জয়পুরহাট
দিনাজপুরে পিডব্লিউ কার্যালয় সংস্কারের পরিবর্তে হস্তান্তর, স্থানীয়দের ক্ষোভ
সাম্প্রতিক ঝড়ের তাণ্ডবে ক্ষতিগ্রস্ত দিনাজপুরের হিলি রেলস্টেশনের রেলপথ ও প্রকৌশল (পিডব্লিউ) কার্যালয় সংস্কারের পরিবর্তে জয়পুরহাট জেলায় হস্তান্তরের ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। ঝড় ও বাতাসের ঝাপটায় গাছ পড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কার্যালয়টি। তবে তা সারিয়ে তুলতে ব্যবস্থা নেয়নি রেলওয়ের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
স্থানীয়রা জানান, হিলি রেলস্টেশনটি ব্রিটিশ আমলের নির্মিত একটি ঐতিহ্যবাহী কেন্দ্র। একসময়ে বিরামপুর থেকে সান্তাহার পর্যন্ত রেলপথের ইঞ্জিনিয়ারিং কার্যক্রমের অংশ হিসেবে রেললাইনের রক্ষণাবেক্ষণ, ট্রেন চলাচলের নিরাপত্তা, সিগন্যালিংসহ স্টেশন পরিচালনার কাজ পরিচালিত হতো ওই কার্যালয়ের তত্ত্বাবধানে।
তাদের অভিযোগ, কার্যালয় সরিয়ে নেওয়ার ফলে আকাশের নিচে অরক্ষিত অবস্থায় পড়ে আছে মূল্যবান যন্ত্রাংশ ও সরঞ্জাম; নষ্ট হয়ে যাচ্ছে মূল্যবান সম্পদ। এতে আগামীতে রেলের উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা ।
স্থানীয় বাসিন্দা আনোয়ার খান জানান, হিলি রেলস্টেশনটি আমাদের গর্ব, কিন্তু অফিস সরানোর কারণে এলাকার উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ভবনের আশপাশের রেললাইনের রক্ষণাবেক্ষণে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম খোলা আকাশের নিচে পড়ে থাকায় সেগুলো চুরিসহ খোয়া যাওয়া বা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত পিডব্লিউ কার্যালয়টি অব্যবহৃত থাকায় গবাদিপশুর চারণ ভূমিতে পরিণত হয়েছে।
পিডব্লিউ কার্যালয়টি পুনরায় হিলিতে চালুর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
হিলি রেলওয়ের উপ-সহকারী প্রকৌশলী (পথ) ভবেশ চন্দ্র রাজবংশী বলেন, কার্যালয়টি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় আপাতত জয়পুরহাটে অস্থায়ীভাবে কার্যালয় পরিচালনা করা হচ্ছে। উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের অনুমোদনে সেখান থেকেই দাপ্তরিক কাজ চলছে।
৮ দিন আগে
মোটরসাইকেল কিনে না দেওয়ায় বাবাকে খুন করল ছেলে
বারবার তাগিদ দেওয়া সত্ত্বেও মোটরসাইকেল কিনে না দেওয়ায় জয়পুরহাটে ছেলের হাতে খুন হয়েছেন তারই বাবা কৃষক আক্কাস আলী (৫৭)। সে সময় তাকে বাঁচাতে গিয়ে আক্কাস আলীর স্ত্রী ও মেয়েও গুরুতর আহত হয়েছেন।
শনিবার (১৪ মার্চ) সন্ধ্যায় কালাই উপজেলার পুনট ইউনিয়নের বফলগাড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় ছেলে গোলাপ হোসেনকে (২৯) আটক করে পুলিশ।
কালাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। জেলার সহকারী পুলিশ সুপার তুহিন রেজা শনিবার রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
থানা পুলিশ ও এলাকাবাসী জানান, জমির আলু বিক্রির পর গোলাপ হোসেন তার বাবা আক্কাস আলীকে ওই আলু বিক্রির টাকা দিয়ে একটি মোটরসাইকেল কিনে দেওয়ার জন্য বায়না ধরে আসছিলেন। কিন্তু কিছুতেই তার বাবা তাকে মোটরসাইকেল কিনে দিতে রাজি হচ্ছিলেন না। এ নিয়ে গতকাল (শনিবার) ইফতারের আগে তাদের দুজনের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে গোলাপ ক্ষিপ্ত হয়ে তার বাবাকে বাঁশ, চাকু ও দা দিয়ে পেটাতে ও কোপাতে শুরু করেন।
সে সময় তাকে বাধা দিতে গেলে সে তার মা ও বোনের ওপরও চড়াও হন তিনি। এতে তারাও গুরুতর আহত হন। পরে তাদের উদ্ধার করে বগুড়ার শহিদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাবার পথে আক্কাস আলীর মৃত্যু হয়। আর তার স্ত্রী ও মেয়েকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাদের মধ্যে মা আবেদা বেগমের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।
ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘বাবাকে হত্যার অভিযোগে ঘটনাস্থল থেকে ছেলে গোলাপ হোসেনকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
২২ দিন আগে
