বিশ্ব
ইসরায়েলি হামলায় ইরানের দুই পরমাণু বিজ্ঞানী নিহত
ইসরায়েলি হামলায় ইরানের দুই পরমাণু বিজ্ঞানী নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (১৩ জুন) পারস্য উপসাগরীয় দেশটির পরমাণু সমৃদ্ধকরণ স্থাপনাসহ বিভিন্ন স্থানে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল।
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের খবরে বলা হয়েছে, ইরানের পরমাণু জ্বালানি সংস্থার (এইওআই) সাবেক প্রধান ফিরেদুন আব্বাসি ও তেহরানের ইসলামি আজাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি মোহাম্মদ মেহদি তেরাঞ্চি এই হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন।
দেশটির পরমাণু স্থাপনাগুলোর দেখভাল করে থাকে পরমাণু শক্তি সংস্থা (এইওআই)। আব্বাসিকে এর আগেও একবার হত্যার চেষ্টা করা হয়। ২০১০ সালের ওই হামলা থেকে বেঁচে গিয়েছিলেন তিনি। তবে ১৫ বছর পর এসে আরেক হামলায় প্রাণ হারাতে হলো এই বিজ্ঞানীকে।
শুক্রবার (১৩ জুন) ইরানের সংবাদমাধ্যম ও প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, দেশটির প্রধান ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ স্থাপনা নাতানজসহ বিভিন্ন স্থানে বিস্ফোরণ ঘটেছে।
এ হামলার চূড়ান্ত জবাব দেওয়া হবে বলে ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনার খবরে দাবি করা হয়েছে।
বার্তা সংস্থা এপির খবরে বলা হয়েছে, নাতানজ পরমাণু স্থাপনার আংশিক ভূ-উপরিভাগে, কিছুটা ভূ-গভীর অবস্থিত। পারমাণবিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে সেখানে ইউরেনিয়াম গ্যাস ঘূর্ণনের জন্য একাধিক সেন্ট্রিফিউজ হল রয়েছে।
আরও পড়ুন: ইসরায়েলি হামলায় আইআরজিসি প্রধান হোসেইন সালামি নিহত
ইরানীয় কমান্ডার ও ক্ষেপণাস্ত্র কারখানাকেও হামলার নিশানা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েল। এই হামলার নাম দেওয়া হয়েছে ‘রাইজিং লায়ন’ বা জেগে ওঠা সিংহ।
এদিকে পাল্টা হামলার আশঙ্কা থেকে ইসরায়েলে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে।
একটি ধারণকৃত ভিডিওবার্তায় ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেন, ‘আমরা ইসরায়েলের ইতিহাসের এক চূড়ান্ত মুহূর্তে রয়েছি।’
পরমাণু বোমা, দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ও নাতানজ পরমাণু সমৃদ্ধকরণ স্থাপনায় কাজ করা বিজ্ঞানীদেরও হামলার নিশানা বানিয়েছে ইসরায়েল।
নাতানজ থেকে একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে বলে জানিয়েছেন এক প্রত্যক্ষদর্শী। ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের খবরে বলা হয়েছে, তেহরানে বেশ কয়েকটি বিস্ফোরণ হয়েছে। দেশের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পুরোপুরি সতর্ক।
ইরানের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, ‘দেশটির শীর্ষ নেতারা একটি নিরাপত্তা বৈঠকে মিলিত হয়েছেন।’
আরও পড়ুন: ইরানের পরমাণু স্থাপনাসহ বিভিন্ন স্থানে ইসরায়েলের হামলা
২৬৭ দিন আগে
ইরানের পরমাণু স্থাপনাসহ বিভিন্ন স্থানে ইসরায়েলের হামলা
ইরানের পরমাণু অস্ত্র তৈরি বন্ধ করতে দেশটির পারমাণবিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছে ইসরায়েল।
শুক্রবার (১৩ জুন) ইরানের সংবাদমাধ্যম ও প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, দেশটির প্রধান ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ স্থাপনা নাতানজসহ বিভিন্ন স্থানে বিস্ফোরণ ঘটেছে।
