রেলপথ
বিকল্প পথে ময়মনসিংহ থেকে ট্রেন চলাচল শুরু
ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে রেললাইন খুলে নেওয়ার ঘটনায় ট্রেন লাইনচ্যুতির কারণে ঢাকা-ময়মনসিংহ রেলপথে যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। তবে কয়েক ঘণ্টা পরে বিকল্প পথে ময়মনসিংহ-ভৈরব হয়ে ঢাকাগামী ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে।
সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) ভোর সোয়া ৫টার দিকে গফরগাঁও রেলওয়ে স্টেশনে প্রবেশের ২ কিলোমিটার আগে সালটিয়া মাঠখোলা নামক স্থানে লাইনচ্যুত হয় অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস ট্রেনটি।
রেলওয়ে স্টেশন ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, তারাকান্দি থেকে ঢাকাগামী আন্তঃনগর অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস ট্রেনটি হঠাৎ লাইনচ্যুত হয়ে যায়। রেলপথের ওই স্থানটিতে ২০ ফুটের একটি লোহার দণ্ড দুপাশ থেকে নাট খুলে সরিয়ে ফেলা হয়েছে। এতে ট্রেনটির ইঞ্জিনসহ সামনের তিনটি বগি লাইনচ্যুত হয়ে পড়ে। ট্রেন লাইচ্যুত হওয়ায় ঢাকা-ময়মনসিংহ রেলপথে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। খবর পেয়ে ঢাকা থেকে উদ্ধারকারী ট্রেন এসে উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে।
এদিকে, জামালপুর থেকে ঢাকাগামী যমুনা এক্সপ্রেস ট্রেন সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে ময়মনসিংহ স্টেশনে এসে অস্থান করে। এরপর বিকল্প রুট হিসেবে গৌরীপুর, কিশোরগঞ্জ ও ভৈরব হয়ে ঢাকা পাঠানো হয় ট্রেনটিকে।
ময়মনসিংহ রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন সুপার আবদুল্লাহ আল হারুন বলেন, আজ বেলা সোয়া ১১টার দিকে ট্রেনটি ময়মনসিংহ ছেড়ে যায়। এছাড়া ঢাকা থেকে জামালপুর এক্সপ্রেস ও মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেন ভৈরব হয়ে ময়মনসিংহে আসবে বলেও জানান তিনি।
রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেলপথ বন্ধ হয়ে পড়ায় ঢাকা-তারাকান্দি রুটের আন্তঃনগর অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস (৭৩৫ নম্বর) ট্রেন, তারাকান্দি-ঢাকা রুটের আন্তঃনগর অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস (৭৩৬ নম্বর) ট্রেন, দেওয়ানগঞ্জ বাজার-ঢাকা রুটের আন্তঃনগর ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেস (৭৪৪ নম্বর) ট্রেন, নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ থেকে ঢাকা রুটের আন্তঃনগর হাওর এক্সপ্রেস (৭৭৮ নম্বর) ট্রেনের যাত্রা বাতিল করা হয়েছে। এসব ট্রেনের জন্য কাটা টিকিটের মূল্য ফেরত পেতে অনলাইনে লগইন করে রিফান্ড গ্রহণের জন্য বাংলাদেশ রেলওয়ের পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হয়েছে।
দুপুর আড়াইটার দিকে ময়মনসিংহ রেলওয়ের পরিবহন পরিদর্শক শাহীনুর ইসলাম বলেন, উদ্ধারকারী ট্রেন উদ্ধারকাজ শুরু করেছে। উদ্ধারকাজ শেষ হতে আরও ২ থেকে তিন ঘণ্টা সময় লাগতে পারে।
৬ দিন আগে
