বাংলাদেশ
ডেঙ্গুতে আরও ৬০ জন আক্রান্ত
ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে দেশে শনিবার (২৯ জুন) সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় কারো মৃত্যু হয়নি।
তবে এই সময়ের মধ্যে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৬০ জন।
আরও পড়ুন: দেশে ডেঙ্গুতে আরও ১ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ৪৩
এর মধ্যে ঢাকার হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩০ জন। আর ঢাকার বাইরের হাসপাতালে নতুন করে ভর্তি হয়েছেন আরও ৩০ জন রোগী।
চলতি বছরে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৪৩ জনের। এদের মধ্যে পুরুষ ২০ জন ও নারী ২৩ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সরকারি প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২৯ জুন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন মোট ৩ হাজার ৬০৭ জন।
এদের মধ্যে পুরুষ ২ হাজার ১৯১ জন ও নারী ১ হাজার ৪১৬ জন।
আরও পড়ুন: ডেঙ্গুতে আরও ৯ জন আক্রান্ত
দেশে ডেঙ্গুতে আরও ১ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ৩৪
৬১৫ দিন আগে
দেশে আরও ১৪ জনের করোনা শনাক্ত
দেশে শনিবার (২৯ জুন) সকাল ৮টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে কারো মৃত্যু হয়নি।
তবে নতুন করে ১৪ জনের শরীরে এই ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে মোট আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০ লাখ ৫০ হাজার ৯৯৪ জনে।
আরও পড়ুন: ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আরও ১৬ জন আক্রান্ত
এখন পর্যন্ত ভাইরাসটিতে মৃত্যু হয়েছে ২৯ হাজার ৪৯৮ জনের।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৪৫ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। একই সময় শনাক্তের হার ৪ দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ।
মোট পরীক্ষায় এ পর্যন্ত শনাক্তের হার ১৩ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মোট মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৪৪ শতাংশ।
এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ৩৩ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ ব্যক্তির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০ লাখ ১৮ হাজার ৫০৩ জনে।
আরও পড়ুন: দেশে করোনায় ১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ২৩
দেশে আরও ১৭ জনের করোনা শনাক্ত
৬১৫ দিন আগে
কলম্বো প্রক্রিয়া জোরদারে ২ বছরের 'কর্ম পরিকল্পনার রূপরেখা' প্রকাশ করেছে ভারত
কলম্বো প্রক্রিয়াকে আরও জোরদার করতে মূল অগ্রাধিকার ও উদ্যোগের উপর দৃষ্টিপাত করে আগামী দুই বছরের জন্য একটি ‘কর্ম পরিকল্পনার রূপরেখা’ প্রকাশ করেছে ভারত।
গত শুক্রবার (২৮ জুন) জেনেভায় আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সদর দপ্তরে স্থায়ী প্রতিনিধি পর্যায়ের বৈঠকে কলম্বো প্রসেসের প্রথম বৈঠক ভারতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।
জেনেভায় আইওএমের সদর দপ্তরে কলম্বো প্রসেসের বৈঠক আয়োজন করা হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালেয়ের সচিব (সিপিভি ও ওআইএ) মুক্তেশ পরদেশী আসন্ন চেয়ার-ইন-অফিস হিসেবে বিশেষ বক্তব্য দেন।
শনিবার(২৯ জুন) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কলম্বো প্রক্রিয়ার উদ্দেশ্যকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া এবং সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতা বাড়াতে ভারতের প্রতিশ্রুতির উপর জোর দিয়েছেন তিনি।
