বাস
হাঙ্গেরিতে বাস দুর্ঘটনায় ১২ জন নিহত
হাঙ্গেরিতে মহাসড়ক থেকে ছিটকে খাদে পড়ে একটি যাত্রীবাহী বাস উল্টে ১২ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও অন্তত ১০ জন গুরুতর আহত হয়েছেন।
স্থানীয় সময় শনিবার (১৫ আগস্ট) দিবাগত রাত ১টার দিকে রাজধানী বুদাপেস্ট থেকে প্রায় ১৪০ কিলোমিটার পূর্বে মেজোকেরেস্তেশ শহরের কাছে এম-৩ মোটরওয়ের পূর্বমুখী লেনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
বাসটিতে পোল্যান্ডের একদল পর্যটক ছিলেন বলে জানিয়েছে হাঙ্গেরি পুলিশ।
এ বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, চালক ঘুমিয়ে পড়ায় দুর্ঘটনাটি ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। দুর্ঘটনার পর চালককে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
হাঙ্গেরির জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থা কর্তৃপক্ষের পরিচালক এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার সময় বাসটিতে ৫৭ জন যাত্রী ও দুইজন চালক ছিলেন। বাসটি উল্টে যাওয়ার পর কয়েকজন যাত্রী সেটির নিচে আটকা পড়েন।
এদিকে, পোল্যান্ডের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাসিয়েই ভেভিওর পোলিশ সংবাদ সংস্থা পিএপিকে জানান, বাসযাত্রীদের সবাই পোল্যান্ডের নাগরিক ছিলেন।
এ ঘটনার পর পোল্যান্ডের রেৎসেসৎভ শহরের আঞ্চলিক সরকার এক ফেসবুক পোস্টে জানায়, দেশটির দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় পডকারপাকি অঞ্চলের বাসিন্দারা বসনিয়া-হার্জেগোভিনায় তীর্থযাত্রা শেষে দেশে ফিরছিলেন। পথিমধ্যে তাদের বাসটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে।
হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী পিতার ম্যদিয়ার এক ফেসবুক বিবৃতিতে জানান, দুর্ঘটনায় অন্তত ১০ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। তিনি নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান এবং ঘটনাস্থলে ছুটে যাওয়া উদ্ধারকর্মীদের ধন্যবাদ জানান।
পোল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট কারোল নাভরোকি এ দুর্ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, ‘আমি নিহতদের পরিবার ও স্বজনদের সঙ্গে গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।’
২ দিন আগে
হবিগঞ্জে বাস-পিকআপ সংঘর্ষে নিহত ৩
ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় যাত্রীবাহী বাস ও পিকআপ ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় পিকআপ ভ্যানের চালকসহ আরও দুইজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
সোমবার (১০ আগস্ট) সকালে উপজেলার পানিউমদা ইউনিয়নের রোকনপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন—নবীগঞ্জ উপজেলার দীঘলবাক ইউনিয়নের কারখানা গ্রামের সুফি মিয়ার ছেলে মশহুদ আহাম্মদ (৪০), ইনাতগঞ্জ দক্ষিণ গ্রামের ময়না মিয়ার ছেলে আবুল কাশেম (৫০) এবং ইনাতগঞ্জ বাজারের ফাহিম মিয়া (৩০)। তারা সকলেই সবজি ব্যবসায়ী ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আজ সকালে ইনাতগঞ্জ বাজারের কয়েকজন সবজি ব্যবসায়ী ও কর্মচারী পিকআপ ভ্যানযোগে বাহুবল উপজেলার দিগাম্বর বাজারে কাঁচামাল আনতে যাচ্ছিলেন। পথে রোকনপুর এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা লাকি পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে পিকআপ ভ্যানটির সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই মশহুদ আহাম্মদ নিহত হন। গুরুতর আহত পিকআপ ভ্যানের চালকসহ চারজনকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুরে আবুল কাশেম ও ময়না মিয়ার মৃত্যু হয়। বর্তমানে পিকআপ ভ্যানের চালকসহ আরও দুইজন গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
খবর পেয়ে শেরপুর হাইওয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহন দুটি সরিয়ে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করে। পরে দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি আউশকান্দি এলাকায় আটক করা হয়। বাস ও পিকআপ ভ্যানটি হাইওয়ে থানা পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
শেরপুর হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. জসিম উদ্দিন দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বাস ও পিকআপ ভ্যানের সংঘর্ষে ঘটনাস্থলে একজন নিহত হন। পরে সিলেটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও দুজনের মৃত্যু হয়।
৮ দিন আগে
বগুড়ায় বাসচাপায় ৭ শ্রমিক নিহত
