চট্টগ্রাম ও ঢাকার দুই বিমানবন্দরে পৃথক অভিযানে প্রায় পাঁচ কোটি টাকা মূল্যের সোনার বার ও সোনার পেস্টভর্তি বস্তু জব্দ করেছেন কাস্টমস গোয়েন্দা কর্মকর্তারা।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানায় কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (সিআইআইডি)।
কামরুল ইসলাম নামের এক যাত্রী আবুধাবি থেকে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে রবিবার সকাল ৭টায় চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। এ সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাস্টমস গোয়েন্দা কর্মকর্তারা গ্রিন চ্যানেলে সতর্ক অবস্থান নেন।
কামরুল ১০০ গ্রাম স্বর্ণালংকার সঙ্গে থাকার ঘোষণা দেন এবং অতিরিক্ত কোনো সোনা থাকার কথা অস্বীকার করেন। পরে অন্যান্য সংস্থার কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে তার ব্যাগ তল্লাশি করে ফ্রাইং প্যান ও সবজি কাটার গ্রেটারের ভেতরে লুকানো চারটি সোনার বার উদ্ধার করা হয়, যার ওজন ৪৬৬ গ্রাম।
ঘোষিত ১০০ গ্রাম স্বর্ণালংকারসহ মোট ৫৬৬ গ্রাম সোনা জব্দ করা হয়। শুল্ক, করসহ এর আনুমানিক মূল্য প্রায় ১ কোটি টাকা বলে জানিয়েছে সিআইআইডি।
অন্যদিকে একই দিন সন্ধ্যায় মোহাম্মদ সোলায়মান ও জোবায়েদ আহমেদ নামের দুই যাত্রী ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে মালদ্বীপ থেকে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান।
দুই যাত্রীর মলদ্বার থেকে সোনার পেস্টভর্তি ডিম্বাকৃতির ছয়টি বস্তু উদ্ধার করেন কর্মকর্তারা, যার মোট ওজন দুই কেজি ৭৩৪ গ্রাম। এগুলোর আনুমানিক মূল্য প্রায় চার কোটি টাকা বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
এ ঘটনায় মামলা হয়েছে এবং পেস্টের প্রকৃত সোনার পরিমাণ ও মূল্য জানতে উপযুক্ত পরীক্ষা করা হবে বলে জানিয়েছে সিআইআইডি।
গোপন তথ্য, নিবিড় নজরদারি ও ঝুঁকিভিত্তিক যাত্রী তল্লাশির মাধ্যমে সোনা চোরাচালানবিরোধী অভিযান অব্যাহত রাখা হবে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।