বিনিয়োগ
বিনিয়োগে চ্যালেঞ্জগুলো সম্পর্কে ব্যবসায়ীদের মতামত শুনলেন প্রধানমন্ত্রী
দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈঠকে বিনিয়োগের পরিবেশ উন্নয়ন, শিল্পখাতের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ নিরসন এবং চলমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
শনিবার (৪ এপ্রিল) তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বেলা সাড়ে ১১টায় শুরু হয়ে বৈঠকটি প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা ধরে চলে।
বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ফটকে সাংবাদিকদের সামনে বিস্তারিত তুলে ধরেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
তিনি বলেন, দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ীদের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্যসহ নানা বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। ব্যবসার ক্ষেত্রে যেসব সমস্যা হচ্ছে, সংকট আছে, সেগুলো দূর করার বিষয়ে নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ব্যবসায়ী নেতারা তাদের কথা বলেছেন। অনেক কিছুর সমাধান হয়েছে। আবার অনেক কিছু বাকি আছে, সেগুলো আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হবে।
বিনিয়োগ প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতেই আজ ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বসা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে প্রধানমন্ত্রী শুনেছেন, বিনিয়োগে বাধা কোথায়, ব্যবসায়ীরা বিনিয়োগের বাধা কোথায় পাচ্ছেন—এগুলোর সমাধান উনি (প্রধানমন্ত্রী) করতে চান, শিগগিরই করতে চান। ব্যবসায়ীদের কাছে সমস্যার কথা শুনেছেন এবং কিছু কিছুর সমাধান তাৎক্ষণিকভাবে দিয়েছেন। বাকিগুলো আলোচনার মাধ্যমে সমাধান দেওয়া হবে।
এ সময় বন্ধ কল-কারখানা চালুর বিষয়ে আলোচনা হওয়ার কথা জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, এগুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে। যেসব কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে, এগুলো কীভাবে চালু করা যায়; সরকারি কারখানা যেগুলো বন্ধ হয়েছে, সেগুলো কীভাবে আবার শুরু করা যায়—এসব নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
তিনি বলেন, সার্বিকভাবে নতুন প্রকল্পের বাইরে যেসব পুরনো প্রকল্প বন্ধ হয়ে আছে, এগুলো চালু করার জন্য আলোচনা হয়েছে এবং এগুলার সমাধান দিয়ে আমরা আশা করি অনেক প্রকল্প চালু করা হবে।
জ্বালানি সহায়তা বিষয়ক এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ বিভিন্ন বহুপাক্ষিক সংস্থার কাছ থেকে সহযোগিতা পাচ্ছে। আমরা সবার সহযোগিতা পাচ্ছি।
বৈঠকে ব্যবসায়ীদের মধ্যে ডিবিএল গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ জব্বার, অ্যাপেক্স ফুটওয়্যারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান আহসান খান চৌধুরী, প্যাসিফিক জিন্স গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মোহাম্মদ তানভীর, বে গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জিয়াউর রহমান, ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালসের চেয়ারম্যান আব্দুল মুক্তাদির, রানার গ্রুপের চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান খান, র্যাংগস গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সোহানা রউফ চৌধুরী, এসিআইয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আরিফ দৌলা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির,বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ ইসলাম অমিত ও বিনিয়োগ কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরীও উপস্থিত ছিলেন।
১৩ দিন আগে
বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা জোরদারের আশা বাংলাদেশ-ইইউয়ের
