স্থানীয় সরকারমন্ত্রী
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবে ইসি
এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন কিনা নির্বাচন কমিশন সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেতো রেংগলি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী আবদুল মঈন খানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রীও উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মীর শাহে আলম বলেন, ‘নির্বাচনের বিধিমালা এবং প্রার্থীদের যোগ্যতা-অযোগ্যতাটা তৈরি করে নির্বাচন কমিশন। এখন নির্বাচন কমিশন আমাদের আইন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যে নীতিমালা সবকিছু নিয়ে ঠিক করবে যে এমপিওভুক্ত শিক্ষকেরা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন কি পারবেন না।’
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের ইউনিয়ন পরিষদের আইনে আছে, তিনি প্রজাতন্ত্রের বা পরিষদের বা অন্য কোনো স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কোনো কর্মে লাভজনক সার্বক্ষণিক পদে যদি অধিষ্ঠিত থাকেন, তাহলে তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। এটা হচ্ছে নির্বাচনি আইন।’
তিনি বলেন, ‘এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ব্যাপারে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান—স্কুল ও কলেজ জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা ২০২৫-এর বিধি ১১.১৭-এর ‘ক’ ও বিধি ১১.১৭-এর ‘খ’-তে বলা হয়েছে যে এই পদটি লাভজনক। মানে শিক্ষকদের পদটি লাভজনক। তাহলে আইনের সঙ্গে এখানে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নীতিমালাটা কাছাকাছি মিলে যাচ্ছে।’
মীর শাহে আলম জানান, এমপিওভুক্ত কোনো শিক্ষক একই সঙ্গে একাধিক পদ বা চাকরিতে কিংবা আর্থিক লাভজনক কোনো পদে নিয়োজিত থাকতে পারবেন না। এমপিও নীতিমালার বিধি ১১.১৭-এর ‘খ’-তে আর্থিক লাভজনক পদের সংজ্ঞাও দেওয়া হয়েছে।
১১.১৭-এর ‘খ’-তে বলা হয়েছে, আর্থিক লাভজনক পদ বলতে সরকার কর্তৃক প্রদত্ত যেকোনো ধরনের বেতন, ভাতা, সম্মানী এবং বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সংস্থা, বিশ্ববিদ্যালয়, আইন পেশাসহ কর্মের বিনিময়ে প্রদত্ত বেতন, ভাতা, সম্মানীকে বোঝাবে বলে জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনি বিধিমালা এবং প্রার্থীদের যোগ্যতা ও অযোগ্যতা নির্ধারণের বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের এখতিয়ার। স্থানীয় সরকার আইন এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এমপিও নীতিমালা বিবেচনা করে নির্বাচন কমিশনই সিদ্ধান্ত নেবে এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন কি না।
এ বিষয়ে তার ভাষ্য, নির্বাচন কমিশনের আইনগত কোনো মতামত, বিস্তারিত তথ্য বা ব্যাখ্যার প্রয়োজন হলে তারা বিষয়টি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে পারে। সেক্ষেত্রে আইন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়টি পরিষ্কার করা হবে।
জামায়াতের পক্ষ থেকে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ বন্ধ করতে সরকার পরিকল্পিতভাবে আইন করছে বলে অভিযোগের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী জানান, স্থানীয় সরকার আইনে লাভজনক সার্বক্ষণিক পদে থাকা ব্যক্তিদের নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়ে আগে থেকেই বিধান রয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এমপিও নীতিমালাতেও শিক্ষকদের আর্থিক লাভজনক পদের বিষয়টি স্পষ্ট করা হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি তো ক্লিয়ার (পরিষ্কার) করলাম আইনে কী আছে। এখন জামায়াত যদি সরকারের ওপর কোনো দায় চাপায়, এটা দায় চাপালে তো হবে না। কারণ এই বিলগুলো পার্লামেন্টে পাস করার সময় তারা তো সংসদে উপস্থিত ছিল। আমরা সবাই মিলেই তো বিলগুলো পাস করেছি।’
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হতে শিক্ষাগত যোগ্যতা প্রয়োজন কি না, জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘না, কোনো প্রয়োজন নাই।’
তিনি বলেন, ‘এমপিদেরই তো নাই! আমি যে এমপি হয়েছি, আমারই তো শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রয়োজন হয়নি ফর্মে!’
