অস্ত্র মামলা
অস্ত্র মামলায় ওসমান হাদি হত্যার প্রধান আসামি ফয়সালের ১০ বছরের কারাদণ্ড
ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল ওরফে দাউদকে অস্ত্র আইনের মামলায় ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মাহমুদুল মোহসীন এ দণ্ডাদেশ দেন।
রায় ঘোষণার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) ওমর ফারুক বলেন, অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক এই রায় দিয়েছেন। আসামি বতমানে ভারতে পলাতক থাকায় তাকে দেশে ফিরিয়ে এনে দণ্ড কার্যকর করতে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নেবে। দ্রুত এই রায় ঘোষণা হওয়ায় শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার বিচারও দ্রুত সম্পন্ন হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
তিনি আরও জানান, আসামি পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।
মামলায় অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৭ নভেম্বর আদাবরের বায়তুল আমান হাউজিং সোসাইটির একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে ফয়সাল করিমকে গ্রেপ্তার করে র্যাব-২। ওই বাসায় তল্লাশি চালিয়ে চার রাউন্ড গুলিসহ বিদেশি পিস্তলও উদ্ধার করে র্যাব। পরদিন আদাবর থানায় ফয়সাল করিমের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে এ মামলাটি করেন র্যাবের হাবিলদার মশিউর রহমান।
মামলার এজাহারে বলা হয়, ফয়সাল করিম এলাকার ‘চিহ্নিত অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ এবং মাদক কেনাবেচার হোতা’। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ‘সংঘবদ্ধভাবে চাঁদাবাজি, খুন-জখম এবং জমি দখলসহ সন্ত্রাসী কার্যক্রমের’ নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন। ‘অপরাধ সংঘটনের জন্য’ অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র নিজের কাছে রেখেছিলেন।
গত বছরের ২৮ মার্চ ফয়সাল করিমের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেন আদাবর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জাহিদ হাসান। মামলার বিচার চলাকালে ১৩ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত। গত বছরের ১৭ নভেম্বর পর্যন্ত ফয়সাল করিম এ মামলায় জামিনে ছিলেন।
তবে, ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর বিজয়নগর পানির ট্যাংকির সামনে ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধি হলে আলোচনায় আসে ফয়সালের নাম।
সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৯ ডিসেম্বর মারা যান হাদি। এরপর চলতি বছরের মার্চে ফয়সালকে পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁ সীমান্ত থেকে গ্রেপ্তারের তথ্য জানায় ভারতের পুলিশ।
১০ দিন আগে
অস্ত্র মামলায় ১৭ বছরের দণ্ড থেকে খালাস পেলেন বাবর
বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে বাসা থেকে অস্ত্র উদ্ধারের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ১৭ বছরের দণ্ড থেকে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরকে খালাস দিয়েছেন হাইকোর্ট।
বুধবার (১৯ মার্চ) বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি নাসরিন আক্তারের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।
আদালতে বাবরের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির। জানা যায়, ২০০৭ সালের ২৮ মে বাবরের গুলশানের বাসার শোয়ার ঘর থেকে অবৈধ অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করার অভিযোগে একই বছরের ৩ জুন রাজধানীর গুলশান থানায় এ মামলা হয়।
আরও পড়ুন: রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় খালাস পেলেন তারেক রহমান
