পিটিয়ে হত্যা
যুবককে পিটিয়ে হত্যা মামলায় খুবির ৪ শিক্ষার্থী
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় (খুবি) সংলগ্ন ইসলামনগর সড়কের একটি মেসে নর্থ ওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মো. আজমুল হোসেনকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় মামলা করা হয়েছে। এতে খুবির চার শিক্ষার্থীকে এজাহারভুক্ত আসামি করা হয়েছে। পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে আরও ২০ থেকে ২৫ জনকে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত ১০ টায় নিহত আজমুল হোসেনের বাবা কুতুবউদ্দিন বাদী হয়ে হরিণটানা থানায় মামলাটি করেন।
মামলাটি দণ্ডবিধির ৩০২ ও ৩৪ ধারায় করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন হরিণটানা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইকবাল হোসেন।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের খানজাহান আলী হলের (খাজা হল) বিপরীত পাশে ইসলামনগর সড়কের মসজিদ গলির একটি মেসে চুরির অভিযোগ তুলে আজমুলকে মারধর করা হয়। এক পর্যায়ে চার তলার ছাদ থেকে পড়ে যান তিনি। সেখান থেকে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গেল শুক্রবার রাতে আজমুল মেসে মিল না দিয়েও খাবার খেয়ে ফেলেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে এবং পরে চুরির অভিযোগ তুলে মেসের কয়েকজন শিক্ষার্থীসহ স্থানীয় কয়েকজন তাকে মারধর করেন। একপর্যায়ে তাকে ভবনের ছাদে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাকে অমানুষিক নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।
তার মাথার চুলও কেটে দেওয়া হয়েছিল, যার প্রমাণ ঘটনাস্থলেই মিলেছে। পরে ভবনের নিচে পড়ে গুরুতর আহত হন তিনি। এরপর রাত দেড়টার দিকে কয়েকজন যুবক আজমুলকে গুরুতর আহত অবস্থায় খুমেক হাসপাতালে নিয়ে যান।
হাসপাতাল সূত্র জানায়, তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন ছিল। চিকিৎসাধীন অবস্থায় কিছু সময় পর তার মৃত্যু হয়। প্রাথমিকভাবে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের আশঙ্কার কথা জানানো হলেও মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।
নিহত আজমুল হোসেন নর্থ ওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার বাড়ি চুয়াডাঙ্গার দর্শনা থানার বড় শলুয়া গ্রামে। তিনি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়-সংলগ্ন ওই এলাকার মসজিদ গলির মেসে ভাড়া থাকতেন।
এদিকে আজমুলের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, ঘটনার সময় তার পরিবারের কাছে ফোন করে এক লাখ টাকা দাবি করা হয়েছিল। পরে ওই ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। তবে এই অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা হচ্ছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
হরিণটানা থানার ওসি মো. ইকবাল হোসেন বলেন, ‘মামলায় চারজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ২০ থেকে ২৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। নাম উল্লেখ করা সবাই খুবির শিক্ষার্থী। ঘটনাটি তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের চেষ্টা করা হচ্ছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘তাদের মধ্যে আগে থেকেই ঝামেলা ছিল বলে আমরা জানতে পেরেছি। অন্যের পোশাক ব্যবহারসহ অন্যান্য বিষয়ে তারা অসন্তুষ্ট ছিলেন।’
গতকাল (শনিবার) রাত পর্যন্ত এ ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি বলে জানান ওসি।
৮ দিন আগে
খুলনায় চুরির অপবাদে যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ
খুলনায় চুরির অপবাদে আজমল নামে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।
গুরুতর আহত অবস্থায় শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী পরিচয় দেওয়া কয়েকজন ব্যক্তি তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে চিকিৎসা শুরুর অল্প সময়ের মধ্যেই তার মৃত্যু হয়।
হাসপাতালে ভর্তির সময় তার পরিচয় হিসেবে নাম আজমল, বাবার নাম কুতুব এবং ঠিকানা গল্লামারি, হরিণটানা, খুলনা উল্লেখ করা হয়েছে।