কলম্বো প্রক্রিয়ার (২০২৪-২৬) জন্য ভারতের অগ্রাধিকারের মধ্যে রয়েছে (ক) কলম্বো প্রক্রিয়ার আর্থিক স্থায়িত্ব পর্যালোচনা, (খ) নতুন সদস্য রাষ্ট্র এবং পর্যবেক্ষকদের অন্তর্ভুক্ত করে সদস্যপদ বাড়ানো , (গ) প্রযুক্তিগত স্তরের সহযোগিতা পুনর্বিন্যাস করা, (ঘ) চেয়ারম্যানশিপের জন্য একটি কাঠামোগত আবর্তন বাস্তবায়ন, (ঙ) নিরাপদ, সুশৃঙ্খল এবং নিয়মিত অভিবাসনের জন্য গ্লোবাল কমপ্যাক্টের (জিসিএম) একটি আঞ্চলিক পর্যালোচনা পরিচালনা করা, (চ) আবুধাবি সংলাপ (এডিডি) এবং অন্যান্য আঞ্চলিক সংলাপের সঙ্গে জড়িত হওয়ার প্রক্রিয়া করা।
কলম্বো প্রসেস একটি আঞ্চলিক পরামর্শমূলক প্রক্রিয়া, যা বাংলাদেশসহ এশিয়ার ১২টি সদস্য রাষ্ট্রের সমন্বয়ে গঠিত। এটি প্রাথমিকভাবে অভিবাসী শ্রমিকদের জন্য মূল দেশ হিসেবে কাজ করে।
আরও পড়ুন: কানেকটিভিটি উচ্চতর পর্যায়ে নিতে একসঙ্গে কাজ করছে ঢাকা-দিল্লি: কর্মকর্তা
৬১৫ দিন আগে
জনপ্রতিনিধি ও সরকারি কর্মচারীদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে: তাজুল ইসলাম
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেছেন, ‘স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে জনপ্রতিনিধি ও সরকারি কর্মচারীদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে৷ এছাড়া যৌথ প্রচেষ্টার পাশাপাশি তাদের মধ্যে থাকতে হবে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ।’
মন্ত্রী বলেন, ‘তাই সবাই মিলে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়ে কাজ করলে কোনো বাধা সামনে দাঁড়াতে পারবে না।’
শনিবার (২৯ জুন) সকালে ঢাকা জেলা প্রশাসন আয়োজিত ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ঢাকা জেলার ইউনিয়ন পরিষদসমুহের ক্যাশলেস স্মার্ট সেবা কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তাজুল ইসলাম এসব কথা বলেন৷
তিনি বলেন, ‘জনগণের ভাগ্য উন্নয়নে উভয়কেই অঙ্গীকারবদ্ধ হতে হবে।’
আরও পড়ুন: বিএনপিকে নির্বাচনে আনার দায়িত্ব আওয়ামী লীগের নয়: তাজুল ইসলাম
তাজুল ইসলাম বলেন, ‘ঢাকা জেলার ইউনিয়ন পরিষদসমূহের ক্যাশলেস স্মার্ট সেবা কার্যক্রম স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের আরেকটি মাইলফলক। ক্যাশলেস করার কারণে রাজস্ব সংগ্রহ বহুগুণ বাড়বে। এই সেবা শুধু ঢাকা জেলায় নয়, সারা দেশে ছড়িয়ে দিতে হবে৷ দেশের সব ইউনিয়ন পরিষদে ক্যাশলেস স্মার্ট সেবা কার্যক্রম চালু করতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘শুধু রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি নয়, স্মার্ট ক্যাশলেস সেবা কার্যক্রমের মাধ্যমে জনগণের ভোগান্তিও কমবে৷ আগে আমরা দেখেছি, দীর্ঘসময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার কারণে রাজস্ব প্রদানসহ যেকোনো ইউটিলিটি বিল পরিশোধে অনীহা দেখা যেত। কিন্তু, ক্যাশলেস স্মার্ট সেবার মাধ্যমে জনগণ খুব সহজেই বিকাশ অ্যাপের মাধ্যমে তাদের হোল্ডিং ট্যাক্স পরিশোধ করতে পারবে।’
ঢাকা জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আনিসুর রহমানের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ছিলেন, প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান।
আরও উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা-২০ আসনের সংসদ সদস্য বেনজির আহমদ, জাতীয় সংসদ সদস্য শেখ আনার কলি পুতুল, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব আবু হেনা মোরশেদ জামান, ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার মো. সাবিরুল ইসলাম।
আরও পড়ুন: দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে নিবিড়ভাবে কাজ করতে হবে: তাজুল ইসলাম
উদ্যোক্তারা দেশের ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক অগ্রগতির কাণ্ডারি: তাজুল ইসলাম
৬১৫ দিন আগে
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো যাতে স্মার্ট নাগরিক গড়তে পারে সে লক্ষ্যে কাজ করা হচ্ছে: পরিবেশমন্ত্রী