প্রতিমন্ত্রী জানান, সংসদ সদস্য নির্বাচনের ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই। একই ধারাবাহিকতায় স্থানীয় সরকার নির্বাচনের পাঁচটি আইনেও জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হওয়ার ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা রাখা হয়নি।
তিনি বলেন, ‘কারণ আইনে নাই তো, সংবিধানে নাই তো! এবং যেহেতু সংসদ সদস্যদের যোগ্যতার প্রশ্ন ওঠে না, লোকাল গভর্নমেন্টের যে পাঁচটা আইন করেছি, ওখানে আইনেও আমরা রাখিনি কারণ এটা মানবাধিকার লঙ্ঘন হবে। কারণ একজন সমাজসেবক তো লেখাপড়া নাও করতে পারে, স্বশিক্ষিত হতে পারে।’
প্রতিমন্ত্রী জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে আলাদা বয়সের বাধ্যবাধকতাও নেই। ভোটার হলেই স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া যাবে বলে জানান তিনি।
১১ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া-চীন সফর বাংলাদেশের কূটনীতিতে নতুন মাইলফলক: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক মালয়েশিয়া ও চীন সফরকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি ও কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি বলেছেন, এই সফরের ফলে দুই বন্ধুপ্রতিম দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হয়েছে এবং পারস্পরিক স্বার্থ ও সম্মানের ভিত্তিতে সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে।
শনিবার (২৭ জুন) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফর উপলক্ষে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ধন্যবাদ প্রস্তাব উত্থাপন করেন এবং বক্তব্য রাখতে গিয়ে এসব কথা বলেন। পরে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে প্রস্তাবটি কণ্ঠভোটে সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।
স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা পুনঃপ্রতিষ্ঠার পর নতুন সরকারের প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই সফর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের অবস্থানকে আরও সুসংহত করেছে। একই সঙ্গে মালয়েশিয়া ও চীনের সঙ্গে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় উন্নীত করেছে।
তিনি জানান, সফরকালে বিশেষ করে চীনের সঙ্গে ১৭টি গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর হয়েছে, যা ভবিষ্যতে দুই দেশের অর্থনৈতিক ও উন্নয়ন সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, বাণিজ্য সম্প্রসারণ, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং দীর্ঘদিনের রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে দুই দেশের মধ্যে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
মির্জা ফখরুল বলেন, দীর্ঘদিনের রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে মালয়েশিয়া ও চীন বাংলাদেশকে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে, যা এ ইস্যুতে সরকারের কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে আরও শক্তিশালী করবে।
স্থানীয় সরকারমন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী বিদেশ সফরের আগে বা পরে জনসমাগমনির্ভর সংবর্ধনার প্রচলিত সংস্কৃতি পরিহার করে রাষ্ট্র পরিচালনায় সংযম, দায়িত্বশীলতা ও জনবান্ধব রাজনৈতিক চর্চার একটি নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তার এই উদ্যোগ দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিকে আরও ইতিবাচক ও আধুনিক ধারায় এগিয়ে নিতে সহায়ক হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের মাধ্যমে অর্জিত সমঝোতা ও সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি, বৈদেশিক বিনিয়োগ, আঞ্চলিক সহযোগিতা এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে।
