শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর
শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনালে ১২ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা মেনজিসের
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের যাত্রী পরিচালনা অপারেটর হিসেবে নির্বাচিত হলে ১২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ এবং প্রথম বছরে ১ হাজারের বেশি কর্মসংস্থান সৃষ্টির পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক মেনজিস অ্যাভিয়েশন।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর একটি হোটেলে সংবাদ সম্মেলনে কোম্পানির কর্মকর্তারা প্রস্তাবিত বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান পরিকল্পনা তুলে ধরেন।
তারা বলেন, মেনজিসের কার্যক্রম বাংলাদেশের বৃহত্তর অর্থনীতি ও সরবরাহ শৃঙ্খলের মাধ্যমে আরও সাড়ে চার হাজারের বেশি কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে পারে।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন মেনজিসের মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা ও এশিয়ার নির্বাহী ভাইস প্রেসিডেন্ট চার্লস ওয়াইলি এবং মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকা অঞ্চলের কার্যক্রমের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট জন হেন্ডারসন।
ঢাকায় ব্রিটিশ হাইকমিশনের ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট ডিরেক্টর সাকিব এরশাদও বক্তব্য দেন।
মেনজিস জানিয়েছে, তাদের প্রস্তাবিত বিনিয়োগের মধ্যে বিমানবন্দর পরিচালনা, কর্মী উন্নয়ন ও স্থানীয় বিমান চলাচল খাতের সক্ষমতা উন্নয়নের বিষয়গুলো থাকবে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, কোম্পানিটি ঢাকায় একটি মেনজিজ ট্রেনিং একাডেমি স্থাপন করবে। সেখানে বিমান চলাচল-সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে এবং বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য দীর্ঘমেয়াদি ক্যারিয়ারের সুযোগ তৈরি করা হবে।
এছাড়া স্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ ও স্কুলের সঙ্গে সমন্বয় করে বিমান চলাচল-সম্পর্কিত একাডেমিক কর্মসূচি, ইন্টার্নশিপ ও স্নাতক পর্যায়ের ক্যারিয়ার তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে মেনজিসের।
এসব উদ্যোগ স্থানীয় পরিচালনাগত, কারিগরি ও ব্যবস্থাপনা দক্ষতা জোরদারের পাশাপাশি জ্ঞান ও দক্ষতা স্থানান্তরে ভূমিকা রাখবে বলেও কোম্পানিটির কর্মকর্তারা জানান। এর ফলে বাংলাদেশি কর্মীরা আন্তর্জাতিক বিমান পরিবহন শিল্পে ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ পাবেন।
মেনজিস আরও জানিয়েছে, তারা স্থানীয়ভাবে নিজেদের ইউনিফর্ম তৈরি ও সংগ্রহের পরিকল্পনা করছে। এতে বাংলাদেশের বস্ত্র ও পোশাক শিল্পে ব্যবসার সুযোগ তৈরি হতে পারে এবং তাদের সরবরাহ শৃঙ্খলে স্থানীয় অংশগ্রহণ বাড়তে পারে।
সংস্থাটি বলছে, স্থানীয় নিয়োগ, পেশাগত প্রশিক্ষণ, নেতৃত্ব বিকাশ ও দীর্ঘমেয়াদি জ্ঞান স্থানান্তরের মাধ্যমে তাদের কার্যক্রম টেকসই জাতীয় বিমান চলাচল খাতের কর্মী গড়ে তুলতে সহায়তা করবে।
মেনজিসের ভাষ্য, প্রস্তাবিত এ বিনিয়োগ বাণিজ্যিক সম্পৃক্ততা সম্প্রসারণ এবং দক্ষতা ও জ্ঞান বিনিময়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক জোরদার করবে। পাশাপাশি যাত্রী পরিচালনা অপারেটর নিয়োগের মাধ্যমে প্রতিযোগিতা বাড়বে এবং গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং ব্যবস্থার উন্নতি হবে বলেও আশা করছে তারা।
