বাংলাদেশ
সদ্যসমাপ্ত অর্থবছরে ইতিহাসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স পেয়েছে বাংলাদেশ
২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশ রেমিট্যান্স পেয়েছে ২৩ দশমিক ৯১৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা এখন পর্যন্ত অর্থবছরের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. মেজবাউল হক ইউএনবিকে বলেন, ২০২৪ সালের জুনে প্রবাসী বাংলাদেশিরা ২ দশমিক ৫৪২ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। এর ফলে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্সের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৩ দশমিক ৯১৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে, যা আগের অর্থবছরে ছিল ২১ দশমিক ৬১০ বিলিয়ন ডলার।
আরও পড়ুন: রেমিট্যান্স বাড়ায় দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ১৯.৫৩ বিলিয়ন ডলার
গেল ঈদুল আজহায় প্রবাসী শ্রমিকরা দেশে বেশি অর্থ পাঠানোয় জুন মাসে বাংলাদেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ ১৫ দশমিক ৫৯ শতাংশ বেড়ে ২ দশমিক ৫৪২ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। এর আগে মে মাসে প্রবাসী কর্মীরা রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন ২ দশমিক ২৫৩ বিলিয়ন ডলার।
ডলারের বিনিময় হার বৃদ্ধি ও ঈদুল আজহা উপলক্ষে প্রবাসীরা পরিবারের কাছে অতিরিক্ত অর্থ পাঠানোয় এই প্রবৃদ্ধি বেড়েছে বলে মনে করছেন খাতসংশ্লিষ্টরা।
অর্থনীতিবিদ ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, রেমিট্যান্স প্রদানকারীদের জন্য বৈধ চ্যানেলে আর্থিক ও অ-আর্থিক সুবিধা বাড়ানোর মাধ্যমে বাংলাদেশ আরও বেশি রেমিট্যান্স অর্জন করতে পারে। বিনিময় হারের তারতম্যের কারণে বৈধ রেমিট্যান্সের বদলে অবৈধ হুন্ডিতে টাকা পাঠাচ্ছেন অনেক রেমিট্যান্সকারী।
আরও পড়ুন: এপ্রিল থেকে ১০.৩ শতাংশ বেশি রেমিট্যান্স এসেছে মে মাসে
৬১৩ দিন আগে
উচ্চশিক্ষার লক্ষ্য শ্রমবাজার নয়, মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষ হওয়া জরুরি: স্পিকার
শুধু জ্ঞানার্জন নয়, মানবিক মূল্যবোধের জন্য উচ্চশিক্ষার প্রয়োজন রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।
তিনি বলেন, ‘চিন্তার উৎকর্ষ সাধন ও মানুষের সহজাত প্রবৃত্তি বিকশিত করার জন্য উচ্চশিক্ষা প্রয়োজন। এছাড়া উচ্চশিক্ষার লক্ষ্য শুধু শ্রমবাজার নয়, মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষ হওয়া জরুরি।’
সোমবার (১ জুলাই) ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের মিলনায়তনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ‘তরুণ প্রজন্মের দক্ষতা বৃদ্ধিতে উচ্চশিক্ষা’ প্রতিপাদ্যে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
আরও পড়ুন: বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সংসদীয় কূটনীতি কার্যকর হাতিয়ার: স্পিকার
স্পিকার আরও বলেন, ‘১৯৪৮ সালে জিন্নাহর উর্দু ভাষাকে কেন্দ্র করে আন্দোলন, ৫২ সালের ভাষা শহীদের রক্তে রঞ্জিত রাজপথ, ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানে বঙ্গবন্ধু উপাধি এবং ৭১-এর মহান মুক্তিযুদ্ধে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের আত্মত্যাগের ইতিহাস এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়।’
তিনি আরও বলেন, ‘১৯৭৩ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আদেশ প্রণয়ন করেন। এই আদেশবলে এখন পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালিত হয়ে আসছে।’
ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, ‘বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার বেশিরভাগ তরুণ। এই তরুণদের অনেক বেশি কর্মদক্ষতা রয়েছে। ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড সুবিধা কাজে লাগানোর এখনই উপযুক্ত সময়। তরুণদের কর্মদক্ষতা বাড়াতে সব সুযোগ-সুবিধা উন্মুক্ত করতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের কারিকুলামে উচ্চশিক্ষায় জ্ঞান আহরণের পাশাপাশি যেকোনো প্রতিকূল পরিবেশে অভিযোজনের ওপর গুরুত্ব আরোপ করতে হবে। তরুণদের শ্রমবাজারের উপযোগী করে বিশেষায়িত জ্ঞানে সজ্জিত করতে হবে।’
স্পিকার বলেন, ‘তথ্য-প্রযুক্তির অবাধ প্রবাহের যুগে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সসহ চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের সঙ্গে তাল মিলিয়ে উচ্চশিক্ষার কারিকুলামে পরিবর্তন আনতে হবে। ফ্রিল্যান্সিংসহ স্টার্টআপের বিভিন্ন ধরনের কর্মক্ষেত্রে যুক্ত হওয়ার উপযোগী করে শিক্ষার্থীদের এগিয়ে নিতে হবে।’
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রবীর কুমার সরকারের সঞ্চালনায় উপাচার্য অধ্যাপক এ এস এম মাকসুদ কামালের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন শিক্ষাবিদ প্রফেসর ইমেরিটাস সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী।
আরও পড়ুন: দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে ইউসেফ বাংলাদেশ কাজ করছে: স্পিকার
বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য ও সংসদ সদস্য বেনজীর আহমেদ এবং কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন।
এসময় স্পিকারকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর স্মরণিকা, 'ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ইতিহাস ও ঐতিহ্য' খণ্ডসমগ্র দেওয়া হয়।
৬১৩ দিন আগে
ভারতের সঙ্গে সমঝোতা নিয়ে অপপ্রচারে লিপ্ত বিএনপি-জামায়াত: তথ্য প্রতিমন্ত্রী
ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সমঝোতা স্মারকের সকল ধারা না পড়ে এবং না বুঝেই বিএনপি অপপ্রচার ও মিথ্যাচার করছে উল্লেখ করে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত বলেছেন, ‘ধারাগুলো খন্ডিতভাবে তুলে ধরে জনগণকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে।’
সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক ভারত সফরে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক নিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সাম্প্রতিক বক্তব্যের বিষয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রতিমন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, ‘কিছুদিন আগে প্রধানমন্ত্রী ভারত সফর করেন। সেখানে কিছু সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। এই সমঝোতা স্মারকের বিষয়গুলো নিয়ে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে, ক্ষেত্রবিশেষে কিছু কিছু মূলধারার গণমাধ্যমেও ভুল তথ্য চলে এসেছে।’
আরও পড়ুন: বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি জনগণের আস্থা তৈরি করবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা দেখেছি, বিএনপি ও জামায়াতের পক্ষ থেকেও বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মীরা এ নিয়ে অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছেন। সর্বশেষ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও যুক্ত হয়েছেন সেই অপপ্রচারে। রবিবার তিনি একটি প্রেস কনফারেন্সে যে বক্তব্য দিয়েছেন, সেগুলো একেবারেই অসত্য এবং ডাহা মিথ্যা কথা। সমঝোতা স্মারকের সবগুলো ধারা উনি হয়তো পড়েননি বা যারা অপপ্রচার করেছে তারাও পড়েননি। সব ধারা না পড়ে খণ্ডিতভাবে এগুলো তুলে ধরে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করছে।’
