বাংলাদেশ
দেশে আরও ১ জনের করোনা শনাক্ত
বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে কারো মৃত্যু হয়নি। তবে এসময় নতুন করে ১ জনের শরীরে এই ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে।
এ নিয়ে দেশে করোভাইরাসে আক্রান্ত মোট রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০ লাখ ৫১ হাজার ৩৬১ জনে। এছাড়া ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে এ পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ২৯ হাজার ৪৯৯ জনের।
আরও পড়ুন: দেশে আরও ৪ জনের করোনা শনাক্ত
শুক্রবার (৯ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ২৮ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এ সময়ে শনাক্তের হার ছিল ৩ দশমিক ৫৭ শতাংশ। মোট করোনা পরীক্ষায় এ পর্যন্ত শনাক্তের হার ১৩ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মোট মৃত্যুহার ১ দশমিক ৪৪ শতাংশ।
এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ৪ জন। এ নিয়ে করোনা থেকে সেরে ওঠা ব্যক্তির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে মোট ২০ লাখ ১৯ হাজার ৪ জনে।
আরও পড়ুন: দেশে আরও ২ জনের করোনা শনাক্ত
দেশে আরও একজনের করোনা শনাক্ত
৬৬৪ দিন আগে
দিনাজপুরে সেনাবাহিনী-বিজিবির সহযোগিতায় কাজে ফিরছে পুলিশ
দিনাজপুরে সেনাবাহিনী ও বিজিবির সহযোগিতায় স্টেশনে দায়িত্ব পালন শুরু করেছেন পুলিশ কর্মকর্তারা। পাশাপাশি নিজেদের নিরাপত্তা প্রহরাও দিচ্ছেন তারা।
শুক্রবার ( ৯ আগস্ট) দুপুরে কোতোয়ালি থানার দায়িত্ব বুঝে নেন ইনচার্জ ফরিদ হোসেন। খবর পেয়ে কনস্টেবলসহ বিভিন্ন পদের পুলিশ সদস্যরা সাদা পোশাকে একে একে কর্মস্থলে ফিরতে থাকে। তবে এখনো সবাই ফিরতে পারেনি। ফলে শুরু হয়নি স্বাভাবিক আইনি কার্যক্রম। এর আগে সকালে হাকিমপুর থানার দায়িত্ব গ্রহণ করেন কর্মরতরা।
উদ্ভুত পরিস্থিতিতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে নিজ নিজ কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করে পুলিশ সদস্যরা। নথিপত্র ঠিকঠাক করার পাশাপাশি ডিউটি রোস্টার তৈরির কাজও চালাচ্ছে সংশ্লিষ্টরা। সহসাই অস্ত্র হাতে নিয়মিত ডিউটি পালনে তারা মাঠে নামতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: সিলেটে থানাগুলোতে ফিরছে পুলিশ, চলছে কার্যক্রম
শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সময় জনরোষের কবলে পড়লে নিরাপত্তার অভাবে অস্ত্র জমা দিয়ে কেউ কেউ আত্মগোপনে অনেকে নিরাপদ স্থানসহ পুলিশ লাইনে সরে পড়েছিল পুলিশ সদস্যরা। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর কিছুটা আস্থা ফিরে কাজে যোগদানে আগ্রহী হয়ে উঠেন অনেকে।
এদিকে দায়িত্ব গ্রহণের সঙ্গে সঙ্গেই বিজিবি’র তুলে দেওয়া একজনকে জিডি মূলে গ্রহণ করেছে কোতোয়ালি পুলিশ। তাকে সীমান্ত এলাকায় আটক করা হয়েছিল।
পুলিশ সুপার শাহ ইফতেখার আহমেদ জানান, দিনাজপুরের ১৩ থানাতেই দায়িত্ব গ্রহণ করেছে কর্মকর্তাসহ পুলিশ সদস্যরা। শিগগিরই স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরবে পুলিশের আইনি কার্যক্রম।
আরও পড়ুন: আবেগ কষ্ট ভুলে দ্রুত মানুষের সেবায় ফিরব: ফরিদপুর পুলিশ সুপার
৬৬৪ দিন আগে
পুলিশি নির্যাতনের ভয়াবহ বর্ণনা দিলেন জবি সমন্বয়ক
‘আমাকে চিত করিয়ে শুইয়ে বলে তোর এক হাত তো ছাত্রলীগ ভেঙেছে, আরেক হাত আমরা ভেঙে দেব। আমাকে নাভির নিচ থেকে হাঁটু পর্যন্ত মারধর করে। রুটি যেভাবে বেলে, ঠিক সেভাবে আমার হাঁটু থেকে নাভি পর্যন্ত লাঠি দিয়ে চাপ দেয়। আমি কাঁদলেই বলত- তোকে মেরেই ফেলব। ঘণ্টার পর ঘণ্টা আমাকে এভাবে মারত।’
শুক্রবার (আগস্ট ৯) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পুলিশের বিভৎস নির্যাতনের বর্ণনায় এসব কথা বলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে জবির প্রধান সমন্বয়ক নূর নবী।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক এই শিক্ষার্থীকে গত ১৯ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক থেকে তাকে আটক করে নিয়ে যায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।
আরও পড়ুন: শনিবার আবু সাঈদের বাড়িতে যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস
