বিনোদন
বিদেশের মাটিতে মেয়ের সঙ্গে গাইলেন সামিনা চৌধুরী
কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী মাহমুদুন্নবী তার উত্তরসূরী হিসেবে রেখে গেছেন দুই মেয়ে ফাহমিদা নবী ও সামিনা চৌধুরী আর ছেলে পঞ্চমকে। তারা গানের ভূবনে নিজেদের নাম স্বর্ণাক্ষরে লিখেছেন।
এবার সময় এসেছে এই তিন ভাই-বোনের যোগ্য উত্তরসূরী রেখে যাওয়ার। এরইমধ্যে গানের ভূবনে নাম লিখিয়েছেন সামিনা চৌধুরীর একমাত্র মেয়ে ফাবাশশির তেজি খান।
অডিও ও টেলিভিশনের পর এখন স্টেজ শোতেও অল্প বিস্তর গাইছেন তেজি। এমনকি দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিদেশের মাটিতেও গেয়েছেন এই তরুণ শিল্পী।
এ বছরই অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে মায়ের সঙ্গে স্টেজ পারফর্ম করেন তেজি। আর এবার গাইলেন যুক্তরাষ্ট্রের অস্টিন অঙ্গরাজ্যে।
সামিনা চৌধুরী এখন তার পুরো পরিবার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন। সেখানে বিভিন্ন রাজ্যে একাধিক স্টেজ শো এবং চ্যানেল আই সেরাকণ্ঠের গ্র্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন তিনি।
তারই ধারাবাহিকতায় অস্টিন অঙ্গরাজ্যে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে গাইলেন তিনি। সেই মঞ্চেই তার সঙ্গে মেয়ে তেজি গাইলেন তিনটি গান।
আরও পড়ুন: শেখ মণিকে নিয়ে টেলিছবি ‘বিন্দু থেকে বৃত্তে’
সামিনা চৌধুরী যুক্তরাষ্ট্র থেকে বলেন, ‘এ জীবনে তো কত দেশে কত স্টেজ শো করলাম, কিন্তু কিছু কিছু শো মনের মধ্যে আলাদা জায়গা করে রাখে। এবারের অস্টিনের শোটি তেমন। আমার মেয়ে আমার সঙ্গে গাইল- কবিতা পড়ার প্রহর, আমায় ডেকো না আর বাঁশি শুনে আর কাজ নেই গান তিনটি। তার গান শুনে অনেক দর্শকই বলেছেন, তেজিকে এরপর থেকে তারা নিয়মিত শিল্পী হিসেবে চায়। এটা মা হিসেবে আমার জন্য অনেক গর্বের ও আনন্দের।’
অস্টিনের শো নিয়ে সামিনা বলেন, ‘আমি সৃষ্টিকর্তার কাছে কৃতজ্ঞ, বরাবরই খুব ভালো দর্শক পাই। আমি যে ধরনের গান গাই বা পছন্দ করি, তেমন দর্শকই আমার গান শুনতে আসে। একক কনসার্টে তো দুই আড়াই ঘণ্টার আগে নামতেই পারি না। একের পর এক আমার মৌলিক গানের অনুরোধ আসে। এবারও তাই হয়েছে। তবে এবার গেয়েছি দুই ঘণ্টার একটু কম। আমার পরে মুজা গান করেছে। শোটি খুব ভালো ছিল। দর্শকের উচ্ছ্বাস ছিল দেখার মতো। নিজের শো নিয়ে এর বেশি আর কী বলব? আপনারা বরং দর্শকদের অনুভূতি জানতে পারলে উৎকৃষ্ট হতো।’
২০২০ সালে অনেকটা হুট করেই সংগীতাঙ্গনে পা রাখেন ফাবাশশির তেজি খান। সে বছর তার জন্মদিনেই ওয়ার্ল্ড মিউজিক বাংলা ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশ পায় তার গাওয়া প্রথম গান ‘সংশয়’-এর ভিডিও। প্রথম গানেই দর্শকের প্রশংসা কুড়ান তিনি।
মেয়েকে নিয়ে সামিনা চৌধুরী বলেন, ‘আমি চাই তেজি নিজের যোগ্যতায় পরিচিতি পাক। তাই তার গান নিয়ে আমি আলাদা কোনো প্রচার করি না। তবে তার গান শুনে মনে হচ্ছে ভালো করবে।’
এদিকে, সামিনা চৌধুরী এবার বেশ লম্বা সময়ের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে গিয়েছেন। অস্টিনে শো’র পর এবার তিনি গাইবেন ফ্লোরিডায়। ১৩ জানুয়ারি সেখানকার ওয়েস্ট পাম বিচে রয়েছে সামিনার শো। এরপর চ্যানেল আই সেরাকণ্ঠের গ্র্যান্ড ফিনালের বিচার কাজ করবেন।
কাজের ফাঁকে দেশটি ঘুরে দেখবেন বলেও জানান তিনি।
সব ঠিক থাকলে ফেব্রুয়ারিতে দেশে ফিরবেন এই নন্দিত সংগীতশিল্পী।
আরও পড়ুন: ফের আরটিভিতে সিসিমপুর
ওটিটির পর্দায় ফ্রিতে ‘অন্তর্জাল’
৮৮৮ দিন আগে
২০২৪ সালে ঢালিউডে মুক্তি পাবে যেসব বাংলা সিনেমা
