বিজ্ঞান-ও-প্রযুক্তি
হোয়াটসঅ্যাপে এইচডি ছবি যেভাবে পাঠাবেন
কোনো অনুষ্ঠান থেকে ঘরে ফিরেছেন। হোয়াটসঅ্যাপের নোটিফিকেশন বেজে উঠল। কাজে ব্যস্ত থাকায় হয়তো দেখা হলো না। একটু পর ফোন দিয়ে তাড়াতাড়ি অনুষ্ঠানের ছবিগুলো পাঠাতে বলল বন্ধু। শর্ত জুড়ে দিল, ছবির মান খারাপ হওয়া যাবে না।
এই পরিস্থিতিতে যে কাজ করা হয়- ছবিগুলো গুগল ড্রাইভে আপলোড করে লিংক শেয়ার অথবা হোয়াটসঅ্যাপের অ্যাটাচমেন্ট আইকন থেকে ডকুমেন্ট হিসেবে ছবিগুলো পাঠানো। উভয় প্রক্রিয়াই বেশ ঝামেলার।
এই ঝামেলার অবসান করা হয়েছে। হোয়াটসঅ্যাপে এখন উচ্চ মানের বা এইচডি ছবি পাঠানো যায়।
আরও পড়ুন: হোয়াটসঅ্যাপের চ্যাট হিস্ট্রি আরও নিরাপদে স্থানান্তর যেভাবে করবেন
যেভাবে পাঠাবেন এইচডি ছবি
হোয়াটসঅ্যাপের কন্টাক্ট থেকে যাকে ছবি পাঠাবেন তা নির্বাচন করুন। অ্যাটাচমেন্ট আইকন থেকে গ্যালারিতে প্রবেশ করুন। আপনার পছন্দের ছবিগুলো নির্বাচন করে ডান পাশে নিচের দিকের টিক চিহ্ন চাপুন।
বাম পাশে উপরের দিকে এইচডি লিখা আইকন পাওয়া যাবে। এই আইকনটি শুধুমাত্র উচ্চ মানের ছবির ক্ষেত্রেই দেখা যাবে। আইকনটি চাপলেই ‘ফটো কোয়ালিটি’ দেখাবে। যেখানে ‘স্ট্যান্ডার্ড’ ও ‘এইচডি’ দুই ধরনের অপশন পাওয়া যাবে। এইচডি নির্বাচন করলেই হয়ে যাবে, উচ্চ মানে ছবি পাঠানোর জন্য প্রস্তুত।
৯২৪ দিন আগে
ভারত-বাংলাদেশ স্টার্টআপ এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামের কার্যক্রম ও সুযোগ বৃদ্ধির প্রত্যয়
“স্টাটআপ বাংলাদেশ সামিট ২০২৩”- এ ভারত-বাংলাদেশ স্টাটআপ ব্রিজ অনলাইন পোর্টালের উদ্বোধন করা হয়েছে।
এ উপলক্ষে ভারত থেকে আসা ১২টি স্টার্টআপ এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মার সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমদ পলক।
শনিবার (২৯ জুলাই) হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের রবি হলে মতবিনিময় সভায় বাংলাদেশ-ভারত স্টাটআপ এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম এবং ভার্চুয়াল পোর্টাল “ব্রিজ” এর কার্যক্রম ও সুযোগ আরও এগিয়ে নিতে প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন উভয় দেশের প্রতিনিধিরা।
আরও পড়ুন: স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণ নিয়ে সৌদি আরবের সঙ্গে কাজ করতে চাই: পলক
বৈঠকে দুই দেশের উদ্যোক্তাদের মধ্যে দক্ষতা উন্নয়ন, জ্ঞান, ধারণা ও অভিজ্ঞতা এবং পারস্পরিক তথ্য বিনিময়ে “ব্রিজ” পোর্টালকে আরও কার্যকর করার উপর জোর দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে ভারতের প্রাইমারি হেলথ কেয়ারের সিইও সাহিল জাগনানি, ইনোভেশন লার্নিং সল্যুশনসের প্রধান নির্বাহী (সিইও) তারাঞ্জিত সিং, ট্রিস্টল ল্যাব এর মার্কেটিং লিড শিভানি ত্রিবেদী, জীবিকা হেলথ কেয়ারের প্রতিষ্ঠাতা জিগনেস প্যাটেল, নেক্স স্কিল ৩৬০ প্রতিষ্ঠাতা সুরাজ মিয়ার, জাস্ট ইলেকট্রিক এর সিএমও অনিরুধ বাপট, গোহেম্প অ্যাগ্রোভেঞ্চার্স সহ-প্রতিষ্ঠাতা গৌরব দীক্ষিত, অ্যাটম অ্যালোয় ইন্ডিয়া প্রাইভেট লিমিটেডের সিটিও বিনোদ মেনন এবং রিভ্যাম্প মোটর এর হেড অব পার্টনারশিপ রিধি মহাজন তাদের উদ্ভাবনগুলো উপস্থাপন করেন।
আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক ভারতীয় সম্ভাবনাময় স্টার্টআপ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীকে জানাবেন বলে নিশ্চিত করেন তাদের।
তিনি বাংলাদেশ ও ভারতের সমগোত্রীয় স্টার্টআপগুলোর মধ্যে সেতুবন্ধনে উদ্যোগ গ্রহণের প্রতিশ্রুতিও দেন।
অপরদিকে ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা বলেছেন, ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ ও স্মার্ট বাংলাদেশ নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলেছে। আমাদের স্টার্টআপ কমিউনিটির যৌথ প্রচেষ্টায় দুই দেশের প্রবৃদ্ধি বাড়বে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এটা একটি দারুণ উদ্যোগ। স্টার্টআপ সামিটের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে পাওয়া আমাদের জন্য বোনাস। আমাদের নতুন ধারণা অনুযায়ী আমরা উভয় দেশ একসঙ্গে সম্ভাবনা দুয়ার খুলে একসঙ্গে এগিয়ে যাবো।’