৮৯ দিন আগে
বন্ধ হয়ে যাওয়া সংবাদপত্রগুলো চালুর আশ্বাস স্থানীয় সরকারমন্ত্রীর
বন্ধ হয়ে যাওয়া সংবাদপত্রগুলো তথ্যমন্ত্রীর প্রচেষ্টায় পুনরায় চালু হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, পাশাপাশি নতুন সংবাদমাধ্যম প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেও সাংবাদিকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘১৬ জুন-সংবাদপত্রের কালো দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সভাপতি মো. শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।
স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে আমরা সবসময় সাংবাদিক বন্ধুদের পাশে পেয়েছি। অত্যন্ত কঠিন সময়গুলোতেও তারা আমাদের সঙ্গে ছিলেন। আমি কখনো ভুলতে পারি না, যেদিন রাতে প্রেসক্লাবে আমাকে আটক করে রাখা হয়েছিল, সেদিন সাংবাদিক বন্ধুরা আমাকে নিরাপত্তা দিয়ে আমার প্রাণ রক্ষা করেছিলেন।
তিনি সাংবাদিক সমাজের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, দেশের সংকটময় সময়ে তাদের অবদান কখনো ভোলার নয়। গণতন্ত্র ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষায় সাংবাদিকদের অবদান জাতি স্মরণ রাখবে।
সংবাদপত্রের স্বাধীনতা প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং সে লক্ষ্য বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে। অতীতের নানা প্রতিকূল সময়ের তুলনায় বর্তমানে সাংবাদিকরা অনেক বেশি স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ পাচ্ছেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
এ সময় বেকার সাংবাদিকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে নতুন উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দিয়ে মন্ত্রী বলেন, এখনও অনেক সাংবাদিক কর্মহীন রয়েছেন। তথ্যমন্ত্রীর প্রচেষ্টায় বন্ধ হয়ে যাওয়া সংবাদপত্রগুলো পুনরায় চালু হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। পাশাপাশি নতুন সংবাদমাধ্যম প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেও সাংবাদিকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে।
তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের পর সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার ছিল সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা। এ বিষয়ে সরকারের ঘোষিত অঙ্গীকার বাস্তবায়নে নিরলসভাবে কাজ চলছে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর গণমাধ্যম-সংক্রান্ত প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে একটি কার্যকর নীতিনির্ধারণী ফোরাম গঠন জরুরি। পাশাপাশি তথ্য মন্ত্রণালয় গণমাধ্যমকে আরও দায়িত্বশীল ও জনকল্যাণমুখী হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে, কেননা গণমাধ্যমের দায়িত্ব দেশের সমগ্র জনগণের স্বার্থ ও উন্নয়নের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত।
আলোচনা সভায় সাংবাদিক নেতা, গণমাধ্যমকর্মী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
১০০ দিন আগে
৯ প্রকল্পে জাইকার সহায়তা ১১৩৪৪ কোটি টাকা, শুরু হচ্ছে আরও ৪ প্রকল্প: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেছেন, ‘২০২৪-২৫ অর্থবছরে জাইকার সহায়তায় ৯টি প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে৷ প্রকল্পগুলোতে সর্বমোট বরাদ্দ ৩৮ হাজার ৮০৮ কোটি ৮৮ লাখ টাকা৷’
তিনি বলেন, ‘যার আর্থিক সহায়তার পরিমাণ ১১ হাজার ৩৪৪ কোটি ৭২ লাখ টাকা৷ এছাড়া চলমান অর্থবছরে স্থানীয় সরকার বিভাগের ২২৭টি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে৷
