বাংলাদেশ
সিজারিয়ান অপারেশনের সংখ্যা কমিয়ে আনার আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর
স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন সারা দেশে সন্তান জন্ম দেওয়ার ক্ষেত্রে সিজারিয়ান অপারেশনের সংখ্যা কমাতে সরকারের প্রতিশ্রুতির কথা বলেছেন।
বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) সকালে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস ২০২৪ পালন উপলক্ষে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব কনভেনশন হলে আয়োজিত উদ্বোধনী ও আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘আপনারা যারা গ্রাম পর্যায়ে কাজ করেন তাদের কাছে আমার বিনীত অনুরোধ আপনারা মানুষদের, গর্ভবতী মায়েদের বোঝান, তারা যাতে ঠিকমতো চেক আপ করেন।’
ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, ‘নিয়মিত ও সময়মতো কমিউনিটি ক্লিনিক, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গর্ভবতী মায়েরা যাতে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করায়। আমরা সিজারের সংখ্যা কমিয়ে আনতে চাই। সিজারের সংখ্যা যত কমিয়ে নিয়ে আসতে পারব ততই মঙ্গল।’
আরও পড়ুন: হাসপাতালে চিকিৎসকদের অবহেলা সহ্য করা হবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
তিনি বলেন, প্রত্যেকটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে সবার আগে আমি যেটা দেখি সেটা হচ্ছে এএনসি কর্ণার। আমি খোঁজ নিয়ে দেখি গর্ভবতী মায়েরা কয়জন চেকআপ করছেন, কোথায় ইনস্টিটিউশনাল ডেলিভারি হচ্ছে, কোথায় সিজারিয়ান বেশি হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, অনেক জায়গায় অনেকে বলেন যে আগে সিজার হয়েছে তাই সিজার করতে হবে। সেটা কোনো উত্তর হতে পারে না। আগে কেন হলো সেটার কারণ খুঁজে বের করতে হবে। আমরা যদি একেবারে মূল কারণ খুঁজে বের করে গোড়া থেকে কাজ করি তাহলে সিজারের সংখ্যা অবশ্যই কমিয়ে আনতে পারব।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. রোকেয়া সুলতানা, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব মো. আজিজুর রহমান, ইউএনএফপিএ বাংলাদেশের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বিভাবেন্দ্র সিং রঘুবংশী, পরিবার কল্যাণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আ ন ম আল ফিরোজ প্রমুখ।
আরও পড়ুন: ব্রেস্ট ক্যান্সার যত দ্রুত সম্ভব শনাক্তকরণ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
৬০৪ দিন আগে
কোটা আন্দোলন: শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফেরার আহ্বান ছাত্রলীগের
সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি নিয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের আদালতের সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করতে এবং ক্লাস ও পরীক্ষায় ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।
বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) দুপুর ১২টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে চলমান কোটাবিরোধী আন্দোলন নিয়ে নিজেদের অবস্থান জানায় ছাত্রলীগ।
ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি সাদ্দাম হোসেন আদালতের পর্যবেক্ষণ বিবেচনার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, ‘শুধু নির্বাহী বিভাগ থেকে আদেশ চাওয়া বুদ্ধিমানের কাজ নয়। ভালো সিদ্ধান্ত নিতে সময় লাগে।’
আরও পড়ুন: বৃহস্পতিবার অর্ধদিবস 'বাংলা ব্লকেড' পালন করবে কোটা আন্দোলনকারীরা
কোটা পদ্ধতির গুরুত্ব তুলে ধরে ছাত্রলীগ সভাপতি বলেন, ‘কোটা ব্যবস্থা একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক কাঠামো যা অংশগ্রহণ এবং লিঙ্গ ভারসাম্য নিশ্চিত করে। সরকার ও হাইকোর্ট এ সমস্যা সমাধানে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। শিক্ষার্থীদের ধৈর্য ধরতে হবে।’
