আত্মসমর্পণ
কোস্টগার্ডের কাছে সুন্দরবনের ৭ ডাকাত সদস্যের আত্মসমর্পণ
সুন্দরবনের ডাকাত সুমন বাহিনী প্রধানসহ সাত ডাকাত সদস্য বাংলাদেশ উপকুল রক্ষাকারী বাহিনী—কোস্টগার্ডের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন। এ সময় ডাকাত সদস্যরা তাদের ব্যবহৃত পাঁচটি আগ্নেয়াস্ত্র, ২৫ রাউন্ড তাজা কার্তুজ এবং তিন রাউন্ড ফাঁকা গুলি জমা দিয়েছেন।
রবিবার (১৭ মে) রাত ১১টার দিকে বাগেরহাটের মোংলা উপজেলাধীন সুন্দরবনের নন্দবালা খাল-সংলগ্ন এলাকায় কোস্ট গার্ডের কাছে ডাকাত ছোট সুমন বাহিনীর প্রধান সুমন হাওলাদার ও তার সহযোগীসহ সাতজন ডাকাত আত্মসমর্পণ করেন।
আজ (বৃহস্পতিবার) সকালে বাগেরহাটের মোংলা কোস্টগার্ড বেইজে ডাকাত সদস্যদের আত্মসমর্পণের আনুষ্ঠানিকতা অনুষ্ঠিত হয়। কোস্টগার্ডের পক্ষ থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
আত্মসমর্পণকারীরা হলেন— ডাকাত বাহিনীর প্রধান সুমন হাওলাদার (৩২), রবিউল মল্লিক (২৫), রফিক শেখ (২৯), সিদ্দিক হাওলাদার (৪০), গোলাম মল্লিক (৩৮), ইসমাইল খান (৩১) এবং মাহফুজ মল্লিক (৩৪) । এদের বাড়ি বাগেরহাট জেলার মোংলা এবং রামপাল উপজেলাসহ বিভিন্ন এলাকায়।
এরা দীর্ঘদিন ধরে সুন্দরবনে ডাকাতিসহ সাধারণ জেলে ও বাওয়ালিদের জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায় করে আসছিলেন বলে জানিয়েছে কোস্টগার্ড।
ডাকাত সদস্যদের জমা দেওয়া অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে ৩টি দেশীয় একনলা বন্দুক, ২টি দেশীয় পাইপ গান, ২৫ রাউন্ড তাজা কার্তুজ ও ৩ রাউন্ড ফাঁকা কার্তুজ।
কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন জানান, বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের ধারাবাহিক ও সফল অভিযানের ফলে সুন্দরবনে সক্রিয় বিভিন্ন দস্যু বাহিনী বর্তমানে ব্যাপকভাবে কোণঠাসা হয়ে পড়েছে। কোস্ট গার্ডের কঠোর নজরদারি, গোয়েন্দা তৎপরতা এবং নিয়মিত অভিযানের ফলে দস্যুরা তাদের কার্যক্রম পরিচালনায় ব্যর্থ হচ্ছে, যার ফলশ্রুতিতে সুন্দরবনের কুখ্যাত ডাকাত ছোট সুমন বাহিনীর প্রধান সুমন হাওলাদারসহ ডাকাত দলের সাত সদস্য অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ গত ১৭ মে রাত ১১টার দিকে বাগেরহাটের মোংলা থানাধীন সুন্দরবনের নন্দবালা খাল-সংলগ্ন এলাকায় বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের নিকট আত্মসমর্পণ করেন।
তিনি আরও জানান, সুন্দরবনের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড সর্বোচ্চ পেশাদারত্ব, সতর্কতা ও কঠোর অবস্থানে থেকে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। বর্তমান সরকারের দিকনির্দেশনায় সুন্দরবন অঞ্চলে সক্রিয় সকল বনদস্যু বাহিনী নির্মূল এবং উপকূলীয় অঞ্চলের সাধারণ জেলে, বাওয়ালি, মৌওয়াল ও বনজীবীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের নেতৃত্বে ‘অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন’ এবং ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’ নামে দুটি বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।
কোস্টগার্ডের তথ্য মতে, গত ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে আজ (বৃহস্পতিবার) পর্যন্ত কোস্টগার্ড সুন্দরবনে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ২৬ টি দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র, ১০ রাউন্ড তাজা গোলা, ১৭৮ রাউন্ড তাজা কার্তুজ, ২৫ রাউন্ড ফাঁকা কার্তুজ, ১৮৭ রাউন্ড এয়ার গান গোলা ও ২টি ওয়াকিটকি উদ্ধার করে এবং ২১ জন বনদস্যুকে আটক করে। এ সময় দস্যুদের হাতে জিম্মি থাকা ২০ জন জেলেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।
