বিশ্ব
যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘনের অভিযোগ: ইরানে হামলার নির্দেশ ইসরায়েলের
ইরান যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে অভিযোগ তুলে তার জোরালো জবাব দিতে সামরিক বাহিনীকে নির্দেশ দেওয়ার কথা জানিয়েছেন ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল কাটজ।
মঙ্গলবার (২৪ জুন) তিনি বলেন, ‘তেহরানের কেন্দ্রবিন্দুতে বিভিন্ন নিশানায় তীব্র হামলা চালাতে সামরিক বাহিনীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’
ইসরায়েলি সশস্ত্র বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, ‘যুদ্ধবিরতির মারাত্মক লঙ্ঘন করেছে ইরানি সরকার। আমরা তার জোরালো জবাব দেব।’আরও পড়ুন: ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর
যুদ্ধবিরতির পর ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের কথা অস্বীকার করেছে ইরান। তবে ফের যদি ইসরায়েল কোনো আগ্রাসন চালায়, তাহলে চূড়ান্ত, দৃঢ় ও যথাযথ জবাব দেওয়া হবে বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল।
এ সময়ে সচেতনতা, সহনশীলতা ও ঐক্যবদ্ধ থাকার জন্য ইরানের জনগণের প্রশংসা করা হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, ইরানীয়দের অবিচল সংকল্প, কৌশলগত ধৈর্য, অবমাননা কিংবা একতরফা অবমাননা মেনে নিতে অস্বীকৃতি থেকে সরিয়ে আনতে পারেনি শত্রুরা।
৩৪৬ দিন আগে
ইসরায়েলের যুদ্ধ লক্ষ্য অর্জিত হয়েছে: নেতানিয়াহু
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমন্বয়ে ইরানের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক যুদ্ধবিরতিতে রাজি হওয়ার কথা জানিয়েছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।
তিনি বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে ১২ দিনের অভিযানে সব ধরনের যুদ্ধ লক্ষ্য অর্জিত হয়েছে বলে সোমবার রাতে নিরাপত্তাসংক্রান্ত মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে জানতে পেরেছি। ইরানের পারমাণকি ও দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির হুমকিও ধ্বংস করা হয়েছে।
‘ইরানের সামরিক নেতৃত্ব ও কয়েকটি সরকারি স্থাপনাও ক্ষতিগ্রস্ত করতে সক্ষম হয়েছে ইসরায়েল,’ বলেন নেতানিয়াহু। কোনো ধরনের যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘন হলে ইসরায়েল তার বাধ্যতামূলক জবাব দেবে বলেও জানান তিনি।
আরও পড়ুন: ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর
এদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির সবশেষ সোশাল মিডিয়া পোস্ট অনুযায়ী, তেহরান এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো যুদ্ধবিরতিতে সম্মতি দেয়নি। তার মানে ইরানের তরফে এখনও কোনো স্পষ্ট চুক্তির ঘোষণা আসেনি। ফলে এখনও নিশ্চিত ঘোষণা বা নিশ্চয়তার অপেক্ষায় রয়েছে সংবাদমাধ্যম।
গত কয়েক ঘণ্টায় তেহরানে নতুন কোনো ইসরায়েলি হামলার খবর পাওয়া যায়নি, যা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ঘোষিত যুদ্ধবিরতির বাস্তবায়নের ইঙ্গিত হতে পারে।
তবে ইরান সতর্ক করে দিয়েছে, যদি দেশের ওপর আবার কোনো ধরনের হামলা চালানো হয়, তাহলে তারা তাৎক্ষণিকভাবে পাল্টা জবাব দেবে।
৩৪৬ দিন আগে
মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমায় বিমান চলাচল স্বাভাবিক
কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত ও বাহরাইন আকাশসীমা পুনরায় খুলে দেওয়া হয়েছে। এতে এই অঞ্চলের বিমান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।
সোমবার (২৩ জুন) দিবাগত রাত ৩ টার পর থেকে বিমান চলাচল শুরু হয়েছে। বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ থেকে এমন তথ্য দেওয়া হয়েছে।