১৮ দিন আগে
শাহজালালে ২২৩ কার্টন সিগারেট, ৪৪ ভেপ ও ১৪৪ মোবাইল ডিসপ্লে জব্দ
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের বিশেষ নজরদারিতে দুবাই, মালয়েশিয়া ও গুয়াংজু থেকে আসা তিনটি আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের যাত্রীদের ব্যাগেজ থেকে ২২৩ কার্টন বিদেশি সিগারেট, ৪৪টি ভেপ ও ১৪৪টি মোবাইল ডিসপ্লে জব্দ করা হয়েছে।
আটক পণ্যের মোট আনুমানিক মূল্য ১৭ লাখ ৪৫ হাজার ৫০০ টাকা।
কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর জানায়, ১৩ সেপ্টেম্বর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত সার্কেল, এয়ারপোর্টের বি-শিফট বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে আসা সন্দেহভাজন যাত্রীদের ওপর বিশেষ নজরদারি শুরু করে।
দুবাই থেকে আসা এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটের যাত্রী আবদুল করিম গ্রিন চ্যানেল অতিক্রমের সময় তার ব্যাগেজ সন্দেহজনক মনে হলে তল্লাশি করা হয়। এ সময় তার ব্যাগেজ থেকে ২২৩ কার্টন বিদেশি সিগারেট আটক করা হয়।
একই দিন মালয়েশিয়া থেকে আসা এয়ারএশিয়ার একটি ফ্লাইটের যাত্রী শেপনের ব্যাগেজ তল্লাশি করে ৪৪টি ভেপ জব্দ করেন কাস্টমস গোয়েন্দা কর্মকর্তারা।
এছাড়া গুয়াংজু থেকে আসা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটের দুই যাত্রীর কাছ থেকে ১৪৪টি মোবাইল ডিসপ্লে জব্দ করা হয়। এর মধ্যে যাত্রী কে এম তোফায়েল আহমেদের কাছ থেকে ৯৮টি এবং শামীমা আক্তারের কাছ থেকে ৪৬টি মোবাইল ডিসপ্লে পাওয়া যায়।
কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর জানায়, একই দিনে তিনটি আন্তর্জাতিক রুট থেকে আসা যাত্রীদের ব্যাগেজে এসব পণ্য পাওয়ার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।
এসব পণ্য আনার পেছনে কোনো সংঘবদ্ধ চক্র জড়িত কি না, যাত্রীদের বাহক হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে কি না এবং এর নেপথ্যে অন্য কেউ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছে অধিদপ্তর।
২১ দিন আগে
একই ফ্লাইটের ৭ যাত্রীর ব্যাগ থেকে ৩৯ লিটার বিদেশি মদ জব্দ
ভারতের মুম্বাই থেকে এয়ার ইন্ডিয়ার একই ফ্লাইটে ঢাকায় আসা সাত যাত্রীর ব্যাগ থেকে ৩৯ লিটার বিদেশি মদ জব্দ করেছেন কাস্টমস গোয়েন্দা কর্মকর্তারা। জব্দ করা এসব মদের আনুমানিক মূল্য ৭ লাখ ৭০ হাজার টাকা।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিশেষ অভিযান চালিয়ে এসব মদ উদ্ধার করা হয়।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের এয়ারপোর্ট সার্কেলের সি-শিফটের কর্মকর্তারা মুম্বাই থেকে আসা এয়ার ইন্ডিয়ার এআই২১৮৩ ফ্লাইটের যাত্রীদের ওপর নজরদারি জোরদার করেন। ফ্লাইটটি সকাল ১০টা ৪৩ মিনিটের দিকে অবতরণ করে। ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে ব্যাগেজ সংগ্রহের পর গ্রিন চ্যানেল দিয়ে যাওয়ার সময় যাত্রীদের আটক করে তাদের ব্যাগ তল্লাশি করা হয়।
কাস্টমস কর্মকর্তারা আজমল হকের ব্যাগ থেকে ১০ লিটার, মোজাম্মেল হক ভূঁইয়ার ব্যাগ থেকে ৭ লিটার, মো. ইমরানের ব্যাগ থেকে ৬ লিটার, বাবুল মিয়ার ব্যাগ থেকে ৬ লিটার, মো. নাফিজ সাবাতের ব্যাগ থেকে সাড়ে ৩ লিটার, আল আমিন শেখের ব্যাগ থেকে সাড়ে ৩ লিটার ও সাদ্দাম হোসেনের ব্যাগ থেকে ৩ লিটার বিদেশি মদ জব্দ করেন।
কর্মকর্তারা জানান, মোট ৩৯ লিটার মদ জব্দ করা হয়েছে, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ৭ লাখ ৭০ হাজার টাকা।