হাসপাতালের কর্তব্যরত ওয়ার্ডবয়ের তথ্য অনুযায়ী, আজমলকে হাসপাতালে নেওয়ার সময় সঙ্গে থাকা ব্যক্তিরা জানান, চুরির অভিযোগে তাকে আটক করা হয়েছিল। তাদের ভাষ্য ছিল, চুরি করতে গিয়ে খুলনার একটি ভবনের চারতলা থেকে আটকের ভয়ে লাফ দিয়ে পড়ে গুরুতর আহত হন তিনি।
হাসপাতালে নেওয়ার পর আজমলকে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া শুরু করা হয়। তবে ১০ মিনিটের মধ্যেই কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে পরীক্ষা করে মৃত ঘোষণা করেন। তার মৃত্যুর কথা জানার পর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী পরিচয় দেওয়া ব্যক্তিরা সেখান থেকে পালিয়ে যান।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, আজমলের শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। বিশেষ করে হাত ও পায়ে বিভিন্ন দাগ ছিল। এছাড়া তার মাথার চুল কেটে দেওয়া হয়েছিল। এসব আলামতকে ঘিরে তাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়েছিল কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ধারণা করা হচ্ছে, তাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
খুলনার হরিণটানা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল হোসেন জানান, এ ঘটনার তদন্ত চলছে। তবে এখনও এ বিষয়ে কোনো মামলা হয়নি।
৯ দিন আগে
কুমিল্লায় ট্রাকচালককে পিটিয়ে হত্যা, আটক ৩
কুমিল্লার লালমাইয়ে আবদুর রশিদ (৩৫) নামে এক ট্রাকচালককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তিন যুবককে আটক করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাতে উপজেলার হরিশ্চর রেলগেট এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের পাশ থেকে স্থানীয়দের সহায়তায় আবদুর রশিদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত আবদুর রশিদ উপজেলার পেরুল উত্তর ইউনিয়নের নিশ্চিন্তপুর গ্রামের আবুল কালামের ছেলে।
আটকরা হলেন: পেরুল উত্তর ইউনিয়নের নিশ্চিন্তপুর গ্রামের মহিন উদ্দিন (৩৪), উৎসবপদুয়া গ্রামের মো. রাকিব (২৫) এবং মেঘনা উপজেলার সাতানি শিবনগর গ্রামের আল আমিন (৩৬)।
এ বিষয়ে লালমাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ (কুমেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহতের মাথার ও শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তিনজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।
১০ দিন আগে
সাভারে গাড়ি পার্কিং নিয়ে বিরোধ, এসবি কর্মকর্তাকে পিটিয়ে হত্যা
সাভারের আমিনবাজারে ছেলের পোশাক কারখানার সামনে ব্যক্তিগত গাড়ি পার্কিং নিয়ে বিরোধের জেরে একদল হামলাকারীর মারধরে পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) এক উপপরিদর্শক (এসআই) নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ইতোমধ্যে একজনকে আটক করেছে পুলিশ।
নিহত এসআই আলতাফ হোসেন (৫৮) ঢাকা সিটি এসবির মার্কেটিং ইন্টেলিজেন্সে কর্মরত ছিলেন। তিনি সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর থানার রূপনাই গাছপাড়া গ্রামের মৃত জুরান আলী শেখের ছেলে।
শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে আমিনবাজারের বড়দেশী মদিনা হাউজিং এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আলতাফ তার পরিবারের সঙ্গে ওই এলাকায় বসবাস করতেন।
এসবি থেকে পাঠানো এক বার্তায় বলা হয়েছে, ওই এলাকায় একটি ব্যক্তিগত গাড়ি পার্কিং নিয়ে আলতাফ ও তার ছোট ছেলে আরিফুল ইসলামের (২৬) সঙ্গে বড় ছেলে শরীফের (৩৩) মালিকানাধীন পোশাক কারখানার সামনে প্রায় ২০ থেকে ২৫ জনের একটি দলের বিরোধ হয়। একপর্যায়ে তারা আলতাফ ও আরিফুলের ওপর হামলা চালালে তারা আহত হন।
পুলিশ আরও জানায়, মদিনা হাউজিং এলাকায় মো. আলামিনের বাড়িতে ভাড়া থাকতেন আলতাফ। ওই এলাকায় তার পাঁচ শতাংশ জমিও ছিল, যেখানে ছোট পোশাক কারখানাটি স্থাপন করা হয়েছিল।
স্থানীয় বাসিন্দা আবুল কালাম আজাদ বলেন, পোশাক কারখানার সামনে একটি গাড়ি পার্ক করা নিয়ে এ ঘটনা ঘটে।
আহতদের শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা রাত ৯টা ১৮ মিনিটের দিকে আলতাফকে মৃত ঘোষণা করেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। অন্যদিকে আরিফুল হাসপাতালে ভর্তি আছেন।