স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো যাতে স্মার্ট নাগরিক গড়তে পারে সে লক্ষ্যে কাজ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী।
শনিবার (২৯ জুন) খিলগাঁও মডেল বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ মিলনায়তনে আয়োজিত বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, আন্তঃবিভাগীয় বিতর্ক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী ও নবীন বরণ অনুষ্ঠানে পরিবেশমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
আরও পড়ুন: জলবায়ু সহিষ্ণুতা অর্জনে বিসিসিটির সংস্কার করা হবে: পরিবেশমন্ত্রী
পরিবেশমন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে মানসম্মত শিক্ষার পাশাপাশি সার্বিক পরিবেশের উন্নয়নের লক্ষ্যে সবুজায়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে।’
এছাড়া বর্তমান সরকার শিক্ষা, স্বাস্থ্য খাত ও পরিবেশের উন্নয়নে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে বলে জানিয়েছেন পরিবেশমন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী।
পরিবেশমন্ত্রী আরও বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের মানসিক ও শারীরিক উন্নয়নের জন্য ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার আয়োজন করতে হবে।’
এ ধরনের প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নেতৃত্বের গুণাবলী বিকশিত করে সব ক্ষেত্রে নিজেকে প্রস্তুত করবে বলে জানান পরিবেশমন্ত্রী।
আরও পড়ুন: দক্ষিণ এশিয়ায় পরিবেশগত সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান পরিবেশমন্ত্রীর
এছাড়া সব অনিয়ম থেকে দূরে থেকে শিক্ষার্থীদের যথাযথভাবে পাঠদানের জন্য শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান জানান পরিবেশমন্ত্রী।
৬১৫ দিন আগে
তথ্যের সততা নিশ্চিতের অঙ্গীকার করতে হবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী
তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত বলেছেন, শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য সবার আগে তথ্যের সততা নিশ্চিতের অঙ্গীকার করতে হবে।
তিনি বলেন, ভিন্ন মত থাকা সমাজের একটা সৌন্দর্য, গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। কিন্তু যেখানে একমত হতে হবে সেটি হচ্ছে, সত্য ও সঠিক তথ্য বলতে হবে।
আরও পড়ুন: সরকার সুষম ও টেকসই উন্নয়নে বিশ্বাস করে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী
শনিবার (২৯ জুন) দুপুরে রাজধানীর ফার্মগেটের কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশের কনভেনশন হলে পিস অ্যাম্বাসেডর'স জাতীয় সম্মেলন ২০২৪ এ সম্মানিত অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশের উদ্যোগে, ইউনাইটেড স্টেটস এজেন্সি ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্টের (ইউএসএআইডি) সহযোগিতায় এবং ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল ও ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশন ফর ইলেক্টোরাল সিস্টেমসের অংশীদারত্বে এ সম্মেলন আয়োজন করা হয়।
সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে তথ্য বিকৃত করলে সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা হবে না। আগে অঙ্গীকার করতে হবে যে, আমি যে রাজনৈতিক ধ্যান-ধারণায় বিশ্বাস করি না কেনো, তথ্যের জায়গায় আমি নিশ্চিত করতে চাই আমার সততা।
তিনি আরও বলেন, রাজনীতিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকা প্রয়োজন, ভিন্ন মত থাকা প্রয়োজন। কিন্তু প্রতিদ্বন্দ্বিতা, প্রতিযোগিতা হবে ইতিবাচক, নেতিবাচক নয়। প্রতিদ্বন্দ্বিতা দ্বন্দ্ব-সংঘাতে পরিণত হয় যখন নেতিবাচকতা চলে আসে।