মত বিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন- আইসিটি সচিব মো. সামসুল আরেফিন, স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সামি আহমেদ, ভারতের ডিপিআইআইটি’র পরিচালক সুমিত কুমার জারাঙ্গাল ও স্টার্টআপ ইন্ডিয়ার ম্যানেজার প্রাভলিন কুমার প্রমুখ।
প্রসঙ্গত, সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন শতাধিক গ্লোবাল ভিসি/বিনিয়োগকারী, জাতীয়-আন্তর্জাতিক পর্যায়ের বক্তা এবং ৬ শতাধিক স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠান।
দুই দিনে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ৪০টি সেশন। উদ্বোধনের পর প্রথম দিনই হয়েছে ১৯টি সেশন। দ্বিতীয় দিনে সমাপনী বাদে হবে ২১টি সেশন।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশ ২০৪১ সালের মধ্যে স্মার্ট দেশ হবে: পলক
ঈদুল আযহা উপলক্ষে ৫দিন সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর বন্ধ থাকবে
৯৫১ দিন আগে
দেশের প্রথম এআই সংবাদ উপস্থাপক 'অপরাজিতা'
বাংলাদেশের প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) সংবাদ উপস্থাপক 'অপরাজিতা' বুধবার রাতে চ্যানেল ২৪-এ আত্মপ্রকাশ করে ইতিহাস সৃষ্টি করেছে।
যেহেতু কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) গত বেশ কয়েক মাস ধরে চ্যাটজিপিটি ও মিডজার্নির মতো উন্নত এআই মাধ্যমগুলোর সঙ্গে অনেক সেক্টরে উল্লেখযোগ্য মনোযোগ আকর্ষণ করছে, তাই এটি কয়েকটি দেশে সংবাদ শিল্পকেও দখল করছে।
সম্প্রতি, ওড়িশা টেলিভিশন লিমিটেড (ওটিভি) নামে ভারতের একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ৯ জুলাই 'লিসা' নামে এআই সংবাদপাঠককে সামনে নিয়ে এসেছে, যা ভারতের প্রথম আঞ্চলিক এআই সংবাদ উপস্থাপক।
আরও পড়ুন: স্মার্ট বাংলাদেশ ভিশন বাস্তবায়নে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা গ্রহণ করতে হবে: টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী
এর পরেই ভারতের পাওয়ার টিভি নামে কন্নড়ের একটি চ্যানেল, যা সম্প্রতি নিজস্ব এআই উপস্থাপক ‘সৌন্দর্য’ শুরু করে একই রকম যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছে।
যদিও চীনা সংবাদ সংস্থা সিনহুয়া ২০১৮ সালে বিশ্বের প্রথম এআই সংবাদ উপস্থাপক শুরু করেছিল, তবে ভারত এই বছরের এপ্রিলে দেশের আজতক নিউজ চ্যানেল দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম এআই সংবাদ উপস্থাপক হিসেবে তাদের প্রথম এআই নিউজ উপস্থাপক 'সানা' চালু করেছিল।
এছাড়া চীন, তাইওয়ান, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও কুয়েতসহ এশিয়ার কয়েকটি দেশ তাদের নিউজরুমের অংশ হিসেবে এআই নিউজ উপস্থাপকদের প্রদর্শন করেছে।
আরও পড়ুন: মেটার থ্রেডস'র বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের হুমকি টুইটারের: রিপোর্ট
এই ডিজিটাল জগতে প্রতিবেশি দেশগুলোর সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশের বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল চ্যানেল ২৪-এর সংবাদ উপস্থাপক ফারাবি হাফিজ সন্ধ্যা ৭টার বুলেটিনে 'অপরাজিতা' সামনে নিয়ে আসেন, যা একটি প্রতিবেদন উপস্থাপন করে।
নেভিব্লু শার্টের ওপর ঘি রঙের ব্লেজার পরে 'অপরাজিতা' প্রথমে তার সহ-উপস্থাপকদের অভিবাদন জানায় এবং তারপরে তার প্রতিবেদন উপস্থাপনের আগে দর্শকদের স্বাগত জানায়। তিনি রাত ১১টায় টিভি চ্যানেলে আধা ঘণ্টা ব্যাপী প্রযুক্তিবিষয়ক একটি অনুষ্ঠানের উপস্থাপনা করেন।
দলে 'অপরাজিতা'র অন্তর্ভুক্তি প্রসঙ্গে চ্যানেল ২৪-এর জ্যেষ্ঠ বার্তা সম্পাদক আবদুল কাইয়ুম তুহিন বলেন, ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা অনেক ইতিবাচক সুবিধা নিয়ে এসেছে। আমরা প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে চাই। সেই লক্ষ্য নিয়েই আমরা এই উদ্যোগ নিয়েছি। আমি বিশ্বাস করি এআই প্রযুক্তি আমাদের দেশের ইতিহাসে একটি পরিবর্তন আনবে।’
