সজীব ওয়াজেদ জয়
মানবতাবিরোধী অপরাধে জয়-পলকের বিচার শুরুর আদেশ
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে গণঅভ্যুত্থানের সময় ইন্টারনেট বন্ধ করে হত্যাযজ্ঞের দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় ও সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলকের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন।
ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন— বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
এদিন প্রথমে দুই আসামির অব্যাহতি চাওয়া আইনজীবীদের আবেদন খারিজ করে দেন ট্রাইব্যুনাল। পরে তাদের বিরুদ্ধে আনা প্রসিকিউশনের তিনটি অভিযোগ পড়েন বিচারপতি শফিউল আলম মাহমুদ। এরপর আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করেন ট্রাইব্যুনাল। এর মাধ্যমে এ মামলার বিচার শুরুর হলো।
এ মামলায় সূচনা বক্তব্যসহ সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করা হয়েছে।
মামলাটিতে দুই আসামির মধ্যে গ্রেপ্তার রয়েছেন পলক। তাকে আজ (বুধবার) সকালে কারাগার থেকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করে পুলিশ। অপর আসামি জয়ের পক্ষে আইনি লড়াই করছেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মনজুর আলম।
এর আগে, গত ১৫ জানুয়ারি এ মামলার অভিযোগ গঠনের বিষয়ে আদেশের জন্য আজকের দিন নির্ধারণ করেছিলেন ট্রাইব্যুনাল। ওইদিন পলকের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী লিটন আহমেদ ও জয়ের পক্ষে আইনজীবী মনজুর আলম। শুনানিতে প্রসিকিউশনের আনা তিনটি অভিযোগের বিরোধিতার পাশাপাশি জয়-পলকের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই বলে দাবি করেন তারা। এজন্য এ মামলায় চার্জ গঠন না করাসহ তাদের অব্যাহতি দেওয়ার আবেদন করা হয়। অন্যদিকে, অভিযোগ গঠনের আর্জি জানান প্রসিকিউশন।
গত ১১ জানুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানি করেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। ওইদিন তিনটি চার্জ পড়ে শোনানোর পাশাপাশি দুই আসামির বিরুদ্ধে বিচার শুরুর আবেদন জানান তিনি।
এ মামলায় তিনটি অভিযোগ হলো— জয়ের নির্দেশে ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই রাতে ফেসবুকে উসকানি দেন পলক। এর পরিপ্রেক্ষিতে ১৫ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন স্থানে আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা চালায় পুলিশ, আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের সশস্ত্র বাহিনী। এ ছাড়া ইন্টারনেট বন্ধ করে মারণাস্ত্র ব্যবহারে উসকানি ও প্ররোচনা দেন তারা। একইসঙ্গে হত্যায় সহায়তা করেন। ফলে পুলিশ ও দলীয় সন্ত্রাসী বাহিনীর হামলায় শহিদ হন রাসেল, মোসলেহ উদ্দিনসহ ২৮ জন। তিন নম্বর অভিযোগটি হলো, উত্তরায় ৩৪ জন হত্যায় সহায়তা করেন তারা।
এসব ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ১০ ডিসেম্বর জয়কে আত্মসমর্পণে দুটি জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন আদালত। গ্রেপ্তার থাকায় পলককে একই দিন হাজির করা হয়। ৪ ডিসেম্বর প্রসিকিউশনের জমা দেওয়া ফরমাল চার্জ (আনুষ্ঠানিক অভিযোগ) আমলে নেন আদালত।
৩ দিন আগে
জয়কে অপহরণের ষড়যন্ত্র মামলা: সাংবাদিক শফিক রেহমান খালাস
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়কে অপহরণ ও হত্যাচেষ্টার ষড়যন্ত্রের মামলায় সাংবাদিক শফিক রেহমানকে খালাস দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (২৭ মে) ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ তারিক এজাজ এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় শফিক রেহমান আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে, ২৭ এপ্রিল শুনানিতে শফিক রেহমানের খালাস চান আসামিপক্ষে অ্যাডভোকেট সৈয়দ জয়নুল আবেদীন মেসবাহ। রাষ্ট্রপক্ষও এতে আপত্তি না থাকার কথা জানায়।
শুনানিতে সৈয়দ জয়নুল বলেন, ‘হাসিনাপুত্র জয়কে কথিত অপহরণ ও হত্যাচেষ্টার মামলা এটি। ভিকটিম নিজেই মামলা করেননি, পুলিশ অতিরিক্ত আগ্রহ দেখিয়ে মামলা করেছে। ৯০ বছর বয়সী শফিক রেহমানকে রিমান্ডে নেওয়া হয়েছিল। মামলায় কোনো স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি নেই। ১২ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন, জয় নিজেও সাক্ষ্য দিয়েছেন। সেদিন বিচারক তার পেছনে দৌড়াচ্ছিলেন—এমন দৃশ্য দেখা গেছে। বিচার নিয়ে আপনি বুঝতেই পারছেন।’