বগুড়া সদরের এরুলিয়ায় একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা শ্রমিকদের চাপা দিলে ৭ জন নিহত হয়েছেন।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে সদর উপজেলার এরুলিয়া উচ্চবিদ্যালয়ের সামনে কাজের সন্ধানে দাঁড়িয়ে থাকা দিনমজুরদের ওপর যাত্রীবাহী বাসটি উঠে গেলে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন প্রায় ২৫ জন। তাদের উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে চারজনের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন— বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জয়পুরহাট জেলার বাসিন্দা তাজমুল (৪৫), বগুড়া সদর উপজেলার ফাঁপোড় এলাকার বেলাল, গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের আমিরুল এবং নূর আলম। বাকি তিনজনের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা করছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, রংপুর, গাইবান্ধা, পাবনাসহ বিভিন্ন জেলা থেকে আসা দিনমজুরেরা প্রতিদিন ভোরে এরুলিয়া বাজারের এই হাটে কাজের সন্ধানে জড়ো হন। স্থানীয় গৃহস্থরা এখান থেকেই দৈনিক মজুরিতে তাদের সংগ্রহ করেন। আজ (শুক্রবার) ভোরে ঢাকা থেকে নওগাঁ অভিমুখী একটি যাত্রীবাহী বাস দ্রুতগতিতে যাওয়ার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। এ সময় বাসটি দাঁড়িয়ে থাকা শ্রমিকদের চাপা দিয়ে উল্টো ঘুরে বগুড়ামুখী হয়ে পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই তিন শ্রমিক নিহত হন।
পরে হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান আরও তিনজন। এরপর চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরেক জনের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় আহতদের উদ্ধার করে শজিমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা।
স্থানীয়রা জানান, বৃষ্টির মধ্যে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে প্রথমে একটি খুঁটিতে ধাক্কা দেয়। চালক নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করলেও গাড়িটি শ্রমিকদের ওপর উঠে যায়।
এদিকে, দুর্ঘটনার পর ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা মহাসড়ক অবরোধ করেন। এই স্থানে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার কথা উল্লেখ করে তারা স্থায়ী গতিরোধক নির্মাণের দাবি জানান।
বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইব্রাহীম আলী জানান, বাসচাপায় ঘটনাস্থলে তিনজন এবং হাসপাতালে চারজন মারা গেছেন। আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও সড়ক সচল করার চেষ্টা করছে।
১১ দিন আগে
সিলেটে দুই বাসের সংঘর্ষে নিহত ৯
সিলেটের ওসমানীনগরে দুই যাত্রীবাহী বাসের সংঘর্ষে ৯ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও বেশ কয়েকজন যাত্রী আহত হয়েছেন।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) সকাল ৭টার দিকে ওসমানীনগর উপজেলার কাশিকাপন এলাকায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতদের মধ্যে তিনজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন— কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর থানার গোবরীনা লক্ষ্মীপুর গ্রামের মৃত সাফি মিয়ার ছেলে সাইফুল ইসলাম (৫০), ঢাকার বিক্রমপুর এলাকার জাহাঙ্গীর শেখের ৩ বছর বয়সী কন্যা শিশু জাইফা ইসলাম ও সিলেট মহানগরের সোবানীঘাট এলাকার উত্তম রায়ের ছেলে সপ্তম রায় প্রীতম (২২)।
ওসমানীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জয়নাল আবেদিন জানান, সকালে ঢাকাগামী ইউনিক পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে সিলেটগামী বেঙ্গল স্লিপার কোচের একটি বাসের সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের তীব্রতায় ইউনিক পরিবহনের বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই বাসটির ৭ জন যাত্রী নিহত হন।
তিনি আরও জানান, দুর্ঘটনার পর উদ্ধার অভিযান চালিয়ে আহতদের দ্রুত উদ্ধার করা হয়। গুরুতর আহত ৩ বছর বয়সী শিশু জাইফাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় একে একে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৯ জনে। নিহতদের সবাই ইউনিক পরিবহনের যাত্রী ছিলেন বলে জানা গেছে।
ওসি বলেন, তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের সবার পরিচয় জানা যায়নি। তাদের পরিচয় শনাক্তে পুলিশ কাজ করছে।
ঘটনার খবর পেয়ে শেরপুর হাইওয়ে পুলিশ, ওসমানীনগর থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে শেরপুর হাইওয়ে পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে। বর্তমানে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ ।
