কারাগার
নারায়ণগঞ্জে কারগার থেকে বের হওয়ার পরই যুবককে কুপিয়ে হত্যা
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় জামিনে কারাগার থেকে বেরিয়ে বাসায় আসার কিছুক্ষণ পর ইমন নামের এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করেছে ‘সন্ত্রাসীরা’।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টার দিকে ফতুল্লার মাসদাইর গুদারাঘাট ওয়াজউদ্দিন মিস্ত্রিবাগের শেষ মাথায় সাদেক-বাবুল মিয়ার বাড়ীর সামনে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ইমন মাসদাইর গুদারাঘাট এলাকার ওমর খৈয়ামের ছেলে।
নিহত ইমনের বাবা বলেন, দীর্ঘ কারাভোগের পর গতকাল (সোমবার) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে জামিনে কারাগার থেকে বেরিয়ে বাসায় আসে ইমন। বাসায় আসার কিছুক্ষণ পর ফেরদৌস মোবাইলে ফোন করে তাকে বাবুল মিয়ার বাসায় ডেকে নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে ফেরদৌস, সন্ত্রাসী জাহিদ, চক্ষু হৃদয় ও হৃদয়সহ অপর সন্ত্রাসীদের তাকে হাতে তুলে দেন। পরে জাহিদ ও অপর সন্ত্রাসীরা তাকে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে। তখন সে দৌড়ে পার্শ্ববর্তী সাদেক মিয়ার বাড়িতে গিয়ে আশ্রয়ের চেষ্টা করলে সেখানেও তাকে কুপিয়ে ফেলে রেখে যায়।
তিনি বলেন, সংবাদ পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে রক্তাক্ত ইমনকে শহরের খানপুর হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি আরও জানান, হত্যাকারীদের মধ্যে চক্ষু হৃদয়ও কারাগার থেকে জামিনে বের হয়ে এসেছেন। নিহত ইমন তার সঙ্গে ইলেক্ট্রিকের কাজ করতেন।
এ বিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মান্নান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছে। তিনিও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক দল কাজ করছে বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।
১১ দিন আগে
চাঁদপুর জেলা কারাগারে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেবেন ৩৩ জন কয়েদি
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে চাঁদপুর জেলা কারাগারে ৩৩ জন কয়েদি পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। জেলা কারাগারের কয়েদিদের এটাই প্রথম ভোট।
চাঁদপুর জেলা কারাগারের জেল সুপার মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন ভূঞা বলেন, কারাগারে বন্দির সংখ্যা ৬৫০ জন। এর মধ্যে ৩১ জন পুরুষ ও ২ জন নারী ভোটার ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য নিবন্ধন করেছেন। তাদের মধ্যে ২৫ জন চাঁদপুরের ৫টি সংসদীয় আসনের ভোটার। আর বাকি ৮ জন দেশের বিভিন্ন জেলার ভোটার। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী বিশেষ ব্যবস্থায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই তারা পোস্টাল ব্যালটে তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেবেন।
তিনি আরও বলেন, কারাবন্দিদের ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া সুষ্ঠু ও স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন করতে ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের বিধিমালা অনুসরণ করে নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনার মধ্য দিয়ে এই ভোটগ্রহণ কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান খলিফা জানান, পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে জেলার মোট ৪৬ হাজার ৪৩৬ জন ভোটার নিবন্ধন করেছেন। এর মধ্যে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, নির্বাচনি দায়িত্বে নিয়োজিত ব্যক্তি, কারাবন্দি ও প্রবাসীরা ভোট দেওয়ার জন্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। এখন সবাই অপেক্ষা করছেন ১২ ফেব্রুয়ারির জন্য ।
৩২ দিন আগে
বাগেরহাট কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন ২৩ ভারতীয় জেলে
