বিশ্ববিদ্যালয়
বিশ্ববিদ্যালয় যৌন হয়রানি-সংক্রান্ত অভিযোগ আমলে না নিলে ব্যবস্থা নেবে ইউজিসি
দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে যৌন হয়রানি প্রতিরোধে কমিটি গঠন করাই যথেষ্ট নয়, বরং এসব কমিটিকে অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ। যৌন হয়রানি-সংক্রান্ত অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নিলে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) আগারগাঁওয়ে ইউজিসি ভবনে ইউজিসি ও ইউএন উইমেনের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
কর্মক্ষেত্র, জনপরিসর ও উচ্চশিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যৌন ও লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে পরিচালিত একটি প্রকল্পের আওতায় এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।
ইউজিসি চেয়ারম্যান বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী দেশের সব সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং কয়েকটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে যৌন হয়রানি প্রতিরোধে কমিটি গঠন করা হয়েছে। তবে ইউজিসির পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, অনেক ক্ষেত্রে এসব কমিটি প্রত্যাশা অনুযায়ী কাজ করছে না।
তিনি বলেন, ‘কমিটি শুধু গঠন করলেই হবে না, সেটিকে কার্যকরভাবে কাজ করতে হবে। কোনো নারী অভিযোগ করার পর দায়িত্বপ্রাপ্ত কেউ যেন বলতে না পারে—এটা আমার কাজ নয়।’
প্রতিটি অভিযোগ দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে ড. মামুন আহমেদ বলেন, এ ক্ষেত্রে কোনো বিশ্ববিদ্যালয় দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে ইউজিসি ব্যবস্থা নেবে।
তিনি বলেন, নারী শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে নিরাপদ ও সহায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। যৌন হয়রানি ও লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতার বিরুদ্ধে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি শূন্য সহনশীলতার নীতি কার্যকর করতে হবে।
যৌন হয়রানি ও লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কার্যক্রম সমন্বয় ও তদারকির জন্য জাতীয় পর্যায়েও একটি কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানান ইউজিসি চেয়ারম্যান। প্রস্তাবিত কমিটিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও ইউজিসির প্রতিনিধিরা থাকবেন। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অভিযোগ গ্রহণ ও প্রতিকার ব্যবস্থা এবং প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম সমন্বয় ও তদারকিতে এ কমিটি কাজ করবে।
১২ দিন আগে
বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা ও উদ্ভাবনে জোর দেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
উচ্চ শিক্ষিতদের মধ্যে বেকারত্বের হার বৃদ্ধির কারণ হিসেবে দক্ষতা অর্জনে ব্যর্থতাকে দায়ী করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একইসঙ্গে গবেষণা ও উদ্ভাবনে জোর দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার (১২ মে) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে আয়োজিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
‘বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষা রূপান্তর: টেকসই উৎকর্ষতার রোডম্যাপ’ শীর্ষক এই কর্মশালার আয়োজন করে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, মেধাপাচার রোধ করে মেধা লালন করে দেশ গড়তে চায় সরকার। আমরা এমন শিক্ষাব্যবস্থা গড়তে চাই যেন প্রতিটি শিক্ষার্থী নিজের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে পারেন। আমরা মনে করি, প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা স্তরে কারিকুলাম নতুন করে সাজানো সময়ের দাবি।
এ সময় আক্ষেপ প্রকাশ করে তিনি বলেন, একবিংশ শতাব্দীতে শিক্ষা, গবেষণা ও জ্ঞানের উৎকর্ষ অর্জনের ক্ষেত্রে বিশ্বখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয় র্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অবস্থান এখনও প্রত্যাশিত উচ্চতায় পৌঁছেনি।