ক্যামেরুনের ইয়াউন্দেতে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) চতুর্দশ মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলনের সাইডলাইনে বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (২৯ মার্চ) অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে দুই পক্ষই বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় করার ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে।
বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের পক্ষে নেতৃত্ব দেন সংস্থাটির বাণিজ্যবিষয়ক কমিশনার মারোস সেফকোভিচ। তার সঙ্গে ছিলেন ট্রেড ডিরেক্টর জেনারেল সাবিন ওয়েয়ান্ডসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
বৈঠকে বাংলাদেশের সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব আরও জোরদারের বিষয়ে দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন বাণিজ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, নতুন সরকার বৈশ্বিক ভ্যালু চেইনে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তি বৃদ্ধি এবং ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ উন্নয়নে দূরদর্শী পদক্ষেপ গ্রহণ করছে, যা টেকসই বাণিজ্যনির্ভর প্রবৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করবে।
বাংলাদেশের আসন্ন স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণ প্রসঙ্গে মন্ত্রী ইউরোপীয় ইউনিয়নের কাছে প্রস্তুতিমূলক সময়সীমা তিন বছর বাড়ানোর অনুরোধ জানান, যাতে রপ্তানি প্রতিযোগিতা ধরে রাখা এবং অর্থনীতিতে সম্ভাব্য ঝুঁকি এড়ানো সম্ভব হয়। একইসঙ্গে, বাংলাদেশের প্রধান তৈরি পোশাক রপ্তানি বাজার হিসেবে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে দ্রুত একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) আলোচনার উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ ইতোমধ্যে জাপানের সঙ্গে অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি সম্পন্ন করেছে এবং দক্ষিণ কোরিয়া, সিঙ্গাপুর ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে এফটিএ ও সিইপিএ নিয়ে আলোচনা চলমান রয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার নির্দেশনা অনুযায়ী শ্রম খাতে সংস্কার কার্যক্রমে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে এবং সংশোধিত শ্রম আইন শিগগিরই প্রণয়ন করা হবে।
তিনি আরও বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণ-সংক্রান্ত প্রস্তুতি সময় বৃদ্ধির অনুরোধকে ইতিবাচকভাবে বিবেচনার আশ্বাস দেওয়া হয় এবং শ্রমখাতে চলমান সংস্কারের প্রশংসা করা হয়। বাংলাদেশের প্রস্তাবিত এফটিএ বিষয়ে প্রয়োজনীয় অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়া শেষে মূল্যায়ন করা হবে বলেও জানানো হয়।
বৈঠকে উভয় পক্ষই বাণিজ্য ও বিনিয়োগ ক্ষেত্রে সমতাভিত্তিক পরিবেশ, স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন ভারসাম্যপূর্ণ সম্পৃক্ততার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে সকল অংশীদারের জন্য বৈষম্যহীন ও ন্যায়সঙ্গত আচরণ নিশ্চিত করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে বাংলাদেশ।
বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমানসহ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
১৮ দিন আগে
পুঁজিবাজারে বিনিয়োগে বিশেষ তহবিলের মেয়াদ বৃদ্ধি
পুঁজিবাজারে ব্যাংক বিনিয়োগের ২০০ কোটি টাকার বিশেষ তহবিলের মেয়াদ ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
এ সিদ্ধান্তে গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরকে ধন্যবাদ জানিয়েছে শেয়ারবাজারের স্টক ব্রোকারদের সংগঠন ঢাকা ষ্টক এক্সচেঞ্জ ব্রোকার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিবিএ)।
বুধবার (৯ এপ্রিল) ডিবিএ থেকে পাঠানো এক বার্তায় সংগঠনটির সভাপতি সাইফুল ইসলাম এ তথ্য জানান।