বাগেরহাট জেলা কারাগারে বন্দি থাকা ভারতীয় ২৩ জন জেলে মুক্তি পেয়েছেন।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে আদালতের নির্দেশে কারা কর্তৃপক্ষ কোস্টগার্ডের কাছে তাদের হস্তান্তর করেন। এ সময় ভারতীয় দুতাবাসের কর্মকর্তা, স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি, পুলিশ এবং জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উপস্থিত ছিলেন। পরে কোস্টগার্ড সদস্যরা নিরপত্তা দিয়ে ভারতীয় ওইসব জেলেদের মোংলায় নিয়ে যান।
আগামী পরশু (বৃহস্পতিবার) বাংলাদেশ-ভারত সমুদ্রসীমার মধ্যবর্তী স্থানে ভারতীয় কোস্টগার্ড সদস্যদের কাছে তাদের হস্তান্তর করা হবে বলে জানায় কারা কর্তৃপক্ষ।
কারা কর্তৃপক্ষ জানায়, বাংলাদেশ জলসীমায় অনুপ্রবেশ করে মাছ ধরার অপরাধে নৌবাহিনীর সদস্যরা গত অক্টোবর মাসে দুই দফায় ওই ২৩ জন জেলেকে আটক করেন। এর মধ্যে একটি ট্রলারসহ ১৪ জনকে এবং অপর একটি ট্রলারসহ ৯ জনকে আটক করা হয়েছিল। পরে বাগেরহাটের মোংলা থানায় হস্তান্তর করে তাদের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে বাংলাদেশ জলসীমায় প্রবেশ এবং মাছ ধরার অপরাধে সমুদ্র মৎস্য আইনে মামলা করা হয়।
পরে পুলিশ তাদের বাগেরহাট জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠালে বিচারক জেলা কারাগারে পাঠান।
বাগেরহাট জেলা কারাগারের সুপার মো. মোস্তফা কামাল জানান, বাংলাদেশ জলসীমা থেকে আটক ভারতীয় ১৪ জেলে ২০২৫ সালের ১৯ অক্টোবর এবং ৯ জেলে ২৪ অক্টোবর আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে আসেন। চলতি বছরের ২০ জানুয়ারি বাগেরহাটের আদালত থেকে ভারতীয় ওই ২৩ জেলেকে মামলার দায় থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। এরপর ২৫ জানুয়ারি স্বারাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে তাদের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের আদেশ আসে। আদেশ মোতাবেক তাদের কারগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে বলে জানান মোস্তফা কামাল।
কোস্টগার্ড মোংলা পশ্চিম জোনের লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সেলিম বিশ্বাস জানান, বাগেরহাট জেলা কারাগার কর্তৃপক্ষ আজ (মঙ্গলবার) ভারতীয় ২৩ জেলেকে তাদের কাছে হস্তান্তর করেছে। আগামীকাল (বুধবার) সকালে মোংলা থেকে কোস্টগার্ড সদস্যরা ওই জেলেদের নিয়ে সমুদ্র পথে রওনা হবেন। এরপর বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ-ভারত সমুদ্রসীমার মধ্যবর্তী স্থানে ভারতীয় কোস্টগার্ডের কাছে তাদের হস্তান্তর করা হবে।
প্রসঙ্গত, গত ৭ ডিসেম্বর বাগেরহাট জেলা কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে আরও ৪৭ জন ভারতীয় জেলে দেশে ফিরে গেছেন।
৩৮ দিন আগে
পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেবেন যশোর কারাগারের ১২৯ বন্দি
যশোর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেবেন ১২৯ জন কারাবন্দি।
প্রথমবারের মতো কারাগারে থাকা বন্দিরা এই ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাবেন।
যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের ১২৯ জন বন্দি ইতোমধ্যে অনলাইনের মাধ্যমে নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার আবিদ আহম্মেদ।
গত ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহ থেকে শুরু হয়ে ৩১ ডিসেম্বর এই নিবন্ধন শেষ হয়।
যশোর কেন্দ্রীয় কারাগার সূত্র জানায়, প্রথমে বিষয়টি বন্দিদের জানানো হলে অনেকেই আগ্রহ প্রকাশ করেন। তবে আগ্রহ থাকা সত্ত্বেও জাতীয় পরিচয়পত্র না থাকা অথবা অন্যান্য কারণে অনলাইনে নিবন্ধন করতে পারেননি অনেকে। আবার কেউ কেউ জামিনে মুক্তি পাওয়ার সম্ভাবনা থাকায় আবেদন করতে চাননি।
কারা সূত্র আরও জানায়, পোস্টাল ব্যালট হাতে পাওয়ার পর বন্দিরা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। বন্দিদের নিজ নিজ নির্বাচনি আসনে কোন কোন প্রার্থী ও প্রতীকে নির্বাচন করছেন, সে তথ্য বুকলেট আকারে সরবরাহ করা হবে। এতে তারা প্রার্থী ও প্রতীক সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন।