১১ দিন আগে
টাঙ্গাইলে বাস-ট্রাকের সংঘর্ষে নিহত ৩
টাঙ্গাইলের মধুপুরে যাত্রীবাহী বাস ও বালুবাহী ট্রাকের সংঘর্ষে এক শিশুসহ ৩ জন নিহত হয়েছেন। এ দুর্ঘটনায় অন্তত ১৭ জন আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাত ১০টার দিকে মধুপুর উপজেলার টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ সড়কের রক্তিপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন— সেতু আক্তার (২২) ও তাজবীর (৮)। অপরজনের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
পুলিশ ও মধুপুর ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা জানান, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা ক্রাউন ডিলাক্স পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস মাদারগঞ্জের দিকে যাচ্ছিল। এ সময় বাসটি রক্তিপাড়া এলাকায় পৌঁছালে টাঙ্গাইলগামী একটি বালুবাহী ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই শিশুসহ তিনজন নিহত হন। এ ঘটনায় অন্তত ১৬ থেকে ১৭ জন আহত হয়েছেন ।
পরে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আহতদের মধ্যে ৪ জনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান।
মধুপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম ফজলুল হক বলেন, ‘আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।’
১৮ দিন আগে
চাকা ফেটে খালে পড়ল বাস, মানিকগঞ্জে নিহত ১, আহত অন্তত ১০
মানিকগঞ্জের ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে সেলফি পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের খালে পড়ে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
রবিবার (১৯ জুলাই) সকাল ৮টার দিকে শিবালয় উপজেলার বরংগাইল বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, সকালে পাটুরিয়া থেকে যাত্রী নিয়ে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেয় সেলফি পরিবহনের বাসটি। বরংগাইল বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পৌঁছালে আরেকটি বাসকে ওভারটেক করার সময় বাসটির চাকা ফেটে যায়। বেপরোয়া গতির কারণে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুই সেতুর মাঝখানের একটি খালে পড়ে যায়। দুর্ঘটনার পরপরই আহতদের উদ্ধার করে বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে হাসপাতালে নেওয়ার পর দেলোয়ার হোসেন (৫০) নামে এক যাত্রী চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
এ বিষয়ে বরংগাইল হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুন অর রশিদ জানান, পাটুরিয়া থেকে ঢাকাগামী সেলফি পরিবহনের বাসটির সামনের চাকা ফেটে যায়। সে সময় চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে বাসটি সড়কের পাশের খালে পড়ে যায়। এই দুর্ঘটনায় ১০ থেকে ১২ জন যাত্রী আহত হন। তাদের হাসপাতালে নেওয়ার পর সেখানে একজন যাত্রীর মৃত্যু হয়েছে।
তিনি আরও জানান, দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
৩০ দিন আগে
ফেনীতে বাসচাপায় প্রাণ গেল পথচারী নারীর
ফেনীর পুরাতন মুহুরীগঞ্জ এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক পার হওয়ার সময় যাত্রীবাহী বাসের চাপায় নাজমা আক্তার (৩৫) নামে এক পথচারী নিহত হয়েছেন।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।নিহত নাজমার বাড়ি ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলার সমিতি বাজার এলাকায়।
ফাজিলপুর হাইওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবু নোমান জানান, দুপুরে নাজমা আক্তার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক পার হয়ে পুরাতন মুহুরীগঞ্জ বাজারের দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় ফেনী থেকে ছেড়ে আসা একটি যাত্রীবাহী বাস তাকে চাপা দিলে তিনি গুরুতর আহত হন।
পরে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় পুলিশ তাকে উদ্ধার করে ছাগলনাইয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এসআই আবু নোমান আরও জানান, দুর্ঘটনার সঙ্গে জড়িত বাসটি জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
৩২ দিন আগে
পাবনায় লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্সে বাসের ধাক্কায় নিহত ৩
পাবনার আতাইকুলা থানা এলাকায় লাশবাহী একটি অ্যাম্বুলেন্সে যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় অ্যাম্বুলেন্সচালকসহ ৩ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকাল ৬টার দিকে ঢাকা-পাবনা মহাসড়কের আতাইকুলা থানার সড়াডাঙ্গী এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন— ছলিম প্রামানিক (৭০), তার স্ত্রী বুলু খাতুন (৫৭) ও অ্যাম্বুলেন্সচালক রাজ শেখ (৩০)। নিহত ছলিম প্রামানিকের বাড়ি সাঁথিয়া উপজেলার নন্দনপুর ইউনিয়নের মাহমুদপুর গ্রামে। অ্যাম্বুলেন্সচালক রাজ শেখ পাবনা পৌর এলাকার উত্তর শালগাড়ীর জামাল শেখের ছেলে।
