নিউইয়র্ক
‘ইউএন-কপস’ সম্মেলনে অংশ নিতে নিউইয়র্ক গেলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
জাতিসংঘের সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিতব্য পঞ্চম জাতিসংঘ পুলিশ প্রধানদের সম্মেলন ‘ইউএন-কপস’-এ অংশ নিতে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক গেলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ৮ জুলাই জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ হলে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অধিবেশনসহ সম্মেলনের বিভিন্ন প্লেনারি সেশনে অংশ নেবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
এবারের সম্মেলনে ‘জাতিসংঘ পুলিশের ভবিষ্যৎ রূপরেখা’, ‘জাতিসংঘ পুলিশিংয়ে উদ্ভাবন ও নতুন প্রযুক্তি’ এবং ‘আন্তঃদেশীয় চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি’ এই তিনটি বিষয়ে প্লেনারি আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া সম্মেলনের সাইডলাইন ইভেন্ট হিসেবে আয়োজিত উচ্চপর্যায়ের নৈশভোজেও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অংশ নেবেন।
নিউইয়র্কে অবস্থানকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জাতিসংঘের অপারেশনাল সাপোর্টবিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল অতুল খারে, পিস অপারেশনসবিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল জঁ-পিয়েরে লাক্রোয়া, পলিটিক্যাল ও পিস বিল্ডিংবিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল রোজমেরি এ. ডিকার্লোর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হবেন। এ ছাড়াও তিনি বিভিন্ন দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অংশগ্রহণ করবেন।
এসব বৈঠকে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের অবদান, বাংলাদেশ পুলিশের অংশগ্রহণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধি, বিশেষায়িত পুলিশ ইউনিট মোতায়েন, শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের ভবিষ্যৎ অগ্রাধিকার এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
দুই দিনব্যাপী (৭-৮ জুলাই) অনুষ্ঠেয় এ সম্মেলনে মন্ত্রী আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকিরসহ পাঁচ সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শনিবার (৪ জুলাই) দিবাগত রাত ১টা ৪০ মিনিটে এমিরেটস এয়ারলাইন্সের ইকে-৫৮৫ ফ্লাইটে ঢাকার হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে নিউইয়র্কের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন। সফর শেষে আগামী ১২ জুলাই তার দেশে ফেরার কথা রয়েছে।
১১ দিন আগে
দেশে ফিরছেন প্রধান উপদেষ্টা
নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ৮০তম সাধারণ পরিষদে (ইউএনজিএ) অংশগ্রহণ শেষে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাত ১১টা ১০ মিনিটে জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি বাণিজ্যিক ফ্লাইটে ওঠেন প্রধান উপদেষ্টা ও তার প্রতিনিধি দল।
বিমানবন্দরে প্রধান উপদেষ্টাকে বিদায় জানান জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী ও যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক মো. আরিফুল ইসলাম।
বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) সকালে প্রধান উপদেষ্টা দুবাই হয়ে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন বলে নির্ধারিত রয়েছে।
আরও পড়ুন: আসন্ন নির্বাচন ঘিরে জাতিসংঘ মহাসচিবের সহায়তা চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
এর আগে জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে তিনি গত ২২ সেপ্টেম্বর রাতে ঢাকা ত্যাগ করেন অধ্যাপক ইউনূস। পরে মঙ্গলবার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ হলে ‘রোহিঙ্গা ও মিয়ানমারের অন্যান্য সংখ্যালঘুদের পরিস্থিতি’ বিষয়ে উচ্চপর্যায়ের সম্মেলনে যোগদানের মধ্য দিয়ে সফর শেষ করেন।
২৬ সেপ্টেম্বর ইউএনজিএ—এর ৮০তম অধিবেশনে ভাষণ দেন প্রধান উপদেষ্টা এবং অধিবেশনের ফাঁকে বিভিন্ন দেশের নেতাদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেন।