আরও পড়ুন: মোবাইল ফোন হ্যাকিং প্রতিরোধে করণীয়
৯৬০ দিন আগে
মোবাইল ফোন হ্যাকিং প্রতিরোধে করণীয়
পকেট বা ব্যাগে, আমরা প্রতিনিয়ত সঙ্গে নিয়ে ঘুরছি স্মার্টফোন। হাতের মুঠোয় পুরো যোগাযোগ ব্যবস্থাটা যেন এক জালের মতো হয়ে গেছে। এর ভালো দিক হচ্ছে যোগাযোগের সহজলভ্যতা। এই ভালোটাই আবার মন্দে পরিণত হয় যখন আপনার ব্যক্তিগত তথ্য সেই জালের ভেতর ছড়িয়ে পড়ে। এই বিড়ম্বনারই আরেক নাম মোবাইল ফোন হ্যাকিং।
সাইবার অপরাধীরা স্মার্টফোনে থাকা ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করে। অতঃপর সেগুলো কাজে লাগিয়ে বিড়ম্বনা তৈরি, আর্থিক সমস্যা, এমনকি অসম্মানজনক ক্ষতি সাধন করা হয়ে থাকে। তাই ডিজিটাল নিরাপত্তা রক্ষায় নতুন স্মার্টফোনটিতে আগে ভাগেই প্রতিরক্ষামূলক বেষ্টনী স্থাপন করা জরুরি।
চলুন, মোবাইল ফোন হ্যাকিং প্রতিরোধে করণীয়গুলোর পাশাপাশি জেনে নেওয়া যাক কোনো কোনো অবস্থায় মোবাইল ফোন হ্যাক হতে পারে।
মোবাইল ফোন হ্যাক হওয়ার কারণ
ম্যালওয়্যার আক্রমণ
ক্ষতিকারক সফটওয়্যার বা ম্যালওয়্যার মোবাইল ফোনের নিরাপত্তার জন্য একটি মারাত্মক হুমকি। এগুলো সক্রামক রোগের মতো ব্যবহারকারীর অজান্তেই তার ফোনে প্রবেশ করে মোবাইল অ্যাপলিকেশন বা অ্যাপের মাধ্যমে। ডাউনলোড করার সময় ব্যবহারকারী ঘুণাক্ষরেও টের পান না যে এটা আসলে একটা ম্যালওয়্যার। একবার ইনস্টল হয়ে গেলেই ম্যালওয়্যার ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করার ক্ষমতা অর্জন করে। এ সময় ম্যালওয়ার নির্মাতা ফোন ব্যবহারকারীর যাবতীয় ক্রিয়াকলাপ দেখতে পারে। এমনকি অনেক ক্ষেত্রে ডিভাইসের নিয়ন্ত্রণও নিয়ে নিতে পারে।
আরও পড়ুন: দৈনন্দিন প্রযুক্তির কাজকে সহজ করবে ৫ 'লাইফ হ্যাক'
ফিশিং লিঙ্ক
ফিশিং আক্রমণগুলো সাধারণত প্রতারণামূলক ইমেল, এসএমএস বা ফোন কলের মাধ্যমে ঘটে। হ্যাকাররা বৈধ সত্তার বেশে বিভিন্ন সেবা প্রদানের কথা বলে বা প্রলোভন দেখিয়ে ফোন ব্যবহারকারীদের লগইন আইডি, পাসওয়ার্ড, ক্রেডিট কার্ডের বিশদ বিবরণের মতো সংবেদনশীল তথ্য নিয়ে নেয়। অতঃপর এগুলো দিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যবহারকারীকে জিম্মি করে হ্যাকাররা নিজেদের স্বার্থ হাসিল করে।
অরক্ষিত ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক
পাবলিক ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক, বিশেষ করে যেগুলোর যথাযথ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেই, এ জায়গাগুলো হ্যাকারদের জন্য স্বর্গক্ষেত্র। ব্যবহারকারীরা যখন এই নেটওয়ার্কগুলোর মাধ্যমে তাদের ব্যক্তিগত কোনো ছবি, ভিডিও বা অন্য কোনো তথ্য প্রেরণ করে তখন মাঝপথেই সেগুলো আটকাতে পারে সাইবার অপরাধীরা। তারপর তথ্যগুলোর গন্তব্য বদলে নিজেদের কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যে নিয়ে আসে। এছাড়া জাল নেটওয়ার্ক সেট আপ করে বা প্যাকেট স্নিফিং টুল ব্যবহার করে হ্যাকাররা পাসওয়ার্ড এবং আর্থিক তথ্যসহ বিভিন্ন সংবেদনশীল তথ্য দেখে নিতে পারে।
আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম রাজ্য হিসেবে মন্টানায় ব্যক্তিগত ডিভাইসে নিষিদ্ধ হতে যাচ্ছে টিকটক
৯৬১ দিন আগে
স্মার্ট বাংলাদেশ ভিশন বাস্তবায়নে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা গ্রহণ করতে হবে: টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী
ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ অর্জনের ধারাবাহিকতায় স্মার্ট বাংলাদেশ ভিশন বাস্তবায়নে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা গ্রহণ করতে হবে।
তিনি বলেন, ডিজিটাল সংযুক্তির পথ বেয়েই স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে উঠবে। ডিজিটাল সংযুক্তির মহাসড়ক নির্মাণে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালনের সক্ষমতা সামনের দিনগুলোতে আরও সুদৃঢ় করতে হবে।
