দখলমুক্ত
প্রাণ ফিরে পেল দাগনভূঞার দাদনার খাল
দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় ময়লা-আবর্জনায় ভরাট হয়ে পানি প্রবাহহীন হয়ে পড়া দাগনভূঞার দাদনার খাল অবশেষে দখল ও দূষণমুক্ত হয়ে নতুন প্রাণ ফিরে পেয়েছে। সম্প্রতি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের মাধ্যমে খালটিতে আবারও স্বচ্ছ পানির প্রবাহ দেখা দিয়েছে, যা স্থানীয়দের মাঝে স্বস্তি ও আশার সঞ্চার করেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ময়লার স্তুপ জমে থাকায় খালটির পানি চলাচল বন্ধ ছিল। সুযোগ নিয়ে একটি প্রভাবশালী মহল খালের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ দখল করে নেয়। চলতি বছরে উপজেলা ও পৌর প্রশাসন খালটি দখলমুক্ত করলেও ময়লার স্তূপের কারণে সেটি কার্যত ‘মৃত’ অবস্থায় পড়ে ছিল।
নির্বাচনের আগে বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টুর ছেলে তাজওয়ার এম আউয়াল খালটি পরিষ্কারের উদ্যোগ নেন এবং ‘ফুটস্টেপ’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানকে অনুরোধ করেন কাজটি করার জন্য। প্রতিষ্ঠানটি কাজ শুরু করলেও নির্বাচনি আচরণবিধির কারণে উপজেলা প্রশাসন সাময়িকভাবে কাজ স্থগিত করে। সে সময় তাজওয়ার আউয়াল নির্বাচনের পর খালটি পরিষ্কার করার প্রতিশ্রুতি দেন।
নির্বাচন শেষ হওয়ার পরপরই ফুটস্টেপ টিম টানা পাঁচ দিনের পরিশ্রমে ময়লা অপসারণ করে খালটিকে পরিষ্কার করে। ফলে দখল ও দূষণে ভরাট হয়ে থাকা দাদনার খালে আবারও স্বচ্ছ পানির প্রবাহ শুরু হয়েছে।
দাগনভূঞা বাজার ব্যবসায়ী ও পৌর এলাকার বাসিন্দা আজমুল হক সুমন এ খাল পরিষ্কার করায় তাজওয়ার আউয়ালকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, এ খাল ভরাট থাকার কারণে বর্ষাকালে দাগনভূঞা পৌর এলাকায় পানি জমাট বেঁধে থাকত। বাজারের পানি নিষ্কাশনেও দীর্ঘ সময় লাগত। যার কারণে পৌর এলাকার বাসিন্দা ও বিশেষ করে ফাজিলেরঘাট রোডের ব্যবসায়ীরা পানিবন্দি থাকতে হতো দীর্ঘ সময় ধরে। এ খাল পরিষ্কারের ফলে আমরা এ ভোগান্তি থেকে মুক্তি পাব। আশা করি, এ খাল যেভাবে তার প্রাণ ফিরে পেয়েছে, তা আর কখনও ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হবেনা এবং দখল হবেনা—সেদিকে মন্ত্রী মহোদয়ের সুদৃষ্টি থাকবে।
দাগনভূঞা বাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন লিটন বলেন, বাজার ব্যবসায়ীদের দীর্ঘ দিনের প্রাণের দাবী ছিল দাদনার খাল দখল ও দূষণমুক্ত করা। উপজেলা প্রশাসন দখলমুক্ত করলেও খালটি মৃত অবস্থায় ছিল। আর এ মৃত খালকে প্রাণ ফিরিয়ে দেওয়ায় তাজওয়ার এম আউয়ালকে দাগনভূঞা বাজার ব্যবসায়ী ও পৌরবাসীর পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা জানাই। একইসঙ্গে আমাদের দাবী থাকবে, ভবিষ্যতে কোনো প্রভাবশালী মহল যেন এ খাল দখল করতে না পারে, খাল পরিষ্কারের কাজ যেন চলমান থাকে। এছাড়া আমরা মন্ত্রী মহোদয়ের কাছে আরও একটা দাবী জানাচ্ছি যে, এ খালকে যেন পুরোপুরি সংস্কার করে একটি সুন্দর লেক ও খালেরপাড়ে ওয়াকওয়ে করে দেন।