পরে ২৯ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। সেখানে আসন্ন জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে আগামী কয়েক মাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে উল্লেখ করে তার সহায়তা চান প্রধান উপদেষ্টা। এ সময় বাংলাদেশে চলমান গণতান্ত্রিক উত্তরণ ও সংস্কার উদ্যোগে পূর্ণ সমর্থন ও সংহতি প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব।
এ ছাড়া নিউইয়র্কে সোশ্যাল বিজনেস, ইয়ুথ অ্যান্ড টেকনোলজি বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের সাইড ইভেন্টে বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক ইউনূস।
নিউইয়র্ক সফরে তার সঙ্গী হিসেবে ছিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন ও যুগ্ম আহ্বায়ক ডা. তাসনিম জারা ঢাকা থেকে প্রতিনিধি দলের সঙ্গে যোগ দেন। এ ছাড়া জামায়াত নেতা নকিবুর রহমান তারেক যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রতিনিধি দলে যুক্ত হন।
২৮৯ দিন আগে
নিউইয়র্কে অধ্যাপক ইউনুস ও তার সফরসঙ্গীদের নিরাপত্তা জোরদার
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে এসে সোমবার নিউ ইয়র্কের জন. এফ কেনেডি বিমানবন্দরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন এবং যুগ্ম সদস্য সচিব তাসনিম জারাসহ রাজনৈতিক নেতাদের ওপর উদ্দেশ্যমূলক হামলার ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।
সরকারের দাবি, ক্ষমতাচ্যুত স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার সহযোগী এবং সমর্থকরা এই হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘আমরা দেশের অভ্যন্তরে এবং আন্তর্জাতিকভাবে গণতান্ত্রিক নীতি ও আইনের শাসন সমুন্নত রাখার প্রতি আমাদের অটল অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করছি। রাজনৈতিক সহিংসতা এবং ভীতি প্রদর্শনের ঘটনা, তা বাংলাদেশের ভেতরে হোক বা এর সীমানার বাইরে হোক, কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না। এ ধরনের ঘটনায় যথাযথ আইনি ও কূটনৈতিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, এ ঘটনার পর প্রধান উপদেষ্টা ও সরকারি প্রতিনিধিদলের সব সদস্যের নিরাপত্তা উল্লেখযোগ্যভাবে জোরদার করা হয়েছে।
সরকার বলেছে, ‘এই নিন্দনীয় ঘটনার মধ্য দিয়ে শেখ হাসিনার শাসনামলে গড়ে ওঠা বিধ্বংসী ও সহিংস রাজনৈতিক সংস্কৃতির এক স্পষ্ট ও মর্মান্তিক চিত্র প্রকাশ পেয়েছে। এই বিধ্বংসী রাজনৈতিক সংস্কৃতির অবসান ঘটিয়ে একটি শান্তিপূর্ণ, গণতান্ত্রিক এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দৃঢ় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’
প্রধান উপদেষ্টা এবং তার সঙ্গে থাকা রাজনৈতিক নেতাদের সফরের সময় সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকির আশঙ্কায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিভিন্ন পর্যায়ে একাধিক সতর্কতামূলক নিরাপত্তা ব্যবস্থা সমন্বয় করেছিল। জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর প্রতিনিধিদলটিকে প্রথমে একটি নির্দিষ্ট ভিভিআইপি গেট দিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় এবং একটি বিশেষভাবে সুরক্ষিত পরিবহন ইউনিটে ওঠানোও হয়েছিল। তবে, অপ্রত্যাশিত এবং শেষ মুহূর্তের ভিসা-সম্পর্কিত জটিলতার কারণে প্রতিনিধিদলটিকে পথ পরিবর্তন করে বিকল্প পথে অগ্রসর হতে হয়।
বিমানবন্দরে রাজনৈতিক নেতাদের জন্য ভিভিআইপি প্রবেশাধিকার এবং নিরাপত্তা সুবিধা দেওয়ার জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে আনুষ্ঠানিক অনুরোধ করা সত্ত্বেও বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ দুঃখজনকভাবে সেই অনুরোধ রাখেনি। এর ফলে প্রতিনিধিদলের সদস্যরা ঝুঁকির মুখে পড়েন বলে বিবৃতিতে জানানো হয়।
ঘটনার পরপরই, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার নিউইয়র্কে বাংলাদেশ মিশনের মাধ্যমে দ্রুত এবং আইনানুগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে নিউইয়র্ক পুলিশ ডিপার্টমেন্টের সঙ্গে যোগাযোগ করে।
