ট্রেন
ডুবে আছে রেল সড়ক, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে সব ট্রেনের যাত্রা বাতিল
চট্টগ্রামে টানা বৃষ্টি, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া ও পাহাড়ি ঢলের কারণে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেলপথের একাংশ পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ায় কক্সবাজারগামী ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েন ট্রেনে থাকা শিশু-বৃদ্ধসহ অন্য যাত্রীরা।
বুধবার (৮ জুলাই) চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেলপথের জানআলীহাট ও ষোলোশহর স্টেশনের মধ্যবর্তী সেকশনে রেললাইন প্রায় দুই ফুট পানির নিচে ডুবে আছে বলে জানান বাংলাদেশ রেলওয়ের জনসংযোগ পরিচালক আনিসুর রহমান।
তিনি জানান, নিরাপত্তার স্বার্থে ওই পথে ট্রেন চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।
এর আগে, গতকাল (মঙ্গলবার) ১১ ঘণ্টা আটকে থাকার পর রাত ১১টায় কক্সবাজারগামী পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রা বাতিল করে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।
রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, ৮০০ যাত্রী নিয়ে ঢাকার কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে ভোর ৬টা ১৫ মিনিটে যাত্রা শুরু করে বিকেল পৌনে ৩টায় কক্সবাজার পৌঁছানোর কথা ছিল পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেনের। এর মধ্যে চট্টগ্রামের ষোলশহর স্টেশনের কাছে দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে আটকে পড়ে ট্রেনটি। অতিবৃষ্টির কারণে চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্থানে রেললাইন ডুবে যাওয়ায় ট্রেনটি আটকে পড়ে। ট্রেনটি প্রথমে মুরাদপুর সুন্নিয়া মাদরাসার সামনে আটকে থাকলেও পরে সেখান থেকে সরিয়ে ষোলশহর রেলওয়ে স্টেশনের সামনে নিয়ে যাওয়া হয়।
রেলওয়ের চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা ফারহান মাহমুদ বলেন, ‘রেললাইনের ওপর প্রায় ২০ ইঞ্চি পানি জমে আছে। পানি অন্তত ৬ ইঞ্চিতে না নামলে ট্রেনের ইঞ্জিন চালানো সম্ভব নয়।’
তবে বাতিল হওয়া এসব ট্রেনের যাত্রীদের টিকিটের টাকা ফেরত দেওয়া হচ্ছে বলে রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
এই রেলপথে প্রতিদিন চার জোড়া ট্রেন চলাচল করে। এর মধ্যে দুই জোড়া চট্টগ্রাম থেকে এবং দুই জোড়া ঢাকা থেকে কক্সবাজারে যাওয়া-আসা করে।
নগরীর ষোলশহর রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার আরিফুল ইসলাম বলেন, ‘রেললাইন ডুবে যাওয়ায় আজ সকাল থেকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে কোনো ট্রেন চলাচল করেনি। এখনও রেললাইনে পানি জমে আছে। পানি সরে গেলে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হবে।’
১ দিন আগে
কুড়িগ্রামে রেললাইনে উল্টে পড়ল বালুভর্তি ট্রাক, ট্রেন চলাচল বন্ধ
কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি বালুভর্তি ট্রাক রেললাইনের ওপর উল্টে পড়ায় কুড়িগ্রামের সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে গেছে। এতে কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস ও রমনা কমিউটার ট্রেনের চলাচল ব্যাহত হয়। আকস্মিক এ ঘটনায় শত শত যাত্রী ভোগান্তিতে পড়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) ভোর থেকে সকাল সাড়ে ৬টার মধ্যে উপজেলার রাজারহাট-তিস্তা আঞ্চলিক সড়কের পেট্রোল পাম্প-সংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বালুভর্তি ট্রাকটি রাজারহাট-তিস্তা আঞ্চলিক সড়ক দিয়ে যাওয়ার সময় চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। এ সময় ট্রাকটি সড়ক থেকে ছিটকে পাশের রেললাইনের ওপর উল্টে পড়ে। এতে রেলপথ সম্পূর্ণভাবে অবরুদ্ধ হয়ে যায়। দুর্ঘটনার পর নিরাপত্তার স্বার্থে কুড়িগ্রাম-তিস্তা রুটে ট্রেন চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।