করোনা মহামারির পর অনেক চড়াই-উৎরাইয়ের সুদিন ফিরেছে ঢালিউড মুভি ইন্ডাস্ট্রিতে। তারই স্পষ্ট প্রমাণ রেখে সমূহ সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে ২০২৩ সাল। সিনেমা হলগুলো যেমন পরিণত হচ্ছে লোকারণে, তেমনি চলচ্চিত্রের দৃশ্যায়নেও ছাপ থাকছে আধুনিকতার। এরই ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালে মুক্তির অপেক্ষায় থাকা বাংলা সিনেমাগুলো আমুল পাল্টে দিতে পারে বাংলাদেশি চলচ্চিত্রের ধারা। সেগুলোর মধ্যে বহু প্রত্যাশিত যে ছবিগুলো মুক্তির সম্ভাব্য সময় পেয়েছে, চলুন সেগুলোর সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।
যে ঢালিউড সিনেমাগুলো ২০২৪ সালে মুক্তির অপেক্ষায়
শেষ বাজি
মুক্তির তারিখ পাওয়া ছবিগুলোর মধ্যে প্রথমেই রয়েছে মেহেদী হাসান পরিচালিত এই থ্রিলার ঘরানার সিনেমাটি। মানুষের জীবনে জুয়া খেলার ক্ষতিকর প্রভাবকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে ছবির কাহিনী।
শেষ বাজি’তে প্রধান ভূমিকায় আছেন চিত্রনায়ক সাইমন সাদিক এবং তার বিপরীতে রয়েছেন শিরিন শিলা। এছাড়াও বিভিন্ন চরিত্রে দেখা যাবে মাহমুদুল হাসান মিঠু, রাশেদ মামুন অপু, এবং সাবেরী আলমকে।
রিকুয়্যাল রিয়েল এস্টেটের ব্যানারে সৈয়দ মোহাম্মদ সোহেল প্রযোজিত মুভিটি সেন্সর বোর্ড থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে ২০২৩ সালের ৩০ অক্টোবর। এরই মধ্যে সাইমনের নতুন লুক নিয়ে একটি পোস্টার প্রকাশ পেয়েছে। চলচ্চিত্রটি দেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে ২০২৪ এর ১৯ জানুয়ারি।
আরও পড়ুন: নতুন বছরে সাইমনের ‘শেষ বাজি’
দরদ
সুপারস্টার শাকিব খানের নতুন বছরের চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে এটিই এ পর্যন্ত মুক্তির সুস্পষ্ট তারিখ পেয়েছে। ২০২৪ সালের ২ ফেব্রুয়ারিতে বাংলার পাশাপাশি একই সঙ্গে সিনেমাটি মুক্তি পেতে যাচ্ছে হিন্দি, তামিল, তেলেগু, কন্নড় ও মালায়ালাম ভাষায়। বাংলাদেশি চলচ্চিত্রের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো ছবি ৬টি ভাষায় প্রকাশ পাচ্ছে।
দরদ নির্মিত হয়েছে ভারত ও বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে। প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানগুলো হলো মুম্বাইয়ের ওয়ান ওয়ার্ল্ড মুভিজ, কলকাতার এসকে মুভিজ, এবং বাংলাদেশের অ্যাকশন কাট এন্টারটেইনমেন্ট, ও কিবরিয়া ফিল্মস।
অনন্য মামুন পরিচালিত এই চলচ্চিত্রে শাকিবের প্রধান সহ-অভিনয়শিল্পী হিসেবে রয়েছেন দক্ষিণ ভারতের সোনাল চৌহান। এছাড়া অন্যান্যদের মধ্যে রয়েছেন ভারতের পায়েল সরকার, বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী ও রাহুল দেব। বাংলাদেশিদের মধ্যে থাকছেন এলিনা শাম্মী, ইমতু রাতিশ, এবং অতিথি শিল্পী হিসেবে মিস বাংলাদেশ জেসিয়া ইসলাম।
দরদের হিন্দি ভার্সনের লিরিকগুলো লিখছেন সিনেমাটির সঙ্গীত পরিচালক আরাফাত মেহমুদ। বাংলা ভার্সনের লিরিকগুলোর দায়িত্বে ছিলেন সোমেশ্বর অলি, এসকে দ্বীপ এবং জাহিদ আকবর।
আরও পড়ুন: শেখ মণিকে নিয়ে টেলিছবি ‘বিন্দু থেকে বৃত্তে’
কাজলরেখা
জীবন ঘনিষ্ঠ এই চলচ্চিত্রের চিত্রনাট্য ও সংলাপ বিন্যাসের পাশাপাশি পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেছেন প্রখ্যাত নির্মাতা গিয়াস উদ্দিন সেলিম।
মুভির পটভূমিতে রয়েছে ময়মনসিংহের প্রাচীন পালাগানের সংকলন 'মৈমনসিংহ গীতিকা'। সে সময় মাত্র ৯ বছর বয়স হলেই সামাজিক প্রথা অনুসারে মেয়েদের বসতে হতো বিয়ের পীড়িতে। এমনি সমাজের মানুষ হয়েও নাটকীয়ভাবে নতুন দিকে মোড় নেয় কাজলরেখার জীবন। আর এভাবেই অগ্রসর হতে থাকে চলচ্চিত্রের কাহিনী।