রেললাইন তুলে ফেলায় দুই বগি লাইনচ্যুত, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে রেললাইন তুলে ফেলায় ঢাকাগামী অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস ট্রেনের ইঞ্জিনসহ দুটি বগি লাইনচ্যুত হয়েছে। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।
সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) ভোর ৫টা ১০ মিনিটে গফরগাঁও স্টেশনের আগে দুর্বৃত্তরা ২০ ফুট রেললাইন সরিয়ে ফেলায় এই ঘটনা ঘটে।
গফরগাঁও রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার হানিফ বলেন, আমি এখনও ঘটনাস্থলে পৌছাতে পারিনি। তবে রেলওয়ে নিরাপত্তাবাহিনী জানিয়েছে, ওই এলাকার ২০ ফুট রেললাইন সরিয়ে ফেলায় তারাকান্দি থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী অগ্নিবীণা এক্সপ্রেসের ইঞ্জিনসহ দুই বগি লাইনচ্যুত হয়েছে। এ ঘটনায় এখনও কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী (আরএনবি) ময়মনসিংহের পরিদর্শক মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, রেলওয়ে নিরাপত্তাবাহিনী ঘটনাস্থলে আছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে।
প্রসঙ্গত, গত শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) দুপুরে ময়মনসিংহ-১০ গফরগাঁও আসনে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন পান আক্তারুজ্জামান বাচ্চু। এরপর মনোনয়ন বঞ্চিত নেতাদের কর্মীরা রেললাইন এলাকায় আন্দোলন শুরু করেন।
৬ দিন আগে
রেল ও নদীপথ ঢেলে সাজিয়ে যোগাযোগব্যবস্থার বিকেন্দ্রীকরণ করতে হবে: পরিকল্পনা উপদেষ্টা
পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেছেন, আমরা রাজনৈতিক বা বাণিজ্যিক স্বার্থে সড়ককে গুরুত্ব দিতে গিয়ে সস্তা রেল ও নদীপথকে উপেক্ষা করেছি। আমাদের রেল ও নদীপথকে ঢেলে সাজাতে হবে। মালামাল পরিবহনে সড়কপথের বিকল্প হিসেবে রেল ও নদীপথের অধিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। যোগাযোগ ব্যবস্থার বিকেন্দ্রীকরণ করতে হবে।
রবিবার (১৪ ডিসেম্বর) ঢাকায় সড়ক ভবন মিলনায়তনে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর আয়োজিত অংশীজন সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিকল্পনা উপদেষ্টা এ কথা বলেন।
বাংলাদেশের জাতীয় সমন্বিত বহুমুখী পরিবহন মাস্টার প্ল্যান প্রণয়নের চলমান উদ্যোগের অংশ হিসেবে আয়োজিত এই অংশীজন সেমিনারের উদ্দেশ্য ছিল দেশের পরিবহন ব্যবস্থার সমন্বিত ও টেকসই উন্নয়নকে আরও শক্তিশালী করা।
বিশেষ অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতু উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান ও প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ড. শেখ মঈনুদ্দিন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সড়ক পরিবহন ও সেতু উপদেষ্টা বলেন, পরিবহন সেক্টরে উন্নয়ন কার্যক্রমে সমন্বয়ের অভাবে অন্যান্য খাত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এ ক্ষতি এড়াতে সমন্বিত যোগাযোগ ও পরিবহন ব্যবস্থার প্রতি সরকার গুরুত্বারোপ করছে। এর অন্যতম উদ্দেশ্য ন্যাচারাল হাইওয়ে (প্রাকৃতিক মহাসড়ক) বাধাগ্রস্ত না করা, এক ধরনের যোগাযোগমাধ্যমের ওপর নির্ভরতা কমানো এবং যথাযথ তথ্য উপাত্তনির্ভর পরিবহন নেটওয়ার্ক স্থাপন করা।
সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক। এ সময় বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও নগর পরিকল্পনাবিদরা উপস্থিত ছিলেন।
বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, সরকারি সংস্থা, উন্নয়ন সহযোগী, বন্দর ও টার্মিনাল কর্তৃপক্ষ, বেসরকারি খাত, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, নাগরিক সমাজ সংগঠন এবং অন্যান্য অংশীদারদের জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধিরাও অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। তারা এই বিকল্প বহুমুখী যোগাযোগ ব্যবস্থাপনার প্রশংসা করেন ও বিভিন্ন সুপারিশ করেন। এ বিষয়ে পরবর্তীতে অংশীজনদের নিয়ে পৃথক সেমিনার আয়োজন করা হবে বলে জানিয়েছে অধিদপ্তর।
এ ছাড়া সেমিনারে প্রাপ্ত মতামত ও সুপারিশসমূহ প্রাথমিক মূল্যায়ন ও কৌশলগত রোডম্যাপের পরিমার্জনে অন্তর্ভুক্ত করা হবে, যা দেশে একটি পূর্ণাঙ্গ, সমন্বিত ও বাস্তবায়নযোগ্য জাতীয় সমন্বিত বহুমুখী পরিবহন মাস্টার প্ল্যান প্রণয়নের পথ প্রশস্ত করবে বলে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
২০ দিন আগে
অবশেষে শুরু হতে চলেছে সিলেট-ছাতক রেলপথ সংস্কার কাজ
চার বছরের বেশি সময় ধরে বন্ধ থাকার পর আগামী ফেব্রুয়ারি মাসেই সিলেট-ছাতক রেলপথের সংস্কার কাজ শুরু হচ্ছে। গত শুক্রবার (৩ জানুয়ারি) বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক আফজাল হোসেন ছাতক বাজার স্টেশন পরিদর্শন শেষে এই তথ্য জানান।
এই রেলপথের সংস্কার কাজ শুরুর খবরে স্থানীয়দের মাঝে আশার আলো জেগেছে।
বিগত সরকারের সময় একনেকে সিলেট-ছাতক রেলপথ সংস্কার কাজের প্রস্তাবনা পাস হলেও তা শুরু করা যায়নি। এবার সেই কাজে গতি দিতে তৎপর হয়ে উঠেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
এ বিষয়ে চলতি সপ্তাহে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলনকক্ষে অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সেই সভায় এই প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
এর আগে, সিলেট থেকে ছাতক হয়ে সুনামগঞ্জ জেলা সদর পর্যন্ত রেললাইন স্থাপনের বিষয়ে সমীক্ষা কার্যক্রম সম্পন্ন হলেও এরপর অজ্ঞাত কারণে সেই কাজে কোনো অগ্রগতি হয়নি।
আরও পড়ুন: সংকটে জর্জরিত আলমডাঙ্গার রেলস্টেশন, নেই সংস্কারের উদ্যোগ
১৯৫৪ সালে সিলেট রেলওয়ে স্টেশন থেকে পশ্চিম-উত্তরে সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক বাজার রেলওয়ে স্টেশন পর্যন্ত ৩৪ কিলোমিটার রেলপথ নির্মাণ করা হয়। ওই সময় জেলার রেলপথের সর্বশেষ স্টেশন হিসেবে ছাতক বাজার রেলওয়ে স্টেশন নির্মাণ করা হয়। তার আগে এটি আখাউড়া-কুলাউড়া-সিলেট পর্যন্ত সীমাবদ্ধ ছিল।
দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পাথর, বালু, চুনাপাথর, কমলালেবু, তেজপাতাসহ বিভিন্ন মালপত্র আনা-নেওয়ার জন্যই মূলত ছাতক-সিলেট রেলপথটি নির্মিত হয়। পরবর্তী সময়ে শিল্পপ্রতিষ্ঠানের কাঁচামাল পরিবহনে ছাতক-দোয়ারাবাজার অঞ্চলসহ সুনামগঞ্জ জেলার মানুষের যাতায়াতের সুবিধার্থে প্রতিদিন এই রুটে সকাল-বিকাল যাত্রী ও পণ্যবাহী ট্রেন চলাচল করত। সিলেট যাতায়াতে ট্রেনই ছিল এই অঞ্চলের মানুষের একমাত্র ভরসা।
১৯৭৯ সালে রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের রাজস্ব আয়ে ছাতক বাজার স্টেশন শ্রেষ্ঠ স্থান দখল করে নেয়। এরপর নানা অজুহাতে কমিয়ে দেওয়া হয় এই রেলপথে ট্রেন ও বগির সংখ্যা।
ছাতক থেকে ট্রেনে যাতায়াতে প্রায় ৪৫ মিনিটে সিলেট পৌঁছানো যায়। পথিমধ্যে খাজাঞ্চীগাঁও, সৎপুর ও আফজালাবাদ স্টেশনে ট্রেনগুলো যাত্রা বিরতি করে। শিল্পনগরী হিসেবে পরিচিত ছাতক থেকে চুনাপাথর, সিমেন্ট, স্লিপার, বালু, বোল্ডার পাথরসহ বিভিন্ন মালপত্র দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করতে রেলপথে সড়ক পথের চেয়ে পরিবহন খরচ কয়েক গুণ কম হতো।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০২২ সালে ভয়াবহ বন্যায় ছাতক বাজার স্টেশন থেকে সিলেট পর্যন্ত ৩৪ কিলোমিটার রেললাইনের মধ্যে ১২ কিলোমিটার রেল রোড এমব্যাংকমেন্ট ও রেলপথ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এরপরই রেলপথটি পুনর্বাসন করে ট্রেন চলাচলের উপযোগী করার জন্য প্রকল্পটি গ্রহণ করা হয়।
ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশ রেলওয়ের সিলেট থেকে ছাতক বাজার সেকশন (মিটার গেজ ট্র্যাক) পুনর্বাসন প্রকল্পের একটি প্যাকেজের পূর্ত কাজের ক্রয় প্রস্তাবে সম্প্রতি অনুমোদনও দিয়েছে সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি। প্রকল্পের কাজে ক্রয়ের দরপত্র আহ্বান করা হলে চারটি দরপত্র জমা পড়ে। দরপত্রের সব প্রক্রিয়া শেষে টিইসির সুপারিশ করা রেসপনসিভ সর্বনিম্ন দরদাতা প্রতিষ্ঠান হিসেবে মীর আখতার হোসেন লিমিটেড প্রকল্পটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব পায়। এই প্রকল্পে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ২১৭ কোটি ৩৪ লাখ ৪ হাজার ৩৬৯ টাকা।
প্রকল্পটি একনেক থেকে ২০২৩ সালের ১১ এপ্রিল অনুমোদিত হয়। এই প্রকল্পের মেয়াদ ২০২৩ সালের ১ এপ্রিল থেকে ২০২৬ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত। প্রকল্প-ব্যয়ের ৮০ শতাংশ ডলার এবং ২০ শতাংশ বাংলাদেশি টাকায় পরিশোধ করা হবে।
শুরুর দিকে সিলেট থেকে ছাতক হয়ে সুনামগঞ্জ পর্যন্ত রেললাইন স্থাপনে দুটি পথের বিষয়ে সমীক্ষা চালানো হয়।
সমীক্ষায় বলা হয়, ৪৫ দশমিক ৫৭ কিলোমিটার অ্যালাইনমেন্টে টপোগ্রাফিক (ভূমি) জরিপের কাজ করা হয়েছে। এই রুটে আছে ৬৬টি ছোটবড় জলাভূমি। দক্ষিণ খুরমা ও শান্তিগঞ্জে দুটি স্টেশন নির্মাণ করতে হবে। রেলপথ নির্মাণের জন্য সরাতে হবে ১২৮টি বসতবাড়ি ও অবকাঠামো। এজন্য কাটতে হবে সাড়ে ১৩ হাজার গাছ। পাঁচটি স্টেশনের জন্য ৫০ একরসহ মোট ৬১৩ একর জমি অধিগ্রহণ করতে হবে।
এমন জটিল হিসাব-নিকাশের মুখে প্রকল্পটির কাজ আর সামনে এগোয়নি।