সরকার জানিয়েছে, ‘আমাদের জানানো হয়েছে যে ইতোমধ্যেই একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং বর্তমানে ঘটনাটির আনুষ্ঠানিক তদন্ত চলমান।’
সরকার আরও বলেছে, এই ঘটনার পর প্রধান উপদেষ্টা এবং প্রতিনিধিদলের সকল সদস্যের নিরাপত্তা ব্যবস্থা উল্লেখযোগ্যভাবে জোরদার করা হয়েছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বিদেশে তার প্রতিনিধিদের নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল এবং স্থানীয় আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সাথে সার্বক্ষণিক ঘনিষ্ঠ এবং অবিচ্ছিন্ন সমন্বয় রেখে যাচ্ছে।
২৯৬ দিন আগে
নিউইয়র্কে অফিস ভবনে গুলিতে বাংলাদেশি অভিবাসীসহ নিহত ৪
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে একটি বহুতল অফিস ভবনে এক বন্দুকধারীর হামলায় এক বাংলাদেশি অভিবাসীসহ চারজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও একজন আহত হয়েছেন। এরপর হামলাকারী নিজেও আত্মহত্যা করেন।
স্থানীয় সময় সোমবার (২৮ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে নিউইয়র্কের ৩৪৫ পার্ক অ্যাভিনিউ নামের একটি বাণিজ্যিক অফিস ভবনে এ ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় পুলিশ কমিশনার জেসিকা টিশ এমন তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ঘটনার পর এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, বন্দুকধারীর হামলায় পাঁচজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। এর মধ্যে ৪ জন নিহত হয়েছেন। আরেকজন চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
তিনি আরও জানান, নিহতদের মধ্যে রয়েছেন ৩৬ বছর বয়সী পুলিশ কর্মকর্তা দিদারুল ইসলাম। তিনি বাংলাদেশি অভিবাসী এবং নিউ ইয়র্ক সিটি পুলিশ বিভাগে তিন বছর ছয় মাস কর্মরত ছিলেন।
পুলিশ জানিয়েছে, বন্দুকধারীর নাম শেন তামুরা, তিনি লাস ভেগাসের বাসিন্দা ছিলেন। হামলার পরপরই তিনি আত্মহত্যা করেন। তার মানসিক স্বাস্থ্য-সংক্রান্ত ইতিহাস রয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে শেন এই ঘটনা ঘটিয়েছেন, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি বলে জানান জেসিকা।
আরও পড়ুন: ইরানে আদালতে সশস্ত্র হামলায় নিহত ৯, আহত ২২
নিউ ইয়র্ক সিটির মেয়র এরিক অ্যাডামস জানিয়েছেন, হামলায় চারজন নিহত হয়েছেন, একজন গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাছাড়া ঘটনাস্থল থেকে পালাতে গিয়ে আরও চারজন সামান্য আহত হয়েছেন।
ওই এলাকার একটি নজরদারি ক্যামেরায় অস্ত্র হাতে সানগ্লাস পরা একজন ব্যক্তিকে হেঁটে যেতে দেখা যায়, যাকে সন্দেহভাজন হামলাকারী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
অন্য একটি পর্যবেক্ষণ ক্যামেরায় দেখা যায়, এক ব্যক্তি একটি ডাবল পার্ক করা বিএমডব্লিউ গাড়ি থেকে নেমে এম৪ রাইফেল হাতে ভবনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন।
পুলিশ কমিশনার জেসিকা জানান, তিনি ভবনে প্রবেশের সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশ কর্মকর্তার ওপর গুলি চালান এবং এরপর এক নারীকে গুলি করেন। পরে লবির ভেতর এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়তে থাকেন ওই বন্দুকধারী।
এরপর তিনি লিফটের দিকে এগিয়ে যান এবং নিরাপত্তা ডেস্কের পেছনে লুকিয়ে থাকা এক নিরাপত্তারক্ষীকে গুলি করেন। একই সঙ্গে লবিতে থাকা আরও একজনকে গুলি করেন বলে জানান কমিশনার।
পরে লিফটে করে ৩৩ তলায় একটি রিয়েল এস্টেট ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানে যান এবং সেখানে একজনকে গুলি করে হত্যা করেন। এরপর তিনি আত্মহত্যা করেন।
আরও পড়ুন: রাশিয়ায় ৫০ বছর পুরোনো বিমান বিধ্বস্তে সব আরোহী নিহত
সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ কমিশনার বলেন, সন্দেহভাজন ব্যক্তির গাড়ি থেকে একটি এম৪ রাইফেল ও গুলিভর্তি ম্যাগাজিনসহ একটি রিভলবার উদ্ধার করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী জেসিকা চেন জানান, তিনি দ্বিতীয় তলায় একটি প্রেজেন্টেশন দেখছিলেন, তখন প্রথম তলা থেকে একাধিক গুলির শব্দ শুনতে পান। পরে তারা একটি সম্মেলনকক্ষে আশ্রয় নেন এবং দরজার সামনে টেবিল ঠেলে ব্যারিকেড তৈরি করেন।
