কিশোরগঞ্জে জেলা আইনজীবী সমিতির ১৪টি পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনে বিএনপিপন্থি আইনজীবীদের সংগঠন জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের প্রার্থীরা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ মোট ৯টি পদে বিজয়ী হয়েছেন। অন্যদিকে, আওয়ামী লীগপন্থি আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের একজন সহ-সভাপতিসহ বাকি ৫টি পদে জয়ী হয়েছেন।
বুধবার (৪ মার্চ) সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত জেলা আইনজীবী সমিতি ভবনে ভোটগ্রহণের পর গণনা শেষে রাত সাড়ে ৯টার দিকে ফলাফল ঘোষণা করা হয়।
এতে সভাপতি পদে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের প্রার্থী অ্যাডভোকেট মো. মিজানুর রহমান ১৯৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ও সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. শহিদুল ইসলাম। তিনি পেয়েছেন ১৭৫ ভোট।
সাধারণ সম্পাদক পদে বিজয়ী হয়েছেন জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের প্রার্থী অ্যাডভোকেট মো. আমিনুল ইসলাম রতন। তিনি টানা ষষ্ঠ বারের মতো সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হলেন। আওয়ামী লীগ-সমর্থিত সমন্বয় পরিষদের অ্যাডভোকেট আতিকুর হক বুলবুল ১৬৬ ভোট পেয়ে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন।
এদিকে, আওয়ামী লীগ-সমর্থিত সমন্বয় পরিষদের সভাপতি প্রার্থী ১৪৯ ভোট পেয়ে তৃতীয় হয়েছেন এবং সাধারণ সম্পাদক পদ আওয়ামী বিদ্রোহী প্রার্থী পেয়েছেন ৮২ ভোট।
নির্বাচনে ১৪টি পদের মধ্যে মোট ১১টি পদে বিএনপি-সমর্থিত জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম প্রার্থী দিয়েছিল। তাদের মধ্যে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ৯টি পদে তারা বিজয়ী হয়েছেন। জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সভাপতি সাধারণ সম্পাদক ছাড়াও অন্য বিজয়ীরা হলেন, সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট এ এম ছাদ্দাদুল হক।
এ ছাড়াও বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হয়েছেন লাইব্রেরী সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. আবু বাক্কার সিদ্দিক মিলন, সাংস্কৃতিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. নজরুল ইসলাম, অডিটর অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান ভূইয়া উৎপল। পাশাপাশি সদস্য পদে মো. আবু হানিফ, মো. সোহাগ মিয়া ও মো. সারোয়ার আলম জয়ী হয়েছেন।
বাকি ৫টি পদে আওয়ামীপন্থি সমন্বয় পরিষদের প্রার্থীরা নির্বাচিত হয়েছেন। তারা হলেন: সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট মুফতি মো. জাকির খান, সহ-সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সাজ্জাদুল হক ভূঁইয়া ও অ্যাডভোকেট মো. আবু সাইম । সদস্য পদে অ্যাডভোকেট মো. রফিকুল ইসলাম ও অ্যাডভোকেট মো. কোরবান আলী।
নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করেন অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি অ্যাডভোকেট মো. ইদ্রিস মিয়া।