সংবাদ সম্মেলনে পুলিশি নির্যাতনের শিকার নূর নবী বলেন, ‘আমাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের গেট থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। এডিসি বদরুল আমাকে ডেকে আলাদা করেন। ডিবির পাঁচটা গাড়ি আসছিল। তারা শুধু আমাকে এখান থেকে উঠিয়ে মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে যায়। গাড়িতে উঠিয়েই আমাকে মারা শুরু করে, বিশেষ করে অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার গোলাম মোস্তফা এবং তার সঙ্গে যারা ছিলেন।’
তিনি বলেন, ‘যখন আমাকে ডিবি অফিসে নেওয়া হয় তখন আমি ভেবেছিলাম, গাড়িতে যে টর্চার (নির্যাতন) করা হয়েছে এর চেয়ে বেশি টর্চার আর হতে পারে না। আমাকে এখন হয় তারা ছেড়ে দেবে নাহয় গ্রেপ্তার দেখাবে। কিন্ত এর চেয়ে যে পাশবিক নির্যাতন তারা করতে পারে, তা আমার কল্পনায়ও ছিল না।’
‘আমাকে যখন ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে যায়, তখন কালো কাপড় দিয়ে তারা আমার চোখ বেঁধে দেয়। সেখানে শুরুতে একটি চেয়ারে বসিয়ে আমার শরীরের সব কাপড়চোপড় খুলে ফেলে।’
নূর নবী বলেন, ‘পুলিশ আমাকে মারছিল আর বারবার বলছিল- তোর তথ্য আমরা অনেক দিন থেকে শুনেছি; ক্যাম্পাস থেকে কয়েকজন তোর কথা আগেই বলেছে। তুই জঙ্গি, তুই শিবির। শেষ পর্যন্ত তারা আমাকে বলেছে- তুই ছাত্রদল করিস। তারা যেভাবে আমাকে মেরেছিল আমি ভেবেছিলাম, আমার পায়ের অংশ পচে যাবে বা কেটে ফেলতে হবে।’
বৈদ্যুতিক শকের বর্ণনা দিয়ে তিনি বলেন, ‘এক পর্যায়ে পুলিশ আমাকে প্রস্রাব করতে বলে। প্রস্রাব করার সময় আমাকে বিদ্যুৎ শক দেয়। এরপর হাতে একটা ইনজেকশন দেয়। ওরা আমার অণ্ডকোষে জোরে জোরে আঘাত করে। সে সময় আমার বারবার মনে হচ্ছিল, আমি মরেই যাব।’
তিনি আরও বলেন, ‘পুলিশ গত ১৫ জুলাই থেকে আমার ফোন ট্রাক করছিল। অনেকের বাসায় ছাত্রলীগকর্মীরা বন্দুক তাক করে। আমি আমার মায়ের কাছ থেকে ১৭ তারিখ বিদায় নেই। বলেছিলাম- আমি মরে গেলে কেঁদ না। আর বেঁচে থাকলে বিকেলে ফোন দেব। এই ভয়েস রেকর্ডটা তারা শুনিয়ে শুনিয়ে আমাকে মেরেছে। এক পর্যায়ে ওরা আমার হাত-পা দুই দিক করে পাড়া দিয়ে ধরে।’
‘ওরা আমার থেকে যখন বিএনসিসির কার্ড পায়, তখন বলে, আমি এত শক্ত কেন? আমি জঙ্গি; আমি নাকি জঙ্গি ট্রেনিং নিয়েছি! আমি এটা বলতে পারিনি যে, সেনা মহড়ায় অংশ নিয়েছি, আমি অন্তত জঙ্গি হতে পারি না। এরপর আমাকে উলঙ্গ অবস্থায় রেখে দেয়।’
‘এরপর বিকালের একটা সময় ডিবি হারুন এসে বলেন- একে বাঁচিয়ে রাখছ কেন? একে ক্রসফায়ার দে। আমার দুই হাঁটু হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে ওরা ভেঙে ফেলে। আমি ভেবেই নিয়েছিলাম যে, আমাকে মেরেই ফেলবে।’
‘কারাগারে আমি অনেক গার্ডকে কেঁদে কেঁদে বলেছি- আমাকে হাসপাতালে নেন। তারা আমাকে হাসপাতালে নেয়নি। কারাগারে পানিতে মরিচ দিয়ে রাখা হতো যেন পানি খেতে না পারি, গোসল করতে না পারি।’
আরও পড়ুন: বড় দেশগুলোর সঙ্গে সুষম সম্পর্ক চান পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
নূর নবী বলেন, ‘পুলিশ আমাকে বলে- তোকে ক্রসফায়ার দেব, রেডি হয়ে নে। আমরা ছয়জন ছিলাম মোট। রমনায় নিয়ে আমাদের চোখ খুলে দেওয়া হয়। এরপর আমার হাতে পেট্রোলবোমা ধরিয়ে দিয়ে ভিডিও করা শুরু করে।’
‘তারা যে এভাবে মামলা সাজাবে, আমি ভাবতেও পারিনি। দেশের ডিটেকটিভ ব্রাঞ্চ (গোয়েন্দা শাখা) এরকম পর্যায়ে যাবে ভাবিনি। ডিটেকটিভ ব্রাঞ্চ দেশের মানুষের আস্থার জায়গা হওয়া উচিত ছিল। যাইহোক, তারা আমাকে মারেনি; আমি বেঁচে ফিরেছি; স্বাধীন দেশে আবার ফিরতে পেরেছি। এটা আমাদের দ্বিতীয় স্বাধীনতা।’
সংবাদ সম্মেলনে বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বয়ক মাসুদ রানা, সোহান, স্বর্ণা আক্তার রিয়া, মোস্তাফিজুর রহমান, ফয়সাল এবং আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে নাইমা আক্তার রিতা, বিএম তানজীল, শাহিন আলম শান, স্বপনসহ অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
৬৬৪ দিন আগে
বড় দেশগুলোর সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক চান পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের যাত্রার শুরুতে বিশ্বের বৃহৎ শক্তিগুলোর সঙ্গে সম্পর্কের ভারসাম্য বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন নবগঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। এছাড়া সব দেশের সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক গড়ার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছেন তিনি।