এ হামলার চূড়ান্ত জবাব দেওয়া হবে বলে ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনার খবরে দাবি করা হয়েছে।
নাতানজ পরমাণু স্থাপনার একটি অংশ ভূ-উপরিভাগে এবং বাকিটা ভূগর্ভে অবস্থিত বলে বার্তা সংস্থা এপির খবরে বলা হয়েছে। পারমাণবিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে সেখানে ইউরেনিয়াম গ্যাস ঘূর্ণনের জন্য একাধিক সেন্ট্রিফিউজ হল রয়েছে।
ইরানীয় কমান্ডার ও ক্ষেপণাস্ত্র কারখানাকেও হামলার নিশানা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েল। এই হামলার নাম দেওয়া হয়েছে ‘রাইজিং লায়ন’ বা জেগে ওঠা সিংহ।
এদিকে পাল্টা হামলার আশঙ্কা থেকে ইসরায়েলে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে।
একটি ধারণকৃত ভিডিওবার্তায় ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেন, ‘আমরা ইসরায়েলের ইতিহাসের এক চূড়ান্ত মুহূর্তে রয়েছি।’
পরমাণু বোমা, দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ও নাতানজ পরমাণু সমৃদ্ধকরণ স্থাপনায় কাজ করা বিজ্ঞানীদেরও হামলার নিশানা বানিয়েছে ইসরায়েল।
নাতানজ থেকে একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে বলে জানিয়েছেন এক প্রত্যক্ষদর্শী। ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের খবরে বলা হয়েছে, তেহরানে বেশ কয়েকটি বিস্ফোরণ হয়েছে। দেশের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পুরোপুরি সতর্ক।
ইরানের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, ‘দেশটির শীর্ষ নেতারা একটি নিরাপত্তা বৈঠকে মিলিত হয়েছেন।’
২৬৭ দিন আগে
আহমেদাবাদে বিমান বিধ্বস্ত: ২৪১ জন নিহত, একমাত্র জীবিত উদ্ধার
এয়ার ইন্ডিয়া বোইং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার বিধ্বস্তের ঘটনাটি ভারতের অন্যতম ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনাগুলোর মধ্যে একটি। এই বিমানটিতে ২৪২ আরোহী ছিলেন। বৃহস্পতিবার আহমেদাবাদ বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের কিছু সময় পর দুর্ঘটনায় পতিত হয়। এতে ২৪১ জনের প্রাণহানি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে যে, একজন যাত্রী আশ্চর্যজনকভাবে দুর্ঘটনা থেকে বেঁচে গেছেন এবং বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
আহমেদাবাদের পুলিশ কমিশনার জি.এস. মালিক জানান, একমাত্র জীবিত ব্যক্তি ১১এ সিটে বসেছিলেন এবং বর্তমানে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
তিনি বার্তা সংস্থা এএনআই-কে জানান, ‘একজন জীবিত ব্যক্তিকে পাওয়া গেছে এবং হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। আমরা এখনও মৃত্যুর চূড়ান্ত সংখ্যা নিশ্চিত করতে পারছি না, কারণ উদ্ধারকাজ এখনও চলমান।’
আহমেদাবাদের পুলিশ প্রধান বরাতে এক প্রতিবেদনে বিবিসি জানিয়েছে, দুর্ঘটনাস্থল থেকে ২০৪টি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এটি নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি যে, এই ২০৪ জনের সবাই বিমানটির যাত্রী ছিল, নাকি দুর্ঘটনাস্থলে কিছু মানুষ নিহত হয়েছেন।
আরও পড়ুন: আহমেদাবাদে বিমান বিধ্বস্ত: ৫ মেডিকেল শিক্ষার্থী নিহত, আহত ৪০
দুর্ভাগ্যজনক ফ্লাইট ১৭১ লন্ডনের গ্যাটউইক বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে ২৩০ জন যাত্রী এবং ১০ জন ক্রু সদস্য ও দুইজন পাইলটসহ যাত্রা শুরু করেছিল, যার মধ্যে ৫৩ জন ব্রিটিশ নাগরিক এবং ১১ জন শিশু ছিলেন।
