মাদকাসক্ত
গাইবান্ধায় নেশার টাকা জোগাতে সন্তান বিক্রি, বাবাসহ গ্রেপ্তার ৪
গাইবান্ধায় নেশার টাকা জোগাড় করতে ১১ মাস বয়সী মেয়েসন্তানকে ৩১ হাজার টাকায় বিক্রির অভিযোগে বাবাসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। সেই সঙ্গে প্রায় দুই মাস পর শিশুটিকেও উদ্ধার করা হয়।
রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) রাতে ফুলছড়ি উপজেলার মদনের পাড়া গ্রামের সোলেমান চৌকিদারের বাড়ি থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করে পুলিশ।
গ্রেপ্তাররা হলেন: শিশুর বাবা হামিদুল ইসলাম, আব্দুল মজিদ, মোরশেদা খাতুন ও জেসমিন আকতার।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, গাইবান্ধা পৌর এলাকার দক্ষিণ ধানঘরা গ্রামের বাসিন্দা হামিদুল ইসলাম মাদকাসক্ত। নেশার টাকা জোগাড় করতে গত ২২ জুলাই শিশুসন্তান জান্নাতিকে বিস্কুট দেওয়ার কথা বলে নিয়ে যান। পরে স্ত্রী রোমানা আকতার গাইবান্ধায় আদালতের কাছে তার শিশু সন্তান উদ্ধারের আবেদন করেন। এরপর গত ১৪ আগস্ট বিচারক নিশাত তাজনীন বিষয়টি আমলে নিয়ে ওই শিশুকে উদ্ধারের জন্য গাইবান্ধা সদর থানা পুলিশকে নিদের্শ দেন।
আদালতের আদেশের সূত্র ধরে গোয়েন্দা পুলিশ মাঠে নামে। পরে তারা গতকাল (রবিবার) রাতে ফুলছড়ি উপজেলার মদনের পাড়া গ্রামের সোলেমান চৌকিদারের বাড়ি থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করে। এ সময় শিশু বিক্রির সঙ্গে জড়িত শিশুটির বাবাসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গোয়েন্দা পুলিশ আজ (সোমবার) সংবাদ সম্মেলনের পর সকালে শিশুটিকে তার মা রোমানার কোলে তুলে দেয়।
মা তার মেয়েকে কোলে তুলে নিয়ে বলেন, ‘আমি এমন বর্বর স্বামীকে চাই না। তার শাস্তি চাই। যে স্বামী তার নিজের কোলের শিশুকে বিক্রি করতে পারে সে অনেক কিছু করতে পারে। সে এখন আমাদের জীবননাশের হুমকি দিচ্ছে। তাই প্রশাসনের কাছে আমার দাবি, আমাদের নিরাপত্তা দেওয়া হোক।’
গাইবান্ধার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শরিফ আল রাজিব জানান, আদালতের নির্দেশ পাওয়ার পর পুলিশ বিভিন্ন স্থানে খোঁজ নিয়ে শিশু জান্নাতিকে উদ্ধার করেছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আজ দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়।
১৪ দিন আগে
মাদকাসক্ত যুবকের অগ্নিসংযোগে পুড়ল ১১ পরিবারের ঘর
লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে বসতঘরে আগুন দেওয়ার অভিযোগে সোহেল হোসেন নামের এক যুবককে সংঘবদ্ধ পিটুনি দিয়েছেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। এ ঘটনায় ১১টি পরিবারের বসতঘর পুড়ে গেছে।
রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) ভোররাতে রায়পুর উপজেলার বাসাবাড়ি এলাকার আশক আলী ব্যাপারি বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, মাদকের টাকা নিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সোহেলের প্রায়ই ঝগড়া হতো। তারই জেরে ভোর সাড়ে ৪টার দিকে তিনি নিজের ঘরে আগুন ধরিয়ে দেন। মুহূর্তের মধ্যে আগুন আশপাশের ঘরগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। এতে ১১টি পরিবারের বসতঘর ও রান্নাঘর পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
খবর পেয়ে রায়পুর ও লক্ষ্মীপুর ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট প্রায় দুই ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
এদিকে আগুন দেওয়ার অভিযোগে স্থানীয়রা সোহেল হোসেনকে আটক করে সংঘবদ্ধ পিটুনি দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে। বর্তমানে তিনি আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে আছেন।