বিচার শেষে একই বছরের ৩০ অক্টোবর ঢাকার মহানগর নয় নম্বর বিশেষ ট্রাইব্যুনাল আদালত বাবরকে ১৭ বছরের কারাদণ্ড দেন। এ রায়ের বিরুদ্ধে তিনি হাইকোর্টে ২০০৭ সালেই আপিল করেন। এ মামলার কার্যক্রম হাইকোর্টের আদেশে স্থগিত ছিল। একই সঙ্গে রুল জারি করেন। এই রুল নিষ্পত্তি করে আজ হাইকোর্ট তার সাজা বাতিল করে রায় দেন।
২০০৭ সালের ২৮ মে আটক হন লুৎফুজ্জামান বাবর। সেই থেকে প্রায় ১৭ বছর কারাবন্দি ছিলেন বিএনপির এই নেতা।
এরপর বিভিন্ন মামলায় তার দণ্ড হয়। সেসব মামলা থেকে খালাস ও জামিনের পর চলতি বছরের ১৬ জানুয়ারি ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্ত হন তিনি।
৩৯৬ দিন আগে
সিরাজগঞ্জে অস্ত্র মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
গোপাল চন্দ্র বেলকুচি উপজেলার দৌলতপুর গ্রামের হরিপদ চন্দ্র সূত্রধরের ছেলে।
মামলার বরাত দিয়ে ওই আদালতের এপিপি হাদীউজ্জামান সেখ বলেন, ‘সদর উপজেলার কাদাই সিলভার ডেলপার্কের সামনে ২০১৮ সালের ১০ অক্টোবর অস্ত্র ক্রয়-বিক্রয় হচ্ছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবি পুলিশ অভিযান চালিয়ে গোপাল চন্দ্র সুত্রধরকে আটক করা হয়। এ সময় তার কাছে থাকা স্কুল ব্যাগ তল্লাশি করে ৮টি দেশীয় ওয়ান শুটার গান ও ১৫ রাউন্ড গুলি জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় ডিবি পুলিশের পক্ষ থেকে ২ জনের নাম উল্লেখ করে সদর থানায় মামলা দায়ের করা হয়। সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে বিচারক গোপাল চন্দ্রকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। আর অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় অপর আসামি রেজাউল করিমকে খালাস প্রদান করেন।
৪২৪ দিন আগে
অস্ত্র মামলায় খালাস পেলেন গিয়াস উদ্দিন মামুন
অস্ত্র মামলায় ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন আল মামুনকে দেওয়া ১০ বছরের কারাদণ্ড থেকে খালাস দিয়েছেন হাইকোর্ট।
সোমবার (২০ জানুয়ারি) হাইকোর্টের বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও নাসরিন আক্তারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।
মামুনের পক্ষে শুনানি করেন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার সাঈদ আহমেদ রাজা ও ব্যারিস্টার শাহ মো. সাব্বির হামজা।
সাব্বির হামজা মামুনের খালাসের বিষয়টি সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন।
২০০৭ সালের ৩০ জানুয়ারি মামুনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর থেকে তিনি কারাগারে। মামুনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, দুর্নীতি, অর্থপাচার, কর ফাঁকিসহ বিভিন্ন অভিযোগে ২০টির বেশি মামলা দায়ের করা হয়।
আরও পড়ুন: তারেক রহমান-মামুনের ৭ বছরের দণ্ডের কার্যকারিতা স্থগিত
মামুনকে গ্রেপ্তারের পর ২০০৭ সালের ২৬ মার্চ তার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা করা হয়। একই বছরের ৩ জুলাই বিচারিক আদালত তাকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেন। রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল আবেদন করা করেন মামুন। ওই আপিলের শুনানি নিয়ে আজ এই রায় ঘোষণা করেন হাইকোর্ট।
গত বছরের ৬ আগস্ট জামিন পেয়ে কারামুক্ত হন তিনি।
৪৫৪ দিন আগে
১০ ট্রাক অস্ত্র মামলায় বাবরসহ ৬ জন খালাস
চাঞ্চল্যকর ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ ছয় আসামিকে খালাস দিয়েছেন হাইকোর্ট।
বুধবার (১৮ ডিসেম্বর) বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি নাসরীন আক্তারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
