পিটিয়ে হত্যা
সুপারী চুরির অপবাদ দিয়ে শিশু হত্যা
ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে সুপারী চুরির অপবাদ দিয়ে এক শিশুকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। নিহতের নাম ইমন মিয়া (৯)।
ঘটনাটি ঘটে শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বিকালে উপজেলার স্বদেশী ইউনিয়নের বাউশা গ্রামে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, প্রায় এক মাস আগে ইমন প্রতিবেশী আতাহার আলীর গাছ থেকে সুপারী চুরি করে। এতদিন কিছু না বললেও শুক্রবার ইমনকে প্রতিবেশী আতাহার আলী তার ঘরে ডেকে নেয়। সেখানে ঘরের দরজা লাগিয়ে বেধড়ক পিটিয়ে আহত করে। খবর পেয়ে ইমনের পরিবার তাকে উদ্ধার করে হালুয়াঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন। বর্তমান পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে।
হালুয়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ ফেরদৌস আলম বলেন, প্রাথমিক তদন্তে সুপারী চুরির ঘটনায় এ হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করেছে। এই হত্যাকান্ডের সাথে নির্বাচনি সহিসংতার কোনো সম্পর্ক নেই। তারপরও বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে।
২ দিন আগে
মুরাদনগরে ট্রিপল মার্ডার: অবশেষে মামলা হয়েছে, গ্রেপ্তার ২
কুমিল্লার মুরাদনগরে একই পরিবারের তিনজনকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় অবশেষে মামলা হয়েছে। মামলায় স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান শিমুল বিল্লালসহ ৩৮ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
শুক্রবার (৪ জুলাই) রাতে নিহত রুবি বেগমের মেয়ে রিক্তা আক্তার মামলাটি করেন।
এদিকে, হত্যাকাণ্ডের পর সেনাবাহিনী অভিযান চালিয়ে আকবপুর এলাকা থেকে দুজনকে গ্রেপ্তার করে। তারা হলেন— সবির আহমেদ ও নাজিমউদ্দীন বাবুল।
এর আগে, বৃহস্পতিবার সকালে কড়ইবাড়ি গ্রামে মোবাইল চুরির সন্দেহে খলিলুর রহমানের স্ত্রী, ছেলে ও মেয়েকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়।
স্থানীয়দের দাবি, নিহত পরিবারটি দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসাসহ নানা অপকর্মের সঙ্গে জড়িত ছিল। তবে তদন্ত শেষ না হওয়া কিছু বলতে নারাজ পুলিশ।
আরও পড়ুন: মানিকগঞ্জের সাবেক এমপি নাঈমুর রহমান দুর্জয় গ্রেপ্তার
আটক দুজনকে সেনা জিজ্ঞাসাবাদ শেষে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে বাঙ্গরা বাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহফুজুর রহমান বলেছেন, আটক দুজনকে আজই কুমিল্লা আদালতে তোলা হবে।
এদিকে, শুক্রবার রাতে পুলিশের তত্ত্বাবধায়নে কয়েকজন মাদরাসা শিক্ষার্থীকে দিয়ে নিহতদের জানাজা ও দাফন সম্পন্ন করা হয়।
২২৬ দিন আগে
গাজীপুরে চোর অপবাদ দিয়ে শ্রমিককে পিটিয়ে হত্যা, কারখানা বন্ধ ঘোষণা
গাজীপুরের কাশিমপুর রোডে একটি পোশাক কারখানায় ইলেকট্রিক মেকানিককে চোর অপবাদ দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নিহতের ভাই লিটন বাদী হয়ে কোনাবাড়ী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করলে পুলিশ একজনকে গ্রেপ্তার করেছে। সোমবার (৩০ জুন) কোনাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালাহ উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার (২৭ জুন) রাত আনুমানিক ৮টা থেকে শনিবার (২৮ জুন) বিকাল সাড়ে ৪টার মধ্যে এই ঘটনা ঘটলেও কারখানা কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গোপন রাখার চেষ্টা করায় ঘটনাটি দেরিতে প্রকাশ পেয়েছে। এরপর থেকে কারখানাটি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধের ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ।