বিমানটি শহরের বাইরের একটি আবাসিক ভবনে বিধ্বস্ত হয়ে পড়লে আগুন ধরে যায়। এর ফলে ঘন ধোঁয়া আকাশে উঠতে থাকে, যা এই ঘন বসতিপূর্ণ এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে।
ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস এক প্রতিবেদনে জানায়, বিমানটি একটি মেডিকেল কলেজের ছাত্রাবাসে বিধ্বস্ত হয় এবং সেখানে থাকা মেডিকেলের ৫ শিক্ষার্তী নিহত হন।
দুর্ঘটনাস্থলের ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ক্ষতিগ্রস্ত বিমানের ধ্বংসাবশেষ ছাত্রাবাসের ডাইনিং এরিয়ায় আটকে রয়েছে, যেখানে কিছু প্লেটে অস্পশ্য খাবারও দেখা যাচ্ছে।
২৬৭ দিন আগে
আহমেদাবাদে বিমান বিধ্বস্ত: ৫ মেডিকেল শিক্ষার্থী নিহত, আহত ৪০
ভারতের গুজরাটের আহমেদাবাদে বিমান দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত মেডিকেল হোস্টেলের ৫ শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন আরও ৪০ শিক্ষার্থী। এছাড়াও দুর্ঘটনার শিকার এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানটির ২৪২ আরোহীর সবাই নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ জুন) স্থানীয় সময় দুপুর দেড়টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। ভারতের কর্তৃপক্ষের বরাতে দ্য টেলিগ্রাফ ও ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভির খবরে হতাহতের বিষয়ে এমনটিই বলা হয়েছে।
এয়ার ইন্ডিয়া বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার বিমানটিতে ২৪২ আরোহী ছিলেন। তাদের মধ্যে ২৩২ যাত্রী ও ১০ ক্রু ছিলেন। যাত্রীদের মধ্যে ১১ শিশুও ছিল বলে জানিয়েছে এয়ার ইন্ডিয়া।
আরও পড়ুন: আহমেদাবাদে বিমান বিধ্বস্ত: ২৪২ আরোহীর কেউ বেঁচে নেই
এক বিবৃতিতে এয়ার ইন্ডিয়া জানিয়েছে, আহমেদাবাদ-লন্ডন গ্যাটউইকে পরিচালিত এআই১৭১ বিমানটি দুর্ঘটনায় পড়েছে। বিমানটিতে থাকা যাত্রীর মধ্যে ১৬৯ জন ভারতীয় নাগরিক, ৫৩ জন ব্রিটিশ, ৭ জন পর্তুগিজ এবং ১ জন কানাডিয়ান ছিলেন।
ছবিতে দেখা গেছে, বিমানের একটি অংশ বিজে মেডিকেল কলেজের ছাত্রাবাসের ছাদে আটকে রয়েছে।
এফএআইএমএ ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন সামাজিক মাধ্যম এক্সে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘আমরা আহমেদাবাদে এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান দুর্ঘটনার খবর শুনে গভীরভাবে স্তম্ভিত। আমরা যখন জেনেছি বিমানটি বিজেএমসির ছাত্রাবাসে বিধ্বস্ত হয়েছে। এতে অনেক এমবিবিএস শিক্ষার্থীও আহত হয়েছেন। তখন খবরটি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে!!!! আমরা পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি এবং যেকোনো সহায়তার জন্য প্রস্তুত আছি!’
প্রায় ৪০ জন চিকিৎসক আহত হয়েছেন এবং অন্তত একজনের অবস্থা গুরুতর। ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বিজে মেডিকেল কলেজের একজন প্রত্যক্ষদর্শী ড. শ্যাম গোবিন্দ বলেছেন, ‘আমি এবং আমার জুনিয়র ডাক্তার আহত হয়েছি। ৩০-৪০ জন অনুগ্র্যাজুয়েট ডাক্তারও আহত হয়েছেন এবং এক থেকে দুইজন শিক্ষার্থীর অবস্থা গুরুতর।’
আরও পড়ুন: ভারতে বিধ্বস্ত লন্ডনগামী বিমানে ৫৩ ব্রিটিশ নাগরিক ছিলেন
বেসরকারি বিমান চলাচল অধিদপ্তর (ডিজিসিএ) জানায়, পাইলট ক্যাপ্টেন সুমিত সাবহরওয়াল বিমানের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার আগে এক ‘জরুরি বিপদ’ সংকেত পাঠিয়েছিলেন। ‘মেইডে’ সংকেত একটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বিপদ সংকেত, যা প্রধানত বিমানচালনা ও সমুদ্র পরিবহন যোগাযোগের ক্ষেত্রে জীবনসংকটাপন্ন জরুরি অবস্থার তথ্য জানাতে ব্যবহার করা হয়।