জয়পুরহাট-২ আসনে বিএনপির আব্দুল বারী বিজয়ী
জয়পুরহাট-২ আসন থেকে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আব্দুল বারী।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বেসরকারিভাবে ঘোষিত ফলাফলে এ তথ্য জানান জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা।
জয়পুরহাট-২ আসনে তিনি মোট ভোট পেয়েছেন ১ লাখ ৫৭ হাজার ১২৭। এ আসনে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী এস এম রাশেদুল আলম পেয়েছেন ৯১ হাজার ১০৩ ভোট।
উল্লেখ্য, এ আসনে মোট ভোটার ছিল ৩ লাখ ৫১ হাজার ৫৭২ জন। এর মধ্যে, পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৭৪ হাজার ১৭৭। আর নারী ভোটার ১ লাখ ৭৭ হাজার ৩৯৩ জন।
৫৩ দিন আগে
জয়পুরহাটে তিন যানবাহনের সংঘর্ষে নিহত ১
জয়পুরহাটে ট্রাক, ট্রাক্টর ও অটোরিকশার ত্রিমুখী সংঘর্ষে ইদ্রিস আলী নামে এক অটোরিকশাচালক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় নারী ও শিশুসহ অটোরিকশার আরও পাঁচ যাত্রী আহত হয়েছেন।
রবিবার (১৫ জুন) দিবাগত রাত ১২টার দিকে জয়পুরহাট পৌর শহরের খঞ্জনপুর মিশন এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। জয়পুরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদ হোসেন দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহত ইদ্রিস আলী (৪১) জয়পুরহাট পৌর শহরের আদর্শ পাড়া মহল্লার একরাম আলীর ছেলে।
আহতরা হলেন— অটোরিকশা যাত্রী (আরোহী) শামীম হোসেন (৪৮), তার স্ত্রী মোছা. মিনু খাতুন (৪২), মাসুদ রানা (৪৯), মোছা. নাজনীন খাতুন (২১) ও তার মেয়ে নিহা খাতুন (২)। তাদের বাড়ি জয়পুরহাট সদর উপজেলার ভাদসা জলিল পাড়া ও চককামাল গোপালপুর গ্রামে।
আরও পড়ুন: শেরপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় সাবেক সেনাসদস্য নিহত, বাসে আগুন
আহতদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, রবিবার রাতে যাত্রীবাহী অটোরিকশাটি খঞ্জনপুর থেকে ভাদসার দিকে যাচ্ছিল। একই সময়ে একটি ট্রাক দুর্গাদহ বাজার থেকে জয়পুরহাট শহরের দিকে আসছিল। এরপর খঞ্জনপুর মিশন মোড়ে পৌঁছালে একটি ট্রাক্টরসহ তিনটি যানবাহনের ত্রিমুখী সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই অটোরিকশাচালক ইদ্রিস আলী নিহত হন এবং অন্যরা আহত হন।
দুর্ঘটনার পর ফায়ার সার্ভিস, সিভিল ডিফেন্স কর্মী ও স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে জয়পুরহাট ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। তাদের মধ্যে গুরুতর আহত শামীম হোসেন ও মিনু খাতুনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাতেই বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়।
২৯৫ দিন আগে
জয়পুরহাটে সেপটিক ট্যাংক থেকে শিশুর লাশ উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৪
জয়পুরহাটের কালাই উপজেলার মাত্রাই ইউনিয়নের হিমাইল গ্রাম থেকে নিখোঁজের ৭ দিন পর রাদিয়া আক্তার রুহি নামের ৪ বছরের এক শিশুর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
গতরাতে (শুক্রবার রাতে) বাড়ির টয়লেটের সেপটিক ট্যাংক থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় পুলিশ তার বাবা ও সৎ মাসহ ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।
কালাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদ হোসেন জানান, রাহিদা আক্তার রুহি হিমাইল গ্রামের আব্দুর রহমানের প্রথম স্ত্রীর সন্তান। তার মা-বাবার বিচ্ছেদের পর থেকে রুহি মায়ের সঙ্গে একই গ্রামে নানার বাড়িতে থাকতো। গত ২৪ মে শনিবার রুহি তার দাদীর সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে নিখোঁজ হয়। এ ঘটনায় শিশুটির মা আরজেনা আক্তার কালাই থানায় জিডি করেন। তদন্তের সূত্র ধরে পুলিশ গতরাতে (শুক্রবার রাতে) বাবা রহমানের বাড়ির টয়লেটের সেপটিক ট্যাংকের ভেতর থেকে বস্তাবন্দী রুহির লাশ উদ্ধার করে।
আরও পড়ুন: ডুবে যাওয়ার ৬ ঘণ্টা পর শিশুর লাশ উদ্ধার
এ ঘটনায় পুলিশ রুহির বাবা আব্দুর রহমান, সৎমা সোনিয়া আক্তার, চাচা রনি মিয়া ও সৎমা সোনিয়ার বাবা জেলার পাঁচবিবি উপজেলার শাইলট্টি গ্রামের জিয়া কসাইকে গ্রেপ্তার করেছে।