তারেক রহমান বলেন, র্যাংকিংয়ের ক্ষেত্রে সাধারণত গবেষণা প্রকাশনা, সাইটেশন এবং উদ্ভাবনকেই গুরুত্ব দেওয়া হয়। শুধু পুথিগত শিক্ষা নয়, গবেষণা ও উদ্ভাবনের দিকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নজর না দিলে প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে টিকে থাকা কষ্টকর হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ে উদ্ভাবন ও গবেষণা এগিয়ে নিতে সরকারি বরাদ্দের পাশাপাশি অ্যালামনাইদের ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, শিক্ষার্থীরা হলো বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণ, আর অ্যালামনাইরা হলো তার মেরুদণ্ড। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের যেসব অ্যালামনাই বর্তমানে দেশে-বিদেশে প্রতিষ্ঠিত, তাদের শিক্ষা ও গবেষণা উন্নয়নে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নিতে তিনি শিক্ষাবিদদের প্রতি আহ্বান জানান।
সরকারপ্রধান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে প্রতি বছর লাখ লাখ শিক্ষার্থী বের হয়। উচ্চ শিক্ষা নিয়েও অনেককে বেকার থাকতে হয়। এর কারণ সম্পর্কে নানা মত রয়েছে। তবে, এ ব্যাপারে অনেকেই একমত যে অ্যাকাডেমিক শিক্ষা অর্জনের পাশাপাশি দক্ষতা অর্জন করতে না পারাই বেকারত্বের হার বেশির অন্যতম কারণ।
উচ্চশিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সেতুবন্ধন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, উচ্চ শিক্ষা ব্যবস্থাকে সময়োপযোগী করতে বর্তমান সরকার অ্যাপ্রেন্টিসশিপ, ইন্টার্নশিপ এবং ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সহযোগিতা বাড়ানোর উদ্যোগ গ্রহণ করছে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে স্থানীয় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সম্পর্ক স্থাপনের কাজ শুরু হচ্ছে।
শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী আইডিয়া বাস্তবায়নে সিড ফান্ডিং বা ইনোভেশন গ্রান্ট প্রদানের ব্যবস্থা করা হচ্ছে, যাতে তারা ক্যাম্পাস থেকেই উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে উঠতে পারে এবং অন্যের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারে।
শুধু উচ্চশিক্ষা নয়, স্কুল পর্যায় থেকেই কারিগরি এবং ব্যবহারিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।
চতুর্থ শিল্প বিপ্লব ও প্রযুক্তির প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), রোবোটিক্স, জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং বা বিগ ডাটার মতো প্রযুক্তি একদিকে প্রথাগত চাকরির বাজার সংকুচিত করছে, অন্যদিকে নিত্যনতুন কর্মসংস্থান তৈরি করছে।
এ সময় তিনি উবার, ফেসবুক, আলিবাবা ও এয়ারবিএনবির মতো বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানের উদাহরণ টেনে বলেন, এদের নিজস্ব কোনো ট্যাক্সি, কন্টেন্ট, পণ্য বা রিয়েল এস্টেট নেই। শুধুমাত্র একটি স্মার্ট ইন্টারফেস ও উদ্ভাবনী আইডিয়া দিয়ে তারা বিশ্ব শাসন করছে। আমাদের প্রচুর মেধাবী মানুষ রয়েছেন, সুযোগ পেলে তাদের পক্ষেও বিশ্বমানের কিছু করা অসম্ভব নয়।
ফ্যাসিবাদ ও স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের কথা স্মরণ করে তারেক রহমান বলেন, দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় ধরে হাজারো প্রাণের বিনিময়ে দেশে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা ও সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। জনগণের কাছে দায়বদ্ধ এই সরকার একটি জ্ঞান ও মেধাভিত্তিক নিরাপদ বাংলাদেশ বিনির্মাণের কাজ শুরু করতে চায়। যেখানে মেধা, যোগ্যতা এবং সৃজনশীলতাই সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাবে।