নিবন্ধিত বন্দিদের জন্য যথাযথভাবে ভোট প্রদানের পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে। নির্ধারিত সময়ে নিবন্ধিত ভোটারদের জন্য নির্বাচন কমিশন পৃথকভাবে খাম পাঠাবে। প্রতিটি প্যাকেটে থাকবে ভোট প্রদানের নিয়মাবলি, স্বাক্ষরের জন্য নির্ধারিত স্থান এবং ব্যালট পেপার। বন্দিরা ব্যালট পেপারে ভোট দিয়ে খাম সিল করবেন।
কারাগারের নির্ধারিত স্থানে বসেই তারা ভোট দেবেন। পরে ব্যালট পেপারের খাম ও স্বাক্ষরসহ কপিটি আরেকটি খামে ভরে কারা কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেবেন। কারা কর্তৃপক্ষ সেগুলো পোস্ট অফিসে পাঠাবে এবং ডাক বিভাগ এক্সপ্রেস ব্যবস্থায় খামগুলো নির্বাচন কমিশনে পাঠাবে। এরপর নির্বাচন কমিশন সংশ্লিষ্ট নির্বাচনি এলাকার ভোটের সঙ্গে এগুলো যুক্ত করবে।
কারা সূত্র আরও জানায়, নিবন্ধিত বন্দিদের কেউ জামিনে মুক্তি পেলেও ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য তাকে কারাগারের ভেতরে নির্ধারিত বুথে উপস্থিত হয়ে ভোট দিতে হবে। ভোটপ্রদান শেষে তিনি পুনরায় কারাগার থেকে বের হবেন।
এ বিষয়ে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার আবিদ আহম্মেদ বলেন, নিবন্ধিত বন্দিদের ভোট প্রদানের জন্য কারা কর্তৃপক্ষ সর্বোচ্চ সহযোগিতা নিশ্চিত করতে কাজ করছে। এ বিষয়ে একটি টিমও গঠন করা হয়েছে। প্রথমবারের মতো পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়ে বন্দিদের মধ্যেও ব্যাপক আগ্রহ দেখা গেছে।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক আশেক হাসান বলেন, নির্বিঘ্নে ভোট প্রদানের জন্য কারা কর্তৃপক্ষকে সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে। বন্দিরা যাতে সুষ্ঠুভাবে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সে বিষয়ে প্রশাসন আন্তরিকভাবে কাজ করছে।
৪২ দিন আগে
১৫ সেনা কর্মকর্তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ ট্রাইব্যুনালের
মানবতাবিরোধী অপরাধের পৃথক তিন মামলায় ১৫ সেনা কর্মকর্তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১।
বুধবার (২২ অক্টোবর) সকালে বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল-১ এই আদেশ দেন। এই ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
আদালতে হাজির হওয়া অভিযুক্ত কর্মকর্তারা জামিনের আবেদন করলেও তা খারিজ করে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
যাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তারা হলেন— র্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. কামরুল হাসান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহাবুব আলম, ব্রিগেডিয়ার কে এম আজাদ, কর্নেল আবদুল্লাহ আল মোমেন ও কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান (অবসর প্রস্তুতিমূলক ছুটিতে); র্যাবের গোয়েন্দা শাখার সাবেক পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মশিউর রহমান, লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল ইসলাম সুমন, লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সারওয়ার বিন কাশেম, লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ রেদোয়ানুল ইসলাম, বিজিবির সাবেক কর্মকর্তা মেজর মো. রাফাত-বিন-আলম।
ডিজিএফআইয়ের সাবেক তিনজন পরিচালক মেজর জেনারেল শেখ মো. সরওয়ার হোসেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান সিদ্দিকী ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমেদ তানভির মাজাহার সিদ্দিকীকেও কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সকালে অভিযুক্তরা তিনটি মামলায় আদালতে হাজির হন। প্রসিকিউশন জানিয়েছে, তিনটি মামলায় মোট ৩৪ জনকে অভিযুক্ত হিসেবে নাম উল্লেখ করা হয়েছে, যার মধ্যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও রয়েছেন।
প্রথম মামলায় ১৭ জন, দ্বিতীয় মামলায় ১৩ জন এবং তৃতীয় মামলায় চারজনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। হাসিনাকে দুটি মামলায় অভিযুক্ত করা হয়েছে। মোট অভিযুক্ত ২৫ জন সেনা কর্মকর্তার মধ্যে ১৫ জন বর্তমানে হেফাজতে আছেন।