বৃহস্পতিবার (১২ জুন) দুপুরে আহমেদাবাদে বিমান দুর্ঘটনায় শোক প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, এটি ‘খুবই বেদনাদায়ক’। তিনি বলেন, তিনি মন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন যারা আক্রান্তদের সহায়তা করার জন্য কাজ করছেন।
বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধনা উপদেষ্টা এই বিমান দুর্ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন।
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমার শোক প্রকাশ করে বলেছেন, ‘ভারতের শহর আহমেদাবাদে বিধ্বস্ত লন্ডনগামী এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানে অনেক ব্রিটিশ নাগরিক ছিলেন, দুর্ঘটনায় পতিত হওয়ার দৃশ্যগুলো ভীষণ মর্মান্তিক।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি পরিস্থিতি সম্পর্কে নিয়মিত আপডেট পাচ্ছি এবং এই গভীর উদ্বেগজনক মুহূর্তে আমার চিন্তা যাত্রী ও তাদের পরিবারের সঙ্গে রয়েছে।’ এছাড়া এই দুর্ঘটনায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতারাও শোক প্রকাশ করেছেন।
২৬৭ দিন আগে
আহমেদাবাদে বিমান বিধ্বস্ত: ২৪২ আরোহীর কেউ বেঁচে নেই
ভারতের গুজরাটের আহমেদাবাদে বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় যাত্রী ও ক্রুদের সবাই মারা গেছেন। এছাড়া দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত একটি মেডিকেলের হোস্টেলের ভবনে থাকা পাঁচজন মেডিকেল শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। আর আহত হয়েছেন আরও ৪০ জন শিক্ষার্থী।
বৃহস্পতিবার (১২ জুন) স্থানীয় সময় দুপুর দেড়টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। দ্য টেলিগ্রাফ ও ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভির খবরে হতাহতের বিষয়ে এমনটিই বলা হয়েছে।
এয়ার ইন্ডিয়া বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার বিমানটিতে ২৪২ আরোহী ছিলেন। তাদের মধ্যে ২৩২ যাত্রী ও ১০ ক্রু রয়েছেন।
সামাজিকমাধ্যমে ছড়িয়েপড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, বিমানটি অনেকটা নিচ দিয়ে উড়ছিল, এসময়ে উপরের দিকে উঠতে বারবার চেষ্টা করছিল। এরপর হঠাৎ করে আকাশযানটি মাটিতে আছড়ে পড়ে এবং বিস্ফোরিত হয়ে আগুনের কুণ্ডলী বেরিয়ে আসে।
আরও পড়ুন: ভারতে বিধ্বস্ত লন্ডনগামী বিমানে ৫৩ ব্রিটিশ নাগরিক ছিলেন
এক বিবৃতিতে এয়ার ইন্ডিয়া জানিয়েছে, আহমেদাবাদ-লন্ডন গ্যাটউইকে পরিচালিত এআই১৭১ বিমানটি দুর্ঘটনায় পড়েছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানার চেষ্টা করা হচ্ছে।
২৬৭ দিন আগে
ভারতে বিধ্বস্ত লন্ডনগামী বিমানে ৫৩ ব্রিটিশ নাগরিক ছিলেন
ভারতের পশ্চিমাঞ্চলের রাজ্য গুজরাটের আহমেদাবাদ বিমানবন্দরের কাছে ২৪২ জন যাত্রী নিয়ে বিধ্বস্ত এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানটিতে ৫৩ জন ব্রিটিশ নাগরিক ছিলেন। বিমানটি লন্ডনের উদ্দেশে যাত্রা করেছিল। খবর দ্য টেলিগ্রাফের।
বোইং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনারটি উড্ডয়ন করার পর অল্প সময়ের মধ্যেই একটি আবাসিক এলাকায় বিধ্বস্ত হয়। এর ফলে ব্যাপক বিস্ফোরণ ঘটে।
একটি অক্ষত বিমানের একটি অংশ ভবনের উপর ঝুলে থাকতে দেখা যায়। আর ধ্বংসাবশেষ থেকে আহত লোকদের অ্যাম্বুলেন্সে করে সরিয়ে নেওয়ার সময় শহরের উপর ব্যাপক কালো ধোয়ার কুণ্ডলী উঠতে দেখা যায়।
পুলিশ এখনো কোনো হতাহতের খবর নিশ্চিত করেনি। তবে তারা নিশ্চিত করেছে যে, বিমানটি চিকিৎসকদের একটি হোস্টেলে আঘাত করেছে।