শুক্রবার (৯ আগস্ট) সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসসহ অন্যান্য উপদেষ্টারা।
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলনের শহীদদের প্রতিও শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তারা।
তৌহিদ হোসেন বলেন, ‘আমরা সবার সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখতে চাই। বড় দেশগুলোর সঙ্গে আমাদের সম্পর্কের ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে।’
এই মুহূর্তে দেশে আইনশৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনাই মূল অগ্রাধিকার উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রথম লক্ষ্য অর্জিত হলে বাকিগুলোও সঠিক পথে ফিরবে।
আরও পড়ুন: অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান ড. ইউনূসকে শাহবাজ শরীফের অভিনন্দন
বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের পথে নতুন যাত্রার আশা নিয়ে বৃহস্পতিবার রাতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নিয়েছেন নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
শপথ নেওয়ার পরই দেশজুড়ে সহিংসতা বন্ধে ড. ইউনূসের আহ্বানকে স্বাগত জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
বাংলাদেশের জনগণের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের রূপরেখা নির্ধারণে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ও ড. ইউনূসের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত রয়েছে বলে পুনর্ব্যক্ত করেছে দেশটি।
বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটনে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার বলেন, ‘আমি ব্যক্তিগত কূটনৈতিক আলাপচারিতায় কথা বলব না, তবে স্পষ্টতই একটি বিষয় আমরা পরিষ্কার করেছি যে, আমরা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে বাংলাদেশের জনগণের জন্য একটি গণতান্ত্রিক ভবিষ্যত গড়তে দেখতে চাই।’
মিলার বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে বঙ্গভবনে শপথ অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রের চার্জ ডি’অ্যাফেয়ার্সরাও উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে, বাংলাদেশে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মন্তব্য করেছিল যুক্তরাষ্ট্র।
আরও পড়ুন: অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসকে মমতার অভিনন্দন
এদিকে, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) বলেছে, তারা বাংলাদেশের নতুন (অন্তর্বর্তীকালীন) সরকারের সঙ্গে যুক্ত হতে এবং ক্ষমতা হস্তান্তরের এই জটিল পরিস্থিতিতে সমর্থন দিতে আগ্রহী।
ইইউ বলে, এই পরিবর্তন সুশাসন, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধার ভিত্তিতে একটি শান্তিপূর্ণ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রক্রিয়ার অংশ হওয়া উচিত।
ইইউয়ের উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি জোসেপ বোরেল শুক্রবার এক বিবৃতিতে বলেন, ‘নোবেল বিজয়ী মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সদস্যদের শপথ গ্রহণকে স্বাগত জানাচ্ছে ইইউ।’
তিনি বলেন, বাংলাদেশ এখন একটি ক্রান্তিকালে প্রবেশ করছে। গণতান্ত্রিক নির্বাচনের ক্ষেত্র প্রস্তুত এবং যেসব মৃত্যু ও সহিংসতা ঘটেছে তার জন্য জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের গুরুত্বপূর্ণ কাজ হবে।
এই ইইউ প্রতিনিধি বলেন, ‘বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক পথ এবং দেশটির জনগণ, বিশেষ করে তরুণদের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত।’
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইইউ রাষ্ট্রদূত চার্লস হোয়াইটলিও।
এ বিষয়ে নিজের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে শেয়ার করা একটি বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘এই অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে বাংলাদেশের ইতিহাসের একটি নতুন অধ্যায় শুরু হতে দেখা অত্যন্ত সম্মানের।’
অন্যদিকে, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