লক্ষ্মীপুর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার রনজিত কুমার দাস আগুনের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আগুনে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণের কাজ চলছে। এ বিষয়ে তদন্ত করা হচ্ছে।
রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, পারিবারিক বিরোধের জেরে মাদকাসক্ত যুবক সোহেল নিজের ঘরে আগুন ধরিয়ে দেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। পরে আগুন চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে ১১টি পরিবারের বসতঘর পুড়ে যায়। স্থানীয়রা তাকে সংঘবদ্ধ পিটুনি দেন। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।
২৯ দিন আগে
চট্টগ্রামে মাদকাসক্ত ছেলের হাতে মা-বাবা খুন
চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় ছেলের এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাতে তার বাবা-মা নিহত হয়েছেন। এ ঘটনার পর নিজের ঘর থেকে অভিযুক্ত ছেলেকে আটক করেছে পুলিশ।
শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে উপজেলার হাইলধর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব গুজরা এলাকার চৈতন্য মহাজন বাড়িতে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে।
নিহতরা হলেন— ওই বাড়ির স্বপন দাশগুপ্ত (৬৫) এবং তার স্ত্রী কল্পনা দাশগুপ্তা (৫৫)। আটক হওয়া তাদের ছেলের নাম রিমন দাশগুপ্ত (৪২)।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী নিহত কল্পনা দাশগুপ্তার ছোটো জা তিথি দাশগুপ্তা বলেন, ‘ছেলেটি দীর্ঘদিন মাদকে আসক্ত ছিল। কয়েকবার মাদক নিরাময়কেন্দ্রেও ছিল। আজ সকালে তারা মা-বাবা-ছেলে বাইরে গিয়ে দুপুর ১২টার দিকে বাড়ি আসে। এর কিছুক্ষণ পরই ছেলেটা কাঁচি দিয়ে তার মাকে আঘাত করতে থাকে। সে সময় তাকে বাঁচাতে তার স্বামী এগিয়ে গেলে ছেলেটা তাকেও আঘাত করে।’
তিনি বলেন, ‘এ সময় আমরা দৌড়ে আশপাশের মানুষ ডাকতে যাই। এসে দেখি, তার মা ঘটনাস্থলে মরে পড়ে আছে আর বাবাকে আনোয়ারা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পরে শুনি, সে-ও মারা গেছে।’
আনোয়ারা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মাহাতাব উদ্দিন চৌধুরী বলেন, গুরুতর আহত অবস্থায় স্বপন দাশগুপ্তকে হাসপাতালে আনা হয়। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে আমার তাকে চমেক হাসপাতালে প্রেরণের সময় তার মৃত্য হয়। বিষয়টি ইতোমধ্যে পুলিশকে জানানো হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে আনোয়ারা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মাহমুদুল হাসান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঘাতক ছেলেটিকে আটক করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, হাসপাতালেও আরেকটি মরদেহের খবর পাওয়া গেছে। মরদেহগুলোকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে। এই ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
৭২ দিন আগে
মাদক কেনার টাকা না পেয়ে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ
বরিশালের মুলাদীতে মাদক কেনার টাকা চেয়ে না পেয়ে হাবিবুল্লাহ নামে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে এক মাদকাসক্ত যুবকের বিরুদ্ধে। হামলার সময় বাবাকে বাঁচাতে গেলে হাবিবুল্লাহর মেয়েকেও পিটিয়ে জখম করা হয়েছে।
সোমবার (২ মার্চ) ভোরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাবিবুল্লাহর মৃত্যু হয়।
মৃত হাবিবুল্লাহ উত্তর বালিয়াতলী গ্রামের মৃত আব্দুস ছত্তার ভূঁইয়ার ছেলে। অভিযুক্ত শাতিল শরীফ একই গ্রামের শাহিন শরীফের ছেলে।
নিহতের পরিবারের দাবি, শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার সফিপুর ইউনিয়নের উত্তর বালিয়াতলী গ্রামে হাবিবুল্লাহর নিজ বাড়িতে শাতিল শরীফ মাদক কেনার টাকা চেয়ে না পেয়ে হাবিবুল্লাহ ও তার মেয়ে কলেজছাত্রী ফাতিহাকে পিটিয়ে আহত করেন।