রাষ্ট্রপক্ষে অতিরিক্ত পিপি মো. খলিলুর রহমান বলেন, ‘এটা রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা। তিনি প্রথিতযশা সাংবাদিক। খালাস দিলে আপত্তি নেই।’
মামলার নথি অনুযায়ী, জয়কে অপহরণ ও হত্যাচেষ্টার ষড়যন্ত্রের অভিযোগে গত বছরের ১৭ আগস্ট ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত মাহমুদুর রহমান, শফিক রেহমানসহ পাঁচজনকে পৃথক দুই ধারায় সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত অপর আসামিরা হলেন—জাসাস নেতা মোহাম্মদ উল্লাহ, রিজভী আহমেদ সিজার ও মিজানুর রহমান ভূঁইয়া।
আসামিদের দণ্ডবিধির ৩৬৫ ধারায় (অপহরণ) পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে আরও এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। একই আইনের ১২০-খ ধারায় (ষড়যন্ত্র) দুই বছরের কারাদণ্ড ও পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়, অনাদায়ে আরও এক মাসের কারাদণ্ড। দুই ধারার সাজা একত্রে চলবে বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়।
আরও পড়ুন: আপিল বিভাগের রায়ে মৃত্যুদণ্ড থেকে খালাস পেলেন জামায়াত নেতা আজহার
২০২৪ সালের ২২ সেপ্টেম্বর শফিক রেহমান ও যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী মিজানুর রহমান ভূঁইয়ার সাজা এক বছরের জন্য স্থগিত করে প্রজ্ঞাপন জারি করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। পরদিন জামিনে মুক্তি পান শফিক রেহমান।
পরে গত ১০ ফেব্রুয়ারি একই মামলায় মাহমুদুর রহমান খালাস পান। মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১১ সালের সেপ্টেম্বরের আগে যেকোনো সময় থেকে বিএনপি ও এর জোটভুক্ত নেতারা যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে জয়কে অপহরণ ও হত্যার ষড়যন্ত্রে যুক্ত হন।
২০১৫ সালের ৩ আগস্ট ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ফজলুর রহমান পল্টন থানায় মামলাটি করেন। ২০১৮ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি পাঁচজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ।
মামলায় সজীব ওয়াজেদ জয়সহ ১২ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন।
২৪২ দিন আগে
জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড-২০২৩ বিজয়ী ১২ দল
সপ্তমবারের মত দেশ গঠনে এগিয়ে আসা একদল তরুণের হাতে উঠলো জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড। শনিবার (১৮ নভেম্বর) ছয়টি ক্যাটাগরিতে তরুণদের ১২টি সংগঠনকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।
বিজয়ীদের হাতে জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড তুলে দেন বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র ও সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন (সিআরআই) চেয়ারম্যান সজীব ওয়াজেদ জয়।
এক নজর দেখে নেওয়া যাক এবারের জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড বিজয়ী ১২ সংগঠনগুলোকে।
সোস্যাল ইনক্লুশন বা সামাজিক অন্তর্ভুক্তি ক্যাটাগরিতে- ২টি সংগঠন
উইমেনস ড্রিমার ক্রিকেট অ্যাকাডেমি
অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনে কাজ করে যাচ্ছে 'উইমেনস ড্রিমার ক্রিকেট অ্যাকাডেমি'।
আরিফা জাহান বিথি জানান, গ্রামে অবহেলিত মেয়েদের নিয়ে এই নারী ক্রিকেট একাডেমির পথচলা। নারী ক্ষমতায়ন, তাদের ক্রীড়া ক্ষেত্রে অন্তর্ভুক্ত করা এবং বাল্য বিবাহ হ্রাস করা এই ক্রিকেট একাডেমির মূল লক্ষ্য।
ভালো কাজের হোটেল
২০১৯ সাল থেকে ঢাকায় ভূমিহীন ও ভাসমান মানুষদের সহায়তায় কাজ করে যাচ্ছে মো. শেহানুর রহমান আসিফের 'ভালো কাজের হোটেল'। ছিন্নমূল এ সকল মানুষের সহায়তার জন্য দৈনিক প্রায় ২৫০০ স্বেচ্ছাসেবী এই সংগঠনটির জন্য কাজ করে। দৈনিক ১২-১৩ শত ছিন্নমূল মানুষকে সংগঠনটি সহায়তা দেয়।
আরও পড়ুন: জাতীয় সংগীত দিয়ে শুরু জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড
দক্ষতা ও কর্মসংস্থান ক্যাটাগরিতে- ২টি সংগঠন
ঋতু হেলথ অ্যান্ড ওয়েলবিং ফাউন্ডেশন