একই আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে ভ্রমণকারী সাত যাত্রীর কাছ থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বিদেশি মদ জব্দের ঘটনাটিকে বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে বলে কাস্টমস কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
এ ঘটনায় প্রচলিত কাস্টমস আইন ও বিধি অনুযায়ী পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ঘটনাটি সংঘবদ্ধভাবে সংগঠিত কি না এবং এর সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে একটি বিশেষ তদন্ত দল বিষয়টি খতিয়ে দেখবে বলেও কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
২৫ দিন আগে
যুক্তরাজ্যে চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরেছেন রাষ্ট্রপতি
যুক্তরাজ্যে চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে আজ সোমবার দেশে ফিরেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
রাষ্ট্রপতিকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বাণিজ্যিক ফ্লাইট বিজি-২০২ সোমবার (১৮ মে) সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
বিমানবন্দরে রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানান আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, ডিপ্লোমেটিক কোরের ডিন ইউসুফ এস ওয়াই রমাদান, ব্রিটিশ হাইকমিশনের কাউন্সিলর এ্যালিসন জে ক্রস এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
চিকিৎসকদের পরামর্শে ফলো-আপ চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য রাষ্ট্রপতি গত ৯ মে লন্ডনের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেন।
গত ১২ মে ক্যামব্রিজের রয়াল প্যাপওয়ার্থ হাসপাতালে ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজিস্ট ডা. স্টিফেন হোলির তত্ত্বাবধানে রাষ্ট্রপতির এনজিওগ্রাম করা হয়। এ সময় হৃদযন্ত্রে গুরুতর ব্লক ধরা পড়লে তাৎক্ষণিকভাবে এনজিওপ্লাস্টি করে সফলভাবে একটি স্টেন্ট স্থাপন করা হয়।
বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল ও সন্তোষজনক রয়েছে বলে রাষ্ট্রপতির প্রেস উইং থেকে এক বার্তায় জানানো হয়েছে।
এর আগে ২০২৩ সালের অক্টোবরে সিঙ্গাপুরে তার কার্ডিয়াক বাইপাস সার্জারি সম্পন্ন হয়।
যুক্তরাজ্যে অবস্থানকালেও রাষ্ট্রপতি নিয়মিত দাপ্তরিক দায়িত্ব পালন করেন। বিভিন্ন মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো গুরুত্বপূর্ণ সামারি ও নথি তিনি ডিজিটালি অনুমোদন ও স্বাক্ষর করেন।
এছাড়া সফরকালে লন্ডনের হোটেল হিলটনে সুদানের প্রধানমন্ত্রী ড. কামিল ইদ্রিসের সঙ্গে রাষ্ট্রপতির একটি অনানুষ্ঠানিক সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
১৪০ দিন আগে
ডিসেম্বরে শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল চালুর কথা ভাবছে সরকার: বিমান প্রতিমন্ত্রী
চলতি বছরের ১৬ ডিসেম্বর অথবা নতুন বছরের শুরুতে সরকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল চালুর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এ তথ্য জানান।
এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত জানান, যেকোনো মূল্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপ দিতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। আগামী বাজেট ঘোষণার পর কক্সবাজার বিমানবন্দর চালুর বিষয়ে সরকারের সিদ্ধান্তের কথাও জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, আগামী ৩০ এপ্রিলের মধ্যে বোয়িং থেকে ১৪টি বিমান কেনা এবং কিছু বিমান লিজ নেওয়ার বিষয়ে কাজ করছে মন্ত্রণালয়। এছাড়া দেশের পর্যটনকেন্দ্রগুলোকে লাভজনক করতে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) মডেল বাস্তবায়নের পরিকল্পনাও করছে সরকার।