আরও পড়ুন: ভারতে ২৪২ আরোহী নিয়ে বিমান বিধ্বস্ত
২৬৭ দিন আগে
ত্রাণ সহায়তা নিতে গিয়ে হামলার শিকার হচ্ছেন গাজাবাসীরা
ত্রাণ সহায়তা নিতে গিয়ে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি হামলায় নিহতের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। বুধবার (১১ জুন) দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ত্রাণ সংগ্রহে গিয়ে অন্তত ২১ ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন।
সহায়তা কেন্দ্রগুলোর আশপাশে যেসব মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে, সেগুলোর সঠিক প্রেক্ষাপট তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। অথচ, ইসরায়েলি সেনাবাহিনী দাবি করেছে, বুধবার (১১ জুন) ভোরে মধ্য গাজায় সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের দিকে সতর্কতামূলক গুলি ছুড়েছে তারা। তবে দক্ষিণ গাজায় প্রাণহানির বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি তারা।
ত্রাণ সহায়তা কেন্দ্রের পথে প্রাণহানি
গাজার স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দক্ষিণাঞ্চলের রাফাহ শহরের কাছে ত্রাণ সহায়তা নিতে যাওয়ার পথে ১৪ জন নিহত হয়েছেন। তাদের মরদেহ খান ইউনিসের নাসের হাসপাতালে নেওয়া হয়।
আরও পড়ুন: ইসরায়েলি আগ্রাসন: গাজায় নিহতের সংখ্যা ৫৫ হাজার ছাড়াল
মধ্য গাজার আল-আওদা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, ত্রাণ সহায়তা বিতরণ কেন্দ্রে যাওয়ার পথে আরও ৭জন নিহত হয়েছেন। আল-শিফা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহতদের মধ্যে রয়েছেন অনেক নারী ও কিশোর, যারা সহায়তা নিতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।
সাফা ফারমাওয়ি নামে একজন ফিলিস্তিনি নারী জানান, তার ১৬ বছরের মেয়ে গাজাল ইয়াদ রাফাহতে খাবার সংগ্রহ করতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছে।
দুঃখভারাক্রান্ত মনে তিনি বলেন, ‘আমি আর মেয়ে দুজনেই সহায়তা নিতে গিয়েছিলাম। ও আগে গিয়েছিল। পরে খুঁজেও ওকে পাইনি। তখন লোকজন বলল, তোমার মেয়ে শহীদ হয়েছে।মার্কিন-সমর্থিত ত্রাণ ব্যবস্থা চালু পরই হচ্ছে এমন হামলা।’
জাতিসংঘ স্বীকৃতি না পাওয়া একটি নতুন সংস্থা সহায়তা বিতরণ চালু করার পর থেকে প্রতিদিনই ত্রাণ নিতে যাওয়া ব্যাক্তিদের লক্ষ্য করে গুলির ঘটনা ঘটছে। প্রত্যক্ষদর্শী ফিলিস্তিনিরা জানিয়েছেন, ইসরায়েলি বাহিনী ত্রাণ নিতে যাওয়া জনতার ভিড়ে গুলি চালাচ্ছে।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত গাজা হিউম্যানিটারিয়ান ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, একটি হামলায় তাদের অন্তত ৫ জন স্থানীয় সহায়তাকর্মী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় হামাসকে দায়ী করেছে ফাউন্ডেশনটি।
তাদের দাবি— সহায়তাকর্মীরা তাদের একটি ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্রে যাওয়ার পথে হামলার শিকার হয়েছেন। তবে বিতরণকেন্দ্রগুলোর আশপাশে কোনো ধরনের সহিংসতার বিষয়টি উড়িয়ে দিয়েছে সংগঠনটি।
ইসরায়েলের পরিচালিত নতুন এই ত্রাণ ব্যবস্থার সঙ্গে কাজ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে জাতিসংঘসহ বেশ কয়েকটি মানবাধিকার সংস্থা। হামাসকে সহায়তা না দিয়ে ত্রাণ কার্যক্রম চালানোর এই বিষয়টিকে তারা মানবিক নীতিমালার পরিপন্থী বলে অভিহিত করেছে।
