পাবনার ঈশ্বরদীতে নির্বাচনী প্রচারণাকালে বিএনপি নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণের ওপর জামায়াতে ইসলামী সমর্থকদের পরিকল্পিত হামলার নিন্দা জানিয়েছে বিএনপি।
শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) এক বিবৃতিতে দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, বৃহস্পতিবার বিকেলে সশস্ত্র জামায়াত কর্মীরা বিএনপির নির্বাচনী মিছিলে হামলা চালায়। এতে বিএনপির ৫০ জনের বেশি নেতাকর্মী আহত হয়েছেন এবং হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
বিবৃতিতে অভিযোগ করা হয়, পাবনা-৪ (ঈশ্বরদী-আটঘরিয়া) আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী আবু তালেব মণ্ডল নিজেই হামলার নেতৃত্ব দেন। তারা ভোটারদের ধর্মীয় উসকানি ও বিতর্কিত কৌশল—যেমন ‘জান্নাতের টিকিট বিক্রি’—ব্যবহার করে প্রচারণা চালাচ্ছিলেন। স্থানীয়রা প্রতিবাদ করলে তাদেরও মারধর করা হয়। পরে শান্তিপূর্ণভাবে প্রচারণা চালানো বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপরও অতর্কিতে হামলা হয়।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, দৈনিক মানবজমিনে প্রকাশিত একটি ছবিতে জামায়াত কর্মী তুষারকে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে হামলা চালাতে দেখা গেছে। এ ঘটনার সত্যতা আড়াল করতে কিছু গণমাধ্যম বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রচার করছে বলে দাবি করেছে বিএনপি।
দলটি বলেছে, এ হামলা জামায়াতে ইসলামী’র উগ্র প্রবণতা ও চরমপন্থী চরিত্রকে উন্মোচিত করেছে। লাখো সমর্থক থাকা সত্ত্বেও বিএনপি সংঘাত এড়িয়ে শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক চর্চায় অটল রয়েছে।
‘সংযমকে দুর্বলতা মনে করা ঠিক হবে না,’ বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
বিএনপি দাবি করেছে, ঘটনা তদন্তে দ্রুত সরকারি উদ্যোগ ও দোষীদের শনাক্ত করে বিচারের আওতায় আনা হোক এবং আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করা হোক।
এর আগে বৃহস্পতিবার ঈশ্বরদীর সাহাপুর ইউনিয়নের চর গোরগরি এলাকায় বিএনপি ও জামায়াত কর্মীদের মধ্যে একাধিকবার সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।