তিনি আরও স্পষ্ট করে বলেন, ‘এটা কোনো বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন নয়। পরিসংখ্যান দেখায় যে লিঙ্গ ভারসাম্য ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রশাসন নিশ্চিত করার জন্য কোটা অপরিহার্য।’
চলমান আন্দোলনের প্রভাব সম্পর্কে ছাত্রলীগ সভাপতি সড়ক ও রেল অবরোধের কারণে সৃষ্ট অচলাবস্থার সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা সংকট সৃষ্টি করছে, জনদুর্ভোগ ডেকে আনছে। নীতিগত আলোচনা ও কৌশলগত পদক্ষেপের মাধ্যমে এসব সমস্যার সমাধান করতে হবে। আমরা শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।’
আরও পড়ুন: সর্বোচ্চ আদালতের আদেশে সরকারের পরিপত্র বলবৎ: কোটা প্রসঙ্গে তথ্য প্রতিমন্ত্রী
৬০৪ দিন আগে
এলডিসি থেকে উত্তরণের পরও বাংলাদেশকে জিরো ট্যারিফ সুবিধা দেবে চীন
২০২৬ সালে বাংলাদেশ এলডিসি স্ট্যাটাস থেকে উত্তরণের পরেও একটি অন্তর্বর্তীকালীন সময়ের জন্য চীনের কাছ থেকে করযোগ্য ৯৮ শতাংশ পণ্যের শূন্য-শুল্ক (জিরো ট্যারিফ) সুবিধা পাবে।
২০২২ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে পেয়ে আসা এ সুবিধার জন্য চীনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে বাংলাদেশ।
চীনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তিন দিনের সরকারি সফর শেষে এক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থায়ন খাতে সহযোগিতা আরও বাড়ানো, বাংলাদেশ-চীন মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির যৌথ সম্ভাব্যতা সমীক্ষা শেষ করে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু করতে সম্মত হয়েছে দুই দেশ।
আরও পড়ুন: রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনই একমাত্র সমাধান: একমত ঢাকা-বেইজিং
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সঙ্গে বৈঠক শেষে বৃহস্পতিবার ভোরে দেশে ফেরেন শেখ হাসিনা।
বাংলাদেশ থেকে চীনে আম রপ্তানির প্রাথমিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়াও পাট, চামড়া, জলজ পণ্য এবং অন্যান্য উচ্চমানের বিশেষ পণ্য রপ্তানি সম্প্রসারণে বাংলাদেশকে স্বাগত জানিয়েছে চীন।
এছাড়াও উচ্চমানের বাংলাদেশি কৃষিপণ্য চীনে রপ্তানির বিষয়ে যোগাযোগ আরও জোরদার করতে সম্মত হয়েছে দুই দেশ।
পাশাপাশি বাণিজ্য সহজীকরণ, সহায়তা ও প্রকল্প বা কর্মসূচির জন্য অর্থায়ন বিষয়ে ভবিষ্যত সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করেছে চীন ও বাংলাদেশ।
দুই দেশই যত দ্রুত সম্ভব চীন-বাংলাদেশ বিনিয়োগ চুক্তির আধুনিকায়নের বিষয়ে আলোচনা শুরু করতে সম্মতি দিয়েছে।
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও শিল্প পার্ক, তেল ও গ্যাস অনুসন্ধান, নতুন জ্বালানি, পানিসম্পদ ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থাপনা, পোশাক ও অন্যান্য উৎপাদন খাতের মতো খাতে চীনা উদ্যোক্তাদের আরও বিনিয়োগকে স্বাগত জানানো হয়। পাশাপাশি চীনা প্রকল্প ও কর্মীসহ সব বিদেশি বিনিয়োগের নিরাপত্তা, বৈধ অধিকার ও স্বার্থ রক্ষায় বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করা হয়।
উভয় পক্ষ পিপিপি মডেলের মাধ্যমে অবকাঠামো ও নির্মাণ প্রকল্পগুলোতে সহযোগিতা গভীর করার বিষয়ে একমত প্রকাশ করেছে।
আরও পড়ুন: দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে স্থানীয় মুদ্রার ব্যবহার বাড়াতে সম্মত বাংলাদেশ-চীন
এছাড়াও 'স্মার্ট বাংলাদেশ' বিনির্মাণে সমর্থন ও অংশগ্রহণ, দুই দেশের ডিজিটাল ও আইসিটি থিংক ট্যাংকগুলোর মধ্যে সহযোগিতা ও ডিজিটাল সক্ষমতা বাড়াতে যৌথভাবে একটি ডিজিটাল ইনোভেশন ল্যাব প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা প্রকাশ করেছে চীন।
ডিজিটাল অর্থনীতির ক্ষেত্রে বিনিয়োগ সহযোগিতা জোরদার করতে দুই দেশই সম্মতি জানিয়েছে।
ডিজিটাল অর্থনীতি শিল্পে দ্বিপক্ষীয় বিনিময়ে সহায়তা করবে বলে জানিয়েছে চীন। বাংলাদেশের ডিজিটাল অবকাঠামো উন্নয়নে চীনা সফটওয়্যার কোম্পানিগুলোকে উৎসাহিত করা হবে। পাশাপাশি ডিজিটাল ও আইসিটি শিল্পের উন্নয়নে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ে চীন-বাংলাদেশ উদ্ভাবন সহযোগিতা ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা দেখবে।
দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের ডিজিটাইজেশনের প্রচারের জন্য “তথ্য শিল্প এবং ডিজিটাল বাণিজ্যের আন্তর্জাতিক বন্দর” এ সহযোগিতা চালাতে প্রস্তুত আছে বলে জানিয়েছে চীন।
এসব উদ্যোগের প্রশংসা ও ধন্যবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ।
বাংলাদেশের সামুদ্রিক টেকসই উন্নয়ন ও স্থিতিস্থাপকতা বাড়ানোর লক্ষ্যে সামুদ্রিক পর্যবেক্ষণ, দুর্যোগ প্রতিরোধ ও প্রশমন, ওশান টু ক্লাইমেট সিমলেস ফোরকাস্টিং সিস্টেম (ওএসএফ) এবং মেরিন হ্যাজার্ডস আর্লি ওয়ার্নিং অ্যান্ড মিটিগেশন সিস্টেমের ক্ষেত্রে মেরিটাইম এবং ব্লু ইকোনমি সহযোগিতা বাড়াতে সম্মত হয়েছে দুই দেশই।
এছাড়াও সামুদ্রিক বিষয়ে আরও এগিয়ে যেতে বাংলাদেশকে সহায়তা করবে চীন।
শিগগিরই দ্বিতীয় দফায় সামুদ্রিক সহযোগিতা সংলাপ আয়োজনে সম্মত হয়েছে দুই দেশ।
প্রতিরক্ষা সহযোগিতার ক্ষেত্রে, সব পর্যায়ে এবং বিভিন্ন সশস্ত্র বাহিনী ও বিভাগের মধ্যে বিনিময় আরও জোরদার করতে এবং ব্যবহারিক সহযোগিতাও বাড়াতে রাজি হয়েছে চীন-বাংলাদেশ।
পাশাপাশি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা ও শান্তি বিনির্মাণের বিষয়ে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও সম্পৃক্ততা ধরে রাখতে একমত হয়েছে দুই দেশ।
মানবতার তাগিদে মানবাধিকারের প্রচার ও সুরক্ষা করতে হবে এবং জীবিকা নির্বাহ ও উন্নয়নের অধিকারগুলো সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ মৌলিক মানবাধিকার এ বিষয়ে দুই দেশই একমত হয়েছে।
সমতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে সব দেশের মধ্যে মানবাধিকার বিষয়ে বিনিময় ও সহযোগিতা সমর্থন করে চীন ও বাংলাদেশ। এছাড়াও দুই দেশই মানবতার সাধারণ মূল্যবোধকে সমর্থন করে, মানবাধিকারের রাজনীতিকরণের বিরোধিতা করে এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার এজেন্ডার সব ক্ষেত্রে যৌথভাবে সুষ্ঠু অগ্রগতি প্রচারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
আরও পড়ুন: শি-হাসিনার বৈঠক: বাংলাদেশকে অনুদান ও ঋণ সহায়তা দেবে চীন
৬০৪ দিন আগে
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনই একমাত্র সমাধান: একমত ঢাকা-বেইজিং
বাস্তুচ্যুতদের মিয়ানমারে দ্রুত প্রত্যাবাসনে সহায়তা করতে সংলাপের প্ল্যাটফর্ম প্রদানসহ 'সর্বোত্তম সমর্থন অব্যাহত রাখার' প্রতিশ্রুতি দিয়েছে চীন।
মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া বাস্তুচ্যুতদের সমস্যা সমাধানের একমাত্র উপায় যে প্রত্যাবাসন, সে বিষয়ে উভয় পক্ষ একমত প্রকাশ করেছে।
৮-১০ জুলাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেইজিং সফর শেষে এক যৌথ বিবৃতিতে এসব বিষয় জানানো হয়েছে।
উভয় পক্ষ সংলাপ ও পরামর্শের মাধ্যমে মতপার্থক্য দূর করার জন্য মিয়ানমারের সব পক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে এবং যত তাড়াতাড়ি সম্ভব রাখাইন রাজ্যে শত্রুতা বন্ধের ওপর জোর দিয়েছে।
বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে চীনের প্রশংসা করা হয় এবং রাখাইন রাজ্য থেকে বাস্তুচ্যুত মানুষদের বিষয়ে শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য সংলাপের পথ প্রসারে গঠনমূলক ভূমিকা অব্যাহত রাখতে চীনের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়।
আরও পড়ুন: দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে স্থানীয় মুদ্রার ব্যবহার বাড়াতে সম্মত বাংলাদেশ-চীন
চীন বাস্তুচ্যুতদের জন্য মানবিক সহায়তা প্রদানে বিগত বছরগুলোতে বাংলাদেশের প্রচেষ্টার প্রশংসা করে এবং বন্ধুত্বপূর্ণ আলোচনা ও দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান প্রত্যাবাসন ব্যবস্থা অনুসরণ করে পারস্পরিক গ্রহণযোগ্য সমাধান খুঁজে বের করার জন্য বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করে।