এর আগে, গতকাল (২৩ জুন) বাহরাইন চলমান বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে সাময়িকভাবে তাদের আকাশসীমা বাণিজ্যিক ফ্লাইট চলাচলের জন্য বন্ধ ঘোষণা করে কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত ও বাহরাইন।
এরপর সোমবার বাংলাদেশ সময় রাত ৩টার পর থেকে আকাশসীমা পুনরায় উন্মুক্ত করার কথা জানায় ওই দেশগুলো।
বর্তমানে দোহা, দুবাই, আবুধাবি, কুয়েত ও বাহরাইন রুটে সব বাণিজ্যিক ফ্লাইট স্বাভাবিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে।
এই প্রেক্ষাপটে নিজ নিজ এয়ারলাইন্স অফিস বা ট্রাভেল এজেন্টের সঙ্গে যোগাযোগ করে ফ্লাইটের হালনাগাদ সময়সূচি ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্য সম্পর্কে জানতে এবং ভ্রমণ কার্যক্রম যথাযথভাবে সম্পন্ন করার জন্য যাত্রীদেরকে অনুরোধ করা হয়।
এ ছাড়া, ধৈর্য, সহানুভূতি ও সহযোগিতার জন্য যাত্রীদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।
আরও পড়ুন: ইরান-ইসরায়েল সম্পূর্ণ যুদ্ধবিরতিতে রাজি: ট্রাম্প
৩৪৬ দিন আগে
ইসরায়েল ও ইরানকে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন না করার আহ্বান ট্রাম্পের
ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পাশাপাশি তিনি উভয় পক্ষকে যুদ্ধবিরতির শর্তাবলী মেনে চলারও আহ্বান জানিয়েছেন।
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২৪ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে এসব বলেন তিনি।
ট্রাম্প বলেন, ‘যুদ্ধবিরতি এখন কার্যকর। দয়া করে এটি লঙ্ঘন করবেন না!’
যুদ্ধবিরতির প্রাথমিক ঘোষণায় তিনি বলেছিলেন, তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া ঘোষণার প্রায় ছয় ঘণ্টা পর যুদ্ধবিরতি শুরু হবে, সে অনুযায়ী যুদ্ধবিরতির সময় আনুমানিক রাত ১২টা (ইস্টার্ন টাইম)।
এর আগে, শান্তি আলোচনা নিয়ে ইরান ও ইসরায়েল উভয়েই প্রায় একই সময়ে তার সঙ্গে যোগাযোগ করেছে বলে দাবি করেন ট্রাম্প। স্থানীয় সময় সোমবার (২৩ জুন) রাতে নিজস্ব সামাজিকমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে এই দাবি করেন ট্রাম্প।
ট্রাম্প পোস্টে লেখেন, ‘ইসরায়েল ও ইরান প্রায় একই সঙ্গে আমার কাছে এসেছিল এবং বলেছিল, শান্তি! এই মুহূর্তে, আমি জানতাম এখন সময়।’
যুদ্ধবিরতি ঘোষণার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বিশ্ব ও মধ্যপ্রাচ্যই আসল জয়ী। উভয় জাতিই ভবিষ্যতে অসাধারণ ভালোবাসা, শান্তি এবং সমৃদ্ধি দেখতে পাবে।’
আরও পড়ুন: ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর
৩৪৬ দিন আগে
ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর
ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে, তবে সুনির্দিষ্ট সময় ও বিস্তারিত তথ্য নিয়ে এখনও বিভ্রান্তি রয়েছে।
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২৪ জুন) ইরান ও ইসরায়েলের গণমাধ্যমে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
সিএনএন জানায়, প্রাথমিক ঘোষণায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া ঘোষণার প্রায় ছয় ঘণ্টা পর যুদ্ধবিরতি শুরু হবে, সে অনুযায়ী যুদ্ধবিরতির সময় আনুমানিক রাত ১২টা (ইস্টার্ন টাইম)।
ইস্টার্ন টাইম রাত ১২টার ঠিক পরপরই যুদ্ধবিরতি শুরু হয়ে গেছে— এই শিরোনামে ইরানি ও ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমগুলো সংবাদ প্রচার শুরু করে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন পরিচালিত প্রেস টিভির বরাত দিয়ে সিএনএনে বলা হয়েছে, ‘ইসরায়েল অধিকৃত অঞ্চলে ইরানের চার দফা হামলার পর যুদ্ধবিরতি শুরু হয়েছে।’
আরও পড়ুন: ইসরায়েল-ইরান প্রায় একই সঙ্গে এসে বলেছিল, শান্তি: দাবি ট্রাম্পের
