বাংলাদেশ
পেনশন স্কিম: সোমবার থেকে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা
সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থা থেকে বাদ দেওয়ার দাবিতে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি পালন করবেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা।
এর আগে শনিবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের প্রধান ফটকে সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেয় বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘আপনাদের অকুণ্ঠ সমর্থন ও ম্যান্ডেটে শিক্ষক সমিতি এ সর্বাত্মক আন্দোলনের রূপরেখা প্রণয়ন করেছে। আমাদের আন্দোলন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমাজের সম্মান ও মর্যাদা রক্ষার আন্দোলন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বায়ত্তশাসনে হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে আন্দোলন।’
বৈষম্যমূলক ও অবমাননাকর পেনশন স্কিম থেকে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের বাদ দেওয়া, শিক্ষকদের জন্য ব্যক্তিকেন্দ্রিক বেতন স্কেল প্রবর্তন, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের প্রতিশ্রুত 'সুপার গ্রেডে' অন্তর্ভুক্ত করার দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এই সর্বাত্মক ধর্মঘট অব্যাহত থাকবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
আরও পড়ুন: পেনশন বিজ্ঞপ্তির প্রতিবাদে অর্ধদিবস কর্মবিরতিতে বাকৃবির শিক্ষকরা
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, কর্মবিরতিকালে নিয়মিত, সান্ধ্যকালীন প্রোগ্রাম, প্রফেশনাল প্রোগ্রাম, অনলাইন ক্লাস ও অফলাইন ক্লাসসহ ক্লাস ও পরীক্ষা; সব ধরনের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। চেয়ারম্যান অফিস, হল প্রভোস্ট অফিস, গবেষণা কেন্দ্র, ইনস্টিটিউট, কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার, ডিন অফিস, কম্পিউটার ল্যাব ও সেমিনার বন্ধ থাকবে।
শিক্ষকদের কোনো সিলেকশন বোর্ড মিটিং, কোশ্চেন কোলাবোরেশন মিটিং বা একাডেমিক কমিটির মিটিংয়ে না যেতে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।
অন্যদিকে সরকারি চাকরিতে সম্প্রতি প্রতিষ্ঠিত কোটা পদ্ধতির বিরুদ্ধেও আন্দোলনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন শিক্ষার্থীরা।
পাশাপাশি সর্বজনীন পেনশন (প্রত্যয় স্কিম) সংক্রান্ত বৈষম্যমূলক প্রজ্ঞাপন বাতিলের দাবিতে ধর্মঘট ও প্রতিবাদ কর্মসূচি ঘোষণা করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী ঐক্য পরিষদ।
আরও পড়ুন: কয়েক দফা দাবিতে সোমবার থেকে সর্বাত্মক কর্মবিরতি পালন করবে শাবিপ্রবির শিক্ষকরা
৬১৪ দিন আগে
সোমবার থেকে সর্বাত্মক কর্মবিরতিতে যাবেন শাবিপ্রবির শিক্ষকরা
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) শিক্ষকরা সোমবার (১ জুলাই) থেকে সর্বাত্মক কর্মবিরতিতে যাবেন।
এ সময় ক্লাস, পরীক্ষা সবকিছুই অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকবে।
রবিবার (৩০ জুন) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মিনি অডিটোরিয়ামে শিক্ষকদের মত বিনিময় সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়।
আরও পড়ুন: শাবিপ্রবির যে অধ্যাপক ‘মাদার অফ সোশ্যাল ওয়ার্ক’ হিসেবে পরিচিত
শিক্ষকদের জন্য সর্বজনীন পেনশন-সংক্রান্ত বৈষম্যমূলক প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহার, বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের শিক্ষকদের প্রস্তাবিত সুপারগ্রেডে অন্তর্ভুক্তকরণ ও স্বতন্ত্র বেতন স্কেলের দাবিতে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের আহ্বানে শাবিপ্রবি শিক্ষকরা কর্মবিরতিতে যাবেন।