এসময় তিনি বলেন, ‘ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সমঝোতা স্মারক কোনোভাবেই সরকারের নতজানু পররাষ্ট্রনীতি নয়, বরং এটি উভয় দেশের জন্যই লাভজনক।’
‘বিএনপি অপপ্রচার করছে যে, বাংলার বুক চিরে ভারতের ট্রেন চললে বাংলাদেশের জন্য নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হবে। এটি মোটেই সঠিক নয়। সমঝোতা স্মারকের ৩ নম্বর ধারায় পরিষ্কার বলা হয়েছে- রেড ট্রাফিক তথা অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং বিস্ফোরকসহ বিপজ্জনক ও আপত্তিকর পণ্য পরিবহন করা যাবে না। সমঝোতা স্মারকের ৪ নম্বর ধারায় এটাও বলা হয়েছে- বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে পণ্য ও মানুষের চলাচল, সংশ্লিষ্ট দেশের জাতীয় আইন, প্রবিধান এবং প্রশাসনিক বিধানের অধীনে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপি এটা বলে না যে, ভারতের মধ্য দিয়েও বাংলাদেশের ট্রেন নেপাল ও ভুটান পর্যন্ত চলবে। নেপাল-ভুটান থেকে ভারতের মধ্য দিয়ে ট্রেন বাংলাদেশে আসবে এবং কলকাতা বন্দর ব্যবহার না করে মোংলা ও চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহার করবে।’
‘তারা এটাও বলে না যে, ভারতের অভ্যন্তরীণ বিদ্যুৎ গ্রিডের মাধ্যমে তাদের ট্রান্সমিশন লাইন ব্যবহার করে ভারতের বুক চিরে বাংলাদেশ নেপাল থেকে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করবে।’
ভারতের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর বেশ কিছু কূটনৈতিক সাফল্য ও অর্জন তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ভারতের সঙ্গে সমুদ্রসীমার বিরোধ আন্তর্জাতিক ফোরামে গিয়ে নিষ্পত্তি করে বাংলাদেশের পক্ষে রায় এনেছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। তিনি অত্যাধুনিক চীনা সাবমেরিন যুক্ত করে বাংলাদেশ নৌবাহিনীকে ত্রিমাত্রিক বাহিনীতে রূপান্তর করে দেশকে সামরিকভাবে শক্তিশালী করেছেন। বঙ্গবন্ধুকন্যা ভারতের সঙ্গে স্থলসীমান্ত বিরোধ নিষ্পত্তি এবং ছিটমহল সমস্যার সমাধানের মধ্য দিয়ে দশ হাজার একর জমি বাংলাদেশের মধ্যে সংযুক্ত করেছেন। ভারতের গ্যাস ব্যবহার করে ভারতে উৎপাদিত বিদ্যুৎ ত্রিপুরার পালাটানা থেকে কম খরচে আমদানি করে বাংলাদেশে নিয়ে এসেছেন শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার।’
আরও পড়ুন: তথ্যের সততা নিশ্চিতের অঙ্গীকার করতে হবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী
‘গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তিতে ভারতকে রাজি করিয়ে, গঙ্গার পানির ন্যায্য হিস্যা শেখ হাসিনাই আদায় করেছেন। আর বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া তো গঙ্গার পানির কথা বলতেই ভুলে গিয়েছিলেন- একথা দেশের সবাই জানে। তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তির জন্য ভারতকে চাপের মধ্যে শেখ হাসিনাই রেখেছেন। এই চুক্তি হলেও তার হাত ধরেই হবে। বিএনপি ক্ষমতায় থাকতে তিস্তার পানি বণ্টন নিয়ে তাদের কোনো চিন্তা ছিল বলে প্রমাণ পাওয়া যায় না।’
বিএনপির রাজনীতি ‘নতজানু’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘২০১৪ সালে বিজেপি প্রথম ক্ষমতায় আসার সঙ্গে সঙ্গ বিএনপি মিষ্টি বিতরণ করেছিল। ভারতকে গ্যাস দেওয়ার মুচলেকা দিয়ে ২০০১ সালে ক্ষমতায় এসেছিল বিএনপি।’
৬১৩ দিন আগে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে অংশীদারত্বকে আমরা সম্মান করি: মার্কিন দূতাবাস