কোস্টগার্ডের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির আলোকে সুন্দরবনের সক্রিয় ডাকাতদের দ্রুত আত্মসমর্পণের আহ্বান হচ্ছে। আত্মসমর্পণকারীদের পুনর্বাসনের সুযোগ দেওয়া হবে, অন্যথায় আরও কঠোর অবস্থানে যাবে কোস্টগার্ড।
৪ দিন আগে
বরিশালে আ. লীগের সাবেক এমপি ইউনুসের জামিন
২০১৭ সালে বিএনপি নেতা-কর্মীদের বাড়ি ঘরে হামলা, ভাঙচুর ও মারধরের ঘটনায় ৫ আগস্টের পর দায়ের হওয়া মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বরিশাল জেলা সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক এমপি তালুকদার মোহাম্মদ ইউনুস।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে বরিশালের অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিট্রন আদালতে তিনি হাজির হলে আদালতের বিচারক এসএম শরীয়াতুল্লাহ তার জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১৭ সালের ৫ মে নগরীর অনামী লেনে হামলার অভিযোগে ২০২৪ সালে বিএনপি কর্মী মো. সরোয়ার হোসেন কোতয়ালি মডেল থানায় একটি মামলা করেন।
মামলায় বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও আওয়ামী লীগের বরিশাল মহানগর সভাপতি সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক এ কে এম জাহাঙ্গীর, জেলা সাধারণ সম্পাদক তালুকদার মোহাম্মদ ইউনুসসহ ২১০ জনকে আসামি করা হয়। ওই মামলায় আজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে আদালত ইউনুসের জামিন মঞ্জুর করেন।
এ ঘটনায় আদালতপাড়ায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়। তবে জামিন পাওয়ার পর ইউনুস কারও সঙ্গে কথা না বলে মোটরসাইকেলে করে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।
এদিকে, জামিন মঞ্জুর করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন আদালতের সরকারি কৌঁসুলিরা।
৯১ দিন আগে
চমেক শিক্ষার্থী আবিদ খুনের ১২ আসামিকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ
প্রায় দুই যুগ আগে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) ছাত্রাবাসে ছাত্রদলকর্মী সন্দেহে ৫১তম ব্যাচের ব্যাচেলর অব ডেন্টাল সার্জারির (বিডিএস) তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আবিদুর রহমান আবিদ হত্যার মামলায় খালাস পাওয়া ১২ আসামিকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। আসামিরা ছাত্রলীগের তৎকালীন চমেক শাখার নেতাকর্মী।
ওই হত্যা মামলার বাদীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) বিচারপতি মো. জাকির হোসেন ও বিচারপতি সৈয়দ জাহেদ মনসুরের হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেন। রুলে আসামিদেরকে খালাস দিয়ে বিচারিক আদালতের দেওয়া রায় কেন বাতিল করা হবে না তা জানতে চেয়েছেন।
আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী অজি উল্লাহ ও আইনজীবী আজিমুদ্দিন পাটোয়ারি। আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির।
আসামিরা হলেন- তৎকালীন ছাত্রসংসদের ভিপি মফিজুর রহমান জুম্মা, চমেক ছাত্রলীগের সভাপতি সোহেল পারভেজ সুমন, সাধারণ সম্পাদক বিজয় সরকার, সহ-সাধারণ সম্পাদক হিমেল চাকমা, ফেরদৌস রাসেল, শান্ত দেবনাথ, মাহাফুজুর রহমান ধীমান, নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী, দেবাশীষ চক্রবর্তী, মোস্তফা কামাল, রাশেদুর রেজা সানি ও সালমান মাহমুদ রাফসান।
ছাত্রদল চমেক শাখার তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ আহমেদ দাবি করেছিলেন, আবিদ তাদের সক্রিয় কর্মী ছিল। আবিদসহ ছাত্রদল কর্মী ফয়সাল, নাজিম ও মাসুমকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে ছাত্রলীগ। পরে আবিদ মারা যায়।