খাল পরিষ্কার প্রসঙ্গে তাজওয়ার এম আউয়াল বলেন, আমি যখন দাগনভূঞা বাজার যাই তখন ময়লাভর্তি খালটি আমার নজরে আসে। তখন সঙ্গে সঙ্গে আমি রাজধানীর ফুটস্টেপ নামক একটি প্রতিষ্ঠানকে ফোনে অনুরোধ করি খালটি পরিষ্কারের জন্য। তারা আমার অনুরোধে খাল পরিষ্কারের কাজ শুরু করেন। কিন্তু নির্বাচনের পূর্বে হওয়ায় সহকারী রির্টানিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আচরণবিধি সংক্রান্ত কারণ দেখিয়ে কাজ স্থগিত রাখতে বলেন। কাজ বন্ধ হওয়ায় সবাই হতাশ হয়ে পড়ে। তখন আমি বলেছিলাম, নির্বাচনের পরেই আমরা খালটি পরিষ্কার করে দেব। সে অনুযায়ী খাল পরিষ্কারের কাজ সম্পন্ন করি। ইনশাআল্লাহ, ভবিষ্যতেও এ ধরনের কাজ অব্যাহত থাকবে।
১ দিন আগে
যায়যায়দিন দখলমুক্ত ও ডিক্লারেশন ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি
সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের দিয়ে দৈনিক যায়যায়দিন পত্রিকার তেজগাঁও শিল্পাঞ্চলের প্রধান কার্যালয় দখল ও ঠুনকো অজুহাতে পত্রিকার ডিক্লারেশন বাতিলের অভিযোগ তুলেছেন যায়যায়দিন কর্তৃপক্ষ।
বুধবার (১২ মার্চ) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক কাজী রুকুনউদ্দীন আহমেদ এ অভিযোগ তুলেন। তিনি অবিলম্বে যায়যায়দিন অবৈধ দখলমুক্ত এবং পত্রিকার ডিক্লারেশন ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানান।
তিনি বলেন, ‘প্রবীণ সাংবাদিক শফিক রেহমানকে সামনে রেখে একটি চক্র সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের দিয়ে গত ১৫ ডিসেম্বর দৈনিক যায়যায়দিনের প্রধান কার্যালয় দখল করে। তারা সেখান থেকে অবৈধভাবে দৈনিক যায়যায়দিনের মূল লোগোর সঙ্গে হুবহু মিল রেখে ‘দৈনিক যায়যায়দিন প্রতিদিন’ নামের একটি পত্রিকা প্রকাশ করছে; যা আইনগতভাবে অবৈধ।’
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ‘২০০৭ সালে আর্থিক সংকটে পড়ে শফিক রেহমান দৈনিক যায়যায়দিন পাবলিকেসন্স-এর শেয়ার এইচআরসি গ্রুপের চেয়ারম্যান সাঈদ হোসেন চৌধুরীর কাছে বিক্রি করেন। ২০০৭ সালের ২৩ মার্চ ফরম-১১৭ এর মাধ্যমে শফিক রেহমান, তার স্ত্রী তালেয়া রহমান এবং ছেলে সুমিত রহমান তাদের যায়যায়দিন পাবলিকেসন্সের সব শেয়ার সাঈদ হোসেন চৌধুরী ও আবুল হাসান মো. আল ফারুক বরবার হস্তান্তর করেন। এর দুইদিন পর অর্থাৎ ২৫ মার্চ ২০০৭ তারিখ শফিক রেহমান ও তালেয়া রেহমান ফরম-১১৭ এর মাধ্যমে তাদের যায়যায়দিন প্রিন্টার্সের শেয়ার এইচআরসি মিডিয়া লিমিটেড এবং এইচআরসি বাংলাদেশ লিমিটেডের নামে হস্তান্তর করেন।’
শেয়ার হস্তান্তরসহ সব প্রক্রিয়া শেষে শফিক রেহমান ২০০৭ সালের ১৭ জুলাই অতিরিক্ত ঢাকা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে উপস্থিত হয়ে যায়যায়দিনের প্রকাশকের পদ থেকে পদত্যাগ করেন।
পরবর্তীতে ২০০৮ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি ঢাকার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে উপস্থিত হয়ে আবুল হাসান মো. আল-ফারুক যায়যায়দিনের প্রকাশকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তিনি ২০১১ সালের ৯ জুন পত্রিকার প্রকাশকের পদত্যাগের ঘোষণাপত্রের মাধ্যমে প্রকাশকের দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করেন। ২০১২ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি সাঈদ হোসেন চৌধুরী যায়যায়দিনের প্রকাশক ও মুদ্রাকরের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ওই সময় থেকে সাঈদ হোসেন চৌধুরী দৈনিক যায়যায়দিনের প্রকাশক ও মুদ্রাকর হিসেবে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, শফিক রেহমান ২০০৭ সালের ১৭ জুলাই দৈনিক ‘যায়যায়দিন’ পত্রিকার প্রকাশকের দায়িত্বভার থেকে পদত্যাগ করলেও ২০০৮ সালের ৬ মে পর্যন্ত বেতনভুক্ত সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৮ সালের ৫ মে তিনি স্বেচ্ছায় সম্পাদকের পদ থেকে পদত্যাগ করেন। ৬ মে যায়যায়দিন ও সমকালসহ একাধিক জাতীয় দৈনিকেও এ সংক্রান্ত খবর প্রকাশ পায়।