অন্যদিকে ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সি তাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলে জানায়, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর্যায়ে প্রবেশ করেছে।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম চ্যানেল ১২ এবং ওয়াইনেটেও যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
এর আগে, মঙ্গলবার ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসনের জবাবে সামরিক প্রতিক্রিয়া জানানো শেষে ‘শত্রুর ওপর যুদ্ধবিরতি চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে’। তবে যুদ্ধবিরতির সুনির্দিষ্ট সময় জানানো হয়নি।
ইসরায়েল সরকার এখনও এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি।
৩৪৬ দিন আগে
ইসরায়েল-ইরান প্রায় একই সঙ্গে এসে বলেছিল, শান্তি: দাবি ট্রাম্পের
শান্তি আলোচনা নিয়ে ইরান ও ইসরায়েল উভয়েই প্রায় একই সময়ে তার সঙ্গে যোগাযোগ করেছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
স্থানীয় সময় সোমবার (২৩ জুন) রাতে নিজস্ব সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে এই দাবি করেন ট্রাম্প।
ট্রাম্প পোস্টে লেখেন, ‘ইসরায়েল ও ইরান প্রায় একই সঙ্গে আমার কাছে এসেছিল এবং বলেছিল, শান্তি! এই মুহূর্তে, আমি জানতাম এখন সময়।’
যুদ্ধবিরতি ঘোষণার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বিশ্ব ও মধ্যপ্রাচ্যই আসল জয়ী। উভয় জাতিই ভবিষ্যতে অসাধারণ ভালোবাসা, শান্তি এবং সমৃদ্ধি দেখতে পাবে।’
সিএনএন জানিয়েছে, ইরান কাতারে অবস্থিত একটি মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর পর, দুই দেশের মধ্যে চলমান সংঘাত বন্ধে একটি শান্তিচুক্তি অর্জনের লক্ষ্যে ট্রাম্প ও তার শীর্ষ কূটনৈতিক ও নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের একটি দল পর্দার আড়ালে দ্রুত কাজ শুরু করে।
তবে ইরান বা ইসরায়েল কেউই প্রকাশ্যে যুদ্ধবিরতি মেনে নেয়নি। যদিও ইসরায়েল ইরানে হামলা বন্ধ করলে তারাও হামলা বন্ধ করবে বলে ইঙ্গিত দিয়েছে তেহরান।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানান, ইসরায়েলের সঙ্গে এখন পর্যন্ত যুদ্ধবিরতি বা সামরিক অভিযান বন্ধের বিষয়ে কোনো চুক্তি হয়নি।
আরও পড়ুৃন: ইরান-ইসরায়েল সম্পূর্ণ যুদ্ধবিরতিতে রাজি: ট্রাম্প
এ ছাড়া, ট্রাম্পের এই পোস্টের ঠিক আগমুহূর্তে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানায়, ইরানের দিক থেকে ইসরায়েলের উদ্দেশ্যে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে এবং তারা প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করেছে।
দক্ষিণ ইসরায়েলের বেয়ার শেভা শহরের একটি আবাসিক ভবনে তেহরানের ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে তিনজন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে ইসরায়েলের জরুরি সেবা সংস্থা ম্যাগেন ডেভিড অ্যাডম (এমডিএ)।
অন্যদিকে, মঙ্গলবার ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসনের জবাবে সামরিক প্রতিক্রিয়া জানানো শেষে ‘শত্রুর ওপর যুদ্ধবিরতি চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে’।
৩৪৬ দিন আগে
যুদ্ধবিরতির আলোচনার মধ্যে ইসরায়েলে ইরানের হামলা, নিহত ৪
যুদ্ধবিরতের আলোচনা চলার মধ্যেই ইসরায়েলে ফের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। দক্ষিণ ইসরায়েলের বেয়ার শেভা শহরের একটি আবাসিক ভবনে তেহরানের ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে চারজন নিহত হয়েছেন।
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২৪ জুন) এ তথ্য জানিয়েছে ইসরায়েলের জরুরি সেবা সংস্থা ম্যাগেন ডেভিড অ্যাডম (এমডিএ)।