বুধবার (৩ জুলাই) বিকালে সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে জাইকার সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট হারা শোহেইয়ের সঙ্গে বৈঠককালে উপস্থিত সাংবাদিকদের কাছে এ তথ্য তুলে ধরেন তাজুল ইসলাম।
আরও পড়ুন: কোরবানির ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বর্জ্য অপসারণ করতে হবে: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী
তাজুল ইসলাম বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা) বাংলাদেশের অন্যতম সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে। জাইকার সহায়তায় বিদ্যমান প্রকল্পগুলোর পাশাপাশি আরও ৪টি প্রকল্প শুরু হতে যাচ্ছে।’
প্রকল্পগুলো হল, উপজেলা প্রশাসন এবং উন্নয়ন প্রকল্প-২ (ইউজিডিপি-২), প্রস্তাবিত দক্ষিণ চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পানি সরবরাহ প্রকল্প, চট্টগ্রাম ওয়াসার অধীন চট্টগ্রাম পয়োনিষ্কাসন প্রকল্প ক্যাচমেন্ট-২ ও ৪ এবং হাওর বন্যা ব্যবস্থাপনা ও জীবিকা উন্নয়ন প্রকল্প (দ্বিতীয় পর্যায়)। প্রস্তাবিত ৪টি প্রকল্পে জাইকার সহায়তার পরিমাণ ২০ হাজার ৫৭৬ কোটি ৫৬ লাখ টাকা হতে পারে৷
তিনি আরও বলেন, ‘দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে জাইকা স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কাজ করছে। স্থানীয় সরকারের ক্ষমতায়ন, সক্ষমতা বৃদ্ধি, স্থানীয় সড়ক যোগাযোগসহ বিভিন্ন প্রকল্পে জাইকা সহায়তা করছে৷ আশা করছি, এই বৈঠকের মাধ্যমে এই সহায়তা আরও বাড়বে।’
এই সময় জাইকার ভাইস প্রেসিডেন্ট হারা শোহেই বলেন, ‘বাংলাদেশের সঙ্গে জাইকার যেসব প্রকল্প চলমান, তার উল্লেখযোগ্য অংশ রয়েছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে। ইতোমধ্যে অনেকগুলো প্রকল্পের অগ্রগতি হয়েছে, নতুন কিছু প্রকল্পের ব্যাপারেও আলোচনা চলছে। বাংলাদেশ অর্থনীতিতে অনেক এগিয়েছে, আশা করছি এই ধারা অব্যাহত রেখে বাংলাদেশ আগামী ২০২৬ সালের মধ্যে স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে চূড়ান্তভাবে বের হয়ে আসবে।’
উপস্থিত ছিলেন, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. আলী আকতার হোসেন, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী তুষার মোহন সাধু খাঁ, জাইকার সাউথ এশিয়া বিভাগের উপমহাপরিচালক সাকুডু শুনসুকে, জাইকা বাংলাদেশের প্রধান প্রতিনিধি ইচিগুচি তুমোহিদেসহ জাইকা ও স্থানীয় সরকার বিভাগের কর্মকতারা।
আরও পড়ুন: উন্নয়নের গতির সঙ্গে পরিবেশ দূষণ রোধ জরুরি: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী
কোরবানির ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বর্জ্য অপসারণ করতে হবে: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী
৮১৩ দিন আগে
উন্নয়নের গতির সঙ্গে পরিবেশ দূষণ রোধ জরুরি: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেছেন, উন্নয়নের গতি থামিয়ে রাখার সুযোগ নেই। তবে উন্নয়নের গতির সঙ্গে পরিবেশ দূষণ রোধ জরুরি।
বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) সকালে হোটেল সোনারগাঁওয়ে গ্র্যান্ড বলরুমে বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে বহু অংশীজনের পরামর্শ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, উন্নয়নের মূলস্রোতে নিয়ে আসতে দেশে শিল্পায়ন করতে হয়েছে। এ কারণে আমাদের অভ্যন্তরীণ দূষণের হার বেশি। তবে বায়ু দূষণ শুধু আমাদের নিজস্ব ভৌগলিক সীমানার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। আমরা যদি আমাদের নিজ ভৌগলিক সীমানা দূষণমুক্ত করি তবুও আমাদের বায়ু দূষণমুক্ত হবে না। কারণ সারাবিশ্বে যেভাবে যুদ্ধ হচ্ছে, প্রতিনিয়ত দূষণ হচ্ছে সেগুলো বিভিন্ন উপায়ে আমাদের পরিবেশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
আরও পড়ুন: উদ্যোক্তারা দেশের ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক অগ্রগতির কাণ্ডারি: তাজুল ইসলাম