একই সঙ্গে এ মামলায় ছয় আসামির মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন ইউনাইটেড লিবারেশন ফ্রন্ট অব আসামের (উলফা) প্রধান পরেশ বড়ুয়ার সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা বিভাগের সাবেক মহাপরিচালক আবদুর রহিমকেও মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত।
আরও পড়ুন: সিলেটে চার মামলায় জামিন পেলেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাবর
চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেডের (সিইউএফএল) জেটিতে ১০ ট্রাক অস্ত্র জব্দ করার পর ২০০৪ সালের ১ এপ্রিল মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল।
এ ঘটনায় পরদিন কর্ণফুলী থানায় অস্ত্র আইনে ৫০ জনকে আসামি করে মামলা করা হয়। আর বিশেষ ক্ষমতা আইনের আরেকটি মামলায় ৫২ জন আসামি করা হয়।
২০১৪ সালের ৩০ জানুয়ারি চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ এস এম মজিবুর রহমান বিশেষ ক্ষমতা আইনে ১৪ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেন। অস্ত্র মামলায় দুই ধারায় তাদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও সাত বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
রায়ে জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির মতিউর রহমান নিজামী, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, উলফা প্রধান পরেশ বড়ুয়া, ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক মেজর জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) রেজ্জাকুল হায়দার চৌধুরী ও এনএসআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক আবদুর রহিমসহ ১৪ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। বিশেষ ক্ষমতা আইনে চোরাচালান সংক্রান্ত অভিযোগগুলো আনা হয়েছিল।
এদের মধ্যে ২০১৬ সালে মানবতাবিরোধী অপরাধে মতিউর রহমান নিজামীর ফাঁসি কার্যকর হয়।
আরও পড়ুন ৮ বছরের সাজা থেকে খালাস পেলেন বাবর
৪৮৭ দিন আগে
আরাভ খানের বিরুদ্ধে অস্ত্র মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ
অস্ত্র আইনের মামলায় দুবাইয়ের আলোচিত স্বর্ণ ব্যবসায়ী রবিউল ইসলাম ওরফে আরাভ খানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ মার্চ) ঢাকার ৬ষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মুর্শিদ আহাম্মদের আদালতে সর্বশেষ সাক্ষ্য দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের উপপরিদর্শক শেখ হাসান মুহাম্মদ মোস্তফা সারোয়ার।
অন্যদিকে, আরাভ খান পলাতক থাকায় তার পক্ষে জেরা করা হয়নি।
আরও পড়ুন: আরাভ খান এখনও গ্রেপ্তার হননি: শাহরিয়ার আলম
এরপর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ করে আগামী ১৩ এপ্রিল আসামির আত্মপক্ষ সমর্থন শুনানির দিন ধার্য করেছেন আদালত।
আরাভ খান পলাতক থাকায় আসামির আত্মপক্ষ শুনানির বিষয়ে জানতে চাইলে সংশ্লিষ্ট আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এ কে এম সালাউদ্দিন বলেন, এটা একটা প্রক্রিয়া। শেষ সময়ে এসেও যদি আসামি আত্মসমর্পণ করেন সেজন্য সুযোগ রাখতে হয়।
আমরাও আশা করছি, রবিউলও আত্মসমর্পণ করবেন।
এজন্য ১৩ এপ্রিল আসামির ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারায় আত্মপক্ষ সমর্থন সমর্থনে বক্তব্য দানের জন্য দিন রাখা হয়েছে।
এ মামলায় ২০ জন সাক্ষীর মধ্যে ১০ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেছেন আদালত।
রাষ্ট্রপক্ষের এ আইনজীবীর আশা করছেন, আরাভ খানের সর্বোচ্চ সাজা ১৪ বছরের কারাদণ্ড হবে।
জানা যায়, ২০১৫ সালের ২৮ জানুয়ারি আরাভ খান তার শ্বশুর সেকেন্দার আলীকে ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করতে মগবাজারের বাসায় যান। একটি গুলি ভর্তি রিভলবারসহ শ্বশুরের বাসার সামনে থেকে তিনি গ্রেপ্তার হন।