বাংলাদেশ কক্সবাজার ও ভাসানচরে ১৩ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে এবং ২০১৭ সালের ঘটনার পর থেকে একজন রোহিঙ্গাকেও প্রত্যাবাসন করা হয়নি।
প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৮ থেকে ১০ জুলাই সরকারি সফর করেন।
সফরকালে শেখ হাসিনা শি'র সঙ্গে বৈঠক করেন এবং চীনা পিপলস পলিটিক্যাল কনসালটেটিভ কনফারেন্সের জাতীয় কমিটির চেয়ারম্যান ওয়াং হুনিংয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
সৌহার্দ্যপূর্ণ ও বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশে উভয় পক্ষ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও পারস্পরিক স্বার্থ সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক ইস্যুতে গভীর মতবিনিময় করেছে ও বিস্তৃত ঐকমত্যে পৌঁছেছে।
আরও পড়ুন: রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের আহ্বান জানিয়ে জাতিসংঘে প্রস্তাব গৃহীত
৬০৪ দিন আগে
দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে স্থানীয় মুদ্রার ব্যবহার বাড়াতে সম্মত বাংলাদেশ-চীন
বাংলাদেশ ও চীন আর্থিক নিয়ন্ত্রণে সহযোগিতা বাড়াতে সম্মত হয়েছে এবং দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে স্থানীয় মুদ্রা নিষ্পত্তির বর্ধিত ব্যবহারকে উৎসাহিত করেছে।
বেইজিংয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৩ দিনের সরকারি সফর শেষে এক যৌথ বিবৃতিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে।
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সঙ্গে বৈঠক শেষে বুধবার দিবাগত রাতে দেশে ফিরেছেন শেখ হাসিনা।
বাংলাদেশের পক্ষ থেকে চীনা ব্যাংকগুলোকে বাংলাদেশে শাখা স্থাপনের স্বাগত জানানো হয়।
বাংলাদেশ ও চীন আন্তর্জাতিক ও বহুপক্ষীয় বিষয়ে সমন্বয় জোরদার করতে সম্মত হয়েছে এবং উন্নয়নশীল দেশগুলোর অভিন্ন স্বার্থ যৌথভাবে রক্ষায় আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা, টেকসই উন্নয়ন, মানবাধিকার, মানবিক বিষয়াদি, জলবায়ু পরিবর্তন, জ্বালানি রূপান্তর ও পরিবেশ সুরক্ষা সম্পর্কিত বহুপক্ষীয় প্রক্রিয়ায় অবস্থান আরও সমন্বয় ও বৃহত্তর ঐকমত্য গড়ে তুলতে উদ্যত অবস্থার বিষয় জানিয়েছে।
প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের পেশ করা বিশ্ব উন্নয়ন উদ্যোগের বিভিন্ন দিক নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে আলোচনা হয়েছে।
গ্লোবাল ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ (জিডিআই) ইস্যুতে বাংলাদেশের সঙ্গে অভিজ্ঞতা বিনিময় করতে প্রস্তুত চীন।
আরও পড়ুন: শি-হাসিনার বৈঠক: বাংলাদেশকে অনুদান ও ঋণ সহায়তা দেবে চীন
সবার জন্য শান্তি, উন্নয়ন ও অভিন্ন সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে গ্লোবাল সিকিউরিটি ইনিশিয়েটিভ (জিএসআই) এবং গ্লোবাল সিভিলাইজেশন ইনিশিয়েটিভ (জিসিআই) বাংলাদেশের পক্ষকে উপস্থাপন করেছে চীন।
প্রধানমন্ত্রী লি'র আমন্ত্রণে ৮ থেকে ১০ জুলাই সরকারি সফর করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
সফরকালে শেখ হাসিনা শি'র সঙ্গে বৈঠক করেন এবং চীনা পিপলস পলিটিক্যাল কনসালটেটিভ কনফারেন্সের জাতীয় কমিটির চেয়ারম্যান ওয়াং হুনিংয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
সৌহার্দ্যপূর্ণ ও বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশে উভয় পক্ষ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও পারস্পরিক স্বার্থ সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক ইস্যুতে গভীর মতবিনিময় করেছে ও বিস্তৃত ঐকমত্যে পৌঁছেছে।
বাংলাদেশের পক্ষ থেকে গণপ্রজাতন্ত্রী চীন প্রতিষ্ঠার ৭৫তম বার্ষিকীতে চীনা পক্ষকে অভিনন্দন জানানো হয় এবং নতুন যুগে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে দেশটির ঐতিহাসিক অর্জন ও রূপান্তরের প্রশংসা করা হয়।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশকে ১ বিলিয়ন ডলার আর্থিক সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা চীনা প্রধানমন্ত্রীর: হাছান মাহমুদ