সাভার মডেল থানার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জাহাঙ্গীর আলম জানান, এ ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে জহুরুল ইসলাম (৩০) নামের একজনকে ভোর সাড়ে ৪টার দিকে পুলিশ আটক করেছে। তিনি মুসলেম উদ্দিনের ছেলে।
২২ দিন আগে
রাজধানীতে পাওনা টাকা চাওয়ায় অটোরিকশাচালককে ইট দিয়ে পিটিয়ে হত্যা
রাজধানীর ডেমরায় মাত্র ১৫০ টাকা পাওনা চাওয়াকে কেন্দ্র করে মো. দেলোয়ার হোসেন (৪৫) নামে এক অটোরিকশাচালককে মাথায় ইট দিয়ে আঘাত করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় রনি নামে এক ব্যক্তিকে স্থানীয়রা আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে ডেমরার কামারভোগ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দেলোয়ারের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজের (ঢামেক) মর্গে পাঠায়।
নিহত দেলোয়ার ওই এলাকার মৃত রাজ্জাক মিয়ার ছেলে। অভিযুক্ত রনি একই এলাকার বাসিন্দা। পূর্বপরিচিত হওয়ায় তাদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
ঘটনার পর স্থানীয়রা রনিকে আটক করে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেন। বর্তমানে তিনি পুলিশ হেফাজতে ঢামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ডেমরা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শীতল কুমার বলেন, দেলোয়ার ও রনি পরস্পরের পূর্বপরিচিত। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, দেলোয়ার রনির কাছে ১৫০ টাকা পেতেন। ওই টাকা ফেরত চাওয়াকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও একপর্যায়ে ঝগড়া হয়। পরে রনি ইট দিয়ে দেলোয়ারের মাথায় আঘাত করেন।
তিনি আরও জানান, রাত ২টা থেকে ভোর ৫টার মধ্যে যেকোনো সময় ঘটনাটি ঘটতে পারে। মাথায় গুরুতর আঘাতের কারণে ঘটনাস্থলেই দেলোয়ারের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, রনি মাদকাসক্ত এবং তিনি মাদক বিক্রির সঙ্গে জড়িত বলে প্রাথমিকভাবে তথ্য পাওয়া গেছে। তবে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত এবং ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।
পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করেই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে কি না, নাকি এর পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। একইসঙ্গে ঘটনার সময় সেখানে আর কেউ উপস্থিত ছিলেন কি না এবং হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ইটটি কোথায় রয়েছে, সেসব বিষয়েও তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পুলিশের এই কর্মকর্তা।
২৪ দিন আগে
রাজবাড়ীতে চুরির অভিযোগে যুবককে পিটিয়ে হত্যা
রাজবাড়ীর পাংশায় মোটর চুরির অভিযোগে জজ আলী বিশ্বাস (৩৫) নামে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।
বুধবার (১৯ আগস্ট) ভোরে পাংশা উপজেলার কসবামাঝাইল ইউনিয়নের পাঁচবাড়িয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত জজ আলী বিশ্বাস পাংশা উপজেলার পাট্টা ইউনিয়নের মাঝাইল গ্রামের শুকুর আলী বিশ্বাসের ছেলে। তিনি কৃষিকাজ করতেন এবং তিন সন্তানের জনক ছিলেন বলে তার পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, আজ (বুধবার) ভোরে উপজেলার পাঁচবাড়িয়া গ্রামের করিম মণ্ডলের মিলে মোটর চুরি করতে গেলে স্থানীয়রা জজ আলীকে আটক করে মারধর করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে পাংশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। তবে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত জজ আলী চুরির সঙ্গে জড়িত ছিলেন না দাবি করে তার ভাতিজা মিজান বিশ্বাস বলেন, পাট্টা ও কসবা-মাঝাইল গ্রামের দুটি পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ ও মারামারি চলে আসছে। প্রায় দেড় মাস আগে তাদের পক্ষের জামিন বিশ্বাস নামে একজনকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। ওই হত্যা মামলায় অভিযুক্তরা গেল মঙ্গলবার আদালত থেকে জামিন নিয়ে এলাকায় ফেরেন।
মিজান বিশ্বাস বলেন, ‘আরিফ নামে একজন আমার চাচার পরিচিত ছিলেন। সেই পরিচয়ের সূত্র ধরে কৌশলে তাকে ডেকে নিয়ে চুরির অপবাদ দিয়ে মারধর করা হয়েছে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ফেলে রাখা হয়। আমার চাচা কৃষিকাজ করতেন। তার তিনটি সন্তান রয়েছে। এখন তাদের কী হবে?’