৩১০ দিন আগে
জয়পুরহাটে প্রাইভেটকার-ভ্যানের সংঘর্ষে নিহত ২
জয়পুরহাটের কালাইয়ে প্রাইভেটকার ও যাত্রীবাহী ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুজন নিহত হয়েছেন। এতে ওই ভ্যানচালকসহ আরও দুজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
বুধবার (১৯ মার্চ) বিকালে জয়পুরহাটের কালাই উপজেলার জয়পুরহাট-বগুড়া মহসড়কে বাঁশের ব্রিজ এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহতরা হলেন— কালাই উপজেলার ভূগোইল গ্রামের মোফাজ্জল হোসেন মন্ডল ও একই গ্রামের ইদ্রিস আলী। আর কালাই উপজেলার ভূগোইল গ্রামের ভ্যান চালক নুরুল ইসলাম আকন্দ ও বুরাইল গ্রামের আশরাফ আলী আহত হন।
স্থানীয়রা জানান, নুরুল আকন্দ বাঁশের ব্রিজ এলাকা থেকে ৪ থেকে ৫ জন যাত্রী নিয়ে পুনট বাজারে যাচ্ছিলেন। পথে একটি প্রাইভেটকারের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই ভ্যানের দুই যাত্রী নিহত হয়। আহত হয় ভ্যানচালকসহ আরও দুজন।
আরও পড়ুন: খাগড়াছড়িতে দুর্বৃত্তের গুলিতে ইউপিডিএফ কর্মী নিহত, নারী আহত
স্থানীয়রা তাদের কালাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। পরে ভ্যানচালককে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
কালাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদ হোসেন বলেন, ‘নিহতের পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় তাদের লাশ পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।’
৩৮৩ দিন আগে
জয়পুরহাটে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের কমিটি নিয়ে দুপক্ষের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি
জয়পুরহাটে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্র-ঘোষিত নতুন কমিটি নিয়ে পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি পালন করেছে দুপক্ষ।
বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) নতুন কমিটিতে স্থান পাওয়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়করা জয়পুরহাট প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন।
সংবাদ সম্মেলন নতুন কমিটির আহ্বায়ক হাসিবুল হক সানজিদ, সদস্য সচিব মুবাশীর আলী শিহাব, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সচিব নিয়ামুর রহমান নিবিড়, যুগ্ম সদস্য সচিব মোবাশ্বের হোসেন, মুখ্য সংগঠক এহছান আহমেদ নাহিদ উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় তার বলেন, কেন্দ্র-ঘোষিত কমিটি একতরফা হয়েছে বলে যে অভিযোগ করা হচ্ছে তা ভিত্তিহীন। আন্দোলনের সময় যারা আমাদের সঙ্গে ছিলেন তারাই এই কমিটিতে স্থান পেয়েছেন।
অপরদিকে, নতুন জেলা কমিটিতে পদবঞ্চিতরা শহরের স্থানীয় শহিদ ডা. আবুল কাশেম ময়দানে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন।
আরও পড়ুন: ৫ দফা দাবিতে চমেক হাসপাতালে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি
মানববন্ধন চালাকালে বক্তব্য দেন— ছাত্র আন্দলোনের প্রতিনিধি বোরহান উদ্দীন, আশরাফুল ইসলাম, মোহাম্মদ সাকিল, রাকিব হাসান, শাহিন আলম, নাঈম হোসেন, সবুজ হোসেন প্রমুখ।
৪০৪ দিন আগে
জয়পুরহাটে দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে জামায়াত নেতা নিহত
জয়পুরহাটে দুটি মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে দেলোয়ার হোসেন নামে জামায়াতের এক নেতার মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার (১ জানুয়ারি) সকালে সদর উপজেলার গুয়াবাড়ি ঘাট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত দেলোয়ার হোসেন জয়পুরহাটের চৌমুহুনী দণ্ডপানি গ্রামের বাসিন্দা। তিনি জয়পুরহাটের জামায়াতের কর্ম পরিষদ সদস্য ও বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সদর উপজেলা শাখার সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন।