১৬৫ দিন আগে
শাহজালালে যাত্রীর স্বজনদের প্রবেশ সীমিত করল কর্তৃপক্ষ
ঢাকা, ২৫ জুলাই (ইউএনবি)— রাজধানীর হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রীদের স্বজনদের প্রবেশে সীমাবদ্ধতা আরোপ করেছে কর্তৃপক্ষ। যাত্রীদের বিদায় বা স্বাগত জানাতে বিমানবন্দর এলাকার ডিপারচার ড্রাইভওয়ে ও এরাইভাল ক্যানোপিতে যাত্রীর সঙ্গে সর্বোচ্চ ২ জন ব্যক্তি প্রবেশ করতে পারবেন।
রবিবার (২৮ জুলাই) থেকে এই নিয়ম কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।
যাত্রীদের যাতায়াত স্বাভাবিক রাখা, যানজট ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে বৃহস্পতিবার রাতে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষ।
এ ছাড়াও বিমানবন্দর এলাকায় আগত সবাইকে সুশৃঙ্খলভাবে চলাচল এবং সহযোগিতার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
৪৩৭ দিন আগে
ঢাকা বিমানবন্দর থেকে ৩.৪৯ কেজি স্বর্ণ জব্দ, আটক ১
শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে শুক্রবার রাতে ৩ দশমিক ৪৯৮ কেজি ওজনের স্বর্ণসহ এক ব্যক্তিকে আটক করেছে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (সিআইআইডি)।
আটক ব্যক্তির নাম মো. মাসুদ ইমাম।
শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত সার্কেলের সহকারী পরিচালক ফারহানা বেগম বলেন, রাত ১০টা ৪৬ মিনিটে দুবাই থেকে এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের একটি দল ইমামের দুটি মানি ব্যাগ থেকে ৩ দশমিক ১৪ কোটি টাকা মূল্যের ৩ কেজি ৪৯৮ গ্রাম ওজনের ২৮টি স্বর্ণের বার ও স্বর্ণমুদ্রা জব্দ করে।
আরও পড়ুন: বেনাপোলে ২টি স্বর্ণের বার জব্দ, যুবক আটক
চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে ৪টি স্বর্ণের বার জব্দ, আটক ২
৯৭৫ দিন আগে
বাইডেনের উপদেষ্টা পরিচয় দেওয়া মিয়া আরেফিকে ঢাকা বিমানবন্দর থেকে আটক
ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে রবিবার (২৯ অক্টোবর) নিজেকে ‘মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের উপদেষ্টা’ হিসেবে পরিচয় দেওয়া মিয়া জাহিদুল ইসলাম আরেফিকে আটক করেছে পুলিশ।
রবিবার (২৯ অক্টোবর) বিকালে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) উপকমিশনার (মিডিয়া) ফারুক হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, আজ দুপুরে আরেফি যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার জন্য বিমানবন্দরে গেলে সেখান থেকে তাকে আটক করা হয়।
আরেফিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মিন্টো রোডে ডিবি সদর দপ্তরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
শনিবার আরেফি নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং নিজেকে ‘বাইডেনের উপদেষ্টা’ হিসেবে পরিচয় দেন।
আরও পড়ুন: 'মার্কিন প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা' দাবি করা ব্যক্তিকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার করা উচিত: মোমেন
বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনের সঙ্গে বসে আরেফি এমনকি দাবি করেছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার সম্পূর্ণ পক্ষে’।