ছাতক বাজার ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদের সভাপতি আফসার উদ্দিন গণমাধ্যমকে জানান, ছাতক-সিলেট রেলপথ বন্ধ থাকায় প্রতিদিন এই অঞ্চলের শত শত মানুষকে ভোগান্তি নিয়ে সিলেটে যাতায়াত করতে হচ্ছে। সুনামগঞ্জ রেলপথ স্থাপিত হলে জেলার ব্যবসা-বাণিজ্যে প্রসার ঘটবে।
আরও পড়ুন: কক্সবাজারে বড় পরিসরে পর্যটকদের আকৃষ্ট করবে ঝিনুক আকৃতির রেলস্টেশন
গুরুত্ব বিবেচনায় অতিদ্রুত রেলপথের কাজ শুরু করার দাবি জানান তিনি।
এদিকে, ছাতক-সিলেট রেলপথ সংস্কারের অনুমোদনের পর শুক্রবার বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক আফজাল হোসেন ছাতক বাজার স্টেশন পরিদর্শন করেন।
তিনি জানান, ফেব্রুয়ারি নাগাদ সংস্কার কাজ শুরু হবে। তবে সুনামগঞ্জে রেলপথ স্থাপনের ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানান এ কর্মকর্তা।
৩৬১ দিন আগে
কোটা আন্দোলন: ঢাকা-ময়মনসিংহ রেলপথ অবরোধ
কোটা সংস্কার ও সারাদেশের বিভিন্ন জায়গায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও রেলপথ অবরোধ করেছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) শিক্ষার্থীরা।
মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) বিকাল ৫ টার দিকে বাকৃবি প্লাটফর্ম সংলগ্ন এলাকায় ঢাকা-ময়মনসিংহ রেলপথ অবরোধ করেন। এতে জামালপুর কমিউটার ট্রেনটি আটকা পড়ে।
আরও পড়ুন: হাইকোর্টের রায়ের প্রতিবাদে বাকৃবি শিক্ষার্থীদের সংবাদ সম্মেলন
এর আগে বিকাল ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন মিলনায়তনের মুক্তমঞ্চের সামনে থেকে প্রায় পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থী একটি বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করেন। মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে জব্বারের মোড়ে এসে শেষ হয়। মিছিলটি শেষ করেই শিক্ষার্থীরা রেলপথ অবরোধ করেন।
এসময় শিক্ষার্থীদের- ‘আমি নই তুমি নই, রাজাকার রাজাকার। আমার ভাই আহত কেন প্রশাসন জবাব চাই। ক্যাম্পাসে হামলা কেন প্রশাসন জবাব চাই।’ বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায়।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বলেন, দেশব্যাপী শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলনে নির্মমভাবে হামলা চালানো হয়েছে। দেশের বিভিন্ন জায়গায় শিক্ষার্থীরা হামলার শিকার হয়েছে। সুষ্ঠু বিচার না হওয়া পর্যন্ত আমরা রাজপথ ছাড়বো না। সামনের দিনে আমাদের আন্দোলন আরও কঠোর হবে।
আরও পড়ুন: কোটা সংস্কার: বাকৃবিতে গণ পদযাত্রা ও স্মারকলিপি প্রদান
শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি অভিযানের প্রতিবাদে বাকৃবিতে বিক্ষোভ
৫৩৭ দিন আগে
কোটা সংস্কার দাবিতে সীতাকুণ্ডে সড়ক-রেলপথ অবরোধ, ৬০ কিলোমিটার যানজট
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে কোটা সংস্কারের দাবিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ও রেলপথ অবরোধ করেছেন আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (আইআইইউসি) শিক্ষার্থীরা।