প্রযুক্তিগত উৎকর্ষতাকে আলিঙ্গন করার পাশাপাশি দেশজ মূল্যবোধ রক্ষার তাগিদ দিয়ে তিনি বলেন, আমরা সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের পথে হাঁটব, তবে আমাদের রাষ্ট্র ও সমাজের আবহমান কালের ধর্মীয়, সামাজিক ও নৈতিক মূল্যবোধ যেন হারিয়ে না ফেলি সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। এ বিষয়ে শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী, সাংবাদিকসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে সতর্ক ও সজাগ থাকার আহ্বান জানান তিনি।
১১৯ দিন আগে
সাত কলেজ সমন্বয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম আহ্বান ইউজিসির
রাজধানীর সাতটি সরকারি কলেজের সমন্বয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ সনদপ্রাপ্ত বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের লক্ষ্যে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনের কাছে প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম আহ্বান করেছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)।
মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম প্রস্তাব বিষয়ে একটি অফিস নোট অনুমোদন করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: তিতুমীর কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয় করার যৌক্তিকতা পাচ্ছে না সরকার: সিনিয়র সচিব
কলেজগুলো হচ্ছে- ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, সরকারি তিতুমীর কলেজ, মিরপুর সরকারি বাঙলা কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ ও কবি নজরুল সরকারি কলেজ।
একটি পূর্ণাঙ্গ সনদপ্রাপ্ত বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের লক্ষ্যে সর্বসাধারণের কাছে প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম আহ্বান করা হচ্ছে। পরবর্তী পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে [email protected] (ইমেইল আইডিতে) নাম প্রেরণের জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে বলে অফিস নোটে উল্লেখ করা হয়েছে।
৫৬৭ দিন আগে
তিতুমীরের শিক্ষার্থীরা মানুষকে অতিষ্ঠ করছে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের দাবিতে তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থীরা আন্দোলনের নামে লোকজনকে অতিষ্ঠ করে ফেলছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
তিনি বলেছেন, ‘দিনের পর দিন কিন্তু তাদের এ দাবি-দাওয়া বেড়েই চলছে।’
সোমবার (৩ ফেব্রুয়ারি) শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস সুষ্ঠুভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ সংক্রান্ত সভা শেষে এস কথা বলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।
তিনি বলেন, এটার পেছনে কারা জড়িত সেটাও কিন্তু আপনারা জানেন, এটা কিন্তু আপনারা প্রচার করেন।
কারা জড়িত এমন প্রশ্নে উপদেষ্টা বলেন, ‘আমি কেন বলব, আপনারা জানেন না? যেটা আপনারা জানেন, সেটা কেন আমি বলব?’
তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের কারণে সাধারণ মানুষ ভোগান্তি পোহাচ্ছে। এক্ষেত্রে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের করণীয় কি জানতে চাইলে উপদেষ্টা বলেন, আপনারা বলেন, ‘এই অবস্থায় আমার কি করা উচিত?’ ‘এটা শুধু আমার একার দায়িত্ব নয়, এটা সবার দায়িত্ব। সচিব (মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব) যা বলেছেন, সেটা আপনারা ভালোভাবে প্রকাশ করেন, জনগণই তাদেরকে (তিতুমীরের শিক্ষার্থী) রেললাইন থেকে উঠিয়ে দেবে।’
আরও পড়ুন: ভারতের সঙ্গে অসম চুক্তি নিয়ে আলোচনা হবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
৫৮২ দিন আগে
শেখ পরিবারের নামে থাকা ১৩ বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা দেশের ১৩টি বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করেছে সরকার।
বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড পেজে এ তথ্য জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ।
তার পোস্ট থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, নেত্রকোণার শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে নেত্রকোণা বিশ্ববিদ্যালয় করা হয়েছে। কিশোরগঞ্জে অবস্থিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শরীয়তপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে শুধু শরীয়তপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় করেছে সরকার।