আরও পড়ুন: বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি জনগণের আস্থা তৈরি করবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী
৬১৫ দিন আগে
কানেকটিভিটি উচ্চতর পর্যায়ে নিতে একসঙ্গে কাজ করছে ঢাকা-দিল্লি: কর্মকর্তা
বাংলাদেশ ও ভারত যোগাযোগ বাড়াতে এবং এটিকে বিভিন্ন উপায়ে ফিজিক্যাল ও ডিজিটাল উভয় ক্ষেত্রেই উচ্চতর স্তরে নিতে তারা একসঙ্গে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।
তিনি বলেন, দুই দেশ যাতে তাদের বাণিজ্য সংযোগ, দুদেশের জনগণের পারস্পরিক যোগাযোগ এবং আরও কিছু প্রকল্প একসঙ্গে জোরদার করতে পারে। একই সঙ্গে সম্পর্ককে উচ্চতর পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারে, সেজন্য এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল শুক্রবার(২৮ জুন) নয়াদিল্লিতে সাপ্তাহিক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের বলেন, 'আমরা দুই দেশ উচ্চতর পর্যায়ে যোগাযোগ বাড়াতে একসঙ্গে কাজ করছি।’
রেল যোগাযোগ সম্পর্কে একজন সাংবাদিক জানতে চেয়েছিলেন কোনো ধরনের ফি বা কিছু আর্থিক সুবিধা থাকবে কি না এবং ট্রেনগুলো যখন সেই অঞ্চলগুলো দিয়ে যাবে, তখন কোনো আধাসামরিক বা সুরক্ষা বাহিনী মোতায়েন করা হবে কি না।
জবাবে ভারতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, 'ফি, নিরাপত্তার দিক নিয়ে আপনার প্রশ্নগুলো খুবই টেকনিক্যাল প্রশ্ন। টেকনিক্যাল কমিটি ও দুই সরকারের মধ্যে আলোচনার জন্য যখনই এগুলো আসবে, তখনই এগুলো নিয়ে আলোচনা হবে।’
গত ২১ ও ২২ জুন নয়াদিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দু'দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে রেলওয়ে যোগাযোগের জন্য একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়।
রেলের সমঝোতা স্মারকটি দু’দেশের মধ্যে রেলপথ সংযোগের বিষয়ে ছিল।
আরও পড়ুন: ডিক্যাব সদস্যদের সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনের মতবিনিময়
এর আগে ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিনয় কোয়াত্রা বলেন, ভারত-বাংলাদেশ অংশীদারত্বের অন্যতম স্তম্ভ হিসেবে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।
রাষ্ট্রীয় সফর শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি বলেন, 'আমরা বিশ্বাস করি, যোগাযোগ ব্যবস্থা ভৌগোলিক সম্পর্ককে নতুন অর্থনৈতিক সুযোগে রূপান্তরিত করতে পারে। শুধু ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে নয়, পুরো অঞ্চলের জন্যও এটি হতে পারে।
তিনি বলেন, এ লক্ষ্যে রাজশাহী ও কলকাতার মধ্যে একটি নতুন যাত্রীবাহী ট্রেন সার্ভিস চালু করা হচ্ছে এবং আগামী মাসের মধ্যে গেদে-দর্শনা থেকে হলদিবাড়ি-চিলাহাটি আন্তঃসীমান্ত ইন্টারচেঞ্জ পয়েন্ট পর্যন্ত বাংলাদেশ রেলওয়েতে একটি মালবাহী ট্রেন পরীক্ষামূলক চালুর পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বলেন, 'এটি ভুটানের সঙ্গে উপআঞ্চলিক যোগাযোগেও সহায়তা করবে’
কোয়াত্রা বলেন, ইতোমধ্যে প্রায় ছয়টি আন্তঃসীমান্ত রেল সংযোগ রয়েছে। তবে গুরুত্ব না থাকলেও আন্তঃসীমান্ত রেল সংযোগ রয়েছে।
তিনি বলেন, এই রেল যোগাযোগের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো তারা বাংলাদেশের ভূখণ্ড দিয়ে ভারতের বিভিন্ন অংশের মধ্যে ট্রানজিট দেয়। সেই বিষয়টিকেই কেন্দ্র করে আজকের আলোচনা হয়েছে।
কোয়াত্রা বলেন, ‘সুতরাং এটি কার্যকরভাবে একটি সংযোগের দৃষ্টান্ত, যা প্রকৃতপক্ষে উভয় দেশ, সমাজ, অর্থনীতিকে ব্যাপকভাবে উপকৃত করে।’
আরও পড়ুন: গঙ্গা চুক্তির আলোচনায় পশ্চিমবঙ্গের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে বিস্তারিত জানাল ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
৬১৫ দিন আগে
যেসব তরুণ মাদককে না বলতে পারে তারাই প্রকৃত স্মার্ট: ডিএনসিসি মেয়র
