বাংলাদেশি
সিলেট সীমান্তে ভারতীয় খাসিয়াদের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত
সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সীমান্ত এলাকায় ভারতীয় খাসিয়াদের ছররা বন্দুকের গুলিতে সালেহ আহমেদ জয়ধর (৩০) নামে এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাতে ভারতের প্রায় ১ কিলোমিটার ভেতরে একটি সুপারি বাগানে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত সালেহ আহমেদ কোম্পানীগঞ্জের দয়ারবাজার-সংলগ্ন কারবালার টুক গ্রামের বাসিন্দা।
আজ (শুক্রবার) দুপুরে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সিলেট ব্যাটালিয়নের (৪৮ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নাজমুল হক প্রেরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গতকাল (বৃহস্পতিবার) রাত সাড়ে ৮টার দিকে সালেহ আহমেদ ও তার আরও দুই সহযোগী মিলে মাদকের চালান আনার উদ্দেশ্যে সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতের ভেতরে প্রবেশ করেন। তারা চংকেটের বাগান ও মারকানের বাগানের মধ্যবর্তী এলাকায় অবস্থান করছিলেন। এ সময় ভারতীয় খাসিয়া সম্প্রদায় তাদের ‘সুপারি চোর’ সন্দেহে ছররা বন্দুক দিয়ে কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়ে। এতে সালেহ আহমেদ জয়ধর গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হন।
পরে সালেহর সঙ্গে থাকা নাজিরগাঁও গ্রামের মো. সুমন মিয়া (২৫) এবং কারবালার টুক গ্রামের মো. মাসুম আহম্মদ (২০) তার মরদেহ বহন করে বাংলাদেশে নিয়ে আসেন।
স্থানীয় সূত্রের বরাত দিয়ে বিজিবি জানিয়েছে, ওই তিনজনই এর আগে সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে পণ্য আনা-নেওয়ার সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
৯ দিন আগে
লিবিয়া থেকে ফিরেছেন ১৭৫ বাংলাদেশি
লিবিয়ার বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটক ১৭৫ জন অনিয়মিত বাংলাদেশি নাগরিককে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।
বুধবার (১ এপ্রিল) ভোর ৬টা ২৫ মিনিটে বুরাক এয়ারের একটি ফ্লাইটে তাদের ঢাকায় আনা হয় বলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
ফিরে আসা বাংলাদেশিদের মধ্যে ত্রিপলির তাজুরা ডিটেনশন সেন্টার থেকে ১১৩ জন এবং বেনগাজীর গানফুদা ডিটেনশন সেন্টার থেকে ৬২ জন ছিলেন।
প্রত্যাবাসিতদের বেশিরভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনায় লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
লিবিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে, লিবিয়া সরকার ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার সহযোগিতায় এই প্রত্যাবাসন কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার কর্মকর্তারা তাদের অভ্যর্থনা জানান।
জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রত্যাবাসিতদের তাদের অভিজ্ঞতা সবার সঙ্গে ভাগাভাগি করার আহ্বান জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা প্রত্যেক প্রত্যাবাসিতকে পথখরচা, খাদ্যসামগ্রী, প্রাথমিক চিকিৎসা এবং প্রয়োজনে অস্থায়ী বাসস্থানের ব্যবস্থা করেছে।
লিবিয়ার বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটক বাংলাদেশিদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা যৌথভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
১৮ দিন আগে
আরব আমিরাতে ড্রোনের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে বাংলাদেশি নিহত
সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল রিফা এলাকার একটি খামারে ড্রোনের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে এক বাংলাদেশি নাগরিক নিহত হয়েছেন। আমিরাতের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ওয়াম এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
স্থানীয় সময় বুধবার (১ এপ্রিল) আল জাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়, স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন স্থানে সাম্প্রতিক মিসাইল ও ড্রোন হামলায় এর আগে আরও দুই বাংলাদেশি নিহত এবং সাতজন আহত হয়েছেন।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের আজমানে গত ১ মার্চ একটি বেসামরিক স্থাপনায় আকাশপথের হামলার ধ্বংসাবশেষের আঘাতে সালেহ আহমদ নামে এক বাংলাদেশি প্রাণ হারান। তার বাড়ি সিলেটের বড়লেখা উপজেলায়।
এছাড়া গত ৮ মার্চ সৌদি আরবের মধ্যাঞ্চলে একটি মিসাইল হামলায় একজন বাংলাদেশি ও একজন ভারতীয় নাগরিক নিহত এবং ১২ জন আহত হন। সৌদি আরবের সিভিল ডিফেন্স এজেন্সি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স হ্যান্ডেলে এ তথ্য নিশ্চিত করে।