তিনি বলেছেন, ‘আমরা আশা করি, হিন্দু ও অন্যান্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সুরক্ষা নিশ্চিত করে দ্রুত স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে আসবে বাংলাদেশ।’
নিজের ভেরিফায়েড এক্স হ্যান্ডেলে শেয়ার করা এক বার্তায় মোদি বলেন, শান্তি, নিরাপত্তা ও উন্নয়নের জন্য উভয় দেশের জনগণের অভিন্ন আকাঙ্ক্ষা পূরণে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে ভারত প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
আরও পড়ুন: জাতীয় নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত ইউনূসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে সমর্থন দেবে জাতিসংঘ: লুইস
এছাড়া, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে স্বাগত জানিয়ে চীন পুনর্ব্যক্ত করেছে যে, বেইজিং অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার নীতি কঠোরভাবে অনুসরণ করে।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র বলেছেন, ‘আমরা বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতা এবং দেশটির জনগণের দ্বারা স্বাধীনভাবে নির্বাচিত উন্নয়নের পথকে সম্মান করি।’
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বিষয়ে জাতিসংঘ বলেছে, নতুন সরকারের কাছ থেকে কী ধরনের আনুষ্ঠানিক অনুরোধ আসে তা দেখা হবে।
জাতিসংঘ মহাসচিবের ডেপুটি মুখপাত্র ফারহান হক বলেন, ‘বাংলাদেশ সরকার ও জনগণ যেভাবে প্রয়োজন মনে করবে, আমরা অবশ্যই সেভাবে তাদের পাশে দাঁড়াতে প্রস্তুত রয়েছি।’
৬৬৪ দিন আগে
শনিবার আবু সাঈদের বাড়িতে যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস
কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে পুলিশের গুলিতে নিহত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আবু সাঈদের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে শনিবার রংপুর যাচ্ছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
শুক্রবার (৯ আগস্ট) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের একটি সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।
কোটা সংস্কার আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে প্রথম নিহত হন আবু সাঈদ। গত ১৬ জুলাই রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) এই শিক্ষার্থীকে গুলি করে হত্যা করা হয়। তার মৃত্যুতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়, যার ফলে ৫ আগস্ট ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে।
আরও পড়ুন: অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দপ্তর বণ্টন, ২৭ মন্ত্রণালয় ও বিভাগের দায়িত্বে ড. ইউনূস
বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) ঢাকায় পৌঁছানোর পর প্রথম বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বেরোবি শিক্ষার্থী আবু সাঈদকে স্মরণ করে বলেন, ‘তিনি বাংলাদেশের সবার হৃদয়ে থাকবেন চিরকাল।’
ড. ইউনূস বলেন, ‘এই সময়ে আবু সাঈদের কথা মনে পড়ছে, যে আবু সাঈদের ছবি বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের মনে গেঁথে আছে। এটা কেউ ভুলতে পারবে না। কী অবিশ্বাস্য একটা সাহসী যুবক বন্দুকের সামনে দাঁড়িয়ে আছে এবং তারপর থেকে আর কোনো যুবক, কোনো যুবতী হার মানেনি।’
বিমানবন্দরে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলার সময় আবেগে কণ্ঠরোধ হয়ে আসছিল তার।
আরও পড়ুন: জাতীয় নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত ইউনূসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে সমর্থন দেবে জাতিসংঘ: লুইস
৬৬৪ দিন আগে
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান ড. ইউনূসকে শাহবাজ শরীফের অভিনন্দন
বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ায় অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে অভিনন্দন জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ।
শুক্রবার (৯ আগস্ট) সামাজিক মাধ্যম এক্সে এক পোস্টে তিনি এই অভিনন্দন জানান।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হওয়ায় ড. ইউনূসকে মোদির অভিনন্দন
শাহবাজ লিখেছেন, 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে শপথ গ্রহণ করায় অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাচ্ছি।’