বাংলাদেশ সব দিক থেকে চীনকে একটি মহান আধুনিক সমাজতান্ত্রিক দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে এবং এর আধুনিকীকরণের পথে সব ফ্রন্টে চীনা জাতির মহান পুনরুজ্জীবনকে এগিয়ে নিতে তাদের প্রচেষ্টার প্রশংসা করেছে এবং নির্ধারিত সময়ে জাতীয় পুনরুজ্জীবনের চীনা স্বপ্ন বাস্তবায়নে তাদের আন্তরিক ইচ্ছা প্রকাশ করেছে।
চীন অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে বাংলাদেশের অগ্রগতির প্রশংসা করেছে এবং নির্ধারিত সময়ে ২০২৬ সালে জাতিসংঘের স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) স্ট্যাটাস থেকে উত্তরণ এবং 'স্মার্ট বাংলাদেশ' রূপকল্প ২০৪১ বাস্তবায়নে বাংলাদেশের অব্যাহত অগ্রগতির প্রতি অব্যাহত সমর্থন ব্যক্ত করেছে।
উভয় পক্ষ ২০১৬ সালে প্রতিষ্ঠিত সহযোগিতার কৌশলগত অংশীদারিত্বের প্রশংসা করে এবং চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক একটি নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে বলে সম্মত হয়।
৬০৪ দিন আগে
রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের আহ্বান জানিয়ে জাতিসংঘে প্রস্তাব গৃহীত
মিয়ানমার হতে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত বাংলাদেশে সাময়িকভাবে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের রাখাইনে সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টির মাধ্যমে মিয়ানমারে প্রত্যাবাসন এবং এ জনগোষ্ঠীর পক্ষে ন্যায়বিচার ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার মাধ্যমে চলমান রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানের ওপর জোর দিয়ে বুধবার জেনেভায় জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদের চলমান ৫৬তম অধিবেশনে রোহিঙ্গা সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়েছে।
মানবাধিকার পরিষদের চলমান অধিবেশনে বাংলাদেশের উদ্যোগে ইসলামি সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) সব সদস্য রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ‘রোহিঙ্গা মুসলিম ও মিয়ানমারের অন্যান্য সংখ্যালঘুদের মানবাধিকার পরিস্থিতি’ শীর্ষক প্রস্তাবটি পেশ করা হয়।
নিবিড় ও সুদীর্ঘ আপস-আলোচনা শেষে প্রস্তাবটি বুধবার জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদে সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।
রেজুলেশন গৃহীত হওয়ার পর জেনেভাস্থ বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের ভারপ্রাপ্ত স্থায়ী প্রতিনিধি সঞ্চিতা হক বলেন, ‘অপ্রতুল সম্পদ ও নানাবিধ সীমাবদ্ধতা নিয়ে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে অনির্দিষ্টকালের জন্য আশ্রয় দেওয়া বাংলাদেশের জন্য সম্ভবপর নয়।’
আরও পড়ুন: রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনে চীনকে সহায়তা করার আহ্বান পুনর্ব্যক্ত প্রধানমন্ত্রীর
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের উদ্বেগের কারণগুলোর গুরুত্ব অনুধাবন করে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উচিৎ প্রত্যাবসনে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করা।
এছাড়া, প্রত্যাবাসন নিয়ে চলমান দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তার ফলে রোহিঙ্গাদের মধ্যে সৃষ্ট হতাশা এবং এর নানাবিধ নেতিবাচক প্রভাবের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি রাখাইনে দ্রুত সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টির মাধ্যমে টেকসই ও স্বেচ্ছা প্রত্যাবাসনের শুরু করার ওপর জোর দেন।
গৃহীত প্রস্তাবটিতে সম্প্রতি রাখাইনে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সহিংসতা, রোহিঙ্গাদের বাস্তুচ্যুত করা এবং তাদের জোরপূর্বক বিভিন্ন সশস্ত্র বাহিনীতে নিয়োগের ব্যাপারে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।