এ ঘটনায় সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীরা মেডিকেল কলেজ প্রশাসনিক ভবনের সামনে বিক্ষোভ করেন। একাডেমিক কাউন্সিলের সভা শেষে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. সেলিম মো. জাহাঙ্গীর অনির্দিষ্টকালের জন্য মেডিকেল কলেজ বন্ধ এবং ছাত্রসংসদ কার্যক্রম স্থগিত ও কলেজ ক্যাম্পাসে সব প্রকার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিলেন।
আরও পড়ুন: রাখাইনে ‘মানবিক করিডোর’ স্থাপন নিয়ে কোনো আলোচনা এখনও হয়নি: প্রেস সচিব
স্বজনদের অভিযোগ, ছাত্রদলের কমিটি গঠনের চেষ্টা করায় তৎকালীন ছাত্রলীগ নেতারা কয়েক দফা পিটিয়েছিলেন আবিদকে। এরপর তাকে পাঠিয়ে দেওয়া হয় বোনের বাসায়।
দুদিন পর ২০১১ সালের ২১ অক্টোবর রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান আবিদ। তিনি কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার মধ্যম বড়ইতলী গ্রামের মৃত নুরুল কবির চৌধুরীর ছেলে।
এ ঘটনায় আবিদের মামা নেয়ামত উল্লাহ বাদী হয়ে পাঁচলাইশ থানায় ছাত্রলীগ ও ছাত্রসংসদের ২২ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেছিলেন। ২০১২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে মামলার তদন্ত শেষে পুলিশ ১২ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেন।
বিচার শেষে ২০১৯ সালের ১০ জুলাই আবিদ হত্যা মামলার রায়ে অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক জান্নাতুল ফেরদৌস চৌধুরী সব আসামিকে খালাস দেন।
৩৯১ দিন আগে
ফিলিস্তিনের সমর্থনে বিক্ষোভ, শিক্ষার্থীকে আত্মসমর্পণে মার্কিন পুলিশের চিঠি
যুক্তরাষ্ট্রে ফিলিস্তিনপন্থি বিক্ষোভে নেতৃত্ব দেওয়ায় মোমোদু তাল নামের কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীকে আত্মসমর্পণ করতে বলেছে মার্কিন অভিবাসন পুলিশ। শুক্রবার (২২ মার্চ) তার আইনজীবী দলকে এই চিঠি মেইল করা হয়েছে। দেশ থেকে বের করে দেওয়ার প্রক্রিয়ার প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে মার্কিন অভিবাসন ও শুল্ক কর্মকর্তারা এই চিঠি দেন।
আফ্রিকানা অধ্যয়নের ওপর পিএইচডি করছেন মোমোদু তাল। তিনি অবশ্য যুক্তরাজ্য ও গাম্বিয়ার দ্বৈত নাগরিক। ২০২৩ সালের অক্টোবরে ইসরাইলে হামলা চালায় ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস। এরপর গাজায় ইসরাইলি বাহিনীর গণহত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভে অংশ নেন এই শিক্ষার্থী।-খবর সিএনএনের
ফিলিস্তিনপন্থি বিক্ষোভকারীদের দেশ থেকে বের করে দেওয়ার অঙ্গীকার করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হামাসকে সমর্থন ও ইহুদিবিদ্বেষী হওয়ার অভিযোগ তোলেন তাদের বিরুদ্ধে।
আত্মসমর্পণের এই চিঠিকে বাকস্বাধীনতার ওপর আঘাত হিসেবে আখ্যায়িত করেন মোমোদু তালের আইনজীবীরা। বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার পর তাকে যাতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বের করে দেওয়া না হয়, তা আটকে দিতে আগেই একটি মামলা দায়ের করে রেখেছিলেন মোমোদু তাল।
কয়েকটি ইহুদি গোষ্ঠীসহ বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, তাদের ফিলিস্তিনপন্থি বিক্ষোভ ও ইসরাইলের সমালোচনাকে ভুলভাবে ইহুদিবিদ্বেষের সঙ্গে মিশিয়ে তালগোল পাকানো হচ্ছে।
আরও পড়ুন: ইসরায়েলি হামলায় দুই সাংবাদিকসহ ৯ ফিলিস্তিনি নিহত
মোমোদু তালকে দেওয়া চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘নিউইয়র্কের সিরাকিউজে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ইনভেস্টিগেশনস অফিসে সরাসরি হাজির হতে মোমোদু তাল ও তার আইনজীবীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। আইসিই হাজতখানায় তাকে আত্মসমর্পণ করতে বলা হয়েছে।’
গেল বছরে, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের একটি ক্যারিয়ার মেলা বন্ধ করে দিয়েছিলেন তালসহ একদল শিক্ষার্থী। ওই মেলায় বোয়িং ও এল৩হ্যারিসের প্রতিরক্ষা ঠিকাদাররা অংশ নিয়েছিলেন।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, তারা যেসব অস্ত্র উৎপাদন করছে, তা গাজায় ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ইসরাইলিদের সহিংসতায় ব্যবহার করা হচ্ছে।
