কাঁচা বাজার
পীরগঞ্জের চতরাহাটের জায়গা বেদখল, বাজার বসছে সড়কে
রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার চতরা ইউনিয়নের চতরাহাটের প্রায় ১০ একর সরকারি জমির বড় অংশ দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ দখলে রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ফলে কাঁচাবাজারের অনেক ব্যবসায়ীকে চতরা ডিগ্রি কলেজ মাঠ এবং ধাপেরহাট-চতরা সড়কের দুই পাশে দোকান বসাতে হচ্ছে।
ইউনিয়ন ভূমি কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, কয়েকশ ব্যক্তি হাটের জমি দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করায় হাটের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। এতে সরকারের রাজস্ব আদায় কমে যাওয়ার পাশাপাশি ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের দুর্ভোগও বেড়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
চতরা ইউনিয়ন ভূমি কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ইকলিমপুর মৌজায় অবস্থিত চতরাহাটের নামে সিএস ও এসএ রেকর্ডভুক্ত আটটি দাগে মোট ৯ একর ৮০ শতক জমি রয়েছে। ২০২৩ সালের ২৮ আগস্ট ভূমি কার্যালয় থেকে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, হাটের উল্লেখযোগ্য অংশ বিভিন্ন ব্যক্তি দখল করে সেখানে স্থাপনা নির্মাণ করেছেন। ফলে হাটের কার্যক্রম মূল নির্ধারিত জায়গার বাইরে সড়ক ও আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে।
ভূমি কার্যালয়ের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, হাটের ৭৮ নম্বর দাগের ১৬ শতক এবং ১৭০ নম্বর দাগের ৯ শতক জমি নীতিমালা অনুসরণ না করে বন্দোবস্ত দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ইউনিয়ন ভূমি কার্যালয়ের তহশিলদার নূরে আলম বলেন, হাটের জমি বর্তমানে অন্তত ৪০০ জনের দখলে রয়েছে। ২০২৩ সালে ৩০৮ জনকে অবৈধ দখলদার হিসেবে তালিকাভুক্ত করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে।
তার ভাষ্য, প্রকৃত ব্যবসায়ীদের মধ্যে পরিকল্পিতভাবে দোকান বরাদ্দ দেওয়া গেলে হাটের ব্যবস্থাপনা উন্নত হওয়ার পাশাপাশি সরকারি রাজস্বও বাড়তে পারে।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, হাটের নির্ধারিত জায়গা দখলে থাকায় কাঁচাবাজারের অনেক ব্যবসায়ীকে চতরা ডিগ্রি কলেজ মাঠ এবং ধাপেরহাট-চতরা সড়কের দুই পাশে দোকান বসাতে হচ্ছে। তাদের দাবি, সড়কের ওপর হাট বসায় প্রায়ই যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হয়।
সরকার পতনের পর ২০২৪ সালে স্থানীয় ব্যবসায়ী হাবিবুর রহমান এক বছরের জন্য ৯৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকায় হাটটির ইজারা নেন। তিনি বলেন, হাটের দখলমুক্ত জমি বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে একাধিকবার আবেদন করেছিলেন। পরে এ বিষয়ে উচ্চ আদালতে রিটও করেন। তবে জমি বুঝে না পাওয়ায় তিনি পরবর্তী সময়ে ইজারা নবায়ন করেননি।
তার দাবি, হাটটি দখলমুক্ত করা গেলে ইজারামূল্য উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে।
চতরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এনামুল হক শাহীন বলেন, ২০২০ সালে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে হাটের সীমানা নির্ধারণ এবং অবৈধ দখল উচ্ছেদের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। সে সময় প্রকৃত ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসনের জন্য প্রায় ৪০০ দোকান নির্মাণের পরিকল্পনাও ছিল। তবে সেটি বাস্তবায়িত হয়নি।