জেসিকা চেন বলেন, ‘আমরা সত্যিই খুব, খুব ভয় পেয়েছিলাম।’
৩৫৩ দিন আগে
নিউইয়র্কে বন্দুকধারীর গুলিতে নিহত ইউসুফের পরিবার শোকাহত
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের বাফেলোতে বন্দুকধারীর গুলিতে নিহত সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার আবু সালেহ মো. ইউসুফ জনির বাড়িতে চলছে শোকের মাতম।
শনিবার (২৭ এপ্রিল) স্থানীয় সময় বেলা সাড়ে ১২টার দিকে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের জেনার স্ট্রিটে বন্দুকধারীর গুলিতে নিহত হন কানাইঘাট ঝিঙ্গাবাড়ি ইউনিয়নের তিনচটি গ্রামের সাবেক মেম্বার নুরুল হকের ছেলে ইউসুফ জনি ও কুমিল্লা জেলার বাবুল উদ্দিন।
বন্দুকধারীর গুলিতে নিহত আবু সালেহ ইউসুফ জনির মৃত্যুর সংবাদ তার পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনরা জানার পর পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ১০ মাস পূর্বে স্ত্রী এবং দুই মেয়ে শিশুকে নিয়ে স্থায়ী বসবাসের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান ইউসুফ জনি। সেখানে একটি পেইন্টিং কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন তিনি। তার পরিবারের সদস্যরা সিলেট শহরের মেজরটিলায় বসবাস করে আসছেন। ইউসুফ জনির মৃত্যুর সংবাদ প্রথমে তার পরিবারের কাছে জানান যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত কানাইঘাটের দুলাল আহমদ।
৩ ভাই ও ১ বোনের মধ্যে সবার বড় ছেলে ইউসুফ জনি। নিহতের সিলেট শহরের বাসায় চলছে শোকের মাতম। নিহত দু’জনের লাশ নিইউয়র্ক পুলিশের হেফাজতে রয়েছে।
আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুক হামলায় ফের নিহত ২
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের বাফেলো শহরে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশি ও বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, হত্যার শিকার ইউসুফ জনি ও বাবুল উদ্দিন বাফেলোর জেনার স্ট্রিটে ১০০ ব্লকে একটি বাসার রঙয়ের কাজে ছিলেন। এ সময় কয়েকজন দুর্বৃত্ত বাবুল উদ্দিনের কাছে চাঁদা দাবি করে।
চাঁদা না দেওয়ায় তারা বাবুল উদ্দিনকে ছুরিকাঘাত করলে তাকে রক্ষা করতে ইউসুফ জনি এগিয়ে যান। ওই সময় আততায়ী বন্দুকধারীরা তাদের দু’জনকে গুলি করে হত্যা করে। তারা দু’জনই কিছুদিন আগে বাফেলোতে স্থান পরিবর্তন করেছিলেন বলে জানা গেছে।
বাফেলো পুলিশের মুখপাত্র মাইকেল জে ডিজর্জ বলেন, শনিবার (২৭ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১২টার জেনার স্ট্রিটে ১০০ ব্লকে গুলির খবর পায় পুলিশ। পরে পুলিশের সোয়াট টিমও ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। পুলিশ দু’জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করলেও এ ঘটনায় জড়িতদের বিষয়ে কিছুই জানায়নি।
এই হত্যার খবর ছড়িয়ে পড়লে বাফেলো বাংলাদেশি কমিউনিটির মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে। পাশাপাশি প্রবাসীদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দেয়।
প্রবাসীরা জানিয়েছেন, শোকসন্তপ্ত দুই পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে তারা হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবিতে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করবেন বলে জানান।
আরও পড়ুন: রাশিয়ায় কনসার্ট হলে বন্দুক হামলায় নিহত ৬০ ও আহত ১৪৫, আইএসের দায় স্বীকার
৮০৯ দিন আগে
নিউইয়র্ক পুলিশের গুলিতে বাংলাদেশি নিহতের ঘটনায় তদন্ত হচ্ছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কুইন্স এলাকায় নিউইয়র্ক পুলিশের গুলিতে বাংলাদেশি তরুণ নিহতের ঘটনার তদন্ত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।
শনিবার দুপুরে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ তথ্য জানান।
এ বিষয়ে ড. হাছান বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রে পুলিশের গুলিতে নিহত বাংলাদেশি যুবক উইন রোজারিওর বাসায় গিয়ে পরিবারের সঙ্গে দেখা করেছেন নিউইয়র্কে নিযুক্ত বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল। পরিবারের সঙ্গে কথা বলে বোঝা যায় যে, পুলিশের গুলি করার প্রয়োজন ছিল না। এট অত্যন্ত দুঃখজনক। আমরা এ ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছি এবং এর তদন্ত হচ্ছে। তদন্তে পুলিশের 'অতিরিক্ত প্রতিক্রিয়া' বা দোষ প্রমাণিত হলে কর্তৃপক্ষ অবশ্যই উপযুক্ত ব্যবস্থা নেবেন বলে আমরা আশা করি।’
সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, ‘সোমালি জলদস্যুদের কবল থেকে নাবিকদের নিরাপদে উদ্ধার ও এমভি আব্দুল্লাহ জাহজকে মুক্ত করার জন্য সোমালিদের সঙ্গে যোগাযোগ চলছে। খুব শিগগিরই আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হবে আশা করি।’
আরও পড়ুন: মুক্তিযোদ্ধার ছদ্মাবরণে জিয়াউর রহমান ছিলেন পাকিস্তানের চর: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
তিনি জানান, বাংলাদেশি নাবিকরা সবাই কেবিনে আছেন, ভালো আছেন। তাদের ওপর জলদস্যুরা কোনো নির্যাতন করছে না।
বাংলাদেশে ঢুকে পড়া মিয়ানমারের সামরিক সদস্যদের ফেরত পাঠানো প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ জানান, মিয়ানমারের মেজর, ক্যাপ্টেন ও সার্জেন্ট র্যাংকের তিন সামরিক সদস্য নতুন করে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছেন। তারা বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) হেফাজতে আছেন। এই তিনজনসহ বাংলাদেশে আগে ঢুকে পড়া মিয়ানমারের সব সামরিক সদস্যকে খুব শিগগিরই নৌপথে ফেরত পাঠানো হবে।
আরও পড়ুন: ইসরায়েলির পুরস্কার নিয়ে গণহত্যার পক্ষ নিয়েছেন ড. ইউনূস: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
৮৩৮ দিন আগে
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৮তম অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৭৮তম অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
প্রধানমন্ত্রী এবং তার সফরসঙ্গীরা রবিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় রাত ১০টা ৪২ মিনিটে নিউইয়র্কে জেএফ কেনেডি বিমানবন্দরে পৌঁছায়।
জাতিসংঘে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ও স্থায়ী প্রতিনিধি মুহাম্মদ আবদুল মুহিত এবং যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মুহাম্মদ ইমরান বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানান।
আরও পড়ুন: ৭৮তম ইউএনজিএ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
এছাড়া প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।
১৭ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে অবস্থানকালে প্রধানমন্ত্রী ১৯ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সদর দপ্তরের সাধারণ পরিষদ হলে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৮তম অধিবেশনের উচ্চ পর্যায়ের সাধারণ বিতর্কের প্রথম দিনে যোগ দেবেন এবং ২২ সেপ্টেম্বর স্থানীয় সময় দুপুর ১টা থেকে ২টার মধ্যে ভাষণ দেবেন।
১৯ সেপ্টেম্বর মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন আয়োজিত নৈশভোজে যোগ দিতেও শেখ হাসিনাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে তিনি রোহিঙ্গা ও জলবায়ু পরিবর্তন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি), সার্বজনীন স্বাস্থ্য ও অর্থায়নসহ বেশ কয়েকটি উচ্চ পর্যায়ের সাইড ইভেন্টে যোগ দেবেন।
প্রধানমন্ত্রী ১৮ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কের রকফেলার সেন্টারে ইউনিডো ও ডেলয়েট আয়োজিত 'থট ফর ফুড-কোলাবরেটিং ফর ফুড সাপ্লাই চেইন ইনোভেশন টু অ্যাক্সিলারেট দ্য এসডিজি’স' শীর্ষক উচ্চ পর্যায়ের সম্মেলনে বক্তব্য পেশ করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সম্পর্কে সজাগ থাকুন: প্রধানমন্ত্রী
একই দিন ট্রাস্টিশিপ কাউন্সিল চেম্বারে 'এসডিজি সামিট-লিডার্স ডায়ালগ-৪' (এসডিজি অর্জনে সমন্বিত নীতি ও সরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহকে শক্তিশালী করা) শীর্ষক আরেকটি সম্মেলনে ভাষণ দেবেন তিনি।
সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী নিউইয়র্কে লেক্সিংটন ভেন্যুতে জাতিসংঘ মহাসচিবের গ্লোবাল এডুকেশন বিষয়ক বিশেষ দূত গর্ডন ব্রাউন এবং গ্লোবাল বিজনেস কোয়ালিশন ফর এডুকেশনের এক্সিকিউটিভ চেয়ার সারাহ ব্রাউন আয়োজিত জাতিসংঘের ২০২৩ টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) শীর্ষ সম্মেলন উপলক্ষে আয়োজিত একটি উচ্চ পর্যায়ের ব্যক্তিগত নৈশভোজে যোগ দেবেন।