প্রস্তাবটি মিয়ানমারে যুদ্ধরত সব পক্ষকে রোহিঙ্গাদের সুরক্ষা দেওয়া এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানায়। মিয়ানমার সংঘাতের কারণে বাংলাদেশসহ প্রতিবেশী দেশের জানমালের ক্ষয়ক্ষতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রস্তাবটি মিয়ানমারকে তার আন্তর্জাতিক সীমান্তে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানায়।
গৃহীত প্রস্তাবটিতে বিতাড়িত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে সাময়িক আশ্রয় প্রদানের জন্য বাংলাদেশ সরকারের ভূয়সী প্রশংসা করা হয়।
আরও পড়ুন: রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীনের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান
এই প্রস্তাবে রোহিঙ্গাদের জন্য অপর্যাপ্ত ও সংকুচিত আর্থিক সহযোগিতার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে রোহিঙ্গাদের জন্য পর্যাপ্ত অর্থ সহায়তা প্রদান করার জন্য আহ্বান জানানো হয়।
প্রস্তাবে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে যৌন অপরাধসহ সব প্রকার নির্যাতন, মানবতা-বিরোধী অপরাধ ও যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত ও দায়ী ব্যক্তিদের জাতীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিচার ব্যবস্থার আওতায় আনা ও তদন্ত প্রক্রিয়া জোরদার করার প্রতি গুরুত্বারোপ করা হয়।
এ প্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত ও আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালতে চলমান বিচার প্রক্রিয়াকেও সমর্থন জানানো হয়।
এছাড়া, প্রস্তাবটিতে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে চলমান সব প্রচেষ্টাকে স্বাগত জানিয়ে এরূপ পরিস্থিতিতে করণীয় নির্ধারণে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের এখতিয়ারের কথা পুনর্ব্যক্ত করা হয়।
প্রস্তাবটিতে জাতিসংঘ মানবাধিকার হাইকমিশনারকে মিয়ানমার বিষয়ক ‘নিরপেক্ষ আন্তর্জাতিক তথ্যানুসন্ধানী মিশন’ এর সুপারিশগুলো বাস্তবায়নের অগ্রগতির উপর মানবাধিকার পরিষদ এবং জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে প্রতিবেদন উপস্থাপনের অনুরোধ জানানো হয়।
আরও পড়ুন: রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে আহ্বান জানিয়েছে দাতা সংস্থাগুলো
৬০৪ দিন আগে
চীন সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী
চীনে ৩ দিনের সরকারি সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইট বুধবার দিবাগত রাত ১টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
চীনে ৮ থেকে ১০ জুলাই সফরকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে এবং চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সঙ্গে গ্রেট হল অব দ্য পিপলে পৃথক বৈঠক করেন।
বুধবার সকালে প্রতিনিধি পর্যায়ের বৈঠকের পর বাংলাদেশ ও চীন ২১টি সহযোগিতা নথিতে সই করেছে, যার বেশিরভাগই সমঝোতা স্মারক। এসব নথিতে এশিয়ার এই ২ দেশের মধ্যে শক্তিশালী উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার দিকে নজর দেওয়া হয়েছে।
পাশাপাশি, বাংলাদেশ-চীন মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) সম্পর্কিত যৌথ সম্ভাব্যতা যাচাই শেষসহ ৭টি ফলাফল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ও চীন।
চীনের প্রধানমন্ত্রী লি'র আমন্ত্রণে সরকারি সফরে সোমবার সকালে বেইজিং যান শেখ হাসিনা।
আরও পড়ুন: বিভিন্ন ক্ষেত্রে সম্পর্ক জোরদারে ঢাকা-বেইজিংয়ের মধ্যে ২১টি সহযোগিতা নথি সই
৬০৪ দিন আগে
শেখ হাসিনা-লি কিয়াং বৈঠক: ২২ সমঝোতা স্মারক সই
বেইজিংয়ের গ্রেট হলে চীনের প্রিমিয়ার অব দ্য স্টেট কাউন্সিল লি কিয়াংয়ের সঙ্গে দু'দেশের উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি পর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বুধবার (১০ জুলাই) সকালে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