আরেফি মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট এবং বাংলাদেশে দূতাবাসের কর্মকর্তাদের সঙ্গে তার প্রতিদিন তার যোগাযোগ হয় বলে দাবি করেন। আরও দাবি করেন, মার্কিন সরকারের সব গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি বিরোধীদের আন্দোলনকে সমর্থন করে।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, দলীয় নেতারা বিএনপি অফিসে বসে থাকা আরেফিকে ঘিরে রেখেছেন।
বিএনপি ও জামায়াতপন্থীরা দাবি করেছেন, সরকার উৎখাতের জন্য ‘বাইডেন এর পক্ষ থেকে’ তাদের সমর্থন জানানোর জন্য বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে এসেছিলেন আরেফি।
আরও পড়ুন: মার্কিন দূতাবাস থেকে কোনো ব্যক্তির গতিবিধির গুজব সম্পূর্ণ ‘মিথ্যা ও ভুল’: মুখপাত্র
বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ঘেরাও করেছে পুলিশ
১০৭২ দিন আগে
বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের ৭৭.৫% কাজ শেষ, আগামী বছর চালু: বেবিচক চেয়ারম্যান
আগামী অক্টোবর মাসে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তৃতীয় টার্মিনালের সফট ওপেনিং করার জন্য প্রকল্প এলাকায় দিন-রাত কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মফিদুর রহমানের।
মঙ্গলবার (২৭ জুন) দুপুরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণ কাজের অগ্রগতি বিষয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। নির্মাণাধীন তৃতীয় টার্মিনালেসংবাদ সম্মেলনেটি আয়োজিত হয়েছিল।
আরও পড়ুন: চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে স্বর্ণ জব্দ, দুবাইফেরত যুবক আটক
এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মফিদুর রহমানের বলেন, তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণ প্রকল্পের বাস্তবায়নের শেষ পর্যায়ে চলে এসেছি আমরা। সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সব থেকে দ্রুততম সময়ে এই প্রকল্পের কাজ শেষ করা হচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে তৃতীয় টার্মিনালের আংশিক উদ্বোধনের (সফট ওপেনিং) এই জন্য প্রকল্প এলাকায় দিন রাত কাজ চলছে। আপনারা জানেন আজ থেকে ঈদের ছুটি শুরু হয়েছে, কিন্তু আমাদের এখানে ৩-৪ হাজার শ্রমিকরা ছুটিতেও কাজ করে যাবেন। তারা শুধু মাত্র ঈদের দিন কাজ করবে না, এর পরের দিন থেকে তারা আবার কাজ শুরু করবেন।
তিনি বলেন, আশা করছি সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অক্টোবর মাসের প্রথম সপ্তাহে সফট উদ্বোধন করা হবে। আমরা অক্টোবরের আগে প্রকল্পের ৯০ শতাংশ কাজ সম্পূর্ণ করতে চাই। আশা করি সময়ের আগে কাজ শেষ হবে। এখন পর্যন্ত প্রকল্পের ৭৭ দশমিক ৫ শতাংশ কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে। অক্টোবর মাসে সফট উদ্বোধন হলেও এই টার্মিনাল পুরোপুরি ফাংশনাল হবে ২০২৪ সালে।
শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টার্মিনাল নির্মাণ প্রকল্পের কাজ করছে স্যামসাং গ্রুপের কনস্ট্রাকশন ইউনিট স্যামসাং কনস্ট্রাকশন অ্যান্ড ট্রেডিং (সিঅ্যান্ডটি) করপোরেশন। প্রতিষ্ঠানটির নির্মিত স্থাপনাগুলোর মধ্যে রয়েছে বুর্জ খলিফা, পেট্রোনাস টুইন টাওয়ার, তাইপে ১০১, সিঙ্গাপুরের চাঙ্গি বিমানবন্দরের ৪ নম্বর টার্মিনাল, দক্ষিণ কোরিয়ার ইনচেওন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও আবুধাবির ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিক। প্রতিনিয়ত নতুন নতুন প্রযুক্তি ও সম্ভাবনা উন্মোচনের মাধ্যমে নির্মাণে আধুনিকতা নিয়ে এসেছে স্যামসাং সিঅ্যান্ডটির ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন গ্রুপ।