এই ছবির মাধ্যমে প্রথমবারের মত জুটি বাধছেন শরিফুল রাজ ও মন্দিরা চক্রবর্তী। এছাড়া বিভিন্ন ভূমিকায় অভিনয় করবেন আজাদ আবুল কালাম, ইরেশ যাকের, রাফিয়াথ রশিদ মিথিলা, খায়রুল বাশার, সাদিয়া আয়মান, ও ঝুনা চৌধুরী।
ছবিটিতে প্রায় ৪০টি গান রয়েছে যেগুলো পরিচালনা করেছেন জনপ্রিয় সুরকার ইমন চৌধুরী। এটি ২০১৯-২০ অর্থবছরে সরকারি অনুদানে নির্মিত মুভিটি প্রেক্ষাগৃহে আসবে ২০২৪-এর ৯ ফেব্রুয়ারি।
আরও পড়ুন: সিনেমা ২০২৩: আলাচনায় শুধু ঈদের সিনেমা
অপারেশন জ্যাকপট
৭১-এর মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সফল গেরিলা অভিযানের নাম অপারেশন জ্যাকপট। আর এরই বীরত্বগাঁথা নিয়ে একই শিরোনামে চলচ্চিত্র নির্মিত হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে অর্থায়নে। ২১ কোটি টাকা বাজেটের ছবিটি পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছেন ঢালিউড চলচ্চিত্র নির্মাতা দেলোয়ার জাহান ঝন্টু এবং কলকাতার ‘পাগলু’ খ্যাত পরিচালক রাজিব কুমার।
তারকা বহুল ছবিটির প্রধান চরিত্রে থাকবেন অনন্ত জলিল। অন্যান গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে থাকবেন রিয়াজ আহমেদ, নিরব হোসেন, সাইমন সাদিক, আব্দুন নূর সজল, মামনুন হাসান ইমন, জিয়াউল রোশান এবং জয় চৌধুরী। নারী শিল্পীদের প্রায় সবাই ওপার বাংলার, যেখানে দেখা যাবে স্বস্তিকা ব্যানার্জি ও সায়ন্তিকা ব্যানার্জির মত অভিনেত্রীদের।
স্বপন চৌধুরী প্রযোজিত মুভিটি এখন পর্যন্ত ২০২৪-এর বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসে মুক্তি দেয়ার কথা চলছে।
আরও পড়ুন: ওটিটির পর্দায় ফ্রিতে ‘অন্তর্জাল’
৮৮৯ দিন আগে
সিনেমা ২০২৩: আলাচনায় শুধু ঈদের সিনেমা
ঢালিউড ইন্ডাস্ট্রির অবস্থা খানিকটা হলেও বদলে গেছে। যদিও সেটি কেবলই ঈদকে কেন্দ্র করে। তবে ২০২৩ সালে এসে সিনেমার সংখ্যা বেড়েছে। সেই সংখ্যাটা প্রায় ৫০। কিন্তু ঈদ ছাড়া অন্য সময় যেসব সিনেমা মুক্তি পেয়েছে সেগুলো তেমন আলোচিত হয়নি বলা যায়। আর এটিই যেন ইন্ডাস্ট্রির সবচেয়ে বড় সংকট।
২০২৩ সালে অর্ধশত সিনেমা মুক্তি পেলেও ব্যবসায়িক সাফল্য ও আলোচনায় থাকা সিনেমার সংখ্যা হাতে গোনা কয়েকটি। সেই তালিকায় রয়েছে ‘প্রিয়তমা’, ‘সুড়ঙ্গ’, ‘প্রহিলেকা’, ‘১৯৭১: সেই সব দিন’। তবে এর বাইরেও স্বল্প সময়ের জন্য আলোচনায় ছিল ‘এমআরনাইন’, ‘অন্তর্জাল’, ‘কিল হিম’, ‘মুজিব: একটি জাতির রূপকার’সহ কয়েকটি সিনেমা।
এ বছর দেশের সিনেমার সঙ্গে আলোচনায় ছিল বাংলাদেশে মুক্তি পাওয়া হিন্দি সিনেমাগুলো। আর এটি ছিল সিনেমা নিয়ে আলোচনাগুলোর মধ্যে অন্যতম। এর আগেও এ দেশে হিন্দি সিনেমা মুক্তি পেয়েছে। তবে সমসাময়িক বা একইদিনে মুক্তির ঘটনা এবারই প্রথম। যার শুরু হয় শাহরুখ খানের ‘পাঠান’ এর মধ্য দিয়ে। এরপরই বড় ধামাকা নিয়ে আসে ‘জাওয়ান’। পুরো বিশ্বের সঙ্গে একই দিনে মুক্তি দিয়ে নতুন ইতিহাস তৈরি হয় বাংলাদেশে।
হিন্দি সিনেমা নিয়ে শেষ আলোচনা ছিল ‘অ্যানিমেল’ ও ‘ডানকি’। সবগুলো সিনেমা মাল্টিপ্লেক্সে ব্যবসা করতে পারলেও সিঙ্গেল স্ক্রিনে তেমন সুবিধা করতে পারেনি।
এবার আসি ২০২৩ এ আলোচিত সিনেমাগুলো নিয়ে।সিনেমার সঙ্গে ব্যবসা যেহেতু দীর্ঘদিনের বাস্তবতা তাই একে এড়িয়ে চলার সুযোগ বিশ্বের কোনো ইন্ডাস্ট্রিরই নেই। সেই হিসাব কষে ২০২৩ এ সফলতা পেয়েছে ‘প্রিয়তমা’ ও ‘সুড়ঙ্গ’। শুধু দেশে নয় পশ্চিমা দেশগুলোতেও এ দুটি সিনেমার ব্যবসা আশানুরূপ।