শাবিপ্রবি শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. আলমগীর কবীর বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আশ্বাস দেওয়া হয়নি। তাই বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক ফেডারেশনের সঙ্গে একাত্মতা পোষণ করে সোমবার থেকে আমরা সর্বাত্মক কর্মবিরতি পালন করব। তবে সরকার আমাদের দাবি যতদিন না মানবে ততদিন সব বন্ধ থাকবে। সরকার দাবি মেনে নিলে আমরা ক্লাস, পরীক্ষায় ফিরে যাব।’
এদিকে ৩ দফা দাবি নিয়ে ৯ মে মানববন্ধন, ১১ মে কালোব্যাজ ধারণ ও ২৫ থেকে ২৭ জুন তিন দিন অর্ধদিবস কর্মবিরতিসহ নানা কর্মসূচি পালন করেন শাবিপ্রবি শিক্ষক সমিতি।
শিক্ষকদের দাবিদাওয়ার ব্যাপারে সরকারের পক্ষ থেকে ইতিবাচক কোনো সিদ্ধান্ত না আসায় কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছেন শাবিপ্রবি শিক্ষকরা।
এ সভায় উপস্থিত ছিলেন, শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. আলমগীর কবীর, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধানসহ অন্যান্য শিক্ষকরা।
আরও পড়ুন: কয়েক দফা দাবিতে সোমবার থেকে সর্বাত্মক কর্মবিরতি পালন করবে শাবিপ্রবির শিক্ষকরা
সাঁতার শিখতে এসে শাবিপ্রবির পুকুরে ডুবে কলেজ শিক্ষার্থীর মৃত্যু
৬১৪ দিন আগে
সৌদির সঙ্গে অফশোর ব্যাংকিং সুবিধা নিয়ে আলোচনা করবে বাংলাদেশ: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, সৌদি কোম্পানিগুলোকে অফশোর ব্যাংকিং অ্যাকাউন্টে ডিপোজিট করতে আকৃষ্ট করার বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে সৌদি আরবের সঙ্গে আর্থিক খাতে সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করবে বাংলাদেশ।
তিনি আরও বলেন, ‘তারা যদি আর্থিক খাতে বিনিয়োগ করতে চায়, তাহলে আলোচনা করা হবে। তারা আমেরিকা ও ইউরোপে টাকা জমা রাখে। বাংলাদেশও টাকা জমা রাখার একটি সুযোগ করে দিয়েছে। যেকোনো বিদেশি কোম্পানি ও বিদেশি ব্যক্তি বাংলাদেশের অফশোর অ্যাকাউন্টে তাদের অর্থ রাখতে পারবেন। অন্য বিষয়ের সঙ্গে এটিও আলোচনা হবে।’
আগামীকাল (১ জুলাই) রিয়াদে সৌদি আরবের সঙ্গে দ্বিতীয় রাজনৈতিক পরামর্শ সভায় অংশ নেওয়া প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
এ সভায় বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এবং সৌদি আরবের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদ।
আরও পড়ুন: ঢাকা-রিয়াদ রাজনৈতিক বৈঠক: প্রাধান্য পাবে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও ক্রাউন প্রিন্সের সফর
অফশোর ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ব্যাংকগুলোতে বৈদেশিক মুদ্রায় ডিপোজিট করার এই সুযোগ দেশে বিনিয়োগ ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সহজতর করা এবং মার্কিন ডলারের একটি প্রধান উৎস তৈরি করছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা একটি নতুন সুযোগ তৈরি করে দিয়েছি। এটিকে জনপ্রিয় করতে চাই আমরা। এমন দেশ রয়েছে যেখানে বিদেশি সংস্থা এবং ব্যক্তিরা এই জাতীয় ডিপোজিট তৈরি করে।’
দেশের বৈদেশিক মুদ্রার মজুদ বাড়াতে এবং বৈদেশিক বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার লক্ষ্যে চলতি বছরের মার্চ মাসে সংসদে অফশোর ব্যাংকিং আইন, ২০২৪ পাস করা হয়।
বাংলাদেশি ও বিদেশি নাগরিকদের এ সেবার নিয়ম-নীতি শিথিল করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেট প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ২০০৯ সাল থেকে এ পর্যন্ত জাতীয় বাজেটের পরিমাণ ১২ বার বেড়েছে এবং বাজেট বাস্তবায়নের হার প্রায় ৯২-৯৬ শতাংশ।