শফিক রেহমান পদত্যাগ করার পর শহীদুল হক খান এবং পরে বরুণ শংকর দৈনিক যায়যায়দিনের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।
পরবর্তীতে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের অনুমতিক্রমে ২০০৮ সালের ২৩ নভেম্বর কাজী রুকুনউদ্দীন আহমেদ যায়যায়দিনের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক হিসাবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। উল্লেখিত সময় থেকে তিনি নিষ্ঠার সঙ্গে ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
অথচ আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর সাঈদ হোসেন চৌধুরীর মালিকানাধীন দৈনিক যায়যায়দিন পত্রিকাটি দখল করে নিতে বেশকিছু দুস্কৃতকারী পত্রিকার প্রধান কার্যালয় তেজগাঁও শিল্পাঞ্চলের এইচআরসি মিডিয়া ভবনে কয়েক দফা হামলা চালায়। এ ব্যাপারে গত ২৪ অক্টোবর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করা হয়। গত ১৫ ডিসেম্বর সাংবাদিক শফিক রেহমানকে সামনে রেখে ওই চক্র সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের দিয়ে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চলের দৈনিক যায়যায়দিনের প্রধান কার্যালয় দখল করে নেয়।
এদিকে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চলে যায়যায়দিন কার্যালয় ও প্রেস বেদখল হওয়ার পর বিধি মোতাবেক ডিসি অফিসকে অবহিত করে অন্য প্রেস থেকে যায়যায়দিন পত্রিকা ছাপানোর ব্যবস্থা করা হয়। পর পর দুটি প্রেস পরিবর্তনের বিষয়টিও যথারীতি ডিসি অফিসকে জানানো হয়। কিন্তু ডিসি অফিস শফিক রহমানের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঠুনকো অজুহাতে ১০ ফেব্রুয়ারি যায়যায়দিন পত্রিকার ডিক্লারেশন বাতিল করে।
৩৫০ দিন আগে
গাজীপুরে ৬ একর বনভূমি দখলমুক্ত
গাজীপুরে অভিযান চালিয়ে ৬ একর বনভূমি দখলমুক্ত করেছে যৌথ বাহিনী।
এই অভিযানে কালিয়াকৈর রেঞ্জের অধীন চন্দ্রা বিটের বনভূমিতে ২০০ নির্মাণাধীন ও সদ্য নির্মিত ঘর-বাড়ি উচ্ছেদ করা হয়।
আরও পড়ুন: আড়িয়াল বিল দখলমুক্ত করতে কঠোর পদক্ষেপের নির্দেশ পানিসম্পদ উপদেষ্টার
গাজীপুর কালিয়াকৈর উপজেলার পূর্ব চান্দড়া মৌজায় এ অভিযান হয়।
বুধবার (২৩ অক্টোবর) এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
এ অভিযান পরিচালনার তত্ত্বাবধানে ছিলেন- জেলা প্রশাসন ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।
বন, বনভূমি, বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার স্বার্থে বন অপরাধ ও জবরদখল প্রতিরোধের নিমিত্তে শুরু হওয়া এ অভিযান চলমান থাকবে।
আরও পড়ুন: বনভূমি জবরদখলমুক্ত করে বনায়ন করছে সরকার: পরিবেশমন্ত্রী
৪৯০ দিন আগে
আড়িয়াল বিল দখলমুক্ত করতে কঠোর পদক্ষেপের নির্দেশ পানিসম্পদ উপদেষ্টার
আড়িয়াল বিল দখলমুক্ত করতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন পানিসম্পদ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর) আড়িয়াল বিল পরিদর্শনে গিয়ে এ কথা বলেন তিনি। এসময় গৃহায়ণ ও গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খানও তার সঙ্গে ছিলেন।
সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, ‘আবাসনের নামে যে জমি দখল হয়েছে তা উদ্ধার করতে হবে। আড়িয়াল বিলে কোনো ভূমিদস্যু ঢুকতে পারবে না। পুকুর ভরাট বন্ধ করতে হবে।’
ড্রেজার দিয়ে মাটি উত্তোলন বন্ধ করতে জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দেন তিনি।
আরও পড়ুন: দুর্যোগকালীন সময়ে যেন দুর্নীতি না হয় সে বিষয়ে স্থানীয় সরকার উপদেষ্টার সতর্কতা
এছাড়াও বিলের খালগুলো সংস্কার ও পুনর্খনন এবং অবৈধ ইটভাটা ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেন উপদেষ্টা।
তিনি বলেন, ‘যারা রাজনৈতিক ক্ষমতা ব্যবহার করে বিল দখল করেছিল তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শ্রীনগর, সিরাজদিখান, দোহার ও নবাবগঞ্জের চারটি উপজেলার মধ্যে দিয়ে বয়ে যাওয়া এই বিলটি দখলমুক্ত করে সংরক্ষণে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।’
গৃহায়ণ উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খানও দখলদারদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেন। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, বিলের জমিতে কোনো আবাসন গড়ে উঠতে দেওয়া হবে না এবং অবৈধ ভূমিদস্যুদের হাত থেকে বিলকে রক্ষা করতে হবে।
আরও পড়ুন: ত্রাণ উপদেষ্টার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্সের সাক্ষাৎ
এর আগে সকালে শ্রীনগর উপজেলা পরিষদে আড়িয়াল বিল সম্পর্কিত উপস্থাপনা ও ব্রিফিংয়ে অংশ নিয়ে সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্তাব্যক্তি ও স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কথা শোনেন সরকারের এই দুই উপদেষ্টা।
মতবিনিময় সভায় আরও ছিলেন- পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব নাজমুল আহসান, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক, জলাভূমি ও হাওর উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক, মুন্সিগঞ্জের জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারসহ বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি সংস্থা, সুশীল সমাজ ও শিক্ষার্থীরা।
আরও পড়ুন: চাঁদাবাজির ক্ষেত্রে এক দল চলে গেলে আরেক দল শূন্যস্থানে আসে: অর্থ উপদেষ্টা
৫৩৪ দিন আগে
লালকুঠির সামনে নদীর অববাহিকা দখলমুক্ত করতে উদ্যোগ গ্রহণ
ঐতিহাসিক লালকুঠি তথা নর্থব্রুক হলের সামনের নদীর অববাহিকা দখলমুক্ত করতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস বিআইডব্লিউটিএকে নির্দেশনা দিয়েছেন।
বুধবার (৩১ জানুয়ারি) দুপুরে লালকুঠিতে চলমান সংস্কার কার্যক্রম পরিদর্শনকালে উপস্থিত বিআইডব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যান কমডোর আরিফ আহমেদ মোস্তফাকে এই নির্দেশনা দেন মেয়র।
তিনি বলেন, আমি নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গেও কথা বলেছি। উনাদের কিছু খরচ আছে। কিন্তু আমরা বলেছি, উনাদের খরচটা আমরা বহন করব। আসলে উদ্যোগের বিষয়ে উনারা যদি উদ্যমী হন, তাহলে আমরা কাল থেকেই কাজ শুরু করতে পারব।
আরও পড়ুন: আন্তঃজেলা বাস ঢাকার বাইরের আর নগর পরিবহন ঢাকার অভ্যন্তরের টার্মিনাল ব্যবহার করবে: শেখ তাপস
