শাবিপ্রবি
শাকসু নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত শাবিপ্রবিতে শাটডাউন ঘোষণা
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) নির্বাচনের দাবিতে ফের বিক্ষোভে নেমেছেন শিক্ষার্থীরা। রবিবার (২৫ জানুয়ারি) থেকে শাকসু নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সব অ্যাকাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম শাটডাউন রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেলে ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘দুর্বার সাস্টিয়ান ঐক্য’ প্যানেলের সহ-সভাপতি (ভিপি) প্রার্থী দেলোয়ার হাসান শিশির এ ঘোষণা দেন।
তিনি বলেন, ‘জাতীয় নির্বাচনের আগে অবশ্যই শাকসু নির্বাচন হতে হবে। শুক্রবার প্রতিটি বিভাগের ক্লাস প্রতিনিধিদের (সিআর) সঙ্গে আলোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শাকসু নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত আমাদের বিক্ষোভ চলমান থাকবে।’
এ দাবিতে শনিবার বিকেল ৫টা থেকে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। গোলচত্বর থেকে শুরু হওয়া মিছিলটি শাহপরান হল এলাকা হয়ে সৈয়দ মুজতবা আলী হলে গিয়ে কিছুক্ষণ অবস্থান নেয়। পরে মিছিলটি চেতনা-৭১ হয়ে ছাত্রীদের আবাসিক হলে অবস্থান করে পুনরায় প্রশাসনিক ভবনের সামনে গিয়ে শেষ হয়।
বিক্ষোভ চলাকালে শিক্ষার্থীরা ‘মব করে শাকসু, বন্ধ করা যাবে না’, ‘ঢাকায় বসে শাকসু, বন্ধ করা যাবে না’, ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান, শাকসু ব্যান’—এমন বিভিন্ন স্লোগান দেন।
বিক্ষোভ মিছিলে ‘দুর্বার সাস্টিয়ান’ ঐক্যের ভিপি প্রার্থী দেলোয়ার হাসান (শিশির), জিএস প্রার্থী মুজাহিদুল ইসলাম, স্বতন্ত্র জিএস প্রার্থী পলাশ বখতিয়ার, জুনায়েদ আহমেদ, ফয়সাল, বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী আবু সালেহ মো. নাসিমসহ আরও অনেকে অংশ নেন।
উল্লেখ্য, দীর্ঘ ২৮ বছর পর গত মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) শাকসু নির্বাচনের ভোট গ্রহণের কথা ছিল। তবে দুই প্রার্থী ও একজন শিক্ষার্থীর করা রিট আবেদনের পর গত ১৯ জানুয়ারি সোমবার হাইকোর্ট চার সপ্তাহের জন্য শাকসু নির্বাচন স্থগিতের আদেশ দেন।
৩ ঘণ্টা আগে
শাবিপ্রবিতে আজও বিক্ষোভ অব্যাহত
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের দাবিতে বিক্ষোভ অব্যাহত রেখেছেন প্রার্থী ও সমর্থকরা।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সকাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ শুরু করেন তারা।
এদিকে, বিক্ষোভ চলাকালে উপাচার্য কার্যালয়ে প্রবেশের সময় সহকারী উপাচার্যকে দেখে ‘দালাল’ বলে স্লোগান দেন আন্দোলনরত প্রার্থীরা। মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কার্যালয়ের সামনে এই ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, দুপুর ১২টা ৫৭ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য সাজেদুল করিমের গাড়ি উপাচার্য কার্যালয়ের সামনে থামে। তিনি গাড়ি থেকে বের হলে আন্দোলনকারীরা তাকে দেখে ‘দালাল’ ‘দালাল’ বলে স্লোগান দেন। তবে বিএনপিপন্থী শিক্ষক প্যানেলের সাবেক নেতা সহকারী উপাচার্য সাজেদুল করিম কোনো প্রতিক্রিয়া প্রকাশ না করে কার্যালয়ে প্রবেশ করেন।
এর আগে, শাকসু নির্বাচনের দাবিতে সকাল থেকে উপাচার্য কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ শুরু করেন প্রার্থীরা। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে প্রার্থীদের একটা প্রতিনিধি দল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলতে যান।
বিক্ষোভ কর্মসূচিতে তারা ‘সাস্টিয়ান সাস্টিয়ান এক হও, এক হও’, ‘শাকসু নিয়ে তালবাহানা চলবে না চলবে না’, ‘শাকসু নিয়ে মববাজি চলবে না চলবে না’, ‘শাকসু চাই শাকসু দাও, নইলে গদি ছাইড়া দাও’, ‘দালালদের গদিতে আগুন জ্বালো একসাথে’, ‘শাকসু মোদের অধিকার, রুখে দেওয়ার সাধ্য কার’ ইত্যাদি স্লোগান দেন।
কর্মসূচি চলাকালে শিবিরের ভিপি প্রার্থী দেলোয়ার হাসান শিশির বলেন, গতকাল আমরা প্রশাসনের সঙ্গে বলেছি যে, যেভাবেই হোক চেম্বার জজ আদালতের মাধ্যমে বুধবার শাকসু নির্বাচন করতে হবে। আমাদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাব। শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ চাপ দেওয়া হবে, কেননা আমাদের দাবি যৌক্তিক।