মঙ্গলবার (১১ জুলাই) বাংলাদেশ সচিবালয়ে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ ও এর আওতাধীন অধিদপ্তর, দপ্তর ও সংস্থা সমূহের মধ্যে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
আরও পড়ুন: অ্যান্ড্রয়েড ফোনে বিজয় কি-বোর্ড ব্যবহারকারীর জন্য বাধ্যতামূলক নয়: মোস্তাফা জব্বার
ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী রূপান্তরের অগ্রযাত্রা আরও বেগবান করতে দক্ষ মানব সম্পদের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, মানুষ কাজ না করলে কর্ম সম্পাদন হবে না।
তিনি বলেন, সরকারের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে পশ্চাদপদ দেশে থেকে উঠে দাঁড়ানোর চেষ্টা। আমরা প্রযুক্তির মহাসড়ক তৈরি করি। সে দিক থেকে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা মানুষের প্রয়োজনে. মানুষের কল্যাণে প্রযুক্তি ব্যবহার করবো। মানুষকে বাদ দিয়ে প্রযুক্তি নয়।
তিনি বলেন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লব আলোচিত একটি বিষয়। মানুষের ঘাটতির কারণে ইউরোপ প্রযুক্তিকে মানুষের বিকল্প ভেবেছিলো কিন্তু মানুষের বিকল্প কোন প্রযুক্তি হতে পারে না। জাপান মানুষ ও প্রযুক্তির সমন্বয়ে সোস্যাইটি ফাইভ পয়েন্ট জিরো বা পঞ্চম শিল্প বিপ্লবের ধারণা নিয়ে কাজ করছে।
তিনি বলেন, ঠিক তেমনি পঞ্চম শিল্প বিপ্লব বা স্মার্ট বাংলাদেশ হচ্ছে প্রযুক্তি ও মানুষের মিশেলে উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম।
এ সংগ্রাম এগিয়ে নিতে আমাদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে বলে উল্লেখ করেন মন্ত্রী।
মিন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদৃষ্টিসম্পন্ন গতিশীল নেতৃত্বে গত সাড়ে ১৪ বছরে ডিজিটাল বাংলাদেশ কর্মসূচির বাস্তবায়নের পথবেয়ে বাংলাদেশের অভাবনীয় রূপান্তর হয়েছে।
ডিজিটাল প্রযুক্তিতে বাংলা ভাষার উদ্ভাবক জনাব মোস্তাফা জব্বার বলেন, ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল সময়ে বাংলাদেশে ডিজিটাল রূপান্তরের ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত হয়। এর আগে ১৯৭৩ সালে আইটিইউ ও ইউপিইউ এর সদস্য পদ অর্জন এবং ১৯৭৫ এর ১৪ জুন বেতবুনিয়ায় উপগ্রহ ভূকেন্দ্র চালুর মধ্য দিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যুদ্ধের ধ্বংসস্তুপের উপর দাঁড়িয়েও স্মার্ট বাংলাদেশের বীজ বপন করেন।
তিনি বলেন, মন্ত্রী কর্মসম্পাদন চুক্তির সফল বাস্তবায়নের মাধ্যমে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠান সমূহের অর্পিত দায়িত্ব বিগত দিনগুলোর মতো আগামী দিন গুলোতেও সফল হবেন।
অনুষ্ঠানে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব আবু হেনা মোরশেদ জামান সভাপতিত্ব করেন। অনুষ্ঠানে বিটিআরসি‘র চেয়ারম্যান শ্যাম সুন্দর সিকদার এবং বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান ও সিইও ড. শাহজাহান মাহমুদ, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের অধীনস্থ অধিদপ্তর এবং সংস্থাসমূহের প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন।
পরে স্ব-স্ব প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে অধিদপ্তর ও সংস্থা প্রধানগণ ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রীর উপস্থিতিতে ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব আবু হেনা মোরশেদ জামানের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করেন।
আরও পড়ুন: প্রচলিত গণমাধ্যমের বিদ্যমান ধারা ভবিষ্যতে সম্পূর্ণরূপে বদলে যাবে: মোস্তাফা জব্বার
আমরা ডাকঘর ডিজিটাল করার কাজ শুরু করেছি: মোস্তাফা জব্বার
৯৬৯ দিন আগে
মেটার থ্রেডস'র বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের হুমকি টুইটারের: রিপোর্ট
টেক্সট-ভিত্তিক মেটার নতুন অ্যাপ থ্রেডস -এর বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের হুমকি দিয়েছে টুইটার। সেমাফোরের প্রাপ্ত একটি চিঠিতে এই তথ্য পাওয়া যায়।