উম্মে শারমিন কবির পরিচালিত 'ঋতু হেলথ অ্যান্ড ওয়েলবিং ফাউন্ডেশন' নারীদের জন্য পরিচালিত একটি সংগঠন যার মূল লক্ষ্য নারী ক্ষমতায়ন। আর এ জন্য প্রতিষ্ঠানটি নারী নিরাপত্তা, নারীর কর্মক্ষেত্রে ও চাকরির সুযোগ সৃষ্টি, কিশোরদের নিজেদের নিরাপত্তা সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি এবং সন্তানদের লালন-পালন বিষয়ক বিভিন্ন পরামর্শ ও সেবা প্রদান করে। সেই সঙ্গে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ও সেমিনারও করা হয় সংগঠনটির পক্ষ থেকে।
সম্ভাবনা
২০১১ সালে প্রতিষ্ঠা লাভের পর টেকসই উন্নয়ন, নারী ক্ষমতায়ন, লিঙ্গ বৈষম্য হ্রাস সহ আরও বেশ কিছু সামাজিক বিষয় নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে 'সম্ভাবনা'।
এই সংগঠনের বিষয়ে মোশফেকা জান্নাত বলেন, ২০০ জন স্বেচ্ছাসেবী নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি আমরা। বর্তমানে সংগঠনটির পক্ষ থেকে পথ শিশুদের জন্য স্কুল, নারীদের সেলাই প্রশিক্ষণ এবং স্বনির্ভর হওয়ার জন্য আরও কিছু প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়। সংগঠনটির পক্ষ থেকে ১৬০ জন নারীকে সেলাই প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে।
উদ্ভাবন ও যোগাযোগ ক্যাটাগরিতে- ২টি সংগঠন
ক্লিয়ার কনসেপ্ট
মো. হিরোক শেখের 'ক্লিয়ার কনসেপ্ট' দেশের ৩৫টি বিশ্ববিদ্যালয় এবং মেডিকেল কলেজের ২৫০ জনের বেশি সক্রিয় সদস্যকে নিয়ে ২০১৯ সাল থেকে স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও সচেতনতা সৃষ্টির জন্য কাজ করে যাচ্ছে। এটি একটি স্বাস্থ্য প্রযুক্তি প্লাটফর্ম।
টিম অ্যাটলাস
উদ্ভাবন ও যোগাযোগ ক্ষেত্রে সানি জুবায়েরের 'টিম অ্যাটলাস' ২০১৬ সাল থেকে কাজ করছে এবং তাদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্জন রোবটিক্স এবং স্পেস এক্সপ্লোরেশনে যেখানে বিশ্ব রোবটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপে গোল্ড মেডেল জয় করে তারা। ৮০ জন সক্রিয় সদস্য সহ মোট ১২০ জনকে নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে টিম অ্যাটলাস। দেশের ২১টি প্রতিষ্ঠানে রয়েছে তাদের সংগঠনের সদস্যরা।
আরও পড়ুন: জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড বিতরণী ১৮ নভেম্বর
সমাজের উন্নয়ন ক্যাটাগরিতে- ২টি সংগঠন
নুপম ফাউন্ডেশন
সমাজ গঠনে কাজ করে যাচ্ছে মো রেজাউল করিম এর 'নুপম ফাউন্ডেশন'। সংগঠনটি রক্তদান কর্মসূচি, সামাজিক মূল্যবোধ সৃষ্টি, পথ নাটক এবং বই মেলা আয়োজনসহ আরও বেশ কিছু সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনা করে।
আলট্রাস্টিক পিউপিলস ইয়ুথ অর্গানাইজেশন (এপিওয়াইও)
রাঙামাটির পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে কাজ করছেন মালাচিং মারমার 'আলট্রাস্টিক পিউপিলস ইয়ুথ অর্গানাইজেশন' (এপিওয়াইও)।
২০১৭ সালে প্রতিষ্ঠার পর স্বাস্থ্য সেবাদান এবং ম্রো জনগোষ্ঠীর মধ্যে সামাজিক সচেতনতা তৈরিতে কাজ করে যাচ্ছে এই সংগঠনটি।
এছাড়াও এই সংগঠন বর্তমানে ৪ হাজারের বেশি তরুণ এবং ১৭০ জনের বেশি স্বেচ্ছাসেবক নিয়ে চট্টগ্রামেও নিজেদের কার্যক্রম পরিচালনার চেষ্টা করছে সংগঠনটি।
জলবায়ু ও পরিবেশ সুরক্ষা ও সচেতনতা সৃষ্টি ক্যাটাগরিতে- ২টি সংগঠন
ওয়াইল্ডলাইফ অ্যান্ড স্নেক রেসকিউ টিম ইন বাংলাদেশ (ডব্লিউএসআরটিবিডি)
দেশের ৪০টি উপজেলায় বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ বিষয়ক সচেতনতা তৈরি ও বন্যপ্রাণী সুরক্ষার জন্য কাজ করছে 'ওয়াইল্ডলাইফ অ্যান্ড স্নেক রেসকিউ টিম ইন বাংলাদেশ' (ডব্লিউএসআরটিবিডি)।
মো শহিদুল ইসলাম জানান, সাপ উদ্ধার থেকে শুরু করে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ প্রদান করে সংগঠনটি।
ইকো-নেটওয়ার্ক গ্লোবাল
জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সচেতনতা সৃষ্টির জন্য কাজ করছে 'ইকো-নেটওয়ার্ক গ্লোবাল'। শামীম আহমেদ মৃধা পরিচালিত এই সংগঠনটি নেটওয়ার্কিং ও পরামর্শ প্রদানের মাধ্যমে নিজেদের কার্যক্রম পরিচালনা করেন। প্রায় ১৫০০ জনের বেশি স্বেচ্ছাসেবী নিয়ে চলা এই সংগঠনের মাধ্যমে সুবিধা লাভ করেছে ৫০ হাজারের বেশি মানুষ।
আরও পড়ুন: ইয়ুথ গ্লোবালের পৃষ্ঠপোষকতা পাচ্ছে শিল্প-সংস্কৃতির ১৪ প্লাটফর্ম
শিল্প ও সংস্কৃতি ক্যাটাগরিতে- ২টি সংগঠন