জানা যায়, নিহত ইলেকট্রিক মেকানিক হৃদয় হোসেন (১৯) টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল থানার শুকতারবাইদ এলাকার বাসিন্দা আবুল কালামের ছেলে। তিনি মা ও বোনের সাথে কোনাবাড়ীর হারিনাবাড়ী এসরারনগর হাউজিং এলাকায় মিরাজের বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। পাশাপাশি স্থানীয় গ্রিনল্যান্ড লিমিটেড গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিতে ডাইং সেকশনের ইলেকট্রিক মেকানিক হিসেবে অস্থায়ীভাবে কর্মরত ছিলেন।
পুলিশ জানায়, ঘটনায় জড়িত সন্দেহে গ্রেপ্তার হাসান মাহমুদ মিঠুন টাঙ্গাইল জেলার ধনবাড়ী থানার হাদিরা বাজার এলাকার মফিজ উদ্দিনের ছেলে। তিনি গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ী থানাধীন কুদ্দুসনগর এলাকায় আয়নালের বাড়ির ভাড়াটিয়া।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার (২৮ জুন) সকালে চুরির মিথ্যা অপবাদ দিয়ে হৃদয়ের হাত-পা বেঁধে একটি কক্ষে নিয়ে যায়। পরে সেখানে তাকে নির্মমভাবে নির্যাতন ও পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। দুপুরের দিকে হৃদয় মারা যায়। ঘটনার খবর আশপাশের অন্যান্য পোশাক কারখানার কর্মীদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
আরও পড়ুন: ঢাকা ও ময়মনসিংহে চালু হচ্ছে সব ধরনের অনলাইন জিডি
পরে, প্রায় ৪০০-৫০০ শ্রমিক রাস্তায় নেমে এসে গ্রীনল্যান্ড গার্মেন্টসের সামনে গিয়ে কারখানায় ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে হৃদয় হত্যার বিচার দাবি করেন। এ সময়ে তারা কয়েক ঘণ্টা সড়ক অবরোধ করে রাখেন। পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। স্থানীয় সূত্র আরও জানায়, হত্যাকাণ্ডের পর কর্তৃপক্ষ গার্মেন্টসের মূল ফটকে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধের নোটিশ সাঁটিয়ে পালিয়ে যায়।
সিসিটিভির ফুটেজে দেখা যায়, গত শুক্রবার দিবাগত রাত দুইটার দিকে (২৮ জুন শনিবার) কতিপয় লোক হৃদয়কে দড়ি দিয়ে হাত-পিঠ বেঁধে কারখানার ভিতরে একটি কক্ষে নিয়ে যাচ্ছে। পরে ওই কক্ষে তার ওপর অমানুষিক ও নির্মম নির্যাতন করা হয়। শনিবার সকাল ১০টা ১৪ মিনিটে কারখানা ভেতরে একটি এম্বুলেন্স প্রবেশ করতে দেখা যায়। মৃত অবস্থায় হৃদয়কে নিয়ে ১০টা ২১ মিনিটে এম্বুলেন্সটি কারখানা ত্যাগ করে।
হৃদয় মারা যাওয়ার পর তার শরীরের একাধিক ছবি ও ভিডিও পাওয়া গেছে। তাতে তার হাঁটুতে, কোমরে, পিঠে, হাতের কব্জিতে, কনুইতে, হাতের নখে, গলায়, মুখমন্ডলে রক্তাক্ত ও কালচে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। এসব থেকে তার ওপর নির্যাতনের মাত্রা অনুমান করা যায়।
ধারণা করা হচ্ছে, কারখানার ভিতরে নির্যাতনের তার মৃত্যু হওয়ার পর বিষয়টিকে ধামাচাপা দেওয়ার জন্য কারখানা কর্তৃপক্ষ তাকে আহত দেখিয়ে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। তাকে মৃত অবস্থায় আনা হয়েছে বলে হাসপাতালের রেজিস্ট্রারে উল্লেখ করা হয়। পরে পুলিশ মরদেহের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে স্থানান্তর করে।
নিহতের ভাই ও মামলার বাদি লিটনের মামলার এজাহারে বলা হয়, গত ২৮ জুন বিকাল সাড়ে ৪টার সময় বাদীর মা মোবাইলে ফোন করে বাদীকে জানায় যে, গত ২৭ জুন রাত্র আনুমানিক ৮টার দিকে হৃদয় খাওয়া-দাওয়া শেষে বাসা থেকে বের হয়ে ডিউটির উদ্দেশ্যে যায়। এরপর থেকে সে এখন পর্যন্ত বাসায় ফিরে আসেনি।
এই সংবাদ পেয়ে বাদী তাৎক্ষণিক মায়ের বাসায় এসে মাকে নিয়ে হৃদয়ের অফিসে যায়। সেখানে গিয়ে লোকজনের কাছ থেকে জানতে পারেন যে হৃদয়ের হত্যার ঘটনায় গ্রিণল্যান্ড লিমিটেড ফ্যাক্টরীর শ্রমিকরা টাঙ্গাইল-গাজীপুরগামী মহাসড়কের রাস্তা অবরোধ করে আন্দোলন করছেন।