মঙ্গলবার(১৬ জুলাই) সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে দুপুর ২টা পর্যন্ত ৪ ঘণ্টা সড়ক ও রেলপথ অবরোধ করেন আইআইইউসির শত শত শিক্ষার্থী।
আরও পড়ুন: ঢাবি ক্যাম্পাসে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারী-ছাত্রলীগ কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ
এসময় মহাসড়কের উভয়দিকে ৬০ কিলোমিটার যানজট লেগে দুর্ভোগে পড়েন হাজার হাজার মানুষ। পরে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও আন্দোলনকারীদের সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসনের বৈঠকের পর শিক্ষার্থীরা অবরোধ তুলে নেয়।
৫৩৭ দিন আগে
বাকৃবিতে বাংলা ব্লকেড: তৃতীয় দিনের মতো রেলপথ অবরোধ
তৃতীয় দিনের মতো ঢাকা-ময়মনসিংহ রেলপথ অবরোধ করেছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) শিক্ষার্থীরা।
‘বাংলা ব্লকেড’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে সোমবার (৮ জুলাই) দুপুর দেড়টায় বাকৃবির জব্বারের মোড় সংলগ্ন এলাকায় শিক্ষার্থীরা ঢাকা থেকে জামালপুরগামী জামালপুর এক্সপ্রেস ট্রেনটি অবরোধ করেন।
আরও পড়ুন: পেনশন স্কিম: বাকৃবিতে শিক্ষকদের তৃতীয় দিনের কর্মবিরতি
এর আগে দুপুর সাড়ে ১২টায় বিক্ষোভ মিছিল করেন শিক্ষার্থীরা। মিছিলটি বাকৃবির কে. আর মার্কেটসহ গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও ভবন ঘুরে জব্বারের মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।
এসময় শিক্ষার্থীরা এক দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
এক দফা কর্মসূচি সম্পর্কে তারা বলেন, সরকারি চাকরির সব গ্রেডে অযৌক্তিক ও বৈষম্যমূলক কোটা বাতিল করে সংবিধানে উল্লিখিত অনগ্রসর গোষ্ঠী ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্নদের জন্য কোটাকে ন্যায্যতার ভিত্তিতে নূন্যতম পর্যায়ে এনে সংসদে আইন পাস করে কোটা পদ্ধতিকে সংস্কার করতে হবে।
দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এ দেশের ছাত্র সমাজ দেশব্যাপী ‘বাংলা ব্লকেড’ কর্মসূচি চালিয়ে যাবে বলে জানান আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।
তারা আরও বলেন, কোটা সংস্কার করে মেধাবীদের নিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।
আরও পড়ুন: পেনশন স্কিম: বাকৃবিতে মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের মানববন্ধন
কোটা বাতিলের দাবিতে বাকৃবি শিক্ষার্থীদের ঢাকা-ময়মনসিংহ রেলপথ অবরোধ
৫৪৫ দিন আগে
পদ্মা সেতু রেল সংযোগ: ভাঙ্গা-রুপদিয়া রেলপথে পরীক্ষামূলক ট্রেন চলাচল শুরু
ফরিদপুরের ভাঙ্গা থেকে যশোরের রূপদিয়া পর্যন্ত পরীক্ষামূলকভাবে ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে। শনিবার সকাল ৮টা ৪১ মিনিটের দিকে ভাঙ্গার রেলওয়ে স্টেশন থেকে ট্রেনটি যশোরের রূপদিয়ার উদ্দেশে ছেড়ে যায়।
মো. সাখাওয়াত হোসেন এ ট্রায়াল ট্রেনে চালকের দায়িত্ব পালন করছেন এবং ট্রেনটি ১২০ কিলোমিটার সর্বোচ্চ গতিতে চলানো হবে।
ভাঙ্গার রেলস্টেশন মাস্টার মো. জিল্লুর রহমান বলেন, শনিবার সকাল ৮ টা ৪১ মিনিটে উচ্চগতি সম্পন্ন এই পরীক্ষামূলক ট্রেনটি যশোরের রুপদিয়ার উদ্দেশে ছেড়ে যায়। ট্রেনটি ১২০ কিলোমিটার গতিতে যশোর পৌঁছাতে সময় লাগবে মাত্র এক ঘণ্টা।