তিনি ১৯ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সদর দপ্তরের সিআর-১৬ এ স্পেনের প্রধানমন্ত্রী এবং ইউরোপীয় কাউন্সিল ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) প্রেসিডেন্ট আয়োজিত 'টুওয়ার্ডস আ ফেয়ার ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্সিয়াল আর্কিটেকচার' শীর্ষক উচ্চ পর্যায়ের গোলটেবিল বৈঠকে ভাষণ দেবেন।
একই দিন শেখ হাসিনা জাতিসংঘ সদর দপ্তরের সিআর-১১ এ বাংলাদেশ, অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডা, ভুটান, চীন, মালয়েশিয়া, চ্যাথাম হাউস এবং সূচনা ফাউন্ডেশনের যৌথ আয়োজনে চিকিৎসা সেবাভিত্তিক কমিউনিটি ক্লিনিক বিষয়ক একটি উচ্চ পর্যায়ের সাইড ইভেন্টে যোগ দেবেন।
প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ সদর দপ্তরের দ্বিপক্ষীয় বুথে ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন এবং শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট রনিল বিক্রমাসিংহের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন।
অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার পর তিনি ২৩ সেপ্টেম্বর সকাল ৯টায় (নিউইয়র্ক সময়) ওয়াশিংটন ডিসির উদ্দেশে নিউইয়র্ক ত্যাগ করবেন এবং সেখানে ২৩-২৯ সেপ্টেম্বর অবস্থান করবেন।
এরপর ২৯ সেপ্টেম্বর ব্রিটিশ এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে (বিএ-২৯২) লন্ডনের উদ্দেশে ওয়াশিংটন ডিসি ত্যাগ করবেন এবং ৩০ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টায় লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দরে অবতরণ করবেন।
যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনিম বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানাবেন।
প্রধানমন্ত্রী ৩ অক্টোবর রাত ৮টা ৩৫ মিনিটে (লন্ডন সময়) বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের (বিজি ২০৮) একটি ফ্লাইটে ঢাকার উদ্দেশে লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর ত্যাগ করবেন এবং ৪ অক্টোবর বাংলাদেশ সময় দুপুর সাড়ে ১২টায় ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবেন।
আরও পড়ুন: জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে রবিবার নিউইয়র্ক যাবেন প্রধানমন্ত্রী
১০৩৩ দিন আগে
নিউইয়র্ক মাতাচ্ছে 'সুড়ঙ্গ'
ঈদুল আযহায় মুক্তি পাওয়া আলোচিত সিনেমা 'সুড়ঙ্গ'। রায়হান রাফির পরিচালনায় এর মধ্য দিয়ে বড়পর্দায় অভিষেক হয় আফরান নিশোর। সঙ্গে জুটি বাঁধেন তমা মির্জা।
বাংলাদেশে ব্যাপক সফলতার পর আমেরিকাতেও বাঙালিদের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে 'সুড়ঙ্গ'।
সুখবরটি নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে শেয়ার করে রাফি জানান, যুক্তরাষ্ট্রে সিনেমা প্রেমীদের প্রশংসার জোয়ারে ভাসছে 'সুড়ঙ্গ'।
আরও পড়ুন: সৌদি আরবের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে ‘সুড়ঙ্গ’
নিউইয়র্ক ও ক্যালিফোর্নিয়ায় প্রিমিয়ার শো শেষে সিনেমাটি নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন দর্শকরা।
দেশের বাইরে বিভিন্ন প্রেক্ষাগৃহে একযোগে চলার পাশাপাশি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের ৩১টি হলে মুক্তি পায় রায়হান রাফি নির্মিত সিনেমা 'সুড়ঙ্গ'। আগামী ২৮শে জুলাই যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার আরও মোট ১০৮টি হলে মুক্তি পাবে সিনেমাটি।২১ তারিখ জামাইকা মাল্টিপ্লক্সে মুক্তি পায় 'সুড়ঙ্গ'।সেখানে ২৫ তারিখের শো পর্যন্ত হাউজফুল যায়। রাফি তার আরেক পোস্টে এই তথ্যও তুলে ধরেন।
আরও পড়ুন: দর্শক আগ্রহে এগিয়ে ‘সুড়ঙ্গ’, ‘প্রিয়তমা’ ও ‘প্রহেলিকা’
৩০ হলে দেখা যাবে ‘সুড়ঙ্গ’
১০৮৭ দিন আগে
নিউইয়র্কে এমপি গোলাপের ৯ বাড়ি: অনুসন্ধান চেয়ে সুমনের রিট
ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য মো. আবদুস সোবহান মিয়ার (গোলাপ) যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে ৪০ লাখ ডলার ব্যয়ে ৯টি বাড়ি কেনার বিষয়ে অনুসন্ধানের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে।
রবিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন এ রিট দায়ের করেন।
আরও পড়ুন: টিপু-প্রীতি হত্যা: বিডি বাবুকে জামিন দেননি হাইকোর্ট
ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন জানান, বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চে রিট আবেদনটি চলতি সপ্তাহে শুনানি হতে পারে।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার, দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান, এনবিআরের চেয়ারম্যান, স্বরাষ্ট্র সচিবকে রিটে বিবাদী করা হয়েছে।
রিটে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য মো. আবদুস সোবহান মিয়ার (গোলাপ) যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে ৪০ লাখ ডলার বাড়ি কেনার বিষয়ে প্রতিবেদন সংযুক্ত করা হয়েছে।
তথ্য অনুসন্ধানী সাংবাদিকদের বৈশ্বিক নেটওয়ার্ক ‘অর্গানাইজড ক্রাইম অ্যান্ড করাপশন রিপোর্টিং প্রজেক্ট’ বা ওসিসিআরপি তাদের ওয়েবসাইটে করা একটি প্রতিবেদন প্রকাশি করে।
সেখানে উল্লেখ করা হয়, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য মো. আবদুস সোবহান মিয়া (গোলাপ) যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে ৪০ লাখ ডলার ব্যয়ে একাধিক বাড়ি কিনেছেন।
এছাড়া বিষয়টি নির্বাচনী হলফনামায় তিনি উল্লেখ করেননি।
ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মো. আবদুস সোবহান মিয়া ২০১৪ সালে প্রথম নিউইয়র্কে অ্যাপার্টমেন্ট কেনা শুরু করেন। ওই বছর নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটস এলাকায় একটি সুউচ্চ ভবনে অ্যাপার্টমেন্ট কেনেন তিনি। পরের পাঁচ বছরে তিনি নিউইয়র্কে একে একে মোট ৯টি প্রপার্টি বা সম্পত্তির (ফ্ল্যাট বা বাড়ি) মালিক হন। এসব সম্পত্তির মূল্য ৪০ লাখ ডলারের বেশি (ডলারের বর্তমান বিনিময় মূল্য অনুযায়ী প্রায় ৪২ কোটি টাকা)।
মো. আবদুস সোবহান মিয়া ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে মাদারীপুর-৩ আসন থেকে জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হন।
গত ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের জাতীয় সস্মেলনে দলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে তিনি প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদকের পদ পান।
এছাড়া তিনি দলের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদকও ছিলেন।
আরও পড়ুন: অনলাইন প্লাটফর্মে ফারাজ সিনেমাটি প্রদর্শন ও প্রচার বন্ধের নির্দেশ হাইকোর্টের
ইবিতে ছাত্রীকে শারীরিক নির্যাতন: ৩ সদস্যের কমিটি গঠনের নির্দেশ হাইকোর্টের
১২৩৬ দিন আগে
বাংলাদেশের প্রতি জাতিসংঘের অব্যাহত সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করলেন আন্তোনিও গুতেরেস
জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস চলমান বৈশ্বিক সংঘাত, আর্থিক, জ্বালানি ও খাদ্য সংকট ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবের কারণে উদ্ভূত চ্যালেঞ্জসমূহ মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রতি জাতিসংঘের অব্যাহত সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন।
নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন-এর সঙ্গে রবিবার সাক্ষাৎকালে তিনি এমন মন্তব্য করেন।
এই প্রেক্ষাপটে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্ল্যাক সি গ্রেইন উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান যা বিশ্বের বিভিন্ন দেশকে সার ও শস্য আমদানির মাধ্যমে তাদের খাদ্য সংকট মোকাবিলায় সহায়তা করে।
আরও পড়ুন: আল জাজিরার সাংবাদিক হত্যায় শোকাহত জাতিসংঘের মহাসচিব, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি
আন্তোনিও গুতেরেস জানান যে লাটভিয়া, এস্তোনিয়া, বেলজিয়াম ও নেদারল্যান্ডসে সারের কাঁচামালের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে যা বাংলাদেশ সাশ্রয়ী মূল্যে আমদানির কথা বিবেচনা করতে পারে।