তখন পরিবারের লোকজন হৃদয়ের লাশের সন্ধান করলে কারখানার লোকজন জানায় যে, হৃদয়ের লাশ শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আছে। পরে পরিবারের লোকজন হাসপতালে উপস্থিত হয়ে হৃদয়ের লাশ শনাক্ত করে।
মামলার এজাহারে আরো বলা হয়, ওই সংবাদ পেয়ে কোনাবাড়ী থানা পুলিশ ও হৃদয়ের পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে হাসপাতালে লাশের সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়।
আরও পড়ুন: নিম্ন আদালতের বিচারকদের শৃঙ্খলাবিধির আগের আদেশ স্থগিত
এ বিষয়ে কোনাবাড়ী থানার ওসি সালাহ উদ্দিন বলেন, আমাদের কাছে খবর আসে একজন চোর কারখানার দেয়াল টপকে ভিতরে আসার সময় ড্রেনে পরে আহত হলে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পরে হাসপাতাল কতৃপক্ষ জানায়, ওই ব্যক্তিকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে।
ওসি বলেন, স্থানীয়দের কাছ থেকে প্রকৃত ঘটনা শোনার পর কারখানায় অভিযান চালিয়ে সিসিটিভি ফুটেজ ও হত্যায় ব্যবহৃত অন্যান্য আলামত সংগ্রহ করা হয়। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে আমরা হত্যাকান্ডের বিষয়ে নিশ্চিত হয়েছি।
তিনি জানান, গ্রেপ্তার আসামিকে গাজীপুর আদালতে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি মামলার অজ্ঞাত আসামিদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
২৩১ দিন আগে
ঝিনাইদহে কৃষককে পিটিয়ে হত্যা
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে নায়েব আলী (৬২) নামে এক কৃষককে পিটিয়ে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে। নিহত নায়েব আলী উপজেলার মালিয়াট গ্রামের বাসিন্দা।
বুধবার (২৮ মে) সকাল ১০টার দিকে নায়েব আলী বাড়ির পাশে বসে ছিলেন। এ সময় প্রতিপক্ষের ইউনুছ আলী ও তার ছেলে আল-আমিন এসে তার ওপর হামলা চালায়।
তারা বাশের লাঠি দিয়ে তাকে উপর্যপুরি পিটিয়ে জখম করে ফেলে রেখে যায়। পরে প্রতিবেশিরা তাকে উদ্ধার করে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।
স্থানীয়রা জানান, নায়েব আলীর বোনের জমি কিনেছে প্রতিবেশি ইউনুছ আলী। ওই জমি দখলকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে দুই পরিবারের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। আজ সকালে এ বিরোধের জেরে নায়েব আলীকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়।
কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডাক্তার খালিদ হাসান বলেন, “নায়েব আলী আগেই মারা গেছেন। ধারণা করা হচ্ছে লাঠির আঘাত ও অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে তিনি মারা গেছেন।”
কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম হাওলাদার জানান, “ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। লাশ হাসপাতাল থেকে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হবে।”
তিনি আরও জানান, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের কারণে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। আসামিদের আটক করার চেষ্টা চলছে।
২৬৪ দিন আগে
গাছের ডাল কাটায় বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে
নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলায় আম গাছের ডাল কাটাকে কেন্দ্র করে আবুল কাশেম (৬৫) নামে এক বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে।