হাবিবুল্লাহর মেয়ে ফাতিহা জানান, শুক্রবার সকাল পৌনে ১০টার দিকে একই এলাকার শাতিল তাদের বাড়িতে যান। ওই সময় তার বাবা হাবিবুল্লাহ বাড়িতে ছিলেন না। শাতিল বারান্দার সামনে দাঁড়িয়েই ফাতিহার কাছে ভাত খেতে চান। ওই সময় ফাতিহা তাকে গরুর মাংস দিয়ে ভাত দিলে তিনি বারান্দায় বসে পড়েন। সকাল ১০টার দিকে হাবিবুল্লাহ বাড়িতে ফিরে শাতিলকে বারান্দায় বসে ভাত খেতে দেখলে তাকে ঘরের মধ্যে টেবিলে বসে খাওয়ার অনুরোধ করেন।
শাতিল ঘরের মধ্যে ঢুকেই গরুর মাংস দিয়ে ভাত খাবে না জানিয়ে ডিম ভাজি দিতে বলেন। ফাতিহা ডিম ভাজি করতে গেলে শাতিল মাদক কেনার জন্য হাবিবুল্লাহর কাছে টাকা চান। হাবিবুল্লাহ টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে হাবিবুল্লাহকে মারাত্মকভাবে আহত করেন।
বাবার চিৎকারে ফাতিহা তাকে রক্ষা করতে গেলে শাতিল তাকেও পিটিয়ে আহত করে চলে যান। পরে স্থানীয়রা হাবিবুল্লাহ ও ফাতিহাকে উদ্ধার করে ওই দিনই বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে হাবিবুল্লাহার অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢামেক হাসপাতালে পাঠান চিকিৎসকরা। সেখানে আজ (সোমবার) ভোরে তার মৃত্যু হয়।
এ ব্যাপারে মুলাদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোমিন হোসেন বলেন, গত শুক্রবার সকালে মাদকসেবীর হামলায় হাবিবুল্লাহ ও তার মেয়ে আহত হয়েছিলেন। সোমবার ভোররাতে হাবিবুল্লাহর মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন তার মেয়ে ফাহিতা। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
২১৭ দিন আগে
নেশার টাকা না পেয়ে মাকে কুপিয়ে হত্যা করে রাস্তায় ফেলে গেল ছেলে
রাজশাহী নগরীতে নেশা করার টাকা না পেয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে সুমন নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে। মরদেহ রাস্তায় ফেলে বাড়িতে গিয়ে ঘরের দরজা বন্ধ করে অবস্থান নেন সুমন। পরে বিষয়টি স্থানীয়রা জানতে পেরে সুমনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টার দিকে নগরীর খড়খড়ি এলাকার পুরাতন কৃষি ব্যাংক মোড়ে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে।
নিহত ওই নারীর নাম সোহাগী খাতুন (৫৫)। তিনি ওই এলাকার আজিজুল ইসলামের স্ত্রী। দুই ছেলে ও এক মেয়ের জননী ছিলেন তিনি।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, মাদকাসক্ত সুমন রাতে নেশার করার টাকার জন্য তার মাকে চাপ দেন। কিন্তু টাকা দিতে রাজি না হলে ধারালো হাসুয়া দিয়ে তিনি তার মায়ের বুকে ও পেটে আঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই তার মা নিহত হন। পরে মায়ের মরদেহ রাস্তায় ফেলে রেখে বাড়িতে গিয়ে ঘরের দরজা বন্ধ করে অবস্থান নেন সুমন। বিষয়টি স্থানীয়রা জানার পর ওই ঘর থেকে তাকে আটক করে থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যান। নিহত ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
প্রতিবেশী মোজাম্মেল হক জানান, সুমন নিয়মিত নেশা করতেন। তিনি এলাকায় নিয়মিত ছোটখাট চুরিও করতেন। সুমন সব সময় হাসুয়া বা রামদা নিয়ে ঘুরতো বলেও জানান তিনি।
নগরীর চন্দ্রিমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত যুবককে আটক করে থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ওই যুবক মাদকাসক্ত বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।
২৪৬ দিন আগে
নওগাঁয় স্ত্রীর হাত কেটে ফেলার পর গণপিটুনিতে স্বামী নিহত
নওগাঁ শহরের আনন্দনগর এলাকায় মাদকাসক্ত হয়ে স্ত্রীর হাত কেটে দেওয়ার পর গণপিটুনিতে এক যুবক নিহত হয়েছেন।