রেললাইন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় নির্ধারিত সময়ে কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস কুড়িগ্রাম স্টেশনে পৌঁছাতে পারেনি। ফলে ঢাকাগামী যাত্রীদের অনেককে বিকল্প উপায়ে তিস্তা রেলওয়ে স্টেশনে যেতে দেখা যায়। যাত্রীদের কেউ অটোরিকশায়, কেউ বাসে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা দেন।
ঢাকাগামী যাত্রী রুবেল মিয়া বলেন, ‘সকালে যথাসময়ে কুড়িগ্রাম স্টেশনে এসে জানতে পারি কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস আসবে না। পরে বাধ্য হয়ে অটোরিকশায় তিস্তা স্টেশনের উদ্দেশে রওনা দিই। আমার মতো শত শত যাত্রী দুর্ভোগে পড়েছেন।’
রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কুড়িগ্রাম স্টেশন থেকে সকাল সোয়া ৭টার দিকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়ার কথা ছিল কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেসের। কিন্তু রেললাইন অবরুদ্ধ থাকায় ট্রেনটি কুড়িগ্রাম স্টেশনে পৌঁছাতে পারেনি। একই কারণে রমনা কমিউটার ট্রেনের চলাচলও ব্যাহত হয়েছে।
খবর পেয়ে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ, স্থানীয় প্রশাসন ও উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে ট্রাকটি অপসারণ এবং রেলপথ সচল করার কাজ শুরু করে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে ট্রাকটি সরিয়ে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিষয়টি নিশ্চিত করে কুড়িগ্রাম রেলওয়ে স্টেশনের ইনচার্জ কনিকা আক্তার বলেন, ‘বালুভর্তি একটি ট্রাক রেললাইনের ওপর উল্টে পড়ে লাইন ব্লক হয়ে গেছে। ট্রাকটি সরানোর কাজ চলছে। তবে ঠিক কখন ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হবে, তা এই মুহূর্তে বলা যাচ্ছে না।’
রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানায়, ট্রাকটি অপসারণের পর রেললাইন পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে নিরাপদ ঘোষণা করা হলে পুনরায় ট্রেন চলাচল শুরু হবে।
২১ দিন আগে
সিলেটে চলন্ত ট্রেনে আগুন, বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেলেন যাত্রীরা
সিলেট থেকে ছেড়ে যাওয়া চট্টগ্রাম অভিমুখী আন্তঃনগর ‘উদয়ন এক্সপ্রেস’ ট্রেনে আগুন লেগেছে। তবে অল্পের জন্য বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছেন ট্রেনের যাত্রীরা।
বুধবার (১৩ মে) রাত ১০টায় সিলেট স্টেশন ছেড়ে যাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
সিলেট রেলওয়ে স্টেশন ব্যবস্থাপক মো. নুরুল ইসলাম জানান, ট্রেনটি সিলেট স্টেশন থেকে দক্ষিণ সুরমার শিববাড়ি পারাইরচক এলাকায় যাওয়ার পর ইঞ্জিনে ধোঁয়া ও আগুনের ফুলকি দেখা যায়। বিপদ আঁচ করতে পেরে চালক তাৎক্ষণিকভাবে ট্রেনটি থামিয়ে দেন। আগুন লাগার পর ট্রেনের যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লে অনেকে ট্রেন থেকে লাফিয়ে পড়ার চেষ্টা করেন। অবশ্য তাৎক্ষণিকভাবে চালক ট্রেনটি থামিয়ে দিলে যাত্রীদের অনেকে ট্রেন থেকে নেমে পড়েন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকে জানান, চলন্ত ট্রেনের ইঞ্জিনের বগি থেকে হঠাৎ ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। কিছুক্ষণের মধ্যেই আগুনের শিখা ছড়িয়ে পড়ে। এতে যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দেয়। অনেক যাত্রী দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার চেষ্টা করেন।