সাইফুল বলেন, পুঁজিবাজারে তারল্য প্রবাহ বাড়াতে তফসিলি ব্যাংকের বিশেষ তহবিলের মেয়াদ বৃদ্ধির অনুরোধ করে ডিবিএর পক্ষ থেকে গত ২৮ জানুয়ারী বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরকে চিঠি দেয়া হয়েছিল। গভর্নর ডিবিএ'র সুপারিশ বিবেচনায় নিয়ে পুঁজিবাজারের উন্নয়ন ও অগ্রগতির স্বার্থে এই বিশেষ তহবিলের মেয়াদ ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ সাল পর্যন্ত বৃদ্ধি করেছেন। এ সিদ্ধান্তে পুঁজিবাজার আগের থেকে আরও চাঙ্গা হবে।
এই তহবিলের যথাযথ ব্যবহার ও বিনিয়োগ বাজারের তারল্য প্রবাহ বৃ্দ্ধিতে সহায়তা করবে এবং দৈনিক শেয়ার লেনদেনে গতি এনে বাজারকে ইতিবাচক ধারায় নিয়ে যাবে বলে আশাবাদ প্রকাশ করে ডিবিএ।
আরও পড়ুন: সূচকের উত্থানে চলছে পুঁজিবাজারের প্রথমার্ধ
সংগঠনের পক্ষ থেকে বলা হয়, "গভর্নর পুঁজিবাজারের প্রতি সর্বদা সুদৃষ্টি রাখবেন এবং এর উন্নয়নে বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্বিক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশা করছি।"
এছাড়াও, ডিবিএর পক্ষ থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক, অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ (এফআইডি), বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) সহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে ধন্যবাদ জানানো হয়েছে।
পুঁজিবাজারের সার্বিক স্বার্থে অতীতের ন্যায় ভবিষ্যতেও সরকার, বাংলাদেশ ব্যাংক, বিএসইসি, ডিএসইসহ বাজার সংশ্লিষ্ট সকলের সাথে একযোগে কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে ডিবিএ।
৩৭৩ দিন আগে
ফিনল্যান্ডের ব্যবসায়ীদের নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিনিয়োগের আহ্বান
ফিনল্যান্ডের ব্যবসায়ীদের নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে এখন বিনিয়োগের উত্তম পরিবেশ তৈরি হয়েছে।’
মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) ফিনল্যান্ডের আন্ডার সেক্রেটারি অব স্টেট ( ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড) জারনো সিরিয়ালায়ের নেতৃত্বে ব্যবসায়ীদের একটি প্রতিনিধিদল বাণিজ্য উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক করেন।
বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘নবায়নযোগ্য জ্বালানিখাত বিশেষ করে সৌরশক্তি ও বায়ু শক্তি উৎপাদনে ফিনল্যান্ডের ব্যবসায়ীরা বিনিয়োগ করতে পারেন।’
আরও পড়ুন: বুধবার থেকে ৬৪ জেলায় ট্রাকসেলে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু হবে: বাণিজ্য উপদেষ্টা
এ সময় তিনি দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বাড়াতে উভয় দেশের ব্যবসায়ীদের এনগেজমেন্ট বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন শেখ বশিরউদ্দীন।
ফিনল্যান্ডের আন্ডার সেক্রেটারি অব স্টেট ( ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড) জারনো সিরিয়ালা বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাত বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করেন।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবুর রহমান ও ভারতের দিল্লিতে নিযুক্ত ফিনল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত কিম্মো লাহেদিভিরতা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
৩৭৪ দিন আগে
২১০ কোটি ডলার বিনিয়োগ, ঋণ ও অনুদানের প্রতিশ্রুতি বেইজিংয়ের
চীন সফরকালে দেশটির সরকার ও চীনা কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে বাংলাদেশের জন্য ২১০ কোটি ডলারের বিনিয়োগ, ঋণ ও অনুদানের প্রতিশ্রুতি পেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