শিবিরের জিএস প্রার্থী মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘ ২৮ বছর পর আজ আমাদের নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বিভিন্ন মহলের ষড়যন্ত্রের কারণে নির্বাচন হয়নি। গতকাল চেম্বার জজের শুনানি হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু তাও হয়নি। আজকে আদালতের শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। আশা করছি, চেম্বার জজ শাকসু নির্বাচনের পক্ষে রায় দেবেন।
৪ দিন আগে
শাকসু নির্বাচন স্থগিতের প্রতিবাদে সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়ক অবরোধ
চার সপ্তাহের জন্য সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) নির্বাচন স্থগিতের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। নির্বাচন স্থগিতের এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামী ছাত্রশিবির-সমর্থিত প্যানেলের প্রার্থীসহ সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
শাকসু নির্বাচন স্থগিত চেয়ে করা একটি রিটের পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে নির্বাচন স্থগিতের আদেশ দেন হাইকোর্ট।। এর আগে গতকাল রবিবার রিটটি করেছিলেন স্বতন্ত্র সহ-সভাপতি (ভিপি) প্রার্থী মমিনুর রশিদ শুভ।
এদিকে, নির্বাচন স্থগিতে হাইকোর্টের রায়ের খবর শোনার পর বিক্ষোভ শরু করেন শিবির-সমর্থিত প্যানেলের প্রার্থীসহ সাধারণ শিক্ষার্থীরা। তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে তালা দিয়ে ও সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন।
দুপুরে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে অবস্থান নিয়ে মহাসড়ক অবরোধ শুরু করেন। এ সময় তারা নির্ধারিত সময় অনুযায়ী নির্বাচন আয়োজনের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে বলা হয়, নির্ধারিত তারিখে নির্বাচন না হলে তারা আরও কঠোর কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হবেন।
তারা বলেন, নির্বাচন স্থগিত চেয়ে রিটকারী প্ররোচনার শিকার। তিনি রিট করে সকলের কাছে হাসির পাত্রে পরিণত হয়েছেন। আমরা নির্বাচন যথাসময়েই চাই। নির্দেশনা আসা না পর্যন্ত আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাব।
সড়ক অবরোধের কারণে সিলেট–সুনামগঞ্জ মহাসড়কের উভয় পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয় এবং অসংখ্য যানবাহন আটকা পড়ে।
বিকেল সাড়ে ৩টায় শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত তারা অবরোধ অব্যাহত রেখেছেন।
গতকাল (রবিবার) শাকসু নির্বাচনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মমিনুর রশিদ শুভ শাকসু ও হল সংসদ নির্বাচন স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন। রিটে প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়।
রিটে বলা হয়, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে সব ধরনের নির্বাচন স্থগিত রাখার বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা রয়েছে এবং সে নির্দেশনার আলোকে শাকসু নির্বাচন আয়োজন আইনসম্মত নয়।
শাকসু নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের বিভিন্ন পদে মোট ৯৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে চারজন, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে সাতজন এবং সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে চারজন প্রার্থী রয়েছেন।
গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় সংসদে মোট ২৩টি পদ রয়েছে। অপরদিকে হল সংসদে পদ সংখ্যা ৯টি।
এদিকে, প্রার্থীদের প্রচারণার সময়সীমা ১২ ঘণ্টা বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে শাকসু নির্বাচন কমিশন।
গতকাল সকালে প্রধান নির্বাচন কমিশনার আবুল মুকিত মোহাম্মদ মোকাদ্দেছ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ১২ জানুয়ারি বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন দেশের সব নির্বাচনের ওপর স্থগিতাদেশ দেওয়ায় শাকসু নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের প্রচারণায় বিঘ্ন ঘটে। পরে ১৫ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশন ২০ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে শাকসু নির্বাচন আয়োজনের অনুমতি দেয়।