কুয়েতেও একটি বেসামরিক বিমানবন্দরের নিকটবর্তী এলাকায় ড্রোন হামলায় চার বাংলাদেশি নাগরিক আহত হন। তারা হলেন— ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের আমিনুল ইসলাম, পাবনার সাঁথিয়ার রবিউল ইসলাম, নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের মাসুদুর রহমান এবং কুমিল্লার চান্দিনার দুলাল মিয়া।
১৮ দিন আগে
বাংলাদেশির মৃত্যুতে বাহরাইনের রাজার শোক
বাহরাইনে ইরানের নিক্ষিপ্ত ক্ষেপনাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নিকট শোক প্রকাশ করেছেন দেশটির রাজা হামাদ বিন ইসা আল খলিফা।
সোমবার (২ মার্চ) বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে এক ফোনালাপে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. আব্দুললতিফ বিন রশিদ আল জায়ানি এ তথ্য জানান।
এ সময় তিনি বাহরাইনের রাজা হামাদ বিন ইসা আল খলিফার পক্ষ থেকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর নিকট গভীর শোক জ্ঞাপন করেন।
বাহরাইনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, সেদেশে বসবাসরত বাংলাদেশি নাগরিকদের সার্বিক নিরাপত্তা, সুরক্ষা ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে দেশটির সরকার প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ ঘটনায় বাহরাইন সরকারের সহযোগিতার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
৪৭ দিন আগে
ইরানে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সামরিক স্থাপনা এড়িয়ে চলার পরামর্শ শ্রম প্রতিমন্ত্রীর
ইরানে হামলা-পরবর্তী প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশি নাগরিকদের সামরিক স্থাপনা ও এলাকা এড়িয়ে পরিচিতদের কাছে নিরাপদে আশ্রয় নেওয়ার জন্য প্রবাসীদের অনুরোধ জানিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর।
রবিবার (১ মার্চ) দুপুরে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসনের সঙ্গে মতবিনময় শেষে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকের মুখোমুখি হন ভিপি নুর।
এ সময় তিনি বলেন, যেকোনো পরিস্থিতিতে সে দেশে বসবাসরত বাংলাদেশি নাগরিকদের আইডি কার্ড, স্বাস্থ্য কার্ড, খাবার, পানীয় ও অর্থসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঙ্গে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তারা যদি কোনো গুরুতর অসুবিধায় পড়েন, সেক্ষেত্রে কনস্যুলেট ও দূতাবাসের সঙ্গে ২৪ ঘণ্টা খোলা কন্ট্রোল রুমের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
এ সময় দালালের খপ্পরে পড়ে অনেকে নিঃস্ব হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিদেশগামীরা প্রতারণার শিকার হওয়া দালালদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে নির্ধারিত ৩ হাজার এজেন্সির বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হবে।
৪৯ দিন আগে
লিবিয়া থেকে ফিরলেন ১৭৫ বাংলাদেশি
লিবিয়ায় আটক ও দুর্দশাগ্রস্ত অবস্থায় থাকা ১৭৫ জন বাংলাদেশিকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। লিবিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে লিবিয়া সরকার ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার সহযোগিতায় তাদের প্রত্যাবাসন করা হয়।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টার দিকে বুরাক এয়ারের একটি ফ্লাইটে তাদের দেশে আনা হয়।
প্রত্যাবাসিতদের মধ্যে লিবিয়ার বেনগাজীস্থ গানফুদা ডিটেনশন সেন্টারে আটক ৩০ জন এবং বেনগাজী ও আশপাশের এলাকায় বসবাসরত দুস্থ, অসহায় ও শারীরিকভাবে অসুস্থ ১৪৫ জন রয়েছেন। তারা সবাই স্বেচ্ছায় দেশে ফিরতে ইচ্ছুক অনিয়মিত বাংলাদেশি নাগরিক ছিলেন।
জানা যায়, তাদের অধিকাংশই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপ যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেন। অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার কর্মকর্তারা বিমানবন্দরে তাদের অভ্যর্থনা জানান। জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নিজেদের দুর্বিষহ অভিজ্ঞতা সবার সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়।
আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার পক্ষ থেকে প্রত্যাবাসিত প্রত্যেককে পথখরচা, কিছু খাদ্যসামগ্রী, প্রাথমিক চিকিৎসা এবং প্রয়োজনে অস্থায়ী বাসস্থানের ব্যবস্থা দেওয়া হয়েছে।
লিবিয়ার বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটক বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, লিবিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
৫২ দিন আগে
সুদানে নিহত ৬ শান্তিরক্ষীর জানাজা সম্পন্ন
সুদানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের ড্রোন হামলায় নিহত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীর জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (২১ ডিসেম্বর) সকালে ঢাকা সেনানিবাসের কেন্দ্রীয় মসজিদে তাদের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
সকাল সোয়া ৯টায় অনুষ্ঠিত জানাজায় অংশ নেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান এবং বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন।
জানাজা শেষে মরদেহে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জানানো হয়। এরপর একে একে তিনবাহিনীর পক্ষ থেকে নিহতদের কফিনে শ্রদ্ধা জানানো হয়।
আইএসপিআর জানায়, জানাজার আগে নিহত সেনাসদস্যদের জীবন বৃত্তান্ত পড়ে শোনানো হয়। পাশাপাশি তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়। পরে তাদের যথাযথ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা দেওয়া হয়। এরপর সেনাসদস্যদের মরদেহবাহী হেলিকপ্টার নিজ নিজ জেলায় উদ্দেশে রওনা দেয়।
নিহত শান্তিরক্ষীরা হলেন: কর্পোরাল মো. মাসুদ রানা, এএসসি (নাটোর); সৈনিক মো. মমিনুল ইসলাম, বীর (কুড়িগ্রাম); সৈনিক শামীম রেজা, বীর (রাজবাড়ি); সৈনিক শান্ত মন্ডল, বীর (কুড়িগ্রাম); মেস ওয়েটার মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম (কিশোরগঞ্জ), লন্ড্রি কর্মচারী মো. সবুজ মিয়া (গাইবান্ধা)।
শনিবার বেলা ১০টা ৫০ মিনিটে নিহত শান্তিরক্ষীদের কফিন বহনকারী বিমান শাহাজালাল বিমানবন্দরে পৌঁছায়।
গত ১৩ ডিসেম্বর আবেই এলাকায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের আওতাধীন কাদুগলি লজিস্টিকস বেইসে বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র গোষ্ঠী পরিচালিত ড্রোন হামলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৬ জন দায়িত্বরত শান্তিরক্ষী নিহত হন। ওই হামলায় আরও নয় শান্তিরক্ষী আহত হন।
আহতদের বিষয়ে এর আগে আইএসপিআর জানিয়েছিল, আহত শান্তিরক্ষীদের দ্রুততম সময়ে সর্বোচ্চ চিকিৎসা নিশ্চিত করা হয়েছে। বর্তমানে তারা কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবিতে অবস্থিত আগা খান ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের মধ্যে একজন ইতোমধ্যে চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল ত্যাগও করেছেন। বর্তমানে আহতদের সবাই আশঙ্কামুক্ত রয়েছেন।
১১৯ দিন আগে
সুদানে আহত বেড়ে ৯, শান্তিরক্ষীদের সর্বশেষ পরিস্থিতি জানাল আইএসপিআর
সুদানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের ড্রোন হামলায় আরও একজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এতে করে দেশটিতে আহত বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের সংখ্যা ৯ জনে দাঁড়িয়েছে।
বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) থেকে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আইএসপিআর জানিয়েছে, সুদানের আবেই এলাকায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের একটি ঘাঁটিতে সন্ত্রাসী ড্রোন হামলার ঘটনায় প্রাথমিকভাবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৮ জন শান্তিরক্ষী আহত হন। পরবর্তীতে প্রাপ্ত হালনাগাদ তথ্যে আরও একজন শান্তিরক্ষী আহত হওয়ার বিষয়ে নিশ্চিত হওয়ায় মোট আহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯ জনে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আহত শান্তিরক্ষীদের দ্রুততম সময়ে সর্বোচ্চ চিকিৎসা নিশ্চিত করা হয়েছে। বর্তমানে তারা কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবিতে অবস্থিত আগা খান ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের মধ্যে একজন ইতোমধ্যে চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল ত্যাগও করেছেন। বর্তমানে আহতদের সবাই আশঙ্কামুক্ত রয়েছেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে আশ্বস্ত করা হয়েছে।
এ ছাড়া, ওই হামলায় নিহত ছয় শান্তিরক্ষীর মরদেহ আগামী ২০ ডিসেম্বর ঢাকায় ফেরানোর কথা রয়েছে জানিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দেশে প্রত্যাবর্তনের পর যথাযথ মর্যাদায় তাদের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।
গত ১৩ ডিসেম্বর আবেই এলাকায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের আওতাধীন কাদুগলি লজিস্টিকস বেইসে বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র গোষ্ঠী পরিচালিত ড্রোন হামলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৬ জন দায়িত্বরত শান্তিরক্ষী নিহত হন।
১২২ দিন আগে
সুদানে হতাহত বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের পরিচয়সহ সর্বশেষ তথ্য জানাল আইএসপিআর