বুধবার মেটা সিইও মার্ক জাকারবার্গকে সম্বোধন করা একটি চিঠিতে টুইটারের প্রতিনিধিত্বকারী অ্যাটর্নি অ্যালেক্স স্পিরো মেটাকে ‘কপিক্যাট’ অ্যাপ তৈরি করার জন্য প্রাক্তন টুইটার কর্মীদের নিয়োগ দিয়ে টুইটারের বাণিজ্য গোপনীয়তা এবং অন্যান্য বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পত্তি বেআইনিভাবে ব্যবহার করার অভিযোগ করেছেন।
থ্রেড চালু করার পর বুধবার রাত পর্যন্ত মেটার নতুন অ্যাপটি লাখ লাখ মানুষ সাইন আপ করেছে। গত বছর প্ল্যাটফর্মটি যখন ৪৪ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছে। মেটা কোম্পানির ইনস্টাগ্রাম টিম ঠিক তখনি অ্যাপটি তৈরি করেছিল যখন অনেকেই এলন মাস্কের প্ল্যাটফর্মের উদ্ভট তদারকি থেকে বাঁচতে টুইটারের বিকল্প খুঁজছেন।
বৃহস্পতিবার বিকালে মেটার মুখপাত্র অ্যান্ডি স্টোন থ্রেডে স্পিরোর চিঠির প্রতিবেদনের প্রতিক্রিয়া জানিয়ে লিখেছেন, ‘থ্রেডস ইঞ্জিনিয়ারিং টিমের কেউ একজন প্রাক্তন টুইটার কর্মচারী নয়, এটি কেবল একটি জিনিস নয়।’
আরও পড়ুন: ৪৪ বিলিয়ন ডলারে টুইটার কিনে নিচ্ছেন ইলন মাস্ক
সেমাফোর বৃহস্পতিবার চিঠির উদ্বৃতি দিয়ে প্রথম প্রতিবেদনে বলেছিল যে, স্পিরো বলেছিলেন যে টুইটার ‘তার মেধা সম্পত্তি অধিকার কঠোরভাবে প্রয়োগ করতে চায়’ এবং নাগরিক প্রতিকার বা নিষেধাজ্ঞামূলক ত্রাণ চাওয়ার কোম্পানির অধিকার উল্লেখ করেছে।
তিনি আরও বলেছেন, যে চিঠিটি কোম্পানির মধ্যে সম্ভাব্য বিরোধের জন্য প্রাসঙ্গিক নথি সংরক্ষণ করতে মেটার জন্য একটি ‘আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি’ চিহ্নিত করেছে।
অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস আরও তথ্যের জন্য বৃহস্পতিবার স্পিরো এবং টুইটারে যোগাযোগ করেছে। টুইটার একটি পোপ ইমোজি সহ মন্তব্য চেয়ে একটি ইমেইলের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে, যা সাংবাদিকদের কাছে এটি স্বয়ংক্রিয় প্রতিক্রিয়া বলে মনে হয়েছে।
এলন মাস্ক আইনি পদক্ষেপের সম্ভাবনা সম্পর্কে সরাসরি টুইট করেননি, তবে তিনি থ্রেডস উদ্বোধনের বেশ কয়েকটি চটকদার জবাব দিয়েছেন। টুইটারের মালিক একটি টুইটের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন যে মেটার অ্যাপটি মূলত কপি এবং পেস্ট ফাংশন ব্যবহারের মাধ্যমে একটি হাসির ইমোজি সহ তৈরি করা হয়েছিল।
টুইটারের সিইও লিন্ডা ইয়াকারিনোও বুধবারের চিঠির বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি, তবে বৃহস্পতিবারের টুইটে থ্রেডের উদ্বোধনকে সম্বোধন করতে দেখা গেছে।
ইয়াক্কারিনো লিখেছেন, ‘আমাদের প্রায়ই অনুকরণ করা হয়- কিন্তু টুইটার সম্প্রদায়কে কখনই নকল করা যায় না।’
তবুও, কিছু বিশ্লেষক বলেছেন যে মেটার নতুন অ্যাপটি টুইটারের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য মাথাব্যথা হতে পারে। থ্রেডের উদ্বোধন এবং চিত্তাকর্ষক ডাউনলোড সংখ্যাগুলোকে ঘিরে উত্তেজনার দিকে ইঙ্গিত করে।
আরও পড়ুন: সাইবার নিরাপত্তায় অবহেলা, অভিযোগ টুইটারের সাবেক নিরাপত্তা প্রধানের
অবশ্যই অ্যাপটির সাফল্য নিশ্চিত নয়। শিল্প পর্যবেক্ষকরা মেটা-এর স্বতন্ত্র অ্যাপগুলো শুরু করার ট্র্যাক রেকর্ডের দিকে নির্দেশ করে যা পরে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। উদাহরণস্বরূপ, নোট করুন যে থ্রেডগুলো এখনও তার প্রাথমিক পর্যায়ে আছে, তাই সময়ই কথা বলবে।
মেটার নতুন অ্যাপটি ডেটা গোপনীয়তার উদ্বেগও বাড়িয়েছে। যদিও থ্রেডগলো বুধবার ১০০ টিরও বেশি দেশে চালু হয়েছে। এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নে উল্লেখযোগ্যভাবে অনুপলব্ধ, যেখানে কঠোর ডেটা গোপনীয়তার নিয়ম রয়েছে৷
আরও পড়ুন: টুইটারের নিয়ন্ত্রণে ইলন মাস্ক, শীর্ষ কর্মকর্তাদের বরখাস্ত
৯৭৩ দিন আগে
দারুণ সব অফারসহ শেয়ারট্রিপ এর ৫ লাখ ডাউনলোড উদযাপন!