পাংশা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মঈনুল ইসলাম বলেন, ‘ভোর ৫টার দিকে আমি ঘটনাটি ফোনে জানার পর বলেছিলাম, আপনারা তাকে মারধর করবেন না, আমরা আসছি। কিন্তু পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই তাকে মারধর করে গুরুতর আহত করা হয়। পরে আমরা তাকে দ্রুত পাংশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।’
ওসি আরও বলেন, ‘নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হবে। এজন্য আমরা সুরতহাল তৈরি করে লাশ মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছি। ঘটনার প্রকৃত কারণ ও কারা এ ঘটনায় জড়িত, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এলাকায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।’
৪০ দিন আগে
কুমিল্লায় ঘরে ঢুকে গৃহকর্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ
কুমিল্লার চান্দিনায় ঘরে ঢুকে বীনা রানী রায় (৫৮) নামে এক গৃহকর্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।
সোমবার (১৭ আগস্ট) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার বরকইট ইউনিয়নের বরকইট দক্ষিণপাড়া শীল বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত বীনা রানী রায় ওই গ্রামের দিলীপ কুমার রায়ের স্ত্রী।
নিহতের ছেলে তাপস রায় জানান, আমরা সবাই বিভিন্ন জায়গায় চাকরি করি, বাড়িতে মা ও বাবা থাকেন। আমার মা প্রতিদিনের ন্যায় সন্ধ্যায় পূজা-অর্চনা শেষে ঘরে টিভি দেখছিলেন; বাবা দোকানে চা পান করতে গিয়েছিলেন। এমন সময় দুষ্কৃতকারীরা ঘরে ঢুকে আমার মায়ের মাথায় এলোপাতাড়ি পেটাতে থাকে। এ সময় আমাদের পাশের ঘরের এক জেঠা আমার মায়ের চিৎকার শুনে বাড়ির লোকজনকে সঙ্গে নিয়ে আসার আগেই হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। আমার মাকে গুরুতর আহতাবস্থায় উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ (কুমেক) হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
তবে কী কারণে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছেন এ বিষয়ে তিনি কিছুই বলতে পারেননি।
এ ব্যাপারে বরকইট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নূরে আলম জানান, স্থানীয়ভাবে যেটুকু জেনেছি, তাতে ধারণা করছি যে পূর্বশত্রুতার জের ধরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে। পার্শ্ববর্তী বাসিন্দাদের সঙ্গে তাদের দীর্ঘদিনের জমি-সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে।
চান্দিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুরুজ্জামান জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তবে কী কারণে বা কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে তা এখনও নিশ্চিত হতে পাারিনি। আমাদের একাধিক টিম রহস্য উদঘাটনসহ দুষ্কৃতকারীদের চিহ্নিত করতে কাজ করছে।
৪১ দিন আগে
চট্টগ্রামে সিকিউরিটি গার্ডকে পিটিয়ে হত্যা মামলায় ৭ আসামি গ্রেপ্তার
চট্টগ্রাম মহানগরীর ডবলমুরিংয়ে গ্যারেজে ঢুকে এক নিরাপত্তাকর্মীকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় মামলা করার মাত্র চার ঘণ্টার মধ্যে এজাহারনামীয় ৭ আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মুহাম্মদ ফয়সাল আহম্মেদ।
গ্রেপ্তাররা হলেন— শেখ আহমেদ রুবেল (৩৫), মো. সাইফুল ইসলাম (২৭), মনিরুজ্জামান মামুন (২৮), মো. জামাল উদ্দিন মিজান (৪৫), মো. গোলাম রব্বানী (৫৫), মো. আবুল বাশার (৩৯) ও পেয়ার আহাম্মদ (৫৫)।
নিহত নিরাপত্তাকর্মীর নাম আবু সিদ্দিক। গত ১৫ জুলাই রাত ১০টার দিকে ডবলমুরিং এলাকায় এ হত্যাকাণ্ড ঘটে।