সুদানের আবেই এলাকায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের আওতাধীন কাদুগলি লজিস্টিক বেসে গতকাল (শনিবার) স্থানীয় সময় আনুমানিক দুপুর ৩টা ৪০ মিনিট থেকে ৩টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত ড্রোন হামলা চালায় বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র গোষ্ঠী। হামলায় সেখানে দায়িত্বরত ছয়জন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী শহীদ এবং আটজন শান্তিরক্ষী আহত হন।
রবিবার (১৪ ডিসেম্বর) শহীদ ও আহত শান্তিরক্ষীদের নাম ও পরিচয় জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)। সেইসঙ্গে আহতদের চিকিৎসার সর্বশেষ আপডেট জানানো হয়েছে।
শহীদ শান্তিরক্ষীরা হলেন: কর্পোরাল মো. মাসুদ রানা, এএসসি (নাটোর); সৈনিক মো. মমিনুল ইসলাম, বীর (কুড়িগ্রাম); সৈনিক শামীম রেজা, বীর (রাজবাড়ি); সৈনিক শান্ত মন্ডল, বীর (কুড়িগ্রাম); মেস ওয়েটার মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম (কিশোরগঞ্জ), লন্ড্রি কর্মচারী মো. সবুজ মিয়া (গাইবান্ধা)।
আহত শান্তিরক্ষীরা হলেন: লেফটেন্যান্ট কর্নেল খোন্দকার খালেকুজ্জামান, পিএসসি, অর্ডন্যান্স (কুষ্টিয়া); সার্জেন্ট মো. মোস্তাকিম হোসেন, বীর (দিনাজপুর); কর্পোরাল আফরোজা পারভিন ইতি, সিগনালস (ঢাকা); ল্যান্স কর্পোরাল মহিবুল ইসলাম, ইএমই (বরগুনা); সৈনিক মো. মেজবাউল কবির, বীর (কুড়িগ্রাম); সৈনিক মোসা. উম্মে হানি আক্তার, ইঞ্জি. (রংপুর); সৈনিক চুমকি আক্তার, অর্ডন্যান্স (মানিকগঞ্জ); সৈনিক মো. মানাজির আহসান, বীর (নোয়াখালী)।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আইএসপিআর জানায়, আহত আটজন শান্তিরক্ষীকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা প্রদান করা হচ্ছে। তাদের মধ্যে সৈনিক মো. মেজবাউল কবিরের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় ইতোমধ্যে তার সফল অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করা হয়েছে এবং বর্তমানে তিনি নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। অপর আহত সাতজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য হেলিকপ্টারযোগে স্থানান্তর করা হয়েছে এবং তারা সকলেই শঙ্কামুক্ত রয়েছেন।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এই নৃশংস সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে। শহীদ শান্তিরক্ষীদের আত্মত্যাগ বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের অঙ্গীকারের এক উজ্জ্বল ও গৌরবময় নিদর্শন হয়ে থাকবে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে শহীদদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হচ্ছে এবং আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করা হচ্ছে।
১২৬ দিন আগে
লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৭৫ বাংলাদেশি
লিবিয়া থেকে দেশে ফিরেছেন আরও ১৭৫ জন বাংলাদেশি। বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) সকালে তারা দেশে ফেরেন।
লিবিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার সহযোগিতায় তাদের দেশে ফেরানো হয়।
লিবিয়ার বেনগাজি থেকে আজ সকাল ৬টা ১৫ মিনিটে বুরাক এয়ারের ফ্লাইট যোগে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। তারা অনিয়মিতভাবে লিবিয়ায় অবস্থান করছিলেন।
প্রত্যাবাসিত বাংলাদেশিদের বেশিরভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপ গমনের উদ্দেশে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনায় ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেন। তাদের অনেকে লিবিয়াতে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার কর্মকর্তারা প্রত্যাবাসিত বাংলাদেশি নাগরিকদের বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা জানান। জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে তাদের এই দুর্বিষহ অভিজ্ঞতা সকলের সঙ্গে বিনিময় করতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে তাদের অনুরোধ জানানো হয়।
আরও পড়ুন: লিবিয়া থেকে ১২৩ বাংলাদেশিকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে
প্রত্যাবাসনকৃত প্রত্যেককে পথখরচ, কিছু খাদ্যসামগ্রী, প্রাথমিক চিকিৎসা ও প্রয়োজনে অস্থায়ী বাসস্থানের ব্যবস্থা করেছে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা।
লিবিয়ায় বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটক বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপদে প্রত্যাবাসনের ব্যবস্থা করতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, লিবিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং আর্ন্তজাতিক অভিবাসন সংস্থা যৌথভাবে কাজ করছে।
২৪১ দিন আগে