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম বলেছেন, যেসব তরুণ মাদককে ‘নো’ বলতে পারে তারাই প্রকৃত স্মার্ট। কারণ তারা জানে মাদক একটি নীরব ঘাতকের নাম, সব শেষ করে দেয়।
মাদক থেকে নিজেদের দূরে রেখে খেলাধুলায় ব্যস্ত হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
শনিবার (২৯ জুন) সকাল সাড়ে ৯টায় রাজধানীর উত্তরা ৪ নম্বর সেক্টর পার্কে ঢাকা নর্থ মেয়র বাস্কেটবল টুর্নামেন্ট-২০২৪ উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
ডিএনসিসি মেয়র বলেন, খেলাধুলার মাধ্যমে একটি শিশুর সুষ্ঠু মেধার বিকাশ ঘটে।
আরও পড়ুন: ‘সুস্থ সমাজ গঠনে খেলাধুলা করতে হবে: ডিএনসিসি মেয়র
এ সময় তিনি শিশু-কিশোরদের খেলাধুলার বিষয়ে আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘অভিভাবকদের বেশি যত্নশীল হতে হবে। তাদের দামি দামি মোবাইল ফোন না কিনে দিয়ে খেলা সামগ্রী কিনে দেন। তারা ঠিকই মাঠে নেমে আসবে।’
তিনি বলেন, বাচ্চাদের হাতে হাতে ফোন। দিনরাত তারা সেটা নিয়ে পড়ে থাকছে। তাদের এই অভ্যাসগুলো পরিবর্তন করতে হবে। আমাদেরকেই পরিবর্তন করতে সহযোগিতা করতে হবে।
খেলাধুলার দরজা সবার জন্য উন্মুক্ত উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সিটি করপোরেশন তরুণ প্রজন্মকে স্বাগতম জানাতে প্রস্তুত। আমরা সব সময় তাদের পাশে থাকব।’
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য খসরু চৌধুরী, সাবেক সংসদ সদস্য শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিনসহ আরও অনেকে।
উদ্বোধন শেষে টুর্নামেন্টের ট্রফি উন্মোচন করা হয়। টুর্নামেন্টে ৪৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন একাডেমির দল অংশ নেবে।
আরও পড়ুন: ভবনের গাড়ি পার্কিংয়ের জায়গায় অবৈধভাবে গড়ে তোলা দোকান বন্ধ করা হবে: ডিএনসিসি মেয়র
৬১৫ দিন আগে
এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু রবিবার
রবিবার থেকে সারা দেশে শুরু হচ্ছে উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা।
২ হাজার ২৭৫টি কেন্দ্রে ৯ হাজার ৪৬৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা বোর্ড ও কারিগরি বোর্ডের মোট ১৪ লাখ ৫০ হাজার ৭৯০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এদের মধ্যে ৯টি সাধারণ বোর্ড থেকে ১১ লাখ ২৮ হাজার ২৮১ জন, মাদরাসা বোর্ড থেকে ৮৮ হাজার ৭৬ জন ও কারিগরি বোর্ড থেকে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৪৩৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেবে।
২৯ জুন থেকে ১১ আগস্ট পর্যন্ত সব কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকবে।
গত বছর সব বোর্ড থেকে মোট ১৩ লাখ ৫৯ হাজার ৩৪২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল।
বিদেশে ৮টি কেন্দ্র থেকে ২৮১ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেবে।
রুটিন অনুযায়ী এইচএসসির লিখিত পরীক্ষা ১১ আগস্ট পর্যন্ত এবং ব্যবহারিক পরীক্ষা ১২ আগস্ট থেকে ২১ আগস্ট পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে।
আরও পড়ুন: ৩০ জুন থেকে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু: শিক্ষামন্ত্রী
এছাড়া কারিগরি বোর্ডের অধীন পরীক্ষা ১৮ জুলাই পর্যন্ত চলবে এবং ব্যবহারিক পরীক্ষা ১৯ জুলাই শুরু হয়ে ৪ আগস্ট পর্যন্ত চলবে।
সব পরীক্ষার্থীকে পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে অবশ্যই পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে এবং পরীক্ষা শুরুর ২৫ মিনিট আগে এসএমএসের মাধ্যমে সংশ্লিষ্টদের প্রশ্নপত্র কোড জানিয়ে দেওয়া হবে হবে।
পরীক্ষা কেন্দ্রে কাউকে মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। শুধুমাত্র পরীক্ষা কেন্দ্রে ইনচার্জরা মোবাইল ফোন সেট নিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন।