বুধবার (৭ মে) পৌনে ৬টার দিকে উপজলোর কশোরপাড় ইউনয়িনের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কেশারপাড় দক্ষিণ পাড়া ক্লাবঘর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত আবুল কাশেম (৬৫) ওই এলাকার প্রয়াত আবুল হাশেমের ছেলে।
আরও পড়ুন: সংকট মেটাতে শিল্পে বাড়তি ২৫ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহের সিদ্ধান্ত: উপদেষ্টা
নিহতের পরিবার জানায়, স্ত্রীকে নিয়ে বাড়িতে থাকেন আবুল কাশেম। মঙ্গলবার বিকালে প্রতিবেশী হানিফ কাশেমকে তার বাড়ির আম গাছের ডাল সীমানার বাইরে চলে গেছে বলে গালি দেন। এ নিয়ে তাদের দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। আজ বুধবার সকাল ৬টার দিকে ফজরের নামাজ শেষে হাঁটতে বের হন কাশেম। এ সময় হানিফ, তার ভাই মিঠু, হিরণ ও টিটু কাশেমকে বেধড়ক পিটিয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় সড়কে ফেলে যান। সেখানে তার কান দিয়ে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়।
স্থানীয়রা উদ্ধার করে সেনবাগ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, ‘বৃদ্ধাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ পেয়েছি। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহতের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
২৮৫ দিন আগে
কক্সবাজারে যুবককে পিটিয়ে হত্যা: এনসিপি নেতাসহ ৩ জন কারাগারে
কক্সবাজার সদরে যুবককে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে এনসিপির স্থানীয় এক নেতাসহ গ্রেপ্তার তিনজনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। তবে ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় এখনো মামলা দায়ের করা হয়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (৬ মে) দুপুরে জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আখতার জাবেদের আদালত এ আদেশ দেন বলে জানান কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন।
কারাগারে পাঠানো আসামিরা হলেন, কক্সবাজার শহরের বাহারছড়া এলাকায় বসবাসকারী জাহাঙ্গীর কাশেমের ছেলে রাইয়ান কাশেম, তার বাবার মালিকাধীন আল্লাওয়ালা হ্যাচারির নৈশ প্রহরী মোহাম্মদ হোসাইন ও মোহাম্মদ মিজান।
রাইয়ান কাশেম বৈষম্যবিরোধী ছাত্রআন্দোলনের কক্সবাজারের সমন্বয়ক এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির ( এনসিপি ) স্থানীয় নেতা। তার বাবা জাহাঙ্গীর কাশেম আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিন বলেন, রবিবার মধ্যরাত কক্সবাজার সদরের খুরুশকুল পুরাতন ব্রিজ সংলগ্ন আল্লাওয়ালা হ্যাচারিতে যুবককে পিটিয়ে খুনের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে রাতেই জড়িত সন্দেহে ৪ জনকে আটক করা হয়। এদের মধ্যে রাইয়ান কাশেম নামের একজনকে উত্তেজিত জনতার মারধরে আহত হলে পুলিশ হেফাজতে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। পরে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক না হওয়ায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ছাড়পত্র দেন। সোমবার রাতে পুলিশ তাকে কক্সবাজার নিয়ে আসে।
তিনি বলেন, মঙ্গলবার সকালে ঘটনায় জড়িত সন্দেহে আটক তিনজনকে কক্সবাজারের আদালতে পাঠানো হয়। পরে আদালত শুনানি শেষে তিনজনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন। ঘটনায় আটক একজনকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
জসিম উদ্দিন জানান, ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় এখনো মামলার এজাহার জমা দেননি। লিখিত অভিযোগ পেলে মামলা নথিভুক্ত করা হবে। তারপরও পু্লিশ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে বলে জানান তিনি।