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সঙ্গে যৌথভাবে অগণিত শিক্ষার্থীকে ক্ষমতায়নের মাধ্যমে সম্প্রদায়ের বিস্তৃতিকে ত্বরান্বিত করেছে বলে জানিয়েছে ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস।
ঢাবির ১০৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এক ফেসবুক বার্তায় দূতাবাসের পক্ষ থেকে এ মন্তব্য করা হয়।
দূতাবাসের ভ্যারিফাইড ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে প্রকাশিত ওই বার্তায় বলা হয়, ‘১০৪তম জন্মদিনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে শুভেচ্ছা। উদ্ভাবন, শিক্ষা ও সাফল্য অর্জনে অনেক বছরের জন্য ঢাবির সঙ্গে রয়েছি।’
ঢাবির অসাধারণ এই মাইলফলক উদযাপন করতে পেরে ‘রোমাঞ্চিত’ জানিয়ে দূতাবাসের পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে আমাদের ঘনিষ্ঠ অংশীদারত্বকে আমরা সম্মান করি। এটি একটি অসামান্য প্রতিষ্ঠান, যা অ্যাকাডেমিক শ্রেষ্ঠত্বের আলোকবর্তিকা এবং এক শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশে অগ্রগতির স্তম্ভ হয়ে দাঁড়িয়েছে।’
আরও পড়ুন: তরুণ সাংবাদিকদের সেরা চার প্রকল্পকে ১৮,০০০ ডলার দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস
পাশাপাশি তারা জানিয়েছে, বাংলাদেশের ২৫ ফুলব্রাইটার্সকে তারা স্বাগত জানিয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের শতাধিক এক্সচেঞ্জ অ্যালামনাই রয়েছে।
দূতাবাসের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, ‘আমরা একটি ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজ রাইটিং সেন্টার তৈরি করতে কাজ করেছি এবং বক্তা ও পারফর্মারদের ক্যাম্পাসে নিয়ে এসেছি। এর মধ্যে প্রখ্যাত বাংলাদেশি আমেরিকান শিল্পী থেকে শুরু করে মার্কিন বিমান বাহিনীর মিউজিশিয়ানরাও রয়েছেন।’
আরও পড়ুন: ফিলিস্তিনি শিক্ষার্থীদের জন্য ঢাবিতে নিয়মিত ২০ আসন বরাদ্দ
৬১৩ দিন আগে
বাংলাদেশে সব সম্প্রদায় সম্প্রীতির সঙ্গে বসবাস করে : প্রধানমন্ত্রী
দাউদি বোহরা সম্প্রদায়ের একটি প্রতিনিধিদল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তার কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করেছেন।
সোমবার (১ জুলাই) প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎকালে চার সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন সম্প্রদিায়টির সভাপতি কায়েদ জোহর উজ্জয়িনওয়ালা।
সাক্ষাৎ শেষে প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব কে এম সাখাওয়াত মুন সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের অন্যান্য সম্প্রদায়ের মতো দাউদি বোহরা সম্প্রদায়ও শান্তিতে বসবাস করবে।
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই মিলেমিশে বসবাস করবে।’
আরও পড়ুন: কোরিয়া বাংলাদেশের চমৎকার উন্নয়ন অংশীদার : প্রধানমন্ত্রী
তাদের সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দেন শেখ হাসিনা।
প্রতিনিধি দল বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, নিরাপত্তা, আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বের প্রশংসা করেন।
একই সঙ্গে তারা মানবকল্যাণে শেখ হাসিনার অবদান তুলে ধরেন।
দাউদি বোহরা সম্প্রদায়ের নেতারা প্রধানমন্ত্রীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।
তারা হাতে তৈরি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একটি প্রতিকৃতি এবং ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর সঙ্গে তাদের কমিউনিটি নেতা শেখ তাহেরভাইয়ের একটি ছবি উপহার দেন।