এছাড়া, নওগাঁর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়, মুজিবনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটির নাম পরিবর্তন করে বাংলাদেশ ডিজিটাল ইউনিভার্সিটি করা হয়েছে।
পাশাপাশি, জামালপুরের বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম এখন থেকে জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পিরোজপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম পিরোজপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং নারায়াণগঞ্জে অবস্থিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম এখন থেকে নারায়াণগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় বলে ওই পোস্টে জানানো হয়েছে।
এ ছাড়াও গোপালগঞ্জের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রামের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির নাম পরিবর্তন করে মেরিটাইম ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অ্যাভিয়েশন অ্যান্ড অ্যারোস্পেস বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে অ্যাভিয়েশন অ্যান্ড অ্যারোস্পেস বিশ্ববিদ্যালয় করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ।
৬০০ দিন আগে
তিতুমীর কলেজের ইস্যুটির দ্রুতই সমাধান হবে: প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব
তিতুমীর কলেজকে পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় করার দাবিতে চলমান আন্দোলন নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। এর একটি আশু সমাধান হবে।
তিনি বলেন, আমরা মনে হয় তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থীদের শান্ত হওয়া দরকার। তাদের সঙ্গে অবশ্যই কথা বলবে সরকার। সাত কলেজের সবার সঙ্গে এক ধরনের আলোচনা হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
সোমবার (১৮ নভেম্বর) ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক সাংবাদিক সম্মেলনে এসব কথা বলেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
সাংবাদিকদের নিষ্পেষণের বিষয়টি তুলে ধরে গণমাধ্যম সংস্কার কমিশন গঠন নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে প্রেস সচিব বলেন, সংস্কার কমিশনের প্রধান যিনি তাকে কমিশনের সদস্য অন্তর্ভুক্তির জন্য পূর্ণাঙ্গ স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে। আরেক প্রশ্নে তিনি বলেন, কমিশনই উপযুক্ত জায়গা, আপনি কমিশনেই এই প্রশ্ন করতে পারেন।
আরও পড়ুন: আ. লীগের সমাবেশের ঘোষণায় প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিবের হুঁশিয়ারি
কমিশনের সদস্যদের বিষয়ে তিনি আরও বলেন, আমরা মনে করি যাদেরকে নেওয়া হয়েছে, ব্যাপক অভিজ্ঞতা (ব্রড বেজড) একটা প্যানেলকে নেওয়া হয়েছে। এটা আমাদের বিশ্বাস। গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনে যাদেরকে নেওয়া হয়েছে তাদের ভালো অতীত (সলিড ব্যাকগ্রাউন্ড) আছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
এই কমিশন কাঠামোগত একটি সংস্কারের জন্য ভালো একটি প্রতিবেদন তৈরি করতে পারবেন বলেও আশা প্রকাশ করেন প্রেস সচিব।
প্রধান উপদেষ্টার ভাষণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, গতকাল ভাষণে যা বলেছেন ওইটাই বক্তব্য। ওটি ছাড়া এখন পর্যন্ত নির্দিষ্ট আর কোনো বক্তব্য নেই।
নতুন উপদেষ্টার নিয়োগের বিষয়ে প্রেস সচিব বলেন, মানুষ মতামত দিচ্ছে আমরা দেখছি।
আরও পড়ুন: অন্তর্বর্তীকালনী সরকারের মাত্র ৪ জন উপদেষ্টার এনজিও ব্যাকগ্রাউন্ড রয়েছে: প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব
শ্রমিক অসন্তোষ নিয়ে তিনি বলেন, আমরা সবার সঙ্গে কথা বলে ১৮ দফা নির্ধারণ করেছি। এর ফলে এখন দুয়েকটি কারখানা ছাড়া তেমন একটা সমস্যা নেই। এর প্রতিফলন রপ্তানিতেও দেখেছি। গত মাসে প্রায় ২১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।