অবৈধ স্থাপনা অপসারণ করে পরিকল্পিতভাবে দোকান বরাদ্দ দেওয়া গেলে সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধি পাবে বলে তার ধারণা।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদুল হাসান বলেন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) সরেজমিনে বিষয়টি তদন্ত করছেন। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জেলা প্রশাসকের কাছে প্রতিবেদন পাঠানো হবে।
১ দিন আগে
কাল থেকেই কাঁচামরিচ আমদানি, ২-৫ দিনের মধ্যে দাম কমার আশা কৃষিমন্ত্রীর
কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ জানিয়েছেন, আগামীকাল থেকেই কাঁচামরিচ আমদানি কার্যক্রম শুরু হবে। এর ফলে আগামী দুই থেকে পাঁচ দিনের মধ্যে কাঁচামরিচের দাম সহনীয় পর্যায়ে নেমে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রবিবার (২ আগস্ট) রাজধানীর শান্তিনগর কাঁচাবাজার পরিদর্শনকালে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এ আশা প্রকাশ করেন।
বাজার পরিদর্শনকালে আরও উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, খাদ্য প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম।
পরিদর্শনকালে মন্ত্রীরা বাজারের ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে নিত্যপণ্যের সরবরাহ, মূল্য এবং সার্বিক বাজার পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন।
পরিদর্শন শেষে কৃষিমন্ত্রী গণমাধ্যমকর্মীদের জানান, কাঁচামরিচের মূল্য স্থিতিশীল রাখতে সরকার দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছে।
তিনি বলেন, কাঁচামরিচ আমদানির ওপর বিদ্যমান কর (ট্যাক্স) কমানো হচ্ছে এবং কাঁচামরিচ আমদানির অনুমতিও দেওয়া হয়েছে। আগামীকাল থেকেই আমদানি কার্যক্রম শুরু হবে। এর ফলে আগামী দুই থেকে পাঁচ দিনের মধ্যে কাঁচামরিচের দাম সহনীয় পর্যায়ে নেমে আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
২ দিন আগে
লালমনিরহাটে বন্যা ও টানা বৃষ্টিতে সবজির বাজারে আগুন
টানা বৃষ্টি ও দফায় দফায় বন্যার প্রভাবে লালমনিরহাটে বেড়েছে প্রায় সব ধরনের সবজির দাম। মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে অধিকাংশ সবজির কেজিতে ৩০ থেকে ৪০ টাকা পর্যন্ত দাম বেড়েছে। ফলে হাতে গোনা দুয়েকটি সবজি ছাড়া প্রায় সব ধরনের সবজিই এখন ৭০ টাকার ওপরে বিক্রি হচ্ছে।
শনিবার (১ আগস্ট) আদিতমারী স্টেশন বাজার ঘুরে দেখা যায়, গত সপ্তাহে ৪০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হওয়া ঝিঙা, চিচিঙ্গা ও ধুন্দল এখন ৭০ থেকে ৮০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। একইভাবে বেগুন ও বরবটির দাম ৫০-৬০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ৭০-৮০ টাকা কেজি।
শসার দামও বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে। গত সপ্তাহে ৪০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হওয়া শসা এখন ৭০ থেকে ৮০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। তবে আলুর দাম তুলনামূলক স্থিতিশীল থাকলেও পটল ও ঢেঁড়শ বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি ৫০ থেকে ৬০ টাকায়। সবচেয়ে বেশি বেড়েছে কাঁচা মরিচের দাম, কেজিতে প্রায় ২০০ টাকা থেকে বেড়ে বর্তমানে ৩০০ থেকে ৩২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসায়ীরা জানান, কয়েক দিনের টানা বৃষ্টি ও বন্যার কারণে কৃষকেরা খেত থেকে চাহিদা অনুযায়ী সবজি তুলতে পারেননি। অনেক জমিতে পানি জমে সবজি নষ্ট হয়ে গেছে। আবার কিছু এলাকায় বন্যার পানিতে সবজির খেত তলিয়ে যাওয়ায় বাজারে সরবরাহ কমে গেছে। ফলে বেড়েছে সবজির দাম।