মন্ত্রী আরও বলেন, শিল্পোন্নত দেশগুলো কোনোরকম জবাবদিহি ছাড়াই অতিমাত্রায় শিল্পায়ন করে পরিবেশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। তাদের শিল্পায়নের ফলে পরিবেশের ওপর যে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে তা মোকাবিলা করতে হবে।
তাজুল ইসলাম বলেন, উন্নয়নের গতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে পরিবেশ বিশেষ করে বায়ু দূষণ রোধ জরুরি। এজন্য আইনের যথাযথ ব্যবহার ও বাস্তবায়ন খুবই জরুরি। প্রতিটি স্তরে সবার মধ্যে জনসচেতনতা সৃষ্টি করে আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করা হলে বায়ু দূষণ রোধে আমরা অনেকটাই এগিয়ে যাব।
বায়ু দূষণ নিয়ন্ত্রণে মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি অন্যান্যদের ব্যক্তিগত পর্যায়ের উদ্যোগ নিতে উদাত্ত আহ্বান জানান তিনি।
স্থানীয় সরকার বিভাগের ইম্প্রুভমেন্ট অব আরবান পাবলিক হেলথ্ প্রিভেন্টিভ সার্ভিসেস্ (আইইউপিএইচপিএস) প্রজেক্টের আয়োজনে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মুহাম্মদ ইবরাহিমের সভাপতিত্বে কর্মশালায় আরও ছিলেন- চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. রেজাউল করিম, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনে মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী, গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র জায়েদা খাতুনসহ আরও অনেকে।
আরও পড়ুন: দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে নিবিড়ভাবে কাজ করতে হবে: তাজুল ইসলাম
৮৩৩ দিন আগে
চীন সফরে স্থানীয় সরকারমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের মন্ত্রীর দ্বিপাক্ষিক বৈঠক
রবিবার (২৮ এপ্রিল) তিনি চীনের বেইজিংয়ে পৌঁছেছেন।
বেইজিং এ পৌঁছেই তিনি চীনের হাউজিং অ্যান্ড আরবান-রুরাল ডেভেলপমেন্ট মন্ত্রী নি হং সহ মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে উভয় মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন কাজের ধরনে মিল থাকায় সহযোগিতার ক্ষেত্র খুঁজে বের করে বিনিয়োগের উপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
আরও পড়ুন: সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ ঘাটতি, লোডশেডিং ছাড়িয়েছে ১৮৬০ মেগাওয়াট
বাংলাদেশ ও চীনের এই দুই মন্ত্রণালয়ের মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের ফলে উভয় দেশই লাভবান হতে পারে বলে বৈঠকে জানানো হয়।
বৈঠকে পানি শোধনাগার প্রকল্পসহ ঢাকা ওয়াসার বিভিন্ন প্রকল্পে বিনিয়োগ বিষয়ে আলোচনা হয়। সাক্ষাৎকালে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী চীনের হাউজিং অ্যান্ড আরবান-রুরাল ডেভেলপমেন্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নি হংকে বাংলাদেশে আসার আমন্ত্রণ জানান। চীনের মন্ত্রী আমন্ত্রণ গ্রহণ করে সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ ভ্রমণ করার বিষয়ে সম্মতি দেন।
বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন চীনে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. জসিম উদ্দিন, কমার্শিয়াল কাউন্সিলর মো. মনসুর উদ্দীন, ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাকসিম এ খান, মন্ত্রীর একান্ত সচিব মো. নাসির উদ্দিন।
চীনের প্রতিনিধি দলে আরও উপস্থিত ছিলেন ডিপার্টমেন্ট অব আরবান ডেভেলপমেন্টের ডিরেক্টর জেনারেল হু জিয়ান, ডিপার্টমেন্ট অব ভিলেজ অ্যান্ড টাউনশিপ ডেভেলপমেন্টের ডিরেক্টর জেনারেল নিয়ু জাংবিনসহ আরও অনেক কর্মকর্তা।
আরও পড়ুন: বিএসটিআইতে হালাল সার্টিফিকেটের মূল্যায়ন বিষয়ে মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
ঢাকাসহ ৪ জেলার মাধ্যমিক পর্যায়ের নন-এসি স্কুল বন্ধ থাকবে সোমবার