দাউদি বোহরা সম্প্রদায়ের অনুসারীরা সারা বিশ্বে ছড়িয়ে আছে। বাংলাদেশে এই সম্প্রদায়ের অনুসারীর সংখ্যা প্রায় ১ হাজার ২০০। এরা মূলত চট্টগ্রাম ও পুরান ঢাকায় বসবাস করে। তাদের নেতা সাইয়্যেদুনা মুফাদ্দল সাইফুদ্দিন।
আরও পড়ুন: অর্থমন্ত্রীর বাজেটোত্তর নৈশভোজে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
৬১৩ দিন আগে
সর্বজনীন পেনশন স্কিম প্রত্যাহারের দাবিতে শাবিপ্রবিতে ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ
সর্বজনীন পেনশন স্কিম প্রত্যয়ে শিক্ষকদের অন্তর্ভুক্ত করার প্রতিবাদে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) বন্ধ রয়েছে ক্লাস ও পরীক্ষা।
সোমবার (১ জুলাই) থেকে সর্বজনীন পেনশন সংক্রান্ত বৈষম্যমূলক প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহার, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রস্তাবিত সুপারগ্রেডে অন্তর্ভুক্তকরণ এবং স্বতন্ত্র বেতন স্কেলের দাবিতে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের আহ্বানে আন্দোলন সফল করতে কর্মবিরতি পালন করে শাবিপ্রবির শিক্ষক সমিতি।
এদিন বিভাগীয় অফিসগুলোও বন্ধ রাখেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
শিক্ষক সমিতির কর্মসূচি ঘোষণার পর থেকে সব ধরনের পরীক্ষা পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে বলে জানায় পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অফিস।
আরও পড়ুন: সাঁতার শিখতে এসে শাবিপ্রবির পুকুরে ডুবে কলেজ শিক্ষার্থীর মৃত্যু
শাবি শিক্ষক সমিতির কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে-
১. শাবিপ্রবির সব বিভাগ ও ইনস্টিটিউটের শিক্ষকরা বিভাগের/ইনস্টিটিউটের ক্লাস (অফলাইন/অনলাইন) নেওয়া থেকে বিরত থাকবেন।
২. সান্ধ্যকালীন, শুক্র ও শনিবারের প্রফেশনাল কোর্সের সকল ক্লাস ও অন্যান্য কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।
৩. শিক্ষকরা মৌখিক, মিডটার্ম, ফাইনাল ও ভর্তি পরীক্ষাসহ সব প্রকারের পরীক্ষা কার্যক্রম থেকে নিজেকে বিরত রাখবেন।
৪. সব ডিন, বিভাগীয় প্রধান ও প্রশাসনিক দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকরা সব ধরনের প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন থেকে বিরত থাকবেন।
৫. শিক্ষকরা সিলেকশন বোর্ড, একাডেমিক কমিটি, পরিকল্পনা কমিটি, প্রশ্নপত্র সমন্বয় ও অন্যান্য সভায় অংশগ্রহণ থেকে বিরত থাকবেন।
৬. আন্দোলন চলাকালীন সময়ে শিক্ষকরা সব প্রকারের কনফারেন্স, সেমিনার, ওয়ার্কশপ আয়োজন থেকে বিরত থাকবেন।
কর্মবিরতিকালে প্রতিদিন দুপুর ১২টা হতে ১টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ ভবনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন শিক্ষকরা।
আরও পড়ুন: সোমবার থেকে সর্বাত্মক কর্মবিরতিতে যাবেন শাবিপ্রবির শিক্ষকরা
কয়েক দফা দাবিতে সোমবার থেকে সর্বাত্মক কর্মবিরতি পালন করবে শাবিপ্রবির শিক্ষকরা
৬১৩ দিন আগে
কোটা বাতিলের দাবিতে বাকৃবিতে আবারও মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ
সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি পুনর্বহাল সংক্রান্ত হাইকোর্টের রায়ের প্রতিবাদে আবারও মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) শিক্ষার্থীরা।
সোমবার (১ জুলাই) শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন মিলনায়তনের মুক্তমঞ্চের সামনে এই মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করা হয়।
আরও পড়ুন: কোটা পুনর্বহাল: বাকৃবিতে শতাধিক শিক্ষার্থীর বিক্ষোভ
এসময় সরকারি চাকরিতে বৈষম্যমূলক কোটা বাতিল করে মেধাভিত্তিক নিয়োগের দাবি জানান শিক্ষার্থীরা।