এই তিন মামলার মধ্যে দুটি হয়েছে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে গুম, র্যাবের টিএফআই এবং সেনাবাহিনীর জেআইসি সেলে আটকে রেখে নির্যাতনের ঘটনায়।
অন্যটি জুলাই অভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর রামপুরা ও বনশ্রী এলাকায় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে।
এদিকে, সেনা কর্মকর্তাদের ট্রাইব্যুনালে হাজির নিয়ে রাজধানীর বিভিন্ন পয়েন্টে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। ভোর থেকেই ট্রাইব্যুনাল সংলগ্ন হাইকোর্টের মাজারগেট, মৎস্য ভবন, কাকরাইলসহ একাধিক স্থানে সেনাবাহিনী, বিজিবি, র্যাব, পুলিশসহ বিভিন্ন সংস্থার সদস্যদের লক্ষ্য করা গেছে।
এর আগে গত (৮ অক্টোবর) বুধবার আওয়ামী লীগ আমলে সংঘটিত গুমের ঘটনায় দায়ের করা দুটি মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনাল গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে।
এরপর গত ১১ অক্টোবর সেনা সদরের এক সংবাদ সম্মেলনে ওই ১৫ জনকে হেফাজতে নেওয়ার কথা জানানো হয়।
আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিলের পর আমলে নেওয়ার জন্য শুনানি শুরু হয় ট্রাইব্যুনালে। প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।
পরে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নিয়ে বিচারের মুখোমুখি করার আবেদন করেন তিনি। শুনানি শেষে অভিযোগ আমলে নিয়ে তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারিসহ আজকের মধ্যে হাজিরের নির্দেশ দেওয়া হয়।
১৩৬ দিন আগে
ঢাকা সেনানিবাসের একটি ভবনকে সাময়িকভাবে কারাগার ঘোষণা
ঢাকা সেনানিবাসের একটি ভবনকে সাময়িকভাবে কারাগার ঘোষণা করা হয়েছে। রোববার (১২ অক্টোবর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এ কথা জানানো হয়।
এতে বলা হয়েছে, ঢাকা সেনানিবাসের বাশার রোডসংলগ্ন উত্তর দিকে অবস্থিত ‘এম ই এস বিল্ডিং নম্বর-৫৪'কে সাময়িকভাবে কারাগার হিসেবে ঘোষণা করা হলো। যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে এই আদেশ জারি করা হলো। আদেশটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।
এর আগে শনিবার (১১ অক্টোবর) ঢাকা সেনানিবাসে এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী জানায়, মানবতাবিরোধী অপরাধ ও গুমের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের জারিকৃত গ্রেপ্তারি পরোয়ানার পরিপ্রেক্ষিতে ১৫ কর্মকর্তাকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত ১৫ সেনা কর্মকর্তা হেফাজতে
মেজর জেনারেল মো. হাকিমুজ্জামান জানান, তাদের মধ্যে ১৪ জন কর্মরত কর্মকর্তা এবং একজন এলপিআরে, অর্থাৎ অবসরোত্তর ছুটিতে ছিলেন। এছাড়া মেজর জেনারেল কবীর আহাম্মদ নামের আরেকজন সেনা কর্মকর্তা অদ্যাবধি অনুপস্থিত রয়েছেন। তার কোনো সন্ধান এখনও কর্তৃপক্ষের কাছে নেই।
সংবাদ সম্মেলনে সেনা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে (আইসিটি) দায়ের করা মামলাগুলো নিয়েই মূলত আলোচনা হয়।
গত বুধবার আওয়ামী লীগ আমলে সংঘটিত গুমের ঘটনায় দায়ের করা দুটি মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনাল গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। এর মধ্যে ২৫ জন সেনাবাহিনীর বর্তমান ও সাবেক কর্মকর্তা। দুই মামলায়ই ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিকীর নাম রয়েছে।
আরও পড়ুন: মানবতাবিরোধী অপরাধ: শেখ হাসিনা ও কামালের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে যুক্তিতর্ক শুরু
২৮ আসামির মধ্যে ১৭ জনের বিরুদ্ধে র্যাবের টাস্কফোর্স ইন্টারোগেশন (টিএফআই) সেলে নির্যাতনের অভিযোগ এবং ১৩ জনের বিরুদ্ধে যৌথ জিজ্ঞাসাবাদ সেল (জেআইসি)-এ নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে।