৮৭৯ দিন আগে
দেশকে এগিয়ে নিতে কৃষির আধুনিকায়নের বিকল্প নেই: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী
দেশকে এগিয়ে নিতে কৃষির সব স্তরে উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার অপরিহার্য বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম।
বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) বসুন্ধরা আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটিতে ১২তম আন্তর্জাতিক কৃষি প্রযুক্তির মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি। তিন দিনব্যাপী এই মেলার আয়োজন করেছে পল্লী উন্নয়ন একাডেমি, বগুড়া ও লিমরা এক্সিবিশন্স।
স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে কৃষি ও ভাগ্যাহত কৃষকদের উন্নয়নে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
প্রচলিত সনাতন ধারার কৃষি প্রযুক্তির পরিবর্তনে খামার যান্ত্রিকীকরণের পাশাপাশি উন্নত প্রযুক্তি ও কলাকৌশলের সমন্বয় সাধন একান্ত প্রয়োজন বলে মনে করেন পল্লী উন্নয়নমন্ত্রী।
কৃষি ও শিল্প খাত দেশের অর্থনীতির জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুটি সেক্টর উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই দুটি খাতে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার হলে দেশে সেবাখাতের বিকাশ হবে।
তাজুল ইসলাম আরও বলেন, বাংলাদেশের কৃষি ও কৃষকের উন্নয়ন এবং এর উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি ও ফসলের নিবিড়তা বাড়াতে সরকারি সংস্থার পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, কৃষি ও কৃষিসংশ্লিষ্ট যন্ত্রপাতি উৎপাদক, প্রযুক্তি সম্প্রসারণকারী শিল্প ও প্রতিষ্ঠানগুলোর অংশগ্রহণে এই প্রযুক্তি মেলা কৃষিখাতকে সমৃদ্ধ করবে।
পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সিনিয়র সচিব মোসাম্মাৎ হামিদা বেগমের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল ওয়াদুদ, পল্লী উন্নয়ন একাডেমি বগুড়ার মহাপরিচালক মো. খুরশিদ ইকবাল রেজবী এবং লিমরার চেয়ারম্যান কাজী ছারোয়ার উদ্দিন।
৮৮২ দিন আগে
উপজেলা নির্বাচন প্রার্থীর জনপ্রিয়তা যাচাইয়ের সুযোগ: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী
উপজেলা নির্বাচনকে প্রার্থীর জনপ্রিয়তা যাচাইয়ের সুযোগ বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী তাজুল ইসলাম।
তিনি বলেন, ‘দলীয় মনোনয়ন না থাকায় এবারের উপজেলা নির্বাচনে প্রার্থীদের জনপ্রিয়তা যাচাইয়ের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। যারা কাজের মাধ্যমে জনগণের মন জয় করতে পেরেছে, অন্যায়-অত্যাচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিল, ন্যায় বিচারের মাধ্যমে সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করেছে, তারা উপজেলা নির্বাচনে নিজেদের গ্রহণযোগ্যতা পরীক্ষা করে দেখতে পারেন।’
আরও পড়ুন: তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা হলো শুভংকরের ফাঁকি: তাজুল ইসলাম
শুক্রবার (১২ এপ্রিল) কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার পোমগাঁওয়ে নিজ বাড়িতে স্থানীয় উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাদের ও জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে পুনর্মিলনী সভায় তিনি এ কথা বলেন।
উপজেলা নির্বাচনে স্থানীয় সংসদ সদস্য হিসেবে নিরপেক্ষ থাকার ঘোষণা দিয়ে এ সময় স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী ও সহযোগী সংগঠনের যে কেউ চাইলে প্রার্থী হতে পারেন। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ কোথাও একে অন্যের বিরুদ্ধে বিষোদগার থেকে বিরত থাকতে হবে।