সরকারি চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে সমতা প্রত্যেকের সাংবিধানিক মৌলিক অধিকার উল্লেখ করে কোটা পদ্ধতি পুনর্বহালকে সংবিধানের লংঘন বলে মন্তব্য করে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।
সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে বৈষম্যমূলক কোটা পদ্ধতি বিলুপ্তি না হলে ছাত্র সমাজ ছেড়ে কথা বলবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন তারা।
এর আগে গত ১০ জুন কোটা পদ্ধতি পুনর্বহাল সংক্রান্ত হাইকোর্টের রায়ের প্রতিবাদে মানববন্ধন করে বাকৃবির প্রায় ৫০০ শিক্ষার্থী।
আন্দোলনে পশুপালন অনুষদের শিক্ষার্থী মো. ইরান মিয়া বলেন, ‘কোটা পদ্ধতির নামে বৈষম্য সারা বাংলাদেশের ছাত্রসমাজ কখনোই মানবে না। সংবিধানে চাকরির ক্ষেত্রে সুযোগের সমতার কথা বলা হয়েছে এবং পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য বিশেষ ব্যবস্থা রাখার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু কোটা পদ্ধতির পুনর্বহাল সংবিধানের লংঘন। তাই সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে কোটা পদ্ধতির বিলুপ্তি না হলে ছাত্রসমাজ ছেড়ে কথা বলবে না।’
আরও পড়ুন: পেনশন বিজ্ঞপ্তির প্রতিবাদে অর্ধদিবস কর্মবিরতিতে বাকৃবির শিক্ষকরা
পেনশন বিজ্ঞপ্তির প্রতিবাদে অর্ধদিবস কর্মবিরতিতে বাকৃবির শিক্ষকরা
৬১৩ দিন আগে
সারা দেশে আরও বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিল আবহাওয়া অধিদপ্তর
ঢাকাসহ সব বিভাগে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সোমবার (১ জুলাই) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এই তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।
পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, ‘রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।’
আরও পড়ুন: দেশজুড়ে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা
সোমবার সকাল ৬টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ ১০৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে বান্দরবানে।
সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে বলে উল্লেখ করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
এতে আরও বলা হয়, আজ সকাল ৬টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল যশোরে ৩৩ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল বান্দরবানে ২৩ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
এদিকে পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত একটি নিম্নচাপ মৌসুমি অক্ষরেখার সঙ্গে মিশে গেছে। মৌসুমী বায়ুর অক্ষ উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের উপর সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে প্রবল।
আরও পড়ুন: সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সংকেত দেখিয়ে যাওয়ার নির্দেশ আবহাওয়া অফিসের
৬১৩ দিন আগে
শিক্ষকদের কর্মবিরতি, চবি ও চুয়েটে ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ
সর্বজনীন পেনশন স্কিম সংক্রান্ত ‘বৈষম্যমূলক প্রজ্ঞাপন’ প্রত্যাহারের দাবিতে সর্বাত্মক আন্দোলনের কর্মসূচিতে গিয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) এবং চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এর ফলে দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের সব বিভাগের ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ রয়েছে।