পরোয়ানা জারির দিনই তা সংশ্লিষ্ট ১৩টি দপ্তরে পাঠানোর কথা জানিয়েছিলেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর কর্মকর্তারা। তবে মেজর জেনারেল হাকিমুজ্জামান জানান, পরোয়ানার কপি এখনো সেনাসদরে পৌঁছায়নি। তারপরও তারা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ শুরু করেছেন।
তিনি বলেন, ‘২৫ জন অভিযুক্তের মধ্যে ৯ জন অবসরপ্রাপ্ত, ১ জন এলপিআরে এবং ১৫ জন বর্তমানে সেনাবাহিনীতে কর্মরত। ৮ অক্টোবর গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পর ১৬ জনকে সেনাসদরে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। ৯ অক্টোবরের মধ্যে সেনাসদরে হাজির হয়েছেন ১৫ জন। তারা পরিবার থেকে আলাদা অবস্থায় থাকছেন। মেজর জেনারেল কবীর আহাম্মাদ এখনও উপস্থিত নন।’
১৪৪ দিন আগে
সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
শাহবাগ থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
শুক্রবার(২৯ আগস্ট) মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক তৌফিক হাসান তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ্ ফারজানা হক তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
কারাগারে যাওয়া অন্যরা হলেন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমান (কার্জন), মো. আব্দুল্লাহ আল আমিন, মঞ্জুরুল আলম পান্না, কাজী এটিএম আনিসুর রহমান বুলবুল, গোলাম মোস্তফা, মো. মহিউল ইসলাম ওরফে বাবু, মো. জাকির হোসেন, মো. তৌছিফুল বারী খাঁন, মো. আমির হোসেন সুমন, মো. আল আমিন, মো. নাজমুল আহসান, সৈয়দ শাহেদ হাসান, মো. শফিকুল ইসলাম দেলোয়ার, দেওয়ান মোহম্মদ আলী ও মো. আব্দুল্লাহীল কাইয়ুম।
পড়ুন: সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ঢাবি শিক্ষক ডিবি হেফাজতে
গত বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) মিলনায়তনে ‘আমাদের মহান স্বাধীনতাযুদ্ধ এবং বাংলাদেশের সংবিধান’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করে ‘মঞ্চ ৭১’।
জুলাই অভ্যুত্থানের আন্দোলনকারীরা অনুষ্ঠানে লতিফ সিদ্দিকী এলে তাকে ঘিরে ফেলে এবং আওয়ামী লীগের দোসর আখ্যা দিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকে।
গোলটেবিল বৈঠকের অংশগ্রহণকারীদের ঘেরাও করে রাখে। পরে খবর পেয়ে ডিবি পুলিশ এসে তাদের নিয়ে যায়। রাতে শাহবাগ থানা পুলিশ বাদী হয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে তাদের বিরুদ্ধে একটি মামলাটি করে।
অনুষ্ঠানটিতে অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা ছিল গণফোরামের সাবেক সভাপতি ড. কামাল হোসেন ও আইনজীবী জেড আই খান পান্নার।
১৮৯ দিন আগে
দুদকের মামলায় সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬ কর্মকর্তা কারাগারে
জনবল নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬ কর্মকর্তাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন প্রার্থনা করেন তারা। তবে বিচারক জামিন না মঞ্জুর করে তাদের জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। সিলেট মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক রোকনুজ্জামান এই নির্দেশ দেন।
আত্মসমর্পণ করা ৬ কর্মকর্তা হলেন— বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. বিলাল আহমদ চৌধুরী, সেকশন অফিসার বেলাল উদ্দিন, প্রশাসনিক কর্মকর্তা আব্দুল আজিজ, মো. রেদোয়ান, আব্দুল মজিদ ও তানভীর আহমদ। তারা সবাই দুদকের চার্জশিটভুক্ত আসামি।
দুদকের আইনজীবী লুৎফুল কিবরিয়া শামীম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, দুদকের চার্জশিটভুক্ত ৬ আসামি মঙ্গলবার দুপুরে আদালতে আত্মসমর্পণ করলে বিচারক তাদের জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
আরও পড়ুন: সিলেটে রায়হান হত্যা: জামিনে মুক্ত প্রধান আসামি এসআই আকবর