তিনি বলেন, এক শ্রেণির মানুষ সব সময় বাজেটকে 'উচ্চাভিলাষী' ও বাস্তবায়ন অসম্ভব বলে বর্ণনা করেন, যদিও বাস্তবে বাজেট বাস্তবায়নের হার বাড়ানোর মাধ্যমে উল্টো চিত্র দেখা যায়।
ড. হাছান মাহমুদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার বৈদেশিক নির্ভরশীলতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে এনেছে, যা বিএনপির আমলে ছিল প্রায় ৫০ শতাংশ। এখন তা মাত্র ১৫ থেকে ২০ শতাংশ।
বাংলাদেশ এখন বৈদেশিক ঋণকে ‘না’ বলার মতো অবস্থানে থাকলেও মাঝে মাঝে বিভিন্ন কারণে ঋণ নিতে হয় বলে জানান তিনি।
বাংলাদেশের উন্নয়ন এখন বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বব্যাংক, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক এবং অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অংশীদার দেশ, যাদের সদস্য দেশ হিসেবে বাংলাদেশের জন্য সুনির্দিষ্ট বরাদ্দ রয়েছে।
আরও পড়ুন: সংসদে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেট পাস, জিডিপি ৬.৭৫% ও মুদ্রাস্ফীতি ৬% নির্ধারণ
৬১৪ দিন আগে
মালয়েশিয়ায় কর্মীরা যেতে না পারায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে- জানতে চান হাইকোর্ট
মালয়েশিয়ায় কর্মীরা যেতে না পারায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তা আগামী সাত দিনের মধ্যে জানাতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
রবিবার বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি এস এম মাসুদ হাসান দোলনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ মৌখিক এই আদেশ দেন।
আরও পড়ুন: সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিলের সিদ্ধান্ত অবৈধ: হাইকোর্ট
প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান সচিব, পুলিশের আইজি ও বায়রা মহাসচিবকে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া আদালতে শুনানিতে ছিলেন, রিটকারি আইনজীবী মো. তানভীর আহমেদ ও বিপ্লব পোদ্দার।
তানভীর আহমেদ বলেন, ২ জুন এ বিষয়ে রিট আবেদন করা হয়। রবিবার (৩০ জুন) শুনানি শেষে আদেশ দেন আদালত।
গত ২ জুন ‘৩০ হাজার যুবকের স্বপ্ন ভেঙে ২০ হাজার কোটি টাকা লুট’- শিরোনামে একটি জাতীয় দৈনিকে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ওই প্রতিবেদন সংযুক্ত করে হাইকোর্টে রিট করা হয়।
আরও পড়ুন: সানভীস বাই তনি শোরুম খুলে দিতে হাইকোর্টের নির্দেশ
ঢাকা ওয়াসার ডিএমডি ইয়াজদানির বরখাস্তের সিদ্ধান্ত হাইকোর্টে বাতিল
৬১৪ দিন আগে
হিন্দু, বৌদ্ধ-খ্রিস্টানদের অধিকার রক্ষায় কমিশন গঠনের দাবি স্বতন্ত্র এমপি পঙ্কজের
হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টানদের অধিকার রক্ষায় কমিশন গঠনের দাবি জানিয়েছেন বরিশাল-৪ আসন থেকে নির্বাচিত স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য পঙ্কজ নাথ।
সংসদে আইন মন্ত্রণালয়ে ছাঁটাই প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় তিনি এ আহ্বান জানান।
আরও পড়ুন: গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে সরকার
এছাড়াও বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বিচারক ঘাটতির কথা তুলে ধরে প্রতিটি বিভাগে হাইকোর্ট বেঞ্চ প্রতিষ্ঠার দাবি জানান।
অন্যদিকে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ বলেন, ন্যায়বিচারের জন্য লাখ লাখ মানুষ আদালতে ঘুরে বেড়াচ্ছে। কিন্তু মামলাগুলো দীর্ঘদিন ধরে অমীমাংসিত অবস্থায় আছে।