হামাসকে ত্রাণ চুরি থেকে বিরত রাখতে এই ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। নিজেদের বক্তব্যের পক্ষে তারা কোনো প্রমাণ দেখাতে পারেনি। যদিও এই চুরির বিষয়টি অস্বীকার করেছে জাতিসংঘ।
প্রায় তিন মাসের অবরোধের পর গত ২০ মে থেকে গাজায় প্রবেশ করে মানবিক সহায়তা। তবে যে পরিমাণ সহায়তা পৌঁছাচ্ছে তা প্রায় ২০ লাখ গাজাবাসীর জন্য অপ্রতুল বলে মন্তব্য করেন অনেকে। আরও সহায়তা না এলে এই অঞ্চল দুর্ভিক্ষের মুখে পড়বে বলে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা।
আরও পড়ুন: ইসরায়েলি মদদপুষ্ট ৫০ ফিলিস্তিনিকে হত্যা হামাসের
গাজা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত অন্তত ৫৫ হাজার ১০৪ জন নিহত হয়েছেন, আহত হয়েছেন আরও ১ লাখ ২৭ হাজার ৩৯৪ জন।
২৬৭ দিন আগে
ভারতে ২৪২ আরোহী নিয়ে বিমান বিধ্বস্ত
ভারতের আহমেদাবাদ বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পর একটি যাত্রীবাহী বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ জুন) এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।
এয়ার ইন্ডিয়া বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার বিমানটিতে ২৪২ আরোহী ছিলেন। তাদের মধ্যে ২৩২ যাত্রী ও ১০ ক্রু রয়েছেন। নয়াদিল্লিভিত্তিক এনডিটিভির খবরে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।
সামাজিকমাধ্যমে ছড়িয়েপড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, বিমানটি অনেকটা নিচ দিয়ে উড়ছিল, এসময়ে উপরের দিকে উঠতে বারবার চেষ্টা করছিল। এরপর হঠাৎ করে আকাশযানটি মাটিতে আছড়ে পড়ে এবং বিস্ফোরিত হয়ে আগুনের কুণ্ডলী বেরিয়ে আসে।আরও পড়ুন: ফ্লোরিডায় বিমান বিধ্বস্তে নিহত ৩
এক বিবৃতিতে এয়ার ইন্ডিয়া জানিয়েছে, আহমেদাবাদ-লন্ডন গ্যাটউইকে পরিচালিত এআই১৭১ বিমানটি দুর্ঘটনায় পড়েছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানার চেষ্টা করা হচ্ছে।
এনডিটিভির খবরে বলা হয়, দুর্ঘটনাস্থল থেকে ঘন ধূসর ধোঁয়ার কুণ্ডলী উপরের দিকে উঠছে। আশপাশে দুই ডজনেরও বেশি অ্যাম্বুলেন্স জড়ো হয়েছে। কোনো কোনো অ্যাম্বুলেন্সে করে আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
দুর্ঘটনায় হতাহতের বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো তথ্য দিতে পারেনি দেশটির পুলিশ। তারা জানিয়েছে, বিমানবন্দরের কাছের একটি বেসামরিক এলাকায় এটি বিধ্বস্ত হয়েছে।
২৬৭ দিন আগে
ইসরায়েলি আগ্রাসন: গাজায় নিহতের সংখ্যা ৫৫ হাজার ছাড়াল
গত ২০ মাসে ইসরায়েলি আগ্রাসনে গাজায় নিহতের সংখ্যা ৫৫ হাজার ছাড়িয়েছে। যাদের অর্ধেকেরও বেশি নারী ও শিশু। বুধবার (১১ জুন) হামাস নিয়ন্ত্রিত ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
এতে বলা হয়, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত অন্তত ৫৫ হাজার ১০৪ জন নিহত হয়েছেন, আহত হয়েছেন আরও এক লাখ ২৭ হাজার ৩৯৪ জন। তবে ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকা বা চিকিৎসা সেবার নাগালের বাইরে থাকা আরও বহু মানুষের নিহতের আশঙ্কা করা হচ্ছে।
যদিও ইসরায়েল এই পরিসংখ্যান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। তাদের দাবি, হামাস যোদ্ধাদের নিশানা করে তারা হামলা চালাচ্ছে। এমনকি বেসামরিক প্রাণহানির জন্যও ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলনটিকে দায়ী করছে তারা। হামাস ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় অবস্থান নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে লুকিয়ে থাকে বলে অভিযোগ তাদের।