প্রার্থীদের প্রচারণার সুযোগ নিশ্চিত করতে প্রচারণার শেষ সময় বাড়িয়ে ১৮ জানুয়ারি রাত ৯টা পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়। নির্বাচন আচরণবিধি অনুযায়ী ভোট গ্রহণের ৪৮ ঘণ্টা আগে প্রচারণা শেষ হওয়ার কথা থাকলেও কয়েকজন প্রার্থীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ সময় বাড়ানো হয়।
সংশোধিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রার্থীরা আজ (সোমবার) সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত প্রচারণা চালাতে পারবেন। আগামীকাল ২০ জানুয়ারি সকাল ৯টা থেকে শাকসু নির্বাচনের ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।
৫ দিন আগে
শাকসু নির্বাচন হাইকোর্টে স্থগিত
সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। আগামীকাল ২০ জানুয়ারি শাকসু নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।
এ বিষয়ে এক রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এই আদেশ দেন।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম, ব্যারিস্টার মনিরুজ্জামান আসাদ। অন্যদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হোসাইন লিপু। এছাড়া রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক।
রায়ের পর ব্যারিস্টার কাজল জানিয়েছেন, হাইকোর্ট রিটের শুনানি শেষে শাকসুর নির্বাচনি কার্যক্রম স্থগিত করেছেন। পাশাপাশি রুল জারি করেছেন।
এর আগে, রবিবার (১৮ জানুয়ারি) সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়। শাকসু নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মমিনুর রশিদ শুভ হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ রিট দায়ের করেন।
প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ সংশ্লিষ্টদের রিটে বিবাদী করা হয়েছে। রিটে বলা হয়, নির্বাচন কমিশন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে সব ধরনের নির্বাচন বন্ধ রাখার নির্দেশনা জারি করেছে। এ অবস্থায় শাকসু নির্বাচন হতে দেওয়া আইনসঙ্গত নয়।
৫ দিন আগে
শাকসু নির্বাচন নিয়ে শাবিপ্রবি প্রশাসনের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সভা
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (১৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে আয়োজিত এ সভায় নির্বাচনকালীন সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।
এই সভায় সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এম সরওয়ারউদ্দিন চৌধুরী। সভায় উপস্থিত ছিলেন সিলেটের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. সারওয়ার আলম, বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সাজেদুল করিম এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ইসমাইল হোসেন।
আলোচনা সভায় ২০ জানুয়ারি শাকসু নির্বাচন চলাকালীন সার্বিক নিরাপত্তা, যানবাহন নিয়ন্ত্রণ, ক্যাম্পাস ও আশপাশের এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। একইসঙ্গে যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এম সরওয়ারউদ্দিন চৌধুরী বলেন, শাকসু নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সংশ্লিষ্ট সকলের দেওয়া পরামর্শ যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা হবে। সকলের সহযোগিতায় একটি সফল ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (সিটিএসবি) মো. আফজাল হোসেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. আবদুল মুকিত মোহাম্মদ মোকদ্দেছ, রেজিস্ট্রার সৈয়দ ছলিম মোহাম্মদ আব্দুল কাদির, ছাত্র উপদেশ ও নির্দেশনা পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ এছাক মিয়া, প্রক্টর অধ্যাপক মো. মোখলেসুর রহমান ও প্রশাসনের অন্যান্য শিক্ষক-কর্মকর্তারা।
৬ দিন আগে
২০ জানুয়ারিই শাকসু নির্বাচন, ইসির প্রজ্ঞাপন জারি
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের অনুমতি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আচরণবিধি মেনে আগামী ২০ জানুয়ারি নির্ধারিত তারিখেই এই নির্বাচন আয়োজন করা যাবে।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) নির্বাচন পরিচালনা–২ অধিশাখার উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ এ তথ্য জানায় ইসি।