খবর পেয়ে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা সেখানে পৌঁছে পুরোপুরি আগুন নিয়ন্ত্রণে এনে ট্রেনটিকে নিরাপদ করেন।
স্থানীয়রা বলেন, তাৎক্ষণিকভাবে আগুন নেভানোর জন্য বড় ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ায় ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়েছে। টোকাইদের একটি বস্তা ইঞ্জিনের বগির ওপরে রাখায় সেখান থেকে আগুনের সূত্রপাত বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সিলেট ফায়ার সার্ভিসের ওয়্যারহাউজ ইনসপেক্টর টিটব শিকদার জানান, ট্রেনটির ইঞ্জিনের সাইলেন্সারের কাছে ভুলবশত কিছু কাপড় শুকাতে দেওয়া হয়েছিল। ইঞ্জিন কিছুক্ষণ চলার পর সাইলেন্সার অতিরিক্ত গরম হয়ে কাপড়ে আগুন লাগে। আমাদের তিনটি ইউনিটসহ সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রায় ২০ মিনিট পর ট্রেনটি পুনরায় গন্তব্যের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে। আগুনের কারণে ইঞ্জিনের কোনো বড় ধরনের ক্ষতি হয়নি বলেও জানায় রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।
৫৬ দিন আগে
ইঞ্জিনে ত্রুটি, ৬ ঘণ্টা পর ফেনী ছাড়ল চট্টলা এক্সপ্রেস
ইঞ্জিনে ক্রুটির কারণে ফেনীর প্ল্যাটফর্মে প্রায় ছয় ঘণ্টা ধরে আটকে থাকার পর চট্টলা এক্সপ্রেস ট্রেনটি ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে গেছে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুর ২টার দিকে ট্রেনটি রাজধানীর দিকে রওয়ানা হয়। এর আগে, সকাল ৮টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেললাইনের ফেনী স্টেশনে ট্রেনটি পৌঁছালে ইঞ্জিনে ত্রুটি দেখা দেয়। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েন ট্রেনের সাত শতাধিক যাত্রী।
রেলওয়ে কর্মকর্তা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে চলাচলকারী ঢাকাগামী চট্টলা এক্সপ্রেস ট্রেনের ইঞ্জিনে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেওয়ায় ফেনী রেলস্টেশনে ট্রেনটি আটকা পড়েছে। ট্রেনটির ইঞ্জিনের ট্যাবলেট কভার থেকে হঠাৎ ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। পরে ত্রুটি শনাক্ত ও সমাধানের চেষ্টা করতে গেলে সহকারী লোকোমাস্টার মোহাম্মদ কাওসার ধোঁয়ায় আহত হন। তাৎক্ষণিকভাবে সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে ফেনী সদর হাসপাতালে নিয়ে যান।
তবে ইঞ্জিনের যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ট্রেনটি স্টেশনে আটকে থাকায় যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হওয়ায় অনেক যাত্রীকে স্টেশনে নেমে বিকল্প পরিবহনের খোঁজ করতে দেখা গেছে। তবে কালবৈশাখী ঝড় ও ভারী বৃষ্টিপাত হওয়ায় চরম বিপাকে পড়েছেন যাত্রীরা।
ফেনী রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন মাস্টার মোহাম্মদ হারুন বলেন, ফেনী থেকে যেসব যাত্রীর এই ট্রেনে ওঠার কথা ছিল, তাদের অনেকে টিকিট ফেরত দিয়ে বিকল্প পরিবহনে গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। তবে ট্রেনটি প্ল্যাটফর্মে আটকে থাকলেও পাশের দুটি লাইন সচল থাকায় অন্য ট্রেন চলাচলে কোনো বিঘ্ন ঘটেনি।
৭২ দিন আগে