সোমবার (১ জুলাই) থেকে চবির ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের ক্লাস শুরু হওয়ার কথা থাকলেও শিক্ষকদের কর্মবিরতির কারণে তা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার ও ভর্তি কমিটির সচিব এস এম আকবর হোছাইন।
সরকারঘোষিত পেনশন স্কিম বাতিলের দাবিতে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের আহ্বানে সোমবার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে চবি শিক্ষক সমিতি।
আরও পড়ুন: 'বৈষম্যমূলক' পেনশন স্কিমের প্রতিবাদে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের কর্মবিরতি শুরু
এদিকে উদ্বোধনী ক্লাস না হওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেছেন নতুন ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীরা।
মোহাম্মদ পরাগ নামে আধুনিক ভাষা ইন্সটিটিউটে ভর্তি হওয়া এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘শিক্ষক-কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের আন্দোলনের কারণে আমাদের ক্লাস হয়নি। কবে হবে, সে বিষয়েও আমাদের কিছু জানানো হয়নি। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ক্লাস নিয়ে আমাদের অনেক প্রত্যাশা ছিল। আমরা বাড়ি থেকে ক্যাম্পাসে এসে বসে আছি, অথচ আমাদের ক্লাসই হচ্ছে না; বিষয়টি অত্যন্ত হতাশার।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে এস এম আকবর হোছাইন বলেন, ‘ক্লাস শুরুর বিষয়টি বিভাগের চেয়ারম্যান ও ফ্যাকাল্টির ডিনদের ওপর নির্ভর করে। উনাদের কর্মবিরতি পালনের জন্য ক্লাস শুরু করা যায়নি।’
ক্লাস কবে নাগাদ শুরু হতে পারে- জানতে চাইলে সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক সিরাজ-উদ দৌল্লাহ বলেন, ‘শিক্ষকদের আন্দোলনের কারণে আমরা রবিবার প্রথম বর্ষের ক্লাস শুরু করতে পারিনি। আন্দোলন চলাকালে ক্লাস শুরু হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।’
চবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. মাহবুবুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক এ বি এম আবু নোমানের সই করা বিবৃতিতে বলা হয়, অর্থমন্ত্রণালয়ের সম্প্রতি জারি করা পেনশন সংক্রান্ত বৈষম্যমূলক প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহার, প্রতিশ্রুত সুপার গ্রেডে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অন্তর্ভুক্তিকরণ ও শিক্ষকদের জন্য স্বতন্ত্র বেতন স্কেল প্রবর্তনের দাবিতে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের আহ্বানে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত সর্বাত্মক কর্মবিরতি পালন করবে।
এদিকে, একই দাবিতে কর্মবিরতি পালন করছে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) শিক্ষকরাও। এ কারণে চুয়েটের বিভিন্ন বিভাগে চলমান স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের সব পরীক্ষা স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. শেখ মোহাম্মদ হুমায়ুন কবিরের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগে স্নাতক পর্যায়ে চলমান লেভেল-৩ টার্ম-১ এবং লেভেল-২ টার্ম-১ পরীক্ষা ২০২৩ এবং স্নাতকোত্তর পর্যায়ের সব পরীক্ষা অনিবার্য কারণবশত স্থগিত ঘোষণা করা হলো। স্থগিত করা পরীক্ষাসমূহের তারিখ ও সময়সূচি পরবর্তীতে স্ব স্ব বিভাগ ও ইন্সটিটিউট থেকে ঘোষণা করা হবে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে অধ্যাপক ড. শেখ মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির বলেন, ‘সর্বজনীন পেনশন স্কিম বাতিলের দাবিতে শিক্ষকদের সর্বাত্মক কর্মবিরতির পালনে এক সমন্বিত সভায় চুয়েটের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ও বিভিন্ন অনুষদের ডিনদের উপস্থিতিতে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।’