অভিনন্দন ফাউন্ডেশন
এক সময় দেশের মঙ্গা অঞ্চল হিসেবে পরিচিত রংপুরের চিত্র অনেকটা পাল্টে গেলেও এখনও অর্থনৈতিকভাবে এই অঞ্চলটি পিছিয়ে। আর এ কারণেই ২০১৭ সালের রংপুর অঞ্চলের মানুষের কর্ম সংস্থান এবং হতদরিদ্রদের সহায়তায় কাঞ্চন চন্দ্র রায় প্রতিষ্ঠা করেন 'অভিনন্দন ফাউন্ডেশন'। বর্তমানে এই সংগঠনটির ১০০জনের বেশি সক্রিয় সদস্য রয়েছে যাদের মাধ্যমে প্রায় ৩৫ হাজার মানুষ সেবা পাচ্ছে।
টঙ্গের গান
দেশের শিল্প সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনকে উজ্জীবিত রাখতে মো. মাহমুদুল হাসান আবির মিয়া গড়ে তোলেন 'টঙ্গের গান'। মানুষকে দেশের সংস্কৃতির সঙ্গে এক বন্ধনে আবদ্ধ করতে এবং শিশু শিক্ষা, নারীর অধিকার ও নিরাপত্তা, বাল্য বিবাহ, স্বাস্থ্য বিষয়ক সচেতনতা সৃষ্ট সহ সামাজিক সচেতনতা মূলক আরও বেশ কিছু কার্যক্রম পরিচালনা করে টঙ্গের গান। এই সংগঠনের পক্ষ থেকে আয়োজন 'সম্প্রীতি সন্ধ্যা'য় নিয়মিত দুই হাজারের বেশি দর্শক উপস্থিত হয়। এখন পর্যন্ত এই সংগঠনের মাধ্যমে দেশের সংস্কৃতির স্বাদ অন্বেষণ করেছেন সরাসরি ১ লাখের বেশি মানুষ।
জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড পুরস্কার পাওয়া সংগঠনগুলো ছাড়াও ৩০০টির বেশি সংগঠন নিয়ে ইয়াং বাংলা বর্তমানে তারুণ্যের সর্ববৃহৎ প্লাটফর্ম হিসেবে কাজ করছে। এই সংগঠনগুলোসহ ইয়াং বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ৫০ হাজারের বেশি স্বেচ্ছাসেবক ও ৩ লাখের বেশি সদস্য। ২০২২ সালের মে মাসে ইয়াং বাংলার সদস্য হন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তারুণ্যের বৃহত্তম প্লাটফর্ম ইয়াং বাংলা ২০১৫ সাল থেকে প্রদান করে আসছে জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড। এর আগের ছয় আসরে ১৪৫ তরুণদের নেতৃত্বাধীন সংগঠনকে সম্মানিত করা হয়েছে এই অ্যাওয়ার্ডের মাধ্যমে। সেই সঙ্গে বাংলাদেশের মানুষের সামনে তুলে ধরা হয়েছে তাদের সাফল্যের গল্প।
৭৯৭ দিন আগে
বাংলাদেশের তরুণদের প্রতি কৃতজ্ঞ: সজীব ওয়াজেদ
বাংলাদেশের তরুণরা সমস্যা সমাধানে চিন্তা করতে পারে। তাই বাংলাদেশের তরুণদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন (সিআরআই) চেয়ারম্যান সজীব ওয়াজেদ জয়।
তিনি বলেন, আমি বাংলাদেশের তরুণদের প্রতি কৃতজ্ঞ। বাংলাদেশের অনেক সমস্যা আছে, তবে আপনারা শুধু সমস্যা নিয়ে চিন্তা করেন না এগুলোর সমাধানও চিন্তা করছেন। এরপর সমাধান বের করছেন এবং বাস্তবায়ন করছেন।
শনিবার (১৮ নভেম্বর) জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ডের সপ্তম আসরের চূড়ান্ত পর্বে পুরস্কার বিতরণ শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
এবার ৬টি ক্যাটাগরিতে মোট ১২টি সংগঠনকে জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়।
ইয়াং বাংলার পক্ষ থেকে ২০১৫ সাল থেকে এই অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য-প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা বলেন, গত ১৫ বছরে দেশে যেই উন্নতি হয়েছে তা আগে কেউ কল্পনাও করতে পারেনি। আগামী ১০-১৫ বছরে বাংলাদেশ উন্নত দেশে পরিণত হবে।
তিনি বলেন, আমি শুরু থেকে বাংলার তরুণদের বলছি, আমরা দেশ হিসেবে নিজের পায়ে দাঁড়িয়েছি। বাংলাদেশের তরুণরাও নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারে। নিজের উদ্যোগে আপনারা নিজের কর্মসংস্থান বের করতে পারেন। দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার যত সমস্যা আছে আপনারা এই সমস্যাও সমাধান করতে পারেন। শুধু সরকার পারে তা না, আমরা সবাই সব সমস্যা মোকাবিলা করতে পারি।
আরও পড়ুন: সামরিক শাসক ও মৌলবাদীদের কাছ থেকে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করেছে আ. লীগ: জয়
এ সময় জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড বিজয়ী ও শীর্ষ বাছাই হওয়া সকল সংগঠনকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান তিনি।
সজীব ওয়াজেদ বলেন, ৭০০’র বেশি সংগঠন আবেদন করেছে। সবাইকে আমরা পুরস্কৃত করতে পারিনি। কিন্তু সবার জয়ই বাংলার জয়। আপনাদেরও অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা। এত বছর ধরে ইয়াং বাংলার অ্যাওয়ার্ড করছি; পুরস্কার দিচ্ছি, আমি নিজেও অত্যন্ত গর্বিত। সংগঠনের সংখ্যা অনেক বেড়েছে, আমরা শুরু করেছিলাম মাত্র কয়েকশো’ নিয়ে। এখন সাতশোর বেশি আবেদন এসেছে।