তিনি বলেন, ‘আমি বাংলাদেশকে একটি সৌহার্দ্যপূর্ণ ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে তার সাফল্য কামনা করি। আগামী দিনগুলোতে পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে সহযোগিতা গভীর করতে তার সঙ্গে কাজ করার অপেক্ষায় রয়েছি।’
আরও পড়ুন: অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসকে মমতার অভিনন্দন
৬৬৪ দিন আগে
জাতীয় নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত ইউনূসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে সমর্থন দেবে জাতিসংঘ: লুইস
বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী গুয়েন লুইস বলেছেন, আগামী মাসগুলোতে জাতীয় নির্বাচন ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারকে সমর্থন দেওয়ার ক্ষেত্রে জাতিসংঘের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
শুক্রবার (৯ আগস্ট) গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে বিএনপির একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, যে জাতিসংঘ কি করে বাংলাদেশকে সমর্থন করতে পারে তা নিয়ে নতুন তদন্তের দিকে নজর দিতে, কিভাবে পুনর্মিলন করা যায়। এবং দেশের উন্নয়ন অগ্রাধিকারের দিকে অগ্রসর হওয়া এবং অবশ্যই আগামী মাসে নতুন ক্রান্তিকালীন সরকার নির্বাচনের ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত সমর্থন করা।
তিনি বলেন, কী ঘটেছে সে বিষয়ে নতুন তদন্ত করতে জাতিসংঘ কীভাবে বাংলাদেশকে সহায়তা করতে পারে এবং দেশের উন্নয়ন অগ্রাধিকারগুলোতে অগ্রসর হওয়া যায় সেজন্য তারা সকল স্টেকহোল্ডার, জড়িত সকল পক্ষ এবং সুশীল সমাজের সকল সংগঠনের সঙ্গে আলোচনা শুরু করছেন।
এছাড়া আগামী মাসগুলোতে নতুন অন্তর্বর্তী সরকার নির্বাচনের ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত জাতিসংঘ কীভাবে বাংলাদেশকে সমর্থন দিতে পারে সে বিষয়টিও এেই আলোচনার অন্তর্ভুক্ত বলে জানান লুইস।
জাতিসংঘের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘এমতাবস্থায় পরামর্শ ও সংলাপের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত এবং আবারও আমরা সবসময় শান্ত থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।’আরও পড়ুন: সবার নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রশাসনকে আইনশৃঙ্খলা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণের আহ্বান তারেকের
গত কয়েকদিনে বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া বিষয়গুলোকে অসাধারণ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
লুইস বলেন, 'দেশে শান্তি বজায় রাখা আমাদের সবার দায়িত্ব।’
তিনি বলেন, সহিংসতা বন্ধ করা, অবিশ্বাস্য বাংলাদেশ গড়ার ধারা অব্যাহত রাখা এবং অর্থনৈতিক উন্নয়ন অব্যাহত রাখার দায়িত্বও সকলের। 'আমাদের সবাইকে একসঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে হবে'
বৈঠকের বিষয়ে জাতিসংঘের এই কর্মকর্তা বলেন, ড. ইউনূসের নেতৃত্বে বৃহস্পতিবার রাতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের প্রেক্ষাপটে তিনি বিএনপি নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে এসেছেন।
বৈঠকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকের পর খসরু বলেন, জাতি একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের অভিজ্ঞতা পেয়েছে এবং দ্বিতীয়বারের মতো স্বাধীনতা অর্জন করেছে।
তিনি উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশের জনগণের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ও এই পরিবর্তনের সমর্থনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
খসরু বাংলাদেশে মানবাধিকার পুনরুদ্ধারে জাতিসংঘের উল্লেখযোগ্য অবদানের কথাও তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, এর আগে বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগীদের মধ্যে দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা ছিল। তবে এই শঙ্কা এখন সবার মধ্যে দূর হয়েছে বলেও জানান বিএনপির এই নেতা।
আরও পড়ুন: ধ্বংসাত্মক-প্রতিহিংসামূলক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার আহ্বান খালেদার