আল জাজিরার সাক্ষাৎকারকে উদ্বৃত করে নির্বাচন নিয়ে বক্তব্যের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ইউনূস তার বক্তব্যেই নির্বাচন চার বছরের মধ্যে বা কম না বেশি সময়ে হবে তা স্পষ্ট করেছেন। আমাদের আর নতুন করে স্পষ্ট করার কিছু নেই। পুরো সাক্ষাৎকারটি দেখারও পরামর্শ দেন তিনি। ভালো মতো না শুনে নিউজের শিরোনাম দেওয়া হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন প্রেস সচিব।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উপসচিব অপূর্ব জাহাঙ্গীর ও আবুল কালাম আজাদ।
আরও পড়ুন: কোনো প্রতিবেদনের বিষয়ে কাউকে ফোন করেনি সরকার: প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব
৬৫৯ দিন আগে
ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের আয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয় মেলা আয়োজিত
যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পর্কে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের তথ্য সহায়তা দিতে বিশ্ববিদ্যালয় মেলার আয়োজন করেছে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস। এ আয়োজনের সহায়তা করেছে অ্যাড প্রোগ্রামস।
সোমবার (২৮ অক্টোবর) ঢাকার ইএমকে সেন্টারে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের আয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয় মেলার উদ্বোধন করা হয়। সেখানে সম্ভাব্য শিক্ষার্থী ও যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা ছিলেন।
এই মেলায় যুক্তরাষ্ট্রের ১০টি খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি প্রতিনিধিদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার সুযোগ পান স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের সম্ভাব্য শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও স্কুল কাউন্সিলররা।
মেলায় অংশগ্রহণকারী বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ছিল-
• এমব্রি-রিডল অ্যারোনটিক্যাল ইউনিভার্সিটি
• নিউ জার্সি ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি
• আইওয়া স্টেট ইউনিভার্সিটি
• ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ডাকোটা
• ইউনিভার্সিটি অ্যাট বাফেলো, দ্য স্টেট ইউনিভার্সিটি অব নিউ ইয়র্ক
• ইউনিভার্সিটি অব কানসাস
• নিউইয়র্ক ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি
• সেন্ট্রাল মিশিগান ইউনিভার্সিটি
• ডেপাও ইউনিভার্সিটি
• ইউনিভার্সিটি অব অ্যারিজোনা
৬৭৯ দিন আগে
বাকৃবির সব শিক্ষা কার্যক্রম শুরু ১ সেপ্টেম্বর
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম চালু হবে আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে।
বুধবার (২৮ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেটের জরুরি অধিবেশনে এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
আরও পড়ুন: বাকৃবিতে রাজনীতি নিষিদ্ধসহ শিক্ষার্থীদের ৭ দফা দাবি
বাকৃবির ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. মো. হেলাল উদ্দীনের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানা যায়।
সিন্ডিকেট সভায় আরও সিদ্ধান্ত হয়-
১. বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলসমূহ ও পিএইচডি ডরমেটরি আগামী শনিবার (৩১ আগস্ট) খুলে দেওয়া হবে।
২. পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে শিক্ষা ও গবেষণার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখার স্বার্থে সব ধরনের সভা-সমাবেশ, মিছিল-মিটিং বন্ধ থাকবে।
৩. বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল সমূহের শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে ছাত্র-ছাত্রীদের হল প্রশাসন কর্তৃক প্রণীত নীতিমালা যথাযথভাবে মেনে চলতে হবে।
৪. অনুষদের শিক্ষা ও গবেষণার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখার স্বার্থে ছাত্র-ছাত্রীদের ডিন কাউন্সিল প্রণীত সমন্বিত নীতিমালা মেনে চলতে হবে।