উল্লেখ্য, রবিবার মধ্যরাতে কক্সবাজার সদর উপজেলার খুরুশকুল ইউনিয়নের আল্লাওয়ালা নামে একটি হ্যাচারিতে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটে।
আরও পড়ুন: গ্রেপ্তারের একদিন পর কারাগারে কয়েদির মৃত্যু
নিহত আলী আকবর কক্সবাজার সদরের খুরুশকুল ইউনিয়নের কুলিয়াপাড়ার বাসিন্দা আলী আহমদের ছেলে।
নিহতের পরিবারের দাবি, মাছ চুরির অপবাদে আলী আকবরকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। মূলত জমির বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে এ খুন করা হয়েছে।
তবে ঘটনায় উত্তেজিত জনতার হামলার শিকারের আগে গণমাধ্যমে এনসিপি নেতা রাইয়ান কাশেম দাবি করেন, তাদের হ্যাচারিতে চুরির সময় আলী আকবরকে হাতেনাতে ধরে নিরাপত্তা প্রহরীরা। পরে আলী আকবর আঘাত করলে আত্মরক্ষার্থে নিরাপত্তা প্রহরীরা পাল্টা আঘাত করে। এতে মারা যান তিনি।
২৮৬ দিন আগে
বিজয়নগর সীমান্তে বাংলাদেশি যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ বিএসএফের বিরুদ্ধে
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর সীমান্তে বিএসএফের বিরুদ্ধে মুরাদুর রহমান মুন্না নামে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ করেছেন নিহতের স্বজনরা।
মঙ্গলবার (৯ এপ্রিল) সন্ধ্যায় উপজেলার পাহাড়পুর ইউনিয়নের সেজামুড়া সীমান্তে জিরো পয়েন্টে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মুন্না ওই গ্রামের মৃত ফজলুর রহমানের ছেলে। তার লাশ বুধবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
নিহতের পরিবার অভিযোগ করে বলেন, বিকালের দিকে মুন্না তার ধানের জমি দেখতে সেজামুড়া সীমান্তের কাছে যান। এ সময় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কয়েকজন তাকে ধরে নিয়ে যায়। পরে তারা তাকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে বাংলাদেশ সীমান্তে ফেলে রেখে চলে যায়।
পরে বিজিবি সদস্যরা তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে পরিবারের কাছে পৌঁছে দেয়। এসময় তাকে গুরুতর অবস্থায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।
আরও পড়ুন: সিরাজগঞ্জে স্কুলছাত্রকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. আরাফাত বলেন, হাসপাতাল আনার পর তার শারীরিক পরীক্ষা নিরীক্ষা শেষে মৃত ঘোষণা করা হয়। তার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।
সরাইল ২৫ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফারাহ মোহাম্মদ ইমতিয়াজ বলেন, যতটুকু খবর পেয়েছি মুরাদ নামে একজন অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতে প্রবেশ করেছিল। সে কি কারণে সীমান্ত অতিক্রম করেছিলেন, বিএসএফ তাকে ধরেছে কি না, না অন্য কেউ মেরেছে তা এখনও জানা যায়নি। ঘটনাটির তদন্ত চলছে।
বিজিবির টহল টিমের বরাত দিয়ে তিনি আরও বলেন, মুরাদ ভারতে অবৈধভাবে প্রবেশের পর সুস্থভাবে ফিরে এসেছিলো। তখন তাকে দেখতে পেয়ে স্থানীয় একজনের মাধ্যমে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়।
৩১৩ দিন আগে
সিরাজগঞ্জে স্কুলছাত্রকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ
সিরাজগঞ্জে সেচ পাম্পে গোসল করতে চাওয়ায় মো. আশিক হোসেন (১৫) নামে এক কিশোরকে বাঁশ দিয়ে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে বাবা ও ছেলের বিরুদ্ধে।
শুক্রবার (৪ এপ্রিল) বিকাল ৪টার দিকে সিরাজগঞ্জ পৌরশহরের হোসেনপুর মহল্লায় পুরাতন ফেরিঘাট বালুর পয়েন্ট এলাকায় এই হত্যার ঘটনা ঘটে।
নিহত কিশোর মো. আশিক হোসেন হোসেনপুর ওয়াপদা বাঁধ মহল্লার দুলাল হোসেনের ছেলে এবং স্থানীয় একটি স্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্র ছিলেন।