এর আগে প্রায় ৪০ বছর বয়সী একজন পুরুষ, প্রায় ৩০ বছর বয়সী একজন নারী ও প্রায় ২০ বছর বয়সী এক তরুণ মারাত্মকভাবে আহত হন বলে জানায় এমডিএ।
সংস্থাটির এক মুখপাত্র জানান, আরও ছয়জনকে হালকা থেকে মাঝারি মাত্রার আঘাত নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
এ বিষয়ে, ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানায়, ইরান থেকে ইসরায়েলের দিকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করেছে তারা এবং বাসিন্দাদের আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।
আরও পড়ুন: ইসরায়েলের সঙ্গে এখন পর্যন্ত যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়নি: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
এদিকে, সোমবার (২৩ জুন) সামাজিকমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, ইরান ও ইসরায়েল সম্পূর্ণ ও পুরোপুরি যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে।
তবে মঙ্গলবার (২৪ জুন) ভোরে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানান, ইসরায়েলের সঙ্গে এখন পর্যন্ত যুদ্ধবিরতি বা সামরিক অভিযান বন্ধের বিষয়ে কোনো চুক্তি হয়নি।
তিনি আরও বলেন, ‘ইসরায়েল যদি তেহরানের স্থানীয় সময় অনুযায়ী ভোর ৪টার মধ্যে ইরানের জনগণের বিরুদ্ধে তাদের অবৈধ আগ্রাসন বন্ধ করে, তাহলে আমরা আর পাল্টা হামলা চালিয়ে যাওয়ার কোনো ইচ্ছা রাখি না।’
সূত্র: সিএনএন
৩৪৬ দিন আগে
ইসরায়েলের সঙ্গে এখন পর্যন্ত যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়নি: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ইসরায়েলের সঙ্গে এখন পর্যন্ত যুদ্ধবিরতি বা সামরিক অভিযান বন্ধের বিষয়ে কোনো চুক্তি হয়নি বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২৪ জুন) ভোরে এসব জানান তিনি।
তবে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘ইসরায়েল যদি তেহরানের স্থানীয় সময় অনুযায়ী ভোর ৪টার মধ্যে ইরানের জনগণের বিরুদ্ধে তাদের অবৈধ আগ্রাসন বন্ধ করে, তাহলে আমরা আর পাল্টা হামলা চালিয়ে যাওয়ার কোনো ইচ্ছা রাখি না।’
আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সামরিক অভিযান বন্ধের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত পরে নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
আরাগচি আরও জানান, ইসরায়েলের আগ্রাসনের জবাবে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত, অর্থাৎ রাত ৪টা পর্যন্ত, তাদের সামরিক অভিযান চালিয়ে গেছে।
তিনি বলেন, ‘আমাদের শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনী শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত ইসরায়েলকে শাস্তি দেওয়ার জন্য সামরিক অভিযান চালিয়েছে। আমি ইরানের সব জনগণের সঙ্গে আমাদের সাহসী সশস্ত্র বাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই, যারা তাদের শেষ রক্তবিন্দু পর্যন্ত দেশকে রক্ষা করতে প্রস্তুত এবং শত্রুর প্রতিটি হামলার জবাব দিয়েছেন শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত।’
আরও পড়ুন: ইরান-ইসরায়েল সম্পূর্ণ যুদ্ধবিরতিতে রাজি: ট্রাম্প
এর আগে, সামাজিকমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, ইরান ও ইসরায়েল সম্পূর্ণ ও পুরোপুরি যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ডিফেন্স ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক এবং সাবেক পেন্টাগন কর্মকর্তা ডেভিড ডেস রোচেস আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য সত্ত্বেও দুই দেশ যুদ্ধবিরতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।’