মানবসম্পদ উন্নয়নের উপর গুরুত্বারোপ করে মন্ত্রী বলেন, মানুষের সক্ষমতা ও রুচি উন্নত হলে দেশের উন্নয়ন ত্বরান্বিত হয়। যোগ্যরাই টিকে থাকে তাই মানবসম্পদের উন্নয়ন অপরিহার্য।
সততার অনুশীলন করার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সামাজিক সুবিচার নিশ্চিত করলে মানুষ শান্তিতে থাকতে পারে।
সভায় আরও বক্তব্য দেন- মনোহরগঞ্জ উপজেলা আ. লীগের সভাপতি মাস্টার আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, উপজেলা আ. লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. জাকির হোসেন, সহসভাপতি মো. তাজুল ইসলাম চৌধুরী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, যুবলীগের আহ্বায়ক দেওয়ান জসিম উদ্দিন, স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক সেলিম কাদের চৌধুরী ও উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি কামরুজ্জামান শামীম।
আরও পড়ুন: বিএনপির সন্ত্রাস প্রতিরোধে কমিটি গঠন করতে হবে: তাজুল ইসলাম
বিএনপিকে নির্বাচনে আনার দায়িত্ব আওয়ামী লীগের নয়: তাজুল ইসলাম
৮৯৫ দিন আগে
সুপেয় পানি সরবরাহই হবে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত অভিঘাত মোকাবিলায় অন্যতম চ্যালেঞ্জ: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী
ভবিষ্যতের বাংলাদেশে সুপেয় পানির সরবরাহ ঠিক রাখাই হবে অন্যতম চ্যালেঞ্জ হবে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম।
বিকালে ঢাকায় ইউনিসেফ আয়োজিত বিশ্ব পানি দিবস-২০২৪ উপলক্ষে ‘শান্তির জন্য পানি’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ মন্তব্য করেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনজনিত বিরূপ প্রতিক্রিয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত পৃথিবীর শীর্ষ দেশগুলোর মধ্যে একটি। পৃথিবীর তাপমাত্রা বাড়ছে, সমুদ্রের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পাচ্ছে, লবণাক্ত পানির কারণে জীববৈচিত্র্য এবং কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং সুপেয় পানির উৎসস্থল সংকুচিত হচ্ছে। ভবিষ্যতের বাংলাদেশ সুপেয় পানির সরবরাহ ঠিক রাখাই হবে আমাদের জন্য অন্যতম চ্যালেঞ্জ।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, ভূগর্ভস্থ পানের স্তর দিন দিন নিচে নেমে যাচ্ছে তাই ভবিষ্যতে পান করার জন্য পানি সরবরাহ একটি চ্যালেঞ্জ হবে। সেজন্য দেশের বিভিন্ন জায়গায় বৃষ্টির পানি অর্থাৎ ভূউপরিভাগের পানি সংগ্রহ করে কাজে লাগানোর জন্য উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- সুইডেনের এম্বাসেডর আলেক্সান্ডরা বার্গ ভন লিনডে, ইউনিসেফ বাংলাদেশের প্রতিনিধি এমা ব্রিগহাম, বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার টিম লিড ড. রাজেন্দ্র বোহরা এবং সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মুহম্মদ ইবরাহীম।
এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক ড. তানভীর আহমেদ।
এর আগে সকালে আগারগাঁওয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরে দুটি প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ সরকারের পাশাপাশি জাইকা, এডিবি ও এএফডি নগর পরিচালন ও অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প (আইইউজিআইপি) ও দক্ষিণ চট্টগ্রাম আঞ্চলিক উন্নয়ন প্রকল্প (এসসিআরডিপি) নামক প্রকল্প দুটির অর্থায়ন করে।
জুন ২০২৮ সাল নাগাদ নগর পরিচালন ও অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প (আইইউজিআইপি) সমাপ্ত হওয়ার কথা রয়েছে যেখানে মোট ৬০২ মিলিয়ন ইউএস ডলার খরচ হবে এবং ডিসেম্বর ২০২৮ সালে শেষ হবে দক্ষিণ চট্টগ্রাম আঞ্চলিক উন্নয়ন প্রকল্প (এসসিআরডিপি) যেখানে মোট প্রায় ৩ হাজার ৬৪৫ কোটি টাকা ব্যয় করা হবে।