জয়পুরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহেদ আল মামুন বলেন, ‘দেলোয়ার মোটরসাইকেল করে জয়পুরহাটের উদ্দেশে রওনা দেন। গুয়াবাড়ি ঘাট এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা আরেকটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি নিহত হন।’
তার মৃত্যুতে জয়পুরহাট জেলা জামায়াতের আমির ডা. ফজলুর রহমান সাঈদ ও সেক্রেটারি জেনারেল গোলাম কিবরিয়া মন্ডল শোক প্রকাশ করেছেন।
৪৬০ দিন আগে
জয়পুরহাটে কামাল হত্যা মামলায় ৮ জনের যাবজ্জীবন
জয়পুরহাটে আধিপত্য বিস্তারের জেরে কামাল নামের এক ব্যক্তিকে হত্যা মামলায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় ৮ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সেইসঙ্গে সবাইকে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও দুই বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) দুপুরে জয়পুরহাটের অতিরিক্ত দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক মো. নুরুল ইসলাম এ রায় দেন।
সাজাপ্রাপ্তরা হলেন- জেলার তেঘর রেলগেটের সুজাউল ওরফে সেজাউল, পার্শ্ববর্তী মুজিব নগরের রুবেল, পলি কাদোয়া গ্রামের লম্বা বাবু, জয়পুরহাট পৌর এলাকার পূর্ব দেবীপুর মহল্লার জিয়া, নতুন হাট-সংলগ্ন দেওয়ান পাড়ার মিজানুর রহমান ওরফে পিচ্চি জুয়েল, গৌরীপাড়ার ফরিদুল ইসলাম ওরফে কানা সবুজ, রানা আহম্মেদ ও ইসলাম নগরের মিঠুন।
আরও পড়ুন: শিশু ধর্ষণ মামলার ৮ বছর পর আসামির যাবজ্জীবন
এদের মধ্যে সেজাউল, জিয়া, মিজানুর ও কানা সবুজ পলাতক রয়েছেন।
মামলার বিবরণে জানা যায়, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে জয়পুরহাট সদর উপজেলার পূর্ব দেবীপুর গ্রামের আব্দুস সালামের ছেলে কামালের সঙ্গে সেজাউলের বিরোধ চলছিল। এর জেরে আসামিরা কামালকে হত্যার পরিকল্পনা করে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০১৫ সালের ৩ অক্টোবর রাতে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে তেঘর রেললাইন-সংলগ্ন এলাকার একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে তাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।
পরের দিন ৪ অক্টোবর সকালে তার লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায় পুলিশ।
সেদিনই নিহতের মা মোছা. বেগম বাদী হয়ে জয়পুরহাট সদর থানায় হত্যা মামলা করেন। ওই মামলার দীর্ঘ শুনানি শেষে বিজ্ঞ আদালত আজ দুপুরে এ রায় দেন।
আরও পড়ুন: টাঙ্গাইলে হত্যা মামলায় নারীসহ দুজনের যাবজ্জীবন
৪৯৬ দিন আগে
জয়পুরহাটে ডাকাতির মামলায় ৫ জনের যাবজ্জীবন
জয়পুরহাট ডাকাতি মামলায় ৫ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে আরেকটি ধারায় ৭ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
এছাড়া মামলায় তাদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অনাদায়ে আরও ২ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন: গাইবান্ধায় হেরোইন বিক্রির অপরাধে এক ব্যক্তির যাবজ্জীবন
বুধবার (২৩ অক্টোবর) দুপুর দিকে জয়পুরহাটের অতিরিক্ত দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক মো. নুরুল ইসলাম এ রায় দেন।
আসামিরা হলেন- জয়পুরহাটের ক্ষেতলালের দাসরা খাঁপাড়ার ফজলু, তাজেল, উপজেলার পুরানাপৈল এলাকার মুকুল হোসেন পাংকু, কোচনাপুরের আনোয়ার হোসেন ও আমসাহাপুর- পালি গ্রামের মিঠুন হোসেন।
এদের মধ্যে ফজুল, মুকুল ও মিঠুন পলাতক রয়েছেন।
এ মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০১২ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি রাতে সদরের ভাদসা এলাকার গোলাম মাহমুদ মন্ডলের বাড়িতে ডাকাতি হয়।
এসময় তার পরিবারের লোকজনকে ডাকাতরা মারধর করে হাত-পা বেঁধে রেখে স্বর্ণালংকার, টাকাসহ বিভিন্ন মালামাল লুট করে। পরে তাদের চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে ডাকাতরা পালিয়ে যায়।
এরপর পুলিশ ও স্থানীয়রা পরিবারের লোকজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করায়। এ ঘটনায় ২১ ফেব্রুয়ারি সদর থানায় মামলা করা হয়।
আরও পড়ুন: হত্যা মামলায় ১৩ জনের যাবজ্জীবন
৫৩০ দিন আগে