‘প্রিয়তাম’ দিয়ে প্রথমবার বড়পর্দায় অভিষেক হলো নির্মাতা হিমেল আশরাফের। একসময় ছোটপর্দায় নিয়মিত নাটক বানালেও পরে পাড়ি জমান যুক্তরাষ্ট্রে। মাঝে শাকিব খান যুক্তরাষ্ট্রে থাকাকালীন হিমেল আশরাফের সঙ্গে প্রায়ই ছবি দেখা যেত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। সেই যোগসূত্রে একসময় হিমেলের প্রথম সিনেমার নায়ক হলেন শাকিব। আর এটিই হয়তো নির্মাতার সফলতা।
কারণ ‘প্রিয়তমা’ সিনেমাটি যে কাঁচা হাতে বানানো কাজ সেটি সাধারণ দর্শকের কাছে সহজেও ধরা পড়ে। গল্পের প্লট অনেক বড় হলেও ঠিক যেন অভিজ্ঞতার কাছে পর্দায় গল্পের মালাটা ঠিকমতো গাঁথতে পারেননি এই পরিচালক। যদিও শাকিব খানের কারণে এই যাত্রায় উতরে গেছেন তিনি। ‘প্রিয়তমা’য় শাকিব খানের সঙ্গে জুটি বেঁধেছিলেন কলকাতার অভিনেত্রী ইধিকা পাল।
তার অভিনয় আর মিষ্টি হাসি নজর কেড়েছে বাংলাদেশের দর্শকদের। আর গুঞ্জন চলছে বাংলাদেশের আরও একটি সিনেমায় দেখা যাবে তাকে।
অন্যদিকে ‘সুড়ঙ্গ’ দিয়ে প্রথমবার বড়পর্দায় এলেন আফরান নিশো। ‘পরান’ এরপর ‘সুড়ঙ্গ’ দিয়ে আবারও আলোচনা তৈরি করেন রায়হান রাফি। সিনেমাটি আলোচনার কারণ মূলত তারা দুজনই। এরসঙ্গে সিনেমাটির প্রচার কৌশল আরও একধাপ এগিয়ে নিয়ে গেছে ব্যবসার ক্ষেত্রে।
কারণ শাকিব খানের সিনেমার সঙ্গে সিনেমা মু্ক্তি দিয়ে ব্যবসা করা চারটিখানি কথা নয়। কয়েক বছর আগে পর্যন্ত ঈদের সিনেমা মানে শাকিব খান। একই ঈদে একাধিক সিনেমা মুক্তি পেত তার। সেই অবস্থার পরিবর্তনটাও ইন্ডাস্ট্রির জন্য ইতিবাচক।
পরিচালক চয়নিকা চৌধুরী আবারও বড়পর্দায় ফিরলেন ‘প্রহেলিকা’ নিয়ে। আর সঙ্গে অনেকদিন পর নিয়ে এলেন মাহফুজ আহমেদকে। দীর্ঘদিন পর্দার বাইরে থেকে বড়পর্দা দিয়ে এমন কামব্যাক তার ভক্তদের জন্য ছিল নতুন চমক। এখানে জুটি বাঁধেন শবনম বুবলির সঙ্গে। সিনেমাটি ব্যবসায়িক জায়গা থেকে খুব একটা সফলতার মুখ না দেখলেও ছিল প্রশংসিত।
ঈদ ছাড়া যদিও এখন সিনেমা হিট হয় না বলা চলে। এরমধ্যে ‘১৯৭১: সেই সব দিন’ ভিন্ন এক উদাহরণ তৈরি করেছে। তার ওপর মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সিনেমা। সারা বছর সিনেমা নিয়ে নানান আলোচনার ভিড়ে ‘১৯৭১: সেই সব দিন’ নিজ গুণেই এগিয়ে গেছে।
ইনামুল হকের উপন্যাস অবলম্বনে সিনেমাটি নির্মাণ করেছে হৃদি হক। আর এরমধ্য দিয়ে বড়পর্দায় পরিচালক হিসেবে অভিষেক হয় হৃদির। অভিনয়ে ছিলেন তারিন জাহান, ফেরদৌস আহমেদ, সজল নূর, লিটু আনাম, সানজিদা প্রীতি, হৃদি হক, মামুনুর রশীদ, আবুল হায়াত, জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায় প্রমুখ।
ঢাকাই সিনেমা ইন্ডস্ট্রির বর্তমান অবস্থা নিয়ে সংশ্লিষ্ট অনেকে আশার কথা বললেও অনেকেই বলছে ব্যর্থতার কথা। কারণ একটি সিনেমা ইন্ডাস্ট্রি টিকে থাকতে বছরের বেশ কয়েকটি ব্যবসা সফল সিনেমার প্রয়োজন। তবে এমন অবস্থা সামনে তৈরি হয়ে যাবে বলেও আশা করা যাচ্ছে।
৮৯০ দিন আগে
'প্যারাসাইট' অভিনেতা লি সান-কিউন মারা গেছেন
অস্কারজয়ী চলচ্চিত্র 'প্যারাসাইটের' অভিনেতা লি সান-কিউন মারা গেছেন বলে বুধবার (২৭ ডিসেম্বর) জানিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার জরুরি বিভাগ।
জরুরি বিভাগ বলেছে, বুধবার সিউলের একটি পার্কে গাড়িতে লিকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়।
সিউলের একটি অজ্ঞাত স্থানে অচেতন অবস্থায় লিকে পাওয়া যায় বলে পুলিশ এর আগে জানায়।।
ইয়োনহাপ নিউজ এজেন্সিসহ দক্ষিণ কোরিয়ার গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, বুধবার সুইসাইড নোটের অনুরূপ একটি বার্তা লিখে লি বাড়ি ছেড়ে চলে গেছেন বলে তার পরিবারের পক্ষ থেকে জানানোর পর পুলিশ তাকে খুঁজছে।