প্রকল্প দুটির উদ্দেশ্য হচ্ছে পরিকল্পনা অনুযায়ী টেকসই নগরায়ন, নগর পরিচালন ব্যবস্থার উন্নয়ন, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং অবকাঠামো উন্নয়নে সহায়তা করা, দক্ষিণ চট্টগ্রামের জীবন মানের উন্নয়ন, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য অবকাঠামো উন্নয়ন।
এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন- স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. মো. শের আলী, এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর এডিমন গিনটিং, এএফডি বাংলাদেশের ডেপুটি কান্ট্রি ডিরেক্টর সিসিলিয়া কট্রিস, জাইকার বাংলাদেশ প্রধান ইচিগুচি তোমোহিডে। এছাড়াও প্রকল্প দুটি বাস্তবায়নাধীন বিভিন্ন পৌরসভার মেয়রগণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
৯১৪ দিন আগে
সিটি করপোরেশনগুলোর আইনগত ও আর্থিক অসঙ্গতি দূর করা হবে: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম দেশের বিভিন্ন সিটি করপোরেশনগুলোর কাজের গতি বাড়ানোর উপর গুরুত্ব আরোপ করে বলেছেন, জনগণ যাতে সহজে ও ভোগান্তিমুক্ত পরিবেশে সেবা পায় সেজন্য আমরা সবাই কাজ করছি।
তিনি বলেন, জনগণের সেবাপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে সিটি করপোরেশনগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই দেশের সব সিটি করপোরেশন আর্থিকভাবে শক্তিশালী এবং আইনগত অসঙ্গতিগুলো দূর করে যাতে সুষ্ঠুভাবে জনগণকে সেবা দিতে পারে সেজন্য কার্যকর পদক্ষেপ ও উদ্যোগ নেওয়া হবে।
সোমবার (১১ মার্চ) স্থানীয় সরকার বিভাগের সভাকক্ষে সিটি করপোরেশনের মেয়রদের নিয়ে এক মত বিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।
আরও পড়ুন: স্থানীয় সরকারমন্ত্রীর সঙ্গে এডিবির উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদলের বৈঠক
সভায় সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মুহম্মদ ইবরাহিম।
সমস্যাগুলো মনোযোগ দিয়ে শুনে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, কাজ করতে গেলে নানা রকমের সমস্যা ও প্রতিবন্ধকতা আসবেই, সে সমস্ত সমস্যাকে সমাধান করেই আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে।
তিনি আরও বলেন, সিটি করপোরেশনের মেয়ররা মন্ত্রণালয় থেকে কোনো প্রকার অসহযোগিতা পেলে সেক্ষেত্রে সব বাধা দূর করা হবে।
তিনি বলেন, সিটি করপোরেশনভুক্ত এলাকায় অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন কাজের তথ্য আগে থেকে সিটি করপোরেশন জানলে সমন্বয়টা ভালো হয় এবং সবাই তাদের কাজগুলো সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন করতে পারে।
তাজুল ইসলাম বলেন, সেবাপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে সমন্বয়ের অভাবে যাতে ভোগান্তি সৃষ্টি না হয়, সেজন্য সমন্বয়হীনতা দূর করে নির্বিঘ্নে সেবা প্রাপ্তির পরিবেশ প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
এতে উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ফজলে নূর তাপস, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরী, গাজীপুর সিটি করপোরেশনের জায়েদা খাতুন, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র সেলিনা হায়াত আইভি, সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. আনোয়ারুজ্জামান, খুলনা সিটি করপোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক, রংপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র মোস্তফা, বরিশাল সিটি করপোরেশনের মেয়র আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ, ভারপ্রাপ্ত মেয়র কুমিল্লা হাবিবুর আল-আমিন।
আরও পড়ুন: ভর্তুকি হ্রাস করে প্রতিষ্ঠানগুলোকে স্বাবলম্বী হতে হবে: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী
দেশের সমাজ ব্যবস্থায় নানা ধরনের দুর্নীতি রয়েছে: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী
৯২৭ দিন আগে