দুর্ঘটনায় ছলিম প্রামানিকের মেয়ে নাজনিন খাতুন (৪০), নাতি রিয়াদ সরদার (১৭) ও একই গ্রামের রেজাউল করিমের ছেলে নাফিজ (৮) আহত হয়েছেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে পাবনার মাধপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান জানান, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতাল থেকে কেয়া খাতুন নামে এক মেয়ের মরদেহ নিয়ে তার স্বজনরা পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার বাড়িতে ফিরছিলেন। পথে বিপরীত দিক থেকে আসা পাবনা এক্সপ্রেস নামের একটি যাত্রীবাহী বাস অ্যাম্বুলেন্সটিকে ধাক্কা দেয়। এতে অ্যাম্বুলেন্সচালক ও বুলু খাতুন ঘটনাস্থলেই নিহত হন।
তিনি আরও জানান, আহত চারজনকে উদ্ধার করে প্রথমে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ সময় দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের রামেক হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সষবেলা ১১টার দিকে হাসপাতালে নেওয়ার পথে ছলিম প্রামানিক মারা যান।
ওসি জানান, নিহত ছলিম প্রামানিক ও বুলু খাতুন অ্যাম্বুলেন্সে থাকা মৃত কেয়া খাতুনের নানা-নানি।
৩৩ দিন আগে
কুমিল্লায় বিআরটিসির বাস উল্টে আহত ১০
কুমিল্লার দাউদকান্দিতে একটি বিআরটিসি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে গিয়ে অন্তত ১০ যাত্রী আহত হয়েছেন।
বুধবার (১৭ জুন) দুপুর পৌনে ১টার দিকে উপজেলার ইলিয়টগঞ্জ বাজার এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
হাইওয়ে পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঢাকাগামী বিআরটিসি বাসটি হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়ক বিভাজকের ওপর উঠে যায়। একপর্যায়ে বাসটি উল্টে গেলে যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।
বাসের এক যাত্রী জানান, হঠাৎ করেই বাসটি দুলতে শুরু করে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই বাসটি সড়ক বিভাজকের ওপর উঠে উল্টে যায়। এ সময় যাত্রীরা চিৎকার করতে থাকেন। পরে স্থানীয় লোকজন এসে তাদের উদ্ধার করেন।
পরে আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়। আহতদের মধ্যে দুজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে ইলিয়টগঞ্জ হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকির সিকদার জানান, দুর্ঘটনা-কবলিত বাসটি উদ্ধারের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে এ ঘটনায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। কোনো ধরনের যানজটের সৃষ্টি হয়নি বলে জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা।
৬২ দিন আগে
গোপালগঞ্জে বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে ৫ জন নিহত
গোপালগঞ্জে বাস ও মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে সৃষ্ট দু্ঘটনায় ৫ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ২০ জন।
বৃহস্পতিবার (২৮ মে) দুপুরে ঢাকা খুলনা মহাসড়কে শহরতলীর বেদগ্রামে এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা পিরোজপুরগামী দোলা পরিবহনের একটি বাস শহরের বেদগ্রাম এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি বেপরোয়া মোটরসাইকেলের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এ সময় বাসটি গতি নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে বাসটি রাস্তার ওপর উল্টে যায় এবং সংঘর্ষে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায়। এর ফলে মোটরসাইলের দুই আরোহীসহ ৪ জন ঘটনাস্থলেই নিহত হন।
দুর্ঘটনার প্রায় সঙ্গে সঙ্গে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ স্থানীয়দের সহযোগিতায় আহতদের উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। তবে হাসপাতাল থেকে ১২ বছরের আরও একটি শিশুকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।
প্রাথমিকভাবে হতাহতদের পরিচয় শনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ। তবে নিহতদের মধ্য একজন অন্তঃসত্ত্বা নারী, একটি শিশু এবং ৩ জন পুরুষ রয়েছেন।
দুর্ঘটনার পর গোপালগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. কে এম বাবর, জেলা প্রশাসক মো. আরিফ উজ জামান ও পুলিশ সুপার হাবীবুল্লাহ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
৮২ দিন আগে