তুষভান্ডার বাজার থেকে পাইকারি দরে সবজি কিনে ভ্যানে করে বিভিন্ন এলাকায় বিক্রি করেন সাদিকুল মিয়া। তিনি বলেন, ‘তিন-চার দিন আগের তুলনায় প্রতি পাল্লা (পাঁচ কেজি) সবজিতে অন্তত ৩০ টাকা দাম বেড়েছে। তাই আমাদেরও খুচরা বাজারে বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।’
আদিতমারী স্টেশন বাজারে সবজি কিনতে আসা আরজিনা খাতুন বলেন, আমরা গরিব মানুষ। প্রতিদিন বাজারে এসে নতুন নতুন দামের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। সবজির এত দাম হলে সংসার চালানো খুবই কষ্টকর হয়ে পড়ে।
পাইকারি সবজি ব্যবসায়ী সাখাওয়াত হোসেন বলেন, টানা বৃষ্টি ও বন্যার কারণে চাষিরা ঠিকমতো সবজি তুলতে পারছেন না। অনেক খেত পানিতে তলিয়ে গেছে, আবার অনেক সবজি পচে নষ্ট হয়েছে। ফলে বাজারে সরবরাহ কমে গেছে। এ কারণেই সবজির দাম বেড়েছে।
লালমনিরহাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. মো. সাইখুল আরিফিন বলেন, বাজার মনিটরিং করা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের দায়িত্ব নয়। এ কাজের জন্য কৃষি বিপণন অধিদপ্তর রয়েছে, তারাই মূলত বাজার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে। আমাদের প্রধান দায়িত্ব কৃষকদের উৎপাদন বৃদ্ধি এবং আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রয়োজনীয় কারিগরি সহায়তা দেওয়া। তবে বাজার পরিস্থিতিরও আমরা খোঁজখবর রাখি।
তিনি আরও বলেন, বাজারে পণ্যের দাম মূলত চাহিদা ও সরবরাহের ওপর নির্ভরশীল। কোনো কারণে সরবরাহ কমে গেলে স্বাভাবিকভাবেই দামের ঊর্ধ্বগতি দেখা দেয়। অতিবৃষ্টি ও বন্যার কারণে সবজির সরবরাহ কমে যাওয়ায় বর্তমানে এর প্রভাব বাজারে পড়েছে।
৩ দিন আগে
ঝিনাইদহে সবজির বাজার দাম কমলেও সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে
ঝিনাইদহে নিত্যপ্রয়োজনীয় সবজির দাম কিছুটা কমলেও নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর মাঝে স্বস্তি ফেরেনি। পাইকারি ও খুচরা বাজারে দামের ব্যবধান এবং সামগ্রিক চড়া মূল্যের কারণে বাজার করতে গিয়ে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছেন সাধারণ ক্রেতারা।
এদিকে, সবজির বাজার সামান্য কমতির দিকে হলেও মাছের বাজারে চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। রুই, কাতলা, মৃগেল থেকে শুরু করে নিম্নবিত্তের ভরসা তেলাপিয়াসহ সব ধরনের মাছের দামই এখন নাগালের বাইরে।
শনিবার (১ আগস্ট) ঝিনাইদহ শহরের প্রধান কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা যায়, গত ১৫-২০ দিন আগের আকাশছোঁয়া দাম থেকে বর্তমানে প্রায় সব ধরনের সবজির দামই কিছুটা কসেছে। তবে পাইকারি কেনা দামের চেয়ে খুচরা বিক্রি দামে রয়েছে উল্লেখযোগ্য ফারাক।
বর্তমানে বাজারে কাঁচামরিচ পাইকারি ২৪০ টাকায় কিনে বিক্রি হচ্ছে ২৮০ টাকায়। এছাড়া প্রতি কেজি বেগুন ৮৫ টাকায় কিনে ১০০ টাকা, টমেটো ১১০ টাকায় কিনে ১৪০ টাকা, পটল ৪৭ টাকায় কিনে ৬০ টাকা, উচ্ছে ৮৫ টাকায় কিনে ১০০ টাকা, বরবটি ৬৮ টাকায় কিনে ৮০ টাকা এবং গাজর ১২০ টাকায় কিনে ১৪০ টাকায় বিক্রি করছেন খুচরা ব্যবসায়ীরা।
অন্যদিকে, ঢেঁড়শ ৩৫ টাকায় কিনে ৫০ টাকা, ঝিঙে ৪০ টাকায় কিনে ৫০ টাকা, চিচিঙ্গা ৪০ টাকায় কিনে ৫০ টাকা, মুলা ৪৫ টাকায় কিনে ৬০ টাকা এবং কচু ৪০ টাকায় কিনে ৫৫ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।
শীতকালীন আগাম সবজির মধ্যে বাঁধাকপি ৬৫ টাকায় কিনে ৭০ থেকে ৮০ টাকা এবং পালংশাক প্রতি আঁটি ১৭ টাকায় কিনে ২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতি পিস লাউ ২৫ টাকায় কিনে ৪০ টাকা এবং পেঁপে ২৫ টাকায় কিনে ৪০ টাকায় বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা। আলুর কেজি প্রতি ৩০ টাকা ও পেঁয়াজ ৫৫ টাকায় স্থির থাকলেও রসুনের দাম পৌঁছেছে ১০০ টাকায়।