অভিযুক্তরা হলেন— হোসেনপুর বউবাজার এলাকার আল-আমিন ও তার ছেলে রিফাত।
স্থানীয়রা জানায়, আল-আমিনের সেচ পাম্পে গোসল করার জন্য যায় আশিক। এ সময় আল-আমিন ও তার ছেলে রিফাত নিষেধ করে। এ নিয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে আশিকের ঘাড়ে বাঁশ দিয়ে সজোরে আঘাত করে তারা। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় আশিক।
আরও পড়ুন: মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে ভাইয়ের হাতে ভাই খুন
সিরাজগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হুমায়ুন কবির বলেন, ‘এ ঘটনার পর বাবা ও ছেলে পালিয়ে গেছে। আশিকের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ওসি বলেন, ময়নাতদন্তের পর লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
৩১৭ দিন আগে
সিরাজগঞ্জে গাঁজা সেবনে বাধা দেওয়ায় কৃষককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ
সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে গাঁজা সেবনে বাধা দেওয়ায় আজিম উদ্দিন সরকার (৫৪) নামে এক কৃষককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।
বুধবার (৮ জানুয়ারি) রাতে উপজেলার পুঠিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আজিম উদ্দিন সরকার ওই গ্রামের মৃত মোসলেম উদ্দিন সরকারের ছেলে।
পুলিশ জানায়, ওই কৃষক বাড়ি ফেরার সময় কয়েকজন যুবককে তার বাড়ির অদূরে গাঁজা সেবন করতে দেখে। আজিম উদ্দিন তাদের বাধা দিল তারা ক্ষিপ্ত হয়ে তার ওপর হামলা চালিয়ে মারপিট করে পালিয়ে যায়।
আরও পড়ুন: ফরিদপুরে চোর সন্দেহে যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ
পরে তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়ার পথে সে মারা যায়।
শাহজাদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আছলাম আলি জানান, এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা হয়েছে।
৪০৩ দিন আগে
খাগড়াছড়িতে শিক্ষককে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় মামলা
খাগড়াছড়ি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক আবুল হাসনাত মুহাম্মদ সোহেল রানা (৪৯) হত্যার ঘটনায় মামলা করা হয়েছে।
মামলায় প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থীসহ ১০ জনের নাম উল্লেখ করে আরও ৪০০ থেকে ৫০০ জনকে অজ্ঞাত আসামি দেখানো হয়েছে।
আরও পড়ুন: বগুড়ায় জামায়াত কর্মী হত্যাকাণ্ডের ১১ বছর পর ৪৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা
খাগড়াছড়ি সদর মডেল থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মিজানুর রহমান বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।
এজাহারভুক্ত আসামিরা হলেন- নিমন্ত ত্রিপুরা (২২), টুনশু চাকমা, সজিব চাকমা (১৯), প্রনয় চাকমা (১৯), কোষ চাকমা (২১), টিনটু চাকমা (১৯), অম্লান ত্রিপুরা (২০), আইকন চাকমা (২০), নিউটন মারমা (২০) ও অনিল চাকমা (১৯)। এরমধ্যে সজিব চাকমা, প্রনয় চাকমা ও কোষ চাকমা খাগড়াছড়ি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী।
খাগড়াছড়ি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল বাতেন মৃধা বলেন, আসামিদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে।
উল্লেখ্য, গত ১ অক্টোবর শিক্ষক সোহেলকে ছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। এর জেরে খাগড়াছড়িতে পাহাড়ি-বাঙালি সংঘাত সৃষ্টি হয়। মহাজন পাড়া, পানখাইয়াপাড়া সড়কসহ বিভিন্ন এলাকায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।
আরও পড়ুন: সাবেক সংসদ সদস্য আলী আজগর ও ওসি সুকুমারসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা
৪৯৯ দিন আগে