এরপর থেকে ক্যাম্পাসে না এসে তালকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে লেখাপড়া করতে বলেছেন কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এরআগে কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মাহমুদ খলিলকে আটক করে মার্কিন কর্তৃপক্ষ। তাকে দেশ থেকে বের করে দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
৪২৯ দিন আগে
সিলেটের আদালতে ছাত্রলীগের ২২ নেতাকর্মীর আত্মসমর্পণ
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় সিলেটের বিশ্বনাথে আল হেরা শপিং সিটিতে হামলা ও ভাঙচুর মামলায় ছাত্রলীগের ২২ নেতাকর্মী আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন।
রবিবার (২৯ ডিসেম্বর) দুপুর দিকে সিলেটের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-১ এ তারা আত্মসমর্পণ করেন।
পরে ছাত্রলীগের ২২ নেতাকর্মীর মধ্যে ১৬ জনকে জামিন ও ৬ জনকে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদী পক্ষের আইনজীবী গোলাম ইয়াহ-ইয়া চৌধুরী (সুহেল)। আসামি পক্ষে উপস্থিত ছিলেন আইনজীবী গিয়াস উদ্দিন, মিনহাজ গাজি ও মাহফজুর রহমান।
হাজতে পাঠানো ৬ জন হলেন- রাজন আহমেদ অপু, জাকির হোসেন, কায়েস আহমেদ, মাসুদ আহমেদ রিপন ও আবুল মিয়া, ইমন আহমদ।
আরও পড়ুন: মাদকসহ গ্রেপ্তার ববি ছাত্রলীগ নেতার কারাদণ্ড
গোলাম ইয়াহ-ইয়া চৌধুরী (সুহেল) জানান, এ মামলায় আত্মসমর্পণ করা বিশ্বনাথ ছাত্রলীগের ২২ নেতাকর্মী জামিন চাইলে আদালত ১৬ জনের জামিন মঞ্জুর করেন এবং ৬ জনকে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এছাড়া এ মামলায় আগে ৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ও ৪ জন জামিনে রয়েছেন বলে জানান গোলাম ইয়াহ-ইয়া চৌধুরী (সুহেল)।
৫১২ দিন আগে
সুনামগঞ্চে ৫ আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীর আদালতে আত্মসমর্পণ
সুনামগঞ্জে পৌরসভার সাবেক মেয়র নাদের বখতসহ আওয়ামী লীগের পাঁচ নেতাকর্মী আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন।
রবিবার (২৯ ডিসেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে চিফ জুডিশয়াল আদালতের জ্যেষ্ঠ বিচারক নির্জন কুমার মিত্রের আদালত এ রায় দেন।
এদিন তারা স্বেচ্ছায় হাজির হলে জামিন আবেদন করেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা। অপরদিকে, জামিন আবেদনের বিরোধিতা করেন বাদীপক্ষের আইনজীবীরা। আদালত উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক শুনে জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
কারাগারে নেওয়ার পথে আদালতের বারান্দায় নেতাকর্মীদের ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিতে দেখা যায়।
আরও পড়ুন: যশোরে আ.লীগের ১৬৯ নেতাকর্মীর আদালতে আত্মসমর্পণ
আত্মসমর্পণকারী আওয়ামী লীগ নেতারা হলেন- জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও পৌরসভার সাবেক মেয়র নাদের বখত, জেলা সেচ্ছেবকলীগ সভাপতি সোয়েব চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক জুবের আহমদ অপু, আওয়ামী লীগ সদস্য সাহারুল আলম আফজল ও ছাত্রলীগকর্মী মছিবুর রহমান।
সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট মো. জিয়াউর রহিম শাহীন বলেন, ‘সাবেক মেয়র নাদের বখতসহ পাঁচ নেতাকে আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন। আদালত জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠিয়েছেন। এ সময় তারা জয়বাংলা স্লোগান দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। আমরা প্রতিবাদ করেছি।’