সবজির দাম কিছুটা কমলেও নিম্নবিত্ত পরিবারগুলোর জন্য এই দরও অসহনীয় হয়ে উঠেছে।
ঝিনাইদহ শহরের ব্যাপারিড়ার বাসিন্দা তাহুরা খাতুন আক্ষেপ করে বলেন, ‘তিন সপ্তাহ আগের চেয়ে দাম দুই-এক টাকা কমলেও আমাদের মতো গরিব মানুষের জন্য এই দামে বাজার করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। যে আয়, তাতে সংসার চালানোই দায়; তার ওপর তরকারির এই দাম।’
একই সুর উপ-শহরপাড়ার বেবি খাতুনের কণ্ঠে। তিনি বলেন, কাগজে-কলমে দাম কমার কথা শুনলেও বাজারে এসে দেখি উল্টো চিত্র। এক কেজি তরকারি কিনতে গেলে অন্য তরকারি আর কেনা হচ্ছে না। মাছের বাজারে তো যাওয়ারই উপায় নেই।
বাজারের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তরকারি বিক্রেতা রমজান আলী ও আবুল কালাম জানান, অতিবৃষ্টি ও অপ্রতুল সরবরাহের কারণে ১৫-২০ দিন আগে দাম খুব বেশি ছিল। এখন সরবরাহ কিছুটা বৃদ্ধি পাওয়ায় দাম আস্তে আস্তে কমতির দিকে। তবে পাইকারি বাজার থেকে পরিবহন খরচ ও অপচয় হিসাব করেই খুচরা দর নির্ধারণ করতে হয়।
ঝিনাইদহ পানি উন্নয়ন বোর্ড এলাকার কাঁচাবাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আশাদুল ও সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম বলেন, আগের সপ্তাহের তুলনায় বাজারে সবজির সরবরাহ বেড়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবং যাতায়াত ব্যবস্থা স্বাভাবিক থাকলে বাজারে দাম আরও কমে আসবে।
এদিকে, কৃষি দপ্তরের পক্ষ থেকেও মিলেছে ইতিবাচক বার্তা। ঝিনাইদহ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কামরুজ্জামান জানান, ‘আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবং বড় ধরনের কোনো ভারী বৃষ্টিপাত না হলে আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে নতুন সবজি বাজারে পুরোদমে উঠবে। তখন তরিতরকারির বাজার পুরোপুরি সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে চলে আসবে।’
৩ দিন আগে
রমজান মাসকে কেন্দ্র করে মাগুরায় সবজি বাজারে অরাজকতা
করোনাভাইরাস সংকটের পাশাপাশি রমজান মাসকে কেন্দ্র করে মাগুরা জেলায় সবজি বাজারে চলছে চরম অরাজকতা। এখানকার পাইকারি বাজারের চেয়ে খুচরা বাজারে সবজি বিক্রি হচ্ছে দুই থেকে তিন গুণ বেশি দামে।
২২৮৭ দিন আগে
দূরত্ব নিয়ে ঠাকুরগাঁওয়ে বড় মাঠে কাঁচা বাজার
প্রশাসন ঠাকুরগাঁও শহরের কালিবাড়ি বাজারের কাঁচা বাজার বড় মাঠে স্থানান্তর করেছে। মাঠটি বড় হওয়ায় বেশ দূরত্ব নিয়ে দোকানও বসেছে। লোকজন শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে কেনাকাটা করছে।
১২ এপ্রিল থেকে বড়মাঠে কাঁচা বাজার বসায় বেশ সুফল পাওয়া যাচ্ছে। তাছাড়া এটা এক ধরনের প্রচারের কাজেও লাগছে। সচেতনতা বাড়ছে মানুষের মধ্যে।
এ ব্যাপারে সুজন ঠাকুরগাঁও জেলা শাখার সভাপতি প্রফেসর মনতোষ কুমার দে বলেন, এটা একটা সঠিক সিদ্ধান্ত। মানুষ দূরত্ব বজায় রেখে কেনাকাটা করছে দেখে খুব ভালো লাগছে।
সবজি দোকানদার মুরাদ ও পারভেজ জানান, তাদের বিক্রি ভালো হচ্ছে। তবে হঠাৎ বৃষ্টি নামলে অসুবিধা হবে। বুধবার বৃষ্টি হওয়ায় বেশ অসুবিধা হয়েছে।
জেলা প্রশাসক ড. কেএম কামরুজ্জামান সেলিম জানান, শহরের কালিবাড়ি বাজারে জায়গা কম। ইচ্ছা থাকলেও মানুষ দূরত্ব বজায় রেখে কেনাকাটা করতে পারেন না। তাই সব দিক চিন্তা করে বড় মাঠে কাঁচা বাজার স্থানান্তর করা হয়েছে। মাছ, মাংস ও মুদি দোকানগুলো আগের মতো কালিবাড়িতেই থাকবে।
২৩০১ দিন আগে