অস্কারজয়ী চলচ্চিত্র 'প্যারাসাইটের' অভিনেতা লি সান-কিউনকে অচেতন অবস্থায় পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার পুলিশ।
আরও পড়ুন: বিনা কর্তনে চলছে ‘অ্যানিমেল’, আটকে আছে ‘কাঠগোলাপ’
পুলিশ কর্মকর্তারা বুধবার সিউলের একটি অজ্ঞাত স্থানে অচেতন লিকে খুঁজে পান এমনটা জানালেও বিস্তারিত কিছু জানায়নি।
লি ‘প্যারাসাইট’ সিনেমায় তার ভূমিকার জন্য সর্বাধিক পরিচিত, যেখানে তিনি একটি ধনী পরিবারের প্রধানের চরিত্রে অভিনয় করেন। ২০২১ সালে তিনি সিনেমটিতে তার ভূমিকার জন্য স্ক্রিন অ্যাক্টরস গিল্ড পুরষ্কার পান।
গত বছর সাই-ফাই থ্রিলার 'ডক্টর ব্রেইনে' অভিনয়ের জন্য তিনি আন্তর্জাতিক এমি অ্যাওয়ার্ডসে সেরা অভিনেতার জন্য মনোনীত হয়েছিলেন।
তিনি জনপ্রিয় ড্রামা সিরিজ ‘কফি প্রিন্স (২০০৭)’ এ তার ভূমিকার জন্য সুপরিচিত হন এবং মেডিকেল ড্রামা ‘বিহাইন্ড দ্য হোয়াইট টাওয়ার’ এর মাধ্যমে মূলধারার জনপ্রিয়তা অর্জন করেন এরপর অভিনয় করেন ‘পাস্তা (২০১০)’ ও ‘মাই মিস্টার (২০১৮)’ এ।
আরও পড়ুন: বিনা কর্তনে দেশের ৪৮ প্রেক্ষাগৃহে 'অ্যানিমেল'
ক্ষমা চাইতে হবে না, শুধু ইতিহাসটা জেনে নিন: এ আর রহমানের উদ্দেশে কবীর সুমন
৮৯০ দিন আগে
শেখ মণিকে নিয়ে টেলিছবি ‘বিন্দু থেকে বৃত্তে’
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের পরিবারের অন্যতম সদস্য শেখ ফজলুল হক মণি। মুজিব বাহিনীর প্রধান, দৈনিক বাংলার বাণীর প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ও প্রকাশক এবং বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ছিলেন শহীদ শেখ ফজলুল হক মণি।
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কালরাত্রিতে ঘাতকের বুলেটে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে তাকেও নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়।
এবারই প্রথম শেখ ফজলুল হক মণিকে নিয়ে নির্মিত হতে যাচ্ছে ৫০ মিনিটের একটি টেলিছবি। এর নাম ‘বিন্দু থেকে বৃত্তে’। কবি ও গীতিকার সহিদ রাহমানের ‘মহামানবের দেশে’ উপন্যাস অবলম্বনে ও ফ্রেম ফ্যাক্টরির প্রযোজনায় নির্মিত এই টেলিছবির কাহিনি,গল্প ও চিত্রনাট্য করেছেন সহিদ রাহমান। এটি নির্মাণ করবেন শাহ নেওয়াজ রিপন।
শেখ ফজলুল হক মণির চরিত্রে অভিনয় করবেন অভিনেতা রওনক হাসান। আরও অভিনয় করবেন তানজিকা আমিন, ডলি জহুর, আরমান পারভেজ মুরাদ, পংকজ মজুমদার, নূর আলম নয়ন প্রমুখ। অচিরেই টেলিছবিটির শুটিং শুরু হবে। আগামী বছর একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলে এটি প্রচার হবে বলে জানিয়েছে প্রযোজনা সংস্থা।
৮৯২ দিন আগে
চায়ের রাজধানী মৌলভীবাজারে এবারের ‘ইত্যাদি’
আমাদের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও শিকড়ের সন্ধানে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ইত্যাদি আয়োজনের ধারাবাহিকতায় এবারের পর্ব ধারণ করা হয়েছে চায়ের রাজধানী হিসেবে পরিচিত অপূর্ব সুন্দর জেলা মৌলভীবাজারে।
মঞ্চ নির্মাণ করা হয়েছে ১৮৯৫ সালে প্রতিষ্ঠিত মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জে অবস্থিত কুরমা চা বাগান আবৃত মাঠে।
ইত্যাদির ধারণ উপলক্ষে পুরো মৌলভীবাজার জেলায় ছিল উৎসবের আমেজ। অনুষ্ঠানস্থলকে ঘিরে বসে জমজমাট মেলা। বিভিন্ন পণ্যের পসরা সাজিয়ে বসে দোকানিরা। দূর থেকে দেখলে মনে হয় চা বাগানের মাঝখানে একখণ্ড জনসমুদ্র।
কমলগঞ্জে ধারণ হলেও দর্শকরা আসেন ৫০ থেকে ১০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত বিভিন্ন উপজেলা থেকেও। স্থানীয় প্রশাসন ও সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত সহযোগিতায় বিকাল ৩টা থেকেই আমন্ত্রিত অতিথিরা অনুষ্ঠানস্থলে আসতে শুরু করেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায় অনুষ্ঠানস্থল।