তিনি আরও উল্লেখ করেন, এসব অনিশ্চয়তা মোকাবিলা ও উত্তরণের মাধ্যমে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ গঠনে জাতিসংঘ গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার।
তিনি বলেন,‘এই প্রচেষ্টায় আমাদের জাতিসংঘের সমর্থন দরকার এবং তারা সেই সমর্থন দিতে ইচ্ছুক।’
খসরু বলেন, 'বৈঠকে সবাই মিলে নতুন বাংলাদেশ গড়ার সম্মিলিত লক্ষ্য নিয়ে আমরা আলোচনা করেছি।’
আরও পড়ুন: অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নেতৃত্বে সফল হবেন অধ্যাপক ইউনূস: ফখরুল
৬৬৪ দিন আগে
জামালপুর কারাগারে সংঘর্ষে ৬ বন্দি নিহত
জামালপুর জেলা কারাগারের অভ্যন্তরে বন্দিদের সংঘর্ষে ৬ জন কারাবন্দি নিহত হয়েছেন। এতে কারারক্ষীসহ আহত হয়েছেন আরও ৭ জন।
বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) দুপুরে কারাগারের ভেতরে এই ঘটনা ঘটে।
কারাগারের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে জানিয়েছে কারা কর্তৃপক্ষ।
নিহত বন্দিরা হলেন- আরমান, রায়হান, শ্যামল, ফজলে রাব্বি বাবু, জসিম ও রাহাত। তারা ৬ জনই জামালপুর সদর উপজেলার বাসিন্দা।
এ ঘটনায় গুরুতর আহত ৪ বন্দি এবং ৩ কারারক্ষীকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। কোনো বন্দি পালাতে পারেনি বলেও জানান জেলার আবু ফাত্তাহ।
আরও পড়ুন: কুষ্টিয়া কারাগারের গেট ভেঙে পালিয়েছে বেশ কয়েকজন কয়েদি
আবু ফাত্তাহ বলেন, বৃহস্পতিবার দুপুরে কারাগারের ভেতরে বন্দিদের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণের সময় বন্দিরা কৌশলে জেলারকে মারধর ও জিম্মি করে কারাগার থেকে বের হবার চেষ্টা করে। এসময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ফাকা গুলি ছোড়ে কারারক্ষীরা। পরে বিক্ষুব্ধ বন্দিরা কারাগারের ভেতরের দুইটি ভবন, জেলারের কক্ষ ও প্রধান গেইটের ভেতরে একটি গেইট ভাঙচুরের পর অগ্নিসংযোগ করে। এসময় বন্দিরা ১৪ কারারক্ষীকে জিম্মি করে।
খবর পেয়ে সেনাবাহিনী, র্যাব, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস কারাগার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কাজ করে। রাতেই জিম্মি কারারক্ষীদের ফেরত দেয় বন্দিরা। রাত ৩টায় কারাগার পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে নেয় কারা কর্তৃপক্ষ।
জেলার বলেন, কারাগারের ক্ষতিগ্রস্ত ফটক ও ভেতরে অন্যান্য ভবন দ্রুত মেরামতের জন্য গণপূর্ত বিভাগ কাজ শুরু করেছে।
জামালপুর জেলা কারাগারে থাকা ৬৬৯ জন বন্দির মধ্যে সাজাপ্রাপ্ত বন্দি রয়েছে ১০০ জন। এছাড়া এই কারাগারে কোনো জঙ্গি নেই বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
আরও পড়ুন: গাজীপুর কারাগারে বিদ্রোহের চেষ্টা, গোলাগুলিতে ২২ বন্দি আহত
৬৬৪ দিন আগে
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দপ্তর বণ্টন, ২৭ মন্ত্রণালয় ও বিভাগের দায়িত্বে ড. ইউনূস
২৭টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের তত্ত্বাবধানে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টাদের দপ্তর বণ্টনের তালিকা প্রকাশ করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
শুক্রবার (৯ আগস্ট) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এই তালিকা প্রকাশ করা হয়।
আরও পড়ুন: ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সঙ্গে সম্পৃক্ততা চায় ইইউ
ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসনে যেসব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের নেতৃত্ব দেবেন সেগুলো হলো:
. মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ
· প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়
· সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ
· শিক্ষা মন্ত্রণালয়
· সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়
· খাদ্য মন্ত্রণালয়
· আবাসন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়
. ভূমি মন্ত্রণালয়
· বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়
· কৃষি মন্ত্রণালয়
· বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়
· রেলপথ মন্ত্রণালয়
. জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়
· বিদ্যুৎ, শক্তি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়
· নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়
· পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়
· মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়
· দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়
· তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়
· প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়
· বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
· শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়
· সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়
. বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়
· মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়
· পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়
· প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়
আরও পড়ুন: রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনা হবে: অধ্যাপক ইউনূস
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বাকি উপদেষ্টাদের প্রাপ্ত দপ্তরের তালিকা হলো-
সালেহ উদ্দিন আহমেদ: অর্থ মন্ত্রণালয় ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
আসিফ নজরুল: আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়
আদিলুর রহমান খান: শিল্প মন্ত্রণালয়
হাসান আরিফ: স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন সমবায় মন্ত্রণালয়
মো. তৌহিদ হোসেন: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান: পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়
শারমিন এস মুরশিদ: সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) ড. এ কে এম সাখাওয়াত হোসেন: স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
ড. আ. ফ.ম. খালিদ হোসাইন: ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়
ফরিদা আখতার: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়
নূরজাহান বেগম: স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়
নাহিদ ইসলাম: ডাক, টেলিযোগাযোগ তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়
আসিফ মাহমুদ: যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়
শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর বৃহস্পতিবার অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নেন নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইউনূস।
শপথ অনুষ্ঠানে বিএনপি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় পার্টি, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানসহ অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতসহ অনুষ্ঠানে ৫০০ জনের বেশি অতিথি উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি ড. ইউনূস ও তার উপদেষ্টাদের শ্রদ্ধা
৬৬৪ দিন আগে
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসকে মমতার অভিনন্দন
নবগঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হওয়ায় অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে অভিনন্দন জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
শুক্রবার (৯ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে মমতা লিখেছেন, ‘অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস এবং বাংলাদেশে যারা দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন তাদের সকলকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা। আমি আশা করি তাদের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক আরও উন্নত হবে।’
আরও পড়ুন: সহিংসতা বন্ধে ড. ইউনূসের আহ্বানকে স্বাগত জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র
তিনি লেখেন, ‘আমি বাংলাদেশের সর্বস্তরের সকল মানুষের উন্নয়ন, শান্তি, অগ্রগতি এবং মঙ্গল কামনা করি। ছাত্র, যুবক, শ্রমিক, কৃষক ও নারী থেকে শুরু করে সকলের প্রতি আমার অনেক অনেক শুভকামনা।’
মমতা আরও লেখেন, ‘আমি আশা করি এই সংকট শিগগিরই কেটে যাবে এবং শান্তি ফিরে আসবে। আপনার এবং আমার ভালবাসার এই পৃথিবীতে শান্তি ফিরে আসুক। আমাদের প্রতিবেশি দেশ ভালো থাকলে আমরাও ভালো থাকব।’
আরও পড়ুন: বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হওয়ায় ড. ইউনূসকে মোদির অভিনন্দন
৬৬৪ দিন আগে