তিনি বলেন, আপনারা যেভাবে সব জেলায় কাজ করছেন, যেভাবে ছড়িয়ে যাচ্ছেন এবং পরিশ্রম করছেন, জাতিসংঘ-ইউনেস্কো সবখানে স্বীকৃতি পাচ্ছেন, তা দেখে খুব গর্ব হয়।
তরুণদের উদ্দেশে তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষের জন্য যেভাবে কাজ করছেন, পরিবেশের জন্য যে চিন্তা ও পরিশ্রম করছেন তা অসাধারণ। আমাদের স্বপ্ন ছিল তরুণরা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। আপনারাই হচ্ছেন বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ। আমাদের চিন্তা শুধু বাংলাদেশের বর্তমান নয়, ভবিষ্যৎ নিয়েও। গত ১৫ বছর ধরে যে গতিতে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, আপনারা তা দেখিয়ে দিচ্ছেন। আমরা যখন শুরু করেছিলাম বাংলাদেশ তখন ছিল দরিদ্র দেশ, এখন মধ্যম আয়ের দেশ হয়ে গেছি।
তরুণরা বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে গড়ে তুলবে জানিয়ে তিনি বলেন, আমাদের যে পাথফাইন্ডার আছে স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল; স্বাধীনতার আগে থেকেই আপনারা বাংলাদেশের চেতনা ও স্বাধীনতার চেতনা দেখিয়েছেন। এই তরুণরা আপনাদেরই সন্তান। আপনাদের প্রতি আমার ব্যক্তিগত কৃতজ্ঞতা। আমাদের জুরিরা পরিশ্রম করেছেন। আবেদনের সংখ্যা বাড়ছে, তাদের (জুরি) পরিশ্রমও বাড়ছে। আপনাদের প্রতিও আমার ব্যক্তিগত কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ।
দেশের উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, ১৫ বছর আগে কেউ কল্পনা করতে পারেনি উন্নয়নের এই গতি হতে পারে। এই গতি যদি ধরে রাখা যায় আগামী ১০-১৫ বছরে বাংলাদেশ একটি উন্নত দেশ হবে। আর আগামী ১০-১৫ বছরে বাংলাদেশ বিএনপি-জামায়াত বলে কোনো দল টিকবে না। যখন বাংলাদেশ থেকে এই জঙ্গি ও মৌলবাদী শক্তির চিহ্ন মুছে যাবে, তখন বাংলাদেশে শান্তি আসবে।
বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে সন্দেহ নেই জানিয়ে বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র বলেন, অনেকেই মৌলবাদী ও সন্ত্রাসীদের উস্কাচ্ছে। যেহেতু নির্বাচন সামনে, তাই আমি আপনাদের অনুরোধ করব এদের কথায় কান দেবেন না। বিশেষ করে আমাদের অনেক বিদেশি রাষ্ট্রদূত নির্বাচনের আগে অনেক বেশি কথা বলা শুরু করে। ঠিক তখনই এই সন্ত্রাস, সংঘর্ষ, জ্বালাও-পোড়াও শুরু হয়। তার মানে কি? তাদের এরাই উস্কাচ্ছে।
তবে চিন্তা করবেন না, যেদিন নির্বাচন শেষ হয়ে যাবে, তারাও চুপ হয়ে যাবে। আর বেশি দিন নাই, মাত্র দেড় মাস। সামনে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে চাইলে একটি উপায়। আগামী ৭ জানুয়ারি নৌকা মার্কায় ভোট দেবেন।
আরও পড়ুন: খোলা মাঠ থাকতেও কেন সড়কে সমাবেশ: বিএনপিকে জয়ের প্রশ্ন
খোলা মাঠ থাকতেও কেন সড়কে সমাবেশ: বিএনপিকে জয়ের প্রশ্ন
৭৯৮ দিন আগে
জাতীয় সংগীত দিয়ে শুরু জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড
সমস্বরে জাতীয় সংগীত গেয়ে জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ডের সপ্তম আসরের চূড়ান্ত পর্ব শুরু হয়।
প্রধানমন্ত্রী তথ্য প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা এবং সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন (সিআরআই) চেয়ারম্যান সজীব ওয়াজেদ জয়ের উপস্থিতে দেওয়া হচ্ছে এবারের জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড।
গত ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ডের জন্য আবেদন আহ্বান করা হয়, যা ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত চলে।
সারাদেশ থেকে আসা ৭৫০টিরও বেশি সংগঠনের আবেদনের মধ্য থেকে যাচাই-বাছাই ও ফিল্ড ভিজিট শেষে ৬ ক্যাটাগরিতে এবার ১২টি সংগঠনকে দেওয়া হচ্ছে জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড।
এবারের পুরস্কারের জন্য গঠিত জুরি বোর্ডে ছিলেন- অ্যাক্টিভিস্ট ও উন্নয়ন বিশেষজ্ঞ আসিফ মুনীর, মুক্তিযোদ্ধা ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ড. মখদুম নার্গিস, সাংবাদিক ও আর্টিস্ট এলিটা করিম, অভিনয় শিল্পী মোশাররফ করিম, উদ্যোক্তা ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. মালিহা মান্নান আহমেদ, বাংলাদেশ নারী জাতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি ও সংসদ সদস্য নাহিম রাজ্জাক।