মহাসচিবকে ধন্যবাদ জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আশ্বস্ত করেন যে বাংলাদেশ এই সুযোগ কাজে লাগানোর কথা বিবেচনা করবে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশের অসাধারণ উন্নয়নের গতিধারার প্রশংসা করে মহাসচিব কামনা করেন যে বাংলাদেশ আগামী বছরগুলোতে বিশেষ করে এসডিজি অর্জনে আরও সাফল্য অর্জন করবে।
জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে শীর্ষ সেনা ও পুলিশ সদস্য প্রেরণকারী দেশ হিসেবে আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় বাংলাদেশের ধারাবাহিক নেতৃত্বেরও প্রশংসা করেন তিনি।
সম্প্রতি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে মিয়ানমারের ওপর গৃহীত রেজ্যুলেশনের পরিপ্রেক্ষিতে রোহিঙ্গা সংকট ও এর সম্ভাব্য উত্তরণের উপায় নিয়েও আলোচনা করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও মহাসচিব।
তারা এই সংকট সমাধানে আসিয়ানের কার্যকর নেতৃত্বের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এই প্রেক্ষিতে মহাসচিব ১ দশমিক ২ মিলিয়ন রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেয়ার জন্য বাংলাদেশের উদারতার ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং মিয়ানমারে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের তাদের মাতৃভূমি মিয়ানমারে ফেরাতে জাতিসংঘের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন।
মহাসচিবের সঙ্গে সাক্ষাতের আগে পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাধারণ পরিষদের সভাপতি সাবা কোরেসি ডিপার্টমেন্ট অব পিসবিল্ডিং অ্যান্ড পলিটিক্যাল অ্যাফেয়ার্স (ডিপিপিএ)-এর আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল রোজমেরি ডিকার্লো ও পিস অপারেশন বিভাগের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল জ্যঁপিয়েরে ল্যাক্রুয়া সঙ্গেও বৈঠক করেন।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশ ‘উন্নয়নের বিস্ময়’: বললেন জাতিসংঘের মহাসচিব
সাধারণ পরিষদের সভাপতির সঙ্গে বৈঠকের সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।
বিশেষভাবে তিনি সভাপতির সঙ্গে সাউথ-সাউথ কো-অপারেশন বিষয়ে বাংলাদেশ কর্তৃক একটি মন্ত্রী পর্যায়ের নতুন ফোরাম প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করেন।
উপরোক্ত উদ্যোগের জন্য পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে সভাপতি সাম্প্রতিক সময়ে জাতিসংঘের বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশের অসাধারণ নেতৃত্ব, কার্যকর সম্পৃক্ততা ও উল্লেখযোগ্য অবদানের প্রশংসা করেন এবং বাংলাদেশের সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
ডিপিপিএ-এর আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেলের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশ জাতিসংঘের শান্তি বিনির্মাণ কমিশনে (পিবিসি) চেয়ারম্যান থাকাকালীন ২০২২ সালের বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার প্রশংসা করেন আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল।
পিস অপারেশন বিভাগের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেলের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল ভবিষ্যতে জাতিসংঘের পিসকিপিং মিশনসমূহে যৌথ উদ্যোগে শান্তিরক্ষী মোতায়েনের জন্য সম্প্রতি বাংলাদেশ ও গাম্বিয়ার মধ্যে সমাপ্ত দ্বিপক্ষীয় চুক্তিকে স্বাগত জানান।
তিনি আশ্বস্ত করেন যে তার বিভাগ এমন উদ্যোগকে উৎসাহিত করবে যাতে শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা থেকে অন্যান্য দেশ উপকৃত হতে পারে।
এই প্রেক্ষাপটে ড. মোমেন জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা অপারেশনে বাংলাদেশের অব্যাহত প্রতিশ্রুতি এবং প্রয়োজনে আরও শান্তিরক্ষী ও সরঞ্জাম সরবরাহের জন্য তার প্রস্তুতির কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।
উপরোল্লিখিত বৈঠকসমূহ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ আব্দুল মুহিত উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: পুতিন ও জেলেনস্কির সঙ্গে দেখা করবেন জাতিসংঘের মহাসচিব
১২৩৭ দিন আগে