ইরানের আপাত আপত্তি প্রকৃতপক্ষে কোনো মৌলিক বিরোধ নয় বরং শর্ত নিয়ে বলে মনে করেন তিনি।
ডেভিড ডেস বলেন, ‘এটা মূলত তাদের নিজেদের শ্রোতাদের উদ্দেশে বলা, যেন তারা দেখাতে পারে যে—এই প্রক্রিয়ার নেতৃত্ব আমাদের হাতে। আমাদের ওপর কেউ যুদ্ধবিরতি চাপিয়ে দিচ্ছে না, আমরা নিজেরাই এই সিদ্ধান্ত নিচ্ছি।’
তবে বাস্তবতা ভিন্ন বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
সাবেক এই পেন্টাগন কর্মকর্তা বলেন, ‘যুদ্ধবিরতির কার্যকারিতা ঠিক কখন থেকে শুরু হবে, এই সূক্ষ্ম বিষয়গুলো নিয়ে আপত্তি জানিয়ে তারা এমন বক্তব্য দিতে পারছে। আমি মনে করি, ইরানের পক্ষে এই মাত্রায় সামরিক অভিযান চালিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়।’
তার ভাষ্যে, কাতারে অবস্থিত আল-উদেইদ ঘাঁটিতে ইরানের হামলা ছিল সুপরিকল্পিত, যাতে আরও বড় ধরনের সামরিক প্রতিক্রিয়া না আসে।
আরও পড়ুন: ইরানে ফের ইসরায়েলের বিমান হামলা, ইরানের পাল্টা
তিনি বলেন, ‘আমরা এখনই হয়তো নিশ্চিতভাবে জানতে পারবো না, তবে কয়েক মাস পর হয়তো বুঝতে পারব—তারা ইচ্ছাকৃতভাবে এমন এক ধরনের অকার্যকর আঘাত হেনেছে, নাকি তাদের অস্ত্রাগারের সীমাবদ্ধতার কারণে এটাই তাদের সর্বোচ্চ সামর্থ্য ছিল।’
ডেভিড ডেস আরও বলেন, ‘তবে এটা স্পষ্ট যে, অভ্যন্তরীণ বৈধতা রক্ষার জন্য; সেটি নিজেদের মধ্যেই হোক বা শাসকগোষ্ঠীর মধ্যে, তাদের কিছু না কিছু প্রতিক্রিয়া দেখাতেই হতো।’
৩৪৬ দিন আগে
ইরান-ইসরায়েল সম্পূর্ণ যুদ্ধবিরতিতে রাজি: ট্রাম্প
ইরান ও ইসরায়েল সম্পূর্ণ ও পুরোপুরি যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যা আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পর্যায়ক্রমে কার্যকর হবে।
স্থানীয় সময় সোমবার (২৩ জুন) সামাজিকমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এমন দাবি করেন। এটি কার্যকর হলে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান ১২ দিনের সংঘাতের অবসান ঘটবে।
সবাইকে অভিনন্দন জানিয়ে ট্রাম্প লেখেন, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এ যুদ্ধ বিরতি কার্যকর হবে। আনুষ্ঠানিকভাবে ইরান ১২তম ঘণ্টায় এবং ইসরায়েল ২৪তম ঘণ্টায় এ যুদ্ধ শেষ করবে। সবকিছু ঠিকভাবে চললে ১২ দিনের এ যুদ্ধ শেষ হবে, যাকে স্বাগত জানাবে বিশ্ব। যুদ্ধবিরতির সময় উভয় পক্ষ শান্তি বজায় রাখবে ও শ্রদ্ধাশীল থাকবে।
এর আগে তিনজন শীর্ষ কর্মকর্তার বরাতে আলজাজিরার খবরে বলা হয়েছে, ইসরায়েল তার ইরানবিরোধী সামরিক অভিযান শিগগিরই শেষ করতে চায় এবং সে বার্তা যুক্তরাষ্ট্রকে জানানো হয়েছে।
তবে সবকিছু নির্ভর করছে তাদের প্রতিপক্ষ ইরানের পরবর্তী পদক্ষেপের ওপর।
আরও পড়ুন: ইরানে ফের ইসরায়েলের বিমান হামলা, ইরানের পাল্টা
আরও দুই কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, ইসরায়েলি নেতারা এখন এমন একটি নির্ভরযোগ্য ‘এগজিট স্ট্র্যাটেজি’ নিয়ে কাজ করছেন, যার মাধ্যমে অভিযান শেষ করা যাবে এবং ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলাও থেমে যাবে—ফলে পাল্টা-পাল্টি হামলার চক্রে পঙ্গু হয়ে পড়ার ঝুঁকি কমবে।
বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একটি সূত্র জানিয়েছে, ইসরায়েলি সেনাবাহিনী মনে করছে, তারা তাদের কৌশলগত লক্ষ্য পূরণ করার কাছাকাছি পৌঁছে গেছে।
ইসরায়েল ইরানে হামলার সময় নিজে বেছে নিয়েছিল, কিন্তু সংঘাত কখন শেষ হবে তা তাদের ইচ্ছার ওপর হয়ত নির্ভর করবে না। তেহরান যদি লড়াই দীর্ঘায়িত করার সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে ইসরায়েল একটি ব্যয়বহুল যুদ্ধের ফাঁদে পড়তে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
৩৪৬ দিন আগে
হরমুজ প্রণালী বন্ধ হলে বিশ্ববাজারে কী প্রভাব পড়তে পারে?