এসময় আদালতে মামলাজটের কথা স্বীকার করে সংক্ষেপে মামলা কমাতে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের বর্ণনা দেন আইনমন্ত্রী।
আরও পড়ুন: শ্রমিকদের শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের অধিকার রক্ষায় বাংলাদেশ সরকারের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের আহ্বান
জনগণের অধিকার রক্ষায় এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী
৬১৪ দিন আগে
ঢাকা-রিয়াদ রাজনৈতিক বৈঠক: প্রাধান্য পাবে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও ক্রাউন প্রিন্সের সফর
বাংলাদেশ ও সৌদি আরব আগামী ১ জুলাই দ্বিতীয় রাজনৈতিক পরামর্শ সভার আয়োজন করতে যাচ্ছে যেখানে দুই দেশের মধ্যকার বাণিজ্য ও বিনিয়োগসহ বাংলাদেশি অভিবাসী, রোহিঙ্গা সংকট ও পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয় তুলে ধরা হবে।
রবিবার (৩০ জুন) সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, রিয়াদে সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত হতে যাওয়া এ বৈঠকে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এবং সৌদি আরবের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদ।
বৈঠকে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন, আইসিটি ও পর্যটন বিষয়ে আলোচনা হতে পারে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ইউএনবিকে জানিয়েছেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান দুই দিনের সরকারি সফরে সোমবার ভোরে রিয়াদ পৌঁছাবেন। আগামী ৩ জুলাই তার দেশে ফেরার কথা রয়েছে।
আরও পড়ুন: হাসিনার ভারত সফর: বাংলাদেশকে উন্নয়নের পথে আরেক ধাপ এগিয়ে নেবে
যেহেতু বিনিয়োগ বিষয়ে নিয়ে বড় পরিসরে আলোচনার কথা রয়েছে তাই প্রতিনিধি দলে থাকবেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান।
এছাড়াও বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের সদস্য হিসেবে রয়েছেন- অতিরিক্ত পররাষ্ট্র সচিব (দ্বিপাক্ষিক পূর্ব ও পশ্চিম) নজরুল ইসলাম, সৌদি আরবে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী, পশ্চিম এশিয়া উইংয়ের মহাপরিচালক শফিকুর রহমান ও পরিচালক নাফিসা মনসুর ।
এ বছরের শেষের দিকে বাংলাদেশ সফর করতে পারেন সৌদি আরবের প্রধানমন্ত্রী ও সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ।
বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ইতিহাসে এটি একটি যুগান্তকারী ঘটনা হবে; যা ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা সুসংহত করবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বাংলাদেশের এক কর্মকর্তা ইউএনবিকে বলেন, সৌদি যুবরাজ এ বছর বাংলাদেশ সফরের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন। উভয় পক্ষ এটি চূড়ান্ত করার জন্য বিষয়টি নিয়ে আরও আলোচনা করতে পারে।
১৯৮৫ সালে তৎকালীন সৌদি যুবরাজ আবদুল্লাহ বিন আবদুল আজিজের ঢাকা সফরের পর এটিই হবে কোনো সৌদি যুবরাজের প্রথম বাংলাদেশ সফর।
সৌদি নেতার সফরকালে বেশ কয়েকটি দ্বিপক্ষীয় চুক্তি (এমওইউ ও চুক্তি) সই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা দুই দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে উল্লেখযোগ্যভাবে জোরদার করবে বলে উভয় পক্ষই আশা করছে।
এর আগে ২০২২ সালের ১৬ মার্চ ঢাকায় বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে প্রথম রাজনৈতিক পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে উভয় নেতা দুই ভ্রাতৃপ্রতিম দেশের মধ্যে বিদ্যমান টেকসই সম্পর্ক ও বন্ধুত্বপূর্ণ বন্ধনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন এবং দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার অবস্থানে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