এ ঘটনায় ওইদিনই আরাভের বিরুদ্ধে রমনা মডেল থানায় অস্ত্র আইনে মামলা করেন গোয়েন্দা পশ্চিমের গাড়ি চুরি প্রতিরোধ ও উদ্ধার টিমের তৎকালীন উপ-পরিদর্শক সুজন কুমার কুণ্ডু।
মামলাটি তদন্ত করে ২০১৫ সালের ১ মার্চ আরাভ খানের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পরিদর্শক শেখ হাসান মুহাম্মদ মোস্তফা সারোয়ার।
একই বছরের ১০ মে আরাভের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত।
এই মামলায় ২০১৮ সালের ১৪ মার্চ জামিন পান তিনি।
এরপর জামিনে গিয়ে পলাতক থাকায় ২০১৮ সালের ২৪ অক্টোবর আরাভের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।
আরও পড়ুন: আরাভ খানসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে বাদীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ
আরাভ খানের বিরুদ্ধে রেড নোটিশ জারি করতে ইন্টারপোলে আবেদন করা হয়েছে: আইজিপি
১১১৮ দিন আগে
নাটোরে অস্ত্র মামলায় একজনের ১০ বছরের কারাদণ্ড
নাটোরের বড়াইগ্রামে অস্ত্র মামলার রায়ে এক ব্যক্তির ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার দুপুরে নাটোরের জেলা ও দায়রা জজ মো. শরীফ উদ্দীন এ রায় দেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি হচ্ছেন আলতাফ হোসেন ভোলন (৩৫)।
জজ কোর্টের পিপি সিরাজুল ইসলাম জানান,গত বছরের ২৫ জুন বড়াইগ্রাম উপজেলার কয়েন বাজার এলাকা থেকে পিস্তলসহ ভোলনকে আটক করেছিল র্যাব। এ ঘটনায় র্যাব বাদী হয়ে মামলা করলে প্রয়োজনীয় সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে বিচারক ওই দণ্ডাদেশ দেন। অভিযুক্ত ভোলন চিহ্নিত সন্ত্রাসী বলেও জানিয়েছিল র্যাব।
আরও পড়ুন: রাজশাহীতে শিশুকে হত্যার অভিযোগ আরেক শিশুর বিরুদ্ধে
ফারদিন হত্যা: রিমান্ড শেষ, বুশরা জেলে
চাঁপাইনবাবগঞ্জে পিটিয়ে হত্যা, আটক ২
১২৪৯ দিন আগে
ঝিনাইদহ: অস্ত্র মামলায় জামায়াত নেতার ১৭ বছরের কারাদণ্ড
অস্ত্র মামলায় ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ও সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মুয়াবিয়া হুসাইনকে ১৭ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার দুপুরে জেলার সিনিয়র স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল জজ আদালতের বিচারক মো. নাজিমুদ্দৌলা এই দণ্ডাদেশ দেন।
মামলার রায় সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি কোটচাঁদপুর উপজেলা পরিষদের সামনে থেকে মুয়াবিয়া হুসাইনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী পৌরসভার সলেমানপুর গ্রাম থেকে একটি পাইপগান ও ছয় রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে কোটচাঁদপুর থানায় অস্ত্র আইনে একটি মামলা করেন। তদন্ত শেষে ২০১৬ সালের ২৫ মে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে আদালত মঙ্গলবার দুপুরে ওই মামলার দুটি ধারায় ১০ ও ৭ বছর করে কারাদণ্ডাদেশ দেন।
রায়ের পর রাষ্টপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইসমাইল হোসেন বাদশা বলেন, মামলায় দুইটি ধারায় সাজা হয়েছে। সাজা যুগপৎ ভাবে চলবে।
পড়ুন: জিয়ার শাসনামলে সামরিক বাহিনীর ৮৮ জনের দণ্ড কেন অবৈধ নয়: হাইকোর্ট
৩৭০০ কোটি টাকা লুটপাট: দায়ীদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ জানতে চান হাইকোর্ট
১২৭৮ দিন আগে
অস্ত্র মামলায় জিকে শামীমসহ ৮ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
অস্ত্র মামলার যুবলীগের কথিত নেতা এস এম গোলাম কিবরিয়া শামীম ওরফে জি কে শামীমসহ আটজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
বাকি সাতজন আসামি হলেন জি কে শামীমের দেহরক্ষী মো. জাহিদুল ইসালাম, মো. শহিদুল ইসলাম, মো. কামাল হোসেন, মো. সামসাদ হোসেন, মো. আমিনুল ইসলাম, মো. দেলোয়ার হোসেন ও মো. মুরাদ হোসেন।
রবিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ শেখ ছামিদুল ইসলাম এ রায় দেন।
এর আগে সকালে তাদের কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়।
আরও পড়ুন: ছাত্রলীগ নেতা হত্যার ঘটনায় ৮ বছর পর পলাতক আসামি গ্রেপ্তার
প্রসঙ্গত, ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান শুরু হলে ২০১৯ সালের ২০ সেপ্টেম্বর রাজধানীর নিকেতনে শামীমের বাড়ি ও অফিসে র্যাব অভিযান চালিয়ে আটটি আগ্নেয়াস্ত্র, বিপুল পরিমাণ গুলি, ১৬৫ কোটি টাকার এফডিআর এবং নগদ প্রায় এক কোটি ৮১ লাখ টাকা, বিপুল পরিমাণ বিদেশি মুদ্রা এবং মদ জব্দ করে।
র্যাব জি কে শামীমের বিরুদ্ধে গুলশান থানায় মাদক, মানি লন্ডারিং এবং অস্ত্র আইনে তিনটি মামলা করে।
অস্ত্র মামলায় র্যাব ২০১৯ সালের ২৭ অক্টোবর আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। ২০২০ সালের ২৮ জানুয়ারি একই আদালত আসামিদের অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে চার্জ গঠন করেন।
আদালত খালাসের আবেদন খারিজ করে আট আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের পর ২৮ ফেব্রুয়ারি এই মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার কার্যক্রম শুরু হয়।
আরও পড়ুন: দুই কিশোরীকে ধর্ষণ: তিনজনের যাবজ্জীবন
পিকে হালদারসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু
১৩০২ দিন আগে
অস্ত্র মামলায় নূর হোসেনের যাবজ্জীবন
নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাত খুন মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি নূর হোসেনকে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার একটি অস্ত্র মামলায় যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক সাবিনা ইয়াসমিনের আদালত এই রায় প্রদান করেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মো. সালাহউদ্দিন সুইট জানান, ২০১৪ সালের ১৫ মে সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইল এলাকায় নূর হোসেনের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে একটি বিদেশি রিভলবার, আট রাউন্ড গুলি ও আটটি সর্টগানের গুলি উদ্ধার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এ ঘটনায় নূর হোসেনকে আসামি করে অস্ত্র আইনে আলাদা অভিযোগে মামলা দায়ের করে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ।
সেই মামলায় পুলিশ তদন্ত শেষে তিন মাস পর অভিযোগপত্র দাখিল করলে আদলত বিচার প্রক্রিয়ায় চারজনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন। পরে তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযোগ প্রমাণ হওয়ায় আসামি নূর হোসেনকে দুটি ধারায় আলাদাভাবে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।
এদিকে, আদলত একই সাথে মাদক ও চাঁদাবাজির অভিযোগে নূর হোসেনের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত আরও দুটি মামলায় চারজনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন। অস্ত্র মামলায় সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপারসহ দুই পুলিশ সদস্যের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। এ ছাড়া মাদক মামলায় সাক্ষ্য প্রদান করেন একজন পুলিশ সদস্য।
এর আগে সকালে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে আসামি নূর হোসেনকে গাজীপুরের কাসিমপুর কারাগার থেকে নারায়ণগঞ্জের আদালতে হাজির করা হয়।
পড়ুন: টাঙ্গাইলে চলন্ত বাসে ডাকাতি-সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: গ্রেপ্তার ১
ঢাবি শিক্ষিকা সামিয়া রহমানের পদাবনতির সিদ্ধান্ত অবৈধ: হাইকোর্ট
১৩৫৪ দিন আগে