ইসির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নির্দেশিত শর্তাবলি যথাযথভাবে অনুসরণ করলে শাকসু ও হল সংসদ নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে তাদের কোনো আপত্তি নেই।
ইসির পত্রে উল্লিখিত সিদ্ধান্তের আলোকে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এর আগে, জাতীয় নির্বাচনের কারণে দেশের সকল সাংগঠনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক নির্বাচন স্থগিত করায় শাকসু নির্বাচনও ১২ ফেব্রুয়ারির আগে আয়োজন না করার প্রজ্ঞাপন জারি করেছিল ইসি। দীর্ঘ ২৮ বছর পর নির্বাচনের প্রস্তুতি নেওয়া শাবিপ্রবি ক্যাম্পাস এই খবরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ক্ষোভে ফেটে পড়েন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
নির্বাচন স্থগিতের প্রতিবাদে গত কয়েকদিন ধরে ক্যাম্পাসে দফায় দফায় বিক্ষোভ মিছিল ও সংবাদ সম্মেলন করে শিক্ষার্থীরা। তাদের এই দাবির সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেন শিক্ষকদের একটি বড় অংশও। পরে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বুধবার (১৪ জানুয়ারি) রাতে নির্বাচন আয়োজনের অনুমতির জন্য অনলাইনে নির্বাচন কমিশনে চিঠি পাঠায়। এর পরিপ্রেক্ষিতেই ইসি এ প্রজ্ঞাপন জারি করে।
৮ দিন আগে
শাবিপ্রবি ছাত্রদল নেতার উদ্ভাবিত ‘আপন অ্যাপ’-এ হাতের মুঠোয় স্বাস্থ্যসেবা
জরুরি মুহুর্তে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে ‘আপন অ্যাপ’ নামে একটি ওয়েব অ্যাপ পরিষেবা উদ্ভাবন করেছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি) শাখা ছাত্রদলের সভাপতি রাহাত জামান।
রবিবার (১৪ ডিসেম্বর) রাতে রাহাত জামান নিজেই এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি জানান, এই ওয়েব অ্যাপ ব্যবহার করে সহজেই রক্তদাতার খোঁজ, ডাক্তারের চেম্বার ও নিকটস্থ অ্যাম্বুলেন্স সেবা পাওয়া যাবে। পাশাপাশি রক্তদাতাদের উৎসাহিত করতে অ্যাপে আছে বিশেষ গ্যামিফিকেশন ব্যাজ। একইসঙ্গে রোগীরা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের অ্যাপয়েন্টমেন্ট ফি ও রেটিং দেখে সহজেই প্রয়োজনীয় চিকিৎসক নির্বাচন করতে পারবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।
অ্যাপটির ব্যবহার সম্পর্কে রাহাত জামান বলেন, ‘আপন অ্যাপ’ ব্যবহার করার জন্য আগে অ্যাপে নিবন্ধন করতে হবে। নিবন্ধনের পর ব্যবহারকারী যদি রক্তদাতা হন, তাহলে তিনি নিজের নাম ও ঠিকানা অ্যাপে যোগ করতে পারবেন। পাশাপাশি ব্যবহারকারী চাইলে তার এলাকার ভালো চিকিৎসকদের চেম্বারের তথ্যও ম্যাপে যুক্ত করতে পারবেন, যাতে অন্য ব্যবহারকারীরা সহজে সেসব চিকিৎসকদের খুঁজে পান।
গুগল সার্চ বারে গিয়ে Apon.help লিখলেই এই ওয়েব অ্যাপটি খুঁজে পাবে বলে জানান উদ্ভাবক।
তিনি আরও বলেন, জরুরি অবস্থায় এক মিনিটের অপেক্ষা মানে জীবনের ঝুঁকি। সেই কঠিন সময়ে রোগীর পাশে থাকার জন্য আমরা নিয়ে এসেছি একটি ম্যাপভিত্তিক স্বাস্থ্য পরিষেবা অ্যাপ। রোগীদের জন্য এটি হবে একটি ভালো প্ল্যাটফর্ম। আশা করি, মানুষ এই প্লাটফর্ম থেকে সুবিধা পাবে।
৪০ দিন আগে
ঢাকায় শিক্ষার্থীদের উপর পুলিশি হামলা, প্রতিবাদে শাবিতে বিক্ষোভ
ঢাকায় প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের উপর পুলিশি হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) শিক্ষার্থীরা।
বুধবার (২৭ আগস্ট) বিকাল ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের গোল চত্বরে এ সমাবেশ করেন তারা। পূর্বঘোষিত ‘লং মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে তিন দফা দাবিতে প্রকৌশলের আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা অভিমুখে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন।
এসময় পুলিশের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের ধস্তাধস্তি হয়। ঘটনাস্থলে লাঠিচার্জ, টিয়ারশেল, সাউন্ড গ্রেনেড এবং জলকামান ব্যবহার করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে পুলিশ। এসব হামলার তদন্ত করে বিচার নিশ্চিত ও প্রকৌশলীদের যৌক্তিক দাবি আদায়ে শাবিপ্রবিতে বিক্ষোভ করেন তারা।
আরও পড়ুন: শাবিতে নতুন ৭ সহকারী প্রক্টর নিয়োগ