হবিগঞ্জে তেলবাহী ট্রেন দুর্ঘটনার পর ১০০০ লিটার ডিজেল উদ্ধার
হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুরে মালবাহী ট্রেন দুর্ঘটনার পর সেখান থেকে ১ হাজার লিটার ডিজেল উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। পাশাপাশি দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, সরকারি সম্পদ সুরক্ষা এবং উদ্ধার তৎপরতায় কার্যকর ভূমিকা পালন করেছে বাহিনীটি।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) বিজিবি হবিগঞ্জ ৫৫ ব্যাটালিয়নের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দুর্ঘটনার সংবাদ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নিকটস্থ মনতলা বিওপি থেকে বিজিবির একটি উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে তেল লুটপাটের অপচেষ্টা প্রতিরোধ করে এবং সরকারি সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। পরবর্তীতে ঘটনাস্থলে এক প্লাটুন বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়, যারা বর্তমানে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি চলমান উদ্ধার কার্যক্রমে বেসামরিক প্রশাসনকে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করেছে।
বর্তমানে ঘটনাস্থলে বেসামরিক প্রশাসনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ এবং সংশ্লিষ্ট উদ্ধারকারী দলগুলোর সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে দায়িত্ব পালন করছে বিজিবি। এ সমন্বিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বিজিবি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, সরকারি সম্পদ রক্ষা, জ্বালানি তেল উদ্ধারে সহায়তা, জনসমাগম নিয়ন্ত্রণ, উদ্ধার কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখা এবং রেলযোগাযোগ পুনর্প্রতিষ্ঠায় কার্যকর সহযোগিতা প্রদান করেছে বলে জানানো হয় সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে।
উল্লেখ্য, হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার শাহপুর এলাকায় গতকাল (বুধবার) রাত পৌনে ১০টার দিকে তেলবাহী একটি ট্রেনের পাঁচটি বগি লাইনচ্যুত হয়ে যায়। এর মধ্যে একটি বগি পাশের খাদে পড়ে যায়।
মনতলা স্টেশন মাস্টার আতাউর রহমান খাদেম জানান, লাইনচ্যুত পাঁচটি বগির মধ্যে ইতোমধ্যে দুটি উদ্ধার করা হয়েছে। বাকি বগিগুলো উদ্ধারে কাজ চলছে।
৯৮ দিন আগে
১৭ ঘণ্টা পর সিলেটের সঙ্গে রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক
জ্বালানি তেলবাহী ট্রেন লাইনচ্যুত হওয়ার ঘটনায় ১৭ ঘণ্টার বেশি সময় বন্ধ থাকার পর সিলেটের সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ পুনঃস্থাপিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) বিকেল সোয়া ৩টার দিকে ক্ষতিগ্রস্ত লাইন মেরামত ও উদ্ধারকাজ শেষ হলে ধাপে ধাপে ট্রেন চলাচল শুরু হয়।
নোয়াপাড়া স্টেশন মাস্টার মো. মনির হোসেন জানান, ‘বেলা সোয়া ৩টার দিকে মেরামত ও উদ্ধার কাজ শেষ হয়েছে। তার কিছুক্ষণ পর থেকেই ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে।’
গতকাল (বুধবার) রাতের এ দুর্ঘটনার পর চট্টগ্রামগামী উদয়ন এক্সপ্রেস, ঢাকাগামী উপবন এক্সপ্রেস ও সিলেটগামী পাহাড়িকা এক্সপ্রেসের নির্ধারিত যাত্রা বাতিল করা হয়।
দীর্ঘ সময় রেল যোগাযোগ বন্ধ থাকায় বিভিন্ন স্টেশনে একাধিক ট্রেন আটকা পড়ে এবং যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৬টায় ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা পারাবত এক্সপ্রেস মাধবপুর উপজেলার হরষপুর স্টেশনে অবস্থান নেয়। একই সময়ের কাছাকাছি সিলেট থেকে ছেড়ে আসা কালনী এক্সপ্রেস শায়েস্তাগঞ্জ রেল জংশনে এবং সকাল সাড়ে ১০টার পাহাড়িকা এক্সপ্রেস শমসেরনগরে আটকা পড়ে বলে জানান শায়েস্তাগঞ্জ স্টেশন মাস্টার লিটন দাস।