আমন্ত্রিত দর্শক ছাড়াও অনেক দর্শক আশেপাশের টিলা, রাস্তা ও লেকের পাড়ে দাঁড়িয়ে অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে ইত্যাদির শুটিং উপভোগ করেন; যা চলে রাত ১১টা পর্যন্ত। তীব্র শীত উপেক্ষা করে এই দীর্ঘ সময়ে অবাক বিস্ময়ে উপভোগ করেছেন তাদের প্রিয় অনুষ্ঠানের ভিডিওচিত্র ধারণ।
এবারের অনুষ্ঠানে মৌলভীবাজারের সন্তান কণ্ঠশিল্পী সেলিম চৌধুরী ও সিলেটের সন্তান তসিবা আঞ্চলিক ভাষায় একটি ভিন্নরকম প্রেমের গানে কণ্ঠ দিয়েছেন। গানটির কথা লিখেছেন রামাচরণ, সুর করেছেন আকাশ মাহমুদ।
উল্লেখ্য তসিবার প্রথম টেলিভিশন যাত্রা শুরু হয়েছিল এই ইত্যাদির মাধ্যমেই। এছাড়াও মৌলভীবাজারকে নিয়ে মনিরুজ্জামান পলাশের কথায়, হানিফ সংকেতের সুরে এবং মেহেদির সংগীতায়োজনে একটি গানের সঙ্গে নৃত্য পরিবেশন করেছেন মৌলভীবাজারেরই স্থানীয় শতাধিক নৃত্যশিল্পী।
নাচটির কোরিওগ্রাফি করেছেন খাজা সালাউদ্দিন ঝন্টু, কণ্ঠ দিয়েছেন পুলক, তানজিনা রুমা, মোমিন বিশ্বাস ও নোশিন তাবাসসুম স্মরণ।
আরও পড়ুন: ফের আরটিভিতে সিসিমপুর
৮৯৪ দিন আগে
ফের আরটিভিতে সিসিমপুর
ফের আরটিভিতে ফিরছে শিশুতোষ শিক্ষা ও বিনোদনমূলক জনপ্রিয় টেলিভিশন সিরিজ সিসিমপুর।
আসছে বছরের ৬ জানুয়ারি থেকে সপ্তাহের প্রতি শনি, রবি ও সোমবার বিকাল ৫ টায় আরটিভিতে প্রচারিত হবে সিসিমপুর।
আরও পড়ুন: অপু বিশ্বাসের ভুল স্বীকার
যা মঙ্গল, বুধ ও বৃহস্পতিবার একই সময়ে পুনঃপ্রচারিত হবে। অর্থাৎ সপ্তাহে ছয়দিন বিকাল ৫ টায় শিশুরা আরটিভির পর্দায় দেখতে পাবে সিসিমপুর।
সম্প্রতি সিসিমপুরের নির্মাতা প্রতিষ্ঠান সিসেমি ওয়ার্কশপ বাংলাদেশের ডিস্ট্রিবিউশান পার্টনার ওয়াটারমার্ক এমসিএলের সঙ্গে আরটিভি’র এ সংক্রান্ত একটি চুক্তি সই হয়েছে।
আরও পড়ুন: ফুড ব্লগার বা ভ্লগার হিসেবে ক্যারিয়ার গড়ার উপায়
আরটিভির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ আশিক রহমান এবং ওয়াটারমার্ক এমসিএলের ব্যাবস্থাপনা পরিচালক পলাশ মিয়া নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন।
এসময় সিসেমি ওয়ার্কশপ বাংলাদেশের ব্যাবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ শাহ আলমসহ তিন প্রতিষ্ঠানের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: ৩ বছর পর দেশে শাবনূর, ‘মাতাল হাওয়ায়’ থাকছেন তিনি
উল্লেখ্য, বাংলাদেশে সিসিমপুরের সব কার্যক্রম উন্নয়ন ও বাস্তবায়নে শুরু থেকে সহায়তা করে আসছে ইউএসএআইডি, বাংলাদেশ।
৮৯৭ দিন আগে
ওটিটির পর্দায় ফ্রিতে ‘অন্তর্জাল’
দেশের সবচেয়ে বড় ডিজিটাল বিনোদনের প্ল্যাটফর্ম টফিতে 'অন্তর্জাল' এর বিশেষ অনলাইন প্রিমিয়ার হতে যাচ্ছে। ‘অন্তর্জাল’ বাংলাদেশের প্রথম সাইবার-থ্রিলার চলচ্চিত্র। আগামী ২১ ডিসেম্বর টফিতে সিনেমাটি উন্মুক্ত করা হবে।
সারা দেশের দর্শকেরা অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএস ডিভাইসের পাশাপাশি অ্যান্ড্রয়েড টিভিতে যেকোনো নেটওয়ার্ক থেকে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে পুরো সিনেমাটি এক্সক্লুসিভলি দেখতে পারবেন।
সিনেমাটি সারা দেশের টফি ব্যবহারকারীদের বিজয় দিবসের বিশেষ উপহার। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে বিদেশি অপশক্তির ষড়যন্ত্র, সাইবার হামলা আর সেটাকে মোকাবিলায় দেশের কয়েকজন তরুণের দুঃসাহসিক লড়াইয়ের গল্প দেখা যাবে 'অন্তর্জাল' সিনেমায়। যে লড়াইয়ে তারা ইন্টারনেটের মাধ্যমে অদৃশ্য শক্তির তৈরি বিভিন্ন সামাজিক সংকটের সমাধান করেন।