ঢাকায় নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন ও বাংলাদেশের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রধান উপদেষ্টা চীনের বেসরকারি উদ্যোক্তাদের বাংলাদেশের উৎপাদন খাতে বিনিয়োগের আহ্বান জানানোর পর দেশটির প্রায় ৩০টি কোম্পানি (বাংলাদেশের) বিশেষ চীনা শিল্প অর্থনৈতিক অঞ্চলে ১০০ কোটি ডলার বিনিয়োগের অঙ্গীকার করেছে।
এছাড়া মোংলা বন্দর আধুনিকীকরণ প্রকল্পে আরও প্রায় ৪০ কোটি ডলার, চীনা শিল্প অর্থনৈতিক অঞ্চলের উন্নয়নে ৩৫ কোটি ডলার এবং প্রযুক্তিগত সহায়তা হিসেবে আরও ১৫ কোটি ডলার ঋণ দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে। বাকি অর্থ অনুদান ও অন্যান্য ঋণ সহায়তা হিসেবে আসবে।
আরও পড়ুন: ঢাকা-বেইজিংয়ের মধ্যে ১ চুক্তি, ৮ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর
প্রধান উপদেষ্টার চার দিনের চীন সফরের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেছেন, ‘এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক সফর।’
বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) এবং বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী বলেন, এই সফর বাংলাদেশে চীনা বিনিয়োগ বৃদ্ধির নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে।
দ্বিপাক্ষিক বৈঠককালে চীনের প্রেসিডেন্টকে চীনা বেসরকারি কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য ‘সবুজ সংকেত’ দেওয়ার অনুরোধ জানান ড. ইউনূস।
শি চীনা কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশে তাদের উৎপাদন কারখানা স্থানান্তরে উৎসাহিত করবেন বলে আশ্বস্ত করেছেন বলে জানিয়েছেন আশিক চৌধুরী।
তিনি বলেন, ‘এই সফর অনেক চীনা কোম্পানিকে বাংলাদেশে বিনিয়োগে রাজি করাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এটি কেবল সময়ের ব্যাপার।’
আরও পড়ুন: সুদহার কমাতে ইতিবাচক সাড়া চীনা প্রেসিডেন্টের, পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতার আশ্বাস
আজ (শুক্রবার) বেইজিংয়ে ড. ইউনূস ও আশিক চৌধুরী বিশ্বের কয়েকটি বৃহত্তমসহ শতাধিক চীনা কোম্পানির কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন, যেখানে বাংলাদেশে উৎপাদন খাতে বিশেষ করে উন্নত টেক্সটাইল, ওষুধশিল্প, হালকা প্রকৌশল ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিনিয়োগের আহ্বান জানান।
তিনটি ইন্টারঅ্যাকটিভ সেশনে তারা বক্তব্য রাখেন। এ ব্যাপারে আশিক চৌধুরী বলেন, ‘এখন পর্যন্ত আমরা অত্যন্ত ইতিবাচক সাড়া পেয়েছি।’
৩৮৪ দিন আগে
সূচক-লেনদেন দুটোই কমলো পুঁজিবাজারে
সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবস সুখকর ছিলো বিনিয়োগকারীদের জন্য। সূচক এবং লেনদেন কমেছে ঢাকার পুঁজিবাজারে। চট্টগ্রামে সূচক কমলেও লেনদেন বেড়েছে সামান্য।
সারাদিনের লেনদেন শেষে বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স কমেছে ১০ পয়েন্ট। বাকি দুই সূচক শরীয়াভিত্তিক ডিএসইএস ২ এবং ব্লু-চিপ ডিএস-৩০ কমেছে ৯ পয়েন্ট।
সূচক কমার পাশাপাশি লেনদেনও কমেছে ঢাকার বাজারে। তৃতীয় কার্যদিবসে লেনদেন ৫৯৯ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেলেও, এক দিনের ব্যবধানে লেনদেন নেমেছে ৪২৭ কোটি টাকায়।
আরও পড়ুন: সূচকের পতন হলেও বছরের সর্বোচ্চ লেনদেন পুঁজিবাজারে
ঢাকার মতোই সূচক কমেছে চট্টগ্রামের বাজারেও। চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচক কমেছে ৬১ পয়েন্ট। তবে সূচক কমলেও লেনদেন বেড়েছে সিএসইতে। ৫ কোটি ৯৯ লাখ টাকার লেনদেন ছাড়িয়ে গেছে ৬ কোটি টাকা।
কোম্পানির দাম
ডিএসইতে লেনদেন হওয়া বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম কমেছে। তালিকাভুক্ত ৩৯৮ কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১০৩, কমেছে ২২৮ এবং অপরিবর্তিত আছে ৬৭ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
ক্যাটাগরির বিচারে এ, বি এবং জেড সব ক্যাটাগরিভুক্ত বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম কমেছে। লেনদেন হওয়া ৩৭ মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দাম বেড়েছে ৬, কমেছে ২০ এবং অপরিবর্তিত আছে ১১ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