আরও পড়ুন: এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে থেকে রেললাইনে পড়ল ক্রেন, ব্যাহত ট্রেন চলাচল
তিনি আরও বলেন, রবিবার আবারও (৩১ মার্চ) সকালে রুপদিয়া রেল স্টেশনের উদ্দেশে ছেড়ে যাবে ট্রেনটি। আবার যশোর থেকে ভাঙ্গার উদ্দেশে ছেড়ে আসবে। এভাবে ট্রেনটি কয়েকবার ফরিদপুরের ভাংগা থেকে যশোরের রুপদিয়া স্টেশন পর্যন্ত চলাচল করবে।
এদিকে আগে ঢাকা-যশোর রেলপথের ভাঙ্গা পর্যন্ত ইতোমধ্যে ট্রেন চলাচল করছে। ভাঙ্গা থেকে নড়াইল হয়ে যশোর অংশের রেলপথ নির্মাণের কাজও প্রায় শেষের দিকে।
রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা-যশোর রেলপথের ভাঙ্গা পর্যন্ত ইতোমধ্যে ট্রেন চলাচল করছে। প্রকল্পের শেষ অংশ ভাঙ্গা থেকে যশোর। এই অংশের দৈর্ঘ্য ৮৭ দশমিক ৩২ কিলোমিটার। মাঠ পর্যায়ে প্রকল্পটির কাজ শুরু হয়েছিল ২০১৯ সালে।
এর আগে ২০১৬ সালের ৩ মে ‘পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্প’ নামে এটি একনেকে অনুমোদন পেয়েছিল।
২০২৩ সালের ১৪ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা 'পদ্মা সেতু রেল সংযোগ নির্মাণ প্রকল্পের' আওতায় ঢাকার সঙ্গে যশোরের রেল সংযোগের নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন।
তিনটি পর্যায়ে (ঢাকা ও গেন্ডারিয়ার মধ্যে তিন কিলোমিটার সংযোগ স্থাপন) ৩৭ কিলোমিটার গেন্ডারিয়া-মাওয়া সেকশন, ৪২ কিলোমিটার মাওয়া-ভাঙ্গা অংশ এবং ৮৭ কিলোমিটার ভাঙ্গা জংশন-যশোর অংশের রেললাইন নির্মাণ করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: ৩ ঘণ্টা পর ঢাকার সঙ্গে উত্তর-দক্ষিণের ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক
প্রায় ৪৩ দশমিক ২ কিলোমিটার লুপ, সাইডিং এবং ওয়াই-সংযোগগুলো মোট লাইনের দৈর্ঘ্য ২১৫ দশমিক ২ কিলোমিটারে নিয়ে আসে।
ঢাকা থেকে যশোর পর্যন্ত ২০টি স্টেশন থাকবে, যার মধ্যে ১৪টি নতুন এবং ৬টি ইতোমধ্যে রয়েছে। আগের স্টেশনগুলোও আধুনিকায়ন করা হচ্ছে। নির্মাণ কাজ শেষ হলে ট্রেনগুলো ১২০ থেকে ১৩০ কিলোমিটার গতিতে চলতে পারবে।
রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, রাজধানী ঢাকা থেকে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের যশোরের মধ্যে সংযোগ স্থাপনের জন্য নির্মিতব্য ১৭২ কিলোমিটার রেলপথ পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পটি ২০২৪ সালের জুনে শেষ হওয়ার পথে রয়েছে।
পরীক্ষামূলক ট্রেন যাত্রায় সবকিছু পর্যবেক্ষণ করছেন সেনাবাহিনী ও রেল প্রকল্পে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। নতুন রেললাইন চালু হওয়ার সংবাদে রেল লাইনের আশে-পাশের মানুষের মধ্যে চলছে উৎসবের আমেজ।
আরও পড়ুন: বিজয় এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত: ১৪ ঘণ্টা পর ডাউন লাইনে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক
৬৪৫ দিন আগে
পুরো দেশ রেল নেটওয়ার্কের আওতায় আনা হবে: রেলপথমন্ত্রী