আরও পড়ুন: ঈদুল ফিতরে আসছে দেশের প্রথম সাইবার থ্রিলার ‘অন্তর্জাল’
সর্বোপরি, অপশক্তির হুমকি থেকে প্রিয় দেশকে উদ্ধার করতে তাদের দৃঢ়তা ও সংকল্পকে ফুটিয়ে তুলা হয়েছে এই সিনেমাতে। সিনেমার গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে রয়েছেন সিয়াম, মিম, সুনেরাহ।
এই সিনেমার বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন এবিএম সুমন, রওনক হাসান, কিটো ভাই প্রমুখ। ছবিটি পরিচালনা করেছেন দীপঙ্কর দীপন।
এই বছরের ২২ সেপ্টেম্বর স্থানীয় প্রেক্ষাগৃহে ‘অন্তর্জাল’ প্রথম মুক্তি পায়।
টফি’র মার্কেটিং ডেপুটি ডিরেক্টর মুহম্মদ আবুল খায়ের চৌধুরী বলেন, ‘টফিতে আমরা দর্শকদের নতুন ও উদ্ভাবনী ডিজিটাল সেবা প্রদানের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি। দেশের অন্যতম অনলাইন বিনোদনের প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বিজয় দিবসের ঠিক পরেই টফিতে দেশের প্রথম সাইবার-থ্রিলার চলচ্চিত্রটি মুক্তি দিতে পেরে আমরা আনন্দিত।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি আশাবাদী, সকল বয়সের দর্শকেরা ‘অন্তর্জাল’ সিনেমাটি পছন্দ করবেন। আধুনিক প্রযুক্তিগত থিম ও স্মার্ট বাংলাদেশ নির্মানের রূপকল্পের সঙ্গেও এই সিনেমার গল্পটি প্রাসঙ্গিক।’
আরও পড়ুন: ৩ বছর পর দেশে শাবনূর, ‘মাতাল হাওয়ায়’ থাকছেন তিনি
৮৯৭ দিন আগে
অপু বিশ্বাসের ভুল স্বীকার
সম্প্রতি একটি ইস্যুকে কেন্দ্র করে গানবাংলা টেলিভিশনের চেয়ারপার্সন ফারজানা মুন্নির সঙ্গে চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাসের কথপোকথনের একটি সম্পাদিত ভার্সন প্রকাশের পর গণমাধ্যমে ও অনলাইনে নানা ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে পড়ে।
চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের আইডিতে বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে ভিডিও প্রকাশ করেন। যার পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৭ ডিসেম্বর ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে একটি অভিযোগ দাখিল করেন গানবাংলা টেলিভিশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কৌশিক হোসেন তাপস। সেই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ১৯ ডিসেম্বর ডিবি কার্যালয়ে তলব করা হয় চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাসকে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ডিবি প্রধান হারুন অর রশীদ ও কৌশিক হোসেন তাপস।
পরে গণমাধ্যমকর্মীদের মুখোমুখি হয়ে অপু বিশ্বাস জানান তিনি তার ভুল বুঝতে পেরেছেন। যার পরিপ্রেক্ষিতে তিনি তার প্রকাশিত ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়া থেকে মুছে ফেলবেন।
কৌশিক হোসেন তাপস জানান, কে বা কারা সম্পাদিত অডিও ক্লিপটি প্রকাশ করল তা তিনি উদঘাটন করতে অনুরোধ করেছেন গোয়েন্দা বিভাগকে।
অপু বিশ্বাস বলেন, তাপস ভাই ও ভাবির মধ্যকার সুন্দর সম্পর্ক আছে ও ছিল। তা আমি দূর থেকে দেখেছি। আজ কাছ থেকে ভাইয়ার সঙ্গে কথা বলার পর আমি আরও জানলাম। কেউই ভুলের ঊর্ধ্বে নয়। আমিও নই। আমি আমার প্রকাশিত ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়া থেকে মুছে ফেলব।
কৌশিক হোসেন তাপস বলেন, আমার ও আমার স্ত্রীকে জড়িয়ে গণমাধ্যম ও সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত নানা ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য ও সংবাদের অবসান চাই। আমরা ভালো আছি। অপু এ ঘটনায় নিজেকে জড়িয়ে কিছু ভুল করেছে। যা সে স্বীকারও করেছে। আমি তাকে ক্ষমা করে দিয়েছি। বাংলা চলচ্চিত্র ও গণমাধ্যমের প্রতিটি মানুষ আমার পরিবার। আমি সেই পরিবারেরই অংশ।