তারা দুই দেশের মধ্যে রাজনৈতিক পর্যায়ে বিদ্যমান বোঝাপড়া ও সদিচ্ছার কথা উল্লেখ করে এটিকে ফলপ্রসূ করার ওপর জোর দেন।
উভয় পক্ষই দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক সুবিধার জন্য নীতিগত সিদ্ধান্ত এগিয়ে নিয়ে যেতে কার্যকরী সমন্বয় ও একসঙ্গে কাজ করার বিষয়ে জোর দিয়েছে।
বেশ কয়েকটি সৌদি কোম্পানি এরই মধ্যে বাংলাদেশের কিছু খাতে বিনিয়োগ করেছে এবং আরও কয়েকটি কোম্পানি বিভিন্ন ক্ষেত্রে বৃহত্তর সম্পৃক্ততার কথা বিবেচনা করছে।
রাষ্ট্রদূত বলেন, সৌদি আরবে কর্মরত প্রায় ২৮ লাখ বাংলাদেশি সৌদি ও বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন।
চলতি বছরের মে মাসে কিংডম অব সৌদি আরব (কেএসএ) বাংলাদেশি পাসপোর্ট নিয়ে ১৯৭৩-৭৪ সালে সৌদি আরবে যাওয়া রোহিঙ্গাদের পাসপোর্ট নবায়নের প্রচেষ্টার অগ্রগতি জানতে চেয়েছিল।
সে সময় এক দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন সৌদি উপস্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. নাসের বিন আবদুল আজিজ আল-দাউদ।
আরও পড়ুন: ভারত সফর সংক্ষিপ্ত, কিন্তু অত্যন্ত ফলপ্রসূ: সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী
৬১৪ দিন আগে
রাজশাহী বিএনপির সাবেক এমপি নাদিম মোস্তফা আর নেই
রাজশাহী জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দূর্গাপুর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য নাদিম মোস্তফা আর নেই।
রবিবার (৩০ জুন) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। তার বয়স হয়েছিল ৫৮ বছর।
তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু জানান, রিমান্ডে বিএনপি নেতা নাদিম মোস্তফাকে অমানুষিক নির্যাতন করার পর থেকেই তিনি হার্টের অসুখসহ নানা জটিলতায় ভুগছিলেন। রবিবার সকালে অসুস্থবোধ করলে দ্রুত তাকে ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই আজ (রবিবার) দুপুর পৌনে ১২দিকে তার মৃত্যু হয়।
তিনি বলেন, ‘ইতোমধ্যে নাদিম মোস্তফাকে বহনকারী লাশের গাড়ি ঢাকা থেকে রওনা হয়েছে। রবিবার বাদ এশা পুঠিয়ায় তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর তার লাশ নিয়ে আসা হবে রাজশাহী শহরে। সোমবার (১ জুলাই) সকালে রাজশাহীর শাহ মখদুম ঈদগাহ ময়দানে তার দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।’
তবে কোথায় তাকে দাফন করা হবে এ বিষয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানান মিজানুর রহমান মিনু।
নাদিম মোস্তফার ছোট ভাই সাঈদ হাসান বলেন, ‘তিনি হার্টের অসুখ, ডায়াবেটিস নানা শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন। তিনি ঢাকায় তার গুলশানের বাসায় অবস্থান করছিলেন। সকালে ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ হয়ে নাস্তা করেছেন। এরপর হঠাৎ অসুস্থ বোধ করলে তাকে ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।’
আরও পড়ুন: বিএনপির দুঃখ-কষ্টের বাংলাদেশ এখন আর নেই: নানক
৬১৪ দিন আগে
কয়েক দফা দাবিতে সোমবার থেকে সর্বাত্মক কর্মবিরতি পালন করবে শাবিপ্রবির শিক্ষকরা
বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষকদের জন্য সর্বজনীন পেনশন সংক্রান্ত বৈষম্যমূলক প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহার, শিক্ষকদের প্রস্তাবিত সুপারগ্রেডে অন্তর্ভুক্তকরণ ও স্বতন্ত্র বেতন স্কেলের দাবিতে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের আহ্বানে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) শিক্ষকরা ১ জুলাই থেকে সর্বাত্মক কর্মবিরতিতে যাচ্ছেন। এ সময় ক্লাস, পরীক্ষা সবকিছুই অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকবে।