দুই সপ্তাহের মধ্যে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা বলে দুদিনের মাথায় ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় বোমা হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নজিরবিহীন এই পদক্ষেপে মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা কয়েকগুনে বেড়েছে।
১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর এটাই ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের সঙ্গে মিলিত হয়ে পশ্চিমা বিশ্বের সবচেয়ে বড় সামরিক অভিযান।
এক বিশ্লেষকের বরাত দিয়ে সিএনএনের খবরে বলা হয়েছে, এ হামলার পর ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি তার নেতৃত্বের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছেন।
গত সপ্তাহে আত্মসমর্পণের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন খামেনি। তিনি বলেন, এই সংঘাতে যেকোনো সামরিক হস্তক্ষেপ আমেরিকানদের জন্য ‘অপূরণীয় ক্ষতির’ কারণ হবে। পুরো বিশ্ব এখন তার তথা ইরানের প্রতিক্রিয়ার অপেক্ষায় রয়েছে।
এই হামলার প্রতিশোধ হিসেবে ইরান হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিতে পারে বলে মত দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
আরও পড়ুন: পুতিনের সঙ্গে বসতে রাশিয়া যাচ্ছেন ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী
মধ্যপ্রাচ্য থেকে সারা বিশ্বে তেল পরিবহনে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বাণিজ্যিক পথ। হরমুজ প্রণালী দিয়ে প্রতিদিন বিশ্বজুড়ে ব্যবহৃত তেল সরবরাহের এক-পঞ্চমাংশ, অর্থাৎ ২ কোটি ব্যারেল তেল এবং বিপুল পরিমাণ তরল গ্যাস পরিবাহিত হয়।
ইরান অতীতেও এই প্রণালী বন্ধ করার হুমকি দিয়েছে, তবে তারা কখনোই সেই হুমকি কার্যকর করেনি। হরমুজ প্রণারী বন্ধ হলে তা বৈশ্বিক বাণিজ্যকে নতুন সংকটে ফেলবে। এর প্রভাবে বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড়সড় প্রভাব পড়বে।
হরমুজ প্রণালী কী?
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহন পথ বা ‘চোক পয়েন্ট’ হিসেবে পরিচিত হরমুজ প্রণালী। কৌশলগতভাবে যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য দেশের জন্য অত্যন্ত এটি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ বৈশ্বিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতা অনেকটাই এই পথে তেল পরিবহনের ওপর নির্ভরশীল।
প্রণালীটি ওমান ও ইরানের মাঝখানে অবস্থিত এবং এটি ওমান উপসাগর ও আরব সাগরকে সংযুক্ত করে।
আরও পড়ুন: মার্কিন হামলার শিকার ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলো সম্পর্কে যা জানা প্রয়োজন
এই প্রণালীর সবচেয়ে সরু স্থান মাত্র ৩৩ কিলোমিটার চওড়া, যার মধ্যে শিপিং লেন বা জাহাজ চলাচলের পথ মাত্র ৩ কিলোমিটার প্রশস্ত।
কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?