মেয়র আরও বলেন, আপনারা দেখেছেন, নদীর অববাহিকা দখল অবস্থায় আছে। আমরা আগে থেকেই বলেছি, তাদের এখানে যে সকল অবকাঠামো, পন্টুন ও লঞ্চঘাট আছে সেগুলো সরিয়ে ফেলার জন্য। এছাড়াও আমাদের সামনের এই রাস্তাটা দখল করে সেখানে পার্কিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তাই আপনাদের মাধ্যমে আমি আবারও বলব, অবিলম্বে এই জায়গাটা খালি করে দিতে।
তিনি বলেন, এ স্থাপনার দুই সীমানার কোণা থেকে ৪৫ ডিগ্রিতে নদীর সীমানা আমরা নির্ধারণ করে দিয়েছি। সেটা হলে নদী থেকে সুন্দরভাবে স্থাপনাটা দেখা যাবে। রাতে প্রজ্জ্বলিত থাকবে। সবাই ঢাকাকে উপভোগ করবে।
বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়নে পুরোনো আদলেই এটি সংস্কার করা হচ্ছে জানিয়ে তাপস বলেন, লালকুঠি আমাদের নিজস্ব ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা। যেটা লর্ড ব্রুকের সময় ১৮৭৭ সালে নির্মিত হয়েছিল। এটি মূলত টাউন হল ছিল।
মেয়র বলেন, কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর যখন নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন তখন উনাকে বাংলাদেশে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। সেটা এই ভবনেই দেওয়া হয়েছিল। সুতরাং আমরা সেভাবেই গুরুত্ব দিয়ে লালকুঠিকে পূর্ণভাবেই আমরা সংস্কার করছি। এটি অত্যন্ত দুরুহ। আমরা এই স্থাপনার পুরোনো ছবি দেখে সেই নকশা অনুযায়ী এটাকে সংস্কার করছি।
আরও পড়ুন: আগামী বর্ষায় বুড়িগঙ্গায় নৌকাবাইচ আয়োজন করা হবে: মেয়র তাপস
সিন্ডিকেট রোধে কোটি মানুষকে টিসিবি কার্ড দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী: তাপস
৭৫৬ দিন আগে
মাদকের আখড়া এখন ফুলের রাজ্য
সরকারি জায়গা দখল করে গড়ে উঠেছিল অবৈধ হোটেল-রেস্তোরাঁ ও মাদকের আখড়া। চট্টগ্রামের ফৌজদারহাট-বন্দর সংযোগ সড়কের উক্ত বিশাল জায়গা দখলমুক্ত করে সেখানে গড়ে তোলা হয়েছে ফুলের রাজ্য।
একটা সময় যেখানে রাত-বিরাতে বসতো মাদকের আড্ডা আর দিনে চলতো স্কুল-কলেজ থেকে পালানো ছেলে-মেয়েদের অবাধ মেলামেশা, সে স্থানে এখন শোভা পাচ্ছে নানা জাতের ফুলের সৌন্দর্য ও পাখিদের কলকাকলি। এ যেন দৃষ্টিনন্দন এক ফ্লাওয়ার পার্ক!
চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে দুবাইয়ের মিরাকেল গার্ডেনের আদলে গড়ে উঠা ‘ডিসি ফ্লাওয়ার পার্ক’ এ আজ (শুক্রবার) থেকে অনুষ্ঠিত হচ্ছে দেশের প্রথম ও সবচেয়ে বড় ফ্লাওয়ার ফেস্টিভাল বা ফুল উৎসব। ৯ দিনব্যাপী এই ফুল উৎসব চলবে আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।
জানা গেছে, ১৯৪ একর খাস জমির ওপর গড়ে উঠা জায়গায় ইতোমধ্যে লাগানো হয়েছে পাঁচ হাজারের বেশি ১২২ প্রজাতির দেশি-বিদেশি জাতের ফুলগাছ।
সরেজমিনে দেখা যায়, কয়েক মাস আগেও যেখানে ছিল নানা ধরনের অবৈধ স্থাপনা, সেখানে এখন বাতাসে ফুলের গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে এবং শোনা যাচ্ছে পাখিদের কলকাকলি। হাওয়ায় হাওয়ায় দোল খাচ্ছে নানান রঙের ফুল। সাগর তীরের পাশে হরেক রকমের ফুলের শোভা দেখে নজর কাড়ছে সবার।
আরও পড়ুন: এবার ৩০০ কোটি টাকার ফুল বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা গদখালীর ফুলচাষীদের
১১১১ দিন আগে
গুলিস্তানে ফুটপাত দখলমুক্ত করতে ডিএসসিসির উচ্ছেদ অভিযান