নতুন রেলপথ নির্মাণ করে পুরো দেশ রেল নেটওয়ার্কের আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন রেলপথমন্ত্রী মো. জিল্লুল হাকিম।
তিনি বলেন, ‘নতুন রেলপথ নির্মাণ করে সারা বাংলাদেশ রেল নেটওয়ার্কের আওতায় আনা হবে। ট্রেনের যাত্রীদের সেবার মান বাড়িয়ে রেলকে একটি নিরাপদ পরিবহনে পরিণত করা হবে।’
বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাজবাড়ীর পাংশা-বালিয়াকান্দি ও কালুখালী মাদ্রাসা শিক্ষক-কর্মচারীদের আয়োজনে পাংশা জর্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
কালোবাজারিদের বিরুদ্ধে রেলপথ মন্ত্রণালয় কঠোর অবস্থানে যাবে জানিয়ে রেলমন্ত্রী বলেন, কালোবাজারি চক্রের বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। আসন্ন ঈদযাত্রায় ট্রেনের টিকিট প্রাপ্তিতে সমস্যা হবে না। সবাই স্বস্তিতে টিকিট পাবে। ট্রেনের টিকিট কালোবাজারির চক্রের সঙ্গে ‘সহজ’ ডটকম ও রেলের কর্মচারীসহ অসাধু কিছু কর্মকর্তারা জড়িত।
আরও পড়ুন: রেলকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করব: রেলপথমন্ত্রী
রেলপথ মন্ত্রী আরও বলেন, ট্রেনে যাত্রীদের জন্য খাবারের মান উন্নত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মানুষ টাকা দিয়ে খাবার কিনে খায়।
জিল্লুল হাকিম বলেন, বিএনপির সময় রেলপথ ধ্বংস করা হয়েছিল। এখন আবার রেলে আগুন দিয়ে রেলপথকে ধ্বংস করতে চায় বিএনপি।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শফিকুল মোরশেদ আরুজ, পাংশা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফরিদ হাসান ওদুদ, বালিয়াকান্দি উপজেলা পরিষদের আবুল কালাম আজাদ, পাংশা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খোন্দকার সাইফুল ইসলাম বুড়ো প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
আরও পড়ুন: রেলের উন্নয়নে আরব আমিরাতের সহযোগিতা চান রেলপথমন্ত্রী
৬৯৬ দিন আগে
রেলপথে নাশকতা: নাটোরের ২০টি ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্টে নিরাপত্তা জোরদার
রেলপথে নাশকতা রোধে নাটোর জেলার ৫৭ কিলোমিটার রেলপথের ২০টি ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্টে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৬ ডিসেম্বর) বিকালে নাটোর রেল স্টেশনসহ রেলপথের গুরুত্বপূর্ণ এলাকা পরিদর্শন করেন রেলওয়ে পাকশির বিভাগীয় ম্যানেজার শাহ সুফি নুর মোহম্মদ।
এসময় নাটোরের জেলা প্রশাসক আবু নাসের ভূঁঞা ও পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলামসহ প্রশাসন ও রেলওয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
রেলওয়ের ডিআরএম জানান, নাশকতা রোধে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। এসব বিষয় নিয়মিত মনিটর করা হচ্ছে।
পুলিশ সুপার জানান ইতোমধ্যেই নাটোরে রেলপথে নাশকতার চেষ্টা করা হয়েছে।এসব কারণে ঝুকিপূর্ণ স্থান চিহ্নিত করে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে।
আরও পড়ুন: নাটোরের নলডাঙ্গায় ভেঙে গেছে রেললাইনের কিছু অংশ
দিনাজপুরে রেললাইনে স্লিপার রেখে নাশকতাচেষ্টার অভিযোগ, বিএনপি নেতা গ্রেপ্তার
৭৪০ দিন আগে