বিশ্বের মোট জ্বালানি তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই প্রণালী দিয়ে যায়। বিশ্লেষণ সংস্থা ভরটেক্সার (Vortexa) তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালের শুরু থেকে গত মাস পর্যন্ত প্রতিদিন প্রায় ১ কোটি ৭৮ লাখ থেকে ২ কোটি ৮ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল, কনডেনসেট (একটি হালকা ধরনের হাইড্রোকার্বন তরল) ও অন্যান্য জ্বালানি এই প্রণালী দিয়ে পরিবাহিত হয়েছে।
সৌদি আরব, ইরান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত ও ইরাকসহ ওপেকভুক্ত অধিকাংশ দেশ তাদের অপরিশোধিত তেল এ পথেই রপ্তানি করে, বিশেষ করে এশীয় দেশগুলোতে।
এই অঞ্চলজুড়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল রক্ষা করার দায়িত্ব যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম নৌবহরের, যার ঘাঁটি বাহরাইনে অবস্থিত।
হরমুজ প্রণালী বন্ধ হলে কী হবে?
প্রণালীটি বন্ধ করে দেওয়া প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে সরাসরি চাপ দেওয়ার একটি উপায় হতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ এর ফলে তেলের দাম বাড়বে, যা যুক্তরাষ্ট্র ও বিশ্বব্যাপী দ্রুত মুদ্রাস্ফীতির কারণ হবে।
তবে এটি ইরানের জন্যও একটি চরম আত্মঘাতী অর্থনৈতিক পদক্ষেপ হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। কারণ ইরান নিজেও এই পথ ব্যবহার করেই তেল রপ্তানি করে। তাছাড়া হরমুজ বন্ধ করে দিলে উপসাগরীয় আরব দেশগুলো—যারা ইতোমধ্যেই ইসরায়েলের হামলার সমালোচক, তারাও নিজেদের স্বার্থ রক্ষায় যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে পারে।
আরও পড়ুন: আদর্শ নাকি নমনীয়তা, কোন পথে যাবেন খামেনি
এই পদক্ষেপ বিশেষ করে চীনকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করবে। কারণ ইরানের মোট তেল রপ্তানির প্রায় ৯০ শতাংশই কিনে থাকে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির এই দেশটি।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ট্রাম্প সমর্থিত ফক্স নিউজে চীনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘আমি চীন সরকারকে অনুরোধ করছি, তারা যেন ইরানের সঙ্গে এই বিষয়ে যোগাযোগ করে। কারণ তাদেরও তেলের জন্য হরমুজ প্রণালীর ওপর বড় মাত্রায় নির্ভরশীলতা আছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ইরান যদি হরমুজ বন্ধ করে, সেটি হবে আরেকটি ভয়ানক ভুল। সেটি হবে তাদের জন্য অর্থনৈতিক আত্মহত্যার সামিল।’
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর এরই মধ্যে কিছু সুপারট্যাঙ্কার হরমুজ প্রণালীতে ইউটার্ন নিয়েছে বলে খবরে জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান।
ইরান কী বলেছে?
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন প্রেস টিভি জানিয়েছে, ইরানের পার্লামেন্টে হরমুজ প্রণালী বন্ধের একটি প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ইরানের শীর্ষ নেতাদের ওপরই নির্ভর করছে।
রবিবার (২২ জুন) ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেন, ‘ট্রাম্পের ইরানে বোমা হামলার সিদ্ধান্ত চিরস্থায়ী পরিণতি বয়ে আনবে।’
আরও পড়ুন: ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধে এখন পর্যন্ত কার কী ক্ষয়ক্ষতি হল
তার এই বক্তব্য থেকে প্রতিশোধের স্পষ্ট ইঙ্গিত পাওয়া যায়।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের যুদ্ধে সরাসরি অংশ নেওয়ার পর ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি প্রথম প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ‘ইসরায়েল একটি মারাত্মক ভুল করেছে এবং তাদের শাস্তি পেতে হবে।’
তবে হরমুজ প্রণালী নিয়ে তিনি এখনও সরাসরি কিছু বলেননি।
৩৪৭ দিন আগে