ফয়সাল আহম্মেদ জানান, হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামিসহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজন ব্যক্তি সংঘবদ্ধভাবে গ্যারেজে প্রবেশ করে নিরাপত্তাকর্মী আবু সিদ্দিকের ওপর হামলা চালায়। এ সময় তারা তাকে কিল-ঘুষি ও এলোপাতাড়ি মারধর করেন।
একপর্যায়ে হামলাকারীদের একজন গ্যারেজে থাকা রিকশার চাকার লোহার রিং দিয়ে সিদ্দিকের শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত করেন। হামলার একপর্যায়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
পরে মরদেহ গুমের উদ্দেশ্যে গ্যারেজের ভেতরে থাকা একটি মিনি পিকআপে মরদেহ রেখে আসামিরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় বলে মামলার বাদী মো. আসলাম (৩৪) এজাহারে উল্লেখ করেন।
এ ঘটনায় আজ সকালে ডবলমুরিং মডেল থানায় মামলা করা হয়।
মামলা করার পর ডবলমুরিং মডেল থানা পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে মাত্র চার ঘণ্টার মধ্যে এজাহারভুক্ত সাত আসামিকে গ্রেপ্তার করে।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার আসামিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে বলে জানায় পুলিশ।
চট্টগ্রাম মহানগরীর ডবলমুরিংয়ে গ্যারেজে ঢুকে এক নিরাপত্তাকর্মীকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় মামলা করার মাত্র চার ঘণ্টার মধ্যে এজাহারনামীয় ৭ আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মুহাম্মদ ফয়সাল আহম্মেদ।
গ্রেপ্তাররা হলেন— শেখ আহমেদ রুবেল (৩৫), মো. সাইফুল ইসলাম (২৭), মনিরুজ্জামান মামুন (২৮), মো. জামাল উদ্দিন মিজান (৪৫), মো. গোলাম রব্বানী (৫৫), মো. আবুল বাশার (৩৯) ও পেয়ার আহাম্মদ (৫৫)।
নিহত নিরাপত্তাকর্মীর নাম আবু সিদ্দিক। গত ১৫ জুলাই রাত ১০টার দিকে ডবলমুরিং এলাকায় এ হত্যাকাণ্ড ঘটে।
ফয়সাল আহম্মেদ জানান, হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামিসহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজন ব্যক্তি সংঘবদ্ধভাবে গ্যারেজে প্রবেশ করে নিরাপত্তাকর্মী আবু সিদ্দিকের ওপর হামলা চালায়। এ সময় তারা তাকে কিল-ঘুষি ও এলোপাতাড়ি মারধর করেন।
একপর্যায়ে হামলাকারীদের একজন গ্যারেজে থাকা রিকশার চাকার লোহার রিং দিয়ে সিদ্দিকের শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত করেন। হামলার একপর্যায়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
পরে মরদেহ গুমের উদ্দেশ্যে গ্যারেজের ভেতরে থাকা একটি মিনি পিকআপে মরদেহ রেখে আসামিরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় বলে মামলার বাদী মো. আসলাম (৩৪) এজাহারে উল্লেখ করেন।
এ ঘটনায় আজ সকালে ডবলমুরিং মডেল থানায় মামলা করা হয়।
মামলা করার পর ডবলমুরিং মডেল থানা পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে মাত্র চার ঘণ্টার মধ্যে এজাহারভুক্ত সাত আসামিকে গ্রেপ্তার করে।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার আসামিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে বলে জানায় পুলিশ।
৭৩ দিন আগে
নারায়ণগঞ্জে ‘ছিনতাইকারী’ আখ্যা দিয়ে যুবককে পিটিয়ে হত্যা
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ‘ছিনতাইকারী’ আখ্যা দিয়ে ২২ বছর বয়সী এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।