পথচারীদের জন্য ফুটপাত দখলমুক্ত করতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) রবিবার গুলিস্তান জিরো পয়েন্ট থেকে বঙ্গবন্ধু এভিনিউ হয়ে আহাদ পুলিশ বক্স পর্যন্ত উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে।
ডিএসসিসির সম্পত্তি কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামানের নেতৃত্বে সকাল ১১টায় থেকে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়ে বিকাল ৩টা পর্যন্ত চলে।
অভিযানে অবৈধভাবে রাস্তা ও ফুটপাথ দখলের দায়ে ৯জনকে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
ডিএসসিসি জানিয়েছে, স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইন ২০০৯ এর ধারা ৯২ এর উপধারা ৭ ও ৮ এর অধীনে জরিমানা আদায় করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: কুড়িগ্রামে রেলওয়ের উচ্ছেদ অভিযান
মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ‘পদ্মা সেতু দিয়ে যান চলাচল শুরুর পর থেকে মেয়র হানিফ ফ্লাইওভার দিয়ে যান চলাচলের পরিমাণ বেড়েছে। তাই মেয়র হানিফ ফ্লাইওভার দিয়ে যান চলাচল ও সংশ্লিষ্ট এলাকায় জনসাধারণের চলাফেরা নির্বিঘ্ন করতে মেয়র মহোদয়ের নির্দেশনার আলোকে গুলিস্তান জিরো পয়েন্ট থেকে বঙ্গবন্ধু এভিনিউ হয়ে সার্জেন্ট আহাদ পুলিশ বক্স এবং বঙ্গভবন ও মেয়র হানিফ ফ্লাইওভারগামী ফ্লাইওভার থেকে গুলিস্তান চত্ত্বর এলাকাকে ‘রেড জোন’ ঘোষণা করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘এই রেড জোন থেকে সকল প্রকার হকার এবং রাস্তা ও ফুটপাত দখল করে অবৈধভাবে গড়ে তোলা স্থাপনা উচ্ছেদে রবিবার অভিযান পরিচালনা করা হয়।’
সম্পত্তি কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘গত তিন দিন এখানে টানা মাইকিং করা হয়েছে। আমরা এখানে কোনও হকার বসতে এবং কাউকে অবৈধভাবে দোকানপাট ও স্থাপনা নির্মাণ করতে দেবো না। আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’
তিনি জানান, রাস্তা ও পায়ে হাঁটার পথসমূহকে লাল, হলুদ ও সবুজ শ্রেণিতে চিহ্নিত করার লক্ষ্যে এর আগে রবিবার সকালে করপোরেশনের সচিব আকরামুজ্জামানের স্বাক্ষরিত এক দপ্তর আদেশে পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি ডিএসসিসি প্রণীত মহাপরিকল্পনার সঙ্গে সমন্বয় রেখে রাস্তা ও হাঁটার পথ যানবাহন ও জন চলাচলের জন্য নির্বিঘ্ন রাখার লক্ষ্যে কর্ম পরিকল্পনা প্রণয়ন, বাস্তবায়ন ও ব্যবস্থাপনা করবে।
অভিযানকালে করপোরেশনের ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. এনামুল হক ও ২০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ফরিদ উদ্দিন আহম্মদ রতন উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: সীতাকুণ্ডের দূর্গম পাহাড়ে জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযান
খুলনায় অবৈধ ইটভাটা উচ্ছেদ অভিযান
১২৬৩ দিন আগে
যেকোনো মূল্যেই বনভূমি দখলমুক্ত করা হবে: মন্ত্রী
যেকোনো মূল্যেই দেশের বনভূমি অবৈধ দখলমুক্ত করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন।
১৮০২ দিন আগে
পর্যায়ক্রমে ফ্লাইওভারের নিচের জায়গা দখলমুক্ত করা হবে: মেয়র তাপস
পর্যায়ক্রমে ফ্লাইওভারের নিচের জায়গা দখলমুক্ত করা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।
১৮১৩ দিন আগে
ফুটপাত দখলমুক্ত করতে চৌগাছায় উচ্ছেদ অভিযান
যশোরের চৌগাছায় ফুটপাত দখলমুক্ত করতে বৃহস্পতিবার উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
২১৭৬ দিন আগে