এই বিশেষ প্যানেলের দীর্ঘদিনের বিচার-বিশ্লেষণ শেষে বাছাই করে ২৬ সংগঠনকে এবং সেখান থেকে ১২ সংগঠনকে বেছে নেওয়া হয়, যাদের হাতে আজ (১৮ নভেম্বর) তুলে দেওয়া হয় জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড।
'জয় বাংলা' স্লোগানকে ধারণ করে তরুণদের দেশ গঠনে উদ্বুদ্ধ করতে নিয়মিত জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়।
আয়োজক ইয়াং বাংলা জানায়, বিশ্বের বুকে বাংলাদেশকে পরিচিত করে তুলতে এবং বাংলাদেশের প্রান্তিক পর্যায়ের সমস্যাগুলোর সমাধানে কাজ করে যাচ্ছে তরুণ প্রজন্ম। তাদের কাজের স্বীকৃতি দেওয়ার মাধ্যমে অনুপ্রেরণা দিতেই এই পুরস্কার দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন: জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড বিতরণী ১৮ নভেম্বর
৭৯৮ দিন আগে
২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত সরকার গঠনের পর হত্যাকাণ্ড চালাতে জঙ্গিদের ভাড়া করে: জয়
প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত সরকার গঠনের পরপরই আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী ও সমর্থকদের হত্যা, নির্যাতন, চাঁদাবাজি, লুটতরাজ ও ধর্ষণ করতে শুরু করে।
সজীব ওয়াজেদ তার অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ থেকে একটি পোস্টে লিখেন, এমনকি উগ্রবাদী জঙ্গি সংগঠনগুলোকে অর্থ ও তালিকা দিয়ে দেশজুড়ে হত্যাযজ্ঞ চালাতে থাকে তারা।
পোস্টে তিনি লিখেন, ‘তারেক রহমানের নির্দেশনায় বিএনপির ৮ জন নেতার মাধ্যমে জঙ্গিদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে চলতো খালেদা জিয়ার সরকার।‘
সজীব ওয়াজেদের পোস্টে বলা হয়, এমনকি মন্ত্রীদের চাপের কারণে পুলিশ বাহিনীর অনেক সদস্যও বাধ্য হয়েছিল জঙ্গিদের সহযোগিতা করতে।
এতে বলা হয়, পুলিশের হাত দিয়ে জঙ্গিদের কাছে নিরাপদে অর্থ পাঠাতো বিএনপি সরকারের নেতারা। এমনকি কখনো পুলিশ এই জেএমবি জঙ্গিদের গ্রেপ্তার করলেও সরকারের চাপে ছেড়ে দিতে বাধ্য হতো, অথবা আদালত থেকে তাদের জামিন দেয়ার জন্য বিশেষ নির্দেশ আসতো সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে।
আরও পড়ুন: রংপুরে বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশ: জড়ো হচ্ছেন হাজার হাজার নেতাকর্মী
পায়রা সমুদ্রবন্দরে রিজার্ভের টাকা কীভাবে খরচ হয়েছে ব্যাখ্যা করুন: সরকারের উদ্দেশে ফখরুল
রংপুরে বিএনপির চতুর্থ বিভাগীয় সমাবেশ শনিবার
১১৮৩ দিন আগে
মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত অপশক্তির ষড়যন্ত্র থেমে থাকেনি: জয়
বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দৌহিত্র এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত অপশক্তির ষড়যন্ত্র থেমে থাকেনি। পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতে তারা একের পর এক চক্রান্তের ফাঁদ পেতেছে।
সোমবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সেনাবাহিনীর বিপথগামী উচ্চাভিলাষী কয়েকজন সদস্যকে ষড়যন্ত্রকারীরা ব্যবহার করেছে ওই চক্রান্তেরই বাস্তব রূপ দিতে। এরাই স্বাধীনতার সূতিকাগার বলে পরিচিত ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের বাড়িটিতে হামলা চালায় গভীর রাতে।
জয় বলেন, হত্যা করে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারকে। বিশ্ব ও মানবসভ্যতার ইতিহাসে ঘৃণ্য ও নৃশংসতম এই হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে সেদিন তারা কেবল বঙ্গবন্ধুকেই নয়, তার সঙ্গে বাঙালির হাজার বছরের প্রত্যাশার অর্জন স্বাধীনতার আদর্শগুলোকেও হত্যা করতে চেয়েছিল। মুছে ফেলতে অপপ্রয়াস চালিয়েছিল বাঙালির বীরত্বগাথার ইতিহাসও। বঙ্গবন্ধুর নৃশংসতম হত্যাকান্ড বাঙালি জাতির জন্য করুণ বিয়োগগাথা হলেও ভয়ঙ্কর ওই হত্যাকাণ্ডে খুনিদের শাস্তি নিশ্চিত না করে বরং দীর্ঘ সময় ধরে তাদের আড়াল করার অপচেষ্টা হয়েছে। এমনকি খুনিরা পুরস্কৃতও হয়েছে নানাভাবে। হত্যার বিচার ঠেকাতে কুখ্যাত ‘ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ’ জারি করেছিল বঙ্গবন্ধুর খুনি খন্দকার মোশতাক সরকার।