আরও পড়ুন: দিনব্যাপী আয়োজনে বাকৃবির ৬৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত
৭৪১ দিন আগে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিমের পদত্যাগ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিমের ১৪ সদস্যের মধ্যে ১৩ জন ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) সন্ধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এএসএম মাকসুদ কামালের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেওয়া হয় বলে নিশ্চিত করেছেন সাবেক প্রক্টর অধ্যাপক মাকসুদুর রহমান।
আরও পড়ুন: জাবি উপাচার্য অধ্যাপক নুরুল আলমের পদত্যাগ
পদত্যাগকারী সদস্যরা হলেন- অধ্যাপক মাকসুদুর রহমান, ড. লিটন কুমার সাহা, ড. মাহবুবুল রহমান, মোহাম্মদ নাজির হোসেন খান, ড. মোহাম্মদ আবদুল মুহিত, ড. এমএল পলাশ, ড. সৌদ আহমেদ, সঞ্চিতা গুহ, ড. মোহাম্মদ হাসান ফারুক, মোহাম্মদ মাইনুদ্দিন মোল্লা, ড. মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান, ইমাউল হক সরকার টিটু এবং ড. বদরুল হাসান।
আরও পড়ুন: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের পদত্যাগ
৭৬০ দিন আগে
বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক-ছাত্র সুসম্পর্ক বজায় রাখতে ইআরডিএফবির আহ্বান
আগামীতে উন্নত স্মার্ট বাংলাদেশ নির্মাণে শিক্ষা ও গবেষণার প্রসারে দলমত নির্বিশেষে ছাত্র-শিক্ষক সম্পর্ক উন্নয়নের আহ্বান জানিয়েছে এডুকেশন রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ফোরাম বাংলাদেশ (ইআরডিএফবি)।
সাম্প্রতিক কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় শিক্ষক-ছাত্রদের বিদ্যমান সুসম্পর্কে যেন কোনো প্রভাব না পড়ে এবং কোনোপ্রকার বিভক্তি না রেখে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে উদ্ভূত পরিস্থিতির উন্নয়নে বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) এক বিবৃতিতে অনুরোধ করেছেন ইআরডিএফবি সভাপতি ড. সাজ্জাদ হোসেন।
আরও পড়ুন: নির্বাচনে জয়ী হওয়ায় শেখ হাসিনাকে ইআরডিএফবির অভিনন্দন
এসময় ড. সাজ্জাদ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী যখন বাংলাদেশকে উন্নত স্মার্ট অর্থনীতির দিকে এগিয়ে নিচ্ছেন, সেসময় দেশের জনসম্পদ উন্নয়নের কেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পরিকল্পিতভাবে অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি করা হয়েছে। দেশের স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি ও জামাত-শিবির ছাত্র আন্দোলনে ভর করে বাংলাদেশ টেলিভিশন, এক্সপ্রেসওয়ে, মেট্রোরেলের মতো মেগা অবকাঠামোতে হামলা করেছে।’
তিনি বলেন, ‘এই সংঘাতে প্রাণ হারিয়েছে বহু নিরীহ শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ। আমরা শিক্ষক সমাজ বিশ্বাস করি, সংঘাত কখনোই সমাধান এনে দেয় না। প্রধানমন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছেন, এই পরিস্থিতির পেছনের সকল কুশীলবকে বিচারের আওতায় আনা হবে। আমরা চাই, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাস খোলামাত্রই অতীতের ধারাবাহিকতায় শিক্ষা ও গবেষণায় উৎকর্ষ সাধনের মাধ্যমে উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় অবদান রাখবে।’
দলমত নির্বিশেষে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় আগামী দিনের সমৃদ্ধ বাংলাদেশ নির্মাণে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো অগ্রণী ভূমিকা রাখবে বলে বিশ্বাস করেন ইআরডিএফবি সভাপতি।
সংগঠনটির পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, অগ্রসরমান বিশ্বে নিজেদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করলে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি সকল অর্জন ম্লান হয়ে যাবে।
আরও পড়ুন: জনগণের প্রত্যাশাকে গুরুত্ব দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনা করছে সরকার: ইআরডিএফবির আয়োজনে মোমেন
ইআরডিএফবির আয়োজনে ‘দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে গণতন্ত্রের বিজয়’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত
৭৭২ দিন আগে