বুধবার (২৮ মে) রাত ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ব্যক্তির নাম সুমন আলী (৩২)। নওগাঁ সদর উপজেলার দুবলহাটি ইউনিয়নের দুবলহাটি গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন তিনি। সুমন পেশায় গৃহনির্মাণ শ্রমিক ছিলেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, তিন-চার বছর আগে শহরের আনন্দনগর এলাকার আব্দুস সামাদের মেয়ে ময়ূরী আক্তারের (২৪) সঙ্গে সুমনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে শ্বশুরবাড়িতেই থাকতেন সুমন। তার বিরুদ্ধে নিয়মিত মাদক গ্রহণের অভিযোগ আছে এবং সে কারণে প্রায়ই স্ত্রীর সঙ্গে তার ঝগড়া হতো। এমনকি তিনি সংসারের খরচও দিতেন না।
আরও পড়ুন: বরগুনায় গুলিবিদ্ধ ডাকাত গণপিটুনিতে নিহত
গতকাল (বুধবার) রাত সাড়ে ৯টার দিকে মাদকাসক্ত অবস্থায় সুমন আবারও স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়ায় জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে তিনি হাসুয়া দিয়ে ময়ূরীর গলা ও হাতে কোপ মারেন, এতে তার বাঁ হাত বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
পরে স্থানীয় ও পুলিশের সদস্যরা উদ্ধার করে তাকে ২৫০ শয্যা নওগাঁ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসক তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে পাঠান।
এদিকে ঘটনার পর উত্তেজিত এলাকাবাসী সুমনকে ধরে গণপিটুনি দেয়। পিটুনি খেয়ে গুরুতর আহত হয়ে গেলে তাকেও নওগাঁ সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত সাড়ে ১০টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
নওগাঁ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূরে আলম সিদ্দিকী বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায় এবং আহত দুজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়। নিহত সুমনের মাথা ও শরীরে আঘাতের চিহ্ন ছিল। তার মৃত্যু গণপিটুনির কারণেই হয়েছে।
তিনি আরও জানান, সুমনের পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো কেউ পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেনি। লাশ হাসপাতালেই রয়েছে। পরিবারের লোকজন এলে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তা হস্তান্তর করা হবে।
এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ থানায় লিখিত অভিযোগও দেয়নি বলে জানান এ পুলিশ কর্মকর্তা।
৪৯৪ দিন আগে
চট্টগ্রামে মাদকাসক্ত স্বামীর হাতে স্ত্রী খুনের অভিযোগ
জেলার আনোয়ারা উপজেলা ইমা দেবী (৩৫) নামের এক গৃহবধূকে মাদকাসক্ত স্বামী গলা টিপে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় স্বামী সজল চক্রবর্তীকে (৪০) আটক করেছে পুলিশ।
আরও পড়ুন: সিলেটের গোয়াইনঘাটে ভাইয়ের হাতে ভাই খুন
সোমবার (১ জুলাই) উপজেলার বারশত ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাদল চৌধুরীর বাড়িতে এই হত্যার ঘটনা ঘটে।
নিহত নারী ইমা দেবী চট্টগ্রাম নগরীর একটি গার্মেন্টস শ্রমিক।
ইমা দেবীর স্বামী সজল চক্রবর্তী বাঁশখালী গুনাগরী এলাকার শিবু চক্রবর্তীর ছেলে। তিনি পেশায় একজন কাটমিস্ত্রি।
আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল আহমেদ বলেন, সজল চক্রবর্তী মদ্যপ অবস্থায় ঘরে ঢুকে স্ত্রী ইমা দেবীকে গলা টিপে হত্যা করেছেন।
তিনি আরও বলেন, ঘাতক স্বামীকে আটক করা হয়েছে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠিয়েছি।
আরও পড়ুন: নিত্যপণ্যের দাম নাগালে রাখতে সাপ্লাই-চেইন স্থিতিশীল রাখুন: এফবিসিসিআই
নাটোরে স্বামীর বিরুদ্ধে স্ত্রীকে খুনের অভিযোগ
৮২৬ দিন আগে
ময়মনসিংহের ভালুকায় ‘মাদকাসক্ত’ ছেলের বিরুদ্ধে মাকে হত্যার অভিযোগ