এছাড়াও টার্মিনালের ভেতরের ভবনটির নকশা তৈরি করেছেন বিখ্যাত স্থপতি রোহানি বাহারিন। তিনি সিঙ্গাপুরের চাঙ্গি এয়ারপোর্টের টার্মিনাল-৩, চীনের গুয়াঞ্জুর এটিসি টাওয়ার ভবন, ভারতের আহমেদাবাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, ইসলামাবাদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টার্মিনাল ভবনের নকশা তৈরি করেন।
২০১৭ সালের ২৪ অক্টোবর শাহজালাল বিমানবন্দর সম্প্রসারণ প্রকল্পটির অনুমোদন দেয় একনেক। নির্মাণ কাজে অর্থায়ন করছে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা)। বৃহৎ এই থার্ড টার্মিনাল প্রকল্পটির ব্যয় প্রথমে ধরা হয়েছিল ১৩ হাজার ৬১০ কোটি টাকা। পরে অবশ্য প্রকল্প ব্যয় ৭ হাজার ৭৮৮ কোটি ৫৯ লাখ টাকা বাড়ানো হয়েছে।
৫ লাখ ৪২ হাজার বর্গমিটারের এ টার্মিনালে একসঙ্গে ৩৭টি প্লেন রাখার অ্যাপ্রোন (প্লেন পার্ক করার জায়গা) করা হয়েছে। তবে এ টার্মিনালের সবচেয়ে দৃষ্টিনন্দন হবে মডার্ন টার্মিনাল বিল্ডিং। দুই লাখ ৩০ হাজার স্কয়ার মিটারের বিল্ডিংয়ের ভেতরে থাকবে পৃথিবীর উল্লেখযোগ্য ও অত্যাধুনিক সব প্রযুক্তির ছোঁয়া।
আরও পড়ুন: ঢাকা বিমানবন্দরে ১৮০০ গ্রাম কোকেন জব্দ, ভারতীয় নারী আটক
শাহ আমানত বিমানবন্দরে ৬৩.১৭ লাখ টাকার স্বর্ণ জব্দ
১১৯৬ দিন আগে
আকাশ কুয়াশাচ্ছন্ন থাকায় ঢাকার ৩টি ফ্লাইট নামলো সিলেটে
ঘন কুয়াশার কারণে ঢাকায় নামতে না পেরে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেছে তিনটি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট।
রবিবার (১৫ জানুয়ারি) সকালে ভিন্ন তিনটি দেশ থেকে এ ফ্লাইটগুলো আসে। ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামতে না পেরে বাধ্য হয়ে ফ্লাইট তিনটি আসে সিলেটে।
ফ্লাইট তিনটি আসে সিঙ্গাপুর, ওমান ও কাতার থেকে। সবক’টি ফ্লাইটই ছিল ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের।
আরও পড়ুন: ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং: ওসমানী বিমানবন্দরে ৮ ফ্লাইটের জরুরি অবতরণ
বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, ঘন কুয়াশার কারণে রবিবার ভোর থেকে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্লাইট কার্যক্রম বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। বেশ কিছুসংখ্যক ফ্লাইট ঢাকায় অবতরণ করতে ব্যর্থ হয়। ঢাকার আকাশে অনেকক্ষণ চক্কর দিয়ে জ্বালানি সংকটে পড়ার শঙ্কায় এসব ফ্লাইট বিভিন্ন বিমানবন্দরে ডাইভার্ট হয়।
ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কর্মরত ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের সহকারি ব্যবস্থাপক সৈয়দ বেলায়েত আলী লিমন জানান, ঢাকায় অবতরণ করতে না পেরে সিঙ্গাপুর থেকে আসা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট ওসমানী বিমানবন্দরে এসে রবিবার সকাল ৮টা ২০ মিনিটে অবতরণ করে। কাতারের দোহা থেকে আসা ফ্লাইট অবতরণ করে সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে।
এছাড়া ওমানের মাসকাট থেকে আসা আরেকটি ফ্লাইট সকাল ৯টা ১০ মিনিটে ওসমানীতে অবতরণ করে।
ঢাকার আকাশে কুয়াশা কেটে যাওয়ার পর ফ্লাইট তিনটি সিলেট থেকে ফিরে যায়।
আরও পড়ুন: রাজশাহী-কক্সবাজার রুটে বিমানের ফ্লাইট শুরু ১৭ নভেম্বর
সিলেট-শারজাহ্ রুটে বিমানের ফ্লাইট চালু
১৩৫৯ দিন আগে