তিনি বলেন, ‘আজ এই শোকের দিনে স্মরণ করছি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের সকল সদস্যদের।’
পড়ুন: টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
শ্রদ্ধাভরে বঙ্গবন্ধুর শাহাদাতবার্ষিকী পালিত হচ্ছে
১২৫৮ দিন আগে
বিএনপির বিরুদ্ধে মোটা অঙ্কের অর্থ পাচারের অভিযোগ জয়ের
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় তারেক রহমানসহ বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে বড় অঙ্কের অর্থপাচারের অভিযোগ উত্থাপন করেছেন। বৈশ্বিক বেশ কিছু সংস্থার প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি এক ভিডিও পোস্টের মাধ্যমে এ দাবি করেন তিনি।
জয় তার ভেরিফাইড ফেসবুক পেজ থেকে বিএনপি সরকারের ২০০১-০৬ সাল মেয়াদে ‘বাংলাদেশ থেকে কে, কিভাবে, কখন ও কোথায় অর্থপাচার করেছে’ এমন একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন।
ভিডিও প্রতিবেদন অনুযায়ী, সিঙ্গাপুরের সিটি ব্যাংকের অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক জিয়া তার বন্ধু গিয়াস উদ্দিন আল মামুনের অ্যাকাউন্টে ২০ কোটি টাকা পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় এফবিআইয়ের এক কর্মকর্তা তারেক জিয়ার অর্থ পাচার মামলায় সাক্ষ্য প্রদান করেছে বলেও দাবি করা হয়।
আরও পড়ুন: বিএনপি-জামায়াতের ‘বাংলাদেশ বিরোধী কার্যকলাপ’ নিয়ে ভিডিও শেয়ার জয়ের
খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান (কোকো) ২০০১-০৬ সালে বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালে সিঙ্গাপুরে বড় অঙ্কের অর্থ পাচার করেছে। তার মাধ্যমে পাচার হওয়া অর্থের মধ্যে থেকে তিন ধাপে ৩০ লাখ সিঙ্গাপুর ডলার ফেরত আনতে সক্ষম হয় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তার দুর্নীতির তথ্য এফবিআইয়ের ওয়েবসাইটেও রয়েছে বলে দাবি করেন সজীব ওয়াজেদ।
ভিডিও প্রতিবেদনে বলা হয়, প্যারাডাইজ পেপারেও অসংখ্য বিএনপি নেতার নাম এসেছে। তাদের মধ্যে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করা আব্দুল আওয়াল মিন্টু, তার স্ত্রী ও তিন ছেলের নাম রয়েছে। বিশ্বের যেখানেই দুর্নীতি নিয়ে কোনো তদন্ত হয়েছে সেখানেই বিএনপি নেতাদের নাম উঠে এসেছে।
ফাঁস হওয়া পানামা পেপারস এ অর্থ পাচার করা ৩৪ বাংলাদেশি ব্যক্তি প্রতিষ্ঠানের নাম রয়েছে। তাদের মধ্যে বিএনপির সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এম মোর্শেদ খান ও তার ছেলে ফাইসাল মোর্শেদ খান রয়েছেন।
আরও পড়ুন: পাকিস্তানের কারাগারে বঙ্গবন্ধুকে হত্যাচেষ্টার ইতিহাস জানতে জয়ের আহ্বান
ভিডিওতে বলা হয়েছে, এই বৈশ্বিক অনুসন্ধানকারীরা কে ক্ষমতায় আছে তাতে কিছু যায় আসে না। তারা আওয়ামী লীগ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে একই রকম দুর্নীতির তথ্য পেলে এভাবেই প্রচার করবে। কিন্তু তেমন কিছু তারা করেনি।
সম্প্রতি প্যান্ডোরা পেপারস ফাঁস হওয়ার পর সারা বিশ্বে আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। সেখানে এক কোটি ২০ লাখের বেশি গোপন নথি রয়েছে। কিন্তু পানামা পেপারস বা প্যান্ডোরা পেপারস কোনটিতেই দুর্নীতি অনুসন্ধানে আওয়ামী লীগের শীর্ষ কোনো নেতার নাম উঠে আসেনি। কিন্তু প্রতিটি পেপারসে বিএনপি নেতাদের নাম মিলছে বলে ভিডিও প্রতিবেদনে বলা হয়।
১৪৩৯ দিন আগে
পাকিস্তানের কারাগারে বঙ্গবন্ধুকে হত্যাচেষ্টার ইতিহাস জানতে জয়ের আহ্বান
বঙ্গবন্ধুর জেল মুক্ত দিবসের ৫০তম বার্ষিকীকে সামনে রেখে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার আগে পাকিস্তানের কারাগারে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে যে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছিল, সেই ইতিহাস জানতে সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তার দৌহিত্র সজীব ওয়াজেদ জয়।
বৃহস্পতিবার সজীব ওয়াজেদ জয় তার ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেয়া এক পোস্টে লেখেন, ‘একদিকে ত্রিশ লাখ শহীদের লাশের স্তূপ, চার লক্ষাধিক নির্যাতিত মা-বোনের আহাজারি; অন্যদিকে পাকিস্তানি দানবদের হাত থেকে বাংলার মাটি ও সাত কোটি মানুষের চির মুক্তি; হাজার বছরের শৃঙ্খলভাঙার উল্লাসে যখন ঢাকা পড়ে যাচ্ছিলো স্বজন হারানোর বেদনা; ঠিক তখনই পাকিস্তানের কারাগারে হত্যার চেষ্টা করা হয় বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে।’