সমাবেশে সিভিল অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. শাহিদুর রহমান বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবি আদায়ে দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়ে আসছে। কিন্তু সেদিকে সরকার কর্ণপাত করছেন না। আজকে শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে যেভাবে পুলিশ হামলা করেছে আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই। তদন্ত সাপেক্ষে হামলাকারীদের বিচারের আওতায় আনতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, 'সব সময় কেন শুধু মুভমেন্ট করে দাবি আদায় করতে হবে। এটা তো কোনো অমূলক দাবি না। তাই দ্রুত শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।
১৫০ দিন আগে
ফাঁকা আসনে তৃতীয় ধাপে ভর্তি নিচ্ছে শাবিপ্রবি
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম বর্ষে ফাঁকা আসনগুলোতে তৃতীয় ধাপে ভর্তি নেওয়ার কথা জানানো হয়েছে। আগামী রবিবার (২২ জুন) এ ভর্তি কার্যক্রম শুরু হবে।
বুধবার (১৮ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি-সংক্রান্ত ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ওয়েবসাইট থেকে জানা গেছে, আগামী ২২ জুন সকাল ১০টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি কার্যক্রম চলবে। এর মধ্যে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ‘এ’ ইউনিটের র্যাঙ্কিং তালিকার ২৫৫১ থেকে ২৮২০ পর্যন্ত শিক্ষার্থীকে ভর্তির জন্য ডাকা হয়েছে।
একই দিন দুপুর আড়াইটা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত ‘বি’ ইউনিটের (বিজ্ঞান) ভর্তি কার্যক্রম চলবে। এতে র্যাঙ্কিং তালিকার ৪০১ থেকে ৪৯৫ পর্যন্ত শিক্ষার্থীকে ডাকা হয়েছে।
আরও পড়ুন: শাবিপ্রবির হলে ঢুকে শিক্ষার্থীকে ‘হামলার চেষ্টা’, ছাত্রদলকর্মী বহিষ্কার
এ ছাড়া, ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের জন্য বেশ কিছু নির্দেশনার ওয়েবসাইটে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে— বিষয় নির্বাচন ও ভর্তি নিশ্চিত করার জন্য শিক্ষার্থীকে সশরীর উপস্থিত থাকতে হবে; এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার মূল ট্রান্সক্রিপ্ট সঙ্গে নিয়ে আসতে হবে; ভর্তির জন্য ফি বাবদ ১৪ হাজার ৯০০ টাকা সঙ্গে নিয়ে আসতে হবে; রক্তের গ্রুপের যথোপযুক্ত প্রমাণপত্র সঙ্গে নিয়ে আসতে হবে এবং বিষয় নির্বাচনের ক্ষেত্রে উপস্থিত পরীক্ষার্থীদের মেধাক্রম অনুযায়ী ডাকা হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, একাধিক ইউনিটে আবেদনকারী শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে কোনো ইউনিটে ভর্তি সম্পন্ন করার পর অন্য ইউনিটে সুযোগ পেলে শুধু বিষয় পরিবর্তন হবে, পুনরায় ভর্তি ফি জমা দিতে হবে না।
২২০ দিন আগে
শাবিপ্রবির হলে ঢুকে শিক্ষার্থীকে ‘হামলার চেষ্টা’, ছাত্রদলকর্মী বহিষ্কার
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) আবাসিক হলের কক্ষে ঢুকে হামলা চেষ্টার অভিযোগে শেখ ফাকাব্বির সিন নামে এক ছাত্রদলকর্মীকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে।
বুধবার (২৮ মে) বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মোখলেসুর রহমান বহিষ্কারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ফাকাব্বির সিন শাবিপ্রবির সমুদ্রবিজ্ঞান বিভাগের ২০২২–২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাঈম সরকারের সমর্থক হিসেবে ক্যাম্পাসে পরিচিত। বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন সুরমা আবাসিক এলাকার একটি মেসে থাকেন ফাকাব্বির।
আরও পড়ুন: শাবিপ্রবিতে শিক্ষার্থীদের ক্লাস বর্জন ও বিভাগে তালা
প্রক্টর মোখলেসুর রহমান বলেন, ‘তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে শৃঙ্খলা কমিটিতে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ফাকাব্বিরের বিরুদ্ধে বহিষ্কারের সুপারিশ করা হয়। এরপর গত ১৭ মে সিন্ডিকেটের ২৩৬তম সভায় তাকে সাময়িক বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।’
এর আগে, গত ৫ জানুয়ারি রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহপরাণ হলের ৪৩৬ নম্বর কক্ষে প্রবেশ করে সেখানে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের গলায় ছুরি ধরার অভিযোগ ওঠে ছাত্রদলকর্মী ফাকাব্বিরের বিরুদ্ধে। পরে অভিযোগের তদন্ত করার লক্ষ্যে ৯ জানুয়ারি ছাত্র উপদেশ ও নির্দেশনা পরিচালক মো. এছাক মিয়াকে আহ্বায়ক করে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে কর্তৃপক্ষ।
২৪১ দিন আগে