শনিবার (৪ জুলাই) রাত ১০টার দিকে পশ্চিম মাসদাইর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত জিসান ওই এলাকার ইউনুছ ওরফে ইনু মিয়ার ছেলে ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ‘আল ফালাহ’ নামে স্থানীয় একটা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সংগঠক ও স্থানীয় মসজিদের ইমাম কাওছার আহমেদের নেতৃত্বে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি জিসানকে মারধর করে।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, মোবাইল ফোন ছিনতাইয়ের অভিযোগ তুলে একদল স্থানীয় লোক তাকে বাসা থেকে তুলে নিয়ে যায়। এরপর তার হাত-পা বেঁধে মারধর করা হয়। একপর্যায়ে অচেতন হয়ে পড়লে তাকে পরিবারের কাছে রেখে যাওয়া হয়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে খানপুর ৩০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর নিহতের পরিবারের সদস্য ও বন্ধুরা লাঠিসোঁটা হাতে এলাকায় ভাঙচুর চালায় বলেও জানান স্থানীয়রা।
অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে কাওছার আহমেদ বলেন, ‘জিসানের বিরুদ্ধে মাদক সেবন, মাদক বিক্রি ও ছিনতাইয়ের অভিযোগ ছিল। গতকাল (শনিবার) নতুন করে ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠলে বিক্ষুব্ধ জনতা তাকে মারধর করে।’
এদিকে, ঘটনার পর একটি ভিডিওতে কাওছার আহমেদকে বলতে শোনা যায়, ‘যার কাছে যা আছে তা নিয়ে নেমে যেতে হবে। ঐক্য থাকলে বাংলাদেশের প্রশাসন কি, কোনো কুত্তায়ও আমাদের কিছু করতে পারবে না। পাবলিক যদি কোনো কুত্তারে মেরে ফেলে, তাহলে কি অন্যায় হবে? ইনশাল্লাহ কোনো মামলা-হামলা কিচ্ছু হবে না। এভাবে সবাই এক থাকবেন।’
ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব আলম জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল পাঠানো হয়েছে। নিহতের শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে এবং ঘটনা তদন্তাধীন।
তিনি বলেন, ‘কেউ অপরাধ করলে অন্য কেউ আইন নিজের হাতে তুলে নিতে পারে না। জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
৮৫ দিন আগে
নারায়ণগঞ্জে অটোচালকে পিটিয়ে হত্যার প্রতিবাদে মহাসড়ক অবরোধ
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে চাঁদা না দেওয়ায় মারধরের শিকার এক অটোচালক তিন দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর মারা গেছেন। এ ঘটনায় বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ও স্বজনরা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন।
বুধবার (২০ মে) সকালে সোনারগাঁ উপজেলার দড়িকান্দি বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বিচারের আশ্বাস দিলে অবরোধ তুলে নেওয়া হয়। এরপর যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
নিহত মো. মমিন, সোনারগাঁ উপজেলার নাজিরপুর এলাকার বাসিন্দা আব্দুল হাকিমের ছেলে।
নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, গত রবিবার বিকেলে দড়িকান্দি বাসস্ট্যান্ডে লাইনম্যান শাহিন অটোচালক মমিনের কাছ থেকে ১০ টাকা চাঁদা নেন। এর কিছুক্ষণ পর আবারও টাকা দাবি করেন শাহি । এ নিয়ে তর্কাতর্কির একপর্যায়ে শাহিন তার হাতে থাকা লাঠি দিয়ে মমিনের মাথায় এলোপাতাড়ি আঘাত করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন মমিন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে দুই দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর আজ (বুধবার) সকালে তার মৃত্যু হয়। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত শাহিন পলাতক রয়েছে।
এদিকে অটোচালকের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে সকালে স্থানীয় এলাকাবাসী ও স্বজনরা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। এ সময় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানান তারা। খবর পেয়ে সোনারগাঁ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম সারোয়ার বলেন, এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। জড়িত আসামিকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।
১৩১ দিন আগে