পরে দুপুরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের জানান, বৈঠক শেষে দুই প্রধানমন্ত্রী দু'দেশের মধ্যে ২১টি সমঝোতা স্মারক সই প্রত্যক্ষ করেন। এসময় চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং বাংলাদেশকে ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সহায়তার ঘোষণাও দিয়েছেন। এছাড়া সাতটি ঘোষণাও দেওয়া হয়।
পরে বেইজিংয়ের সেন্ট রেজিস হোটেলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের উপস্থিতিতে ২১টি সমঝোতা স্মারক সই হয়।
চীনের সঙ্গে সই করা স্মারকগুলো হলো-
১. ডিজিটাল অর্থনীতিতে বিনিয়োগ সহযোগিতা জোরদার করার বিষয়ে সমঝোতা।
২. চায়না ন্যাশনাল ফাইন্যান্সিয়াল রেগুলেটরি অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এনএফআরএ) এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের মধ্যে ব্যাংকিং এবং বিমা নিয়ন্ত্রণ-সংক্রান্ত সমঝোতা।
৩. বাংলাদেশ থেকে চীনে আম রপ্তানির জন্য উদ্ভিদ স্বাস্থ্য সম্পর্কিত (ফাইটোস্যানিটারি) উপকরণ বিষয়ে প্রটোকল।
৪. অর্থনৈতিক উন্নয়ন নীতি সহায়তা ক্ষেত্রে সমঝোতা।
৫. বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহায়তা সমঝোতা।
৬. বাংলাদেশে প্রকল্পে চায়না-এইড ন্যাশনাল ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টারের ‘সম্ভ্যাবতা সমীক্ষা’ বিষয়ে আলোচনার কার্যবিবরণী।
৭. চীনের সহায়তায় ষষ্ঠ বাংলাদেশ-চায়না মৈত্রী সেতু সংস্কার প্রকল্পপত্র বিনিময়।
৮. নাটেশ্বর প্রত্নতাত্বিক স্থাপনা পার্ক প্রকল্পে চায়না-এইড কনস্ট্রাকশনের সম্ভ্যাবতা সমীক্ষাপত্র বিনিময়।
৯. চীনের সহায়তায় নবম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু প্রকল্পপত্র বিনিময়।
১০. মেডিকেল সেবা এবং জনস্বাস্থ্য বিষয়ে সহযোগিতা শক্তিশালীকরণ সমঝোতা।
১১. অবকাঠামোগত সহযোগিতা জোরদারে সমঝোতা।
১২. গ্রিন অ্যান্ড লো-কার্বন উন্নয়ন বিষয়ে সহযোগিতা।
১৩. বন্যার মৌসুমে ইয়ালুজাংবু (ব্রহ্মপুত্র) নদীর হাইড্রোলজিক্যাল তথ্য বাংলাদেশকে দেওয়ার বিধিবিষয়ক সমঝোতা স্মারক নবায়ন।
১৪. চীনের জাতীয় বেতার ও টেলিভিশন প্রশাসন এবং বাংলাদেশের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমঝোতা।
১৫. চায়না মিডিয়া গ্রুপ (সিএমজি) এবং বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার মধ্যে পারস্পরিক সমঝোতা।
১৬. চায়না মিডিয়া গ্রুপ (সিএমজি) এবং বিটিভির মধ্যে সমঝোতা।
১৭. সিনহুয়া নিউজ এজেন্সি ও বিটিভির মধ্যে সমঝোতা।
১৮. চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়া এবং বাংলদেশের জাতীয় সংবাদ সংস্থা বাসসের মধ্যে সমঝোতা।
১৯. সিনহুয়া সংবাদ সংস্থা এবং বাংলাদেশ টেলিভিশনের মধ্যে সমঝোতা।
২০. চীনের শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমঝাতা স্মারক নবায়ন।
২১. টেকসই অবকাঠামো উন্নয়নে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ বিষয়ে সমঝোতা।
সাতটি ঘোষণাপত্র হলো-
১. চীন-বাংলাদেশ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি বিষয়ে যৌথ সম্ভ্যাবতা সমীক্ষা সমাপ্তি ঘোষণা।
২. চীন-বাংলাদেশ দ্বিপক্ষীয় বিনিয়োগ চুক্তি ত্বরান্বিত করা নিয়ে আলোচনা শুরুর ঘোষণা।
৩. ডিজিটাল কানেক্টিভিটি প্রকল্পের জন্য টেলিকমিউনিকেশন নেটওয়ার্কের আধুনিকীকরণের সমাপ্তির ঘোষণা।
৪. ডাবল পাইপ লাইন প্রকল্পের সঙ্গে সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিংয়ের ট্রায়াল রান সমাপ্তির ঘোষণা।
৫. রাজশাহী ওয়াসা সারফেস ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট চালুর ঘোষণা।
৬. বাংলাদেশে লুবান ওয়ার্কশপ নির্মাণের ঘোষণা।
৭. চীনের শ্যানডং এগ্রিকালচারাল ইউনিভার্সিটির সাথে গাজীপুরস্থ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সহযোগিতার ঘোষণা।
অর্থমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা, বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী, পররাষ্ট্র সচিব, অন্যান্য সচিবসহ প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