দেশের শীর্ষস্থানীয় ট্রাভেল টেক প্রতিষ্ঠান শেয়ারট্রিপের অর্জনে যুক্ত হলো আরও একটি মাইলফলক! গুগল প্লে স্টোরে ৫ লাখ বার ডাউনলোড হয়েছে অ্যাপটি, যা দেশের যেকোন ভ্রমণ ভিত্তিক অ্যাপের জন্য এবারই প্রথম। প্লে স্টোরের ট্রাভেল ও লোকাল ক্যাটাগরির মধ্যে তৃতীয় স্থানে রয়েছে এই অ্যাপটি। ৪ হাজার দুইশ’রও বেশি রিভিউ থেকে ৪ দশমিক ৪ স্টার অর্জন করা এই অ্যাপটি ওয়ান-স্টপ ট্রাভেল সল্যুশন প্রদানের ক্ষেত্রে বিশ্বমঞ্চে দেশকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।
ব্যবহারকারীদের সঙ্গে এ অর্জন উদযাপনে শেয়ারট্রিপ নিয়ে আসছে ৫ দিনব্যাপী দুর্দান্ত সব অফার। এছাড়াও শেয়ারট্রিপের সকল সেবায় থাকছে ৫ শতাংশ ছাড়। শেয়ারট্রিপ থেকে বুক করলেই দেশজুড়ে বিভিন্ন হোটেল ও রিসোর্টে গ্রাহকেরা পাবেন আরও ৭৫ শতাংশ এবং আন্তর্জাতিক হোটেলে থাকছে ৫ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়। তাছাড়াও, ফ্লাইটে থাকছে ১৯ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়। এই অফারগুলো চলবে চলতি জুলাইয়ের ৬ তারিখ থেকে ১০ তারিখ পর্যন্ত।
স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক ফ্লাইট, হোটেল ও ট্যুর পরিষেবা প্রদান করে শেয়ারট্রিপ। দেশের প্রথম অটো ভয়েড, অটো রিফান্ড ও তারিখ পরিবর্তনের সুবিধা নিয়ে এসেছে শীর্ষস্থানীয় এ ট্রাভেল টেক প্রতিষ্ঠান। এতে করে ব্যবহারকারীরা শুধুমাত্র কয়েক ট্যাপেই অ্যাপের মাধ্যমে তাদের ভ্রমণ পরিকল্পনায় পরিবর্তন আনতে পারবেন, যা তাদের ভ্রমণ অভিজ্ঞতাকে করে তুলবে আরও সহজ, দ্রুত ও ঝামেলামুক্ত।
আরও পড়ুন: ‘ওয়ার্ল্ড ট্রাভেল অ্যাওয়ার্ডস’ পুরস্কার অর্জন শেয়ারট্রিপের
তাছাড়াও, ফ্লাইট ট্র্যাকার, কুইজ ও স্পিন টু উইন সহ নানান উদ্ভাবনী ফিচার রয়েছে শেয়ারট্রিপ অ্যাপ ও ওয়েব প্ল্যাটফর্মে। ব্যবহারকারীদের সঙ্গে সম্পৃক্ততা বৃদ্ধিতে এবং শেয়ারট্রিপকে আরও স্বাচ্ছন্দ্যদায়ক করে তুলতে অনন্য ভূমিকা রাখছে এসব ফিচার।
ভ্রমণ খাতের সম্প্রসারণ এবং সাধারণ মানুষদের ভ্রমণের দিকে আরও আকৃষ্ট করতে ২০১৯ সাল থেকে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে শেয়ারট্রিপ। দীর্ঘদিনের অসামান্য প্রচেষ্টার ফলস্বরুপ ভ্রমণ খাতে অনন্য এই কীর্তি অর্জন করেছে প্রতিষ্ঠানটি। তাদের এই অসাধারণ অর্জন দেশে এবং দেশের বাইরের সকল ভ্রমণপ্রেমীদের মাঝে শেয়ারট্রিপের জনপ্রিয়তারই প্রতিফলন।
শেয়ারট্রিপের প্রধান নির্বাহী ও সহ-প্রতিষ্ঠাতা সাদিয়া হক বলেন, ‘দেশের পর্যটনখাতে নতুন মাত্রাদানের লক্ষ্য নিয়ে আমরা যাত্রা শুরু করি। আমাদের উদ্দেশ্য হচ্ছে স্মার্ট বাংলাদেশে ভ্রমণ খাতে রূপান্তর নিয়ে আসা। এ ব্যাপারে আমাদের মার্কেটিং ও টেক টিম নিবেদিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মানুষের ভ্রমণ অভিজ্ঞতায় যুগান্তকারী পরিবর্তন নিয়ে আসতে আমরা এ অ্যাপ তৈরি করেছি।’
উল্লেখ্য, শেয়ারট্রিপের মাধ্যমে ভ্রমণ খাতে অসামান্য ভূমিকা রাখার জন্য প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী সাদিয়া হক সম্প্রতি কটলার অ্যাওার্ডস-২০২৩ অর্জন করেন। তার এই ভূমিকা শেয়ারট্রিপের সকল সদস্যদেরকে বাংলাদেশের ভ্রমণ খাতকে নতুন উচ্চতায় এগিয়ে নিয়ে যেতে আরও উৎসাহিত করছে। এই প্রচেষ্টার ফলস্বরুপ শেয়ারট্রিপ মাত্র চার বছরে মার্কেট লিডারে পরিণত হয়েছে।
আরও পড়ুন: উইমেন লিডার অব দ্য ইয়ার-২০২৩ হলেন শেয়ারট্রিপের সাদিয়া হক
৯৭৪ দিন আগে
হোয়াটসঅ্যাপের চ্যাট হিস্ট্রি আরও নিরাপদে স্থানান্তর যেভাবে করবেন
মেটা প্ল্যাটফর্মস-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মার্ক জাকারবার্গ শুক্রবার হোয়াটসঅ্যাপে একটি নতুন ফিচারের ঘোষণা দিয়েছেন। যা ব্যবহারকারীদের একই অপারেটিং সিস্টেমের ডিভাইসগুলোর মধ্যে নিরাপদ উপায়ে চ্যাট হিস্ট্রি স্থানান্তর করার সুযোগ দেয়।
জাকারবার্গ নিজের অফিশিয়াল ফেসবুক প্রোফাইলে এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন এবং লিখেছেন, ‘আপনি যদি আপনার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট নতুন একটি মুঠোফোনে স্থানান্তর করতে চান, তাহলে চ্যাট না হারিয়েই আরও গোপনীয়তার সঙ্গে আপনি তা করতে পারবেন।’