ক্ষমতার অপব্যবহার, অনিয়মের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পদে নিয়োগ ও পদোন্নতি দেওয়ার অভিযোগে করা মামলায় ৫৮ জনের বিরুদ্ধে চলতি বছরের ২০ এপ্রিল আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় দুদক। পরে ২৪ এপ্রিল ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রারসহ ৫৮ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালে প্রতিষ্ঠিত এ বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ পায় বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। এ অভিযোগ আমলে নিয়ে ইউজিসি ২০২৩ সালে তদন্ত শুরু করে। তদন্তে তৎকালীন উপাচার্য মোর্শেদ আহমেদ চৌধুরী ও ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মো. নঈমুল হক চৌধুরীর বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির সত্যতা পাওয়া যায়। এরপর নিয়োগে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে তৎকালীন উপাচার্য, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রারসহ ৫৮ জন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের ১ এপ্রিল মামলা করে দুদকের সিলেটের সমন্বিত জেলা কার্যালয়।
মামলায় তৎকালীন উপাচার্য মোর্শেদ আহমেদ চৌধুরী ও ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মো. নঈমুল হক চৌধুরী ছাড়া আরও ৫৬ জন কর্মকর্তাকে আসামি করা হয়।
১৯৯ দিন আগে
মানিকগঞ্জ কারাগারে ইউপি সদস্যের মৃত্যু
মানিকগঞ্জ জেলা কারাগারে আটক অবস্থায় বাবুল হোসেন (৫৫) নামের ইউনিয়ন পরিষদের এক সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২৩ জুলাই) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মৃত বাবুল হোসেন মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার গড়পাড়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের নির্বাচিত সদস্য এবং ওই ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
জেলা কারাগারের জেল সুপার মো. হুমায়ূন কবির খান বলেন, ‘বাবুল হোসেন কিছুদিন ধরে কারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। বুধবার সকাল ১০টার দিকে হঠাৎ করে তার বুকে তীব্র ব্যথা অনুভূত হলে তাকে দ্রুত জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়। হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক জানান, তিনি মারা গেছেন।’
হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক জানান, বাবুল হোসেনকে হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ জানতে লাশের ময়নাতদন্ত করা হবে।
পড়ুন: চট্টগ্রাম কারাগারে মৃত্যু, জেল সুপার-ওসিসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন
মানিকগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম আমান উল্লাহ বলেন, ‘লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে তদন্ত চলছে।’
ওসি জানান, গড়পাড়ায় শিল্পী মানবেন্দ্র ঘোষের বাড়ি পোড়ানো মামলার আসামি ছিলেন তিনি। গত চার মাস ধরে তিনি মানিকগঞ্জ জেলা কারাগারে বন্দী ছিলেন।
২২৬ দিন আগে
দিনাজপুরে কারাগারে কয়েদির মৃত্যু
দিনাজপুরের জেলা কারাগারে তিন মামলায় অন্তরীণ শামসুল হক মণ্ডল নামে একজন কয়েদির মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার (১৬ জুলাই) সকালে এ ঘটনা ঘটে।
শামসুল হক মণ্ডল (৪৭) রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার বন্দরপাড়া গ্রামের মোকাম মণ্ডলের ছেলে।
জেল সুপার মোকাম্মেল হোসাইন জানান, গত বছরের ১৮ জুন থেকে তিন মামলায় দিনাজপুরের জেলা কারাগারে রয়েছে বন্দি ছিলেন শামসুল হক মণ্ডল। ৪০২ ধারায় তার ৫ বছরের সাজা ছিল। ওই মামলায় গত ২৬ জুন জামিনে মুক্তির আদেশ পেয়েছিলেন। কিন্তু দ্রুত বিচার আইনে আরেক মামলায় ২ বছরের সাজা কার্যকর থাকার পাশাপাশি আরেকটি মামলা বিচারাধীন ছিল তার বিরুদ্ধে। এ কারণে তাকে কারাগার থেকে ছাড় পাননি তিনি।
আরও পড়ুন: টোলপ্লাজায় ৬ জনের মৃত্যু: দেড় কোটি টাকা করে ক্ষতিপূরণ দিতে রুল
আজ (বুধবার) ভোরে ফজরের নামাজের সময় সে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাকে তাৎক্ষণিক কারা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে সকাল সাড়ে ৬টার দিকে তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসক। ময়নাতদন্ত শেষে লাশ গ্রহণ করতে পরিবারের কাছে খবর পাঠানো হয়েছে।
২৩৪ দিন আগে