চীনের শ্যানডং এগ্রিকালচারাল ইউনিভার্সিটির সঙ্গে গাজীপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সমঝোতা স্মারকটি সইয়ের সময় প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মোহাম্মদ তোফাজ্জল হোসেন মিয়া ও চীনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. জসিম উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।
৬০৪ দিন আগে
বৃহস্পতিবার অর্ধদিবস 'বাংলা ব্লকেড' পালন করবে কোটা আন্দোলনকারীরা
বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৩টা থেকে দেশব্যাপী 'বাংলা ব্লকেড' ঘোষণা করেছেন কোটা আন্দোলনকারীরা।
সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে শাহবাগ মোড় থেকে এ ঘোষণা দেন আন্দোলনের সামনের সারিতে থাকা আসিফ মাহমুদ।
এর আগে বিকাল ৫টা ২০ মিনিটে শিক্ষার্থীরা মূল সড়ক থেকে অবরোধ তুলে শাহবাগ মোড়ের দিকে মূল সমাবেশে যোগ দেয়।আরও পড়ুন: কোটা সংস্কার: 'বাংলা ব্লকেড' কর্মসূচির কারণে মেট্রোরেলে যাত্রীর চাপ
কোটাবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক সারজিস আলম বলেন, 'আমাদের দাবি সরকারের কাছে, হাইকোর্টের কাছে নয়। আমরা উচ্চ আদালতের দীর্ঘ প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে চাই না বা ভোগ করতে চাই না। সরকার বা নির্বাহী বিভাগ সরাসরি আমাদের আশ্বাস দিলে আমরা সড়ক ত্যাগ করব। আমাদের রাস্তায় থাকার কথা নয়। এটা আমাদের জায়গা নয়। আমরা আমাদের মূল্যবান সময় নষ্ট না করে শিগগিরই পড়াশোনায় ফিরতে চাই।’
আরও পড়ুন: বাংলা ব্লকেড: ঢাকাসহ সারাদেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ
৬০৪ দিন আগে
ঢাকা-বেইজিং সরাসরি ফ্লাইট দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণে নতুন মাত্রা যোগ করবে: বিমানমন্ত্রী
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী মুহাম্মদ ফারুক খান বলেছেন, ‘ঢাকা-বেইজিং সরাসরি ফ্লাইট দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণে নতুন মাত্রা যোগ করবে। এই ফ্লাইট বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বন্ধুত্ব, সহযোগিতা, উন্নয়ন ও ক্রমবর্ধমান কানেক্টিভিটির নিদর্শন।’
তিনি বলেন, ‘এই ফ্লাইট চালুর ফলে আমাদের দেশের জনগণ, ব্যবসায়ী ও শিক্ষার্থীরা সরাসরি বেইজিংয়ে যাতায়াত করতে পারবেন। এছাড়া পর্যটনসহ অন্যান্য ব্যবসার ক্ষেত্রেও এর সুফল পাওয়া যাবে।’
বুধবার (১০ জুলাই) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এয়ার চায়নার ঢাকা-বেইজিং-ঢাকা রুটে সরাসরি ফ্লাইট উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
আরও পড়ুন: পর্যটন শিল্পে বিনিয়োগ করলে সমবায় সমিতিকে সহযোগিতা করা হবে: বিমানমন্ত্রী
তিনি আরও বলেন, ‘যারা উন্নয়ন চায় না তারা কানেক্টিভিটি নিয়ে অসত্য বলে। তারা দেশকে বিচ্ছিন্ন করে রাখতে চায়। তারা ভুলে যায় কানেক্টিভিটি মানেই উন্নয়ন, কানেক্টিভিটি মানেই বাণিজ্য। যত বেশি কানেক্টিভিটি বাড়বে, এ দেশের জনগণ ও ব্যবসায়ীরা তত বেশি সুবিধা পাবেন।’
ফারুক খান বলেন, ‘বর্তমানে চীনের কুনমিং ও গুয়াংজুতে সরাসরি ফ্লাইট রয়েছে। বুধবার এয়ার চায়নার ঢাকা-বেইজিং সরাসরি ফ্লাইট চালু হলো। আগামী ১৫ জুলাই একই রুটে চায়না সাউদার্ন এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট চালু হবে। ভবিষ্যতে চীনের আরও নতুন নতুন গন্তব্যে ঢাকা হতে সরাসরি ফ্লাইট চালু হবে। সংযোগ আরও বাড়বে।’
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন, বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এয়ার কমডোর সাদিকুর রহমান চৌধুরী, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন মো. কামরুল ইসলাম, বাংলাদেশে অবস্থিত চীনা দূতাবাসের চার্জ দ্যা অ্যাফেয়ার্স লিউ ইউয়ান, আরভিং গ্রুপের চেয়ারম্যান এইচ ভি এম লুৎফর রহমান, এয়ার চায়নার কান্ট্রি ম্যানেজার আন মিং প্রমূখ।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশ ১০টির মতো এয়ারবাস কিনতে চায়: বিমানমন্ত্রী
সরাসরি বিমান যোগাযোগ বাংলাদেশ-দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে বাণিজ্য বাড়াতে ভূমিকা রাখবে: বিমানমন্ত্রী
৬০৪ দিন আগে