রবিবার (৩০ জুন) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মিনি অডিটোরিয়ামে সব শিক্ষকদের নিয়ে এক মতবিনিময় সভার আয়োজন করে শাবিপ্রবি শিক্ষক সমিতি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. আলমগীর কবীর, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধানসহ অন্যান্য শিক্ষকরা।
৩ দফা দাবি নিয়ে গত ৯ মে মানববন্ধন, ১১ মে কালো ব্যাজ ধারণ, ২৫-২৭ জুন ৩ দিন অর্ধদিবস কর্মবিরতিসহ নানা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি করে আসলেও শিক্ষকদের দাবি-দাওয়ার ব্যাপারে এখনও সরকারের পক্ষ থেকে ইতিবাচক কোনো সিদ্ধান্ত না আসায় সর্বাত্মক কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছেন শাবিপ্রবি শিক্ষকরা।
শাবিপ্রবি শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. আলমগীর কবীর জানান, টানা আন্দোলনে সরকারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত আমাদেরকে কোনো আশ্বাস দেওয়া হয় নাই। তাই বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক ফেডারেশনের সঙ্গে একাত্মতা পোষণ করে আগামী সোমবার থেকে আমরা সর্বাত্মক কর্মবিরতিতে যাব।
তিনি আরও বলেন, ‘১ জুলাই থেকে আমাদের সর্বাত্মক কর্মবিরতি পালিত হবে। তবে সরকার আমাদের দাবি যতদিন না মানবে ততোদিন সব বন্ধ থাকবে আর সরকার দাবি মেনে নিলে আমরা ক্লাস, পরীক্ষায় ফিরে যাব।’
৬১৪ দিন আগে
সংসদে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেট পাস, জিডিপি ৬.৭৫% ও মুদ্রাস্ফীতি ৬% নির্ধারণ
অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ৭৫ শতাংশ ও বার্ষিক মূল্যস্ফীতি ৬ শতাংশে রাখার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে রবিবার জাতীয় সংসদে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকার বাজেট পাস করা হয়েছে।
অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী ১২ লাখ ৪১ হাজার ৭৫২ কোটি টাকার বাজেট বরাদ্দ চেয়ে নির্দিষ্টকরণ বিল-২০২৪ উত্থাপন করলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়।
এর আগে শনিবার জাতীয় সংসদে কিছু ছোটখাটো পরিবর্তন এনে অর্থবিল-২০২৪ পাস হয়।
সরকারের প্রয়োজনীয় উন্নয়ন ও অনুন্নয়ন ব্যয় মেটানোর জন্য অর্থ বরাদ্দের সংসদীয় অনুমোদনের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয় কর্তৃক সংসদে উত্থাপিত প্রস্তাব অনুসরণ করে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা ৫৯টি মঞ্জুরি দাবির মাধ্যমে স্ব স্ব মন্ত্রণালয়ের ব্যয়ের যৌক্তিকতা তুলে ধরেন।
আরও পড়ুন: বাজেট এখনও পাস হয়নি, অনেক কিছু সংশোধন হতে পারে: অর্থমন্ত্রী
এর আগে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মঞ্জুরি দাবিতে বিরোধী দলের সদস্যদের নামে দাঁড়িয়ে থাকা মোট ২৫১টি ছাঁটাই প্রস্তাব সংসদে কণ্ঠভোটে প্রত্যাখ্যান করা হয়।
জাতীয় পার্টির মুজিবুল হক, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য পঙ্কজ নাথ, হামিদুল হক খন্দকার, আবুল কালাম, সোহরাব উদ্দিন ও নাসের শাহরিয়ার জাহেদীসহ ৭ জন ছাঁটাই প্রস্তাব উত্থাপন করেন।
তবে তাদের আইন মন্ত্রণালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আলোচনায় অংশ নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
পরে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী মধ্যাহ্নভোজের বিরতি না দিয়ে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মঞ্জুরি দাবি পাসের প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করেন।