গত ৪ আগস্ট বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মসূচিতে হামলার ঘটনায় আহত জহুর আলীর ভাই হাফিজ মিয়া বাদী হয়ে সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নানসহ ৯৯ জনের নামে সুনামগঞ্জ সদর থানায় মামলা করেন। এ মামলার ৬ নম্বর আসামি ছিলেন সাবেক পৌর মেয়র নাদের বখত।
আরও পড়ুন: কেরাণীগঞ্জে রূপালী ব্যাংক থেকে ৩ ডাকাতের আত্মসমর্পণ
৫১২ দিন আগে
কেরাণীগঞ্জে রূপালী ব্যাংক থেকে ৩ ডাকাতের আত্মসমর্পণ
ঢাকার দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জের চুনকুটিয়া রূপালী ব্যাংক শাখায় ঢুকে পড়া তিন ডাকাত র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন।
বৃহস্পতিবার (১৯ ডিসেম্বর) বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে ডাকাতরা আত্মসমর্পণ করলে তাদের র্যাব- ১০ এর হেডকোয়ার্টারে নেওয়া হয়।
বৃহস্পতিবার দুপুর ২টায় গ্রাহক সেজে ১০-১২ জন ডাকাত ব্যাংকে ঢুকে ম্যানেজার শেখর মন্ডলসহ কর্মচারীদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে লকার থেকে টাকার বস্তুা দিতে বলে।
এসময় কৌশলে এক কর্মচারী গ্রহক সেজে নিচের লোকজন নিয়ে ব্যাংকের গেটে তালা লাগিয়ে দেয়। এ সময় এলাকাবাসী পুলিশের জরুরি সেবা ৯৯৯- এ ফোন দিয়ে ডাকাতির ঘটনা জানান। পরে খবর পেয়ে সেনাবাহিনী, পুলিশ, র্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ব্যাংকটির আশপাশের এলাকা ঘিরে রাখে।
আরও পড়ুন: কেরাণীগঞ্জে রূপালী ব্যাংকের শাখায় ডাকাত, ঘিরে ফেলেছে পুলিশ
দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল ইসলাম বলেন, সংবাদ সম্মেলন করে মিডিয়া কর্মীদের সব তথ্য জানানো হবে।
তিনি বলেন, শেখর মন্ডল কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। পুলিশ, ডিবি, সেনাবাহিনীর ও র্যাবের সদস্যরা এ যৌথ অভিযান পরিচালনা করে।
এই সংবাদ লেখা পর্যন্ত পুলিশ, ডিবি, সেনাবাহিনীর ও র্যাবের সদস্যরা রুপালী ব্যাংকটি ঘেরাও করে রাখে।
৫২২ দিন আগে
কক্সবাজারে মাকে হত্যার পর থানায় ছেলের আত্মসমর্পণ
কক্সবাজারে মাদকের টাকা দিতে না পারায় মাকে হত্যার পর থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেছেন ছেলে।
শুক্রবার (২২ নভেম্বর) দিবাগত রাত আড়াইটায় কক্সবাজার পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম বড়ুয়া পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।
হত্যার পর নিজেই সদর থানা পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন অভিযুক্ত ছেলে আবিদ।
নিহত আনোয়ারা বেগম মেরী (৫৫) ওই এলাকার নিয়াজ আহমেদের স্ত্রী ও অভিযুক্ত ছেলে হোসাইন মোহাস্মদ আবিদ (২৮)।
কক্সবাজার সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইলিয়াস খান জানান, এক যুবক মাকে হত্যা করেছে বলে থানায় এসে আত্মসমর্পণ করেছেন। আত্মসমর্পণকারী যুবক থানায় এসে হত্যার দায় স্বীকার করে বলেন, ‘মাদকের টাকা না দেওয়ায় সে নিজেকে সামলাতে না পেরে নিজে মাকে কুপিয়ে হত্যা করেছেন। পরে মায়ের মৃত্যু হওয়ায় তার নিজেকে অপরাধী মনে হতে থাকে। তাই তিনি নিজেই শাস্তি পেতে থানায় হাজির হন।’
ওসি জানান, লাশ উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সৌরভ জানান, লাশের সুরতাহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। আবিদ প্রায়ই মাদকের টাকার জন্য মাকে অত্যাচার করতেন। শুক্রবার রাতে মাকে নৃশংসভাবে হত্যা করে তিনি। হত্যাকাণ্ডের সময় আবিদ ও তার মা ঘরেই ছিলেন। তার অসুস্থ বাবা নিয়াজ আহমেদ চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রামে মেয়ের বাসায় রয়েছেন।
৫৪৯ দিন আগে
আত্মসমর্পণের পর মাহমুদুর রহমানকে কারাগারে পাঠালেন আদালত