ব্লক মার্কেটে মোট ২৪ কোম্পানির ৪১ লাখ শেয়ার ২৩ কোটি ৩২ লাখ টাকায় বিক্রি হয়েছে। এরমধ্যে বেক্সিমকো ফার্মাসিটিক্যালস ১৬ লাখ শেয়ার সর্বোচ্চ ১২ কোটি টাকায় বিক্রি করেছে।
সিএসইতে লেনদেন হওয়া ১৮২ কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৫২, কমেছে ১০৫ এবং অপরিবর্তিত আছে ২৫ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
শীর্ষ শেয়ার
ডিএসইতে ৯ দশমিক ৮৬ শতাংশ দাম বেড়ে শীর্ষে আছে ইনটেক লিমিটেড। অন্যদিকে ৯ শতাংশের ওপর দাম হারিয়ে তলানিতে নেমে এসেছে মিডল্যান্ড ব্যাংক পিএলসি।
আরও পড়ুন: পুঁজিবাজারে লেনদেনের শুরুতে ঢাকায় পতন, চট্টগ্রামে উত্থান
চট্টগ্রামে ১০ শতাংশ দাম বেড়ে শীর্ষে ইবিএল ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড। একইভাবে ৯ শতাংশের বেশি দাম কমে তলানিতে মিডল্যান্ড ব্যাংক পিএলসি।
৪২২ দিন আগে
বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে জাপানি ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান বাণিজ্য উপদেষ্টার
বাংলাদেশে বিনিয়োগের সুযোগ কাজে লাগাতে জাপানি ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন। মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জাপানের টোকিওতে ইকনোমি, ট্রেড ও ইন্ডাস্ট্রি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ওগুশি মাসাকির সঙ্গে বৈঠকে তিনি এমন মন্তব্য করেন।
এ সময়ে বাংলাদেশে আরও বেশিসংখ্যক জাপানি যাতে বিনিয়োগ করেন, সেই ব্যবস্থা নিতে ওগুশি মাসাকির প্রতি আহ্বান জানান তিনি। বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি এবং পাবলিক প্রাইভেট ইকনোমিক ডায়ালগ (পিপিইডি) নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে অনুকূল বিনিয়োগ পরিস্থিতি বিরাজ করছে। বিনিয়োগকারীদের দ্রুত সেবা দিতে বাংলাদেশে সিঙ্গেল উইন্ডো (বিএসডব্লিউ) চালু করা হয়েছ। তিনি জাপানের বিনিয়োগকারীদের এ সুযোগ গ্রহণের অনুরোধ জানান।
আরও পড়ুন: চীন-মার্কিন বাণিজ্যযুদ্ধ: ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক শি জিন পিংয়ের
বৈঠকে জাপানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত দাউদ আলী, জাইকার সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট সাচিকি ইমোতো, জেটরোর সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট কাজুয়া নাকাজো প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এরআগে টোকিওতে একটি হোটেলে ইনভেস্টমেন্ট প্রমোশনের এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী জাপানি ব্যবসায়ীদের প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হবে।।
জাপান বাংলাদেশের অত্যন্ত বিশ্বস্ত বন্ধু ও একক দেশ হিসেবে বাংলাদেশের বৃহত্তম উন্নয়ন অংশীদার। বাংলাদেশের উন্নয়নে অব্যাহত সমর্থন ও সহযোগিতার জন্য জাপান সরকারকে ধন্যবাদ জানান তিনি।
৪২৩ দিন আগে
৩ মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্র: মেয়াদপূর্তি ও নগদায়নে নতুন মুনাফার হার
৩ মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্রের পুনর্নির্ধারিত মুনাফার হার
নিম্নের টেবিলে ৩ বছর মেয়াদি স্কিমটির মেয়াদান্তে এবং নগদায়নে উৎসে করসহ বছরান্তে ধার্যকৃত মুনাফার হার বিস্তারিত উল্লেখ করা হলো:
টেবিল: ৩ মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয় স্কিমে বিভিন্ন বিনিয়োগের বিপরীতে প্রাপ্য মুনাফা
সময়
বিনিয়োগ ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত
বিনিয়োগ ৭ লাখ ৫০ হাজার ১ টাকা
৪৩২ দিন আগে
পরিবার সঞ্চয়পত্রের নতুন মুনাফা হার: প্রতি লাখে ধার্য করা মাসিক মুনাফা