বরাদ্দ বিলটি পাস হওয়ার সময় বিরোধী ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরা সংসদে উপস্থিত ছিলেন এবং তারা বিলটি পাস করার বিষয়ে আপত্তি উত্থাপন করেননি।
আরও পড়ুন: বাজেটে কালো টাকা সাদা করার প্রস্তাবে সমর্থন প্রধানমন্ত্রীর
৬১৪ দিন আগে
চট্টগ্রাম বন্দরকে শিল্পাঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত করবে নতুন রেল-সড়ক সেতু, অবদান রাখবে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে
নির্মাণ শেষ হলে কর্ণফুলী নদীর ওপর রেল-সড়ক সেতুটি চট্টগ্রাম বন্দর ও শিল্পাঞ্চলের মধ্যে একমাত্র দ্বৈত উদ্দেশ্যসম্পন্ন সেতু হিসেবে কাজ করবে।
রবিবার (৩০ জুন) ঢাকায় দক্ষিণ কোরিয়ার দূতাবাস বলেছে, যা উল্লেখযোগ্যভাবে সরবরাহ ব্যয় হ্রাস করবে, বাণিজ্য পুনরুজ্জীবিত করবে এবং ফলস্বরূপ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে যথেষ্ট অবদান রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
মোট ১.২৪ বিলিয়ন ডলার প্রকল্প ব্যয়ে প্রকল্পটি বাংলাদেশ সরকার শূন্য দশমিক ৪৩ বিলিয়ন ডলার এবং বাকি শূন্য দশমিক ৮১ বিলিয়ন ডলার দক্ষিণ কোরিয়ার ইডিসিএফ ও ইডিপিএফ সরবরাহ করবে।
উল্লেখযোগ্যভাবে, এই প্রকল্পটি ইডিসিএফ সমর্থিত বৃহত্তম প্রচেষ্টা এবং বাংলাদেশে ইডিসিএফ ও ইডিপিএফ থেকে যৌথ অর্থায়নের প্রথম উদাহরণ।
চট্টগ্রামের কালুরঘাট পয়েন্টে কর্ণফুলী নদীর উপর রেল-সড়ক সেতু নির্মাণে শূন্য দশমিক ৮১ বিলিয়ন ডলারের ঋণচুক্তি সই করেছে কেক্সিম।
এই ঋণের মধ্যে ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশন ফান্ড (ইডিসিএফ) থেকে শূন্য দশমিক ৭২ বিলিয়ন ডলার ও ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট প্রমোশন ফ্যাসিলিটি (ইডিপিএফ) থেকে শূন্য দশমিক ০৯ বিলিয়ন ডলার ঋণ রয়েছে।
এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট ব্যাংক অব কোরিয়ার (কেক্সিম) চেয়ারম্যান ও সিইও হি-সুং ইউন এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী ঋণ চুক্তিতে সই করেন।
আরও পড়ুন: পদ্মা সেতুর ঋণ পরিশোধ বাবদ ৩১৫ কোটি টাকার চেক গ্রহণ করলেন প্রধানমন্ত্রী
২৭ জুন অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের কার্যালয়ে এ চুক্তি সই অনুষ্ঠিত হয়। চুক্তি সই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত ইয়ং-সিক পার্কও উপস্থিত ছিলেন।
ঢাকায় দক্ষিণ কোরিয়ার দূতাবাস বলেছে, এই ঋণ চুক্তিটি ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাংলাদেশের বিস্তৃত অবকাঠামো উন্নয়নের চাহিদা মেটাতে বিশেষভাবে নকশা করা একটি উপযুক্ত অফিসিয়াল ডেভেলপমেন্ট অ্যাসিসট্যান্স (ওডিএ) প্রতিষ্ঠা করে, যা কোরিয়ান সরকারের বৈদেশিক নীতি এজেন্ডার একটি প্রধান উপাদান।
কেক্সিমের চেয়ারম্যান ও সিইও হি-সুং ইউন ঋণ চুক্তি সই অনুষ্ঠানের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তার সংসদ কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
তিনি বলেন, ‘কোরিয়া সরকার বাংলাদেশের প্রশংসনীয় অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রার ভূয়সী প্রশংসা করেছে।’
তিনি আরও বলেন, উদ্ভাবনী শিল্প উন্নয়ন নীতি প্রণয়নে বাংলাদেশ সরকারের অঙ্গীকারের কথা উল্লেখ করে দক্ষিণ কোরিয়া সরকার এবং কেক্সিম ইডিসিএফ ও ইডিপিএফের সঙ্গে বাংলাদেশের শিল্প উন্নয়নে তাদের সমর্থন আরও জোরদার করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
আরও পড়ুন: পদ্মা সেতুতে ১ হাজার ৬৪৮ কোটি টাকা টোল আদায় করা হয়েছে: কাদের
৬১৪ দিন আগে