এছাড়া পরীক্ষার্থী, কেন্দ্র পরিদর্শক, মন্ত্রণালয়ের টিম, বোর্ডের টিম, স্থানীয় প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসন টিম ও নিরাপত্তাকর্মী ছাড়া অন্য কেউ পরীক্ষা কেন্দ্রে থাকতে পারবে না।
উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীদের সহায়তা দিতে প্রস্তুত থাকবে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কুইক রেসপন্স টিম (কিউআরটি)।
বৃহস্পতিবার ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) মুনিবুর রহমান।
আরও পড়ুন: এইচএসসি পরীক্ষার জন্য ২৯ জুন থেকে ১১ আগস্ট বন্ধ থাকবে কোচিং সেন্টার: শিক্ষামন্ত্রী
৬১৫ দিন আগে
গঙ্গা চুক্তির আলোচনায় পশ্চিমবঙ্গের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে বিস্তারিত জানাল ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
২০২৬ সালের পরে গঙ্গা পানিচুক্তি নবায়ন সম্পর্কে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, গত ৫ এপ্রিল পশ্চিমবঙ্গ থেকে একটি যোগাযোগ পাওয়া গেছে। এতে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের পরে চুক্তিতে তাদের খাবার পানি এবং শিল্পের পানির প্রয়োজনীয়তার কথা অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
চলতি বছরের ৩১ মে অনুষ্ঠিত কমিটির শেষ বৈঠকে যোগ এই প্রয়োজনীয়তার পুনরাবৃত্তি করেছিলেন পশ্চিমবঙ্গের প্রতিনিধি।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে চুক্তি নবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতিমূলক কাজ পরিচালনা করে ভারতের পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়।
পরের ধাপে গঙ্গার পানি চুক্তি নবায়ন নিয়ে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে আলোচনা শুরু করতে মন্ত্রণালয় একটি যৌথ কারিগরি কমিটি গঠন করে।
শুষ্ক মৌসুমে ফারাক্কা বাঁধে গঙ্গা/গঙ্গার পানি বণ্টনের জন্য ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে একটি চুক্তি সই হয়েছিল।
আরও পড়ুন: প্রমোদতরি ‘এম ভি গঙ্গা বিলাস’: ষাট গম্বুজ মসজিদ পরিদর্শনে ২৫ বিদেশি পর্যটক
এই চুক্তিটি ত্রিশ বছরের জন্য বৈধ এবং তাই ২০২৬ সালে নবায়ণ করার বিষয়টি রয়েছে।
চুক্তির অভ্যন্তরীণ পর্যালোচনার জন্য দেশটির পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় ২০২৩ সালের ২৪ জুলাই একটি অভ্যন্তরীণ কমিটি গঠন করে। সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের মধ্যে বিহার সরকারের পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গ সরকারও রয়েছে। যাদের প্রতিনিধিদের এই কমিটিতে সদস্য হিসাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
পশ্চিমবঙ্গ সরকার ২০২৩ সালের ২৫ আগস্ট কমিটিতে তাদের প্রতিনিধি মনোনীত করে।
অভ্যন্তরীণ কমিটি এ পর্যন্ত চারটি সভা করেছে। ২০২৩ সালের ২২ আগস্ট প্রথমটি, দ্বিতীয়টি ২০২৩ সালের ৩০ অক্টোবর, তৃতীয়টি ২০২৪ সালের১৫ মার্চ এবং ২০২৪ সালের ৩১ মে শেষ বৈঠকটি করে কমিটি। এটি কমিটি ২০২৪ সালের ১৪ জুন তার চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। যেটি পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে পরীক্ষাধীন।
এ পর্যন্ত চারটি বৈঠকের মধ্যে তিনটিতে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রতিনিধিত্ব করেছেন যুগ্ম সচিব, সেচ ও নৌপথ বিভাগ অথবা প্রধান প্রকৌশলী (নকশা ও গবেষণা), সেচ ও নৌপথ বিভাগ। অর্থাৎ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রতিনিধি মনোনয়ন পাওয়ার পরে অনুষ্ঠিত তিনটি সভায় অংশ নিয়েছিলেন।
আরও পড়ুন: গঙ্গা চুক্তি নবায়ন ও তিস্তা চুক্তি সই করতে আন্তর্জাতিক ফারাক্কা কমিটির আহ্বান
৬১৬ দিন আগে