বছরের শুরুতেই জাতীয় সঞ্চয় স্কিমের নতুন সংস্করণে দেশের প্রচলিত সঞ্চয়পত্রের প্রতিটিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনা হয়েছে। বিগত বছরগুলোর তুলনায় বাড়ানো হয়েছে বিনিয়োগের সীমা এবং মুনাফার হার। গত ২১ জানুয়ারি জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে উৎসে করের তথ্যটি হালনাগাদ করা হয়। এর মাধ্যমে মেয়াদপূর্তি এবং নগদায়নে গ্রাহকদের প্রাপ্য অর্থের বিষয়টি নিশ্চিত হয়। এই পরিপ্রেক্ষিতে চলুন, সর্বাধিক জনপ্রিয় পরিবার সঞ্চয়পত্রের নতুন মুনাফা ব্যবস্থার ব্যাপারে জেনে নেওয়া যাক।
৪৩৯ দিন আগে
পুঁজিবাজারে বিশেষ বিনিয়োগের পরিমাণ ও সময়সীমা বাড়াতে গভর্নরকে চিঠি
পুঁজিবাজারে বিশেষ বিনিয়োগের পরিমাণ ১০০ কোটি টাকা এবং সময়সীমা ২০৩০ সাল পর্যন্ত বাড়ানোর অনুরোধ করে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুরকে চিঠি দিয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের ব্রোকারেজ হাউস সংগঠন ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিবিএ)।
মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারী) বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর বরাবর সংগঠনটির সভাপতি সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত চিঠিটির অনুলিপি বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিবকেও প্রেরণ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: পুঁজিবাজারে সূচক বেড়েছে প্রথম ঘণ্টার লেনদেনে
পুঁজিবাজারকে স্থিতিশীল করতে এবং বাজারের তারল্য প্রবাহ বাড়াতে বাংলাদেশ ব্যাংক ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে তফসিলি ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং পুঁজিবাজার মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠান ব্রোকারেজ হাউস ও মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোকে পুঁজিবাজারে তাদের নিজস্ব পোর্টফোলিওতে বিনিয়োগের জন্য একটি বিশেষ তহবিল প্রদানের নির্দেশনা দেয়।
এই বিশেষ তহবিলের আকার প্রতিটি তফসিলি ব্যাংকের জন্য ২০০ কোটি টাকায় সীমাবদ্ধ ছিল এবং এর মেয়াদ আছে চলতি বছর ৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।
ডিবিএ-এর পাঠানো চিঠিতে এই বিশেষ তহবিলের সময়সীমা ২০৩০ সাল পর্যন্ত বৃদ্ধি করে এর আকার প্রতিটি তফসিলি ব্যাংকের জন্য ২০০ কোটি থেকে ৩০০ কোটি টাকা করার সুপারিশ করা হয়েছে।
ডিবিএ-এর পক্ষে থেকে বলা হয়, বাংলাদেশের পুঁজিবাজার একটি চ্যালেঞ্জিং সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ২০২১ সালের শেষ থেকে বাজারে দীর্ঘ মন্দা বিরাজ করছে। এতে করে ইক্যুইটি বাজার মূলধন প্রায় ৪০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। এই মন্দা প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী, বাজার মধ্যস্থতাকারী, স্টক-ব্রোকার এবং অন্যান্য অংশীদারদেরসহ ২০ লাখেরও বেশি বিনিয়োগকারীর ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
আরও পড়ুন: পুঁজিবাজারে বিদেশি বিনিয়গে নতুন নির্দেশনা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের
বিশেষ এই তহবিলের আওতায় অনেক স্বনামধন্য তফসিলি ব্যাংক পুঁজিবাজারে তাদের নিজস্ব পোর্টফোলিওতে বিনিয়োগ করেছে। বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে তাদের পোর্টফোলিও বিনিয়োগ ৪০ শতাংশ থেকে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত ক্ষতির সম্মুখীন হয়ে আছে। এই মুহূর্তে এই ধরনের তহবিল বন্ধ করলে পোর্টফোলিও অ্যাকাউন্ট ক্ষতির মুখে পড়বে এবং বিনিয়োগকারীসহ পুঁজিবাজারে এর নেতিবাচক প্রভাব দেখা দেবে বলা চিঠিতে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে ডিবিএ।
বাজার প্রেক্ষাপট বিবেচনা করে, পুঁজিবাজারের সার্বিক স্বার্থে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে ডিবিএ-এর দাবি মেনে নেয়ার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।
৪৪৪ দিন আগে