স্থগিত পরীক্ষাগুলো কখন হবে, এ নিয়ে এখনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বলেও জানান তিনি।
আরও পড়ুন: খুলনার তিন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের কর্মবিরতি শুরু
৬১৩ দিন আগে
উগ্রবাদী প্রভাব রোধে অভিভাবকদের সতর্ক থাকার আহ্বান ডিএমপি কমিশনারের
অনলাইনে জঙ্গি কার্যক্রম মোকাবিলার ক্রমবর্ধমান চ্যালেঞ্জের কথা তুলে ধরে তরুণদের কর্মকাণ্ড নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করতে অভিভাবকদের থেকে শুরু করে সম্মিলিত সামাজিক নজরদারির আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর রহমান।
সোমবার (১ জুলাই) গুলশানের হোলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলায় নিহতদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো শেষে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন ডিএমপি কমিশনার।
অনলাইনে উগ্রবাদীদের চলমান প্রচেষ্টা এবং এসব দমনে পুলিশের কৌশল নিয়ে জানতে হয় তার কাছে।
'জঙ্গিদের অনলাইন কার্যক্রম বন্ধ করা এখন একটি বড় চ্যালেঞ্জ' উল্লেখ করে উগ্রবাদের বিস্তার রোধে সচেতন নাগরিক ও গণমাধ্যমসহ সমাজের সব স্তরকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান ডিএমপি কমিশনার।
আরও পড়ুন: রাত ১১টার মধ্যে রাস্তার পাশের চায়ের দোকান বন্ধের নির্দেশ ডিএমপির
অনলাইনে দ্রুত ও ব্যাপক হারে তথ্য প্রচারের বিষয়টিকে উল্লেখযোগ্য হুমকি হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।
সন্তানের অবস্থান, কার্যক্রম, সঙ্গী, সম্পত্তি এবং অনলাইনে সময় পর্যবেক্ষণের গুরুত্ব অভিভাবকদের সামনে তুলে ধরে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘এসব বিষয়ে সতর্ক দৃষ্টি দিলে চরমপন্থী প্রভাবের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো যায়।’
বীমা সংস্থাগুলোতে চরমপন্থীদের অনুপ্রবেশের বিষয়ে সাম্প্রতিক গোয়েন্দা প্রতিবেদনের জবাবে কমিশনার আশ্বাস দিয়ে বলেন, এ জাতীয় যে কোনো কার্যকলাপ পর্যবেক্ষণ ও প্রতিহত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এসব হুমকি প্রতিরোধে আমরা সজাগ ও তৎপর রয়েছি।
চরমপন্থা একটি বৈশ্বিক সমস্যা এবং বাংলাদেশও এর থেকে মুক্ত নয় স্বীকার করে উগ্রবাদ মোকাবিলায় বাংলাদেশি পুলিশ, সন্ত্রাসবিরোধী ইউনিট এবং সহায়তাকারী সংস্থাগুলোর দক্ষতা ও দূরদর্শিতার প্রশংসা করেন হাবিবুর রহমান। বাংলাদেশকে বিশ্বের রোল মডেল হিসেবে তুলে ধরেন তিনি।
এসময় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সক্রিয় অভিযান পরিচালনা এবং সফলভাবে সম্ভাব্য আক্রমণ প্রতিরোধ করার কিছু উদাহরণ দেন তিনি। কমিশনার বলেন, ‘আমাদের গোয়েন্দা ও সন্ত্রাসবিরোধী ইউনিট শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।’
অনলাইনে উগ্রবাদী মতাদর্শের বিস্তার রোধে কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট, গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) এবং অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) অব্যাহত প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরেন ডিএমপি কমিশনার।
যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশ পুলিশ ও এর কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের সক্ষমতার ওপর আস্থা ব্যক্ত করেন তিনি।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আমরা বদ্ধপরিকর।’
আরও পড়ুন: কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে রাজনৈতিক চাপ না থাকলেও প্রভাবশালীদের চাপ আছে: ডিএমপি কমিশনার
৬১৩ দিন আগে