তিনি আরও বলেন, ‘অবশ্য এটাই প্রথম অপচেষ্টা নয়, ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু ওয়্যারলেসের মাধ্যমে স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা ফলাও করে প্রচারিত হতে থাকে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোতে। এর মধ্যেই বিশেষ কমান্ডো বাহিনী পাঠিয়ে চারপাশ থেকে গুলি চালানো হয় বঙ্গবন্ধুর ধানমন্ডির ৩২ নম্বর সড়কের বাড়িতে, গ্রেপ্তার করে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় তাকে। এরপর সংসদ ভবন এলাকা, আদমজী ক্যান্টমেন্ট স্কুল, ঢাকা সেনিনাবাসের বিভিন্ন স্থানে আটকে রাখা হয় বাঙালি জাতির এই শ্রেষ্ঠ সন্তানকে। অবশেষে ১ এপ্রিল তাকে কঠোর গোপনীয়তার মাধ্যমে পাঠানো হয় পশ্চিম পাকিস্তানের অন্ধকার কারাগারে।’
আরও পড়ুন: সজীব ওয়াজেদ বাংলাদেশের জন্য আশীর্বাদ: আইসিটি প্রতিমন্ত্রী
জয় লেখেন, ‘করাচি, লাহোর হয়ে তাকে পাঠানো হয় উষ্ণতম অঞ্চল লায়ালপুর শহরের এক নির্জন কারাগারে।
পাকিস্তানি বর্বর শাসকগোষ্ঠী কিভাবে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার ষড়যন্ত্র করে, কি ছিল তাদের পরিকল্পনা সেই ঘটনাগুলো জানতে পড়ুন এই আর্টিকেলটি। https://www.albd.org/bn/articles/news/38179
নিজে জানুন আর বন্ধুদের সাথে শেয়ার করে জানাতে উদ্বুদ্ধ করুন সঠিক ইতিহাস। অনেক অজানা ইতিহাস নিয়ে মাঝে মাঝেই আমার ফেসবুকে কিছু আর্টিকেল শেয়ার করতে থাকবো। সবাই কমেন্ট বক্সে জানাবেন আপনার মন্তব্য।’
তার পোস্টের শেষে তিনি সত্য ইতিহাস শেখার এবং ছড়িয়ে দেয়ার আহ্বান জানিয়ে অনাবিষ্কৃত ইতিহাসের আরও নিবন্ধ ভাগ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
১৪৭৮ দিন আগে
বঙ্গবন্ধুর খুনিকে মরণোত্তর চাকরি ফিরিয়ে দেয় খালেদা জিয়া: জয়
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করা আজিজ পাশাকে বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া মরণোত্তর চাকরি ফিরিয়ে দেন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়।
মঙ্গলবার তার ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে জয় লেখেন, ‘২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় আসার পর প্রধানমন্ত্রী হয় খালেদা জিয়া। এরপর যাবতীয় নিয়ম ভঙ্গ করে মৃত আজিজ পাশাকে আবারও চাকরিতে বহাল করে সে। মৃত এই খুনির চাকরি ফিরিয়ে দিয়ে তারপর মরণোত্তার অবসরে পাঠানো হয়। এমনকি তাকে “মরণোত্তর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা” হিসেবে ঘোষণা করে যাবতীয় আর্থিক সুবিধা প্রদান করে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া।’
তিনি লেখেন, ‘বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে বর্বরভাবে যারা খুন করে আজিজ পাশা তাদের অন্যতম। পরবর্তীতে খালেদা জিয়ার কাছে বিশেষ আস্থাভাজন ব্যক্তি হয়ে উঠেছিল সে।’
জয় লেখেন, ‘বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর খুনি আজিজ পাশাকে প্রথমে উপহার স্বরূপ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চাকরি দেয় জিয়াউর রহমান। জিয়ার পৃষ্ঠপোষকতায় আর্জেন্টিনা, কেনিয়া ও ইতালিতে কূটনীতিক হিসেবে দ্বায়িত্ব পালন করে আজিজ পাশা। এরপর ১৯৯১ সালে খালেদা জিয়া সরকার গঠনের পর আরও কাছে টেনে নেয় তাকে। খালেদার একান্ত বিশ্বাসভাজন কর্মকর্তা হিসেবে জিম্বাবুয়ের ডেপুটি হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োজিত ছিল সে।’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে জয় লেখেন, ‘১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করার পর আজিজ পাশাকে পদচ্যুত করা হয় এবং তাকে দেশে ফিরে আসার আহ্বান জানানো হয়। কিন্তু সে আর দেশে ফেরেনি। জিম্বাবুয়েতে আত্মগোপন করে খুনি আজিজ। শারীরিক অসুস্থতার কারণে অবশেষে ২০০১ সালে জিম্বাবুয়েতেই মারা যায় সে।'
আরও পড়ুন: বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার আহ্বান জয়ের
বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় ৪ নেতার খুনিদের রাষ্ট্রদূত বানায় খালেদা জিয়া: জয়
১৫০৮ দিন আগে