আরও পড়ুন: গাজায় চিকিৎসক দম্পতির ১০ সন্তানের ৯ জনই নিহত
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের সীমানায় স্মরণকালের সবচেয়ে বড় হামলা চালায় ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র সংগঠন হামাস। এতে এক হাজার ২০০ জন বেসামরিক ইসরায়েলি নিহত হন।
সেই সঙ্গে আরও ২৫১ জন ইসরায়েলি নাগরিককে অপহরণ করে নিয়ে যায় হামাস যোদ্ধারা। তারপর থেকেই বন্দিদের মুক্তির অজুহাতে গাজায় হামলা শুরু করে ইসরায়েল।
চলতি বছরের ১৮ মার্চ যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় নতুন করে বাস্তুচ্যুত হয়েছে আরও লাখো মানুষ।
২৬৭ দিন আগে
দিল্লিতে তীব্র দাবদাহ, রেড অ্যালার্ট জারি
ভারতের রাজধানী দিল্লিতে ভয়াবহ তাপপ্রবাহ অব্যাহত রয়েছে। বুধবার (১১ জুন) দেশটির আবহাওয়া অধিদপ্তর (আইএমডি) দিল্লিতে রেড অ্যালার্ট জারি করেছে।
দিল্লির বিভিন্ন স্থানে তাপমাত্রা ৪০.৯ থেকে ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করলেও হিট ইনডেক্স বা তাপমাত্রা ও আর্দ্রতার সম্মিলিত প্রভাব ৫১.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে দাঁড়িয়েছে, যা অত্যন্ত বিপজ্জনক।
রাজধানীতে পারদ চড়লেও উত্তর-পশ্চিম ভারতে অবশ্য কিছুটা স্বস্তির পূর্বাভাস দিয়েছে আইএমডি। সংস্থাটির মতে, ১৪ জুন থেকে ওই এলাকায় তাপমাত্রা কমতে পারে। যদিও পশ্চিম রাজস্থান ও আশপাশের এলাকাগুলোতে তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকবে, তবুও ধীরে ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
আরও পড়ুন: ভারতে যাওয়ার সময় গোপালগঞ্জের আ. লীগ নেতা গ্রেপ্তার
সামাজিক মাধ্যম এক্স-এ প্রকাশিত সর্বশেষ বুলেটিনে আইএমডি জানায়, ‘পূর্ব ভারতে আগামী ২৪ ঘণ্টায় তাপমাত্রায় বড় কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। তবে পরবর্তী তিন দিনে ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস হ্রাস পেতে পারে এবং এরপর থেকে তাপমাত্রা স্থিতিশীল থাকবে।’
কবে থেকে কমবে দিল্লির তাপমাত্রা
আইএমডির এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, পশ্চিম দিক থেকে আসা ঝোড়ো বাতাস কারণে দিল্লিতে শুক্রবারের (১৩ জুন) পর থেকে তাপমাত্রা কমতে পারে।
তার কথায় সমর্থন দিয়েছেন আইএমডির জ্যেষ্ঠ বিজ্ঞানী নরেশ কুমারও। স্থানীয় গণমাধ্যমকে তিনি বলেছেন, ‘বৃহস্পতিবার পর্যন্ত তীব্র গরম অব্যাহত থাকতে পারে। তবে ১৩ জুন রাত থেকে পশ্চিম দিক থেকে প্রবাহিত হওয়া বাতাসের প্রভাবে দিল্লিতে হালকা বৃষ্টি ও বজ্রসহ ঝড়বৃষ্টি হতে পারে।’
গতকাল (১১ জুন) আইএমডির বিকাল ৫টা ৩০ মিনিটের তথ্য অনুযায়ী, দিল্লির সবচেয়ে উত্তপ্ত এলাকা ছিল আয়ানাগার (৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস)। এরপর যথাক্রমে পালাম (৪৪.৫), রিজ (৪৩.৬), পিতমপুরা (৪৩.৫), লোধি রোড (৪৩.৪), সফদরজং (৪৩.৩), ও ময়ূর বিহার (৪০.৯) সর্বোচ্চ তাপমাত্রার রেকর্ড গড়ে।
আজ বৃহস্পতিবার দিল্লিতে রেড অ্যালার্ট বহাল থাকলেও শুক্রবার রাত থেকে পরিস্থিতির উন্নতির সম্ভাবনা রয়েছে বলে পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুন: করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা জারি
পিটিআই সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাত ১০টা ৫৫ মিনিটে দিল্লিতে গ্রীষ্মকালীন সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ চাহিদা (৮,২৩১ মেগাওয়াট) রেকর্ড করেছে রাজ্য লোড ডিসপ্যাচ সেন্টার (এসএলডিসি)।
২৬৮ দিন আগে