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়কে অপহরণ এবং হত্যাচেষ্টার মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমানকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
রবিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা ৫০ মিনিটের দিকে এ মামলায় আত্মসমর্পণ করতে আদালতে আসেন মাহমুদুর রহমান।
এ সময় তার পক্ষে আপিলের শর্তে জামিন আবেদন করেন আইনজীবীরা।
শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহবুবুল হকের আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
মাহমুদুর রহমানের আইনজীবী সৈয়দ জয়নুল আবেদীন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এর আগে ২০২৩ সালের ১৭ আগস্ট ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আসাদুজ্জামান নুর এ মামলার রায় ঘোষণা করেন।
আরও পড়ুন: অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে বিএনপির অবিচল আস্থা অর্জন করতে হবে: তারেক রহমান
রায়ে সাংবাদিক শফিক রেহমান ও দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমানসহ পাঁচজনের সাত বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দেন আদালত।
দণ্ডপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা হলেন- জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) সহ-সভাপতি মোহাম্মদ উল্লাহ মামুন, তার ছেলে রিজভী আহাম্মেদ ওরফে সিজার এবং যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান ভূঁইয়া।
সাড়ে পাঁচ বছরেরও বেশি সময় স্বেচ্ছা নির্বাসন শেষে শুক্রবার(২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে দেশে ফিরেছেন মাহমুদুর রহমান।
মাহমুদুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সমালোচক ছিলেন। তার বিরুদ্ধে ১২৪ টিরও বেশি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে একটি মামলায় তাকে এবং তার স্ত্রীকে সাত বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। মাহমুদুর রহমানকে ২০১০ সালের জুনে প্রথমাবার এবং ২০১৩ সালের এপ্রিলে আবার গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। সেই সময়েই সরকার আমার দেশ পত্রিকা বন্ধ করে দিয়েছিল।
আরও পড়ুন: দীর্ঘ নির্বাসন শেষে দেশে ফিরলেন মাহমুদুর রহমান
৬০৪ দিন আগে
চট্টগ্রামে আগ্নেয়াস্ত্রসহ ৫০ জলদস্যুর আত্মসমর্পণ
চট্টগ্রামে আগ্নেয়াস্ত্রসহ ১২ গ্যাংয়ের ৫০ জলদস্যু আত্মসমর্পণ করেছেন।
বৃহস্পতিবার (৩০ মে) পতেঙ্গায় র্যাব-৭ এর এলিট হলে অনুষ্ঠানিকভাবে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার উপকূলীয় এলাকার জলদস্যুরা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের কাছে আত্মসমর্পণ করে অস্ত্র জমা দেন।
অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে বেরিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার প্রতিশ্রুতি দেন তারা।
আরও পড়ুন: আন্তর্জাতিক চাপ ও আলোচনায় জলদস্যুদের হাত থেকে ২৩ নাবিকসহ এমভি আবদুল্লাহ মুক্ত: খালিদ
র্যাব-৭ এর জ্যেষ্ঠ সহকারী পরিচালক শরীফ-উল-আলম বলেন, ৫০ জন জলদস্যুর মধ্যে একজন নারী এবং তাদের মধ্যে তিনজন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকায় রয়েছেন।
এক্ষেত্রে ৩৫টি বন্দুক, ১৮টি এসবিবিএল, ১৭টি ওয়ান শাটার গান, ১টি গান, ১টি পিস্তল, ১টি রিভলবার, ৩টি বিদেশি পিস্তল, ১টি এসএমজি, ২টি এয়ারগানসহ আন্তর্জাতিক অস্ত্র জমা দেওয়া হয়।
র্যাব-৭ জানিয়েছে, এ পর্যন্ত বাঁশখালী, চকরিয়া, পেকুয়া, মহেশখালী, কুতুবদিয়া, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের ৩৪২ জন জলদস্যুকে গ্রেপ্তার এবং তাদের কাছ থেকে ২ হাজার ৬০৩টি অস্ত্র ও ২৯ হাজার ১২৩টি গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: সোমালিয়ার জলদস্যুদের চেয়েও বিএনপি বেশি ভয়ংকর: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
৭২৫ দিন আগে