ডা. জোবাইদা রহমান
নারীর নিরাপত্তা ও সহিংসতা রোধে কার্যকর পদক্ষেপের আহ্বান রাষ্ট্রপতির
নারীর প্রতি সহিংসতা, অনলাইনে চরিত্রহনন ও সাইবার বুলিংয়ের মতো নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কার্যকর ও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
রবিবার (৮ মার্চ) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত ‘আন্তর্জাতিক নারী দিবস,২০২৬’ উদযাপন ও ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী সম্মাননা’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।
রাষ্ট্রপতি বলেন, নারী ও কন্যারা যেন অবহেলা, নির্যাতন ও বৈষম্যের শিকার না হন; তারা যেন সমান সুযোগ ও মর্যাদা পান। আমরা এমন একটি বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলব, যেখানে প্রতিটি নারী নিরাপদ পরিবেশে বেড়ে উঠতে পারবে, স্বাবলম্বী হবে এবং নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ পাবে; আর প্রতিটি কন্যাশিশু স্বপ্ন দেখার ও তা বাস্তবায়নের সমান সুযোগ পাবে।
তিনি আরও বলেন, নারী নির্যাতন ও সহিংসতার বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে সরকার কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে। অতীতেও আমরা দেখেছি, সরকার আন্তরিক হলে ইতিবাচক ফল পাওয়া যায়।
বক্তব্যের শুরুতেই ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ থেকে শুরু করে ২০২৪ সালে দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা রক্ষার আন্দোলনসহ এ পর্যন্ত গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সকল আন্দোলন ও সংগ্রামে শহিদদের মহান আত্মত্যাগকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন তিনি।
মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, অতীতে দৃঢ় রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও কঠোর আইনি ব্যবস্থার মাধ্যমে অ্যাসিড সন্ত্রাস নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছিল। ২০০২ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সরকার অ্যাসিড নিক্ষেপ ও অ্যাসিড ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ আইন প্রণয়ন এবং দ্রুত বিচার ও কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করে অ্যাসিড সন্ত্রাস প্রায় শূন্যের কাছাকাছি নামিয়ে আনতে সক্ষম হয়। নারীর প্রতি সহিংসতা রোধে সেই দৃষ্টান্ত অনুসরণ কার্যকর হতে পারে বলেও তিনি মনে করেন।
বর্তমানে সামাজিক হয়রানির পাশাপাশি অনলাইনে নারীর চরিত্রহনন ও সাইবার বুলিং নতুন চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে। এসব অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সরকার বিশেষ ব্যবস্থা নিচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, নারীর নিরাপত্তা ও সমান সুযোগ নিশ্চিত করে একটি বাসযোগ্য ও ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে নারী-পুরুষ সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন বলেন, বাংলাদেশের জনসংখ্যার অর্ধেকেরও বেশি নারী। সমাজ ও অর্থনীতির প্রায় সব ক্ষেত্রেই তাদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। তৈরি পোশাক শিল্পে নিয়োজিত লাখ লাখ নারী দেশের রপ্তানি আয়ের প্রধান চালিকা শক্তি। শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, কৃষি, প্রশাসন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, গণমাধ্যম এবং ক্রীড়াসহ নানা ক্ষেত্রে নারীরা সাফল্যের সঙ্গে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
তিনি বলেন, নারীর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের ভিত্তি স্থাপন করেন স্বাধীনতার ঘোষক শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। তিনি ১৯৭৬ সালে রাষ্ট্রপতির সচিবালয়ে প্রথম নারীবিষয়ক দপ্তর প্রতিষ্ঠা করেন। এরপর ১৯৭৮ সালে গঠন করা হয় মহিলাবিষয়ক মন্ত্রণালয়, যা পরবর্তীতে বেগম খালেদা জিয়ার সময় বর্তমান মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে রূপান্তরিত হয়।
৯ দিন আগে
আপিলের জন্য জুবাইদার ৫৮৭ দিনের বিলম্ব মার্জনা হাইকোর্টের
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় ৩ বছরের কারাদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান। এই মামলার আপিল দায়েরের ক্ষেত্রে তার ৫৮৭ দিনের বিলম্ব মার্জনা করেছেন হাইকোর্ট।
মঙ্গলবার (১৩ মে) বিচারপতি খসরুজ্জামানের একক বেঞ্চ এই আদেশ দেন। জুবাইদা রহমানের আইনজীবী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন ও ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী আসিফ হাসান।
কায়সার কামাল জানান, সাজার বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করা হয়েছে। এ ছাড়া, আপিল দায়েরের ক্ষেত্রে ৫৮৭ দিন বিলম্ব মার্জনা চেয়ে করা আবেদন মঞ্জুর করেছেন হাইকোর্ট।
আরও পড়ুন: ফিরোজার পথে খালেদা, জোবাইদার ১৭ বছর নির্বাসনের অবসান
সম্পদের তথ্য গোপন ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২০০৭ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর তারেক রহমান, জুবাইদা রহমানসহ তিনজনের বিরুদ্ধে রাজধানীর কাফরুল থানায় মামলা করে দুদক। পরের বছর তাদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়।
পরে ২০২৩ সালের ২ আগস্ট করা এই মামলার রায় দেন ঢাকা মহানগরের জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ মো. আছাদুজ্জামান। ওই রায়ে তারেক রহমানকে ৯ বছর কারাদণ্ড এবং তার স্ত্রী জুবাইদা রহমানকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
পরে এই মামলায় জুবাইদা রহমানের সাজা স্থগিত করে গত বছরের ২২ সেপ্টেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে সাজা স্থগিত চেয়ে জুবাইদা রহমানের করা আবেদন এবং আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মতামতের আলোকে জুবাইদা রহমানের বিরুদ্ধে করা মামলায় তাকে দেওয়া দণ্ডাদেশ এক বছরের জন্য স্থগিত করা হয়।
২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর স্বামী তারেক রহমানের সঙ্গে লন্ডনের উদ্দেশে বাংলাদেশ ছাড়েন জুবাইদা রহমান। এরপর থেকে লন্ডনেই ছিলেন তিনি।
সেখান থেকে ৬ মে শাশুড়ি সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সঙ্গে ১৭ বছর পর দেশে ফেরেন জুবাইদা রহমান।
দেশে ফিরে আপিল করার জন্য ৫৮৭ দিন বিলম্ব মার্জনা চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন তিনি। আবেদনটি আজ (মঙ্গলবার) কার্যতালিকায় উঠলে সেটি মঞ্জুর করেন আদালত।
আরও পড়ুন: সরকারি চাকরি ফিরে পেতে চলেছেন ডা. জোবাইদা
৩০৮ দিন আগে
খালেদার উন্নতি হচ্ছে, তবে করোনা ছড়িয়ে পড়া নিয়ে চিন্তিত: চিকিৎসক
রাজধানীর গুলশানের নিজ বাসভবনে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে। তবে দেশের বিদ্যমান করোনাভাইরাস পরিস্থিতি নিয়ে তিনি চিন্তিত।
২১৭৪ দিন আগে
খালেদার চিকিৎসার সমন্বয় করছেন তারেকের স্ত্রী জোবাইদা
বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া তার গুলশানের বাসায় কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন। আর তার সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে দেশের ও লন্ডনের চিকিৎসকদের সাথে সমন্বয়ের কাজ করছেন তার বড় ছেলে তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান।
২১৮২ দিন আগে