সবশেষে অপু বিশ্বাস গণমাধ্যমকর্মী ও নিজের ফ্যান ফলোয়ারদের অনুরোধ করেন তার প্রকাশিত ভিডিওটি সবাই যেন মুছে ফেলেন। যা তিনি নিজেও করবেন বলে জানান।
৮৯৮ দিন আগে
৩ বছর পর দেশে শাবনূর, ‘মাতাল হাওয়ায়’ থাকছেন তিনি
বিশ্বের অন্যান্য ইন্ডাস্ট্রির মতো ঢালিউড ইন্ডাস্ট্রিও নায়ক নির্ভর। কিন্তু আশি ও নব্বই দশকের চিত্রটা ছিল অনেকটাই ভিন্ন। একসময় যেমন পোস্টারে শাবানার ছবি থাকলেই আর কিছু লাগতো না, তেমন অবস্থা তৈরি হয়েছিল নব্বইয়ের দশকেও। আর সেই সমীকরণের শীর্ষে যে নামটি রয়েছে তিনি হলেন চিত্রনায়িকা শাবনূর।
ক্যারিয়ারের প্রায় পুরোটা সময় তিনিই ছিলেন প্রযোজকদের ‘টার্ম কার্ড’।
তবে আরেক বাস্তবতা হলো ঠিক সব নায়িকাদের মতো তিনিও ক্যারিয়ারের পরিণত সময়ে আড়ালে চলে গেছেন। ঘর বেঁধেছেন সুদূর অস্ট্রেলিয়ায়। এরপর তাকে বিভিন্ন মৌসুমে পাওয়া গেলেও ঠিক সুতোয় গাঁথতে পারেননি নিজের ক্যারিয়ারকে। তবুও শাবনূর এখনও এদেশের দর্শকের কাছে চিরসবুজ সেই নায়িকা।
শাবনূরের ভক্তদের জন্য সুখবর হলো আবারও বড়পর্দায় ফিরছেন এই ‘স্বপ্নের রাজকুমারি’। এমনটাই জানা গেল পরিচালক চয়নিকা চৌধুরীর ফেসবুক পোস্ট থেকে। ‘মাতাল হাওয়া’ শিরোনামে এই সিনেমার গল্প মাহফুজ আহমেদের। আর চিত্রনাট্য লিখেছেন রায়হান খান।
আরও পড়ুন: নতুন বছরে সাইমনের ‘শেষ বাজি’
চয়নিকা চৌধুরী তার ফেসবুক পেজে শাবনূরের সঙ্গে ছবি শেয়ার করে লেখেন, ‘তার সব সিনেমাই প্রায় আমার দেখা। তিনি ফিল্ম ইন্ড্রাস্ট্রিতে অবশ্যই অনেক বড় একটা জায়গায় বসে আছেন এখনও। তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তিনি একজন ব্র্যান্ড তারকা। একজন সুপারস্টার নি:সন্দেহে।’
তিনি আরও লেখেন, ‘তিনি যে এত বড় তারকা পাশাপাশি এত বিনয়ী এটা ফিল করেছি যেইদিন অষ্ট্রেলিয়াতে তিনি প্রহেলিকা দেখে আমাকে কলই শুধু করেননি, একটা দারুণ লেখাও লিখেছিলেন তার নিজের প্রোফাইলে। মাহফুজ আহমেদ বলেছিলেন, অভিনয়ের পাশাপাশি তার ব্যবহারের কথা।
যতবার তার সঙ্গে দেখা হয়েছে, তার ব্যাবহার আচার-আচরণে মুগ্ধ হয়েছি। তার ব্যাবহার দেখে মনে হয়েছে আমি তার কত আপন! কত আগের চেনা। প্রতিটি মুহুর্তে ভালোবাসা, সম্মান পেয়েছি,পাচ্ছি। মানুষ যত বড় হয়, ততই বিনয়ী হয়। আসলেই ওল্ড ইজ গোল্ড’
দীর্ঘ বিরতির পর নতুন সিনেমায় অভিনয় করতে যাচ্ছেন শাবনূর। তার বিপরীতে অভিনয় করবেন মাহফুজ আহমেদ। ‘মাতাল হাওয়া’ নামে এ সিনেমাটি পরিচালনা করছেন চয়নিকা চৌধুরী। গতকাল ছিল তার জন্মদিন। এদিন শাবনূরকে নিয়ে নতুন সিনেমায় অভিনয়ের কথা প্রকাশ করেন নির্মাতা। এরইমধ্যে শাবনূরের সঙ্গে চিত্রনাট্য নিয়ে বসেছেন তিনি। রিডিং সেশনে অংশ নেন দু’জনে।
শাবনূর বলেন, ‘দেশের বাইরে থাকলেও মনটা দেশেই পড়ে ছিল। হঠাৎ এবার দেশে এসেছি। গতকাল নিজের জন্মদিনে আনন্দময় সময় কেটেছে। ভালো গল্প ও চরিত্র পাইনি বলে কোনো সিনেমায় অভিনয়ে মন সায় দেয়নি। ‘মাতাল হাওয়া’র গল্প অসাধারণ। চরিত্রটিও পছন্দ হয়েছে। বেশ বিরতির পর সিনেমায় অভিনয় করতে যাচ্ছি ভেবে ভালো লাগছে। নিজেকে এখন প্রস্তুত করছি। একেবারে ফিট হয়েই পর্দায় আসতে চাই। সিনেমার কাজ করার মাধ্যমে নতুন-পুরোনো মানুষের সঙ্গে দেখা হবে। বিষয়টিই আনন্দের।’
গত ৩০ নভেম্বর ঢাকায় এসেছেন শাবনূর। তবে খবরটি এতোদিন কাউকে জানাতে চাননি। তিন বছর পর দেশে ফিরে বেশ ব্যস্ত সময় কাটছে তার।
আরও পড়ুন: একইদিনে বাংলাদেশের হলেও ‘ডাঙ্কি’?
৮৯৯ দিন আগে