রেলওয়ে সূত্র জানায়, বুধবার রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে মাধবপুর উপজেলার মনতলা স্টেশন পার হয়ে সাহাপুর এলাকায় সিলেটগামী ৯৫১ নম্বর তেলবাহী ট্রেনের পাঁচটি ওয়াগন ও একটি গার্ডব্রেক লাইনচ্যুত হয়। প্রতিটি ওয়াগনে প্রায় ৪০ হাজার লিটার করে জ্বালানি তেল থাকায় মোট প্রায় ২ লাখ লিটার তেল পরিবহন করা হচ্ছিল বলে জানান ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপক এ বি এম কামরুজ্জামান।
দুর্ঘটনার ফলে সিলেটের সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। এরপর বিকেল ৩টা ১৫ মিনিটে ক্ষতিগ্রস্ত লাইন মেরামত শেষে বিভিন্ন স্টেশনে আটকা পড়া ট্রেনগুলো ছেড়ে দেওয়া শুরু হয় বলে নিশ্চিত করেছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।
এ ঘটনায় কারণ অনুসন্ধানে পাঁচ সদস্যের একটি বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
৯৮ দিন আগে
ট্রেন লাইনচ্যুত: সিলেটের সঙ্গে সারাদেশের রেলযোগাযোগ বন্ধ
হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার শাহপুর এলাকায় তেলবাহী একটি ট্রেনের পাঁচটি বগি লাইনচ্যুত হওয়ায় প্রায় ১২ ঘণ্টা ধরে সিলেটের সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।
বুধবার (১ এপ্রিল) রাত পৌনে ১০টার দিকে ঢাকা-সিলেট রেলপথে এ দুর্ঘটনা ঘটে। তবে এতে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
আজ (বৃহস্পতিবার) সকাল ১০টা পর্যন্ত ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়নি বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
মনতলা স্টেশন মাস্টার আতাউর রহমান খাদেম জানান, লাইনচ্যুত পাঁচটি বগির মধ্যে ইতোমধ্যে দুটি উদ্ধার করা হয়েছে। বাকি বগিগুলো উদ্ধারে কাজ চলছে। তিনি আরও বলেন, পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে আরও সময় লাগতে পারে।
রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রাম থেকে সিলেটগামী ৯৫১ নম্বর তেলবাহী ট্রেনটি মনতলা স্টেশন অতিক্রমের সময় পাঁচটি বগি লাইনচ্যুত হয়। এর মধ্যে একটি বগি পাশের খাদে পড়ে যায়।
স্থানীয়রা জানান, বিকট শব্দে ট্রেনটি লাইনচ্যুত হলে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে ভিড় করেন। এ সময় কিছু লোক বগি থেকে তেল লুটের চেষ্টা করলে খবর পেয়ে বিজিবিসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
বিজিবি হবিগঞ্জ ৫৫ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তানজিলুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তেল লুটপাট বন্ধ করি। ঘটনাস্থল থেকে প্রায় এক হাজার লিটার তেল উদ্ধার করা হয়েছে। ফায়ার সার্ভিসসহ সংশ্লিষ্টরা উদ্ধার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে জংশনের স্টেশন মাস্টার লিটন কুমার চন্দ্র দেব বলেন, উদ্ধার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। সকাল ৮টা পর্যন্ত দুটি বগি উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। বর্তমানে সিলেটের সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।
৯৮ দিন আগে
চট্টগ্রামে চলন্ত ট্রেনের বগিতে আগুন, অল্পের জন্য রক্ষা পেল যাত্রীরা
