহী সম্পাদক মাইনুল আলম, বাংলাদেশ জার্নালের সম্পাদক শাজাহান সর্দার, ডিবিসি টেলিভিশনের নিউজ এডিটর জায়েদুল আহসান পিন্টু, ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের হেড অব নিউজ আশিষ সৈকত, বাংলা ট্রিবিউনের সম্পাদক জুলফিকার রাসেল, ৭১ টিভির হেড অব নিউজ শাকিল আহমেদ, এনার্জি অ্যান্ড পাওয়ারের সম্পাদক মোল্লাহ আমজাদ, কিংস নিউজের হেড অব নিউজ নাজমুল হক সৈকত প্রমুখ।
আরও পড়ুন: সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে আ. লীগের নেতাকর্মীদের প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান
বাংলাদেশে পেরোদুয়া গাড়ি উৎপাদন করতে মালয়েশিয়ার প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান
৫৯০ দিন আগে
নাশকতাকারীদের শনাক্ত করতে জনসাধারণের সহযোগিতা চেয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে অগ্নিসংযোগ, ধ্বংসযজ্ঞ চালানো, নাশকতাকারী ও দুর্বৃত্তদের তথ্য বা ছবি বা ভিডিও ফুটেজ সরবরাহ করে জনগণের সহযোগিতা চেয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর।
বুধবার (২৪ জুলাই) সংক্ষিপ্ত বার্তায় পুলিশ সদর দপ্তর জনসাধারণকে সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছে।
আরও পড়ুন: বগুড়ায় ভুয়া এএসপি গ্রেপ্তার, পুলিশ সদর দপ্তরের জাল চিঠি উদ্ধার
পাশাপাশি নাশকতার ছবি বা ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহের ক্ষেত্রেও সহায়তা চেয়েছে পুলিশ।
পুলিশ সদর দপ্তর তথ্যদাতাদের পরিচয় গোপন রাখার বিষয়টিও নিশ্চিত করেছে।
পুলিশ সদর দপ্তরে ০১৩২০০০১২২২ অথবা ০১৩২০০০১২২৩ নম্বরে যোগাযোগ করা যেতে পারে।
আরও পড়ুন: মামলাগুলো সতর্কতার সঙ্গে তদন্ত করুন: পুলিশ সদর দপ্তর
অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে হত্যার রহস্য উদঘাটন করুন: পুলিশ সদর দপ্তর
৫৯০ দিন আগে
ডেঙ্গুতে আরও ১৭৪ জন আক্রান্ত
ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে দেশে বুধবার (২৪ জুলাই) সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় কারো মৃত্যু হয়নি। তবে এই সময়ের মধ্যে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৭৪ জন।
এর মধ্যে ঢাকার হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৮২ জন। আর ঢাকার বাইরের হাসপাতালে নতুন করে ভর্তি হয়েছেন আরও ৯২ জন রোগী।
আরও পড়ুন: দেশে ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১১২
চলতি বছরে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৫০ জনের। এদের মধ্যে পুরুষ ৪৬ শতাংশ ও নারী ৫৪ শতাংশ।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সরকারি প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২৪ জুলাই পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন মোট ৪ হাজার ৯৬৭ জন। এদের মধ্যে পুরুষ ৬০ দশমিক ৯ শতাংশ ও নারী ৩৯ দশমিক ১ শতাংশ।
আরও পড়ুন: ডেঙ্গুতে আরও ২৫ জন আক্রান্ত
ডেঙ্গুতে আরও ১১০ জন আক্রান্ত
৫৯০ দিন আগে
কর্মীদের অর্থ আত্মসাত: ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে মামলা চলবে
গ্রামীণ টেলিকমের কর্মীদের লভ্যাংশের টাকা আত্মসাতের মামলায় ড. মুহাম্মদ ইউনূসের করা রিভিশন আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট।
একইসঙ্গে এক বছরের মধ্যে মামলার বিচার শেষ করতে বিচারিক আদালতকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
বুধবার (২৪ জুলাই) বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকতার ও বিচারপতি কাজী ইবাদত হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আরও পড়ুন: গ্রামীণ টেলিকমের টাকা আত্মসাৎ: অভিযোগ গঠনের আদেশ বাতিল চেয়ে ড. ইউনূসের আবেদন
আদালতে ড. ইউনূসের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার আবদুল্লাহ আল মামুন। দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।
আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক।
এছাড়া বুধবারের এই আদেশের ফলে ড. ইউনূসসহ সাতজনের বিরুদ্ধে এই মামলা চলতে বাধা নেই বলে জানিয়েছেন দুদকের আইনজীবী।
গত ১২ জুন ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক সৈয়দ আরাফাত হোসেন এই আদেশ দেন। পরে অভিযোগ গঠনের এই আদেশ বাতিল চেয়ে গত ৮ জুলাই ড. মুহাম্মদ ইউনূস হাইকোর্টে আবেদন জানান। আবেদনে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশ বাতিল চাওয়া হয়। ড. ইউনূসের আইনজীবী আবদুল্লাহ আল মামুন এ আবেদন দায়ের করেন।
প্রসঙ্গত, গ্রামীণ টেলিকমের কর্মীদের লভ্যাংশের ২৫ কোটি ২২ লাখ ৬ হাজার ৭৮০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ২০২৩ সালের ৩০ মে মামলা করে দুদক।
আরও পড়ুন: গ্রামীণ টেলিকমের টাকা আত্মসাৎ: অভিযোগ গঠনের আদেশ বাতিল চেয়ে ড. ইউনূসের আবেদন
ড. ইউনূসকে তার বিষয় নিয়ে বিতর্কের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর
৫৯০ দিন আগে