হোয়াটসঅ্যাপ টিমের বিবৃতি অনুযায়ী, এই প্রথম একজন ব্যবহারকারী অ্যাপ থেকে বের না হয়েই সম্পূর্ণ চ্যাট ও মিডিয়া হিস্ট্রি সংরক্ষণ করতে পারবেন। হোয়াটসঅ্যাপ দাবি করছে যে তৃতীয় পক্ষের কোনো অ্যাপ বা ক্লাউড সেবা ব্যবহারের চেয়ে এটি হবে আরও নিরাপদ। কারণ, দুইটি ডিভাইসের মধ্যে হিস্ট্রি স্থানান্তরের সময় একটি কিউআর কোড অথেনটিকেটর (এক ধাপ বাড়তি নিরাপত্তা) হিসেবে কাজ করে এবং প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণভাবে এনক্রিপ্টেড। ফলে ডেটা শুধুমাত্র উক্ত দুই ডিভাইসের মধ্যে স্থানান্তরিত হবে।
আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম রাজ্য হিসেবে মন্টানায় ব্যক্তিগত ডিভাইসে নিষিদ্ধ হতে যাচ্ছে টিকটক
এর ফলে ব্যবহারকারীরা পূর্বে যেভাবে ‘ব্যাকআপ’ ও ‘রিস্টোর’ এর মাধ্যমে কাজটি করতেন, এখন তার চেয়ে দ্রুত করতে পারবেন। এর মাধ্যমে বড় আকারের ফাইল ও অ্যাটাচমেন্ট স্থানান্তর করা যাবে।
যেভাবে স্থানান্তর করা যাবে
এর জন্য মুঠোফোনে ওয়াইফাই ও লোকেশন অপশন চালু রাখতে হবে। হোয়াটসঅ্যাপের সেটিংস থেকে চ্যাটস অপশনের অধীনে এই সুবিধা রয়েছে। একটু নিচের দিকে আসলেই ‘ট্রান্সফার চ্যাটস’ অপশনটি পাওয়া যাবে। যে ডিভাইসে স্থানান্তর করতে হবে সেখানে হোয়াটসঅ্যাপ নামিয়ে নিয়ে একটি ফোন নম্বর দিয়ে রেজিস্টার করে নিতে হবে।
এরপর সেখানে দেখানো কিউআর কোডটি পূর্বের ডিভাইসের সাহায্যে স্ক্যান করলেই স্থানান্তর প্রক্রিয়া শুরু হবে।
সূত্র: এএনআই
আরও পড়ুন: পুনরায় হোয়াটসঅ্যাপ চালু
বার্তা আদানপ্রদান করতে না পারার অভিযোগ করেছেন হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীরা
৯৭৯ দিন আগে
পোকেমন গো’র নির্মাতা প্রতিষ্ঠান নিয়ানটিক এক-চতুর্থাংশ কর্মী ছাঁটাই করবে
পোকেমন গো ভিডিও গেমের নির্মাতা কোম্পানি নিয়ান্টিক ইনকরপোরেটেড জানিয়েছে, মহামারি চলাকালীন সময়ে ডাউনলোড বেড়ে যাওয়ার পরবর্তী সময়ে গেমিং শিল্পে চাহিদা কমে যাওয়ায় তারা তাদের এক চতুর্থাংশ কর্মী ছাঁটাই করবে।
কোম্পানিটি লস অ্যাঞ্জেলেসে এর স্টুডিও-ও বন্ধ করবে এবং দুটি গেম বাতিল করবে।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক নিয়ান্টিকের প্রধান নির্বাহী জন হ্যাঙ্ক এক বিবৃতিতে বলেন, ‘আমরা আমাদের ব্যয়কে রাজস্বের চেয়ে দ্রুত বাড়তে দিয়েছি।’
পোকেমন গো ২০১৬ সালে মুক্তি পাওয়ার পরে এটি বিশ্বব্যাপী আলোচনা ও আগ্রহের বিষয় হয়ে দাঁড়ায়।
সে সময় প্রযুক্তি জায়ান্ট অ্যাপল জানিয়েছিল যে অগমেন্টেড রিয়েলিটি (এআর) গেমটি এক সপ্তাহের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ডাউনলোডে অ্যাপ স্টোরের রেকর্ড ভেঙেছিল।
আরও পড়ুন: গুগল স্ট্রিমিং গেম পরিষেবা বন্ধ করবে আগামী জানুয়ারিতে
হ্যাঙ্ক বলেন, ‘শীর্ষ অগ্রাধিকার হলো পোকেমন গো-কে পরিচ্ছন্ন রাখা এবং চিরদিনের জন্য একটি গেম হিসেবে এগিয়ে নেওয়া।’
তিনি আরও বলেন যে গেমটি চালু করার পর স্মার্টফোন মার্কেটে বেশ ভিড় বেড়েছে, তাছাড়া অ্যাপ স্টোর ও বিজ্ঞাপনের পরিবর্তনের কারণে বড় পরিসরে নতুন গেম ছাড়া এখন অনেকটাই কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এই ছাঁটাইয়ের ফলে নিয়ান্টিকের গেম প্ল্যাটটফর্ম টিমসহ মোট ২৩০ জন কর্মী ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।
কোম্পানিটি এর এনবিএ অল-ওয়ার্ল্ড গেমটিও বাতিল করবে, যা জানুয়ারিতে প্রকাশিত হয়েছিল এবং এর মার্ভেল ওয়ার্ল্ড অব হিরোস শিরোনামের গেমের বাজারজাত বন্ধ করবে।
সূত্র: বিবিসি
আরও পড়ুন: পোকেমনে আর দেখা যাবে না অ্যাশ-পিকাচুর বন্ধুত্ব
ইন্টারেক্টিভ গেমিং প্ল্যাটফর্ম ‘হাসিনা অ্যান্ড ফ্রেন্ডস’ উদ্বোধন করলেন পলক
৯৮০ দিন আগে
প্রবাসীদের জন্য থাকছে ‘ডিজিটাল হাটে’ পশু ক্রয়ের সুবিধা
প্রবাসী ক্রেতাদের কোরবানির পশু ক্রয়ের সুযোগ থাকছে এ বছরের ডিজিটাল হাটে। ২০২০ সালে করোনাকালীন সময়ে প্রথমবারের মতো চালু হওয়া ‘ডিজিটাল হাট’ এবারও অনলাইনে পশু বিক্রয়ের উদ্যোগ নিয়েছে। শনিবার (২৪ জুন) প্রবাসী ক্রেতাদের জন্য এই বিশেষ ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব) এর ব্যবস্থাপনায় ও সরকারের এসপায়ার টু ইনোভেট (এটুআই) প্রকল্পের একশপ-এর কারিগরি সহায়তায় ইতোমধ্যে অনলাইনে কোরবানির পশুবিক্রয় কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ও স্থানীয় পর্যায়ের হাটগুলো যুক্ত রয়েছে এবারের ডিজিটাল হাট-এ।