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারীতে চলন্ত চট্টলা এক্সপ্রেস ট্রেনের বগিতে অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। এতে ট্রেনটির অন্তত ৩টি বগি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে আগুন টের পেয়ে দ্রুত যাত্রীরা নেমে যাওয়ায় কোন প্রাণহানি ঘটেনি। এই দুর্ঘটনার ফলে ঢাকা ও সিলেটের সঙ্গে চট্টগ্রামের ট্রেন যোগাযোগ সাময়িকভাবে ব্যাহত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ভাটিয়ারীর বাংলাদেশ মিলিটারি (বিএমএ) গেটসংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
ট্রেনে আগুন লাগার খবর পেয়ে সীতাকুণ্ডের কুমিরা ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল ৭টার দিকে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে আসা যাত্রীবাহী ট্রেনটি ভাটিয়ারী রেল স্টেশনের কাছাকাছি পৌঁছালে হঠাৎ ট্রেনটির বগিতে আগুনের সৃষ্টি হয়। চট্টলা এক্সপ্রেসের ইঞ্জিন ও ৩টি বগিতে আগুন লাগে। আগুন লাগার পর যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সে সময় ট্রেন ধীরে চলার কারণে তারা দ্রুত নেমে যান। এ ঘটনায় হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। তবে ৩টি বগি পুরোপুরি এবং একটি বগির আংশিক ক্ষতি হয়েছে।
এ বিষয়ে কুমিরা ফায়ার সার্ভিসের সাব স্টেশন কর্মকর্তা আহসান আলী বলেন, চট্টলা এক্সপ্রেস ট্রেনের পাওয়ার কার ও একটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (এসি) বগিতে আগুন লেগেছে। আগুন এখন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে। এ ঘটনায় হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ট্রেনের পাওয়ার কার (বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী বগি) থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে পাশে এসি বগিতে ছড়িয়ে পড়ে।
এই দুর্ঘটনার ফলে ঢাকা ও সিলেটের সঙ্গে চট্টগ্রামমুখী ট্রেন চলাচল সাময়িকভাবে ব্যাহত হয়েছে। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।
১০৫ দিন আগে
সান্তাহারে ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, ঢাকা-উত্তরবঙ্গ রেল যোগাযোগ বন্ধ
ঢাকা থেকে নীলফামারী যাওয়ার পথে বগুড়ার সান্তাহারে নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের নয়টি বগি লাইনচ্যুত হয়েছে। এ দুর্ঘটনায় উত্তরবঙ্গের সঙ্গে ঢাকার রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে।
বুধবার (১৮ মার্চ) দুপুর আড়াইটার দিকে বগুড়ার বাগমারার আদমদীঘি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সাংবাদিক উজ্জল হোসেন ইউএনবিকে জানিয়েছেন, ঢাকা থেকে নীলফামারী যাওয়ার পথে নীলসাগর এক্সপ্রেস নামের ট্রেনটি সান্তাহার রেলওয়ে জংশন পার হয়ে দুপুর আড়াইটার দিকে বগুড়া জেলার আদমদীঘি উপজেলার ছাতিয়ান গ্রাম নামক স্থানে পৌঁছালে ট্রেনটির ৯টি বগি লাইনচ্যুত হয়। এ ঘটনায় ট্রেনের বহু যাত্রী আহত হয়েছেন।
এ দুর্ঘটনায় কেউ নিহত হয়েছেন কি না, তাৎক্ষণিকভাবে তা নিশ্চিত করতে পারেননি উজ্জল হোসেন।
সান্তাহার রেলওয়ে জংশনের স্টেশন মাস্টার খাদিজা খাতুন কহিনুর বলেন, সান্তাহার স্টেশন থেকে ছেড়ে যাওয়ার কিছু সময় পরই ট্রেনটি লাইনচ্যুত হয়। এখন পর্যন্ত কারও মৃত্যুর সংবাদ পাওয়া যায়নি। তবে ট্রেনের ছাদে অনেক মানুষ থাকায় নিচে পড়ে অনেকে আহত হয়েছেন।
বগিগুলো উদ্ধারের জন্য কাজ চলছে বলে জানান তিনি।
১১৩ দিন আগে
এক ট্রেনেই চলছে ঢাকা–নড়াইল–খুলনা ও ঢাকা–নড়াইল–বেনাপোল রুট, ট্রেন বাড়ানোর দাবি