ময়মনসিংহের ভালুকায় মায়ের কাছে নেশার টাকা না পাওয়ায় কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে ছেলের বিরুদ্ধে।
বুধবার (২৬ জুলাই) রাতে উপজেলার খারুয়ালী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত রুপিনা বেগম (৫৫) খারুয়ালী গ্রামের মৃত শাহাবুদ্দিন শাহুর স্ত্রী ও অভিযুক্ত ছেলে জনি মিয়া (২২)।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বখাটে ও মাদকাসক্ত জনি নেশার টাকার জন্য প্রায়ই মাকে উত্ত্যক্ত করত। বুধবার রাতে নেশার জন্য মায়ের কাছে টাকা চায়। মা টাকা দিতে অস্বীকার করায় বসত ঘরের বারান্দায় চেয়ারে বসে থাকা অবস্থায় তার মাকে ঘাড়ে ও মাথায় এলোপাতাড়ি কুপিয়ে পালিয়ে যায়। পরে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
আরও পড়ুন: ময়মনসিংহে পুকুরে ডুবে নানা-নাতির মৃত্যু
ভালুকা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন জানান, নিহতের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করেছে।
তিনি আরও জানান, ছেলেকে আটক করতে পুলিশি অভিযান চলছে।
আরও পড়ুন: 'ভরসার নতুন জানালা’ বাস্তবায়নে ইউসিবি ব্যাংকের ময়মনসিংহ শাখার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি
১১৬৬ দিন আগে
বাঁশখালীতে মাদকাসক্ত ব্যক্তির ছুরিকাঘাতে রিকশাচালক খুন
চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে মাদকাসক্ত ব্যক্তির এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাতে এক রিকশাচালকের মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার (১৪ জানুয়ারি) রাত ১০টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
মৃত কোরবান আলী (৩০) পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মনছুরিয়া রঙ্গিয়াঘোনা এলাকার মৃত হাকিম আলীর ছেলে।
আরও পড়ুন: কক্সবাজারে ডাকাতদের হাতে মানসিক ভারসাম্যহীন যুবক খুন
বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামাল উদ্দিন বলেন, ছুরিকাঘাতে আহত কোরবান আলীর রাতে চমেক হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে।
এ ঘটনার মূল আসামি জমির উদ্দিনকে আটক করে শনিবার রাতে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে দুর্বৃত্তের হামলায় ২ যুবক খুন
আরবি পড়তে যাওয়ার পথে খুন হলো ৯ বছরের শিশু
১৩৫৯ দিন আগে
ফেনীতে একজনকে কুপিয়ে হত্যা
ফেনীর পরশুরামে বাজার করে বাড়ি ফেরার পথে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শুক্রবার রাতে উপজেলার বক্সমাহমুদ ইউনিয়নের পরশুরাম-ছাগলনাইয়া সড়কে এ ঘটনা ঘটেছে।
নিহত মো. জসিম উদ্দিন (৫৫) পরশুরামের বক্সমাহমুদ ইউনিয়নের সাতকুচিয়া গ্রামের মফিজুর রহমানের ছেলে।
পুলিশ ও পারিবারিক সুত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাত সাড়ে আটটার দিকে উপজেলার খন্ডল বাজার থেকে নিত্যপণ্যের বাজার করে বাড়িতে ফেরার পথে মো. জসিম উদ্দিন খন্ডল বিক্সসের সামনে পৌঁছালে দুর্বৃত্তরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরতর জখম করে। তার চিৎকারে প্রতিবেশীরা উদ্ধার করে পরশুরাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
পরশুরাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. খালেদ হোসেন জানান, পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ফেনী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। এ ব্যাপারে নিহতের ছেলে একরাম হোসেন সোহেল বাদি হয়ে পরশুরাম থানায় একটি হত্যা মামলা করেছেন। পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে মাদকাসক্ত ছিনতাইকারীরা এ ঘটনা ঘটাতে পারে। আসামিদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।
আরও পড়ুন: ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে কিশোরকে কুপিয়ে হত্যা!
১৬৬৮ দিন আগে