সেইসঙ্গে ডিজিটাল হাটে যুক্ত হয়েছে প্রবাসী ক্রেতাদের জন্য অনলাইনে পেমেন্টের মাধ্যমে গরু ক্রয়ের সুবিধা। সহযোগিতায় রয়েছে বাংলাদেশ ডেইরি ফার্মার্স এসোসিয়েশন। ২০ জুন থেকে শুরু হয়েছে এই প্ল্যাটফর্মে পশু বিক্রয়।
ই-ক্যাবের জেনারেল সেক্রেটারি মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াহেদ তমাল বলেন, ‘আমরা বিগত তিন বছরে প্রায় ১০ হাজার খামারিকে এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত করেছি। বিভিন্নভাবে তারা অনলাইনে পশু বিক্রয় করেছেন এবং অনেকে প্রত্যক্ষভাবেও এর সুফল পেয়েছেন।’
আরও পড়ুন: এবার সাতক্ষীরার কোরবানির হাট কাঁপাবে ‘হিরো সম্রাট’ ও ‘শুভরাজ’
তিনি আরও বলেন, ‘খামারি,অনলাইন উদ্যোক্তা ও কোরবানির পশুর ক্রেতা; সকলের কথা চিন্তা করেই আমরা এই উদ্যোগ অব্যাহত রেখেছি।’
একশপ-এর দলনেতা ও এটুআই-এর কমার্শিয়াল স্ট্র্যাটেজি বিভাগের প্রধান রেজওয়ানুল হক জামি বলেন, ‘বর্তমানে দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঝুঁকি বা চলাচল সংক্রান্ত কোনো সরকারি নিষেধাজ্ঞা বা বিধি-নিষেধ না থাকলেও ক্রেতাদের আগ্রহের কারণে এবারও ডিজিটাল হাট-এর মাধ্যমে কোরবানি পশু বিক্রয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘মূল ওয়েব ঠিকানা digitalhaat.gov.bd ছাড়াও দেশের শীর্ষস্থানীয় পশু বিক্রয়ের প্ল্যাটফর্মগুলো এর সঙ্গে যুক্ত রয়েছে। আরও যুক্ত রয়েছে জেলা পর্যায়ের ফেসবুক ও ওয়েবভিত্তিক পশু বিক্রয়ের প্ল্যাটফর্মগুলো।’
২০২০ সালে ডিজিটাল হাটের প্রথম বছরেই ২৭ হাজার পশু বিক্রয় হয়েছিল। পরবর্তী বছরে (২০২১ সাল) ৩ লাখ ৮৭ হাজার কোরবানির পশু বিক্রয়ের মাধ্যমে এক অনন্য রেকর্ড স্থাপন করে প্ল্যাটফর্মটি। যার স্বীকৃতি হিসেবে ২০২১ সালে এটি ডিজিটাল বাংলাদেশ পুরস্কারে ভূষিত হয়।
ই-ক্যাবের অর্থ সম্পাদক আসিফ আহনাফ বলেন, ‘এবারের ডিজিটাল হাটের বিশেষ সংযোজন হচ্ছে প্রবাসী ক্রেতাদের জন্যেও অনলাইনে পশু ক্রয়ের সুযোগ। তবে সেটা শুধুমাত্র মূল প্ল্যাটফর্ম digitalhaat.gov.bd থেকে ক্রয়ের জন্য প্রযোজ্য হবে এবং ক্রেতা যে জেলার জন্য ক্রয় করবেন সে জেলায় পশুর অবস্থান হতে হবে।’
আরও পড়ুন: গরুর হাটে জাল নোট শনাক্তে ব্যাংকগুলোকে বুথ বসাতে বলেছে বাংলাদেশ ব্যাংক
ডিজিটাল হাট-এর মাঠ পর্যায়ের সমন্বয়ক ই-ক্যাবের নির্বাহী পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম শোভন বলেন, ডিজিটাল হাটে পেমেন্টের প্রক্রিয়া যেমন হবে- পশু পছন্দ ও দাম নির্ধারণের পরে কতৃপক্ষ ক্রেতা ও বিক্রেতাকে ভেরিফাই করে একটি অনলাইন পেমেন্ট লিংক ক্রেতার জন্য প্রেরণ করবেন। সেই লিংকে ক্রেতা পেমেন্ট প্রদান করবেন। বিক্রেতা তার ঠিকানা অনুযায়ী পশু ডেলিভারি করবেন। পুরো বিষয়টি ডিজিটাল হাট ব্যবস্থাপনা কতৃপক্ষ তদারকি করবেন।
তিনি আরও বলেন, এবারও স্লটারিং সেবার সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে এটা সম্ভব হবে স্লটারিং-এর জন্য নির্ধারিত স্থান খালি থাকা সাপেক্ষে এবং আগে আসলে আগে পাবেন ভিত্তিতে। আশা করা যাচ্ছে এবারও আইসিটি প্রতিমন্ত্রীসহ অন্যান্য অনেকে ডিজিটাল হাট থেকে পছন্দের পশু ক্রয় করবেন।
এবার ডিজিটাল হাটের স্পন্সর হিসেবে রয়েছে দেশের শীর্ষস্থানীয় মার্কেটপ্লেস দারাজ এবং গেটওয়ে পার্টনার হিসেবে রয়েছে ওয়ালেটমিক্স।
সরকারের নির্ধারিত বিধি মোতাবেক ডিজিটাল হাট পরিচালনা করা হবে। কোরবানি পশু সংক্রান্ত শরিয়তের বিধান ও অন্যান্য বিষয় তদারকির মধ্যে রয়েছে। এছাড়া, এ সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য ডিজিটাল হাট-এর ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।
আরও পড়ুন: কোরবানির পশু কেনাবেচায় ডিজিটাল হাট চালু
৯৮৬ দিন আগে