একটি মাত্র ট্রেন দিয়ে চলছে ঢাকা–নড়াইল–খুলনা ও ঢাকা–নড়াইল–বেনাপোল রেলপথের যাত্রীসেবা। একই ট্রেন ভিন্ন সময়ে ভিন্ন নামে চলাচল করায় দিনে নির্দিষ্ট সময় ছাড়া যাতায়াতের সুযোগ নেই। ফলে যাত্রীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। এ কারণে ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের আওতায় প্রথমবারের মতো রেলপথের সঙ্গে যুক্ত হয় নড়াইল জেলা। ২০২৪ সালের ২৪ ডিসেম্বর এই রুটে আনুষ্ঠানিকভাবে ট্রেন চলাচল শুরু হয়। বর্তমানে একটি মাত্র ট্রেন ‘রূপসী বাংলা’ ও ‘জাহানাবাদ’—এই দুই নামে ঢাকা থেকে যশোরের বেনাপোল এবং খুলনা রুটে চলাচল করছে।
‘জাহানাবাদ এক্সপ্রেস’ নামে ট্রেনটি সকাল ৬টায় খুলনা থেকে ছেড়ে সকাল সোয়া ৭টায় নড়াইলে পৌঁছায়। একই ট্রেন বেনাপোল থেকে ‘রূপসী বাংলা’ নামে বিকেল ৩টায় ছেড়ে নড়াইলে আসে বিকেল পৌনে ৫টায়। নড়াইল থেকে প্রায় আড়াই ঘণ্টায় ঢাকার কমলাপুর রেলস্টেশনে পৌঁছানো যায়। তবে রাতে রাজধানীতে যাওয়ার কোনো ট্রেন না থাকায় অনেক যাত্রীকে পরদিন সকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়।
রেলযাত্রী রেজাউল করিম বলেন, ‘নড়াইল থেকে স্বল্প সময়ে ঢাকায় যাতায়াতের সবচেয়ে আরামদায়ক মাধ্যম এখন রেলপথ। কিন্তু সকাল ও বিকেল ছাড়া অন্য সময়ে ট্রেনে যাওয়ার সুযোগ নেই। তাই দ্রুত ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানো প্রয়োজন।’
আরেক যাত্রী আ. আল-মারজান বলেন, ‘কয়েক হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে এই রেলপথ নির্মাণ করা হয়েছে। এতে যোগাযোগের সুবিধা হয়েছে ঠিকই, তবে মাত্র একটি ট্রেন দুটি নামে চলায় আমরা পুরো সুবিধা পাচ্ছি না। নতুন সরকার এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেবে বলে আশা করছি।’
আমেনা বেগম বলেন, ‘রেল চালু হওয়ায় অনেক সুবিধা হয়েছে। সকালে নড়াইল থেকে ঢাকায় গিয়ে অফিস করতে পারি, আবার রাতে বাড়ি ফিরি। তবে ট্রেনের সংখ্যা বাড়লে যাতায়াত আরও সহজ হবে।’
নড়াইল রেলস্টেশনের স্টেশন মাস্টার উজ্জ্বল বিশ্বাস জানান, ২০২৪ সালের ২৪ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে ট্রেন চলাচল শুরু হয়। ট্রেন চালুর ফলে এ অঞ্চলের মানুষের আর্থসামাজিক উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে। ভবিষ্যতে ট্রেনের সংখ্যা বাড়তে পারে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
বুধবার (১১ মার্চ) সকালে নড়াইলের জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ আবদুল ছালাম বলেন, ‘ঢাকা–নড়াইল–খুলনা রুটে ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানোর জন্য রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে।’
নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আতাউর রহমান বাচ্চু বলেন, ‘নড়াইলবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হয়েছে ট্রেন চালুর মাধ্যমে। তবে চাহিদা অনুযায়ী রেলসেবা এখনও পাওয়া যাচ্ছে না। দ্রুত ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানোর বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।’
পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলকে রেলওয়ে নেটওয়ার্কের আওতায় আনা হয়েছে। ২০২৪ সালে প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন হয়। পদ্মা সেতুর ওপর দিয়ে রেললাইন নির্মাণসহ পুরো প্রকল্পে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৩৯ হাজার ২৪৬ কোটি টাকা। এর মধ্যে বাংলাদেশ সরকার অর্থায়ন করেছে ১৮ হাজার ২১০ কোটি টাকা এবং বাকি ২১ হাজার ৩৬ কোটি টাকা দিয়েছে চীন।
১১৮ দিন আগে